Category: প্রচ্ছদ

  • শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে: ওবায়দুল কাদের

    শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে: ওবায়দুল কাদের

    নিউজ ডেস্কঃঃ ‘শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এটা হয়তো জানে না বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও পিছু হটতে জানেন না, ভয় পান না। যদি শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকেন, বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকবে না। তিনি (শেখ হাসিনা) হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা হেরে যাবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হেরে যাবে।

    মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর লালবাগের নবাবগঞ্জ পার্কে লালবাগ থানা ও ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ‘রাজপথ এখন থেকে বিএনপির দখলে থাকবে’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্দোলন করতে চাইলে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে আন্দোলন করুন। আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। রাজপথ কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। আপনারা ফাঁকা মাঠে আন্দোলন করবেন, আর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বসে বসে আঙুল চুষবে, তা তো হবে না।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আন্দোলন করার জন্য মাঠে কিছু লোক নামিয়েছে। কারা কত দিন থাকেন আমরাও দেখবো। গতবার নির্বাচনের সময়ে ২০ দলীয় জোটের অবস্থা ছিল জগাখিচুড়ি। এখন তাদের অবস্থা আষাঢ়ের তর্জন-গর্জনের মতো।

    দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করতে নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, তাদেরকে শেখ হাসিনা ছাড় দেবেন না। স্লোগান দিয়ে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, শক্তি প্রদর্শন করে নেতা হতে পারবেন না। যে যার এলাকায় জনপ্রিয়, তিনিই সেখানে নেতা হবেন।

    সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক ও কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আইনবিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরু, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মোস্তাফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

    এতে সভাপতিত্ব করেন লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান।

  • দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০১

    দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০১

    অনলাইন ডেস্ক ::: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯ হাজার ৩৪০ জনে।

    একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬০১ জন। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ১২৫ জনে।

    সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৬২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ১৯৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় পাঁচ হাজার ১৭৯টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।

    গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তদের মধ্যে ৫০৯ জন ঢাকা বিভাগের, ১৫ জন ময়মনসিংহ বিভাগের, ১৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২৫ জন রাজশাহী বিভাগের, তিনজন রংপুর বিভাগের, আটজন খুলনা বিভাগের, ১৭ জন বরিশাল বিভাগের ও পাঁচজন সিলেট বিভাগের।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • যার নেতৃত্বে বদলে গেছে বাংলাদেশ

    যার নেতৃত্বে বদলে গেছে বাংলাদেশ

    আমার আর হারাবার কিছুই নেই, পিতা, মাতা, ভাই রাসেল সবাইকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি।’ সেদিন বাঙালি জাতিও তাকে নিজের করে নিয়েছিল। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ১৯৮১ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।

    বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে ফিরেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের হাল ধরে দলকে একত্রিত করলেন এবং সারা বাংলাদেশ বিচরণ করে মানুষের মধ্যে মিশে যান। বঙ্গবন্ধুর মতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষকে একত্রিত করলেন। সারা বাংলাদেশের মানুষ যেখানেই শেখ হাসিনাকে পেয়েছে বৃদ্ধা মায়েরা তাকে জড়িয়ে ধরে আপ্লুত হয়ে বলতেন এসেছে, শেখের বেটি এসেছে, নিশ্চই আমরা আবার এগিয়ে যাব। শেখ হাসিনা জানেন এদেশের মানুষ কী চায়। বাংলাদেশের কোন জেলার কোন উপজেলায় পাশ দিয়ে কি নদী প্রবাহিত; ঐ এলাকায় মানুষের কি সমস্যাÑতা তিনি বলে দিতে পারেন, কারণ বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ হাসিনা। তিনি সারা বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে রয়েছেন।

    কিশোর বয়স থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ছয় দফা আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। জাতির পিতা কি কি করতে চেয়েছিলেন তা থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শিক্ষা নিয়েছিলেন এবং তাঁর নীতি আজকে তিনি অনুসরণ করে চলছেন। পিতার মতো তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পছন্দ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি কখনো পিছপা হননি; দাবি আদায়ের মাধ্যমে আন্দোলন সফল করেই ফিরেছেন। রাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি বারবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সফল হয়েছেন।

