Category: প্রচ্ছদ

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (এম.পি) শুক্রবার দিবাগত রাত ২টায় (নিউ ইয়র্ক সময় বিকাল ৪টা) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কস্থ মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
    তাঁর মৃত্যুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

    মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

    বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। এসময় তার বড় মেয়ে ফাহিমা রাব্বী রিটা এবং একান্ত সচিব তৌফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।

    ২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

  • বরিশালে করোনা শনাক্ত বেড়েছে

    বরিশালে করোনা শনাক্ত বেড়েছে

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালে এক দিনের ব্যবধানে করোনা শনাক্তের হার দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। শুক্রবারের রিপোর্টে ৬১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৯.৫০ ভাগ। এর আগে বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিলো ১১.৯০ ভাগ, বুধবার ১৬.৬৬ ভাগ, মঙ্গলবার ১২.০৬ ভাগ, সোমবার ১৮.৮৬ ভাগ, রবিবার ৫.৫৫ ভাগ, শনিবার ১১.৪৭ ভাগ এবং গত শুক্রবার ২৮.৮১ ভাগ করোনা শনাক্ত হয়।

    এদিকে শের-ই বাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। গত বৃহস্পতিবার করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলো ৩ জন রোগী। বিগত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোন রোগী করোনা ওয়ার্ড থেকে ছাড়পত্র নেয়নি। এই সময়ে উপসর্গ নিয়ে একজন রোগী করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলো ৪ জন রোগী।

    ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শেবাচিমে করোনা ওয়ার্ডে চালুর পর এ পর্যন্ত সেখানে ৭ হাজার ৭শ’ ৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ২শ’ ২৫ জন রোগী। করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪শ’ ৭৮ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৪শ’ ৪১ জনের করোনা ছিলো পজেটিভ।

  • দেশে করোনায় দুই জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬২০

    দেশে করোনায় দুই জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬২০

    নিউজ ডেস্কঃ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ২৫৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিল ভাইরাসটি।

    আর গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬২০ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। তাদের নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৮৯৯ জনে।

    শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ হাজার ৩৯৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৭ হাজার ৪১৯টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৯ জন।

    দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

    ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

    ২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

    এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।ডেল্টার পর করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন আঘাত হানে।

    গত ২০ এপ্রিল করোনায় মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর টানা ৩০ দিন করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন পার করে বাংলাদেশ। সম্প্রতি করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরু হয়েছে।

  • ফের করোনা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিলে

    ফের করোনা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিলে

    নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ১৬০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮২ জন। এছাড়া একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭২০ জন।

    এ নিয়ে বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ লাখ ৯৮ হাজার ২৩৪ জনে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ কোটি ২৫ লাখ ৮ হাজার ১৯১ জনে। এছাড়া করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৫৪ কোটি ২৬ লাখ ১৮ হাজার ৪৩১ জন।

    শুক্রবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে জাপানে, ১ লাখ ৩৫ হাজার ২৩৯ জনের। দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৫৪ জন। এ সময়ে সবেচেয়ে বেশি ২৭১ জন মারা গেছেন ব্রাজিলে। এই ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৫১ হাজার ৯৮৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

    করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকার শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ লাখ ৭১১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২৫১ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ কোটি ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৪ জনে। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ১০ লাখ ৫১ হাজার ২৩৫ জন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আট কোটি ৭১ লাখ ৭ হাজার ৭৫ জন।

    এছাড়া ফ্রান্সে একদিনে মারা গেছেন ১৩৩ জন, ইতালিতে ১৫৭ জন, মেক্সিকোয় ১০৭ জন, রাশিয়ায় ৪২ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ৮৯ জন, চিলিতে ৭০ জন এবং তাইওয়ানে ৭৪ জন মারা গেছেন।

    এসময়ে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ২৫৬ জনে। এসময়ে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৮৪ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ২৭৯ জনে।

  • শেবাচিমে করোনা ওয়ার্ডে কমেছে ভর্তি ও শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

