Category: প্রচ্ছদ

  • পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে : পুলিশ কমিশনার

    পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে : পুলিশ কমিশনার

    কর্মদক্ষতা নষ্ট করে দেয় এমন কিছু করা যাবে না। আমাদের আচার-আচরণ সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারা সমুন্নত রাখতে হবে।

    বিএমপি কমিশনার আরো বলেন, সকলকে জনগণের প্রত্যাশার সমান আস্থাশীল হয়ে কাজ করার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট রেখে আরও স্মার্ট ও যুগোপযোগী হয়ে স্ট্যন্ডার্ড ধরে রেখে দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত থেকে নিরাপদ বরিশাল বিনির্মাণে নিয়োজিত থাকতে হবে। যা আমাদের ডিসেপ্লিন ও যোগ্যতার বিশেষ অংশ। এগুলো ছেড়ে দিলে পুলিশ আর সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না। সুতারং এক্ষেত্রে কোন ঢিলেঢালা ভাব বরদাস্ত করা হবে না।

    তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা এই স্বাধীন ভূখন্ড পেয়েছি। তিনি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বের দিকে। উন্নত বিশ্বের পূর্বশর্ত শৃঙ্খলার মানোন্নয়ন। স্ব- স্ব অবস্থান থেকে যাবতীয় হয়রানি নিষ্ঠুরতা বন্ধ করে সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়নতা ও উন্নত মানসিকতার মাধ্যমে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে যথাযথ নিয়মে জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

    সহকারী কমিশনার মো. সাদ্দামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেড পরিদর্শনে আরো ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, উপ-কমিশনার মো. নজরুল হোসেন, মোকতার হোসেন, আশরাফ আলী ভূঞাসহ বিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

    ওদিকে দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানায় অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজি ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসেবে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি প্রফেসর স.ম ইমানুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদ লুনা, মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতিকসহ নগরীর বিশিষ্টজনরা।

    বক্তব্যে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন বলেন, একটি দুঃখের সংবাদ হচ্ছে মাননীয় পুলিশ কমিশনার স্যার অতিরিক্ত আইজিপি হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। সেই সাথে আনন্দের সংবাদ হচ্ছে তিনি এতদিন শুধু বরিশাল দেখতেন। এখন পুরো দেশ দেখবেন। বিগত তিন বছর তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি সাধারণ মানুষের মত মানুষের সাথে মিলেছেন।

    তিনি ছোট থেকে বড় সকলকে ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। একটি মানুষ নিজেকে যোগ্যভাবে পরিচালনা করার জন্য যতগুলো গুনাবলী দরকার তা স্যারের কাছ থেকে শিখেছি। তিনি বরিশালকে ভালোবাসতেন। বরিশালকে একটু সুন্দর প্রশাসনিক এলাকায় পরিণত করে গেছেন। বরিশালবাসী তাকে আজীবন স্মরণ করবেন।

    অতিরিক্ত আইজিপি ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, পুলিশের প্রধান দায়িত্ব ঈমান ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করা। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ লাইন্স মাঠে মাস্টার প্যারেড পরির্দশনকালে এই কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শুধু ইউনিফর্ম প্রদর্শন নয়; আচার-আচরণ ও কাজের মাধ্যমে ভালো কিছু দেখাতে হবে।

    কর্মদক্ষতা নষ্ট করে দেয় এমন কিছু করা যাবে না। আমাদের আচার-আচরণ সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারা সমুন্নত রাখতে হবে।

    বিএমপি কমিশনার আরো বলেন, সকলকে জনগণের প্রত্যাশার সমান আস্থাশীল হয়ে কাজ করার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট রেখে আরও স্মার্ট ও যুগোপযোগী হয়ে স্ট্যন্ডার্ড ধরে রেখে দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত থেকে নিরাপদ বরিশাল বিনির্মাণে নিয়োজিত থাকতে হবে। যা আমাদের ডিসেপ্লিন ও যোগ্যতার বিশেষ অংশ। এগুলো ছেড়ে দিলে পুলিশ আর সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না। সুতারং এক্ষেত্রে কোন ঢিলেঢালা ভাব বরদাস্ত করা হবে না।

    তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা এই স্বাধীন ভূখন্ড পেয়েছি। তিনি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বের দিকে। উন্নত বিশ্বের পূর্বশর্ত শৃঙ্খলার মানোন্নয়ন। স্ব- স্ব অবস্থান থেকে যাবতীয় হয়রানি নিষ্ঠুরতা বন্ধ করে সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়নতা ও উন্নত মানসিকতার মাধ্যমে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে যথাযথ নিয়মে জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

    সহকারী কমিশনার মো. সাদ্দামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেড পরিদর্শনে আরো ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, উপ-কমিশনার মো. নজরুল হোসেন, মোকতার হোসেন, আশরাফ আলী ভূঞাসহ বিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

    ওদিকে দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানায় অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজি ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসেবে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি প্রফেসর স.ম ইমানুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদ লুনা, মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতিকসহ নগরীর বিশিষ্টজনরা।

    বক্তব্যে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন বলেন, একটি দুঃখের সংবাদ হচ্ছে মাননীয় পুলিশ কমিশনার স্যার অতিরিক্ত আইজিপি হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। সেই সাথে আনন্দের সংবাদ হচ্ছে তিনি এতদিন শুধু বরিশাল দেখতেন। এখন পুরো দেশ দেখবেন। বিগত তিন বছর তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি সাধারণ মানুষের মত মানুষের সাথে মিলেছেন।

    তিনি ছোট থেকে বড় সকলকে ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। একটি মানুষ নিজেকে যোগ্যভাবে পরিচালনা করার জন্য যতগুলো গুনাবলী দরকার তা স্যারের কাছ থেকে শিখেছি। তিনি বরিশালকে ভালোবাসতেন। বরিশালকে একটু সুন্দর প্রশাসনিক এলাকায় পরিণত করে গেছেন। বরিশালবাসী তাকে আজীবন স্মরণ করবেন।

  • আজ হৃদয়ের দুয়ার খুলে ভালোবাসার দিন

    আজ হৃদয়ের দুয়ার খুলে ভালোবাসার দিন

    পহেলা ফাল্গুন আজ। বসন্তের প্রথম দিন। একইসঙ্গে ১৪ই ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্ত আর ভালোবাসায় একাকার দিন। বসন্ত বরণ আর ভালোবাসা দিবস উদ্‌যাপনে তাই দিকে দিকে নানা আয়োজন। প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে এ দিনে ফুলের চেয়ে ভালো কিছু নেই। তাই ফুলের বাজারে ঘুরছেন মানুষ।

    চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেড়ে গেছে ফুলের দামও। রোববার রাজধানীর শাহবাগে ফুলের দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। নগরের বিভিন্ন অলি-গলিতেও বাহারি সব ফুল দিয়ে পসরা বসিয়েছেন অনেকে। এসব দোকানেও ক্রেতারা ভিড় করেন ফুল কেনার জন্য।

    পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে কদর বেড়েছে সব ধরনের ফুলের। এ জন্য দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। অন্য সময় ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি লাল গোলাপ এদিন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবুও ভালোবাসার মানুষের জন্য ফুল কিনতে দোকানে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা।

    ভালোবাসা দিবসে একমাত্র মেয়েকে চমকে দেয়ার জন্য শাহবাগ থেকে বড় একটি ফুলের তোড়া কিনেছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আফজাল চৌধুরী। তিনি বলেন, ভালোবাসা দিবসটি স্মরণীয় করতে মেয়ের জন্য ফুল নিলাম। এটা দেখে সে খুব খুশি হবে। যদিও ফুলের দাম এবার একটু বেশি। কিন্তু বাবা হিসেবে মেয়েকে সব সময় হাসিখুশি দেখতে চাই। তাই ভালো দেখে একতোড়া ফুল নিলাম।

    ভালোবাসার অর্ধযুগ পূর্তিতে প্রেমিকার জন্য ছয়টি লাল গোলাপ আর ফুল দিয়ে তৈরি মাথার রিং কিনেছেন রাব্বি হোসেন। ভালোবাসা দিবসে এই গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন প্রেমিকাকে।

