Category: প্রচ্ছদ

  • ডিবি পরিদর্শক মিজানুর রহমান এর পরিবারের নামে অপপ্রচার!

    ডিবি পরিদর্শক মিজানুর রহমান এর পরিবারের নামে অপপ্রচার!

    গতকাল একটি সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিবি পরিদর্শক মিজানুর রহমান এর নামে অপপ্রচার চালালো হচ্ছে । গতকাল মিজানুর রহমান এর বাসা থেকে একটি মেয়ে বের হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এ অপ্রচার চালানো হয় এবং নাম সর্বস্ব কিছু অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর কিছু পেইজে ভিত্তিহীন, বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    উল্লেখ্য কিছুদিন পূর্বে মিজানুর রহমান বাবুগঞ্জ থেকে বরিশালে যোগদান করেন। বাবুগঞ্জ এর ফাতেমা নামক এক মহিলা আনসার সদস্য বাবুগঞ্জ এর কেদারপুর হতে মনি নামের মেয়েটিকে ডিবি পরিদর্শক মিজানুর রহমান এর বাসায় নিয়ে আসে। মেয়ে টিকে মিজানুর রহমান এর ছোট মেয়ের সঙ্গী ও পড়াশোনা করতে রেখে যায়।

    ঘটনার দিন ডিবি পরিদর্শক মিজানুর রহমান এর স্ত্রী ডাঃ ভাস্কর সাহাকে টেষ্ট এর রিপোর্ট দেখানোর জন্য বাসা থেকে বের হবার কিছূ সময় পর,মনি নামের মেয়েটি দরজা খোলা রেখে বাহিরে বের হয়ে যায়।

    পরবর্তীতে মেয়েটিকে খোজাখুজির এক পর্যায়ে বাসায় থাকা মিজানুর রহমানের ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়া ছেলে ও দশম শ্রেনীতে পড়া মেয়ে রিক্সা নিয়ে মেয়েটিকে খুজতে বের হয়,কিছুক্ষন পরেই তারা মেয়েটিকে হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা পুলিশ বক্স এর সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখে,,তাদের মা কে মোবাইলে ঘটনাস্থলে আসতে বলে,তাৎক্ষনিক মিজানুর রহমানের স্ত্রী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মেয়েটিকে তাদের সাথে বাসায় যেতে বলে ও মেয়েটির গার্ডিয়ান কে খবর দেয়।

    কিন্তু ইতিমধ্যে মেয়েটির ডাক চিৎকার এ ওইখানে লোকজনের সমাগম ঘটে,ও কিছু সাংবাদিকবৃন্দ ঘটনাটি সম্পর্কে উপস্থিত ওসি মিজানুর রহমানের স্ত্রীর কাছে জানতে চায়,এসময় মেয়েটি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে পুলিশ মেয়েটিকে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়।

    পরবর্তী তে মেয়েটিকে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক নুর ইসলাম সাহেব জিজ্ঞাসাবাদ করার এক পর্যায়ে মেয়েটি স্বীকার করে তাকে কোনো মারধর করা হয়নি,,সে নিজের ইচ্ছায় এখান থেকে পালিয়েছে।পরবর্তীতে মেয়েটিকে তার অভিভাবক এর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

    উল্লেখ্য মেয়েটি ইতিপূর্বে চাখার এর এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতো ওই খানে বেতন কম দেয়ায় সে একই ভাবে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

    উল্লেখিত ঘঠনা সম্পর্কে বরিশাল ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি জানান, ঘটনাটি খুবই কষ্টদায়ক,, সাধারন একটা ঘটনাকে কতিপয় লোকজন তার ও তার পরিবার এর সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক ও অনলাইনে নিউজ পোর্টাল এ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে জনগনের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেন,,তিনি ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করে সত্য ঘটনাটি তুলে ধরার কথা বলেন।

  • আশির দশকের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে বাধাগ্রস্থ করা সেই মহলের কবলে মেয়র সাদিক-তাপস

    আশির দশকের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে বাধাগ্রস্থ করা সেই মহলের কবলে মেয়র সাদিক-তাপস

