Category: প্রচ্ছদ

  • জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

    জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

    জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব। এমনটি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (১৯ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং এপিএ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে আমরা সরকার গঠন করার পর থেকে ২০২৩ পর্যন্ত বিভিন্ন সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু দিক নির্দেশনা নিয়ে যে কাজ করে গেছি, যারা এই কাজে সহযোগিতা করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই। এত অল্প সময়ের মধ্যে আমরা যে দেশের একটা বিশাল পরিবর্তন আনতে পেরেছি, তার জন্য আপনাদেরই অনেক অবদান রয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে যে যাত্রা শুরু করলাম বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির, তার কারণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা। সবার সঙ্গে সবার যাতে যোগাযোগ থাকে, সুষ্ঠু পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হয়, সেই চিন্তা থেকেই কিন্তু আমরা এই পদ্ধতিটা নিয়েছি। আমার কাছে সব সময়ই একটা বিষয় ছিল যে, কত দ্রুত বাংলাদেশের উন্নতিটা করা যেতে পারে। আপনাদের অনেক পরিশ্রম করিয়েছি এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার ফসলটা তো বাংলাদেশ পাচ্ছে। আপনারাও আজকে বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে অতি দ্রুত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১২৬টি দেশের স্বীকৃতি তিনি আদায় করে দিয়ে গিয়েছিলেন। ৭৫ সালে ৯ ভাগ পর্যন্ত আমাদের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়। কিন্তু এর পরই মিলিটারি ডিকটেটর, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দেশ শাসন, ভোটের অধিকার হরণ করায় বহু বছর আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। প্রথমে ২১ বছর এরপর আরও ৮ বছর বলতে গেলে ২৯টা বছরই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা হয়েছে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে, সব সময়ই আমরা চেষ্টা করেছি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে, নিজেদের ভাগ্যের না। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি, যে কারণে একটা তাড়া আছে আমাদের। কারণ সময় তো ফুরিয়ে যায়, কিন্তু আমরা কতটুকু এগুতে পারলাম, সেই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলাই সবচেয়ে বড় কথা। সেই সঙ্গে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, আজ আমরা বলতে পারি, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। সেটা আমরা করতে পেরেছি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে পেরেছি বলেই।

  • ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ভর্তি ১৭০ ডেঙ্গুরোগী, মৃত্যু ১

    ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ভর্তি ১৭০ ডেঙ্গুরোগী, মৃত্যু ১

    বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৭০ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    এ নিয়ে চলতি বছরে গোটা বরিশাল বিভাগে দুজন ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল।

    শেবাচিম হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদরের চানপুরা এলাকার বাসিন্দা আবুল বাশারের স্ত্রী জোসনা (৩৫) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ জুলাই শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ জুলাই তার মৃত্যু হয়েছে।

    জোসনার স্বজন কলি বেগম জানান, হাসপাতালে ভর্তির তিন দিন আগে থেকে জোসনার জ্বর ছিল। বিছানা থেকে উঠতে না পারায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    তিনি বলেন, জ্বর হওয়ার আগে জোসনা কোথাও যাননি, বরিশালের নিজ বাড়িতেই ছিলেন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ১৭০ ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৩ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    এছাড়া বরিশাল জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ২৩ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলায় ৩১ জন, ভোলায় ২৭ জন, পিরোজপুরে ২০ জন, বরগুনায় ২৩ জন ও ঝালকাঠিতে তিনজন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যানুযায়ী সব মিলিয়ে মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) পর্যন্ত বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৪২৬ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি রয়েছেন।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে দুই হাজার ৮২ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক হাজার ৬৫৪ জন। এদিকে চলতি বছর শেবাচিম হাসপাতালে দুজন ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ দাস বলেন, ডেঙ্গু রোধে সচেতনতাই জরুরি। মানুষ সচেতন না হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমানো যাবে না।

    তিনি বলেন, বিভাগের সব সরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ডেঙ্গুরোগীদের গুরুত্ব দিতে।

    শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হচ্ছে। জনবলসহ নানা সংকট থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিচ্ছেন।

    হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড খোলা হয়েছে জানিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, শেবাচিম হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে ২০০ শয্যা রয়েছে। আরও ১০০ শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা যাবে।

  • বহিরাগতদের নিয়ে সড়ক অবরোধ, ছবি তুলতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত

