Category: প্রচ্ছদ

  • আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

    আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

    আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

    লাখো মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে মহান নেতা শেখ মুজিব বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা’। বঙ্গবন্ধুর এই বলিষ্ঠ ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

    দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। এর আগে দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনটি নিজেদের মত করে পালন করে এলেও গত বছর (২০২১) রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়। সরকার ক-শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। অবশ্য এজন্য এক রিটের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও আসে।

    দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জন্য একটি ই-পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। ই-পোস্টারের শিরোনাম করা হয়েছে, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাত্তরের ৭ই মার্চ দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। এই ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে মুক্তির মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত করেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম জনযুদ্ধে পরিণত হয়।

    ঐতিহাসিক এই ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এক সাগর রক্ত আর ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় মহান স্বাধীনতা। বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র।

    বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে এবং বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার অনির্বাণ শিখা হয়ে অফুরন্ত শক্তি ও সাহস যুগিয়ে আসছে।

    এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় করিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এছাড়াও এ ভাষণটি পৃথিবীর অনেক ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

    বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে সংবিধানের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদের পঞ্চম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ২০১৩ সালে জ্যাকব এফ ফাইল্ড (Jacob F. Field) প্রকাশিত ২৫০০ বছরের বিশ্বসেরা যুদ্ধকালীন ভাষণের সংকলন উই শ্যাল ফাইট অন দ্যা বিচেস; দ্যা স্পিচ দ্যাট ইনস্পায়ার্ড হিস্টোরি (We shall Fight on the Beaches: The Speeches That Inspired History)-এ এই ভাষণ অন্যতম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

    দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সোমবার ভোর সাড়ে ছয়টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল আটটায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন।

    সকাল সাড়ে ১১টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায়। এতে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করবেন।

  • পটুয়াখালীতে আ’লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ, সাংবাদিক পুলিশসহ আহত ৪০

    পটুয়াখালীতে আ’লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ, সাংবাদিক পুলিশসহ আহত ৪০

    আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৭ জনকে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রামীণ ব্যাংক সড়কে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করতে শতাধিক নেতা-কর্মী দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন।

    একই সময় সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে আওয়ামী যুবলীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল ওই এলাকা অতিক্রমকালে দু’গ্রুপে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

    এ সময় দু’পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে।

    দু’পক্ষের সহিংসতায় পুলিশসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি পরস্পরকে দায়ী করেছে।

    আহত বিএনপি নেতা মো. খলিলুর রহমান বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে দলীয় অফিস ভাঙচুর করে। এতে অন্তত অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

    অপরদিকে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম তুহিনের দাবি, সারাদেশে জামায়াত-বিএনপির নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবলীগের মিছিলে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা করলে দুপক্ষে মধ্যে সহিংসতা হয়েছে।

    দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য দেলোয়ার হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিক ও পুলিশসহ দুই পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।

    আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৭ জনকে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রামীণ ব্যাংক সড়কে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করতে শতাধিক নেতা-কর্মী দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন।

    একই সময় সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে আওয়ামী যুবলীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল ওই এলাকা অতিক্রমকালে দু’গ্রুপে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

    এ সময় দু’পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে।

    দু’পক্ষের সহিংসতায় পুলিশসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি পরস্পরকে দায়ী করেছে।

    আহত বিএনপি নেতা মো. খলিলুর রহমান বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে দলীয় অফিস ভাঙচুর করে। এতে অন্তত অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

    অপরদিকে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম তুহিনের দাবি, সারাদেশে জামায়াত-বিএনপির নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবলীগের মিছিলে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা করলে দুপক্ষে মধ্যে সহিংসতা হয়েছে।

    দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য দেলোয়ার হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • ইউক্রেন সেনারা ৫ বাংলাদেশিকে জিম্মি করেছে

    ইউক্রেন সেনারা ৫ বাংলাদেশিকে জিম্মি করেছে

    ঢাকায় রাশিয়া দূতাবাস তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছে, ইউক্রেনের সেনারা পাঁচ বাংলাদেশিকে জিম্মি করেছেন।

    শুক্রবার এমন একটি ভিডিও-তে দেখা যায়, জিম্মি ওই বাংলাদেশিরা তাদের উদ্ধারের জন্য আকুতি জানাচ্ছেন।