    মো. আসাদুজ্জামানঃ১৯৮১ সালে চরম রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক অস্থিরতার মধ্যে ৩৩ বছর বয়সে ১৭ই মে বাংলাদেশে পা রাখেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। রাজনীতি শুরু থেকেই বাংলাদেশের কতিপয় গণমাধ্যম, সাংবাদিক সুশীল সমাজের একটি অংশ এবং সরকারী মালিকানাধীন সংবাদপত্র ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানান অপ-প্রচার ও ষড়যন্ত্র শুরু করে। শেখ হাসিনার স্বদেশে ফেরাকে বাধাগ্রস্থ করতে আগে থেকেই নানাবিধ অপপ্রচারে নামে গণমাধ্যমের একটি বড় অংশ। সরকারী মালিকানাধীন তৎকালীন সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদক দেশ বরেণ্য কবি শামসুর রহমানের নাম ছাপা হলেও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে কলকাঠি নাড়তেন শাহাদাত চৌধুরী। নয়া দিল্লিতে প্রেরণ করা মাহাফুজুল্লাহ’র তথ্য উপাত্ত্বের ভিত্তিতে আহম্মেদ নুরে আলম, শেহাব আহম্মেদ ও জবলুল আলম বিভিন্ন রিপোর্ট প্রকাশ করেন। ১৯৮১ সালের ১৩ মার্চ সংখ্যায় “বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রবাসী নেতৃত্ব ভারতের রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছি”। শিরোনামে সাপ্তাহিক বিচিত্রা প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তার আগে ৪ মার্চ ভারতের আনন্দ বাজার পত্রিকার একটি সম্পাদকীয় থেকে বরাত দিয়ে প্রতিবেদনের শিরোনাম দেওয়া হয় ‘শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করেই ভারত এখন স্বপ্ন দেখে’, প্রতিবেদনে বলা হয় অকৃতজ্ঞ বাংলাদেশকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই বাংলাদেশের সঙ্গে কঠোর ব্যবহার করবে। কারণ এই বাংলাদেশী জাতি ভারতের অবদান ও বন্ধুত্ব ভুলে গেছে। ভারতের মস্কোপন্থী কমিউনিস্ট পার্টির দৈনিক প্যাট্টিয়েট পত্রিকার একটি প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে বলা হয় ‘কিন্তু স্ত্রীর নতুন পরিচয় তার জন্য সুখকর নয়’। যেমন করেই হোক তিনি এই রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে চান না। ফিরেও আসতে চান না দেশে।

