Category: প্রচ্ছদ

  • নিজেদের টাকায় সবচেয়ে বড় স্বপ্নের নির্মাণ

    নিজেদের টাকায় সবচেয়ে বড় স্বপ্নের নির্মাণ

    একক প্রকল্প হিসাবে দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ প্রকল্পে মোট খরচ ধরা হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। যার ৯০ শতাংশই রাশিয়ার ঋণ সহায়তা। দেশটির ভিবি ব্যাংক এ ঋণ দিচ্ছে। এ প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন মাত্র ১০ শতাংশ। অর্থাৎ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে মোট ব্যয়ের ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকাই দিচ্ছে রাশিয়া। সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়া হচ্ছে বাকি ২২ হাজার ৫২ কোটি টাকা।

    অন্যদিকে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে মোট খরচ ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। টাকার অঙ্কে পদ্মার সেতুর চেয়ে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে তিনগুণ বেশি ব্যয় হচ্ছে। তবে রূপপুরের টাকা ঋণনির্ভর। আর পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে।

    পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর চেয়ে দেশে একাধিক মেগা প্রকল্পের ব্যয় বেশি। যেমন- পদ্মা সেতু রেললিঙ্ক প্রকল্প। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা, যার ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা চীনের দেওয়া ঋণ। মহেশখালী–মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়নপ্রকল্পও পদ্মা সেতু প্রকল্পের চেয়ে বড়। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে জাপানি ঋণ ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। বাকি ছয় হাজার ৪০৬ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে থেকে মেটানো হবে।

    ঢাকায় পাতাল রেল নির্মাণের কাজ চলমান। এ প্রকল্পের ব্যয়ও পদ্মা সেতুর চেয়ে বেশি। কয়েক দফা জরিপ ও ফিজিবিলিটি স্টাডির পর নির্ধারণ করা হয়েছে আরেক মেট্রোরেল প্রকল্প এমআরটি-১-এর রুট। এর আওতায় এয়ারপোর্ট থেকে কমলাপুর আর নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত ২৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের অ্যালাইনমেন্ট ঠিক করা হয়। এমআরটি লাইন-১-এ এয়ারপোর্ট-খিলক্ষেত-যমুনা ফিউচার পার্ক-নতুনবাজার-বারিধারা-উত্তর বাড্ডা-হাতিরঝিল-রামপুরা-মৌচাক হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত ১৬ দশমিক ২ কিলোমিটার আর অন্যটি নতুনবাজার-যমুনা ফিউচার পার্ক-বসুন্ধরা-পুলিশ অফিসার হাউজিং সোসাইটি-মাস্তুল-পূর্বাচল পশ্চিম-পূর্বাচল সেন্টার-পূর্বাচল সেক্টর-৭-পূর্বাচল ডিপো পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩ কিলোমিটার রুট নির্মিত হবে।

    মেট্রোরেল প্রকল্পের আওতায় বৈদেশিক ঋণে সুদ দিতে হবে এক হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। এ প্রকল্পে পরামর্শক খাতে পাঁচ কোটি ও প্রশিক্ষণ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় সেমিনার, কর্মশালা ও সম্মেলনে দেড় কোটি টাকা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ৫১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এরমধ্যে জাইকার দেওয়া ঋণ ৩৩ হাজার ৯১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা।

    অর্থাৎ এটা বলা যায়, পদ্মা সেতুর থেকে ব্যয়বহুল একাধিক প্রকল্প হচ্ছে। তবে দেশীয় টাকায় পদ্মা সেতুই সেরা। কারণ ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার সবই দেশীয় অর্থায়ন।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত হওয়ার পর ২০১১ সালের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করে সরকার। কিন্তু নির্মাণকাজের তদারক করতে পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনে বিশ্বব্যাংক। এরপর একে একে সব অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিশ্রুত অর্থায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

