Category: প্রচ্ছদ

  • জাতীয় জীবনে একেকজন ইমাম আমাদের পথ দেখানো শিক্ষাগুরুঃ বিএমপি কমিশনার।

    জাতীয় জীবনে একেকজন ইমাম আমাদের পথ দেখানো শিক্ষাগুরুঃ বিএমপি কমিশনার।

    ১০ মে ২০২১ খ্রিঃ দুপুর ১৫ঃ৩০ (সাড়ে তিন ঘটিকায়) বরিশাল ক্লাবে, জাতীয় ইমাম সমিতির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ সহ বরিশাল নগরীর ইমামবৃন্দের সাথে মাননীয় বিসিসি মেয়র কর্তৃক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে শুরু করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এযাবৎকালের ধর্মপ্রাণ মানুষের কল্যাণে আশীর্বাদস্বরুপ কাজ করেছেন।

    তিনি বলেন, এ নগরীর জনপদের মানোন্নয়নে নিয়োজিত সম্মানীত মেয়র মহোদয় আপনাদের প্রত্যাশাপূরণে যে ভবন নির্মাণ করেছেন, এতে রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী হিসেবে আমি সত্যি আনন্দিত।
    আমি মনে করি আমার জন্য আজকের এই দিনটি অানন্দের, কারণ আমরা কর্মের দিক থেকে একটু পিছিয়ে থাকায় ইমামসাহেবদের মধ্যে আসলেই আমাদের মন ভালো হয়ে যায় ।একেকজন ইমাম আমাদের পথ দেখানো শিক্ষাগুরু,আমাদের সমাজে সবার কাছে সবচেয়ে শ্রদ্ধেয়, সম্মানিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তি, যাঁরা ইসলামের আলোকে পথপ্রদর্শক হয়ে উজ্জীবিত করেন।

    আপনারা সবসময় দেখেন জাতীয় জীবনে কতগুলো বিষয় আমাদের সামনে চলে আসছে, যেগুলোতে আপনারা মূখ্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। জঙ্গীবাদ বিরোধী শান্তি এবং ভ্রাতৃত্ব রক্ষায় একজন একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম হিসেবে আমাদের জাতীয় যে প্রধান চরিত্র তা তুলে আনার যে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা আপনাদের মধ্যে মসজিদের মাধ্যমে যে চলমান, তা আমরা নানাভাবে জানতে পারি, সেজন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

    তিনি আরও বলেন ;এই শহরের পাঁচশত ইমাম প্রতি জুমআ’র নামাজে প্রায় ৫০,০০০ বা তার অধিক মুসল্লিদের মাঝে বয়ান রাখতে পারেন । উক্ত বয়ানে জঙ্গি তৎপরতা,সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজবের মাধ্যমে ফেৎনা সৃষ্টিকারী, মাদকের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলার সরকারি আদেশ নিষেধ প্রচারের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে বৃহৎ ভূমিকা রাখতে পারেন ।

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সর্বপ্রকার ফেৎনা ফ্যসাদ বাদ দিয়ে খুৎবা বয়ান সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ জাতি হিসেবে মুসল্লিদের যে ঐক্যের দিকে আহ্বান করে মাদক বিরোধী, সন্ত্রাস বিরোধী জঙ্গীবাদ বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে সচেতনতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে আমাদের যে সর্বোত্তম সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, আশাবাদী ভবিষ্যতেও আপনারা কাজ করে যাবেন।

    স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি ইসলামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বৃহৎ অংশ এবং ইসলামে মহামারীর আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে করণীয় ও বর্জনীয় শীর্ষক বহুল আলোচনা বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।আপনাদের থেকেই জেনেছি, ” এই মহামারীর জন্য মসজিদে গিয়ে শারীরিক দূরত্বে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে ঘরে বসে নামাজ আদায় করলে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ার সওয়াবে তুলনায় কমতি হবে না”।

    সারাবিশ্বে চলমান মহামারি ব্যাধি করোনা আমাদের নানাভাবে উৎকন্ঠার মধ্যে রেখেছে। আমাদের দেশেও এর প্রভাব রয়েছে। প্রতিবেশী দেশে মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলেছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দোয়ার পাশাপাশি সরকারি বিধি পালন করে প্রতিরোধ না করতে পারলে এই ভয়াবহতা থেকে আমরা কেউ রেহাই পাবো না। এজন্য মসজিদগুলোতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আমল করার পাশাপাশি সচেতনতামূলক বয়ানের জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।