    বহিরাগতদের নিয়ে সড়ক অবরোধ, ছবি তুলতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত


    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালে বহিরাগতেদের নিয়ে সড়ক অবরোধ করার ছবি তুলতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছেন । বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগের বিতর্কিত কমিটির লোকজন বহিরাগতদের নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন এ ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ হয়ে গেলে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করেছেন তারা।
    আজ রবিবার দুপুর বারোটার দিকে নগরীর বিএম কলেজ রোডে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেন বিতর্কিত ছাত্রলীগ কমিটির একাংশ। এতেকরে প্রায় দু’ঘন্টা ভোগান্তির শিকার হয় নগরবাসি।
    এসময়ে পুলিশের উপস্থিতিতে এক সাংবাদিক ছবি তুলতে গেলে আন্দোলনরত কয়েকজন তার মোবাইলটি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ও তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেনে ও তার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যরা ঐ সাংবাদিককে নিরাপদে সরিয়ে আনেন।

    সড়ক অবরোধ করার কারন জানতে গেলে জানা যায়, তাদের এক সহপাঠীকে মারধরের প্রতিবাদে রাস্তা আটকিয়ে নগরবাসীর ভোগান্তি করে এই কর্মসূচী দিয়েছেন মেয়র সাদিক পন্থীরা। তবে অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ সদস্যই জানেন না কি কারনে এই অবরোধ?।
    সরে জমিনে দেখা যায় আন্দোলনকারী বেশিরভাগ সদস্যই কোন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী নয়।

    এ বিষয়টি ভিডিও ধারণ করলে চোখে পড়ে আন্দোলনরত কয়েকজনের।
    ভিডিও ধারণ করায় ঐ সাংবাদিকের উদ্দেশ্যে তেরে আসেন কয়েকজন কথিত ছাত্রলীগ সদস্যরা।
    এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার জন্য হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকেন। বিষয়টি উপস্থিত প্রশাসনের নজরে আসলে তাৎক্ষণিক ওই সাংবাদিককে নিরাপদে নিয়ে আসেন তারা।

    সড়ক অবরোধ কর্মসূচীতে কর্মরত সাংবাদিকের সাথে কথা বললে তিনি জানায়, বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই বেশিরভাগই স্কুল ছাত্র এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করছেন। এমন দৃশ্য ভিডিও করতে গেলে আন্দোলনরত কয়েকজন আমার দিকে তেড়ে আসেন যাতে ভিডিও না করি। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাই ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান তিনি।
    উল্লেখ্য সড়ক অবরোধের এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপি পরিবারের সদস্য ও নগরীর আলোচিত টপ টেন মামলার অন্যতম আসামী মাজহারুল ইসলাম সোহান।
    ছাত্রদল নেতার ছোটভাই সোহান তাদের নব্য বিতর্কিত কমিটির জানান দিতেই নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলে করেছেন এই সড়ক অবরোধ।

  • দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পরিকল্পিত নগরায়ন তদারকিতে নবনির্বাচিত মেয়র

    দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পরিকল্পিত নগরায়ন তদারকিতে নবনির্বাচিত মেয়র

    দায়িত্ব গ্রহণের আগেই নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। প্রতিদিনই তিনি নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সমস্যা-সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করছেন। চলমান নগর উন্নয়ন কাজের তদারকি করছে। দায়িত্বগ্রহণের আগেই নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় নবনির্বাচিত মেয়রের এমন কর্মকা-কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নগরবাসী।

    জানা গেছে, গত ১২ জুন বিপুল ভোটে বরিশাল সিটির মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। এরপর গত ৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। বরিশালে ফিরে তিনি নির্বাচনকালীন নগর উন্নয়নে দেয়া ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নের পুন:প্রতিশ্রুতি দেন।

    এদিকে, ‘শপথ গ্রহণ করলেও নবনির্বাচিত মেয়রকে বরিশাল সিটির দায়িত্ব গ্রহণে আরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। কেননা মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। সে হিসেবে তাঁর পাঁচ বছর পূর্ণ মেয়াদ শেষ হবে ২২ অক্টোবর। বিধি মোতাবেক এরপর দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে।

