Category: প্রচ্ছদ

  • অপরাধি না হয়েও আজ আমি অপরাধি – মেয়র সাদিক

    অপরাধি না হয়েও আজ আমি অপরাধি – মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, অপরাধ না করেও আজ আমি অপরাধি। আমি আজ লজ্জিত, আমি যদি অপরাধি হই তবে বরিশালের এতবড় একটা দায়িত্বে থাকার কোন অধিকার আমার নাই।

    আমি পদত্যাগ পত্র দিতে চেয়েছি কিন্তু আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের অনুরোধে দেই নাই। আমি প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ চাই একই সাথে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাই।

    আর আমি যদি অপরাধি হই তাহলে আমি এই গুরুত্ব দায়িত্ব থেকে সরে যাবো। বৃহস্পতিবার বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় মেয়র সাদিক বলেন, আমি লজ্জা পাই এই কারনে একজন মেয়র হয়ে বরিশাল সদর উপজেলা চত্বরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজেকে মেয়র পরিচয় দেওয়ার পরও তারা আমার উপর গুলি করেছে। আমর নেতাকর্মীরা আমাবে সেখান থেকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়।

    আজ আমার নেতাকর্মীরা হাসপাতালের বেডে অথচ সরকার ক্ষমতায় থাকতেও আমি নেতাকর্মীদের সু চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারিনি।

    আমি দূর্নীতি মুক্ত বরিশাল সিটি কপোরেশন গড়ে তুলেছি। এখানে নেই কোন টেন্ডারবাজী, মারামারি। আমি নিজে জীবনে অনেক কষ্ট করে বড় হয়েছি। তাই আমি আমার কর্মচারীদের দুঃখ বুঝি।

    আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনুদান না পেলেও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সহ সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করেছি।

    বিসিসি’র সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন প্রদান করছি। আজ আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি বরিশাল সিটি কপোরেশন একটি পরিচ্ছন্ন সিটি কপোরেশন।

    তিনি বলেন, ইউএনও’র বাসার ঘটনা সময় যারা বরিশালে ছিলেন না তাদেরকেও আসামী করা হয়েছে। এরমধ্যে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকসহ আরো বেশ কয়েকজন আছে।

    এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তৃতীয় পক্ষ যারাই থাকুকনা কেন তাদের বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া দাবি করেন তিনি। আর এতে যদি আমি নিজেও দোষি হই তবে আমি পদত্যাগ পত্র দিয়ে চলে যাবো।

  • গায়ে জ্যাকেট থাকায় গুলিতে আহত হইনি: মেয়র সাদিক

    গায়ে জ্যাকেট থাকায় গুলিতে আহত হইনি: মেয়র সাদিক

    সরকারি বাসভবনে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমানকে দায়ী করেছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    তিনি দাবি করেন, ‘চালানো গুলিতে আমিও আঘাত পেয়েছি। তবে গায়ে জ্যাকেট থাকায় আহত হইনি। তবে আমার অনেক নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’

    মেয়র বলেন, ইউএনও’র সরকারি বাসভবন এলাকায় জনগণের ব্যবহৃত পুকুর, মসজিদ ও সড়ক রয়েছে। এ কারণে সেখানকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    এটা বিসিসির নিয়মমাফিক কাজ। বিসিসির কর্মীরা আমাকে জানান, ব্যানার অপসারণ করতে গেলে ইউএনও তাদের গালিগালাজ করেছেন। তবে তিনি তা করেছেন কিনা আমি নিশ্চিত নই। বিষয়টি জানার পর মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের সমস্যার সমাধানে সেখানে পাঠাই।

    সাদিক আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, ‘মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র তাদের ওপর গুলি ছোড়া হয়। জানতে পেরে আমি দ্রুত সেখানে উপস্থিত হই। আমি যাওয়ার পরও গুলি ছোড়া অব্যাহত ছিল।

    তখন আমি হাত উঁচিয়ে আমার পরিচয় দেই। আমি মেয়র মেয়র বলে ডাক-চিৎকার করলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। গুলি ছুড়তে থাকলে আমি অল্পের জন্য রক্ষা পাই।