    আলোচনা শেষে মাননীয় বিসিসি মেয়র জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কর্তৃক বরিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সংলগ্ন “মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহান আরা বেগম ইমাম ভবন ” নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

  • একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয় : প্রধানমন্ত্রী

    একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয় : প্রধানমন্ত্রী

    করোনা সংক্রমণ রোধে ঈদে বাড়ি যাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সবার উদ্দেশে বলেছেন, ‘প্রত্যেকে যার যার অবস্থানে থেকে ঈদ করুন। একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয়?’ তিনি সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান।

    পূর্বাচল প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার অনুষ্ঠানে রবিবার (৯ মে) তিনি এ আহ্বান জানান। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
    বিজ্ঞাপন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের নতুন আরেকটি ভ্যারিয়েন্ট এসেছে যেটা আরও বেশি মারাত্মক। এতে যারা সংক্রমিত হয় তারা আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। যে কারণে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা পার্শ্ববর্তী দেশে এ ভাইরাস আক্রমণ করেছে। আর প্রতিবেশী আক্রান্ত হলে তা থেকে দূরে থাকা কঠিন হয়ে যায়। তাই সবাইকে বলবো, নিজ নিজ অবস্থানে থেকে ঈদ করুন। কেননা বাড়ি যাওয়ার পথে কে ভাইরাস বহন করছেন, কে করছেন না, তা আমরা কেউ জানি না। কাজেই বাড়ি যাওয়ার পথে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বলবো, বাড়ি যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কেননা যাওয়ার পথে আপনি ভাইরাস বহন করে নিয়ে যেতে পারেন আপনার পরিবারের কাছে। যাতে করে আপনার মা-বাবা ভাই-বোনসহ পরিবারের সদস্যরা আক্রান্ত হতে পারে। তাই আগে থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। নিজে সুরক্ষিত তেকে অন্যদের সুরক্ষিত রাখতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে। মাস্ক পরতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘রমজান মাস, আল্লাহর কাছে দোয়া করেন যেন এই করোনাভাইরাস থেকে যেন আমাদের দেশ মুক্তি পায়, দেশের মানুষ যেন মুক্তি পায় আর যেন প্রাণহানি না হয়।  শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বব্যাপী এই করোনার জন্য কত মানুষ মারা যাচ্ছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশে প্রতিদিন কত লোক মারা যাচ্ছে এবং এই প্রতিবেশী দেশে যখন হয় স্বাভাবিকভাবে তখন আমাদের দেশে আসার একটা সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য আগে থেকেই আমাদেরকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। নিজেদেরকে সেভাবে চলতে হবে, যেন আপনারা সবাই করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে থাকতে পারেন।’

  • বরিশালে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

    বরিশালে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আবিস্কার এর আয়োজনে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক বরিশাল জসীম উদ্দীন হায়দার।

    আজ ৮ মে শনিবার দুপুর ১২ টার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আবিস্কার এর আয়োজনে কিশোর মজলিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কোভিট-১৯ সহায়তা কর্মসূচি ২০২১ এর উদ্যোগে ৩০০ শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত দুঃস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার (খাদ্য সামগ্রী) প্রদানের অংশ হিসবে আজ শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক বরিশাল জসীম উদ্দীন হায়দার। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বরিশাল মোঃ আব্দুল কাদের, জেলা প্রশাসক বরিশালের সহকারী কমিশনার সুব্রত বিশ্বাস দাস, প্রবেশন অফিসার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরিশাল সাজ্জাদ পারভেজ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরিশাল সদর মোঃ আব্দুর রহমান সন্যামত, এডাব বরিশাল এর সভাপতি কাজী জাহাঙ্গীর কবির, আবিষ্কার এর চেয়ারম্যান আবু বকর ছিদ্দিক সোহেল, আবিস্কারের জেনারেল সেক্রেটারি এ এসে এম মঈন উদ্দিন খান আইউব, মোঃ মাকসুদুর রহমান প্রমূখ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শুরুতে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী পোলার চাল, তেল, চিনি, লবণ, গুঁড়ো দুধ, এক ডর্জন ডিম, সেমাই, নুডুলস, পিয়াজ, আলু তুলে দেন।