    বিশ্বব্যাংকসহ অন্যরা অর্থায়ন স্থগিতের পর প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আসে মালয়েশিয়ার সরকার। এ নিয়ে কিছুদিন আলোচনা চলার পর তা আর এগোয়নি। ২০১২ সালের ৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদ্মা সেতুর জন্য অর্থ না নেওয়ার কথা জানিয়ে দেয় সরকার।

    অবশ্য ২০১৪ সালে তদন্ত শেষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়ে দেয়, দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০১৭ সালে কানাডার টরন্টোর এক আদালতও জানান, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত প্রমাণ পাননি তারা। বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক চলে যাওয়ার পরে দেশীয় টাকায় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কৃতিত্ব দেখায় বাংলাদেশ।

    পদ্মা সেতু থেকে মাসে টোল আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বছরের হিসেবে তা হবে এক হাজার ৬০৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এ টাকা দিয়ে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াও নির্মাণ খরচের ঋণ পরিশোধ করবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। কোনো উন্নয়ন সহযোগী বা প্রতিষ্ঠানকে নয়, স্বয়ং বাংলাদেশ সরকারকে ৩৫ বছরে সুদসহ ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।
    বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মিত। এর পুরোটাই সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঋণ হিসেবে গ্রহণ করেছে। চুক্তির অনুচ্ছেদ-২ মোতাবেক ঋণের অর্থ প্রকল্প সমাপ্তির পর বার্ষিক ১ শতাংশ হারে সুদসহ ৩৫ বছরে ১৪০ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া নকশা প্রণয়নের সময় নেওয়া ২১১ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, পদ্মা সেতু বাঙালি জাতির বড় অর্জন। নিজেদের টাকায় এত বড় অর্জন দ্বিতীয়টি নেই। ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। বাঙালি জাতির জন্য পদ্মা সেতু গৌরব ও অহংকারের। তবে কারও কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়নি। এটা আমাদের টিম লিডার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে গোটা জাতি এ টাকা দিয়েছে।

  • সাফা-মারওয়ায় যেসব দোয়া পড়বেন

    সাফা-মারওয়ায় যেসব দোয়া পড়বেন

    সাফা-মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের সায়ী করা ওয়াজিব। আল্লাহ তাআলা এটি হজ ও ওমরা পালনেচ্ছুদের জন্য আবশ্যক করে দিয়েছেন। সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সায়ী করার সময় বেশ কিছু দোয়া রয়েছে। সে দোয়াগুলো কী?

    ১. কাবা শরিফ তাওয়াফের পর মাকামে ইবরাহিমে দুই রাকাত নামাজ পড়ার পর জমজমের পানি পান করে সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করে মসজিদে হারামের বাবুস সাফা দিয়ে সাফা পাহাড়ে আরোহন করা। আর এ আয়াত পাঠ করা-

    إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ

    উচ্চারণ : ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিং শাআয়িরিল্লাহি ফামান হাজ্জাল বাইতা আয়ি’তামারা ফালা ঝুনাহা আলাইহি আঁইয়্যাতত্বাওয়াফা বিহিমা ওয়া মাং তাত্বাওওয়াআ খাইরান ফাইন্নাল্লাহা শাকেরুন আলিম।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৮)

    ২. সাফা পাহাড়ে ওঠে কাবা শরিফের দিকে তাকিয়ে দুইহাত উপরে ওঠিয়ে-

    اَلْحَمْدُ لِلَّهِ اَللهُ اَكْبَر

    আলহামদুলিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে আল্লাহর কাছে দোয়া করা।

    ৩. এরপর এ দোয়াটি ৩ বার পড়ে সাফা পাহাড় থেকে মারওয়ার দিকে সায়ী শুরু করা-

    لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر – لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ – لَهُ المُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ يُحْيِى وَ يُمِيْتُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيئ قَدِيْر

    لَا اِلَهَ اِلَّا الله وَحْدَهُ أنْجَزَ وَعْدَهُ – وَ نَصَرَ عَبْدَهُ وَ هَزَمَ الأحْزَابَ وَحْدَهُ

    উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হাম্‌দু ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু আনজাযা ওয়াহদাহু ওয়া নাসারা আবদাহু হাযাামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।’

    সাফা থেকে মারওয়ার দিকে সায়ী’র শুরুতে সবুজ চিহ্নিত স্থান পড়বে; সেখানে পুরুষরা দৌড়ে অতিক্রম করবে আর নারীরা স্বাভাবিকভাবে হেটে তা অতিক্রম করবে।

    ৪. প্রতিবার সায়ীতে সবুজ চিহ্নিত স্থানে এ দোয়া পড়া-

    رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَ اَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ

    উচ্চারণ : ‘রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতাল আআযযুল আকরাম।’

    ৫. সবুজ চিহ্নিত স্থান অতিক্রম করার পর পুরুষ-নারী সবাই স্বাভাবিক গতিতে হেটে সায়ী করবে। সায়ী’র সময় স্বাভাবিকভাবে এ দোয়া বেশি বেশি পড়বে-

    اَللهُ اَكْبَر – اَللهُ اَكْبَر- اَللهُ اَكْبَر- وَ لِلَّهِ الْحَمْدُ

    اَللَّهُمَّ حَبِّبْ اِلَيْنَا الْاِيْمَانَ وَ كَرِّهْ اِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوْقَ وَالْعِصْيَانَ وَاجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِيْنَ

    উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদু। আল্লাহুম্মা হাব্বিব ইলাইনাল ইমানা ওয়া কাররিহ ইলাইনাল কুফরা ওয়াল ফুসুক্বা ওয়াল ইসয়ানা ওয়াঝআলনা মিন ইবাদিকাস সালিহিন।’

    ৬. এরপর মারওয়া পাহাড়ে আরোহন করে দোয়া করা। মারওয়া থেকে সাফার দিকে যাওয়ার সময় আবার এ দোয়া পড়া-

    اَللهُ اَكْبَر – اَللهُ اَكْبَر- اَللهُ اَكْبَر- وَ لِلَّهِ الْحَمْدُ – لَا اِلَهَ اِلَّا الله وَحْدَهُ صَدَقَ وَعْدَهُ وَ نَصَرَ عَبْدَهُ وَ هَزَمَ الأحْزَابَ وَحْدَهُ – لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ

    وَ لَا نَعْبُدُ اِلَّا اِيَّاهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَفِرُوْنَ – رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَ اَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ

    إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ ۖ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا ۚ وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ

    উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদু। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু সাদাক্বা ওয়াদাহু ওয়া নাসারা আবদাহু ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া লা নাবুদু ইল্লা ইয়্যাহু মুখলিসিনা লাহুদদ্বীন ওয়া লাও কারিহাল কাফিরুন। রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতাল আআযযুল আকরাম। ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিং শাআয়িরিল্লাহি ফামান হাজ্জাল বাইতা আয়ি’তামারা ফালা ঝুনাহা আলাইহি আঁইয়্যাতত্বাওয়াফা বিহিমা ওয়া মাং তাত্বাওওয়াআ খাইরান ফাইন্নাল্লাহা শাকেরুন আলিম।’

    ৭. মারওয়া থেকে সাফা পাহাড়ে আসার সময়ও সবুজ চিহ্নিত স্থানে পূর্বোল্লিখিত দোয়া পড়া-

    رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَ اَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ

    উচ্চারণ : ‘রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতাল আআযযুল আকরাম।’

    ৮. সাফা-মারওয়ায় সায়ী শেষ হওয়ার পর এ দোয়া পড়া-

    رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الَعَلِيْمُ – وَ تُبْ عَلَيْنَا اِنَّكَ اَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحَيْمُ –

    وَ صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلَى خَيْرِ خَلْقِهِ مُحَمَّدٍ وَّاَلِهِ وَ اَصْحَابِهِ اَجْمَعِيْنَ وَارْحَمْنَا مَعَهُمْ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّحِمِيْنَ

    উচ্চারণ : ‘রাব্বানা তাক্বাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আনতাছ্‌ ছামিউল আলিম। ওয়অতুব্‌ আলাইনা ইন্নাকা আংতাত্‌ তাওয়্যাবুর্‌ রাহিম। ওয়া সাল্লাল্লাহু তাআলা আলা খাইরি খালক্বিহি মুহাম্মাদিউ ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি আজমাইন ওয়ারহামনা মাআহুম বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।’

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব হজ ও ওমরা পালনকারীদেরকে সাফা ও মারওয়ার সায়ী পালন করার সময় যথাযথভাবে দোয়া পড়ার এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। সবাইকে হজে মাবরূর কবুল করুন। আমিন।

  • জুলাইয়ে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা

    জুলাইয়ে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা

    বন্যার কারণে স্থগিত থাকা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে পারে। ঈদুল আজহার পরপরই নতুন করে এসএসসি-সমমানের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড।

    বুধবার (২২ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, বন্যার কারণে পিছিয়ে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার আয়োজন কবে থেকে করা যায় সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। এ বিষয়ে আজ (২২ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সভা শেষে শিক্ষা সচিব কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সে মোতাবেক আমরা প্রস্তুতি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    কবে থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে জানতে চাইলে অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, আমরা বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পানি কমে গেলেই পরীক্ষা শুরু হবে। ঈদের ছুটির পরপরই নতুন করে রুটিন প্রকাশ করা হবে। জুলাই থেকে এ পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের পর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে। এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের আহ্বায়কের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাকে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    তবে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, ঈদের আগেই বন্যার পানি নেমে যাবে। আগামী ১৭ জুলাই ঈদের ছুটি শেষ হবে। এর এক বা দুদিন পর এসএসসি-সমমানের পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হবে। রুটিন প্রকাশের সাতদিন পর পরীক্ষা শুরু হবে।

    জানা গেছে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর বাইরে দাখিলে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।

  • শুকরিয়া, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু করেছি’

    শুকরিয়া, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু করেছি’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব ষড়যন্ত্র-প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে লাখো শুকরিয়া। আমি বাংলাদেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই- তারা আমার পাশে ছিলেন। তাদের সহযোগিতার জন্যই আজ পদ্মা সেতু মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

    বুধবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করা হয়। এরপর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রের পেছনে কে বা কারা ছিল তা আমি বহুবার বলেছি। ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থের জন্য দেশের মানুষের কেউ ক্ষতি করতে পারে এটা সত্যিই কল্পনার বাইরে ছিল।

    ‘এই ষড়যন্ত্রকারীরা ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অভ্যন্তরের একটি গ্রুপ ছিল যারা অন্যায্যভাবে কিছু কিছু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল’- বলেন তিনি।

    সরকারপ্রধান বলেন, প্রাক-যোগ্য ঠিকাদার নির্বাচনের এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংক, কারিগরি কমিটিকে একটি প্রাক-যোগ্য ঠিকাদারকে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্ত থাকার কারণে বাদ দিতে বলে এবং একটি প্রাক-যোগ্যতায় অযোগ্য ঠিকাদারকে যোগ্য করতে বলে। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে কারিগরি কমিটি প্রাক-যোগ্য কোয়ালিফায়েড দরদাতাকে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্তির কারণে বাদ দেয়। কিন্তু প্রাক-যোগ্যতা যাচাই-বাছাইয়ে অযোগ্য দরদাতাকে অভিজ্ঞতার জাল সার্টিফিকেট দেওয়ায় যোগ্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাংক এ প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য করার লক্ষ্যে তার অনুকূলে পরোক্ষ চাপ দিতে থাকে। এরপরই তারা পদ্মা সেতুর কার্যক্রমে বাধা দিতে থাকে। এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল চেয়ারম্যান লুইস মোরেনো ওকাম্পোকে ঢাকায় পাঠায়। ওকাম্পো ঢাকায় এসে সরকারবিরোধী বিভিন্ন ব্যক্তি-গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, তৎকালীন সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়া এবং যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করার কথা বলেন।

