Category: প্রচ্ছদ

  • দেশে করোনায় ২৩১ জনের মৃত্যু

    দেশে করোনায় ২৩১ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ১২৫ জনে। এর আগে করোনায় এক দিনে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ।

    এ সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৩২১ জন। এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ লাখ ১৭ হাজার ৩১০ জনে।

    সোমবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে, রোববার ২২৫ ও শনিবার ২০৪ জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার ১৮৭ জন মারা যান। এর আগে, বৃহস্পতিবার ২২৬, বুধবার ২১০, মঙ্গলবার ২০৩, সোমবার ২২০ ও রোববার (১১ জুলাই) সর্বোচ্চ ২৩০ জন মারা যান। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। এদিন মৃত্যু হয় ২০১ জনের।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৩৩৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৩ জন।

  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি পালন করে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান। ” পুলিশ কমিশনার বিএমপি

    স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি পালন করে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান। ” পুলিশ কমিশনার বিএমপি

    ১৯ জুলাই ২০২১ খ্রিঃ সকাল ১২ঃ০০ ঘটিকায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    উপহার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মননীয় পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান, বিপিএম-বার মহোদয়।

    এসময় তিনি বলেন, ” শুধু বৈশ্বিক মহামারী চলাকালীন গণমানুষের জীবনে মানবিক বিপর্যয়েই নয় , বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সবসময়ই সাধ্যমত সুবিধা বঞ্চিতদের পাশে সদাজাগ্রত থেকে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে আসছে।

    তারই ধারাবাহিকতায় দেশের এই বিপর্যয় মোকাবেলায়ও সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি অসহায় -দুস্থদের পাশে ঈদের ট্রেডিশনাল খাদ্য সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হয়েছি।

    এই ঈদ যেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে আনন্দ ভাগাভাগির ঈদ হয় সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে, সকল বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন ক্লাব-সংগঠন সহ সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও দুস্থদের পাশে, বিশেষ করে যারা আত্মসম্মানের ভয়ে কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য চাইতে পারে না তাদের পাশে দাড়াতে হবে।
    এসময় তিনি পাশে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি পালন মেনে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য প্রধান অতিথি মহোদয় আহ্বান জানান ।

    এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সদরদপ্তর জনাব প্রলয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ জনাব মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম-সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর এন্ড গোয়েন্দা শাখা জনাব মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম-বার, উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন জনাব খাঁন মোহাম্মদ আবু নাসের সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • নগরীতে করোনা প্রতিরোধ বুথের উদ্বোধন করলেন পুলিশ কমিশনার বিএমপি

    নগরীতে করোনা প্রতিরোধ বুথের উদ্বোধন করলেন পুলিশ কমিশনার বিএমপি

    ১৭ জুলাই ২০২১ খ্রিঃ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বরিশাল মহানগরীর কাকলির মোড় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কনস্টবল হারুন অর রশিদ পুলিশ বক্সের সামনে করোনা প্রতিরোধ বুথ স্থাপন করা হয়।

    করোনা প্রতিরোধ বুথ উদ্বোধন করেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার মহোদয়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের তত্ত্বাবধানে এবং
    স্টেপ্স টু এসডিজিএস ও জিবিএফ এর সহযোগিতায় করোনা প্রতিরোধ বুথটি নগরীর চারটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থাপিত হয়েছে। স্থাপিত এই বুথ থেকে পথচারীরা হ্যান্ড স্যানিটাইজ করাসহ নির্ধারিত বুথে পুরাতন মাস্ক রেখে নতুন মাস্ক সংগ্রহ করতে পারবেন। উদ্যোগটি গ্রহণ করেছেন,#মানবতার_আহ্বানে_বরিশাল_জিলা_স্কুল_সকল_ব্যাচ।

    বৈশ্বিক মহামারীতে দেশ ও দেশের মানুষকে করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবা থেকে সুরক্ষার প্রয়াসে বরাবরের মতো সৃজনশীল মহতী উদ্যোগের জন্য বরিশাল জিলা স্কুলের সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাধুবাদ জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার মহোদয় বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা যদি এভাবে যার যার অবস্থান থেকে নিজেরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই, সমাজের অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাড়াই, বিশেষ করে যারা আত্মসম্মানের ভয়ে কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য চাইতে পারে না তাদের পাশে দাড়ানোর পাশাপাশি আমরা যদি মাস্ক পরাকে অভ্যেসে পরিণত করি, কোনো কিছু স্পর্শ করার আগে ও পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজড করি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে অচিরেই আমরা এই মহামারী থেকে মুক্তি পাবো।