    তবে দায়িত্ব গ্রহণে এখন অনেক সময় বাকি থাকলেও বসে নেই তিনি। প্রতিদিনই নগর উন্নয়ন এবং নগরবাসীর সেবামূলক কর্মকা-ে অংশ নিচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে বরিশাল নগর উন্নয়নে সিটি করপোরেশনের অধিনস্ত স্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ খবর নিতে শুরু করেছেন।

    সবশেষ গতকাল শনিবার নগরীর নতুন বাজার, চৌমাথা বাজার, নথুল্লাবাদ বাজার, বটতলা বাজার, সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ-পূর্বপাশ এবং নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন নবনির্বাচিত মেয়র।

    এসময় তার সাথে ছিলেন- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধানসহ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক এবং প্রকৌশলী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।
    পরিদর্শনকালে নবনির্বাচিত মেয়র জানান, ‘উন্নয়নের মাধ্যমে একটি পরিকল্পিত বরিশাল নগরী গড়ে তোলা হবে। এজন্য অবকাঠামো এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার দৃশ্যমান পরিবর্তন প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের সহায়তা চেয়েছেন তিনি। যে কারণে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী ও অধ্যাপকবৃন্দ তাকে এ বিষয়ে সহায়তার জন্য বরিশালে এসেছেন। তারা নগরীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছেন।

    যত দ্রুত সম্ভব বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। আর তাই দায়িত্ব গ্রহণ করে যাতে বসে থাকতে না হয় সেজন্যে আগে থেকেই পরিকল্পনা করে নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

  • বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর রেঞ্জসহ পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার ১৬ কর্মকর্তার বদলি

    বাংলাদেশ পুলিশের রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল রেঞ্জসহ উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ১৬ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

    রোববার (১৬ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনের সই করেন সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখ।

    বদলি হওয়া কর্মকর্তারাদের মধ্যে সিআইডির ডিআইজি মো. আবু কালাম সিদ্দিককে ট্যুরিস্ট পুলিশে, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি (বর্তমানে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) এ কে এম নাহিদুল ইসলামকে সিআইডিতে, ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) বিপ্লব বিজয় তাললুকদারকে পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) রাজশাহী, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামানকে ঢাকা পুলিশ স্টাফ কলেজে, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হককে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও রাজশাহী মহানগরী পুলিশ কমিশনার মো. আনিসুর রহমানকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি করা হয়েছে।

    রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মো. আবদুল বাতেনকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদকে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের মো. জামিল হাসানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত ডিআইজি (বর্তমানে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) রখফার সুলতানা খানমকে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে, ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. জাকির হোসেন খানকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

    এছাড়াও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত ডিআইজি (বর্তমানে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. মনিরুজ্জামানকে এসবিতে, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (বর্তমানে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকীকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে, টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মো. ময়নুল ইসলামকে ঢাকা ট্রেনিং ড্রাইভিং স্কুলে ও ঢাকা ট্রেনিং ড্রাইভিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মো. নজরুল ইসলামকে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

  • সন্ধ্যা হলেই মশার দখলে বরিশাল  মশক নিধনের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই সিটি করপোরেশনের

    সন্ধ্যা হলেই মশার দখলে বরিশাল মশক নিধনের দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই সিটি করপোরেশনের

    বরিশালে প্রতিদিন সন্ধ্যার সাথে সাথেই উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যায় মশার উৎপাত। তবুও মশক নিধনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই সিটি করপোরেশনের। ফলে মশা নিধনে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করছে নগরবাসী।

    নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাহিদা বেগম অভিযোগ করেন, তার বাসার সড়কে গত একমাসেও কেউ মশার ওষুধ স্প্রে করতে আসেনি। মাঝে মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার লোক আসে। তাদের টাকা না দিলে কাজ করে না। তাঁরা বাসার আশেপাশের এলাকা পরিষ্কারের জন্য টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে চলে যায়। অথচ এই কাজের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের।

    ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনবাজার এলাকার বাসিন্দা পলাশ হোসেন বলেন, নতুনবাজার হলো মশার কারখানা। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হলে মশা ভনভন শব্দে যেভাবে ঘিরে ধরে, মনে হয় উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, শুধু রাতে নয়, দিনেও মশায় কামড়ায়। কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। মশার যন্ত্রণা বন্ধ করতে সিটি করপোরেশনের আন্তরিক পদক্ষেপ দরকার।

    ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অক্সফোর্ড মিশন রোডের বাসিন্দা ইউসুফ শিকদার বলেন, আগে দেখতাম সন্ধ্যা হলে মশার উৎপাত শুরু হয়। এখন দিন-রাত সমান তালে মশার যন্ত্রণা। তবে সন্ধ্যার পর তা চরমে পৌঁছে। তখন কয়েল বা স্প্রে ছাড়া ঘরে থাকা যায় না। মশক নিধনের কোনো কার্যক্রম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

    ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর সাবেক সভাপতি শাহ সাজেদা বলেন, নগরীর সবখানেই মশার উৎপাত। মশা নির্মূলে জোড়ালো ব্যবস্থা না নিলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।

    সাগরদী বিড়ি ফ্যাক্টরি এলাকার বাসিন্দা রিকশাচালক মনির গাজী বলেন, তার এলাকায় মাঝে মধ্যে স্প্রে করতে লোক যায়। কিন্তু স্প্রে করে আসার পর মশা আবার বেড়ে যায়। কী দিয়ে স্প্রে করে তা তো আমরা সাধারণ মানুষ জানি না। তিনি বলেন, যেসব জায়গায় মানুষের চলাচল সেখানে স্প্রে করে। অপরিচ্ছন্ন জায়গা বা মশার উৎসস্থলে স্প্রে করে না। এতে করে মশা কোনভাবেই কমচ্ছে না।

    খান সড়ক এলাকার গৃহবধূ নাসিমা আক্তারেরও একই অভিযোগ। তার বাসার পেছন থেকে সাগরদী খালের একটি অংশ রয়েছে। ওই খালের দুই পাড় ভরাট হয়ে সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় সেখানে ময়লা আটকে থাকে। ওই ময়লায় জন্ম নিচ্ছে মশা।

    পরিবেশ রক্ষা ও সমাজকর্মী কাজী মিজানুর রহমান বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকার ডোবা, নালা, ড্রেন, খাল, মজা পুকুর থেকে শুরু করে বাড়ির আশেপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে হবে। এরপর ফগার মেশিন অথবা হ্যান্ড স্প্রে দিয়ে ওষুধ ছিটানো হলে ওই সব স্থানে থাকা মশার লার্ভা ধ্বংস হবে।

    তবে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিমের দাবি, নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ২২৫টি মহল্লায় ১১টি ফগার মেশিন ও ৮০টি হ্যান্ড স্প্রে নিয়ে তাদের ১০০ জন কর্মচারী কাজ করছেন।

    সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মনজুরুল ইমাম বলেন, এখন পর্যন্ত যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা সবাই ট্রাভেল পেশেন্ট। আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকায়। ছুটিতে বাড়িতে এসেছেন। সেখান থেকে অন্যরা সংক্রমিত হয়েছেন।

    প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, নগরীর খাল, ড্রেন, জলাশয়, ডোবা, নালা, নর্দমা পরিষ্কার করা হচ্ছে। মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে কাজ চলমান রয়েছে।

  • সাহারা খাতুনের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সাহারা খাতুনের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম এড সাহারা খাতুনের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ জুলাই ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভি আইপি হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জনাব এড কামরুল ইসলাম এমপি।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি।
    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক ড. এড জগলুল কবির ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এড আনিসুর রহমান বক্তব্য রাখেছেন।
    সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি এড আসাদুজ্জামান দূর্জয়।

  • বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহা: পলাশ চৌধুরীর জন্মদিন আজ

    বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহা: পলাশ চৌধুরীর জন্মদিন আজ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টল বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহা পলাশ চৌধুরীর জন্মদিন আজ। ১৯৭৯ সালের ১৪ ই জুলাই এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন ‍তিনি।

    মুহা পলাশ চৌধুরী বাংলার মুখ ২৪.কম এবং দৈনিক বরিশাল সংবাদের এর প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক দখিনের প্রতিবেদন এর প্রধান সম্পাদক পদে নিযুক্ত আছেন এবং বরিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বরিশাল অনলাইন এডিটর কাউন্সিল এর সাধারন সম্পাদক। পলাশ চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি এবং সাবেক ছাত্র সংসদ সদস্য (বাকসু)। এছাড়াও দীর্ঘদীন ধরে সুনামের সহিত ঠিকাদারি ব্যাবসা করে আসছেন।