  • বিসিসি মেয়রের চ্যালেঞ্জ; নগরীর বাকে বাকে উন্নয়নের ছোয়া

    বিসিসি মেয়রের চ্যালেঞ্জ; নগরীর বাকে বাকে উন্নয়নের ছোয়া

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    “আমরাই গড়বো আগামীর বরিশাল” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ,র নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বরিশাল নগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ড।নগরীর অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পুর্ন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন হাসানাত পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে করোনা মহামারী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ সাধারন জনগনের সকল ভোগান্তিতে পাশে থেকে সর্বমহলে প্রশংসিত সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।বঙ্গবন্ধু পরিবারের সন্তান বলেই হয়তো, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালের মেয়র নির্বাচিত হয়ে এরই মধ্যে সিটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে হতদরিদ্র ও সাধারণ মানুষের কথা ব্যাপকভাবে ভাবছেন এবং নিজস্ব ও বিসিসির পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে জনগণের অন্তরের স্থায়ী আপনজন হয়ে ওঠার জন্য প্রাণপন কাজ করছেন।

    ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার সুযোগ পান তিনি। অনেকটা আসলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন- এর মতো। তিনি বাজিমাত করে দিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলেন সিটি মেয়র। যদিও নিজেকে তিনি নগর পিতা নয় একজন সেবক হিসেবেই ভাবতে পছন্দ করেন। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আজ নগরীর সর্বোচ্চ মসনদে আসীন হলেও তিনি সবসময় থাকতে চান জনতার কাতারে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে নির্বাচিত হবার পরপরই নগরীর রূপাতলী থেকে জেল খানার মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি আধুনিক উপায়ে পাঁচ বছরের গ্যারান্টিতে সংস্কার করেছেন। একই কায়দায় সম্প্রতি সংস্কার করা হয়েছে আমতলা মোড় থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি।

    সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাদিক আবদুল্লাহ যেমন সেখানে শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছেন আবার তার কর্মকর্তা- কর্মচারীদের জন্য হয়েছেন মানবিকও। নগরবাসীর সেবাদানে ঢেলে সাজিয়েছেন সিটি কর্পোরেশনকে। তাঁর ব্যক্তিগত কর্মতৎপরতায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়িয়েছেন। নগরীর আমির কুটিরে তাদের বসবাসের জন্য করেছেন ছয়তলা সেবক কলোনী। যেখানে বাস্তুহারা হরিজন সম্প্রদায়ের ৪৮ পরিবার পেয়েছে মাথা গোঁজার ঠাঁই। অনিয়মিত সকল কর্মচারীর জন্য চালু করেছেন বোনাস। মাসের প্রথম সপ্তাহেই পরিশোধ করা হচ্ছে বেতন।

    চাকরি শেষে অবসরে যাওয়ার পর যাবতীয় সকল সুবিধা পাওয়ার স্বপ্ন কেউ কখনো দেখেননি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে। কিন্তু সাদিক আবদুল্লাহ যোগদানের পরপরই অবসরে যাওয়া সিটি কর্পোরেশনের ৪৬ জন স্টাফকে একসাথে তাদের সকল পাওনা পরিশোধ করে দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন। নগরীর জ্যেষ্ঠ বাসিন্দা এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের জন্য নগরভবনে একটি সহায়তা ডেস্ক চালু করেছেন প্রথমবারের মতো।

    করোনা মহামারীতে লক্ষাধিক পরিবারের ঘরে ত্রান দিয়ে অন্যন্য নজির গড়েছিলেন তিনি।

    মেয়র ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকে মোটেও পছন্দ করেননা। প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ কথাটিকে মর্ম বাণী হিসেবে মানেন মেয়র সাদিক। তিনি ইমামদের জন্য ইমাম ভবন নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। আবার মহানগরীর পূজা মন্ডপগুলোতেও অনুদানের অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। শিশু মনের মানুষ সাদিক আবদুল্লাহ শিশুদের ভীষণ পছন্দ করেন। শিশু বান্ধব নগরী গড়ার কাজ করছেন তিনি। উৎসবের সময় নতুন পোশাক নিয়ে ছুটে যান এতিমখানাসহ দু:স্থ শিশু নিবাস কেন্দ্র গুলোতে। শিশুদের জন্য একটি পার্ক সংস্কারের পাশাপাশি নগরীতে গড়ে তুলেছেন আরেকটি শিশু পার্ক। ঘোষণা দিয়েছেন নগরীর পাড়া মহল্লায় মিনি পার্ক নির্মাণের।