    তার (ড. ওয়াজেদ মিয়ার) দুঃখ অন্যত্র। একসময়ে সবাই বলত বঙ্গবন্ধুর জামাই, আর এখন বলবে হাসিনার স্বামী। বিচিত্রায় লেখা প্রতিবেদনে আরও বলা হয় ভারত সরকারের আশ্রয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অবস্থান করলেও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হওয়ার প্রেক্ষাপটে আরও তাকে ও তার দলকে সমর্থন করছে না। দিল্লির পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়ন হচ্ছে এবং মিসেস ইন্দিরা গান্ধী অভ্যন্তরীণ প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন, তখন তিনি নতুন রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতে রাজি নন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব পাবার মতো সঠিক অবস্থানে নেই। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনা না কী ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণা করছেন। এমন প্রশ্ন পর্যন্ত উত্থ্যাপন করা হয় সাপ্তহিক বিচিত্রায়। আরও লেখা হয় শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভগ্নতরী ঝঞ্জাবিক্ষুব্ধ কাউন্সিল সমুদ্র জোড়াতালি দিয়ে পার হতে পেরেছে। অসম্বত্ব মিশ্রনের এই ঐক্য কতোদিন টিকবে সে সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করা কঠিন। আওয়ামী লীগের ডাকে সাড়া দিতে দলের সমর্থক ও কর্মীরাই এখন বাধাগ্রস্থ। শেখ হাসিনা যাতে রাজনীতিতে না আসেন এবং আওয়ামী লীগ যাতে খন্ডÑবিখন্ড হয়ে নিঃশেষ হয়ে যায় সেই লক্ষে তৎকালীন জিয়াউর রহমানে সরকার কতিপয় সাংবাদিককে ব্যবহার করেছিলেন। সকল বাধা অতিক্রম করে আওয়ামী লীগের সরাসরি নেতৃত্ব গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ২৯ মে সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম সমাবেশ করেন। দৈনিক ইত্তেফাকের রিপোর্টে বলা হয় ‘শেখ হাসিনার ওই সমাবেশে তিন লাখ লোকের সমাগম ঘটেছিলো’। জনগণের মুক্তির লক্ষে বাকশাল কর্মসূচি বাস্তবায়নে আন্দোলনের লক্ষ্য। এছাড়াও প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার ভাষণের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। নানবিধ ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনাকে মাইনাস করতে চেয়েছিলো। সব বাঁধা পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত। স্বাধীনতার পরে দেশের কুচক্রি মহলগুলো আওয়ামী লীগকে ধংস করতে বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও স্বজনদের টার্গেট করে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছিলো। যার ফলে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক ও তার পরিবার এবং স্বজনদের মধ্যে বর্তমান ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপসের বাবা এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দাদা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতসহ পরিবারের সদস্যদের ওপরে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো। ওই মহলটি এখনও বসে নেই। বঙ্গবন্ধুর পরবর্তী প্রজন্ম শেখ হাসিনা ও তাদের স্বজনদের টার্গেট করেই এখনও নানান ষড়যন্ত্র চলছে। আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করতে হলে বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও তাদের স্বজনদেরকে আগে পরাস্থ করতে হবে। সেই লক্ষে চলছে ষড়যন্ত্র। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারা শেখ হাসিনাকে প্রতিষ্ঠিত হতে বাধাগ্রস্থ করেছিলো এখন সেই সকল চক্রটি এখনও সক্রিয় হয়ে তথা কথিত সুশীল ও কতিপয় গণমাধ্যম এবং সাংবাদিককে ব্যবহার করে আসছেন। এই চক্রান্তের রোষানল থেকে বাদ যাচ্ছেন না ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করছেন দলের অভ্যন্তরে থাকা ‘উড়ে এসে জুড়ে’ বসা ক্ষমতার সুবিধা ভোগী একটি অংশ। বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত স্টাফ ছিলেন মোঃ হানিফ, সেই সুবাদে হয়েছিলেন ঢাকা নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র। সেনা সমর্থিত সরকারের আমলে দল ত্যাগ করে ফেরদৌস আহাম্মেদ কোরাইশীর কিংস পার্টি খ্যাত প্রগ্রেসিভ ডেমোক্র্যটিক পার্টিতে ভিড়েছিলেন সাবেক মেয়র হানিফ পুত্র সাইদ খোকন, তখন কিছু সাংবাদিকের সাথে তার ওঠা বসা ও ঘনিষ্টতা ছিলো যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলতেন। পৈত্রিক আধিপত্যের কারণে সাইদ খোকনকে ঢাকা সিটির মেয়র করলেও তা ধরে রখতে পারেননি তিনি। বর্তমানে পূর্বের আদলে মেয়র তাপসের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অপপ্রচার চালিয়ে দলের ক্ষতি করছেন। বরিশালেও প্রায় একই অবস্থা স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে সমসুরে তাল মিলিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে কোণঠাসা করতে আওয়ামী লীগের একটি অংশ নানবিধ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যাদেরকে পরাজিত করতে পারলে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করা যায়, সেই টার্গেট পূরণে মিশন বাস্তবায়নের নীলনকশার আভাস তৃণমূল ত্যাগী আওয়ামী লীগকে হতাশ করেছে।’
    —————————————
    মো. আসাদুজ্জামান
    সাংবাদিক ও লেখক।

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ০৭ জুলাই ২০২১ খ্রিঃ সকাল ১১ঃ০০ ঘটিকায় বিএমপি সদরদপ্তর সম্মেলন কক্ষে পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার মহোদয়ের সভাপতিত্বে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান উন্নয়ন কাজের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে সভায় উপস্থিত প্রকল্প পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশলীদের সাথে আলোচনা কালে তিনি প্রতিটি কাজের সিডিউল মোতাবেক গুনগত মান ঠিক রেখে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে হস্তান্তরের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

    সহকারি পুলিশ কমিশনার এস্টেট জনাব মোঃ ইব্রাহিম হোসেন এর সঞ্চালনায় এ সময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি সদরদপ্তর জনাব প্রলয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর জনাব মোঃ নজরুল হোসেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সদরদপ্তর বিএমপি জনাব মোঃ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা বিএমপি জনাব সেলিম সহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ।

  • বরিশালে করোনা প্রতিরোধে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত

    বরিশালে করোনা প্রতিরোধে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত

    বরিশালের করোনা প্রতিরোধে ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে জেলা প্রশাসন বরিশালের পক্ষ থেকে অ‍াজ ৬ জুলাই মঙ্গলবার ৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট- মহিউদ্দীন আল হেলাল, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট- সমাপ্তি রায় ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট- জাবেদ হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‍এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ‍

    এসময় ৩৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কে ২২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