    রাব্বি বলেন, ক’দিন আগে আমাদের ভালোবাসার ছয় বছর হলো। তাই ছয়টি লাল গোলাপ কিনলাম। এটা দিয়ে শুভেচ্ছা জানালে মানুষটি খুব খুশি হবে। মাথায় ফুলের রিংটা পরলে তাকে সুন্দর লাগবে। ভালোবাসা দিবসে দুজন একসঙ্গে ঘুরবো। তাই দিনটিকে উৎসবমুখর করতেই একটু প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    অনলাইনে সব সময় ফুল, চকলেট, চুড়িসহ বিভিন্ন জামাকাপড় বিক্রি করেন পাভেল নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি জানান, ভালোবাসা দিবসের জন্য তাদের ফুলের চাহিদা অনেক বেড়েছে। দু’দিন ধরে অনেক অর্ডার আসছে। তারাও ক্রেতাদেরকে সময় মতো ফুল পৌঁছে দিচ্ছে।

    ফুলের দাম প্রসঙ্গে পাভেল বলেন, এবার ফুলের দাম অনেক বেশি। আগে যেসব ফুলের তোড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় কিনতাম তা আজ দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছে। আর একটা গোলাপ আগে ১০ থেকে ১৫ টাকা করে কিনতাম তা এখন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

    চায়না গোলাপ ১৩০ টাকার নিচে দিচ্ছে না। তাও ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে। দাম বেশি হলেও ক্রেতারা সেদিক চিন্তা না করে মনের মানুষকে ফুল দিয়ে ভালোবাসার কথা জানাতে চায়। আমরাও তাই বেশি করে ফুল কিনে রাখছি। তুলিকা নামের ফুলের দোকানি মফিজুল ইসলাম জানান, ফেব্রুয়ারি আর মার্চ মাস ফুল বিক্রির মৌসুম।

    এই সময়ে সব ধরনের ফুলের চাহিদা থাকে। এই দুই মাসে দেশে অনেক অনুষ্ঠান হয়। এসব অনুষ্ঠানের জন্য অনেক ফুলের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া একমাস বইমেলা থাকায় অনেকে ফুল দিয়ে সেজে মেলায় ঘুরতে যান। পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবসে এই চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই দামও অন্য সময়ের চেয়ে বেশি হয়।

    শাহবাগের ভ্যালেন্টাইনস ফ্লাওয়ার নামের একটি দোকানে দীর্ঘদিন ধরে ফুল বিক্রি করেন কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ধীরে ধীরে ফুলের চাহিদা বাড়ছে। ২০ বছর আগে আমরা আগে ৩০ পয়সা করে গোলাপ ফুল বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন একটা বিক্রি করতে হচ্ছে ৬০ টাকা করে। গতবছর আমরা ৬ টাকায় যেই গোলাপ কিনতাম তা এবার ৩০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এই গোলাপ ৫০ টাকা বিক্রি না করলে আমাদের লাভ হয় না।

  • বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে শীর্ষে ব‌রিশাল জেলা

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে শীর্ষে ব‌রিশাল জেলা

    এইচএসসিতে বরিশাল মাধ্য‌মিক ও উচ্চ মাধ্য‌মিক শিক্ষা বোর্ডে পাশের হারের দিক থেকে ব‌রিশাল জেলা সবার শীর্ষে রয়েছে। আর সবার নীচে রয়েছে পটুয়াখালী জেলা।

    আজ রোববার (১৩ ফেব্রয়ারী) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফলাফলের পরিসংখ্যান ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন।

    তিনি জানান, এ বছর গড় পাশের হারে ব‌রিশাল জেলার অবস্থান রয়েছে সবার শীর্ষে। এ জেলায় মোট পাশের হার ৯৬ দশমিক ৯৩। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ঝালকা‌ঠি জেলার পাশের হার ৯৬ দশমিক ৪০। তৃতীয় অবস্থানে থাকা বরগুনা জেলার পাশের হার ৯৬ দশমিক ৩১।চতুর্থ অবস্থানে থাকা পি‌রোজপুর জেলার পাশের হার ৯৬ দশমিক ১৫।পঞ্চম অবস্থানে থাকা ভোলা জেলার পাশের হার ৯৪ দশমিক ৫৮।আর সবার শেষে থাকা পটুয়াখালী জেলার পাশের হার ৯৩ দশমিক ৪৬।

