Category: প্রচ্ছদ

  • তুরাগে ১৮ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবি: তিন লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ৪

    তুরাগে ১৮ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবি: তিন লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ৪

    রাজধানীর গাবতলীর তুরাগ নদে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই শিশু ও এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন সাতজন।

    শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গাবতলীর কয়লারঘাট ল্যান্ডিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    আমিনবাজার নৌ পুলিশের ওসি আলমগীর কবির জানান, সকালে যাত্রী পারাপারের সময় ওই ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই ট্রলারে ১৮ যাত্রী ছিলেন।

    এর মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে তুরাগ নদে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে ডুবুরি দল।

    ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা লিমা খানম জানান, তুরাগ নদে শিশু ও নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় সাতজন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের উদ্ধারে ডুবুরি দল চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • কিউকমের বিপণন প্রধান আরজে নীরব রিমান্ডে

    কিউকমের বিপণন প্রধান আরজে নীরব রিমান্ডে

    প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের হেড অব সেলস (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) অফিসার হুয়ামূন কবির নীরব ওরফে আরজে নীরবের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    I am text block. Click edit button to change this text. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

    শুক্রবার (৭ অক্টোবর) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় প্রতারণার অভিযোগে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে শুক্রবার ভোরে আদাবর থানা এলাকার নবোদয় হাউজিংয়ের একটি বাসা থেকে আরজে নীরবকে গ্রেফতার করা হয়।

    এর আগে ৩ অক্টোবর রাতে গ্রাহকদের ২৫০ কোটি টাকা আটকে রাখার অভিযোগে কিউকমের সিইও রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) মতিঝিল বিভাগ।

    গ্রেফতারের পরদিন গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার সংবাদ সম্মেলন জানিয়েছিলেন, রাজধানীর পল্টন থানায় এক ভুক্তভোগী কিউকমের মালিক মো. রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা করেন।

    সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ডিবি মতিঝিল বিভাগ গ্রেফতার করে। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার পণ্য আটকে রাখা হয়েছে।

    তিনি বলেন, করোনাকালে অনলাইনভিত্তিক ই-কমার্স ব্যবসার দ্রুত প্রসার ঘটায় কিউকম অনলাইনে ব্যবসা শুরু করে। অনেক ক্রেতা কিউকমে মালামাল অর্ডার করে পণ্য না পাওয়ায় প্রতারিত হন। এক ভুক্তভোগী কিউকমে মালামাল অর্ডার করে পণ্য না পাওয়ায় তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পল্টন থানায় একটি মামলা করেন। এরপর গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে এসক্রো সিস্টেম চালু করায় ক্রেতার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে চলে যায়। কিউকমের পেমেন্ট গেটওয়ে ছিল ফোস্টার। কিউকমে ক্রেতা পণ্য অর্ডার করলে ক্রেতার পেমেন্ট চলে যায় ফোস্টারের কাছে।

    কিউকম ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে চালানসহ ডকুমেন্ট ফোস্টারে জমা দেয়। ফোস্টারের পক্ষ থেকে ক্রেতাকে ফোন করার মাধ্যমে পণ্য বুঝে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর কিউকমকে টাকা দেয় তারা। ক্রেতা পণ্য বুঝে না পেলে ফোস্টার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রুফ অব ডেলিভারির নির্দেশনা মোতাবেক কিউকমের টাকা আটকে দেয় ফোস্টার। যার ফলে ক্রেতা পণ্য কিংবা টাকা কোনোটিই পায় না।

  • বরিশালের কোতয়ালী থানা পরিদর্শনে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

    বরিশালের কোতয়ালী থানা পরিদর্শনে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা বার্ষিক পরির্দশন করেছেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কবির উদ্দিন প্রামাণিক । আজ শনিবার(২ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় তিনি পরিদর্শনে যান।

    এসময় তিনি থানার সামগ্রিক কার্যক্রম ও রেজিস্টার পত্র পর্যালোচনা করে থানার কার্যক্রমের উপর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং থানার পরিদর্শন বইতে এই সংক্রান্তে নোট করেন।

    এসময় বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার চৌকোস অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম পিপিএমসহ থানার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে প্রথমে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও তিনি থানার সকল অফিসার-ফোর্সদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

  • ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে এক বিশাল আনন্দ র‍্যালী

    ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে এক বিশাল আনন্দ র‍্যালী

    গনতন্ত্রের মানসকন্যা, সফল রাষ্ট্রনায়ক, মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বিশাল আনন্দ র‍্যালী বের হয়। বরিশাল মহানগর, ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে এ র‍্যালী বের হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি বজলুর রহমান,সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্না,ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুজিবর রহমান,জেলা শ্রমিক লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির মোতালেব,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ মানিক সর্দার ও সাবেক বাকসু সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর সভাপতি, বাংলার মুখ২৪.কম এর প্রকাশক সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী,সাবেক আইনজীবী পরিষদ সদস্য এ্যাড. ইশতিয়াক রকি, মহানগর যুবলীগ নেতা আলি আহসান সোহেল ও রিশাদ সহ সহযোগী সকল সংগঠন,শ্রমিকলীগ ছাত্রলীগ যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবকলীগ মহিলা আওয়ামীলীগ এর ওয়ার্ড সভাপতি,সম্পাদক সহ সকল নেতাকর্মীরা।

    ব্যপ্টিস্ট মিশন বালক বিদ্যালয় এর সামনে হতে,মিছিল টি শুরু হয়ে,সদর রোড দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে জন্মদিন এর অনুষ্ঠানে যোগ দেয়

  • ‘বরিশালের মানুষ হাসানাত আবদুল্লাহ ও সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ’

    ‘বরিশালের মানুষ হাসানাত আবদুল্লাহ ও সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ’

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশালে পালিত হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমান এর কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন। মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেন হাজার হাজার নেতা-কর্মী।

    পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে শহীদ সোহেল চত্বরে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা। এ সভাকে কেন্দ্র করে দুপুর দুইটার পর থেকেই সদর রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে মিছিল সহকারে সমবেত হতে থাকেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। বিকাল ৪টা বাজার আগেই সোহেল চত্বর, জিলা স্কুল মোড় থেকে জেলাখানার মোড়পর্যন্ত গোটা সদর রোড, ফজলুল হক এভিনিউ, বগুড়া রোড, গির্জা মহল্লা, আগরপুর রোড জনসমুদ্রে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের মুখে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম নিয়ে জয় বাংলার স্লোগানে মুখরিত হয় নগরী। সৃষ্টি হয় এক উৎসব মুখর পরিবেশের।
    এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক, মন্ত্রী ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ- এমপিকে। তবে তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

    তাছাড়া অনুষ্ঠানের শেষ অংশে ভার্চুয়ালি আলোচনা সভায় অংশ নেন বরিশাল সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এসময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীর উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানান।

    এর আগে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস।

    বক্তৃতায় সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি করছেন এ জাতির মুক্তির জন্য, রাজনীতি করছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য। এসময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ‘যে কোন অবস্থায় ষড়যন্ত্রকারীর সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন করে এগিয়ে যেতে হবে। সকল ভুল-ভ্রান্তির অবসান ঘটিয়ে দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ, বরিশালের মানুষ ঐক্যবদ্ধ আমাদের অভিভাবক আবুল হাসানাত আবুল্লাহার নেতৃত্বে, বরিশাল নগরীর মানুষ ঐক্যবদ্ধ আমাদের সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নেতৃত্বে।

    তালুকদার ইউনুস হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘কোন ষড়যন্ত্র আমাদের থামাতে পারবে না। যে যতই ষড়যন্ত্র করুন, ওরা ধ্বংস হয়ে যাবে, ওরা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে, ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নয়ন সমৃদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই।
    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নইমুল হোসেন লিটু’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য ও বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আনিস, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুনসুর আহমেদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সাবেক ভিপি আনোয়ার হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, গোলাম সরোয়ার রাজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি’র ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইয়েদ আহমেদ মান্না, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ও গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন্নাহার মেরী, বিসিসি’র কাউন্সিলর কহিনুর বেগম, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহজাহান হাওলাদার, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস প্রমুখ।

    এছাড়াও বরিশাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর সভার মেয়র, উপজেলা এবং পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে, আলোচনা সভার শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু এবং শহীদ বরণ করা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা নুরুর রহমান বেগ। দোয়া মোনাজাত শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিশাল কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এসময় বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ ও সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম নিয়ে জয় বাংলার স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে নগরী।
    এর আগে সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এদিকে, সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বরিশাল নগরী ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী এসেছেন নগরীতে। সড়ক এবং নৌ পথে তারা বরিশালে আসেন। বিশেষ করে অর্ধশতাধিক বাস নিয়ে বরিশালে আসেন নেতাকর্মীরা। তারা বাস থেকে নেমে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন এবং প্লাকার্ড নিয়ে মিছিল সহকারে অংশগ্রহণ করেন জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। প্রায় প্রতিটি মিছিলেই ছিলো ভুভুজেলা আর বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র।

  • দেশরত্ন শেখ হাসিনার আজ ৭৫তম জন্মদিন

    দেশরত্ন শেখ হাসিনার আজ ৭৫তম জন্মদিন

    আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ (মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর)। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন পার করছেন শেখ হাসিনা।