    এদিকে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগও বলেছে, ইউক্রেনের কিভারতিসি শহরের একটি অভিবাসী শিবিরে আটকে আছেন পাঁচ বাংলাদেশিসহ শতাধিক বিদেশি।

    ভিডিওতে রিয়াদুল মালিক নামের একজন বাংলাদেশি নিজের পরিচয় দিয়ে জানান, সেখানে আরো কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন। একজন দরজায় পাহারা দিচ্ছেন। তাদের সবার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একটি মোবাইল তারা লুকিয়ে রাখতে পেরেছেন।

    রিয়াদুল মালিক বলেন, ‘এই শিবিরকে ইউক্রেনের সেনারা ঘাঁটি বানিয়েছে। রাশিয়া সেনাঘাঁটি দেখে দেখে বোমা ফেলছে। আমরা অনেক ভয়ে আছি। আমাদের আটকে রেখেছে জিম্মির মতো করে।

    ১০০-র ওপর মানুষ আছে। রাত হলে বোমার শব্দ শুনতে পাই। গুলির শব্দ শুনতে পাই। লাইট বন্ধ করে দেই। আমরা যেখানে তিনজন মানুষ থাকি, সেখানে ১০ জন এনে রেখেছে। ’

    শিবিরে থাকা ব্যক্তিদের মারধরের অভিযোগ করেন রিয়াদুল মালিক। তিনি বলেন, ‘আমাদের মারছে। ইউক্রেনের অন্য ক্যাম্পগুলোর সবই বোমা ফেলে উড়িয়ে দিয়েছে এরই মধ্যে। এই শিবিরটা শুধু আছে।

    আমরা জানি, না, আমাদের জীবনের নিশ্চয়তা কতটুকু আছে। আমি আকুল আবেদন জানাচ্ছি, আমাদের এখান থেকে উদ্ধার করার জন্য। ’

    তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। আমরা বেলারুশ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে আছি। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। ’

    উদ্ধার করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়ে রিয়াদুল বলেন, ‘আমাদের জীবন এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে। আমরা অনেক আতঙ্কে আছি। এখানে অনেক দেশের ১০০ জনের ওপর মানুষ আছে। নারী ও শিশু আছে। ওরা কাউকে মুক্তি দিচ্ছে না। ’

    ইউক্রেনে বাংলাদেশের দূতাবাস নেই। প্রতিবেশী পোল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস ইউক্রেনে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখভাল করে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে কেউ সেখানে গিয়ে কাউকে উদ্ধারের সুযোগ নেই।

    ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছিল, ইউক্রেনের কারাগারে বা বন্দিশিবিরে থাকা বাংলাদেশিদেরও উদ্ধার করে নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে কাজ করছে।

    ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং এ পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি লোক নিহত বা আহত হয়েছে।

    জাতিসংঘ বলছে, গত বৃহস্পতিবার রাশিয়া আগ্রাসনের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থী ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গেছে।

  • ইউক্রেনের দুই শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

    ইউক্রেনের দুই শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

    ইউক্রেনের দুটি শহর মারিয়োপল ও ভলনোভাখায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। বেসামরিক লোকজন যেন নিরাপদে সরে যেতে পারে সেজন্যই এ ঘোষণা।

    শনিবার (০৫ মার্চ) বিষয়টি ‘মানবিক করিডোর’ হিসেবে বর্ণনা করে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির কথা জানায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়াও এ বিষয়ে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

    বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার, মস্কোর স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা) এই বিরতি কার্যকর হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো ইউক্রেনের দিক থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

    এর আগে শহর অবরুদ্ধ করে রাখার পরিপ্রেক্ষিতে মারিওপলের মেয়র ভিডিয়াম বোইচেঙ্কো একটি ‘মানবিক করিডোর’ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    এ নিয়ে যুদ্ধের দশম দিনে এসে সাময়িক বিরতি ঘোষণা করা হল রাশিয়ার পক্ষ থেকে। চলতি সপ্তাহে বেলারুশে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের পরে রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরের বেসামরিক বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে একমত হয়েছিল মস্কো। তারই ভিত্তিতে এই ঘোষণা বলে মনে করা হচ্ছে।

  • দু’মাসে দেশে ৮৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০১২ জনের প্রাণহানি