    “মানবতার আহ্বানে বরিশাল জিলা স্কুল সকল ব্যাচ’র ” মূখ্য সমন্বয়ক জনাব মোঃ দিপু হাফিজুর রহমান জানান , আমরা বৈশ্বিক মহামারির শুরু থেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সার্বিক সহযোগিতা ও তত্বাবধানে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ সহ নানাবিধ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি, আপাততঃ পরীক্ষামূলকভাবে চারটি করোনা প্রতিরোধ বুথ স্থাপন করা হলেও পর্যায়ক্রমে, চাহিদা অনুযায়ী বরিশাল শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে এ ধরনের করোনা প্রতিরোধ বুথ স্থাপন করা হবে।

    এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার কোতোয়ালি মডেল থানা জনাব শারমিন সুলতানা রাখি, সহকারী পুলিশ কমিশনার (স্টাফ অফিসার টু পুলিশ কমিশনার) জনাব মাসুদ রানা, অফিসার ইনচার্জ কোতোয়ালি মডেল থানা, জনাব নূরুল ইসলাম পিপিএম, “মানবতার আহ্বানে বরিশাল জিলা স্কুল সকল ব্যাচ” জনাব মোঃ আজিজ রহমান, স্টেপ্স টু এসডিজিএস এর জনাব আকিব, জনাব অর্ণব, জনাব জাবেদ সহ বরিশাল জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ।

  • পশুর হাট পরিদর্শন করলেন বিএমপি কমিশনার

    পশুর হাট পরিদর্শন করলেন বিএমপি কমিশনার

    মাননীয় পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার মহোদয় অদ্য ১৮ জুলাই ২০২১ খ্রিঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বরিশাল মেট্রোপলিটন-এর বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য পশুর হাট পরিদর্শন করেন ।

    এসময় কুরবানী পশু হাঁটের সংশ্লিষ্ট ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের সাথে শারীরিক দূরত্ব, স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি তথা শৃঙ্খলা বজায় রেখে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক মতবিনিময় করেন।

    এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • চলে গেলেন সাবেক আইজিপি এ ওয়াই বি আই সিদ্দিকী

    চলে গেলেন সাবেক আইজিপি এ ওয়াই বি আই সিদ্দিকী

    বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক আইজিপি‌ ও সচিব এ. ওয়াই. বি. আই. সিদ্দিকী (৭৬) ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গতরাত (১৭ জুলাই) ০১.০৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া———-রাজিউন)।

    মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    জনাব সিদ্দিকী ১৯৪৫ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭০ সালে এএসপি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ থেকে ০৭ জুন ২০০০ সাল পর্যন্ত সততা, দক্ষতা ও সুনামের সাথে আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    মরহুমের প্রথম জানাযা আজ (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার), ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাগণ, পুলিশ সদস্যগণ এবং মরহুমের আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন।

    জানাযা শেষে একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল মরহুমকে অফিসিয়াল ফিউনারেল প্রদান করেন।

    পরে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ডিএমপি কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    জানাযা শেষে বাংলাদেশ পুলিশের ব্যাবস্থাপনায় মরদেহ মরহুমের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পাঠানো হয়েছে। সেখানে আজ (১৮ জুলাই) বাদ আছর দক্ষিণ রহমতনগর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা শেষে মরহুমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    আইজিপির শোক

    সাবেক আইজিপি ও সচিব এ. ওয়াই. বি. আই. সিদ্দিকীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)।

    আইজিপি আজ এক শোকবার্তায় বলেন, জনাব এ. ওয়াই. বি. আই. সিদ্দিকী একজন সৎ ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণ এবং বাংলাদেশ পুলিশের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

    আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • ব্যারিকেড সরাতে বলায় পুলিশ সদস্যকে শ্রমিকদের মারধর

    ব্যারিকেড সরাতে বলায় পুলিশ সদস্যকে শ্রমিকদের মারধর

    সড়ক অবরোধের ব্যারিকেড সরাতে গিয়ে শ্রমিকদের হামলার শিকার হয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার কনস্টেবল ফারুক হোসেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

