Category: প্রচ্ছদ

  • বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিএমপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

    বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিএমপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

    বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ। আজ ১২ টা ৫ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার সহ বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাগণ ।

  • ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৫১

    ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৫১

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৯৭৪ জনের।

    একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৯৫১ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৩৫ হাজার ২৪২ জনে।

    সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আট হাজার ৬৭৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ২৫৮ জন। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭৪টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৮ হাজার ৩১৮টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ হাজার ৯৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি ৩২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৬৪টি।

    এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছয় দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ১১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫০ শতাংশ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত নয়জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও চারজন নারী রয়েছেন। মৃত নয়জনের মধ্যে শূন্য থেকে এক বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে একজন ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

    এতে আরও বলা হয়, মৃত নয়জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের তিনজন ও চট্টগ্রাম বিভাগের ছয়জন রয়েছেন। মৃত নয়জনের মধ্যে আটজন সরকারি হাসপাতালে ও একজন বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৩১০ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৪৫০ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন চার লাখ ৪০ হাজার ৩০৯ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৮৯ হাজার ২৪০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৫১ হাজার ৬৯ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

  • ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে রাতে নদীপথে মূর্তিমান আতঙ্ক ‘বাল্কহেড’

    ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে রাতে নদীপথে মূর্তিমান আতঙ্ক ‘বাল্কহেড’

    ঢাকা-বরিশাল নৌরুটসহ দেশে নদীপথে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম নৌযান ‘বাল্কহেড’। রাতে এই বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। কোনো কোনো স্থানে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডকে ম্যানেজ করে চলাচল করছে এই জলযান।

    যার কারণে একের পর এক ঘটছে দুর্ঘটনা। সর্বশেষ বুধবার রাতে মুন্সীগঞ্জের কাছে গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসার পথে যাত্রীবাহী সুরভি-৭ লঞ্চের ধাক্কায় একটি বাল্কহেড ডুবে যায়। এতে বাল্কহেডের একজন নিখোঁজ হন। লঞ্চটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চ-স্টিমার ও জাহাজের যাত্রা নিরাপদ করতে রাতে যাত্রীবাহী নৌরুটে বাল্কহেডসহ পণ্যবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে।


    তবে রাতে বাল্কহেডসহ পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে দাবি করেছেন লঞ্চের মাস্টাররা। লঞ্চচালক ও মাস্টারদের দাবি, ফতুল্লার মোড়ে অধিকাংশ সময় তিনটি ট্যাঙ্কার নোঙর করে রাখা হয়।

    ফলে এই স্থানেরও নৌপথ সরু হয়ে গেছে। সম্প্রতি সঙ্কুচিত পথ অতিক্রমকালে লঞ্চের আঘাতে ৪টি ট্যাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পৃথক এই দুর্ঘটনায় বিপুল অঙ্কের টাকা জরিমানা দিয়েছেন লঞ্চমালিকরা। মুন্সীগঞ্জ মোড় থেকে মোহনপুর পর্যন্ত দিনে-রাতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল করায় লঞ্চচালকরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অভিযানের পর ৪-৫ দিন বন্ধ থাকলেও ফের নদীতে নামে বাল্কহেড। নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডকে অর্থ দিয়ে রাতের বেলায় এই বাল্কহেড চলাচল করছে। যার কারণে ঘটছে এই দুর্ঘটনা।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি হিসাবে ৪ হাজার ৭০০টি নিবন্ধিত বাল্কহেডের কথা বলা হলেও সারা দেশের নদীতে চলছে ১১ হাজার বাল্কহেড। আর এসব অবৈধ বাল্কহেড চলছে দক্ষ মাস্টারের পরিবর্তে অদক্ষ সুকানি দিয়ে।

    নেই ফিটনেসের বালাই। চালকরা স্বীকারও করছেন প্রশিক্ষণ না থাকার কথা। বুড়িগঙ্গা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কীর্তনখোলা, আড়িয়ালখাসহ বিভিন্ন নদীতে বেপরোয়া গতিতে চলা বাল্কহেডের ধাক্কায় প্রতিনিয়ত ডুবছে যাত্রীবাহী নৌযান, প্রাণ হারাচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

    ১ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুরে ডাকাতিয়া নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে গত বছর ৩ মে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের কাঁঠালবাড়ী ঘাট সংলগ্ন এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন।