    তার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে উন্নত সমৃদ্ধ দেশের পথে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

    রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া শেখ হাসিনা ছাত্রজীবন থেকেইপ্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

    ইডেন কলেজের নির্বাচিত সহ-সভাপতি(ভিপি) ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনে তিনি চারবার প্রধানমন্ত্রী এবং তিনবার জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতার দায়িত্ব পালন করছেন।

    পাশাপাপশি তিনি ৪১ বছর ধরে দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ ডিজিটালাইজেশন এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে, এগিয়ে যাচ্ছে উন্নত সমৃদ্ধ দেশের পথে।

    দীর্ঘ রাজনৈতি পথ পরিক্রমায় শেখ হাসিনাকে বার বার মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে। বোমা, গুলি, গ্রেনেড তাকে বার বার তাড়িত করেছে। কারাভোগও করতে হয়েছে।

    গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শেখ হাসিনাকে কখনও সামরিক স্বৈরশাসন, কখনও সাম্প্রদায়িকতা আবার কখনও সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে,যা এখনও অব্যাহত আছে। পাশাপাশি দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এবারও তিনি জাতিসংঘে পুরস্কৃত হয়েছেন।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জীবনের দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই জেলখানায় বাবার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও যোগাযোগের সময় অনেক রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন শেখ হাসিনা।

    আওয়ামী লীগের সার্বিক খোঁজ-খবর বঙ্গবন্ধুর কাছে পৌঁছে দিয়েছেন এবং বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা পৌঁছে দিয়েছেন দলের নেতাদের কাছে। এভাবেই শুরু হয় তার রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা।

    শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে ৬ দফা ও পরে১১দফা আন্দোলন এবং ৬৯এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারেহত্যা করে। তখন শেখ হাসিনা ও ছোট বোন শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর নির্বাসিত অবস্থায়ই শেখ হাসিনার ওপর দায়িত্ব আসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের।

    তার সফল দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলেই আওয়ামী লীগ চার চারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে। বর্তমানে টানা তিনবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে এবং তিনিও টানা তিনবারসহ মোট চারবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশকে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। ১৯৫৬ সালে শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে।

    ১৯৬৫ সালে শেখ হাসিনা আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ঢাকার বকশি বাজারের ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে।

    তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। কারাবন্দি বাবা বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতক চক্রের হাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা বেলজিয়াম অবস্থান করছিলেন।

    এরপর সেখান থেকে তিনি জার্মানি আসেন। পরে জার্মানি থেকে ভারতে এসে নির্বাসিত জীবনযাপন করতে থাকেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি ভারত থেকে দেশে ফেরেন।

    দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়ে শুরু হয় শেখ হাসিনার আরেক চ্যালেঞ্জিং জীবন। অনেক চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে তাকে আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে।

    এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বার বার তিনি শত্রুর আক্রমণের শিকার হন। তার ওপরে বিভিন্ন সময় গুলি, বোমা ও গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তাকে হত্যার জন্য ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তিনি মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করেন।

    আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা হয়ে উঠেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপরিচালনায় সফলতার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে নানা পুরস্কার ও সম্মানসূচক ডিগ্রিতে ভুষিত হন শেখ হাসিনা। বিভিন্ন দেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এ বছর তিনি এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেয়েছেন। জাতিসংঘ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউসনস নেটওয়ার্ক(এসডিএসএন) শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেয়। দারিদ্র্য দুরিকরণ, বিশ্বের সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের সার্বজনীন আহ্বানে সারা দিয়ে বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পুরস্কার পান।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি গত ২০১৯ জাতিসংঘে মর্যাদাপূর্ণ ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার পেয়েছেন এবং তারুণ্যের দক্ষতা উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা(ইউনিসেফ) শেখ হাসিনাকে ’চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ সম্মাননা দেয়। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য’ এ ভুষিত হনতিনি।

    রাজনৈতিক কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও তিনি বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র, ওরা টোকাই কেন, বাংলাদেশ স্বৈরতন্ত্রের জন্ম ইত্যাদি।

    এ বছর জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। আওয়ামী লীগও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠনগুলো নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন করছে।

  • বরিশালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে ১ দিনের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন

    বরিশালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে ১ দিনের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সারাদেশের মতো বরিশালেও চলছে একদিনের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন।

    বরিশাল জেলা ও মহানগরীর ১২৭টি কেন্দ্রে দেয়া হয় এই টিকা। প্রতিটি কেন্দ্রে টিকায় আগ্রহীদের মোটামুটি ভিড় দেখা গেছে।