    এরপর আমি পুলিশ কমিশনার, র‌্যাবের সিইও, আনসার প্রধানের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করি। আমি শুনেছি তারা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন।’

    মেয়র বলেন, ‘এভাবে দায়িত্ব পালন করা যায় না। আমার অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী এবং আমার বাবা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ’

    তিনি আরও বলেন, প্যানেল মেয়রসহ দলের নেতাকর্মীরা গুলিবিদ্ধ হয়ে মেডিক্যালে ভর্তি আছেন। তাদেরকে সেখানে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

    কী কারণে এমন ঘটনা ঘটলো, এর উত্তরে মেয়র সাদিক বলেন, আমি মেয়র, আমার প্রশাসনের কাছে কোনও কাজ নেই। আমি নিজে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিন বছর অতিবাহিত হয়েছে, এখনও কোনও অনুদান মেলেনি সরকার থেকে।

    কিন্তু এরপরও আমি দুর্নীতিমুক্ত বিসিসির কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। এটা আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি। কারো বেতন-ভাতাও বকেয়া নেই। পাঁচ বছরের গ্যরান্টি দিয়ে সড়ক করেছি। এটা কারো সমস্যার কারণ হতে পারে বলে ধারণা করছি।

    তবে কার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব সে বিষয়টি এড়িয়ে যান মেয়র।

    এদিকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সদর আসনের এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামিমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহর।

    এর জের ধরে বুধবার রাতে প্রতিমন্ত্রীর ছবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করতে গেলে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

  • রক্তাক্ত আগষ্টে রক্তাক্ত বরিশাল

    রক্তাক্ত আগষ্টে রক্তাক্ত বরিশাল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বরিশাল থানা কাউন্সিল কম্পাউন্ডে ব্যানার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ কর্মকর্তাদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ ৩৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
    বুধবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়রসহ অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিম ও সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত।

    খবর পেয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে থানা কাউন্সিল ঘেরাও করে।

    তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে হট্টগোল বেধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সেইসঙ্গে দফায় দফায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের স্টাফদের সঙ্গে ঝামেলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। শুনেছি আনসাররা গুলি চালিয়েছে। আর এ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে হলে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

    এদিকে থানা কাউন্সিলের সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের ওপর ময়লা ও ময়লাবহনকারী গ‌াড়ি দিয়ে রাস্তা আটকে দিয়েছে করপোরেশনের কর্মচারীরা। এতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

  • বরিশালে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস

    বরিশালে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস

    বরিশালে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস।

    আজ ১৫ আগস্ট রবিবার সকাল ৬টায় বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান এবং সকাল টায় নগরীর সোহেল চত্বর আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতসহ ১৫ আগস্টে শহীদদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতরা।

    এছাড়া সকাল ৬ টায় নগরীর সোহেল চত্বর আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুর‌্যালে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বরিশাল মহানগর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এদিকে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্ধ।

    জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নগরীর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতর, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত আর কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

    এছাড়াও সোহেল চত্বর আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুর‌্যালে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো.ইউনুচ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট একে এম জাহাঙ্গীর, সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সহ-সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সমাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শোক শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

    এবছর মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে শোকর‌্যালি কর্মসূচি দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে বাতিল করা হয়।

    তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে আজ রোববার বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগ।

    শুক্রবার রাতে মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হেমায়েত উদ্দিন সেরনিয়াবাত সুমন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ হয়েছে, রোববার সূর্যদয়ের সাথে সাথে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়, মহানগর আওয়ামী লীগের সকল ওয়ার্ড কার্যালয়, দলীয় কাউন্সিলরদের কার্যালয়ে জাতীয়-দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

    ভার্চুয়াল আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। বাদ জোহর সকল মসজিদে দোয়া, অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নগরীতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়, মহানগর ৩০টি ওয়ার্ড কার্যালয় ও দলীয় কাউন্সিলদের কার্যালয়ে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র ঐতিহাসিক ভাষণ স¤প্রচার করা হচ্ছে ।