    মারধরের শিকার ফারুক নিজেকে এয়ারপোর্ট থানার কনস্টেবল পরিচয় দিয়ে বলেন, দুপুরের খাবার নি‌য়ে আমি থানার দি‌কে যা‌চ্ছিলাম। এ সময়ে ব্যারিকেড সরাতে বললে শ্রমিকরা এসে আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে মারধর করেন। আমাকে রক্ষা করতে আসায় আরও দুইজনকে মারধর করা হয়েছে।

    তবে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, এ ধরণের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।

    শ্রমিকরা জানান, রূপাতলীতে বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের মারধরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে জেলা বাস-মিনিবাস মালিক ও শ্রমিকদের সংগঠন সকাল সোয়া ১০টা থেকে সড়ক অবরোধ করে। অবরোধ চলাকালে দুপুর ১টার দিকে কালো টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক আমাদের ব্যারিকেড তুলে নিতে বলেন।

    বাস শ্রমিক জুয়েল ও রাহাত বলেন, ওই যুবক ব্যারিকেড তুলে নিতে আমাদের হুমকি দিচ্ছিলেন। এর প্রতিবাদ করায় আমাদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের পুলিশ ধাওয়া দেন। আমরাও তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করি।

    জুয়েল ও রাহাতও মারধরের সময়ে আহত হন বলে স্বীকার করেন। পরে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা হামলার শিকার কনস্টেবল ফারুককে জালাল আহম্মেদ পুলিশ বক্সে নিয়ে রক্ষা করেন।

    ব‌রিশাল জেলা বাস মা‌লিক গ্রু‌পের যুগ্ম সাধা‌রণ সম্পাদক কি‌শোর কুমার দে ব‌লেন, জানতে পেরেছি বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি হয়েছে। কিন্তু কী কারণে হয়েছে তা এখনি বলতে পারছি না। পুরো বিষয় জেনে বলতে পারবো।

  • বরিশালে মধ্যরাতে অসহায় পরিবারের দ্বারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে বিসিসি

    বরিশালে মধ্যরাতে অসহায় পরিবারের দ্বারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে বিসিসি

    করোনায় কর্মহীন হয়ে পরা নগরীর খেটে খাওয়া পরিবারের দ্বারে দ্বারে মধ্যরাতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    করোনা মহামারীতে কর্মহীন হয়ে পরা এসব মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া খাদ্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার এ কাজটি করছেন মেয়র নিজেই।

    এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    গত ১১ জুলাই থেকে শুরু করা এ কার্যক্রম বুধবার রাতেও চলমান ছিলো। প্রতিদিন রাতে দুইটি করে ওয়ার্ডের দুই হাজার পাঁচশ’ কর্মহীন পরিবারের ঘরে এসব খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

    মেয়রের কালিবাড়ী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রী প্যাকেটজাত করা হয়। প্রতি প্যাকেটে প্রত্যেক পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ২ কেজি মসুর ডাল, ২ কেজি আলু ও এক কেজি সয়াবিন তেল বরাদ্দ করা হয়।

    মধ্যরাতে কর্মহীনদের ঘরে ঘরে এসব খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ইতোমধ্যে নগরবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

  • দেশের এই মানবিক বিপর্যয়ে সদাজাগ্রত থেকে আমরা আপনাদের পাশে আছি ;পুলিশ কমিশনার বিএমপি।

    দেশের এই মানবিক বিপর্যয়ে সদাজাগ্রত থেকে আমরা আপনাদের পাশে আছি ;পুলিশ কমিশনার বিএমপি।

    মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য”

    পুরো বিশ্ব যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় বিধ্বস্ত, মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যখন চরমভাবে ব্যাহত, ঠিক সেই সময় ভূপেন হাজারিকার এই কালজয়ী গানের কথার মত বরাবরের ন্যায় এবারো পেশাগত দায়িত্বের বাহিরে গিয়ে মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অসহায় ও দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস।

    আজ বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১ খ্রিঃ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান, বিপিএম-বার মহোদয়ের নেতৃত্বে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন।

    এসময় তিনি বলেন, “জনমুখী ও গণমুখী পুলিশিং বাস্তবায়নে সদা জাগ্রত থাকার পাশাপাশি বৈশ্বিক মহামারী চলাকালীন গণমানুষের জীবনে যে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে, সেই মানবিক বিপর্যয়ে ও আমরা সদাজাগ্রত থেকে আপনাদের পাশে আছি।