    পার্বত্য শান্তি চুক্তি, গঙ্গার পানি চুক্তি, সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি, দীর্ঘদিনের স্থল সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, ছিটমহল সমস্যার সমাধান করে ছিটমহলবাসীর দুর্ভোগের লাঘব করা, আইসিটি ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন ইত্যাদি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা যেমন তাকে অবিস্মরণীয় নেতায় পরিণত করেছে ঠিক তেমনি বিশ্বব্যাংকের অন্যায় আচরণ ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে পদ্ধাসেতু নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ বিশ্ব রাজনীতি-অর্থনীতির বিশ্লেষকদের কাছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে কঠিন প্রতিজ্ঞাদীপ্ত করে তোলে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৫-পরবর্তী সবচেয়ে দৃঢ় মনোবলের সফল রাষ্ট্রনায়ক। তিনি টানা ৪১ বছর ধরে উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ১৮ বছরের বেশি সময় চতুর্থবারের মতো সরকার পরিচালনা করেছেন। দেশের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর পাশাপাশি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। ১৩ বছর আগের মাথাপিছু আয়কে চারগুণের বেশি বাড়িয়ে ২৮২৪ ডলারে উন্নীত করেছেন। পেয়েছেন ৪০টির বেশি আন্তজার্তিক পদক ও স্বীকৃতি। লিখেছেন চল্লিশটির অধিক বই। এক জীবনে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদও এত সাফল্য অর্জন করতে পারেননি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব অনন্য ও অতুলনীয় অর্জনের পিছনে রয়েছে নানান চড়াই-উৎরাই ও স্বজন হারানোর বেদনার দীর্ঘ সংগ্রামের সাহসী জীবন। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীসহ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার প্রচেষ্টা হয়েছিল আমার মনে হয় আল্লাহ তাকে নিজ হাতে রক্ষা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করবেন বলেই হয়তো আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানোসহ কমপক্ষে ২০ বার তাঁকে হত্যা করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তার পিছু ছাড়েনি। কিন্তু জাতীয় জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাৎক্ষণিক ও যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে তিনি সময়ক্ষেপণ করেন না।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সংবিধানে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলে গেছেন। তিনি চেয়েছিলেন সব শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে বৈষম্যহীন একটি সমাজ ব্যবস্থা, যেখানে জাতপাতের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ থাকবে না। দেশের উত্তর দক্ষিণ বা পূর্ব পশ্চিমে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। নারী পুরুষের মধ্যে সমঅধিকার থাকবে। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জš§শত বার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণ পালন করতে পেরেছি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিু মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। মুজিব শতবর্ষে তিনি ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না যেটা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল। স্বাধীনতার সুফল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুবিধা স¤পন্ন নগরে পরিণত করতে আমার গ্রাম-আমার শহর কর্মসূচীর মাধ্যমে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

    কোভিড-১৯ মহামারী মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবন জীবিকাকে মারাÍকভাবে ব্যাহত করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এ অবস্থা সফলভাবে মোকাবিলা করছে। জাপানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নিকেই এশিয়া প্রকাশিত ‘নিকেই কোভিড-১৯ রিকোভারি সূচক’-এর তথ্য মতে, করোনা মহামারি সামলে উঠার ক্ষেত্রে বিশ্বের যে দেশগুলো সবচেয়ে ভালো করছে, সেই তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবার উপরে। প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি ও সময়োপযোগী হস্তক্ষেপের ফলে এ সফলতা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

    নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বিশ্বের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু চিন্তা করতেন পুরুষের সঙ্গে নারীকেও এগিয়ে যেতে হবে। সে জন্য তিনি পুলিশ বাহিনীতে নারী সদস্য নিয়োগ দিয়েছিলেন।

    বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে নারীদের অন্তর্ভূক্তি করেছেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। নারী শিক্ষায় ব্যাপক সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ হতে ইউনেস্কো পিস ট্রি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। নারীর ক্ষমতায়নে তাঁর ভূমিকার জন্য এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয় এবং ইউএন উইমেনের পক্ষ থেকে প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কারণে বাংলাদেশকে সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড এ ভূষিত করা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা সংক্রান্ত সাফল্যের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ইউএনইপি হতে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কারণে।