    অন্যদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নেয়া কর্মসূচীতে উল্লেখ করা হয়েছে সকল সরকারি, আধাসরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি মালিকানাধীন ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জাতির পিতার ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে সীমিত পরিসরে আলোচনা সভা, বাদ জোহর সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা, রাত ৮টায় অনলাইনে আবৃত্তি ও সঙ্গীত পরিবেশনা। এছাড়া আগস্ট মাস ব্যাপী অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

    অপরদিকে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষয়ের আয়োজনে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃর্তিতে সগরীর বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলী জানায়।

  • ওজোপাডিকো লিঃ সদর দপ্তর খুলনার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন

    ওজোপাডিকো লিঃ সদর দপ্তর খুলনার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন

    স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত দিবসে ওজোপাডিকোলিঃ সদর দপ্তর খুলনার পক্ষ থেকে জাতির পিতার ভাস্কর্য এ পুস্প অর্পন করা হয়। আজ ১৫ই আগষ্ট এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওজোপাডিকোর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক রতন কুমার দেবনাথ, নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল) জনাব মোঃ আবু হাসান, মহাব্যবস্থাপক-হিসাব/অর্থ জনাব এ.এন.এম. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী( সিস্টেম এন্ড কন্ট্রোল) জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সহ আরও অনেকে

  • আজ জাতীয় শোক দিবস

    আজ জাতীয় শোক দিবস

    জাতীয় শোক দিবস আজ। ১৯৭৫ সালের এই দিন জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, আবহমান বাংলা ও বাঙালির আরাধ্য পুরুষ, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এ দিনে বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী কর্মকর্তা আর ক্ষমতালিপ্সু কতিপয় রাজনীতিক।

    রাজনীতির সঙ্গে সামান্যতম সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নারী-শিশুরাও সেদিন রেহাই পায়নি ঘৃণ্য কাপুরুষ এই ঘাতকচক্রের হাত থেকে।

    সেদিন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আরও প্রাণ হারান তাঁর সহধর্মিণী, তিন ছেলেসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্য। বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করে দিনটি।

    তবে এবার বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করা হবে।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিনটি পালনে সারা দেশে আজ নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আজ সরকারি ছুটি। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

    এসব বাণীতে ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণকারী জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি তাঁরা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    আজ টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ও ঢাকায় ৩২ নম্বরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে তার পিতাকে।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিবসটি পালনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

    বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে।

    এরপর জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারবর্গের নিষ্ঠুর বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের বিচারকার্য শুরু হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি দীর্ঘ ৩৪ বছর পর সেই কলঙ্ক থেকে জাতির দায়মুক্তি ঘটে।

    বঙ্গবন্ধু হত্যার চূড়ান্ত বিচারের রায় অনুযায়ী ওইদিন মধ্যরাতের পর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর হয়। এর মধ্য দিয়ে জাতির জনক হত্যা, ষড়যন্ত্র এবং অবৈধ ক্ষমতা দখলের ঘৃণ্য ও তমসাচ্ছন্ন অধ্যায়ের অবসান ঘটে।

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাঙালির বিজয়ের অভিযাত্রাও আরেক ধাপ এগিয়েছে। বিদেশে পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকরের প্রক্রিয়া এখনো অব্যাহত।

    যারা শহীদ সেই কালরাতে : সেদিন ছিল শুক্রবার। শ্রাবণের শেষ দিন। বাতাস ভেজা। ঘড়ির কাঁটা তখনো ভোর ৫টার ঘর ছোঁয়নি। দূরে মসজিদ থেকে ভেসে আসছে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি।

    ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের ৬৭৭ নম্বর বাড়িটির চারপাশে তখন ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষায়। বাড়িটি রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের।

    বাড়ির শীর্ষে তখন বিউগলের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হচ্ছে। এমন মায়াবী, মোহময় ও ছিমছাম পরিবেশের মধ্যে ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড ঘটাতে বাড়িটি লক্ষ্য করে দক্ষিণ দিক থেকে শুরু হয় ভয়াল আক্রমণ।