    মিডিয়া বান্ধব সাদিক আবদুল্লাহ গণমাধ্যম কর্মীদের মূল্যায়ন করেন মান সম্মানের সাথে। তিনি মনে করেন রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকরা একে অন্যের পরিপূরক। কারণ সাংবাদিকেরা লেখনীর মাধ্যমে জনগণের ভালমন্দ তুলে ধরেন আর রাজনীতিবিদরা জনকল্যাণের জন্য রাজনীতি করেন।

    মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি রক্ষার্থে ত্রিশ গোডাউন এলাকার বধ্যভূমি সংরক্ষণ করেছেন। এমনকি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে জায়গাটিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মেয়র হওয়ার আগেই নগরী থেকে মদ, জুয়া, হাউজিসহ সামাজিক অপকর্ম উৎখাত করতে সক্ষম হওয়া সাদিক মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে বলেছেন, কোন মাদক কারবারীকে ছাড় দেয়া হবেনা। সর্বশেষ একনেকের সভায় বরিশালে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট উন্নয়নে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

    বরিশাল নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড কালিজিরা বাজার থেকে বাজার থেকে ২৭ নং ওয়ার্ড সোনা মেয়ার পোল পর্যন্ত বিটুমিনার কার্পেটিং দ্বারা রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে হাজারো মানুষের দূর্দশার ইতি টানলেন মেয়র সাদিক। মশা নিধন, খাল পুনঃখনন ও পরিষ্কার কার্যক্রম, করোনা মোকাবিলায় রাস্তায় জীবানুনাশক স্প্রে সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বরিশালবাসীর হৃদয়ের মনিকোঠায় বসেছেন মেয়র সাদিক।

    আগামীর বরিশাল গড়ার প্রত্যয়ে উন্নয়নের চাকা চলমান থাকুক এই প্রত্যাশায় নগরীর সুশীল সমাজ।

  • বরিশাল মেরিন একাডেমি’র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশাল মেরিন একাডেমি’র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার ‘নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান’ উদ্বোধন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের সাথে সংযুক্ত হয়ে ভার্চুয়ালি এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন।

    অবকাঠামো ও জলযানের মধ্যে রয়েছে-বিআইডব্লিউটিএ’র ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ ‘টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই)’, বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ ‘পরিদর্শী’,

    নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেজ, বিআইডব্লিউটিসির দু’টি উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ এবং

    ‘এমভি আইভি রহমান’, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৫শ’ পাকা বাড়ি বিতরণ এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশে তৈরি ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ শতাধিক নৌযান একসাথে উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

    ‘নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান’ নদীর নাব্যতা রক্ষা, নৌ-পথের উন্নয়ন, উপকূলীয় এলাকার যাত্রী পরিবহন ও দক্ষ নৌকর্মী গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

    জানা গেছে, ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী ২০২৪-‘২৫ সালের মধ্যে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননে কাজ করছে সরকার।

    এ লক্ষ্যে ২০টি ড্রেজার এবং ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান প্রস্তুত করা হয়েছে। নৌপথ খনন ও নাব্যতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়।

    বর্তমানে ২০টি ড্রেজার বিআইডব্লিউটিএ’র বহরে যুক্ত হয়ে মোট ৪৫টি ড্রেজারের শক্তিশালী ইউনিট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও সরকারের বর্তমান মেয়াদে ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে।

    বিআইডব্লিউটিসি’র উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ও সি-ট্রাক বহরকে দক্ষ ও যুগোপযোগী করতে নব-নির্মিত অত্যাধুনিক যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ এবং ‘এমভি আইভি রহমান’ নির্মাণ করা হয়েছে।

    জাহাজ দুইটি কুমিরা-গুপ্তছড়া এবং চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ-হাতিয়া-বরিশাল রুটে চলাচল করবে। এ জাহাজ দুইটির মাধ্যমে বছরে ৬ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী স্বাগত বক্তৃতা করেন।

    অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কর্মকান্ডের ওপর একটি ভিডিও চিত্র পরিবেশিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন বাড়ির চাবি ও দলিল হস্তান্তর করেন।

    এদিন ৫শ’টি বাড়ি হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। যদিও অনুষ্ঠানে ৩৫টি পরিবারের নিকট চাবি ও দলিল হস্তান্তর করা হয়। এই প্রকল্পে মোট ৩৪২৩টি পরিবারকে পুণর্বাসিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • আজ সেই ৫ই মে: হেফাজতের তাণ্ডবের ৮ বছর