  • করোনায় বরিশালে সর্বোচ্চ ৬২২ জন শনাক্ত : মৃত্যু ১২

    করোনায় বরিশালে সর্বোচ্চ ৬২২ জন শনাক্ত : মৃত্যু ১২

    বরিশাল বিভাগে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, ভাঙ্গছে একের পর এক পেছনের রেকর্ড।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা এ যাবৎকালেরও সর্বোচ্চ। আর এই সময়ে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

     

    গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন করে ৪৫৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৫৯। আর সর্বশেষ আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২০হাজার ১৫৪ জন।

     

    এছাড়া একই সময়ে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসাপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেলো ২৪ ঘন্টায় গোটা বরিশাল জেলায় ৪ ও ঝালকঠি জেলায় ১ জনসহ বিভাগে মোট ৫ জন করোনা রোগীর মৃত্যু শনাক্ত হয়েছে। যা নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩১ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

     

     

     

    বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, মোট আক্রান্ত ২০ হাজার ১৫৪ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৭০ জন।

     

    আক্রান্ত সংখ্যায় বরিশাল জেলায় নতুন সর্বোচ্চ শনাক্ত ১৭৩ জন নিয়ে মোট ৮ হাজার ৭০৩ জন,পটুয়াখালী জেলায় নতুন ৬০ জন নিয়ে মোট ২৬৭৯ জন, ভোলা জেলায় নতুন ৩০ জন সহ মোট ২১৪৭ জন,পিরোজপুর জেলায় নতুন ১২১ জন নিয়ে মোট ২৭০৪ জন, বরগুনা জেলায় নতুন ৭৫ জন নিয়ে মোট আক্রান্ত ১৬৪৭ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন ১৬৩ জন শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৭৪ জন।

     

    এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র বরিশাল শেবাচিম হাসাপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে শুধুমাত্র শেবাচিম হাসপাতালেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২১৮ জন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ৫৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা ৫৬৮ জনের মধ্যে ৩৬ জনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনো হাতে পাওয়া যায়নি।

     

    ওই হাসপাতাল পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার) সকাল পর্যন্ত শেবাচিমের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৪৬ জন ও করোনা ওয়ার্ডে ১২জন ভর্তি হয়েছেন। করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন ২১০ জন রোগী চিকিৎসাধীন। যাদের মধ্যে ৪৯ জনের করোনা পজিটিভ এবং ১৬১ জন আইসোলেশনে রয়েছেন। আরটি পিসিআর ল্যাবে মোট ১৮৮ জন করোনা পরীক্ষা করান। যারমধ্যে ৬৯.১৪ শতাংশ পজিটিভ শনাক্তের হার।

  • কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল আরও ৭ দিন

    কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল আরও ৭ দিন

    করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের (লকডাউন) মেয়াদ আরও ৭ দিন বাড়ানো হয়েছে।

    বিধিনিষেধের মেয়াদ আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে সোমবার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সরকার গত ১ জুলাই থেকে সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে।

    দেয়া হয় ২১টি নির্দেশনা। বিধিনিষেধের ৫ দিন পার হতে চললেও এরমধ্যে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

    কিন্ত সেই বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল আগামী বুধবার (৭ জুলাই) মধ্যরাতে। এর মধ্যে বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এই প্রেক্ষাপটে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হলো।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ রোববারের (৪ জুলাই) তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আরও ১৫৩ জনের প্রাণ, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন।

    বিধিনিষেধে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসররকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। খোলা রয়েছে শিল্প-কারথানা। জনসমাবেশ হয় এমন কোন অনুষ্ঠানের আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

    বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। বিধিনিষেধ ভেঙে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

    বিধিনিষেধের বর্ধিত সময়েও মানতে হবে যেসব নির্দেশনা-

    ১. সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

    ২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    ৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

    ৪. সকল পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

    ৫. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান-ওয়ালিমা, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

    ৬. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

    ৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

    ৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

    ৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/কার্গো ভেসেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

    ১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

    ১১. শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

    ১২. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

    ১৩. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ১৪. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

    ১৫. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

    ১৬. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবে।

    ১৭. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

    ১৮. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    ১৯. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোন কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

    ২০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

    ২১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

  • আমরা যে কোন মূল্যে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করবো- র‌্যাব-৮’র অধিনায়ক

    আমরা যে কোন মূল্যে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করবো- র‌্যাব-৮’র অধিনায়ক

    আমরা যে কোন মূল্যে কঠোর লক ডাউন বাস্তবায়ন করবো। আমরা সর্বদা হার্ড লাইনে রয়েছি। এ কথা বলেছেন বরিশাল র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক এডশিনাল ডিআইজি জামিল হাসান। র‌্যাবের পক্ষ থেকে সোমবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকায় তল্লাশী চৌকি বসানো হয়।

    এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক জামিল হাসান। এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা পাড়া মহল্লায় চিরুনি অভিযান শুরু করবো।

    সরকার ও দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করে যাব। তবে সরকারের ঘোষিত লক ডাউন বাস্তবায়নে অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনীর পাশাপশি র‌্যাবও কাজ করবে।

    এছাড়া যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকবে র‌্যাব-৮। একইসাথে লক ডাউনের সময় কোন অসহায় লোক খাবারের সহযোগীতা চাইলে আমরা তার কাছে খাবার পৌছে দেব।

    এসময় বেশ কয়েকটি গাড়ী আটক হয়। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান ও ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কোম্পানী কমান্ডার (সিপিএসসি) মেজর মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

  • বিসিসি’র ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে জরুরী এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

    বিসিসি’র ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে জরুরী এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃমহমারি কোভিড ১৯ সংক্রমণ হ্রাস করতে ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে এ্যাম্বুলেন্স সার্বিসের ব্যাবস্থা করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর নির্দেশ এই সার্ভিসের ব্যাবস্থা করা হয়।

    লাকডাউন চলাকালীন সময়ে এ জরুরী সার্ভিস অব্যাহত থাকবে বলে জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। নগরীর সুশীল সমাজ এ সার্ভিস এর সাধুবাদ জানান।

  • শপথ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন আবুল হাসেম

    শপথ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন আবুল হাসেম

    কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আবুল হাসেম খান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন

    এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার জয়নাল আবেদীন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফ মাহমুদ অপু, ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার মো. নিজামুল ইসলাম, কলাবাগান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান শিমুল ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব হোসেন প্রমুখ।

    এর আগে বিকালে আবুল হাসেম খান শপথ গ্রহণ করেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদের শপথ কক্ষে শপথ পড়ান। পরে রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। একই দিন ঢাকা-১৪ আসনের আগা খান এমপি হিসেবে শপথ নেন।

  • লকডাউনের ১ম দিনেই বরিশালে রেকর্ড ২৮৬ জনের করোনা শনাক্ত

    লকডাউনের ১ম দিনেই বরিশালে রেকর্ড ২৮৬ জনের করোনা শনাক্ত

    বরিশালে কঠোর লকডাউনের ১ম দিনেই রেকর্ডসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ‍

    শনাক্তের শীর্ষে রয়েছে বরিশাল জেলা। আর এরপরেই রয়েছে পিরোজপুর। ২৪ ঘণ্টার মোট শনাক্ত সংখ্যায় কেবল এ দুই জেলাতেই আক্রান্ত হয়েছেন অর্ধেকেরও বেশি রোগী।

    এছাড়া মৃত্যু ঘটেছে আরও ৬ জনের। এদের মধ্যে পিরোজপুরে ৪ জনসহ বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার ১ জন করে রয়েছেন। ‍এনিয়ে বিভাগে করোনায় ৩১১ জন মৃত্যুবরণ করলেন। পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যায় সৃষ্টি হয়েছে নতুন রেকর্ড। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২৮৬ জন। ‍এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ‍এই সংখ্যা ছিল ২০৮। নতুন শনাক্তদের নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ‍এখন ১৭ হাজার ৮৮৬। ‍

    এছাড়া সুস্থতা লাভ করেছেন ২৮ জন। বিভাগে মোট সুস্থতার সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে ‍এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তি অনুসারে বরিশালে নুতন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৫ জনের, বিপরীতে সুস্থতা লাভ করেছেন ২৬ জন। এছাড়া পটুয়াখালীতে নতুন শনাক্ত ২০ জন, ভোলায় শনাক্ত ৮, সুস্থ হয়েছেন ১ জন, পিরোজপুরে নতুন শনাক্ত ৮০, সুস্থতা লাভ করেছেন ১ জন। এছাড়া বরগুনায় ২৯ ‍এবং ঝালকাঠিতে ৬৪ জনের দেহে করোনার ‍উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

    তবে পটুয়াখালী, বরগুনা ‍এবং ঝালকাঠিতে নতুন করে সুস্থতা লাভ করেননি কোন রোগী।

    প্রসঙ্গত, বিভাগে শনাক্ত ও মৃত্যুর হারে সবার শীর্ষে রয়েছে বরিশাল জেলা