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অত্যন্ত সফলতার সাথে অর্জন করেছে বাংলাদেশ। দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে, ২০১৩ সালেই অর্জন করে বিশ্বকে তাক লগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। এসডিজি লক্ষমাত্রাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্জন করবে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসডিজি অর্জনের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার দেওয়া হয়। দারিদ্র দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সার্বজনীন আহবানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ্ব সংস্থার সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন নেটওয়ার্ক নিউ ইয়র্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কার প্রদান করেন।

    ব্যক্তি জীবনে আমি সৌভাগ্যবান কারণ স্বাধীন বাংলাদেশের রুপকার বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পেয়েছিলাম আর তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে দেশ সেবায় কাজ করতে পারছি। ওয়ান ইলেভেন-এর সময় তৎকালীন সরকার আমেরিকা থেকে যখন তাকে দেশে ফিরতে দিচ্ছিল না তখন শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আমি আমার দেশে ফিরে যাবই’ এবং তিনি দেশে ফিরেছেন। সেদিনও শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর জন্য বাংলাদেশের জনগণ বাধভাঙা স্রোতের মতো সমবেত হয়েছিল। তিনি ফিরে আসলে আমি তাঁর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার এলাকার হোম ওয়ার্ক তুমি কেমন করেছো?’ জবাবে আমি তাকে বলেছিলাম, ‘এই আসনটি (ঢাকা-১০ বর্তমানে-১২) আমরা আপনাকে উপহার দিতে পারব।’

    তখন উনি আমাকে বলেছিলেন ‘কাজ করে যাও।’ কিন্তু তিনি যে আমাকে নমিনেশন দেবেন, সেটা তখন আমি ভাবতে পারিনি। নির্বাচনের পরে তিনি আমাকে বিনিয়োগ বোর্ডের সদস্য এবং প্রেস কাউন্সিল এর সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেন। ফলে বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও গণমাধ্যমের বিষয়ে আমি সম্যক ধারণা পাই। তাছাড়া তিনি আমাকে যে যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন আমি তা সম্পূর্ণরূপে পালন করতে চেষ্টা করেছি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে তিনি আমাকে প্রতিমন্ত্রী করলেন। আমার ধারণা ছিল না যে আমি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হবো। উনাকে সালাম করতে গেলে উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি বিস্মিত হয়েছ?’ আমি বলেছিলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি বিস্মিতই!

    তিনি বললেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে; মানুষ তাদের স্বজনদের হারিয়েছে। এ মুক্তিযুদ্ধকে আমরা ভুলতে পারব না। তুমি একজন সম্মুখ সমরের মুক্তিযোদ্ধা; এজন্যই তোমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছি।’ তারপর বের হয়ে আসার সময় তিনি আমাকে বলেন, আজকে থেকে তুমি সারা বাংলাদেশ ঘুরবে, প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি উপজেলায় কী কী সমস্যা আছে ঘুরে ঘুরে দেখবে এবং এগুলি নিয়ে কাজ করবে। তিনি আমাকে দেশের কোন প্রান্তে কোন ধরনের সমস্যা বিদ্যমান এবং তার সমাধান প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দেশনা দিলেন। আমি তাঁর নির্দেশনা মতো সারাদেশ ঘুরছি। আমার বাসাতেও যারা আসে আমি মধ্যরাত পর্যন্ত তাদের কথা শুনি; চেষ্টা করি সকলের সমস্যার সমাধান করতে।

    বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে তিনি যতটা অনমনীয় আবার মানুষের সেবায় তিনি ঠিক ব্যতিক্রম। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট যখন রোহিঙ্গারা নিজ দেশ মিয়ানমার হতে জোরপূর্বক বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল, তখন শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষায় সীমান্ত খুলে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘তোমরা কি ভুলে গেছো ১৯৭১ সালের কথা। মুক্তিযুদ্ধের সময় তোমরা কি পার্শ—বর্তী দেশে আশ্রয় নাওনি? দেশের ১৬ কোটি মানুষকে যদি খাওয়াতে পারি তাহলে এদেরকেও খাওয়াতে পারব। আসতে দাও; অন্তত জীবনটাতো বাঁচবে ওদের।’