    আজ সেই ৫ই মে: হেফাজতের তাণ্ডবের ৮ বছর

    রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে ব্যাপক সহিংসতা ও তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। ‘নাস্তিক ব্লগারদের’ বিচারের দাবির নামে হেফাজতের ওই আন্দোলনের লক্ষ্যই ছিলো সরকার পতন ঘটিয়ে দেশে তালেবানি সরকার গঠন করা।

    আর এ ঘটনায় দায়ের মামলাগুলোতে বিএনপি-জামায়াতের সম্পৃক্ততার দালিলিক প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।

    আট বছর আগে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ওই ভয়াবহ তাণ্ডবের ঘটনায় করা মামলাগুলোর তদন্ত প্রায় শেষ। ৭০টি মামলার মধ্যে ১৬টির অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাকীগুলোরও অভিযোগপত্র দেয়া হবে শিগগিরই।

    ২০১৩ সালের এ দিনে শাপলা চত্বরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য অবস্থানের কথা বলে হেফাজতে ইসলাম শেষ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে ওই এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

    সেদিন ভোর থেকেই রাজধানীর প্রবেশপথগুলোর দখল নেয় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। গাবতলী বাস টার্মিনাল, টঙ্গী, কাঁচপুর ব্রিজসহ রাজধানীকে ঘিরে ছয়টি প্রবেশমুখেই অবস্থান নেয় কওমি মাদরাসার হাজার হাজার ছাত্র, শিক্ষক ও ক্যাডাররা।

    এতে সারাদেশে ব্যাপক অস্বস্তি নেমে আসে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকের বুথে আগুন দেয়া, লুটপাট ও সড়কের মাঝের শত শত গাছ উপড়ে ফেলা হয়। ফুটপাতের শত শত বইয়ের দোকানও পুড়িয়ে দেয়া হয়।

    পুলিশের সঙ্গে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কয়েক হাজার হেফাজতকর্মীর এ সমাবেশে নেতারা উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি করে। দেশের বিভিন্ন স্থানেও শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান কর্মসূচির অবসান ঘটে।

    সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর ঘিরে সারাদেশে হেফাজতের ফের তাণ্ডবের পর নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নতুন মামলার সঙ্গে ‘শাপলা চত্বরের’ মামলাগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    এসব পুরনো মামলায় সম্প্রতি হেফাজতের অনেক রথী-মহারথীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বেরিয়ে আসছে সরকার পতনের চেষ্টাসহ অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    সেদিন হেফাজত মসজিদকে আশ্রয় করে বোমা হামলা ও সহিংসতা চালায় বলেও অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের। ২০১৩ সালের মামলায় হেফাজত নেতা জুনায়েদ বাবুনগরীর দেয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিকে গুরুত্বে নিয়ে তদন্ত এগুচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এ প্রসঙ্গে পল্টন থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিকি বলেন, ২০১৩ সালের পুরনো মামলার আসামিদের নতুন সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের পুরনো মামলায়ও গ্রেফতার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    ওই ঘটনায় রাজধানীর ৫৩টি মামলার মধ্যে রমনা থানায় ৩টি, শাহবাগ থানায় ৪টি, কলাবাগান থানায় ২টি, শেরেবাংলা নগর থানায় ১টি, মতিঝিল থানায় ৬টি, পল্টন থানায় ৩৩টি, রামপুরা থানায় ১টি ও যাত্রাবাড়ী থানায় ৩টি মামলা হয়।

    এতে হেফাজতের অর্ধশতাধিক কেন্দ্রীয় নেতাসহ কয়েক হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এগুলোর মধ্যে রমনার ১টি, শাহবাগের ১টি ও কলাবাগান থানার ২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।

  • উদ্যোগ’র প্রচেষ্টায় একাত্মতা, দুই শতাধিক ছিন্নমূলকে রাতের খাবার দিলেন সাংসদ পংকজ নাথ