    দু’মাসে দেশে ৮৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০১২ জনের প্রাণহানি

    গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি দুই মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০১২ জন মারা গেছেন। এসময় হওয়া ৮৪৮টি সড়ক দুর্ঘনায় আহত হয়েছেন ১১৪৬ জন। নিহতের মধ্যে নারী ১৪৩, শিশু ১৩০।

    এর মধ্যে ৩৫৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৪০৩ জন মারা গেছেন, যা মোট নিহতের ৩৯.৮২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪২.২১ শতাংশ।

    শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত খবর বিশ্লেষণ করে তারা এসব তথ্য পেয়েছে।

    রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে: দুর্ঘটনায় ২০২ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ১৯.৯৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ১৪৭ জন, অর্থাৎ ১৪.৫২ শতাংশ। এই সময়ে ১২টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত। ২৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছে।

    যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র
    দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৪০৩ জন (৩৯.৮২%), বাস যাত্রী ৬৬ জন (৬.৫২%), ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি যাত্রী ৫৭ জন (৫.৬৩%), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ২৫ জন (২.৪৭%), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ১৮১ জন (১৭.৮৮%), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-মাহিন্দ্র-টমটম-চান্দের গাড়ি-ডাম্পার-পাওয়ারটিলার)৪৮ জন (৪.৭৪%) এবং প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-বাইসাইকেল আরোহী ৩০ জন (২.৯৬%) নিহত হয়েছে।

    দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন
    রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৩৫৩টি (৪১.৬২%) জাতীয় মহাসড়কে, ২৯৫টি (৩৪.৭৮%) আঞ্চলিক সড়কে, ১৪৩টি (১৬.৮৬%) গ্রামীণ সড়কে, ৪৬টি (৫.৪২%) শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ১১টি (১.২৯%) সংঘটিত হয়েছে।

    দুর্ঘটনার ধরন
    দুর্ঘটনাসমূহের ১৫১টি (১৭.৮০%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩৭৯টি (৪৪.৬৯%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১৯৯টি (২৩.৪৬%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৯৩টি (১০.৯৬%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ২৬টি (৩.০৬%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

    দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন
    দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে- ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ ২৮.৬০%, ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি-ড্রামট্রাক-কার্গো ট্রাক-ডাম্পার-ভেম্পার-মিকচার মেশিনগাড়ি ৭.৭৯%, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স-পুলিশ পিকআপ-আর্মি ট্রাক ৩.৯৬%, যাত্রীবাহী বাস ১১.৬৯%, মোটরসাইকেল ২৬.০৯%, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা-হিউম্যান হলার) ১৪.০৫%, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন- (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-চান্দের গাড়ি-পাওয়ারটিলার-মাহিন্দ্র-টমটম-ঠ্যালাগাড়ি) ৫.৬৩% এবং প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-বাইসাইকেল ২.১৫%।

    দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা
    দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ১,৪৩৭ টি। (ট্রাক ৩০২, বাস ১৬৮, কাভার্ডভ্যান ৩০, পিকআপ ৭৯, ট্রলি ২৮, লরি ২৩, ট্রাক্টর ৪৫, ভেম্পার ২, ডাম্পার ৪, মিকচার মেশিন গাড়ি ২, ড্রামট্রাক ৭, কার্গো ট্রাক ১, পুলিশ পিকআপ ১, আর্মি ট্রাক ১, মাইক্রোবাস ২১, প্রাইভেটকার ২৬, এ্যাম্বুলেন্স ৮, মোটরসাইকেল ৩৭৫, থ্রি-হুইলার ২০২(ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা-হিউম্যান হলার), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৮১ (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-চান্দের গাড়ি-পাওয়ারটিলার-মাহিন্দ্র-টমটম-ঠ্যালাগাড়ি) এবং প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-বাইসাইকেল ৩১টি।

    দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ
    সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ২.৪৭%, সকালে ৩১.৪৮%, দুপুরে ১৭.৫৭%, বিকালে ১৮.৬৩%, সন্ধ্যায় ১২.০২% এবং রাতে ১৭.৮০%।

    দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান
    দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২৩.২৩%, প্রাণহানি ২২.৭২%, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৯.৫৭%, প্রাণহানি ১৯.০৭%, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২০.২৮%, প্রাণহানি ২২.৮২%, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.৪৩%, প্রাণহানি ৯.৬৮%, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৪৮%, প্রাণহানি ৫.০৩%, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৪.৮৩%, প্রাণহানি ৪.১৫%, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.১৯%, প্রাণহানি ১০.১৭% এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৯৫%, প্রাণহানি ৭.২১% ঘটেছে।

    চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে, ২৩১ জন। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে, ৪২ জন। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে, ৪৮ জন। সবচেয়ে কম সাতক্ষীরা জেলায়, ২ জন। রাজধানী ঢাকায় ২১টি দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত হয়েছে।

    নিহতদের পেশাগত পরিচয়
    গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য ১১ জন, স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষক ২৭ জন, চিকিৎসক ৩ জন, পল্লী চিকিৎসক ৪ জন, স্বাস্থ্যকর্মী ২ জন, খাদ্য কর্মকর্তা ১ জন, ভূমি কর্মকর্তা ১ জন, সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা ১ জন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সাংবাদিক ৬ জন, কৃতি ফুটবলার ১ জন, সাবেক কৃতি ক্রিকেটার ১ জন, বাউল শিল্পী ১ জন, পিএইচপি গ্রুপের প্রধান প্রকৌশলী ১ জন, গ্রামীণ ব্যাংকের ৩ জনসহ বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তা ১১ জন, এনজিও কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৮ জন, ঔষধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ৫৪ জন, স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ৪৬ জন, পোশাক শ্রমিক ১৯ জন, নির্মাণ শ্রমিক ৮ জন, ইটভাটা শ্রমিক ৩ জন, কাঠমিস্ত্রি ৩ জন, রাজমিস্ত্রি ৪ জন, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিক ১ জন, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ৫ জন, ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ২৩ জন এবং ঢাকা, রাজশাহী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ জন ছাত্রসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

    দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ
    দেশে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো তুলে ধরেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন:

    ১. ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন;

    ২. বেপরোয়া গতি;

    ৩. চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা;

    ৪. বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা;

    ৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল;

    ৬. তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো;

    ৭. জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা;

    ৮. দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা;

    ৯. বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি;

    ১০ গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

    সুপারিশসমূহ
    ১. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে;

    ২. চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট করতে হবে;

    ৩. বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে;

    ৪. পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে;

    ৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্বরাস্তা (সার্ভিস লেন) তৈরি করতে হবে;

    ৬. পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে;

    ৭. গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে;

    ৮. রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে;

    ৯. টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে;

    ১০.“সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮” বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    দুর্ঘটনা পর্যালোচনা
    সড়ক দুর্ঘটনায় গত ২ মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৭.১৫ জন নিহত হয়েছে। জানুয়ারি মাসে ৪৩১ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪৩ জন নিহত হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে ৪১৭ টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪৬৯ জন। এই হিসাবে জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে দুর্ঘটনা বেড়েছে ৭.১২ শতাংশ এবং প্রাণহানি কমেছে ৪.৩৪ শতাংশ।

    জানুয়ারি মাসে ১৮৭ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২১৬ জন নিহত হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে ১৭১ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৮৭ জন। উল্লেখ্য, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে প্রাণহানি সামান্য কমলেও এটি কোনো টেকসই উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ৮৩২ জন, অর্থাৎ ৮২.২১ শতাংশ।

    ট্রাক ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানো এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণে তারা নিজেরা দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে এবং অন্যান্য যানবাহনকে আক্রান্ত করছে। পথচারী নিহতের মাত্রাও চরম উদ্বেগজনক পর্যায়ে। পথচারীরা যেমন সড়কে নিয়ম মেনে চলে না, তেমনি যানবাহনগুলোও বেপরোয়া গতিতে চলে। ফলে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে।

    এই প্রেক্ষাপটে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। “সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮” বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে মূলত সড়ক পরিবহন খাতের নৈরাজ্য ও অব্যস্থাপনার কারণে। এই অবস্থার উন্নয়নে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