    গত বছর ২১ মে রাতে ঢাকা থেকে লালমোহনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া এমভি গ্লোরি অব শ্রীনগর-২ লঞ্চটির সঙ্গে বালুবাহী বাল্কহেডের সংঘর্ষ হয়। মেঘনায় ঘটে যাওয়া ওই দুর্ঘটনায় লঞ্চটির ডানদিক পানিতে নিমজ্জিত হলেও প্রায় আড়াইশ যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

    তিন দিন পর ২৪ মে রাতে কয়েকশ যাত্রী নিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে এমভি মানামী। মধ্যরাতে ঝড়ের কবলে যখন মেঘনায় লঞ্চটি নিরাপদ আশ্রয়ে যায় তখন হঠাৎ কোনো বাল্কহেড লঞ্চটির মাঝ বরাবর ধাক্কা দেয়।

    এতে লঞ্চের নিচতলা ও দ্বিতীয়তলার কেবিনসহ বেশকিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এক যাত্রী গুরুতর আহত হন। একই রাতে পটুয়াখালী থেকে ঢাকায় তিনশ যাত্রী নিয়ে যাওয়ার পথে প্রথমে ঝড়ে ও পরে ভাটার কারণে আটকে পড়ে এমভি যুবরাজ-৭ লঞ্চ। সব প্রতিকূলতা এড়িয়ে সকালে যখন লঞ্চটি যাত্রা শুরু করে তখন মেঘনা নদীর মিয়ারচরে পৌঁছলে একটি বাল্কহেড সেটিকে ধাক্কা দেয়।

    ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তলা ফেটে গেলে লঞ্চটিকে চরে তুলে দিয়ে যাত্রীদের প্রাণ বাঁচানো হয়। অপরদিকে বাল্কহেডটি ডুবে গিয়ে মিয়ারচরে নৌযান চলাচলের চ্যানেলটি আটকে যায়। এর পরের রাতেই ঢাকা-বরিশাল রুটের বিলাসবহুল লঞ্চগুলো কালীগঞ্জ রুট থেকে ঘুরে চলাচল করেছে।

    এমভি সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মো. আলম বলেন, রাতে অবৈধভাবে নদীতে যারা বালু উত্তোলন করে তাদের যেমন ঠেকাতে হবে, তেমনি যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলের রুটে রাতে বাল্কহেড-কার্গোসহ ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি মাছ শিকারের জাল ফেলাও বন্ধ করতে হবে। নয়তো দুর্ঘটনার শঙ্কা থেকেই যাবে।

    বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-এর বন্দর ও পরিবহণ বিভাগের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাল্কহেড নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নৌপুলিশের। এ বিষয়ে বারবার আমরা চিঠি দিচ্ছি।

    রাতে বাল্কহেড না চলার বিষয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। রাতের আঁধারে নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ করে বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও মানা হচ্ছে না বেশির ভাগ নদীতে।

  • বরিশালে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কলাগাছেই ভরসা!

    বরিশালে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কলাগাছেই ভরসা!

    বরিশালের বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই। আর যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার আছে, সেগুলো অযত্নে-অবহেলার ছাপ স্পষ্ট। প্রায় প্রতিটি শহিদ মিনার ধুলায় মলিন হয়ে আছে।

    শহীদ মিনারের অভাবে শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিজেরাই অস্থায়ীভাবে কলাগাছ ও বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে দিবসটি পালন করা হয়। আবার কোনো প্রতিষ্ঠানে দিবসটি পালনই করা হয় না।

    শহিদ মিনার নেই এমন কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এলে অস্থায়ীভাবে কলাগাছের শহিদ মিনার বানিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার না বানিয়ে শুধু আলোচনা সভা বা মিলাদ মাহফিল করে দিবসটি পালন করা হয়। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে তাও করা হয় না।

    তবে শিক্ষকরা জানান, শিক্ষা বিভাগ শহীদ মিনার নির্মাণের আদেশ দিলেও সরকারিভাবে বাজেট না থাকায় আদেশ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নগরীর ঐতিহ্যবাহী কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেই শহিদ মিনার। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আর্থিক সংকট ও পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এতদিন শহিদ মিনার নির্মাণ করতে পারিনি। তবে খুব শিগগিরই আমরা শহিদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু করব। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শিক্ষার্থীদের র‍্যালি নিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে যাব।’

    জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী বরিশালে রয়েছে ৯২টি। এরমধ্যে ৬৮টিতে শহিদ মিনার আছে, ২৪টিতে নেই। স্কুল রয়েছে ৪৫২টি। এরমধ্যে ৩৭০টিতে শহিদ মিনার আছে, ৮২টিতে নেই। মাদরাসা আছে ২৩৫টি। এরমধ্যে ৩০টিতে শহিদ মিনার আছে। বাকি ২০৫ টিতে শহিদ মিনার নেই।

    বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ মজুমদার বলেন, ‘বর্তমানে বরিশাল জেলায় ১৫৯১টি প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। এরমধ্যে শহিদ মিনার আছে মাত্র ২২১টি প্রতিষ্ঠানে।’

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘একটি শহিদ মিনার বানাতে কত টাকা লাগে! কমিটি কিংবা জনপ্রতিনিধি মিলেই বানাতে পারে। তারা তা না বানিয়ে করে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘১৯৫২ সালে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবিতে যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনারের প্রয়োজন। বর্তমান প্রজন্ম ২১ ফেব্রুয়ারি কেনো পালন করে সে সব বিষয়ে জানতে হবে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই, সেখানে শহিদ মিনার নির্মাণের প্রয়োজন।’

    বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সোহেল মারুফ বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকা বাধ্যতামূলক। তা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয়ে করতে হবে। তাদের শহিদ মিনার নির্মাণ করতে যদি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, তাহলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’

  • Untitled post 63491

    ফাইনাল হলো ঠিক ফাইনালের মতোই। দুই দলের লড়াই হলো একদম শেষ বল পর্যন্ত। শেষ বলে জয়ের জন্য ফরচুন বরিশালকে করতে হতো ৩ রান। কিন্তু মাত্র ১ রান নিতে পেরেছেন স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটার তৌহিদ হৃদয়। যার ফলে মাত্র ১ রানের জয়ে তৃতীয়বারের মতো বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

    আগে ব্যাট করে কুমিল্লার সংগ্রহ ছিল ১৫১ রান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ২৩ বলে ৫৭ রান করেছিলেন সুনিল নারিন। বিপরীতে পুরো ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে থেমেছে বরিশালের ইনিংস। বল হাতেও ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে ২ উইকেট নিয়ে কুমিল্লার জয়ের নায়ক সুনিল নারিন।

  • শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারবেন প্রতি সংগঠনের সর্বোচ্চ ৫ জন

    সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কর্মসূচি প্রণয়ন ও চূড়ান্ত করবে বলে জানানো হয়।

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি হিসেবে ও ব্যক্তিপর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবেন। শহীদ মিনারের সকল প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার জন্য বেসিন ও লিকুইড সাবান রাখা হবে। মাস্ক ছাড়া কাউকে শহীদ মিনার চত্বরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

    শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি’র সভাপতিত্বে দিবসের কর্মসূচি বিষয়ক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ অবদানের বিষয়টি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থাপন করা হবে।


    দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সঠিক নিয়মে, সঠিক রঙ ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

    আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজনসহ দেশের সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাতের জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

    দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কদ্বীপ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাজনক স্থানে বাংলাসহ অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হবে।

    একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং ভাষা শহীদদের সঠিক নাম উচ্চারণ, শহীদ দিবসের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা, শহীদ মিনারের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সুশৃঙ্খলভাবে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, ইত্যাদি জনসচেতনতামূলক বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও নির্ধারিত হয়।

    সিটি করপোরেশনের দায়িত্বও নির্ধারণ করে দেওয়া হয় সভা থেকে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সংলগ্ন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় ভ্রাম্যমাণ টয়লেট স্থাপন করা হবে।

    শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকার আশপাশে ধুলাবালি রোধকল্পে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হবে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শহীদ মিনার এলাকায় চিকিৎসা ক্যাম্প স্থাপন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হবে। শহীদ মিনার এলাকার আশেপাশে ঢাকা ওয়াসা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করবে। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় সকল ধরনের সরঞ্জামাদিসহ ফায়ার সার্ভিস টিম প্রস্তুত রাখা হবে।

    প্রতিবছরের মতো এবারও একুশে ফেব্রুয়ারিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কর্মসূচি প্রণয়ন ও চূড়ান্ত করবে বলে জানানো হয়।