    ঘাতকের নির্দয় বুলেটে সপরিবারে শহীদ হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একাত্তরে পরাজিত শক্তি মুজিব দর্শন ও তাঁর আদর্শে এতটাই ভীত ছিল যে, কাপুরুষোচিত আক্রমণ থেকে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যরাও রেহাই পাননি।

    বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামে যিনি ছায়ার মতো পাশে থেকে মনোবল দিয়েছেন, সেই সাহসিনী বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবও ঘাতকদের কাছে প্রাণভিক্ষা চাননি।

    বরং মাথা উঁচু করে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী হয়ে চলে গেলেন দেশের তরে। ঘাতকের বুলেট থেকে বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, শেখ জামাল ও নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেলও রেহাই পাননি।

    বঙ্গবন্ধুর পুত্রবধূ সুলতানা কামাল দেশের একজন খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং আরেক পুত্রবধূ রোজী জামালও শহীদ হয়েছেন।

    বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের পায়ের সমস্যা নিয়েও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর মতো শান্ত ও বিচক্ষণ প্রগতিশীল মানুষকেও ঘাতকরা হত্যা করে ওই রাতে।

    বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তাঁর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব কর্নেল জামিল আহমেদ, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও ধানমন্ডির বাড়িতে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে এবং তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি কৃষিমন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় রেন্টু খানকে হত্যা করে ঘাতকরা।

    ঘাতকদের মূল টার্গেট ছিল, তারা বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পুরো পরিবার ও নিকটাত্মীয় কাউকেই পৃথিবীতে জীবিত রাখবে না।

    সে অনুযায়ী সেদিন ওই ঘাতকরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে হত্যার এক জঘন্য উল্লাসে মেতে উঠেছিল। হত্যা করেছিল বিভিন্ন ঘরে ও একাধিক বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবার, নিকটাত্মীয়সহ মোট ২৬ জনকে।

    জানা যায়, ১৫ আগস্ট কালরাতে খুনি মেজর ডালিম ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রথমেই আক্রমণ করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি কৃষিমন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও ভাগনে শেখ ফজলুল হক মণির বাসায়। এরপর আক্রমণ করা হয় বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে। প্রথমেই খুনি বজলুল হুদা ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর ছেলে শেখ কামালকে।

    দাফন : পরদিন ঢাকার স্টেশন কমান্ডার আবদুল হামিদ বঙ্গবন্ধুর লাশ ছাড়া ১৫ আগস্টে নিহতদের লাশ দাফন করেন। আবদুল হামিদ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবন থেকে কফিনে নিহতদের লাশ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে শেখ মণি ও আবদুর রব সেরনিয়াবাতের পরিবারের সদস্যদের লাশ সংগ্রহ করে বনানী কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করেন।

    বনানী কবরস্থানে সারিবদ্ধ কবরের মধ্যে প্রথমটি বেগম মুজিবের, দ্বিতীয়টি শেখ নাসেরের, এরপর শেখ কামাল, সুলতানা কামাল, শেখ জামাল, রোজী জামাল, শেখ রাসেল, ১৩ নম্বরটি শেখ মণির, ১৪ নম্বরটি আরজু মণির, ১৭ নম্বরটি সেরনিয়াবাতের আর বাকি কবরগুলো সেদিন এই তিন বাড়িতে যারা মারা গিয়েছিলেন তাদের।

    ১৬ আগস্ট বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে বঙ্গবন্ধুর লাশ নিয়ে যাওয়া হয় টুঙ্গিপাড়ায়। সেখানে তাঁর লাশ দাফন করা হয় তাঁর বাবার কবরের পাশে।

    দাফনের আগে যে ধর্মীয় বিধিবিধান তা পালন না করেই লাশের সঙ্গে যাওয়া সেনা সদস্যরা জাতির পিতাকে কবরস্থ করতে আদেশ দেয়।

    কিন্তু স্থানীয় ইমাম সাহেব ও অন্যান্য সবাই লাশ কবর দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাধ্য হয়েই ঘাতকদের প্রতিনিধিরা মাত্র ১০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়।