    এদিকে, টিকা কেন্দ্রে যাওয়া বেশীরভাগ এসএমএস পাওয়া এবং একই সাথে নতুন নিবন্ধনকারীদেরও টিকা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

    বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় ৮৭টি ইউনিয়নের ৯৭টি কেন্দ্রের ২৬১টি বুথে এবং সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের ৩০ কেন্দ্রের ৪০টি বুথে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শুরু হয় টিকা ক্যাম্পেইন।

    সকাল থেকে নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হেমায়েত উদ্দিন রোডের এ.কে স্কুল কেন্দ্রে টিকায় আগ্রহীরা জড়ো হন।

    এদের কেউ আগে এসএমএস পেয়ে টিকা দিতে এসেছেন। আবার কেউ আগে রেজিস্ট্রেশন না করেও জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে কেন্দ্রে এসেছেন।

    টিকা নেওয়ার পর তাৎক্ষনিক কোন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।

    কেন্দ্রগুলোতে ভালো ব্যবস্থা থাকায় কোন হয়রানি কিংবা ভোগান্তি ছাড়াই নগরবাসী টিকা দিতে পারছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

    টিকা কেন্দ্রে যাওয়া প্রত্যেককে এসএমএস পাওয়া এবং নতুন নিবন্ধন করেও টিকা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাকিলা বেগম।

    মহানগরী এবং উপজেলা পর্যায়ে গতকাল দেয়া হয় চীনের সিনোফার্মের ভেরসেল টিকা। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মনোয়ার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ৪-২৫ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

    ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ৪-২৫ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

    ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ও ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে।

    বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, চলতি বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    এসময় দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় ও মজুতও নিষিদ্ধ থাকবে।

    প্রতিবছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে-পরে মিলিয়ে মোট ১৫ থেকে ১৭ দিন হচ্ছে ইলিশের ডিম ছাড়ার আসল সময়। এসময় সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নদীতে ছুটে আসে।

    এই সময়কে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশকে স্বাচ্ছন্দ্যে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতেই সরকার দেশের সব নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে

  • লেবুখালী-পায়রা সেতুর উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই

    লেবুখালী-পায়রা সেতুর উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই

    পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কে নির্মাণাধীন লেবুখালী-পায়রা সেতু এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

    এরই মধ্যে সেতুর অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ।

    শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সেতুর সর্বশেষ অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন দেশের বাইরে রয়েছেন। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার। সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই সেতু উদ্বোধন করা হবে।

    পায়রা-লেবুখালী সেতুর প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হালিম বলেন, এরই মধ্যে মূল সেতুর ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই সেতুতে বেশ কিছু নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিশেষ করে নদীর মধ্যে এবং পাশে থাকা পিলারে যাতে কোনো নৌযান ধাক্কা দিতে না পারে সে জন্য পিলারের পাশে নিরাপত্তা পিলার স্থাপন করা হয়েছে।

    এছাড়া বজ্রপাত কিংবা ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেতুর কোনো ক্ষতি হলো কি-না সেটি মনিটরিং করারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পায়রা নদীর ওপর ২০১৬ সালে লেবুখালী-পায়রা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

    চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লনজিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কনস্ট্রাকশন এর নির্মাণ কাজ করেছে। ১৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯.৭৬ মিটার প্রস্থের সেতুটি ক্যাবল দিয়ে দুপাশে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে নদীর মাঝে একটি মাত্র পিলার ব্যবহার করা হয়েছে।

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলী সেতুর পর এটি দেশের দ্বিতীয়, যা এক্সট্রা ডোজ ক্যাবল সিস্টেমে তৈরি করা। কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিনিয়োগে সেতর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৭০ কোটি টাকা।

  • বাংলাদেশ সরকার চাইলে নির্বাচনে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ

    বাংলাদেশ সরকার চাইলে নির্বাচনে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ

    আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকার চাইলে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ। ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো এ কথা বলেছেন।

    রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    মিয়া সেপ্পো বলেন, জাতিসংঘ কোনো দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে না। তবে কোনো দেশের সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহায়তা চাইলে জাতিসংঘ তা দিয়ে থাকে।

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা সেই সহযোগিতা দেব।

    এক প্রশ্নের জবাবে মিয়া সেপ্পো বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও নারীর প্রতি সংহিংসতা নিয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে।

    অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, মিয়ানমার ও আফগানিস্তান একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলছে। জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ অধিবেশনে দেশ দু’টির প্রতিনিধিত্ব কে করবে, সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া প্রসঙ্গে মিয়া সেপ্পো বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকারকে আমরা স্বাগত জানাই। এর মধ্যে দিয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারবে।

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডিকাব প্রেসিডেন্ট পান্থ রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মঈনুদ্দিন।