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি হিসেবে ও ব্যক্তিপর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবেন। শহীদ মিনারের সকল প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার জন্য বেসিন ও লিকুইড সাবান রাখা হবে। মাস্ক ছাড়া কাউকে শহীদ মিনার চত্বরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

    শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি’র সভাপতিত্বে দিবসের কর্মসূচি বিষয়ক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ অবদানের বিষয়টি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থাপন করা হবে।


    দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সঠিক নিয়মে, সঠিক রঙ ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

    আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজনসহ দেশের সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাতের জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

    দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কদ্বীপ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাজনক স্থানে বাংলাসহ অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হবে।

    একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং ভাষা শহীদদের সঠিক নাম উচ্চারণ, শহীদ দিবসের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা, শহীদ মিনারের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সুশৃঙ্খলভাবে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, ইত্যাদি জনসচেতনতামূলক বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও নির্ধারিত হয়।

    সিটি করপোরেশনের দায়িত্বও নির্ধারণ করে দেওয়া হয় সভা থেকে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সংলগ্ন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় ভ্রাম্যমাণ টয়লেট স্থাপন করা হবে।

    শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকার আশপাশে ধুলাবালি রোধকল্পে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হবে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শহীদ মিনার এলাকায় চিকিৎসা ক্যাম্প স্থাপন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হবে। শহীদ মিনার এলাকার আশেপাশে ঢাকা ওয়াসা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করবে। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় সকল ধরনের সরঞ্জামাদিসহ ফায়ার সার্ভিস টিম প্রস্তুত রাখা হবে।

  • ২২ ফেব্রুয়ারি স্কুল-কলেজে সশরীরে পাঠদান শুরু

    ২২ ফেব্রুয়ারি স্কুল-কলেজে সশরীরে পাঠদান শুরু

    আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

    তবে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আরও দুই সপ্তাহ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সংক্রান্ত বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত জানাতে বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন তিনি একথা জানান।

    তিনি জানান, দুই ডোজ টিকা দেওয়া থাকলে শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাস করতে পারবে। যারা দুই ডোজ নেয়নি তারা অনলাইনে ক্লাস করবে।


    মহামারি করোনার কারণে ২১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সবশেষ আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।

  • স্কুল-কলেজের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

    স্কুল-কলেজের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

    নতুন কারিকুলাম আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাধ্যমিক স্তরে ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হলেও প্রাথমিকে তা মার্চ থেকে শুরু হবে।

    আর নতুন কারিকুলামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন কাটাতে পারবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আগে ছুটি ছিল শুধু শুক্রবার, এখন শনিবারও ছুটি থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।


    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানায়, ২০২২ সালে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং করার কথা। আর ২০২৩ সাল থেকে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৬ ও ২০২৭ সালে। নতুন শিক্ষাক্রম অনুসারে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম ট্রাইআউট ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। প্রাথমিকে মার্চ থেকে শুরু হবে। মাধ্যমিকে ৬২টি এবং প্রাথমিকেও একই সংখ্যায় করার কথা রয়েছে।

    মহামারির ছুটির আগে ও পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটিগুলো এখনো আছে। সাপ্তাহিক ছুটিও দুই দিন। এ বিষয়ে দুষ্টি আকর্ষণ করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে শনিবার ছুটি রাখেন না। এখন থেকে রাখবেন সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা মনে করি, একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর সপ্তাহে দুটা দিন…, একটু যদি ব্রেক না হয়। এখন তো কম সময়ে ক্লাস করছিল তারপরও একটু ব্রেকটার দরকার আছে। সেটাকে যদি বাদ দিয়ে দিতে পারতাম, তাহলে কয়েকটা দিন বেশি পেতাম। মাসে চারটা দিন বেশি পেতাম সেটা ঠিক। আবার ধর্মীয় কিছু ছুটি আছে, নানা রকম বিষয় আছে।