  • বরিশালে দ্বিতীয় দিনের মত গণটিকা কার্যক্রম চলছে

    বরিশালে দ্বিতীয় দিনের মত গণটিকা কার্যক্রম চলছে

    বরিশালে গণটিকার কার্যক্রম দ্বিতীয় দিনের মত চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগের উপ পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানান, ইচ্ছা আছে ১ম ডোজের টিকা
    দিতে টার্গের ৭৮ লাখ ১৬ হাজা জনতাকে দেয়ার। গেল দিন গণটিকার আওয়ায় বিভাগের ৬ জেলায় ১ম ডোজ ৬ লাখ ৭৯ হাজার এবং দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিয়েছেন ২৭ হাজার ২ জনকে।

    গণটিকার বেলায় শিক্ষার্থীদের ফাইজার আর অন্যদের সিনোভ্যাকের টিকা দেয়া হচ্ছে। এজন্য প্রতি ইউনিয়নে ৩টি কেন্দ্র, পৌরসভার প্রতি ওয়ার্ডে ১ টি করে কেন্দ্র এবং সিটি কর্পোরেশনে প্রতি ওয়ার্ডে ৯টি করে টিকা প্রদান কেন্দ্র রয়েছে।

    এর পাশাপাশি উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ভ্রাম্যমান কেন্দ্র থেকে গণটিকা দেয়া হয়। যারা চলাচলে অক্ষম মিটি কর্পোরেশন এলাকায় তাদের বাড়িতে গিয়ে টিকা দেয়া হচ্ছে। এক্ষত্রে নগরীতে রেডক্রিসেন্টের ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে। গত দিন টিকা দেয়া হয়েছে রাত সাড়ে ৯টা অবধি পর্যন্ত।

  • মানুষের আগ্রহের কারণে আরও ২ দিন বাড়ছে গণটিকার মেয়াদ

    মানুষের আগ্রহের কারণে আরও ২ দিন বাড়ছে গণটিকার মেয়াদ

    মানুষের বিপুল আগ্রহের কারণে গণটিকার মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, মানুষের বিপুল আগ্রহের কারণে গণটিকার মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ তারিখ পর্যন্ত ক্যাম্পেইনের আওতায় টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    করোনা মহামারি প্রতিরোধে মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজের আওতায় আনতে শনিবার দেশব্যাপী শুরু হয়েছে ‘একদিনে এক কোটি কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম’।

    এই কার্যক্রমের আওতায় টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে টিকা নিতে আসা মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা করা যায়। একইসঙ্গে ব্যাপক আগ্রহে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা এবং বয়সের মানুষ করোনার টিকা গ্রহণ করছেন।

  • জাতিকে মাদকাসক্ত করা ও ইসলামী শিক্ষা তুলে দেয়ার চক্রান্ত চলছে

    জাতিকে মাদকাসক্ত করা ও ইসলামী শিক্ষা তুলে দেয়ার চক্রান্ত চলছে

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়šত্মীতে ৯৫ শতাংশ মুসলমানের দেশের স্কুল-কলেজ থেকে ইসলামী শিক্ষা তুলে দেয়াসহ সামগ্রীক ভাবে ধর্মীয় তথা ইসলামী শিক্ষা সংকোচন এবং জাতিকে মাদকাসক্ত করতে মাদকের বিক্রয় সহজ করে দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। তিনি মাদকের বি¯ত্মার রোধ ও ইসলামী শিক্ষা সংকোচনের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগামী ৩১ মার্চ ঢাকায় জাতীয় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

    পীর সাহেব চরমোনাই আরো বলেন, চট্টগ্রামের বই মেলায় ইসলামী বই নিষিদ্ধ করাসহ সরকারের অন্যান্য কর্মকান্ডে মনে হচ্ছে তারা বাংলাদেশে হিন্দুত্ববাদী সংস্কৃতি চালুর অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে। স্বপ্নের বাংলাদেশ আজ লুটেরা, সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজদের কবলে। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে এহেন বেহালাবস্থা থেকে উদ্ধারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিপথগামী মানুষদের আত¥শুদ্ধি করার পাশাপাশি রাষ্ট্রশুদ্ধির কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সদ্যসমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে দেখা গেছে জনগণ আগে ভোট দিতে পারতোনা,আর এখন প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতেও পারেনা। এতে প্রমাণিত হয়- দলীয় সরকারের অধীনে আগামীতে কোন সুষ্ঠ নির্বাচন হবে বলে মনে হয় না।

    আজ ২৬ ফেব্রম্নয়ারি’২২ শনিবার সকাল ১০.৩০টায় ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের ২য় দিনে আয়োজিত ওলামা-বুদ্ধিজীবি সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই উপরোক্ত কথা বলেন।