    আজ বিশ্ব বিবেক শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘মানবতার জননী, স্টার অব দ্য ইস্ট’। বঙ্গবন্ধু কন্যা ২০০৮ সালে বলেছিলেন, বদলে দিবেন বাংলাদেশকে। তিনি যথার্থই বদলে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। তিনি যতদিন নেতৃত্বে থাকবেন ততদিন দুর্বার গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এদেশকে আর পিছনে ফিরে যেতে হবে না। একমাত্র তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে সামিল হবে। তার দূরদর্শিতা দক্ষতায় বারবার তিনি তা প্রমাণ করেছেন।

    লেখক: জাতীয় সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহান আরা আব্দুল্লাহ’র কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহান আরা আব্দুল্লাহ’র কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জননী সাহান আরা আব্দুল্লাহ,র কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর মুসলিম গোরস্থানে আজ এ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক, জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি,মাননীয় মন্ত্রী জননেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, এফবিআইয়ের পরিচালক সেরনিয়াবাত মঈন আব্দুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগ এর অন্যতম সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ এবং আঞ্জুমান আব্দুল্লাহ সহ জেলা, মহানগর আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ সহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • বিগত দিনের ন্যায় কথা রাখলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিগত দিনের ন্যায় কথা রাখলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃঃ আবারো মানবতার সহায়তায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করা বরিশাল নগরীর এক নরসুন্দরের পরিবারের আবেদনের তিন ঘন্টার মধ্যেই স্বজনদের কাছে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি। গতকাল শনিবার তিনি এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।মেয়রের নিজস্ব ফেইসবুক পেইজে সরাসরি লাইভ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শনিবার নগরীর সরকারি বরিশাল কলেজ সংলগ্ন রজনীগন্ধ্যা কমিউনিটি সেন্টারে বরিশাল জেলা নরসুন্দর কল্যান সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বিশ্বকর্মা পুজার আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নগরীর সাগরদী গাওসিয়া সড়ক নিবাসী ও একই এলাকার জয় হেয়ার ড্রেসার নামক প্রতিষ্ঠানের নরসুন্দর স্বপন চন্দ্র শীলের স্ত্রী রিতা রানী শীল জানান, তার স্বামী গত একবছর যাবত অসুস্থ্যতায় ভুগছেন। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় স্বপন চন্দ্র শীল যেমন আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তেমনি কর্মস্থলে যেতে না পারায় সংসারের ভরপোষনও চালাতে পারছেন না। তিন লাখ টাকা হলে তার স্বামীকে অপারেশন করে সুস্থ করে তোলা সম্ভব বলে জানান রিতা রানী। তার এ কথা শুনে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ স্বপন শীলের অপারেশনের পুরো টাকা দেয়ার কথা বলে অনুষ্ঠান শেষে বাসায় দেখা করতে বলেন। পরবর্তীতে রিতা রানী তার পুত্র জয় শীলকে সাথে নিয়ে গতকালই মেয়রের কালিবাড়ী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে দেখা করেন। এসময় মেয়র তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে স্বপন শীলের চিকিৎসার জন্য নগদ তিন লাখ টাকা স্ত্রী রিতা রানী শীলের হাতে তুলে দেন। আর্থিক সহায়তার অর্থ পেয়ে অশ্রু সংবরণ করতে না পারা রিতা রানী বলেন, তার বিশ্বাস ছিলো মেয়রের সাথে দেখা করে তাদের দূরাবস্থার কথা জানালে মেয়র তাদের ফিরিয়ে দিবেন না। রিতা রানী আরো বলেন , মেয়র তার বিশ্বাসের পুরোটাই বাস্তবায়ন করে চিকিৎসার পুরো টাকাই তার স্বামীর চিকিৎসার জন্য দিয়েছেন। টাকাগুলো হাতে পেয়ে মেয়রের জন্য রিতা রানী দু’হাত তুলে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন বলেন সৃষ্টিকর্তা যেন মেয়রকে র্দীঘজীবী করেন।

  • ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৬৬৩ মৃত্যু, শনাক্ত পৌনে ৫ লাখ

    ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৬৬৩ মৃত্যু, শনাক্ত পৌনে ৫ লাখ