    অপরদিকে এ বছর মান‌বিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার সবথেকে বেশি এরপর ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিভাগের অবস্থান। জিপিএ-৫ এর দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পেয়েছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে মোট ৪ হাজার ৯৮৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া মানবিক বিভাগ থেকে ৪ হাজার ১৬৯ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৮১৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদিকে বরিশাল বোর্ডে এবারে কেউ পাশ করেনি এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই।

  • বরিশালে পাসের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

    বরিশালে পাসের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে নয় হাজার ৯৭১ জন শিক্ষার্থী।

    রোববার (১৩ ফেব্রুয়া‌রি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফলাফলের পরিসংখ্যান ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন।

    তিনি জানান, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৬৬ হাজার ৭৯৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৩২ হাজার ৫৭ জন এবং ছাত্রী ৩৪ হাজার ৭৩৯ জন। পাস করেছে ৬৩ হাজার ৯৬৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩০ হাজার ২৮৯ জন আর ছাত্রী ৩৩ হাজার ৬৭৫ জন।

    বিভাগে পা‌সের হারে এগিয়ে রয়েছে ব‌রিশাল জেলা। প্রতিবারের মতো এবারও এই শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে। গত বছর বোর্ডে পাসের হার ছিল শতভাগ। ত‌বে এবা‌রে জিপিএ-৫ বে‌ড়ে‌ছে চার হাজার ৪০৩ জনের।

    এ বছর কোনো ক‌লেজ শতভাগ ফেল না থাক‌লেও ৫৬টি প্রতিষ্ঠা‌নে পা‌শের হার শতভাগ র‌য়েছে।

    বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন ব‌লেন, ভা‌লো ফলাফ‌লের কৃ‌তিত্ব ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক‌দের। আর যারা খারাপ ক‌রে‌ছে, তারা মূলত যে তিন বিষ‌য়ে পরীক্ষা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে সে বিষয়গু‌লো‌তে খারাপ ক‌রে‌ছে।

  • রাস্তায় কোনো চাঁদা-সার্ভিস চার্জ তুলতে দেব না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাস্তায় কোনো চাঁদা-সার্ভিস চার্জ তুলতে দেব না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দুই মাসের মধ্যে পরিবহণ শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য টাস্কফোর্সের সভায় এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সড়ক আইনে চালক ও সুপারভাইজারকে মালিকদের নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা রয়েছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা বারবার বলার পরেও এটা দেওয়া হচ্ছিল না। আগামী দুই মাসের মধ্যে মালিক এবং শ্রমিক যারা আছেন, তারা বসে কখন কীভাবে শুরু করবেন- এটা ঠিক করবেন। এটা বাধ্যতামূলক, আমরা দুই মাস পরে রাস্তায় সেটা চেক করব। নিয়োগপত্র ছাড়া কোনো ড্রাইভার গাড়িতে উঠতে পারবে না।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্ধারিত টার্মিনাল বা জায়গা ছাড়া রাস্তায় কোনো রকমের চাঁদা বা সার্ভিস চার্জ তুলতে দেব না, এটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা এটা আইজিপিকে জানিয়ে দিয়েছি, তিনি অ্যাকশনে থাকবেন। পৌরসভাসহ বিভিন্ন ধরনের করও আদায় করা হয়, এগুলোও যাতে স্ট্যান্ড বা টার্মিনাল ছাড়া যত্রতত্র তোলা না হয়- সে ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। বিআরটিসি কমিটির সিটিং নিয়মিত করতেও বলা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পর্যায়ক্রমে যাতে সবাই লাইসেন্স আরও সহজে পায় সেটারও সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে ১১১টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে একটি টাস্কফোর্স হয়েছিল, সেই টাস্কফোর্সের আজ (রোববার) চতুর্থ সভা ছিল। আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পরে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    তিনি বলেন, সড়কে যে যানবাহনগুলো চলে সেগুলো অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। এগুলো কতদিন চলতে পারবে তার জন্য বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে একটি কমিটি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। বেসরকারিই শুধু নয়; সরকারি গাড়িগুলোও কীভাবে চলবে, কতদিন চলবে- তা আলোচনা হয়েছে। আমরা দেখেছি, এই গাড়িগুলো এতই পুরনো সারা দেশে চলাচল করে এবং সময় সময় দুর্ঘটনার একটি কারণ হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারি সব জায়গায় ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা আছে। চালকদেরও আমরা ডোপ টেস্টের আওতায় নিয়ে আসছি। বিআরটিএ যখন লাইসেন্স দিচ্ছে তখনো ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। শুধু লাইসেন্সের সময়ই নয়, আমরা টার্মিনালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করব। গাড়ি যখন তারা চালাবে, এর আগেই টেস্ট করে চালাবে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত আমরা নিতে যাচ্ছি এবং সে অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। বিআরটিএতে গত ৩০ জানুয়ারি থেকে এটা চালু হয়েছে।

  • করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, লক্ষ্যমাত্রার ৮৫ শতাংশ করোনাভাইরাসের টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে।

    এতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকটাই কমে গেছে। এরপরও সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

    শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শুভ্র সেন্টারে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান সীমিতভাবে করার জন্য যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মেনে চলতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। আমাদের কাছে পরামর্শ চাইলে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

    তিনি আরও বলেন, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হয়। স্কুল-কলেজের যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকা নেয়নি, তারা যেন দ্রুত টিকা নিয়ে নেয়।

    অনুষ্ঠানে জেলা সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম হোসেন খান চৌধুরী, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডা.আরশ্বাদ উল্লাহ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুতফর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সঙ্গে এগিয়ে যাবে দেশও

    স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সঙ্গে এগিয়ে যাবে দেশও

    বহুল প্রত্যাশিত বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা ৬ লেনের দৃষ্টি নন্দন হাইওয়ে চালুর ফলে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষের ভাগ্য ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে।

    ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার ৬ লেন এক্সপ্রেস সড়কটি চালুর ফলে কম সময়ে যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের ব্যাপক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে গড়ে উঠছে শিল্প-কলকারখানা।

    এ বছর জুন মাসে পদ্মা সেতু ও রেলপথ চালুর হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান, বেকার সমস্যা হ্রাস, দারিদ্র বিমোচন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার ব্যাপক উন্নতি হচ্ছে।

    পদ্মা সেতু চালু হলে বড় বড় মেগা প্রকল্পের কাজ অত্র এলাকায় শুরু হবে। বর্তমানে শিল্প, কল-কারখানার মালিকসহ অনেক ব্যবসায়ী জায়গা কেনার ফলে এলাকার জায়গা-জমির দাম দিন দিন বেড়েই চলছে। ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল ৩ বিভাগের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই সহজ হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীরা ঢাকা থেকে মালামাল ক্রয় করে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে পারছে।

    পদ্মা সেতু ও রেল সড়ক চালু হলে ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর, বেনাপোল বন্দর, খুলনা পোর্ট ও ভোলা বন্দরের সঙ্গে মালামাল নেওয়া-আনা খুবই সহজ ও সময় সাশ্রয় হবে। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক দৃষ্টি নন্দন ৬ লেনের হাইওয়ে এক্সপ্রেস দেখতে ভিড় করছে। পর্যটন কেন্দ্রে সাগরকন্যা কুয়াকাটা যাতায়াত ব্যবস্থা খুব সহজ ও কম সময়ে পৌঁছাতে পারবে। প্রতিটি সেক্টরে এখনই ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে।

    ভাঙ্গা বাজার টাইলস ব্যবসায়ী জিকরিয়া বলেন, আমরা ঢাকা ও গাজীপুর থেকে টাইলস কিনলে কয়েকদিন সময় লাগতো, সঠিক সময়ে ক্রেতাদের মালামাল দিতে পারতাম না। পদ্মা সেতু চালু হলে ব্যবসায়ীদের সময় বাঁচবে এবং অনেক সুবিধাই হবে।