    দেশের এই বিপর্যয় মোকাবেলায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহনের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগণের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন সহ সরকারি নানান সংস্থার পাশাপাশি অনেক সাধারণ মানুস ও অসহায় -দুস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরাও এই মানবিক বিপর্যয়ে সামান্য সহায়তা নিয়ে আপনাদের পাশে দাড়িয়েছি।

    দেশের এই ক্রান্তিকালে আমি এই শহড়ের সকল বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন সহ সকল কে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজের অসহায় ও দুস্থদের পাশে, বিশেষ করে যারা আত্মসম্মানের ভয়ে কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য চাইতে পারে না তাদের পাশে দাড়ানোর আহবান জানাই।

    এ-সময় তিনি সকল কে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য মাস্ক পরাকে অভ্যেসে পরিণত করা, কোনো কিছু স্পর্শ করার আগে ও পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহবান জানিয়ে বলেন, ইনশাল্লাহ আমাদের সকলের প্রার্থনায়, সকলের প্রচেষ্টায়, আল্লাহর অশেষ রহমতে অচিরেই আমরা এই মহামারি থেকে মুক্তি পাব।

    এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সদরদপ্তর জনাব প্রলয় চিসিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন জনাব এনামুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার সদরদপ্তর জনাব মোহাম্মদ নজরুল হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার সাপ্লাই এ্যান্ড লজিস্টিকস্ জনাব মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ জনাব মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম-সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার-পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর এন্ড গোয়েন্দা শাখা জনাব মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম-বার, উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন জনাব খাঁন মোহাম্মদ আবু নাসের সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • অপশক্তি পিছু ছাড়ছেনা মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর,তারপরও থেমে নেই তিনি

    অপশক্তি পিছু ছাড়ছেনা মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর,তারপরও থেমে নেই তিনি

    এক সাদিক আবদুল্লাহর পিছনে অপশক্তি যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছেনা। সাদেক হাটানো গল্প যেন নগরীতে ভাত,মাছ। তবুও থেমে নেই সাদিক আবদুল্লাহ। একের পর চমক উপহার দিচ্ছেন নগরবাসীকে। বরিশাল নগরীতে সাজাতে ইতি মধ্যে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি। আর সেইসব নগর উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি।

    স্বাধীনতা পূর্ব পরবর্তী দক্ষিণাঞ্চলে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতিতে শক্ত-পোক্ত অবস্থানে গিয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম বাংলার বাঘখ্যাত শের-ই বাংলা একে ফজলুল হক, আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, অশ্বিনী কুমার দত্ত, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, বিডি হাবিবুল্লাহ, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, আব্দুর রহমান বিশ্বাস, রাশেদ খান মেনন, আমির হোসেন আমু, এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার, তোফায়েল আহম্মেদ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, পঙ্কজ দেবনাথ, বেগম সেলিমা রহমান, নুর-নবী চৌধুরী শাওন, আবদুল্লাহ আল জ্যাকব, বলরাম পোদ্দারসহ আরো অনেকে।

    তবে রাজনৈতিক পরিবারের ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ইতিপূর্বে কেবলমাত্র শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের ছেলে ফায়জুল হক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে নাসিম বিশ্বাস রাজনীতিতে নাম লেখালেও জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ে তারা আজ কেবলই স্মৃতির পাতায়। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান কৃষককূলের নয়নমনি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ যোগ্য উত্তরসূরী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ । ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ তার পরিবারের উপর নির্মম হামলায় বেঁচে যাওয়া সেই শিশু সাদিকই আজ বরিশালের মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছেন। কিন্তু তাকে পিছনে ফেলতে অপশক্তিরা মাঠে আছে একতাবন্ধ হয়ে।

    বরিশালের হেভিওয়েট রাজনীতিবিদ এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবেই নয়, নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা তাকে আজ এ আসনে উপনীত করেছেন। তিনি আজ তরুনদের অংহকার ও মডেল, যুবরত্ন।

    সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামাল বিভিন্ন সময় দুর্নীতি করে এই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে দায়-দেনায় জর্জরিত করে রাখেন। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকালীন সময়ে তার মাথায় ৩০০ কোটি টাকার ঋণের বোঝা ছিল। সাবেক মেয়রের সময় নগরীর রাস্তঘাট খানাখন্দ, জলাবদ্ধতা, বিসিসি শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থেকে শুরু করে জনমনে ছিলো নানা রকম অস্বস্তি।