    আমরা দুদককে তদন্ত করার নির্দেশ দিই। দুদক কোনো দুর্নীতি পায় না। পরে কানাডার আদালতেও প্রমাণ হয় পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি’- বলেন তিনি।

    ‘২০১২ সালের ৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিই। আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদ্মা সেতুর জন্য অর্থ না নেওয়ার কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর দেশের এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী ও অর্থনীতিবিদরা কীভাবে মনগড়া সমালোচনায় মেতে উঠেছিল, আপনারা দেখেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণকাজের গুণগত মানে কোনো আপস করা হয়নি। এ সেই নির্মিত হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ দিয়ে। পুরো নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে। পদ্মা সেতুর পাইল বা মাটির গভীরে বসানো ভিত্তি এখন পর্যন্ত বিশ্বে গভীরতম। সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত এ সেতুর পাইল বসানো হয়েছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। ভূমিহীনসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত সহায়তা, ভিটা উন্নয়ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য কর্মমুখী ও আয়বর্ধনমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষার জন্য পুনর্বাসিত এলাকাকে ‘পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছি।

    তিনি বলেন, বহুমুখী এ সেতুর উপরের ডেক দিয়ে যানবাহন এবং নিচের ডেক দিয়ে চলাচল করবে ট্রেন। সেতু চালু হওয়ার পর সড়ক ও রেলপথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। এতে এ অঞ্চলের মানুষের একদিকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে, অন্যদিকে অর্থনীতি হবে বেগবান। আশা করা হচ্ছে, এ সেতু জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ১ দশমিক দুই-তিন শতাংশ হারে অবদান রাখবে এবং প্রতি বছর দশমিক আট-চার শতাংশ হারে দারিদ্র্য নিরসন হবে।

    তিনি আরও জানান, পদ্মা সেতু ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটে পার্ক। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দেশের শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে। এ সেতু এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগের একটা বড় লিংক। তাই আঞ্চলিক বাণিজ্যে এ সেতুর ভূমিকা অপরিসীম। তাছাড়া পদ্মার দু’পাড়ে পর্যটন শিল্পেরও ব্যাপক প্রসার ঘটবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, হাজার হাজার মানুষের শ্রমে এই স্বপ্নের সেতু নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর, জাপান, ডেনমার্ক, ইতালি, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, নেপাল ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞ এবং প্রকৌশলী এ সেতু নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

  • আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০, আহত কয়েকশ

    আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০, আহত কয়েকশ

    আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০ জনে পৌঁছেছে। তবে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকায় এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোর খবর পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    বুধবার (২২ জুন) ভোররাতে মানুষজন ঘুমিয়ে থাকার সময় আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে আঘাত হানে প্রবল এই ভূমিকম্প। পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার এবং ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) অবশ্য ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৯ রেকর্ড করেছে।

    ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের খোস্ত শহরে এবং কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৪ কিলোমিটার গভীরে।

    আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আইয়ুবী বলেছেন, ভূমিকম্পে বেশিরভাগ মৃত্যু হয়েছে পূর্ব আফগান প্রদেশ পাকতিকায়। সেখানে অন্তত ২৫৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি। এছাড়া খোস্ত প্রদেশে ২৫ জন মারা গেছেন এবং ৯০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    সালাহউদ্দিন আইয়ুবী বলেন, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। কারণ কিছু গ্রাম প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। সেখানকার বিস্তারিত খবর জোগাড় করতে সময় লাগবে।