    ফলে একজন দৌড়ে গিয়ে পাশের মুদি দোকান থেকে একটা কাপড় কাঁচা সাবান নিয়ে এলে তা দিয়েই লাশের গোসল করানো হয়, সাদা পুরনো কাপড় দিয়ে কাফন বানানোর পর বঙ্গবন্ধুর লাশ সমাহিত করা হয়েছিল।

  • চারদিনের মাথায় পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ফেরির ধাক্কা

    চারদিনের মাথায় পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ফেরির ধাক্কা

    পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে আবারও ধাক্কা দিয়েছে ফেরি। শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকাল পৌনে ৭টার দিকে বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে কাকলি নামে একটি ফেরি পিলারটিতে ধাক্কা দেয়।

    গত ৯ আগস্ট একই পিলারে ধাক্কার চারদিনের মাথায় আবার এ দুর্ঘটনা ঘটল।

    ফেরি কাকলির চালক মো. বাদল হোসেন এ খবর নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, ফেরিটি পদ্মা সেতুর ১১-১২ পিলারের মধ্য দিয়ে আসার কথা। কিন্তু নদীর প্রচণ্ড স্রোত ও বাতাসের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়। এতে ফেরির একপাশে ফাটল ধরে।

    তিনি আরও বলেন, তবে ফাটল পানির স্তরের ওপরে থাকায় ফেরিতে পানিও ওঠেনি। পদ্মা সেতুর পিলারেরও কোনো ক্ষতি হয়নি।

    ধাক্কা লাগার পর ফেরিটি নিয়ে নিরাপদে শিমুলিয়া ঘাটে আসতে পেরেছি। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    চালক মো. বাদল হোসেন বলেন, ফেরিটির কারিগরি সমস্যা ছিল। যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সম্প্রতি জানানো হলেও ব্যবস্থা নেইনি বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাট কর্তৃপক্ষ।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও তিনবার বাংলাবাজার ঘাট থেকে আসার পথে পদ্মা সেতুর পিলারে আঘাত করে ফেরি।

    গত ২০ ও ২৩ জুলাই ১৬ ও ১৭ নম্বর পিলারে এবং ৯ আগস্ট ১০ নম্বর পিলারে আঘাত করে। থানায় জিডি, তদন্ত কমিটি গঠন, ফেরি চালকদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় সেসব ঘটনায়।

  • প্রধানমন্ত্রী একাধারে তিন প্রজন্মের স্বপ্নকে ধারণ করেন-মেয়র সাদিক

    প্রধানমন্ত্রী একাধারে তিন প্রজন্মের স্বপ্নকে ধারণ করেন-মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধারে তিন প্রজন্মের স্বপ্নকে ধারণ করেন- এক তাঁর বাবা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, দুই তাঁর নিজের স্বপ্ন এবং তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের স্বপ্ন। বৃহস্পতিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার সব কথা লুকিয়ে ছিল। শুধু মুখে বঙ্গবন্ধুর কথা নয় বরং চেতনা ও মননে বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করা জরুরি।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ জাতির উন্নয়নের রোল মডেল। তাঁর পদক্ষেপগুলো তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিলে দেশ সত্যিই উন্নত হবে।

    শোক দিবসের গুরুত্ব ও জাতীয় জীবনের বঙ্গবন্ধুর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান রিফাত মাহমুদ, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার সরকার, অর্থনীতি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জ্যোতির্ময় বিশ্বাস, শেরে-ই-বাংলা হলের প্রভোস্ট আবু জাফর মিয়া, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুনেচ্ছা মুজিব হলের প্রভোস্ট তাসনুভা হাবিব জিসান প্রমুখ।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির এই আলোচনা সভায় শিক্ষক সমিতির নেতারা, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, পরিচালকরা, শিক্ষকরা, দপ্তর প্রধানরা, কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির নেতারা ও বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক।

  • গভীর রাতে মাদক ব্যবসায়ী কমলা: ১কেজি গাজাঁ’সহ আটক

    গভীর রাতে মাদক ব্যবসায়ী কমলা: ১কেজি গাজাঁ’সহ আটক

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (১১ আগস্ট) রাত ১ টার দিকে তাকে আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেন থানা পুলিশ।