    শেবাচিমে করোনা ওয়ার্ডে কমেছে ভর্তি ও শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনায় ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে, মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় আগের দিনের চেয়ে শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। গতকাল ৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। শনাক্তের হার ১১.৯০ ভাগ।

    হাসপাতালের পরিচালক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৪ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোন রোগী করোনা ওয়ার্ড থেকে ছাড়পত্র নেননি এবং নতুন করে কেউ করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়নি।

    এই সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার করোনা পজেটিভ। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসাধীন ছিল ৩ জন রোগী। এ নিয়ে ২০২০ সালের ১৭ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ হাজার ৪৭৮ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৪৪১ জনের করোনা পজেটিভ ছিল।

    এর আগে গত বুধবার শনাক্তের হার ছিল ১৬.৬৬ ভাগ, মঙ্গলবার ১২.০৬ ভাগ, সোমবার ১৮.৮৬ ভাগ, রবিবার ৫.৫৫ ভাগ, শনিবার ১১.৪৭ ভাগ, শুক্রবার ২৮.৮১ ভাগ এবং গত বৃহস্পতিবার ২৫.৫৩ ভাগ।

    ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শেবাচিমে করোনা ওয়ার্ডে চালুর পর এ পর্যন্ত সেখানে ৭ হাজার ৭০৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ২২৫ জন রোগী।

  • সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ দলমত নির্বিশেষে সরকার সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধান বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে কেউ গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না। সেজন্য যেসব গৃহহীন পরিবার আছে তাদের তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) ২৬ হাজার ২২৯টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

    শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীন দেশে কেউ যেন ভূমি ও ঠিকানাহীন না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রতিটি মানুষ যেন বসবাস করতে পারে, সেজন্য একটা জায়গা করে দেওয়া হবে। এটা প্রথম করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল বাংলার মানুষ খাদ্য পাবে, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান পাবে।

    সরকারপ্রধান বলেন, ঘর পাওয়ার পর মানুষের মুখে যে হাসি এর চেয়ে বড় কিছু পাওয়ার থাকে না।

    অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলাসহ ৫২ উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে দেশব্যাপী মোট ৬৭ হাজার ৮০০টি ঘর দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বাকি আট হাজার ৬৬৭টি ঘর নির্মাণাধীন রয়েছে।

    প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২০২২ পর্যন্ত এক লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি, ৬৩ হাজার ৯৯৯ গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার তাদের মাথার ওপর ছাদ পায়। আর গত বছরের ২০ জুন আশ্রায়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি পরিবার ঘর পায়।

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে সরকার ঘরগুলোকে অধিকতর টেকসই ও জলবায়ু সহিষ্ণু করে গড়ে তুলতে ঘরগুলোর নকশা পরিবর্তন করে। এতে ঘরগুলোর নির্মাণ খরচ বেড়ে যায়।

    ঘরগুলোকে অধিকতর টেকসই করে গড়ে তোলায় প্রতিটি ঘরের নির্মাণব্যয় এক লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দুই লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত হয়।

    ঘূর্ণিঝড় কিংবা বন্যার মতো যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশেষভাবে স্থানান্তরযোগ্য করে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।

  • উজিরপুরে বাসের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের চার যাত্রী নিহত

    উজিরপুরে বাসের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের চার যাত্রী নিহত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরে বা‌স ও মাই‌ক্রোবা‌সের সংঘর্ষে পাঁচজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।

    মহাসড়‌কের নতুন শিকারপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুর সা‌ড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, রুহুল আমিন, আবদুর রহমান, মো. হাসান, নুরুল আমিন ও শ‌হিদুল ইসলাম। তাদের সক‌লের বাড়ি গাজীপু‌রের কোনাবা‌ড়ি এলাকায়।

    তথ্য নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর থানার প‌রিদর্শক মো‌মিন উ‌দ্দিন। তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে। উভয় গা‌ড়ির আহত ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