    নিউজ ডেস্কঃঃ মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সংক্রমণ কিছুটা কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। এসময়ে এক হাজার ৬৬৩ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি সংক্রমিত হয়েছেন চার লাখ ৭১ হাজার ৮৩১ জন। এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫ লাখ ২৯ হাজার ৬৯ জনে। এছাড়া সংক্রমণ বেড়ে পৌঁছেছে ৬১ কোটি ৬৪ লাখ ৯১ হাজার ৩৬৯ জনে।

    এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যান এক হাজার ৩৩০ জন। এ সময়ে সংক্রমিত হন চার লাখ ৮১ হাজার ৩৩৮ জন।

    এদিকে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্য থেকে সেরে উঠেছেন পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার ৪৯২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৯ কোটি ৫৬ লাখ ৭২ হাজার ৫৯৩ জন।

    শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে আর দৈনিক সংক্রমণে দক্ষিণ কোরিয়াকে টপকে শীর্ষে উঠে এসেছে জাপান।

    যুক্তরাষ্ট্রে এসময়ে ২৭০ জনের মৃত্যু এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০১ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৭ জনের। এছাড়া মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৮১ হাজার ১৪৬ জন।

    এসময়ে জাপানে ৮৮ হাজার ৩৭৯ জন সংক্রমিত এবং মৃত্যু হয়েছে ১৭০ জনের। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ৪৩ হাজার ৩৪৭ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৩১২ জন।

    এদিকে, আলোচ্য সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫১ হাজার ৮৩২ জন। এ সময়ে মারা গেছেন ৬০ জন। এ নিয়ে দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ২ কোটি ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৩০২ জন এবং মারা গেছেন ২৭ হাজার ৭২৫ জন।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বৈশ্বিক তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফ্রান্সে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২৮ হাজার ৬৮৬ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত এক লাখ ৫৪ হাজার ৬৭২ জনের মৃত্যু এবং শনাক্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৫ জন।

  • মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিবহন শাখার ড্রাইভার মোঃ আলী আকবর (সুমন) এর মাতা মোসাঃ জাহানারা বেগম হৃদরোগ ও বার্ধক্যের কারনে বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ১৫ মিনিটে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • বিশ্বে আরও ১৩৩০ মৃত্যু, শনাক্ত পৌনে ৫ লাখ

    বিশ্বে আরও ১৩৩০ মৃত্যু, শনাক্ত পৌনে ৫ লাখ

    নিউজ ডেস্কঃঃ বিশ্বে মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও সংক্রমণ দুটোই কমেছে। এসময়ে এক হাজার ৩৩০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি সংক্রমিত হয়েছেন চার লাখ ৮১ হাজার ৩৩৮ জন। এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু বেড়ে ৬৫ লাখ ২৫ হাজার ২৯১ জন এবং সংক্রমণ বেড়ে পৌঁছেছে ৬১ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৯ জনে।

    এসময়ে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সেরে উঠেছেন ছয় লাখ ৭৪ হাজার ২৫৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৯ কোটি ৫০ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯৯ জন।

    শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে আর দৈনিক সংক্রমণে দক্ষিণ কোরিয়াকে টপকে শীর্ষে উঠে এসেছে জাপান।

    যুক্তরাষ্ট্রে এসময়ে ২৪৯ জনের মৃত্যু এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৪০ হাজার ৬৯২ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ ৭৮ হাজার ১৮ জনের এবং মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার ৪১১ জন।

    এসময়ে জাপানে ৯৯ হাজার ৫৪৬ জন সংক্রমিত এবং মৃত্যু হয়েছে ১৯২ জনের। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ৪৩ হাজার ১৭৭ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৩ জন।

    দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৪৩২ জন। মারা গেছেন ৭২ জন। এ নিয়ে দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ২ কোটি ৪২ লাখ ৬৪ হাজার ৪৭০ জন এবং মারা গেছেন ২৭ হাজার ৬৬৫ জন।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বৈশ্বিক তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফ্রান্সে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩ হাজার ২৬৩ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৪৪ জনের মৃত্যু এবং শনাক্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৯৯ জন।

    শনাক্তের দিক থেকে চতুর্থ এবং মৃত্যুর সংখ্যার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে একদিনে আরও ৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৯২৮ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু ৬ লাখ ৮৫ হাজার ২৫৮ জন এবং সংক্রমিত ৩ কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার ৫৯০ জন।