    গাড়ি চালক সহিদ জানান, আগে রাস্তা অনেক খারাপ ছিল, বর্তমানে খুব সুন্দর রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাত্রীসহ আমরা আরাম পাচ্ছি। দ্রুত ও কম সময়ে মধ্যে গন্তব্যস্থানে পৌঁছাতে পারি। মালিক শ্রমিক সবাই এখন লাভবান হচ্ছি।

    চৌকিঘাটা গ্রামের কৃষক মো. আলকাচ ব্যাপারী বলেন, পদ্মা সেতু আর বড় রাস্তা হওয়ার কারণে জমির দাম অনেক বেড়েছে। সেই টাকায় এখন প্রায় বাড়িতে বিল্ডিং নির্মাণ করেছে। রাস্তা হওয়ার কারণে এলাকার শত শত মানুষ হয়েছে কোটিপতি।

    স্কুলছাত্র আব্দুর রহমান বলেন, আমাদের পড়াশোনার জন্য ঢাকা যেতে হয়। কিন্ত পদ্মা সেতু চালু হলে ভাঙ্গায় সরকারি-বেসরকারি অনেক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হবে। এতে বিশ্ব দরবারের বাংলাদেশ ভাবমূর্তি উজ্জল হবে

    ভাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর বলেন, দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার ভাঙ্গা। তাইতো পদ্মা সেতু খুলে দিলে ফরিদপুরের ভাঙ্গা হবে সিটি শহর কিংবা মহানগর।

    ঘারুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শফিউদ্দিন মোল্লা জানান, যানযটমুক্ত এক্সপ্রেস চালুর ফলে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার সকল শ্রেণির মানুষের ভাগ্যের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। পদ্মাসেতু ও রেল-যোগাযোগ চালুর সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবকিছুর উন্নতি হচ্ছে। এখনই সব সেক্টরেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

    ভাঙ্গা হাসপাতালের কর্মকর্তা মহসিন উদ্দিন বলেন, অনেক মুমূর্ষু রোগীকে ঢাকায় পাঠাতে হয়। অনেক রোগী ও মরদেহ নিয়ে যানযট ও ফেরির কারণে ফেরিঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। পদ্মা সেতু চালু হলে সময় বাঁচবে এবং দ্রুত হাসপাতালে রোগী নিয়ে পৌঁছাতে পারবে। এতে অনেক রোগীর জীবন বাঁচবে। এর আগে, অনেক রোগী ঢাকা পৌঁছানোর আগে ফেরি ঘাটে মারা গেছেন। এরকম ঘটনা হয়তো আর তেমন ঘটবে না।

    ভাঙ্গার স্থানীয় আতাদী গ্রামের বাসিন্দা ও ফরিদপুরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খালেদ বলেন, আমাদের ঢাকা যেতে এখন কমপক্ষে ২ ঘণ্টা লাগে। আর পদ্মা সেতু চালু হলে ঢাকা যেতে সময়ে লাগবে মাত্র ১ ঘণ্টা। দক্ষিণবঙ্গের অনেক লোক এখন ঢাকা বাসা ভাড়া করে না থেকে, গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় অফিস করতে পারবে। তাছাড়া এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

    ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বিপ্লব জানান, ভাঙ্গা থেকে সুর্যনগর ও মুনসুরাবাদ পর্যন্ত মহাসড়কে পুলিশের রাত্রিকালীন ডিউটি পালন করতে হয়। আগে রাস্তা খারাপ ছিল, তখন মাঝে মধ্যে মহাসড়কে চুরি-ডাকাতি হতো। এখন ৬ লেনের দৃষ্টি নন্দন হাইওয়ে এক্সপ্রেস চালুর ফলে পরিবহনগুলো দ্রুত চালানোর ফলে মহাসড়কে এখন চুরি-ডাকাতি হয় না।

    ভাঙ্গা পৌর মেয়র আবু ফয়েজ মো. রেজা জানান, প্রধানমন্ত্রী ভাঙ্গা পৌর এলাকা ব্যাপক উন্নয়ন করছেন। এখন আর ভাঙ্গা ভাঙ্গা নয়, ভাঙ্গার চেহারা পাল্টে এখন হয়েছে সিঙ্গাপুর সিটি। জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও ৬ লেনের রাস্তা নির্মাণ করায় আমরা ভাঙ্গাবাসীসহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষ খুবই আনন্দিত। আমাদের অত্র এলাকার মানুষের ভাগ্যেরও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে।

    ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান জানান, স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও ৬ লেনের রাস্তা নির্মাণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। পদ্মা সেতু, রেল সড়ক ও ৬ লেনের রাস্তা নির্মাণ অর্থনৈতিকভাবে ফরিদপুর জেলাসহ দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। অত্র এলাকাসহ এই বঙ্গের কোনো বেকার যুবক থাকবে না। এখনই উন্নয়নের ছোঁয়া পাচ্ছি। ঢাকা থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার রাস্তা হওয়ায় বর্তমানে শিল্প মালিক ও ব্যবসায়ীরা জায়গা কিনছে। ৬ লেনের রাস্তার কারণে এলাকার জায়গা-জমির দাম অনেক বেড়ে গেছে।

    ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আজিমউদ্দিন জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত হাইওয়ে এক্সপ্রেস বা ৬ লাইনের রাস্তা হওয়ার কারণে দুর্ঘটনা কমে যাওয়ায় মানুষের জান-মালের ক্ষতি কমে গেছে। এখন ঢাকা যেতে ২ ঘণ্টা সময়ে লাগে, পদ্মা সেতু চালু হলে মাত্র ১ ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছানো যাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নত হবে। এছাড়া এখানে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক যে সম্ভাবনা; তার দ্বার উন্মোচিত হবে।

  • শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

    শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

    খুব শিগগিরই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমস্যা সমাধানে সরকার সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

    শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

    ডা. দীপু মনি বলেন, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন কমছে, আশা করা যাচ্ছে খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে সরকার সব ধরনের চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরও অধিকারের পাশাপাশি দায়িত্বও রয়েছে। সকল সমস্যাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। শাবির মতো সমস্যা প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই হয়। জাতীয় উদ্যোগের মাধ্যমে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    জানা গেছে, দুপুরে হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেল ৪টায় মন্ত্রী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    এর আগে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দীপু মনি বিমানযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। তার সঙ্গে রয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল ইসলাম নওফেল।

  • বরিশাল : ২৮৪ জনের করোনা শনাক্ত, একজনের মৃত্যু

    বরিশাল : ২৮৪ জনের করোনা শনাক্ত, একজনের মৃত্যু

    বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ২০০ জন। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

    সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. হুমায়ন শাহীন খান জানান, জেলাভিত্তিক তথ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে ১০৮ জন। এ পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৫০২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৭৯৬ জন। মোট মারা গেছেন ২৩২ জন।

    পটুয়াখালীতে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ২৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮৪০ জন। ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও মোট মারা গেছে ১০৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ২৬৫ জন। ভোলায় নতুন ২৮ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৬০৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও মোট মারা গেছেন ৯২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৯০৮ জন।

    পিরোজপুরে নতুন ৪৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ১৩৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও মোট মারা গেছেন ৮৩ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ না হলেও মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৩১১ জন।

    বরগুনায় নতুন ৩১ জন শনাক্ত নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৫৭ জন। মোট মারা গেছেন ৯৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৯০ জন। ঝালকাঠিতে নতুন ৪৪ জন শনাক্ত নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৬০ জন। জেলায় মোট মারা গেছেন ৬৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭৫১ জন।

    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের তথ্য সংরক্ষক জাকারিয়া খান স্বপন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৯ জনের নমুনা আরটিপিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ জন পজিটিভ ও ৮৮ জন করোনা নেগেটিভ হয়েছেন। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

    বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলায় ২০২০ সালের ৯ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। সেই থেকে ২০২২ সালের সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের ছয় জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৮০২ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪৫ হাজার ৯২১ জন।

  • সুখেন্দু এদবরের পিতার মৃত্যুতে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের শোক

    সুখেন্দু এদবরের পিতার মৃত্যুতে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের শোক

    খবর বিজ্ঞপ্তি
    শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও একুশে টিলিভিশনের বরিশাল প্রতিনিধি সুখেন্দু এদবরের পিতা সাবেক প্রধান শিক্ষক সুরেশ এদবরের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব। সভাপতি কাজী নাসির উদ্দির বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।