Category: প্রচ্ছদ

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    নিউজ ডেস্কঃঃ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় গ্রহণ নেবে। সারাদেশে ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মোট ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    এ বছর এসএসসি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করে যানজট এড়াতে তা পিছিয়ে বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    গত ১৯ জুন এসএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও সিলেটসহ দেশের অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। এবার সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে ৩ ঘণ্টার পরিবর্তে ২ ঘণ্টা পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হলেও করোনার কারণে এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার।

    করোনার কারণে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি। এক মাস পর ২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গন খুলে দেয় সরকার।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর প্রথম দফায় গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন।

    এদিকে সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে পেছানো ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৬ নভেম্বর। এবার সকাল ও বিকেল দুই ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সকালের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেলের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। গত সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে।

  • ২০২৩ সালের নভেম্বরে তফসিল, ভোট ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথমে

    ২০২৩ সালের নভেম্বরে তফসিল, ভোট ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথমে

    নিউজ ডেস্কঃঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। একই বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ কিংবা ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খান। এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন না। তিনি অসুস্থ বলে জানা গেছে। তবে, অন্যান্য কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি মাস থেকে নির্বাচন পর্যন্ত কী কী কার্যক্রম চলবে তা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসি কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ও অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের সময় সংবিধানের আলোকে যেসব সুপারিশ এসেছে সেগুলো নেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সবার সহায়তা দরকার।

    প্রসঙ্গত গত সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর। রোডম্যাপ অনুযায়ী, এবার নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে।এ জন্য আগের নীতিমালা পর্যালোচনা করে আগামী বছরের জানুয়ারিতে নতুন নীতিমালা তৈরি করা হবে।

  • বরিশালে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    বরিশালে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    বরিশালে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরীসহ জেলার অধিকাংশ সড়ক। গত রোববার ভোর ৫টার দিকে প্রথম বৃষ্টি শুরু হয়। টানা বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সে সঙ্গে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। আর খাল ও ড্রেন দিয়ে কীর্তনখোলা নদীর জোয়ারের পানি নগরের নিম্নাঞ্চলগুলোয় ঢুকে পড়ছে।

    মুষলধারায় বৃষ্টির কারণে হঠাৎ করে বিপাকে পড়ে নগরবাসী। বিশেষ করে রিকশাচালক, মোটরসাইকেলচালক থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে খাওয়া কর্মজীবীরা বেশি বিপদে পড়েছেন। প্রচণ্ড বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

    আজ মঙ্গলবার নগরীর সদর রোর্ডে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি হওয়ার পর বৃষ্টি কমার আশায় রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে অপেক্ষা করছে। তবে বৃষ্টি না কমায় বাধ্য হয়ে তাদের অনেকেই ভিজে বাসায় যেতে লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও দেখা গেছে পেটের টানে বৃষ্টির মধ্যে ভিজে এক বৃদ্ধ তার মাথায় কলার সাজি নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন। এদিকে নগরীর বেশ কিছু এলাকাভিত্তিক সড়ক বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। যার ফলে সাময়িক সময়ের জন্য তৈরি হয়েছিল জনদুর্ভোগ।

    অন্যদিকে লক্ষ করা গেছে, বরিশালের কীর্তনখোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের সব নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সে সঙ্গে দিনভর হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে সমগ্র বরিশালে।

    গতকাল সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বিভাগের মধ্যে বরিশাল নগর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে দিনের সর্বশেষ জোয়ারে ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখানের সুরমা-মেঘনা নদীর পানি ৬৪ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা-মেঘনার পানি বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর/পায়রা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    অপরদিকে বরগুনায় বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ও পাথরঘাটায় ৮২ সেন্টমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া পিরোজপুরে বলেশ্বর নদীর পানি বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ও উমেদপুরে কচা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    পাউবোর গেজরিডার শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রধান নদ-নদীতে পানির স্তরের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে গত দুদিনের মতো আজও এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত দক্ষিণাঞ্চলের সব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