    তিনি জানান, কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। আহতদের কাছে পৌঁছাতে এবং চিকিৎসা সামগ্রী ও খাবার নিয়ে যেতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।

    ইএমএসসি জানিয়েছে, প্রায় ৫০০ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে এই ভূমিকম্পের প্রভাব অনুভূত হয়েছে। এতে আফগানিস্তানের পাশাপাশি কেঁপে ওঠে প্রতিবেশী পাকিস্তান এবং ভারতও।

    ভোররাতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানায় সেসময় ওই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধসে পড়া বাড়িঘরের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান অনেকে।

    আফগানিস্তান খুবই ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ। জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত ১০ বছরে দেশটিতে ভূমিকম্পে সাত হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ভূমিকম্পে প্রতি বছর আফগানিস্তানে গড়ে ৫৬০ জন মারা যান ।

  • বাংলার গর্ব পদ্মা সেতু আজ ইতিহাসের বাস্তব রুপ- হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি

    বাংলার গর্ব পদ্মা সেতু আজ ইতিহাসের বাস্তব রুপ- হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি

    আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি বলেছেন, দেশ বিদেশের ষড়যন্ত্রকারীদের শত ষড়যন্ত্র আর বাধা উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নিজস্ব অর্থায়নে বাংলার গর্ব পদ্মা সেতু আজ ইতিহাসের বাস্তব রুপ।

    আগামী ২৫জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক ষড়যন্ত্রকারীরা বিভিন্ন মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছে।

    ওই সকল ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দাড়াতে হবে। সোমবার সকালে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল গ্রামের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ভবন প্রাঙ্গনে জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

    বিরোধী দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে এমপি বলেন, কেউ ভাববেন না ওরা ঘুমিয়ে আছে। তারা তাদের কাজ ও ষড়যন্ত্র দুইটাই সমান তালে করে যাচ্ছে।

    তাই দলের নেতা কর্মীদের সু-সংঠিত করার কোন বিকল্প নেই। সরকারের উন্নয়নের ইতিহাস জনগনের দুয়ারে পৌঁছে দিতে দলের কর্মীদের কোন বিকল্প নেই। তাই নেতাদের প্রতি দলের কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, তাঁর জীবনের শেষ সময়ে তিনি বরিশাল বিভাগকে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী একটি দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এজন্য জেলার ছয়টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের কমিটি থাকলেও বাকি পাঁচটি উপজেলায় সম্মেলনের মাধ্যমে নেতাদের দ্রুত কমিটি গঠনেরও নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

    সভায় করোনা কালীন সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ জননী সাহান আরা আবদুল্লাহসহ দলের নেতা কর্মীদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহন করে সকলের রুহের মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    পরে আগামিকাল ৭ জুন শহীদ জননী শাহান আরা আবদুল্লাহ’র দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল ক্লাবে সকল নেতা কর্মীদের উপস্থিত থেকে দোয়া কামনা করার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কারা মুক্ত দিবস, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সহ ও ২৫জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে কাঁঠালবাড়িতে দশ লাখ লোকের সমাগম ঘটাতে বরিশালের আওয়ামী লীগের বিশেষ ভূমিকা রাখতে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনাও প্রদান করেন এমপি।

    বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে গত দুই বছর পর প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস,

    জেলা আওয়ামী লীগ সহ-ভাপতি মোহম্মদ হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মনসুর আহম্মেদ, জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত,

    গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জয়নাল আবেদীনসহ সকল জেলার সকল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক।

  • বরিশালে যুবককে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলা

    বরিশালে যুবককে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলা

    বরিশাল নগরীতে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কতিপয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকেল ৩ টায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১১ নং ওয়ার্ডের চাঁদমারী মাদ্রসা রোড বঙ্গবন্ধু কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত নোমান (২৮) নগরীর বাংলা বাজার সদ্দর মাহাজন গলির কবির হোসেনের ছেলে।