    ওলামা-বুদ্ধিজীবি সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মুহাম্মাদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে হাতপাখাকে বিজয়ী করতে একযোগে সকলকে কাজ করতে হবে। কুরআন, হাদীসের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

    সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেন, কারাগারে বন্দী ওলামায়ে কেরাম কে মুক্তি দিতে হবে। হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এর জামাতা ও লক্ষীপুরের চরকাদিরা ইউনিয়নে হাত পাখা প্রতিকে নির্বাচিত আলোচিত চেয়ারম্যান আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, সমগ্র দেশ দুর্নীতির অতল সাগরে ডুবে আছে। সরকারের দায়িত্বশীলরা স্বীকার করে সর্বত্র দুর্নীতি। ক্ষমতাসীনদের দিয়ে দুর্নীতি দমন করা সম্ভব নয়।

    তিনি বলেন, যে যত শিক্ষিত ও যত বড় পদের অধিকারী সে তত বড় দুর্নীতিবাজ। শায়খ জাকারিয়া ইসলামী রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করা ফরজে আইন। কায়েম করা সম্ভব না হলে চেষ্টা করা ফরজে আইন। সরকারে সাবেক সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য ইসলামী আন্দোলনের মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে কাজ করতে হবে। আমাদের জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

    সšত্মানদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে দেশে শাšিত্ম প্রতিষ্ঠিত হবে। জামেয়াতুস সুন্নাহ মাদারীপুরের মুহতামিম মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী বলেন, ধর্মের নাম দিয়ে ইসলামের বিরোধীতা করার কোন ধর্ম নেই, তাই ইসলাম বিরোধীরা ধর্মহীনতাকে দিয়ে ইসলামের মোকাবেলা করতে চায়।

    পৃথিবীর ২শ কোটি মুসলমান বিশ্বাস করে আল্লাহ ছাড়া কারো আইন মানিনা। রাষ্ট্রীয়ভাবে, শিক্ষা ও বিচারের ক্ষেত্রে যা করছে তার সাথে কালেমার কোন সম্পর্ক নেই। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম বলেন, এই দেশের নেতারা দুনিয়ার কথা বলেন।

    অনেক আলেম ওলামা আখেরাতের কথা বলেন। আর চরমোনাই পীর সাহেব দুনিয়া ও আখেরাতের কথা বলেন। বুলেটের বিপরীতে ব্যলট অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ব্যালটের মাধ্যমে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠায় সর্বাত¥ক চেষ্টা চালাতে হবে।

    আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মেজর অবঃ অধ্যাপক ডা. আবদুল ওহাব মিনার বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমাদের যে নাগরিক অধিকার পাবার কথা ছিলো, তা আমরা পাচ্ছি না।

    ঢাকার শাšিত্মনগর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ফরিদউদ্দিন আল মোবারক চরমোনাই তরিকার বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দ্বীন ইসলামের স্বার্থে চরমোনাইর বিরোধীতা পরিহার করম্নন। সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আক্কাস আলী সরকার বলেন, দেশে ইনসাফ থাকলে ২ লক্ষ কোটি টাকা উন্নয়ন বাজেট হওয়ার পরেও দেশের মানুষকে ভিক্ষা করতে হতো না।

    তিনি বলেন, ইসলামী হুকুমতের অনুপস্থিতিতে দেশে চুরি, ডাকাতি, রাহাজানির ঘটনা ও দুর্নীতি অহরহ ঘটছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ও ঝালকাঠির ক্বায়েদ সাহেব রহঃ এর নাতি ড.মুহাম্মাদ শহীদুল হক বলেন, ইসলামী শিক্ষা কলেজ ও স্কুল থেকে উঠিয়ে দেয়ার চক্রাšত্ম চলছে।

    তুরস্কে কামাল আতাতুর্ক ও স্পেনের মত ইসলামী শিক্ষা ধ্বংস করে বাংলাদেশকে বিপথগামী করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে হবে। নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও মাদরাসার মোহতামিম মুফতী আজিজুল হক বলেন, বাংলাদেশের যত জ্বাল ও ভেজাল রাজনীতি আছে তা দূর করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা।