    রাশিয়ায় একদিনে শনাক্ত ৫৬ হাজার ১২৬ জন এবং মারা গেছেন ৯৯ জন। এসময়ে জার্মানিতে ১১৭ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি সংক্রমিত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৭৪৯ জন। একদিনে ইতালিতে ৬০ জনের মৃত্যু এবং শনাক্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৯৭৩ জন।

    একদিনে তাইওয়ানে ৫৭ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি সংক্রমিত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৭০ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যু ১০ হাজার ৪২৩ জনের এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৮ জন

  • জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে অভিনব কাজ করতে হয়েছে: আইজিপি

    জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে অভিনব কাজ করতে হয়েছে: আইজিপি

    নিউজ ডেস্কঃঃ জঙ্গিবাদে জড়ানোর পর যারা নিজের ভুল বুঝতে পেরে সমাজে সহজ পথে ফিরে এসেছেন, তাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে ছিল বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

    তিনি বলেছেন, সেই সময়ে র‌্যাবে যারা ছিলেন, তাদের জীবনেরও ঝুঁকি ছিল। সেটা করতে গিয়ে আমাদের অভিনব কাজ করতে হয়েছে। যা এখনো প্রকাশ্যে বলার সময় হয়নি।

    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত ‘নবজাগরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে ধর্মীয় জঙ্গিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিজ উদ্যোগে ও স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। এমন ঘটনাও আমরা দেখেছি, বাবা-মা সন্তানকে নিজে এসে র‌্যাবের হাতে তুলে দিয়েছেন জঙ্গি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে। যখন হলি আর্টিসান অ্যাটাক হয় তখন র‌্যাবে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। আত্মসমর্পণ করা জঙ্গিদেরও আমরা সমাজে পুনর্বাসিত করেছি। আজ বলছি, সেই পুনর্বাসন ব্যবস্থা তখন ততটাও সহজ ছিল না।

    বেনজীর আহমেদ বলেন, সুন্দরবনে ৪০০ বছরের জলদস্যু সমস্যা ছিল, সেটি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে নিশ্চিহ্ন করেছি। তা কিন্তু শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয় সমঝোতার মাধ্যমে করা হয়েছিল। জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মধ্যেই র‌্যাব থেমে থাকেনি, প্রায় ৩০০ জলদস্যুকে এখনো বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে র‌্যাব। এই জলদস্যু এখন সমাজের মূলধারায় ফিরে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করছেন।

    তিনি বলেন, অপরাধী হিসেবে কেউ জন্ম নেয় না। মূলত সমাজ, পরিবেশ ও পরিস্থিতি তাকে অপরাধী করে। শুধু বাংলাদেশে নয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানুষ এমন পরিস্থিতির শিকার হন। তবে সেগুলো যদি আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তাহলে সমাজে থেকে ধীরে ধীরে অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব। আমরা চেষ্টা করতে পারি শূন্য অপরাধ হয়, এমন সমাজ কায়েম করার।

    প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসএসসি, এইচএসসি ও বিএ পাস দিয়ে দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করা হয় না। এদের মধ্যে হয়তো এক শ্রেণির অংশ সিভিল সার্ভিসের অফিসার হবে, একটি অংশ হবে কেরানি আর বাকি অংশ হবে বেকার। এজন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। র‌্যাব আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা গেলে কীভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আরেকটি কথা প্রায়ই বলেন, চাকরির পেছনে না দৌড়িয়ে উদ্যোক্তা হতে। উদ্যোক্তা হলে দেশের অর্থনৈতিক যে সমৃদ্ধি তা দ্রুত গতিতে হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  • করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৩৮

    করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৩৮

    নিউজ ডেস্কঃঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। তার বয়স ৭১-৮০ বছরের মধ্যে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৩৭ জনে।

    একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৩৮ জন। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত বেড়ে পৌঁছেছে ২০ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৩ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এর আগে বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগের ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু ও ৪০২ জন নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দৈনিক শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৮১টি ল্যাবরেটরিতে চার হাজার ৯২৬টি নমুনা সংগ্রহ ও চার হাজার ৯২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৪৮ লাখ ১৩ হাজার ২৩৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।

    এদিকে, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩০৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৯ হাজার ৭৮৭ জন।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।