    তিনি বলেন, আমাদের যেগুলো জাতীয় দিবস, সেই দিনে খুলে রাখার কথা ভাবিনি। জাতীয় দিবসে অনেক সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হয় না। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রিকভারি প্ল্যানের মধ্যে যদি দেখি যেকোনো জায়গায় দিন কমালে আরও বেশি সুবিধা হবে, সেটা ভেবে দেখব। কিন্তু ঢালাওভাবে ভাবতে পারছি না। কারণ যারা কাজটি করেন তাদেরও তো সঠিকভাবে ডেলিভারি দিতে হবে। অনলাইনের চাপটাও আছে। শিক্ষকেরা ক্লাসেও পড়িয়েছেন আবার অনলাইনেও ক্লাস নিয়েছেন।

  • মাদক প্রবেশ রোধে সীমান্তে বসবে অত্যাধুনিক সেন্সর

    মাদক প্রবেশ রোধে সীমান্তে বসবে অত্যাধুনিক সেন্সর

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার মধ্যেই প্রতিনিয়ত সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবেশ করছে মাদক।

    এক এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বাড়ালে মাদক প্রবেশে ভিন্ন পথ সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদর দপ্তরে ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন কথা জানান।

    মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কোনো ড্রাগ প্রডিউসিং (মাদক উৎপাদন) কান্ট্রি নয়, তারপরেও পাশের দেশ থেকে মাদক প্রবেশ করছে।

    পার্শ্ববর্তী যেসব দেশ থেকে মাদক আসে সেসব দেশের সঙ্গে মন্ত্রী পর্যায়েও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

    ইয়াবা ও আইসের মতো ভয়ঙ্কর মাদক প্রবেশ করছে। মাদক রোধে শুধু কোস্টগার্ড না বিজিবি ও পুলিশ সবাই সতর্ক রয়েছে।

    তিনি বলেন, এক এলাকায় বাধা দিলে মাদকের উল্টো আরেকটা পথ সৃষ্টি করছে। বর্ডারে সেন্সর বসানো হচ্ছে, আরও বোট যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা নজরদারি বাড়াচ্ছি। মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোস্টগার্ডে জনবল সংকট ছিল। কোস্টগার্ডের আইনে রয়েছে এখানকার সবাই নৌবাহিনী থেকে নিয়োগ হবে, সেজন্য একটু সংকট আছে। তাই আমরা খুব শিগগিরই আইনের সংশোধন করছি।

    যাতে নিজস্ব জনবল নিয়োগের মধ্যে বাহিনীটি বিজিবির মতো নিজস্ব বাহিনীতে পরিণত হয়। পটুয়াখালীতে কোস্টগার্ডের একটি ট্রেনিং একাডেমি স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে জনবলকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা হবে।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় কোস্টগার্ড একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

    যখন যা প্রয়োজন তিনি ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন, যার মাধ্যমে বাহিনীটির স্লোগান ‘গার্ডিয়ান অ্যাট সি’ সফল হতে যাচ্ছে।

    ১৯টি জেলা উপকূলীয় ও ৪৭ হাজার কিলোমিলার উপকূলীয় এলাকা রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এত বিশাল এলাকার রক্ষাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা একটা দুরূহ কাজ।

    কোস্টগার্ড তৈরির আগে বা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দায়িত্বগ্রহণের আগে এগুলো ছিল অরক্ষিত। কিন্তু বর্তমানে মৎস্য-বনজ সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি মানবপাচার, মাদকের লেনদেন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে কোস্টগার্ড।

    তিনি বলেন, আমাদের উপকূলে প্রায়সই পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা এসে শিকার করে নিয়ে যেত। এখন সেই দৃশ্য পাল্টে গেছে, ধীরে ধীরে কোস্টগার্ড ‘গার্ডিয়ান অ্যাট সি’তে পরিণত হচ্ছে।

    কোস্টগার্ডকে আরও শক্তিশালী, স্বয়ংসম্পূর্ণ, যোগপোযোগী ও নির্ভরযোগ্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কাজ চলছে।

  • করোনা : দেশে শনাক্ত আরও ৪ হাজার ৭৩৮ জন

    করোনা : দেশে শনাক্ত আরও ৪ হাজার ৭৩৮ জন

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৮১৯ জনের।

    নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন চার হাজার ৮৩৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ নয় হাজার ৬৬৪ জন। মৃত ২৮ জনের মধ্যে রয়েছেন পুরুষ ২০ জন ও আটজন নারী।
    রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৫৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫৫ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭৪টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩২ হাজার ৫০৩টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩২ হাজার ৫৭৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮টি।

    এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার চার দশমিক ৬১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮৫ শনাক্ত এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।