    ইসলামী হুকুম প্রতিষ্ঠায় আলেম ও মুজাহিদ রা একই শুরু কথা বলবে। একত্রে চলবে বলে আমি আশাবাদী। সরকারী মাদরাসা-ই-আলিয়া ঢাকার প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. একে এম ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ইসলামের বিরম্নদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা চরমোনাই পীর সাহেবের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সামনে পরাজিত হবে, ইনশাআল্লাহ। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতিবিদ কাজী মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন- স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও পার্বত্য অঞ্চলে আমরা আজ পরাধীন।

    স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে কখনো কখনো ভারত বা মিজোরামের পতাকা উড়ছে, যা আমাদের জন্য বেদনা ও লজ্জাষ্কর। হাজী শরীয়তুলস্নাহর সপ্তম পুরম্নষ মাওঃ হানজালা আহমাদ বাহাদুরপুর বলেন, ইসলাম ছিনিয়ে নেয়ার আন্দোলন চলছে। জামিয়া মাহমুদিয়া যাত্রাবাড়ি এর মুহাদ্দিস মুফতী রেজাউল করীম আবরার বলেন, খতমে নবুওয়তের ইজ্জত রক্ষায় পীর সাহেব চরমোনাই’র নেতৃত্বে দেশের জনগণ রাজপথে নামতে প্রস্তুত আছে।

    এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, বগুড়া জামিল মাদরাসার মমোহাদ্দিস ও দলের নায়েবে আমীর মাওঃ আব্দুল হক আজাদ, মহাসচিব

  • কারাবন্দিরা ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন স্বজনদের সঙ্গে

    কারাবন্দিরা ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন স্বজনদের সঙ্গে

    করোনা মহামারির মধ্যে কারাবন্দিরা যাতে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে পারে, সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    আজ রোববার গাজীপুরে কাশিমপুর কমপ্লেক্সে ১২তম ব্যাচ ডেপুটি জেলার এবং ৫৯তম ব্যাচ কারারক্ষী ও মহিলা কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে বন্দিদের দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ থাকায় তাদের পরিবারের সাথে সপ্তাহে ১ দিন ১০ মিনিট মোবাইলে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    মোবাইলে কথা বলার পাশাপাশি ভিডিও কলের ব্যবস্থা করার জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কারাগারে দায়িত্ব পালন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ভিন্নতর ও চ্যালেঞ্জিং।

    কারাগারের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি বন্দিদের প্রতি মানবিক আচরণ প্রদর্শন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে অপরাধীদের চরিত্র সংশোধন করে সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় কারাগারকে সংশোধনাগারে রূপান্তর করতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।

    কারাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং বৃদ্ধি করা হয়েছে বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা।’

    পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিক্রুট ডেপুটি জেলাদের র‌্যাঙ্কব্যাজ প্রদান এবং রিক্রুট প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    প্রশিক্ষণার্থীদের অন-আর্মড কমব্যাট ও পিটি ডিসপ্লে উপভোগ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন, কারা মহাপরিদর্শক ব্রি. জেনারেল এএসএম আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন।

  • বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু-আক্রান্ত বাড়ছে

    বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু-আক্রান্ত বাড়ছে

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ১০ হাজার ৪৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দুই হাজার বেড়েছে। এতে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৫৯ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮১ জনে পৌঁছেছে।

    একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ লাখ ৭৪ হাজার ৩০৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে দেড় লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪২ কোটি ৯৭ লাখ ৮১ হাজার ৯৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

    মহামারি এ ভাইরাসের শুরু থেকেই আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।


    ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে জার্মানিতে। এ সময়ে দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৯ জন এবং মারা গেছেন ২৫৩ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লাখ ৯২ হাজার ৬২১ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ২২ হাজার ৬২২ জন মারা গেছেন।

    অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৩৭৭ জন এবং মারা গেছেন ২ হাজার ৪২০ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৩৯৩ জন মারা গেছেন।


    গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৮৫ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৪২ জন। আর লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৫৬ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬২৬ জন।

    আর প্রতিবেশী দেশ ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩০২ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৩ হাজার ৪৭৬ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ৫০৭ জন এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ১২ হাজার ৯৫৪ জন।

    যুক্তরাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৬৫৬ জন এবং মারা গেছেন ১৬৪ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৮৭ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৯ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ইউক্রেনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৬২ জন এবং মারা গেছেন ২৯৭ জন।