    সূত্রমতে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার মোট আয়তন ৫৮ বর্গ কিলোমিটার। ৩০টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। জনসংখ্যা প্রায় ৬ লাখ। আর এই ৬ লাখ নাগরিকের সেবক হচ্ছেন ৩০ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ১০ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও একজন নগর পিতা। এই ৬ লাখ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করার লক্ষে নানা সুবিধা ও অসুবিধার দিকগুলো দেখতে হয় নগরপিতাকে। এক কথায় নগরবাসীর ভাগ্যই থাকে নগরপিতার হাতে।

    প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন নগরবাসীর জীবনমান গড়ার লক্ষে নগরীকে সৌন্দর্যমন্ডিত নগরী হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন। তবে ২০১৩ সালে বিসিসি মেয়র নির্বাচনে নতুন মেয়র হিসাবে যোগদান করে আহসান হাবিব কামাল। তিনি নগরপিতার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর কয়েক বছরে অটোরিক্সার লাইন্সেস বানিজ্য থেকে শুরু করে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা লোপাট করতে সাহায্য করতেন তার ছেলে রুপমকে। বিসিসির কর্মচারীদের বেতনসহ প্রায় ৩শ কোটি টাকা দেনা রেখে নিজেকে সাধুপরিচয় দেয়ার জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেন তিনি।

    তবে সেই দেনা পরিশোধ করে নগরীকে সাজিয়েছে ঢালাও ভাবে। বরিশাল সিটি করপোরেশনে নগর উন্নয়নের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পাস না হলেও কোন সহযোগীতা ছাড়াই বিসিসির আয় থেকেই উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। নগর উন্নয়নের রয়েছে যথার্থভূমিকাও।

    ২০১৮ সালে বিসিসি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে প্রায় ৩শ কোটি টাকা দেনার ভার মাথায় নিয়ে দায়িত্বগ্রহণ করেছিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় আওয়ামী পরিবার (মন্ত্রী) আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সন্তান। ছোট বেলা থেকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। তার দাদা আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করা পিতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পথ ধরেই সাধারন মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন।

    সরেজমিন অনুসন্ধানে ও বিসিসি সূত্রে উঠে আসে তার কাজ, কোন সহযোগীতা ছাড়াই বিসিসির কার্যক্রম চলমান রেখেছেন। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বিসিসি মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের পর, নগরবাসীর কথা চিন্তা করে দিন-রাত নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুড়ে নগরবাসীর জীবনমান গড়ার লক্ষে জলাবদ্ধতা নিরাসন, নগরীর প্রতিটি সড়ক সংস্কার, ড্রেন পরিস্কার, রাস্তা পরিস্কার, যানবাহন নিয়ন্ত্রন, নগরীর বর্জ্য পরিস্কার, অবৈধ পানির লাইন বিচ্ছিন করা, হোল্ডিং ট্র্যাক্স পরিশোধ, কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ ঈদ বোনাস পরিশোধ, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পেনশন দেয়া ও অবৈধ কর্মচারী চিহ্নিত করা, নগরীর গুত্বপূর্ন সড়ক গুলোকে দুই লেনে ভাগসহ থ্রি-ডি জেব্রা ক্রসিং দেয়া, শেবাচিম হাসপাতালে রোগিদের গরম থেকে রক্ষা করার জন্য মাথার উপরে ফ্যান দেয়া, সাধারন মানুষদের সাহায্য করা ও তাদের কথা শোনা, ঈদ যাত্রায় সাধারন মানুষদের ভোগান্তি থেকে রক্ষা করার জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস দেয়াসহ নানা পরিকল্পনার কাজ বাস্তবায়ন করে আসছে তিনি।

    বিশেষ করে মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া, লকডাউনে গত বছরে গভীর রাতে নগরবাসীর দরজায় বিসিসির পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী দেয়া, করোনা রোগীদের জন্য ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য ফ্রি বাস ,বর্তমানে করোনা ভাইরাস প্রতিরােধে লকডাউনে নগরবাসীর দরজায় গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে প্রতিটি কলোনীতে অসহায় কর্মর্হীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা , দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজ নেয়াসহ নানা কার্যক্রম ইত্যাদি।

     