    তার জন্মদিনে বাংলার মুখ ২৪.কম এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

  • বরিশালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমশ নাজুক হচ্ছে

    বরিশালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমশ নাজুক হচ্ছে

    বরিশালে ডেঙ্গু ক্রমশ আগ্রাসী আকার ধারণ করছে। প্রতিদিনই শত শত নতুন আক্রান্ত সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছে। গত ৪ দিনে বরিশাল বিভাগের সরকারী হাসপাতালগুলোতে আরো ৩ শতাধিক ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে গত ৩ মাসে এ অঞ্চলের সরকারী হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সংখ্যা প্রায় দেড় হাজারের কাছে পৌছলেও এর সিংহভাগই ভর্তি হয়েছেন গত ঈদ উল আজহার পর থেকে। বুধবার সকাল পর্যন্ত এ অঞ্চলের সরকারী হাসপাতালগুলোতে পৌনে ৩শ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের মতে, বিগত ঈদ উল আজহার সময় ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে যে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঘরে ফিরেছেন, তাদের অনেকেই ডেঙ্গুর জীবানু বহন করায় এ অঞ্চলে এসে রোগের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসা শুরু করেছেন। অনেকই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ঈদের পরে এসব রোগীর ভারেই এখন বরিশাল অঞ্চলের হাসপাতালগুলো নুহ্যমান।

    বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে স্বাভাবিক সময়েই অনুমোদিত বেডের তিনগুনেরও বেশী রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের নিয়ে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। তবে ইতোমধ্যে ডেঙ্গু অঅক্রান্তদের নিয়ে আলাদা ইউনিট চালু করা হলেও রোগীর ভারে সেখানেও পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয়।

    বুধবার সকাল পর্যন্ত এ অঞ্চলের সর্ববৃহত এ চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানটিতে ৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এছাড়া বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ২৫ জন, পটুয়াখালীতে ৫৩, পিরোজপুরে ৪৮, ভেলাতে ২৮ এবং বরগুনাতে ২৫ জন ছাড়াও ঝালকাঠীতে ৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। চলতি বছর গত ৯ জুলাইয়ের পরেই ঝালকাঠীতে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হল।

    এ অঞ্চলের মধ্যে বরিশাল মেডিকেল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালে সাড়ে ৫শরও বেশী ডেঙ্গু আক্রান্ত চিকিৎসা নিয়েছেন। এরপরের অবস্থান পটুয়াখালীর। জেলাটির বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে এপর্যন্ত ২২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। পিরেজপুরে সংখ্যাটা ছিল ১৩৪, বরগুনাতে ১২২, ভোলাতে ১০৪ এবং ঝালকাঠীতে ১২ জন।

    তবে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের মতে, বরিশাল অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে ভর্তিকৃতদের মধ্যে ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ৮৮২ জন ঘরে ফেরার কথা বলা হলেও বেশীরভাগ সরকারী চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানগুরোতে এ বাড়তি রোগী বহনের সক্ষমতা নেই। চিকিৎসক সহ সব ধরনের জনবল সংকটে এ অঞ্চলের প্রায় সব হাসপাতালেই চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হবার সাথে প্রয়োজনীয় বেড ও ওষুধ সংকটও পরিস্থিতিকে ক্রমশ নাজুক করে তুলছে।

    তবে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বশীল মহল পরিস্থিতি উত্তরনে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে সম্ভব সব কিছু করা হচ্ছে বলেও জানান হয়েছে। শের এ বালা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার ব্যপারে বুধবার হাসপাতালটির পরিচালকের সাথে আলাপ করতে তার সেল ফোনে একাধিকবার কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

  • বিসিসি’র নবনির্বাচিত মেয়রের সাথে বিএমপি পুলিশের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বিসিসি’র নবনির্বাচিত মেয়রের সাথে বিএমপি পুলিশের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন বিসিসি’র নবনির্বাচিন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ বরিশালের চার থানার অফিসার্স ইনচার্জরা।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নব-নির্বাচিত মেয়র বঙ্গবন্ধু’র ভাগ্নে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে শুভেচ্ছা জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সহ মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা।

    বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ বৃন্দরাও এসময় বরিশালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় বরিশাল মহানগর আওয়ামী যুবলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মাহমুদুল হক খান মামুন উপস্থিত ছিলেন।