    বরিশাল পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে গত তিন দিন ধরে দক্ষিণাঞ্চলের সব নদ-নদীর পানি জোয়ারের সময় স্বাভাবিকের থেকে বাড়বে।

  • চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে

    চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে

    নিউজ ডেস্কঃঃ চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপ-কমিটি। ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ফোরআইআর ফর ইমার্জিং ফিউচার’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সম্মেলন আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশে (আইইবি) অনুষ্ঠিত হবে।

    কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে যাত্রা এবং ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন’।

    আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর এ আয়োজনের বিষয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল হয়ে উঠেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব (ফোরআইআর) মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এ কারণে অত্যন্ত সময়োপযোগী এই কনফারেন্সটি দেশ-বিদেশের পলিসি মেকার, ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া, ইঞ্জিনিয়ার, সাইন্টিস্ট ও রিসার্চারদের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ও নলেজ শেয়ারিং এর দারুণ সুযোগ সৃষ্টি করবে। একটি প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অবদান রাখবে।

    আয়োজকরা আরও জানান, কনফারেন্সে শিক্ষা-প্রযুক্তি (এডুটেক), কম্পিউটার, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও চতুর্থ শিল্পবিপ্লব সম্পর্কিত যেকোনো গবেষণাপত্র জমা দেওয়া যাবে।

    আগ্রহী গবেষকদের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গবেষণার সারবস্তু ও জীবনবৃত্তান্তের সারসংক্ষেপ কনফারেন্স ওয়েবসাইটে জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ১০ অক্টোবর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ২৫ অক্টোবর বাছাইকৃত গবেষণাপত্রগুলো উপস্থাপনার জন্য চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।

    আগ্রহী অংশগ্রহণকারীরা নির্ধারিত নিবন্ধন ফি প্রদান করে কনফারেন্সে অংশ নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রফেশনালদের জন্য নিবন্ধন ফি ১,০০০ হাজার টাকা এবং বিদেশি প্রফেশনালদের জন্য ১০০ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০ টাকা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ মার্কিন ডলার নিবন্ধন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সম্মেলন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে www.4iref.org এই ওয়েবসাইটে।

  • ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩ লাখ ৪৯ হাজার

    ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩ লাখ ৪৯ হাজার

    নিউজ ডেস্কঃঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৮৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬০ জন। এছাড়া একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৯ জন।

    এ নিয়ে বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫ লাখ ১৮ হাজার ৯৩ জনে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ কোটি ৪২ লাখ ৯২ হাজার ৯৯১ জনে। এছাড়া করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৫৯ কোটি ৩৩ লাখ ৩১ হাজার ৯৩৯ জন।

    মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে জাপানে, ৮৫ হাজার ২৫ জনের। এসময়ে দেশটিতে মারা গেছেন ১২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু।

    করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকার এখনো শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৪ হাজার ৮১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন ৯২ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ কোটি ৭১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৩২ জনে। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ১০ লাখ ৭৬ হাজার ৫৩ জন।

    এছাড়া ব্রাজিলে একদিনে মারা গেছেন ৩৭ জন, ফ্রান্সে ৪০ জন, জার্মানিতে ৯০ জন, রাশিয়ায় ৮১ জন, তাইওয়ানে ২৮ জন, ফিলিপাইনে ৩৮ জন এবং চিলিতে ৩৬ জন।

    এ সময়ে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত কারো মৃত্যু না হলেও নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪২১ জন।

  • সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে বিসিসি মেয়রের শোক

    সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে বিসিসি মেয়রের শোক

    খবর বিজ্ঞপ্তি ::: আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    এক শোকবার্তায় সিটি মেয়র, সাজেদা চৌধুরীর অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকান্ডের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় রাখতে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে উল্লেখ করেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মারা গেছেন

    সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মারা গেছেন

    নিউজ ডেস্কঃঃ জাতীয় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

    সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু জানান, এখনো জানাজা এবং দাফনের সময় চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে সময় নির্ধারণ করা হবে। রাতে মরদেহ সিএমএইচে থাকবে। কাল (সোমবার) সংসদ প্লাজায় জানাজা শেষে নিজ বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে ফের ঢাকায় এনে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

    ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

    ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

  • বরিশাল জেলা পরিষদের দলীয় মনোয়ন পেলেন জাহাঙ্গীর

    বরিশাল জেলা পরিষদের দলীয় মনোয়ন পেলেন জাহাঙ্গীর

    বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোয়ন পেয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন।

    শনিবার বিকেল ৪ টায় আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় দলীয় প্রার্থী হিসাবে তাকে মনোনিত করা হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন নিজেই।

    এরআগে, আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভা শনিবার বিকেল ৪ টায় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন, আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এদিকে, বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের মনোয়ন আওয়ামী লীগের আরো ৫ নেতা আবেদন করেন। গত বৃহস্পতিবার শেষ দিন পর্যন্ত এই ৫ নেতা দলের ধানমন্ডি কার্যালয়ে ফরম জমা দেন।

    এরা হলেন, বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মইদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খান আলতাফ হোসেন ভুলু, দলের মহানগর সহ-সভাপতি ভিপি আনোয়ার হোসাইন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আনিসুর রহমান ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ নেতা দেলোয়ার হোসেন দিলু।

    কিন্তু শনিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রার্থী হিসাবে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম ঘোষণা করেন।

    বরিশাল সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নরুল আলম বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক। আগামী ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন হবে। ভোট হবে ইভিএমে। তবে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে হবে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্বাচনে জেলার মোট ১২৯১ জন ভোটার চ‚ড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৯৮১ এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৩১০ জন। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলো পুনরুজ্জীবিত করা হয়। ওই নির্বাচন প্রধান বিরোধী দলগুলো বয়কট করায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরাই জেলার চেয়ারম্যান হন।

    এছাড়া ১৩ জেলায় স্বতন্ত্র হিসেবে যারা জয়ী হন, তাঁরাও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১০ দিন পর গত ১৭ এপ্রিল দেশের ৬১ জেলা পরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদেরই আবার প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ৩১ আগস্ট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনের তফসিলে ১৭ অক্টোবর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

  • ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৃতীয় চার্লসকে রাজা ঘোষণা

    ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৃতীয় চার্লসকে রাজা ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক ::: ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে দেশটির নতুন রাজা হচ্ছেন তার ছেলে ও সাবেক প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস। স্থানীয় সময় শনিবার ঐতিহাসিক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লন্ডনের সেন্ট জেমসেস প্রাসাদে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাকে দেশটির রাজা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তিনি এখন রাজা তৃতীয় চার্লস হিসেবেই পরিচিতি পাবেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    অ্যাকসেশন কাউন্সিল নামে একটি আনুষ্ঠানিক পরিষদের সামনে রাজা হিসেবে চার্লসের অভিষেক ঘটে। এর পরেই অর্ধনমিত পতাকা পূর্ণভাবে উত্তোলন করা হয়। এর আগে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছিল। প্রথমবারের মতো পুরো ঘটনা টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।

    এরপর রোববার পর্যন্ত পুরো দেশে চার্লসের রাজা হওয়ার ঘোষণা প্রচার করা হবে। এরপর আবারও পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

    এর আগে মায়ের মৃত্যুর পর নতুন রাজা হিসেবে তৃতীয় চার্লস জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দেন। এতে তিনি সম্মান, সমমর্যাদা ও ভালোবাসার মাধ্যমে ব্রিটেন ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রিয় মায়ের কথা স্মরণ করে রাজা চার্লস বলেন, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ দারুণ একটা জীবন পার করেছেন। তিনি সবসময় লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীর মর্মাহত।

    শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের উষ্ণতা, রসিকতা এবং মানুষের জন্য সর্বোত্তম কাজ করার প্রশংসা করেন তিনি।

    অ্যাকসেশন কাউন্সিলে প্রথম রাজা চার্লস ব্যক্তিগতভাবে রানি মৃত্যুর কথা ঘোষণা করেন এবং চার্চ অব স্কটল্যান্ড সংরক্ষণের শপথ নেন। কারণ স্কটল্যান্ডে গির্জা এবং রাষ্ট্রের মধ্যে ক্ষমতার পার্থক্য রয়েছে।