    অনুসন্ধানে জানাযায়, এক হাজার ভুয়া কর্মচারীর নামে প্রায় দেড় যুগে শত শত কোটি টাকা লোপাটের মাধ্যমে বিসিসিকে ঋণগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিণত করা হয়েছিলো । সেই দেনা দায় মুক্ত করতে দায়িত্ব নেয়ার পর দুর্নীতির এ বিরাট ফাঁক বন্ধ করে দেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যে এ বিপুল অঙ্কের টাকা উত্তোলন করে লোপাটের ঘটনা উদঘাটন করেছেন মেয়র নিজেই। তাছাড়া হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণেও দুর্নীতি, চুরি, ঘুষ, দলীয় তদবির এবং সুপারিশের কারণে ট্যাক্স ফাঁকি, ট্রেড লাইসেন্স এবং হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়েও বিস্তর দুর্নীতি, যানবাহনের জ্বালানি খাতেও হতো সাগর চুরি বিষয়টি ধরা পরে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কাছে। নগরবাসীর ভাগ্য গড়ার নামে সাবেক মেয়ররা নিজেদেরই ভাগ্য তৈরি করতে ব্যস্ত হয়ে থাকতেন। এসব কর্মকান্ডে খোঁজ করে মেয়র সাদিক নিজেই বিভিন্ন খাদে তদারকি করে দেখেন। নগরীতে বিভিন্ন ব্যবসা ট্রেড লাইসেন্স না করেই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করা প্রতিষ্ঠান গুলোকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। বরিশাল নগরীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে নগরীর খালগুলো পুনরূদ্ধার করে পুনঃখননের প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে বিশেষ বরাদ্দ ও এমনকি সরকারী পুকুরগুলোও পুনরূদ্ধারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি।

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, নগরবাসীর যাতায়া‌তের সু‌বিধার্থে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু হ‌য়ে‌ছে। সরকারের জলবায়ু প‌রিবর্তন মোকাবিলা প্রক‌ল্পের অ‌ধী‌নে ১০ কো‌টি টাকা ব্যয়ে ভা‌টিখানা, পলাশপুর, বউ বাজার, এ ক‌রিম আই‌ডিয়াল ক‌লেজ সড়ক,ভাটিখানা,কাউনিয়া, রুপাতলী, ২৬,২৭নং ওয়ার্ডের কাচাঁ সড়ক সংস্কা‌রের কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত যা‌তে কাজ সম্পন্ন হয় সেজন্য নি‌র্দেশ দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। নগরের বাকি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও প্রতিটি ওয়ার্ডের রাস্তা গু‌লোও দ্রুত সংস্কা‌র করা হবে।

  • প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা নিয়ে কর্মহীনদের দরজায় মেয়র সাদিক

    প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা নিয়ে কর্মহীনদের দরজায় মেয়র সাদিক

    মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সারাদেশে লকডাউন চলছে। বরিশালে হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে ঘড়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে হাহাকার শুরু হতে চলেছে। বিত্তবানরা নিজেকে নিরাপদে রাখতে ঘড় থেকে বের হচ্ছেনা।

     

    অনেকে ১/২ হাজার টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরন করে সেলফি তুলে ফেজবুকে আর চুংগায় ফু দিয়ে মিডিয়া কাভারেজ নিয়ে অনেক বড় জনদরদী সেজে কর্তব্য শেষ করে ঘড়ে উঠেছেন। কিন্তু এই কর্মহীন পরিবার গুলোর পাশে দাড়াতে কাউকেই খুজে পাওয়া যায়নি ।

     

    ঠিক সেই মুহুর্তে নগরীর ৩০ টি ওয়ার্ডে কর্মহীন মানুষের পাশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার হিসাবে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে গভীর রাতে সাধারণ মানুষের দরজায় বিসিসির জনপ্রিয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল নগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র তার কাউন্সিলর এবং আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল ,ডালসহ বিভিন্ন প্রকারের খাবার সামগ্রী বস্তা করে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে পৌছে দিচ্ছেন।

    আজ প্রথম দিনে নগরীর ১০ ও ১১ নং ওয়ার্ডের চাঁদমারী বঙ্গবন্ধু কলোনী, ত্রিশগোডাউন, কেডিসি নামার চর, ভাটার খাল ,রাজ্জাক স্মৃতি কলোনীসহ বেশ কিছু স্থানে প্রতিটি ঘরের দরজায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌছে দেয় নেতাকর্মীরা।

    জানাযায়, প্রায় ২০ হাজার পরিবারের মাঝে ইতি মধ্যে এ খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে । পরবর্তীতে পর্যাক্রমে ৩০টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মাঝে এ উপহার পৌছে দেয়া হবে। তবে যথা সময়ে খাবার পৌছানো শুরু করায় নগর বাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।