    থানা সূত্রে জানা গেছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানার অভিযান টিমের চৌকোস সদস্য এস আই মেহেদী হাসান-২, এ এস আই শহীদ, কিবরিয়া ও মিজানুর রহমান অত্র থানার ইন্সপেক্টর অপারেশ ফরিদ এর নেতৃত্বে বুধবার (১১ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১ঘটিকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া রসুলপুর বস্তির বাসিন্দা মাদক ব্যবসায়ী কমলা (৪০) কে তার নিজ গৃহ থেকে এক কেজি গাজাঁ’সহ আটক করা হয়।

     

    এ সময় তাহার নিকট থেকে মাদক বিক্রির ২১৫০০/- টাকা জব্দ করা হয়। কমলার মাদক বিক্রির সহায়তাকারী সোহাগী, কমলার স্বামী জসিম ও রেজাউল নামের তিন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

    তারা আরো জানান আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বরিশাল সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা

    নতুন কোন করারোপ ছাড়াই বরিশাল সিটি করপোরেশনে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের জন্য ৪১৫ কোটি ৭২ লাখ ৩৭ হাজার ৩শ ৬৬ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

    একই সাথে গত অর্থ বছরে ঘোষিত ৪শ ২৭ কোটি ৬২ লাখ ৬৪ হাজার ৩শ ৪৫ টাকার প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে ১শ ২১ কোটি ৯৬ লাখ ১৯ হাজার ৯শ ৪৮ টাকার চূড়ান্ত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    সে হিসেবে গত অর্থ বছরে প্রস্তাবিত বাজেটের ২৮.৫২ ভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে ১ নম্বর প্যানেল মেয়র গাজী নাইমুল হোসেন লিটু এই বাজেট ঘোষনা করেন।

    ঘোষিত বাজেটে নিজস্ব বিভিন্ন উৎস্য থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১শ ১৩ কোটি ৫৬ লাখ ৭০ হাজার ২২ টাকা।

    সরকারি অনুদান (রাজস্ব) ৯ কোটি ৮১ লাখ ১ হাজার ৯শ ৬০ টাকা, সরকারি থোক বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা এবং সরকারি বিশেষ অনুদান ধরা হয়েছে ২৫ কোটি টাকা।

    এছাড়া সরকারি ও দাতা সংস্থার সাহায্য হিসেবে ২শ ১১ কোটি ১২ লাখ ২১ হাজার ৪শ ৩১ টাকা ধরা হয়েছে।

    বাজেট ঘোষনা অনুষ্ঠানে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, রাস্তা-ড্রেন-ব্রীজ-কালভার্ট, পুকুর ও খাল সংরক্ষন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৬৪ কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৯শ ৯৮ টাকা, করোনা মোকাবেলায় ৬ কোটি টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ৩৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা, পানি-বিদ্যুত ও পরিবহন খাতে ১৯ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯শ ৪৮ টাকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও আনুতোষিকসহ ৪১ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    এছাড়া ৬৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর সড়ক উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন, ২৬১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর সকল খাল পুনরুদ্ধার, খনন ও সংরক্ষন এবং ২৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর সকল সড়কের পাশে স্মার্ট কন্ট্রোল বেস্ড এলইডি সড়ক বাতি স্থাপনের ৩টি প্রকল্প মন্ত্রনালয়ে জমা দেয়া আছে বলে মেয়র জানান।

    এগুলো সহ অন্যান্য প্রকল্পগুলো পাশ হলে নগরীর চেহারা পাল্টে যাবে বলে তিনি আশা করেন। নগরীর উন্নয়নে তিনি নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগীতা কামনা করেন।

    ভার্চুয়াল বাজেট ঘোষনা অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মদ, সরকারি কর্মকর্তা, ওয়ার্ড কাউন্সিলরবৃন্দ, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ সংযুক্ত ছিলেন।

    ২০০২ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর এটি ছিলো ১৯তম বাজেট এবং মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বধীন পরিষদের তৃতীয় বাজেট।