    শনিবার প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাবে তাকে রাজা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। সেন্ট জেমসেস প্রাসাদের ফ্রায়ার কোর্ট ব্যালকনি থেকে নতুন রাজার ঘোষণা পাঠ করা হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। লন্ডনের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বিবৃতি দেয় বাকিংহাম প্যালেস।

    ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ৭০ বছর সিংহাসনে ছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। কয়েক মাস আগেই তার সিংহাসনে আরোহণের ৭০ বছর উদযাপন করা হয়।

  • অক্টোবরেই হতে পারে ছাত্রলীগের সম্মেলন

    অক্টোবরেই হতে পারে ছাত্রলীগের সম্মেলন

    নিউজ ডেস্কঃঃ ২০১৮ সালে ২৯তম সম্মেলনের পর পেরিয়ে গেছে চার বছর। বর্তমান সভাপতি-সম্পাদক দায়িত্ব নেওয়ার পরও পেরিয়েছে ৩ বছর। দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্বে থাকলেও আশানুরূপ সাংগঠনিক শক্তি অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগ আছে বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে। আছে অছাত্র, বিবাহিত এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের পদ দেওয়ার অভিযোগ। এর মাঝে সম্মেলনপ্রত্যাশী নেতাদের তোপের মুখে একাধিকবার পড়েছেন তারা দুজন। তবে সম্মেলন করার কোনো উদ্যোগ নেননি তারা।

    এ অবস্থায় আগামী নির্বাচনের আগে নতুন নেতৃত্ব আনতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন হতে পারে আগামী অক্টোবরে।

    আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং একজন সাংগঠনিক সম্পাদক জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এ বিষয়ে বলেন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় আমরা সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছরের অক্টোবরেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে আমরা তার সঙ্গে বৈঠকে বসবো। তখন তিনি সম্মেলনের তারিখ জানাবেন।

    ‘এ মাসে আবার প্রধানমন্ত্রীরর জাতিসংঘ সফরও রয়েছে। এটি শেষ করে এ মাসেই দেশে ফিরবেন তিনি। আমরা আশা করছি, অক্টোবরের মধ্যে সম্মেলনের কাজ সেরে ফেলতে পারবো।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ ঠিক হয়নি। নেত্রী যখনই তার সুবিধামতো তারিখের কথা জানাবেন, তখনই সম্মেলন করা হবে।

    এদিকে একাধিক সূত্র বলছে, আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে নেতৃত্বে আসার যোগ্যতা আছে এমন ছাত্রনেতাদের জীবনবৃত্তান্ত ও কার্যক্রমের তালিকা সংগ্রহ করেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। এখন হেভিওয়েট প্রার্থীদের অধিকতর তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ বা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ লক্ষ্য করেই ছাত্রনেতাদের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি ও জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ করছেন।

    সম্মেলন নিয়ে যা ভাবছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা

    আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছ থেকে সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতির কথা জেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।

    এ বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সোহান খান বলেন, সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ধন্যবাদ জানাই। জয়-লেখকের কাছ থেকে ছাত্রলীগ মুক্ত হচ্ছে, এটা অনেক আনন্দের। আমরা চাই, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্য, ধারাবাহিকতা ও গতিশীলতা ফিরে পাক।

    ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান বলেন, নানান কারণে ছাত্রলীগের সম্মেলন এতদিন হয়নি। এতে সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সম্মেলন করার বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তাতে আমরা আনন্দিত

    ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আলম বলেন, ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। দুঃখজনকভাবে গত কমিটি গঠনের সময় সম্মেলন করা হয়নি।

    ‘বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমরা নেত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। নেত্রীর নির্দেশনায় সম্মেলন হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে কাজ করার প্রেরণা-উৎসাহ আসবে।’

    সম্মেলনের বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান জয় বলেন, আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী, অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করে দিতে অনুরোধ করেছিলাম। তিনি বলেছেন, জানাবেন।