    এ ঘটনায় সোমবার কোতয়ালী মডেল থানায় ঠিকাদার পলাশ চৌধুরি বাদী হয়ে শাওন মৃধা (৩৩) , শোভন মৃধা (২৭) সহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত নোমান ঠিকাদার পলাশ চৌধুরির কাজ দেখাশুনা করেন। বর্তমানে মাদ্রাসা রোডে তাঁর বিদ্যুতের কাজ চলমান রয়েছে। সন্ত্রাসী শাওন ও শোভন তাঁর দলবল নিয়ে ঠিকাদার পলাশ চৌধুরির কাছে চাঁদা দাবী করে। এ টাকা দিতে অস্বিকার করায় পলাশকে হুমকি দেয় তাঁরা।

    আহত নোমান জানান, ঠিকাদার পলাশ ভাই টাকা দিতে অস্বিকার করার জের ধরে সোমবার বিকেলে কৌশলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে চাঁদমারী মাদ্রসা রোড বঙ্গবন্ধু কলোনিতে তাঁর দলবল নিয়ে আমাকে লোহার রড, লাঠি ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।

    এসময় ‍আমার পকেটে থাকা ১৬ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা ‍আমাকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম বলেন, মারামারির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বরিশাল জেলা প্রশাসকের অসুস্থ পিতা মাতাকে দেখতে যান বিসিসি মেয়র

    বরিশাল জেলা প্রশাসকের অসুস্থ পিতা মাতাকে দেখতে যান বিসিসি মেয়র

    বরিশাল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দারের অসুস্থ পিতা মাতাকে দেখতে যান বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। আজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক এর বাসভবনে বিসিসি মেয়র দেখতে যান

  • সাদা চামড়া দেখলেই নালিশ করতে পছন্দ করেন অনেকে: প্রধানমন্ত্রী

    সাদা চামড়া দেখলেই নালিশ করতে পছন্দ করেন অনেকে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাদা চামড়া দেখলেই তাদের কাছে নালিশ করতে পছন্দ করেন কিছু শ্রমিক নেতা। কেন এই মানসিক দৈন্য? আমাদের সমস্যা আমরাই তো সমাধান করতে পারি।

    রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

    শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সেসব শ্রমিক নেতাকে বলবো যে আপনারা বিদেশিদের কাছে গিয়ে কান্নাকাটি না করে আপনার যদি সমস্যা থাকে আমার কাছে আসবেন। আমি শুনবো। মালিকদের কাছ থেকে যদি কিছু আদায় করতে হয়, তাহলে আমি আদায় করে দেবো। আমিই পারবো। এটা আমি বলতে পারি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে শ্রমিকদের জন্য এত কাজ করেছি তারপরও আমরা দেখি আমাদের দেশের কিছু কিছু শ্রমিক নেতা আছেন তারা কোনো বিদেশি বা সাদা চামড়া দেখলেই তাদের কাছে নালিশ করতে খুব পছন্দ করেন। আমি জানি না এই মানসিক দৈন্যটা কেন বা এর সঙ্গে কি অন্য কোনো স্বার্থ জড়িত? কোনো দেনা-পাওনার ব্যবস্থা আছে? সেটা আমি জানি না।

    তিনি বলেন, তবে আমাদের দেশে কোনো সমস্যা হলে, অন্তত আওয়ামী লীগ সরকার যতক্ষণ ক্ষমতায় আছে, আমি যতক্ষণ ক্ষমতায় আছি, অন্তত এই নিশ্চয়তা দিতে পারি, যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে পারি আমরা নিজেরা। আমি এটা বিশ্বাস করি আমাদের দেশের মালিক-শ্রমিক তারা নিজেরা বসে আলোচনা করে সমস্যা হলে সমাধান করবেন। আমরা নিজের দেশের বিরুদ্ধে বা নিজের দেশের সম্পর্কে অন্যের কাছে কেন কাঁদতে যাব, বলতে যাব? আমরা তো এটা চাই না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আত্মমর্যাদা নিয়ে চলবে। আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। আমাদের সব উন্নয়ন প্রকল্প, যেসব উন্নয়ন প্রকল্প একসময় বিদেশি অনুদানে বা বিদেশি সহযোগিতায় নির্ভরশীল ছিল, আজ আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৯০ ভাগ আমরা নিজেদের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে পদ্মা সেতু আমাদের নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ করেছি। যদি এটা করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না? আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, কারও কাছে আমাদের হাত পেতে চলতে হয় না। দেশের সমস্যা, আমরা দেশেই সমাধান করতে পারবো।

    সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। সেই পরিকল্পনা আমি দিয়ে যাচ্ছি ২০৪১-এ বাংলাদেশ কেমন হবে। ২১০০ সালে বাংলাদেশ কেমন উন্নত হবে এই বদ্বীপ সেই পরিকল্পনা নিয়ে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করে আমরা তারই ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। পরে একের পর এক যারাই ক্ষমতায় আসুক তারা যদি এটা অনুসরণ করে এই বাংলাদেশকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ আমরা মোকাবিলা করেছি, পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমরা পারি করতে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন, কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। বাংলাদেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। ২১ বছর অন্ধকারে ছিলাম। আবার ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত অন্ধকারে ছিলাম। কিন্তু ২০০৯ থেকে যে আলোর পথে যাত্রা শুরু হয়েছে এটা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের সব শ্রমিক, কৃষক, মেহনতি মানুষ তাদের কল্যাণ হোক সেই কামনা করি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শ্রমজীবী মানুষের সুরক্ষা এবং তাদের কল্যাণের জন্য যেসব আইন, নীতিমালা, বিধিমালা বা সুরক্ষা নীতিমালা সেগুলো কিন্তু আমরা সব করে যাচ্ছি। কারখানা সুরক্ষার জন্য আমরা কিন্তু শিল্প পুলিশও গঠন করে দিয়েছি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। সেভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি সারা পৃথিবীতে ১০টা গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি আছে। তার মধ্যে ৭টা কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে। সেটা করার জন্য যা যা দরকার ছিল ট্যাক্স কমিয়ে দিয়ে, কোনোটা সম্পূর্ণ করমুক্ত শুল্কমুক্ত করে দিয়েই কিন্তু আমরা সব প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ আমরা মালিকদের জন্য করে দিয়েছিলাম। আমাদের শ্রমিকরা যেন সুন্দরভাবে নিরাপদভাবে কাজ করতে পারে, সে ব্যবস্থাটাও আমরা নিয়েছি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় জনগণের জন্য কাজ করে, জনগণের জন্যই কাজ করবে। আমি মনে করি আমাদের দেশকে উন্নত করতে হলে এই শ্রমিক শ্রেণির অবদানটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শ্রমিক-মালিক উভয়েই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলবেন। সেটাই আমি চাই। শ্রমিক-মালিকের মধ্যে যদি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক না থাকে তাহলে কখনো উন্নয়ন হয় না।

  • বরিশালে সাংবাদিকদের ঈদ উপহার দিলেন বিসিসি মেয়র

    বরিশালে সাংবাদিকদের ঈদ উপহার দিলেন বিসিসি মেয়র

    বরিশালে কর্মরত সাংবাদিকদের ঈদ শুভেচ্ছা উপহার দিলেন বরিশাল সিটি কর্পােরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    আজ সাংবাদিক ইউনিয়ন বরিশালের আয়োজনে বরিশাল সিটি কর্পােরেশনের সহযোগীতায় বিকেল ৪ টায় বরিশাল নগরীর রাজা বাহাদুর সড়কের ইউরো কনভেনশন হলে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সাংবাদিক ইউনিয়ন বরিশালের সভাপতি সাইফুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পােরেশেনর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা।

    অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বরিশালের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরদাউস সোহাগ।