  • ২৬ হাজার পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে আজ

    ২৬ হাজার পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে আজ

    অনলাইন ডেস্কঃ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ভূমিসহ ঘর দেওয়ার কর্মসূচিতে এবার আরও ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী এসব ঘর হস্তান্তর করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে দেশের চারটি উপজেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হবেন। এগুলো হলো- লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরকলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা আশ্রয়ণ প্রকল্প, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চর ভেলামারী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাহানপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার জঙ্গালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প।

    এদিন ৫২টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন সরকারপ্রধান। এরইমধ্যে সব আয়োজন সম্পন্ন করছে উপজলা প্রশাসন।

    সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর দিয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮০০ ঘর দেওয়ার কাজ করছে। এরইমধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি দেওয়া হয়েছে। ২১ জুলাই ২৬ হাজার ২২৯টি দেবে। পাশাপাশি ৮ হাজার ৬৬৭টি নির্মাণাধীন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে নদীভাঙণে ক্ষতিগস্ত ২১০টি পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রতিটি পরিবারকে ২ দশমিক ৫ একর করে ভূমি বন্দোবস্ত প্রদান করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম সর্বপ্রথম শুরু করেন। এখন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এ ইউনিয়নে কলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫ দশমিক ১৫ একর অবৈধ দখল উদ্ধারকৃত জমিতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে, ভিক্ষুক, বিধবা ও অসহায় ১ হাজার ৪২৫ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।

    একইভাবে ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প’র মাধ্যমে সারাদেশে ভূমিহীন গৃহহীনদের পুনর্বাসন করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা- ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’। এরইমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৭০ পরিবারকে ভূমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেলের মাধ্যমে ৭ হাজার ৮০৯টি পরিবার, ভূমি মন্ত্রণালয় ৭২ হাজার ৪৫২টি পরিবার, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ২৩৭টি পরিবার, বাংলাদেশের গৃহায়ন তহবিল থেকে ৮৮ হাজার ৭৮৬টি পরিবার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৬০৯টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এভাবে সারাদেশে মোট ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৩ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

    ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত উপজেলাগুলো:
    পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলার সব উপজেলাসহ দেশের ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    উপজেলাগুলো হলো- ঢাকার নবাবগঞ্জ, মাদারীপুরের মাদারীপুর সদর, শরীয়তপুরের ডামুড্যা, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, টাঙ্গাইলের গোপালপুর, মানিকগঞ্জের ঘিওর, সাটুরিয়া, রাজবাড়ীর কালুখালী, ফরিদপুরের নগরকান্দা, নেত্রকোনার মদন, ময়মনসিংহের ভালুকা, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, জামালপুরে বকশীগঞ্জ, চট্টগ্রামের পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ, ফেনীর ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, পরশুরাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদর, দেবীগঞ্জ, তেঁতুলিয়া, বোদা।

    এছাড়া দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী, নীলফামারীর ডিমলা, নওগাঁর রাণীনগর, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি, রাজশাহীর মোহনপুর, চারঘাট, বাঘা, বগুড়ার নন্দীগ্রাম, দুপচাঁচিয়া নাটোরের বাগাতিপাড়া, পাবনার ঈশ্বরদী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু, সাতক্ষীরার তালা, মাগুরার মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মোহম্মদপুর, শালিখা, ঝালকাঠির কাঠালিয়া, পটুয়াখালীর দশমিনা।

  • বরিশালে বাসচাপায় নিহত ৪

    বরিশালে বাসচাপায় নিহত ৪

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালের বাগেরগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও আটজন।

    বুধবার (২০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বরিশার-কুয়াকাটা মহাসড়কের ভৈরবপাশা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরগুনা থেকে মিনি বাসটি বরিশাল যাচ্ছিল। পথে ভৈরবপাশা এলাকা ওই বাসটি বিপরীতমুখী একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হন কমপক্ষে আটজন। এদের মধ্যে গুরুতর তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল চন্দ্র সেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। গুরুতর আহত তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।