    উদ্যোগ’র প্রচেষ্টায় একাত্মতা, দুই শতাধিক ছিন্নমূলকে রাতের খাবার দিলেন সাংসদ পংকজ নাথ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বরিশালে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের স্বেচ্ছাসেবী প্লাটফর্ম উদ্যোগের সাথে একাত্মতা জানিয়ে দুই শতাধিক ছিন্নমূলকে রাতের খাবার দিলেন বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পংকজ নাথ। মঙ্গলবার (৪মে) রাতে বরিশাল নদী বন্দরে তাঁর অর্থায়নে খাবার দেওয়া হয়।
    উদ্যোগের সমন্বয়ক শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এসএম জাকির হোসেন জানান, এটি অত্যান্ত আনন্দের সংবাদ উদ্যোগ’র সাথে সংসদ সদস্য পংকজ নাথ অর্থ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। তিনি সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাড়ান। তিনি উদ্যোগের মাধ্যমে ছিন্নমূল মানুষদের খাবার দিয়ে আমাদের কাজের উৎসাহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। মাননীয় সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, তিনি সব সময় গণমাধ্যমকর্মীদের কাজের সাথে থাকবেন।
    মঙ্গলবার চর্তুদশতম দিনে খাবার বিতরণ করা হয়। চলতি বছরে খাবার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনেরমেয়রসেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। খাবার বিতরণে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দারসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সমাজসেবক, সাংবাদিক নেতা, ব্যবসায়ী। এর আগে ২০২০ সালে ২৬ মার্চ সর্ব প্রথম রান্না করা খাবার বিতরণ শুরু করে উদ্যোগ। ওই বছর টানা ৭৮ দিন দুপুর, রাত এবং সেহরী মিলিয়ে প্রতিদিন চারশ’ মানুষকে খাবার বিতরণ করেছে উদ্যোগ।

  • বংশা‌লে রিকশাওয়া‌লা‌কে নির্যাতনকারী ব্য‌ক্তি‌কে আটক কর‌লো পু‌লিশ

    বংশা‌লে রিকশাওয়া‌লা‌কে নির্যাতনকারী ব্য‌ক্তি‌কে আটক কর‌লো পু‌লিশ

    √[বাংলাদেশ পুলিশের মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স উইং’কে পাঠা‌নো মেসেজের ভিত্তিতে ‌ব্যবস্থা।]

    একজন সংবাদকর্মী বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি ভিডিও লিংক পাঠান। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, আজ বেলা আনুমানিক ১.৩০ টায় রাজধানীর বংশালে স্থানীয় এক ব্য‌ক্তি এক রিকশাওয়ালাকে সজোড়ে থাপ্পড় মারছেন। তার নির্যাতনের এক পর্যায়ে রিকশাওয়ালা মাটিতে পড়ে যান এবং জ্ঞান হারান। পাশ থেকে লোকজন এগিয়ে আসেন।

    ভিডিওটি দেখামাত্র মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং ওসি বংশাল মো. শাহীন ফকির বিপিএম’কে নির্দেশনা দেন নিপীড়নকারী লোকটিকে খুঁজে বের করে দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনতে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে, ওসি বংশালের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে আইনের আওতায় আনে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অভিযুক্ত লোকটির নাম সুলতান আহমেদ। তিনি সেই এলাকায় স্থানীয় বাড়িওয়ালা এবং প্রভাবশালী। তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

     

  • বরিশালে নিহতদের বাড়িতে শোকের মাতম ॥ দাফন সম্পন্ন

    বরিশালে নিহতদের বাড়িতে শোকের মাতম ॥ দাফন সম্পন্ন

    মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ঘাট সংলগ্ন এলাকায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে চারজনের বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। এরমধ্যে তিনজনের বাড়ি একই গ্রামে। নিহতদের মরদেহ মঙ্গলবার সকালে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকার আকাশ বাতাস ভাড়ি হয়ে ওঠে।

    মেহেন্দিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনির হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে নিহতদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছার পর জানাজা শেষে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এর আগে সোমবার পথে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় তাদের ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি হয়েছিলো। পরবর্তীতে সোমবার সন্ধ্যায় মরদেহগুলো স্বজনরা বুঝে পেয়েছেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্সযোগে সড়কপথে মরদেহগুলো নিয়ে মেহেন্দিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছার পর সকাল নয়টার দিকে উলানিয়া ইউনিয়নের পূর্বষাট্টি গ্রামের তিন বাসিন্দার জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। আর পাতারহাটের ব্যবসায়ীর সকাল ১০ টায় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

    ইউপি সদস্য আরও জানান, দুর্ঘটনায় তার আপন চাচাতো ভাই ও মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার খরকী এলাকার আব্দুল মান্নান চাপরাশির পুত্র এবং পাতারহাট বন্দরের মুদি ব্যবসায়ী মনির চাপরাশি (৩৫) নিহত হয়েছেন। সে আসন্ন ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ঢাকায় মালামাল আনতে গিয়েছিলেন। মালামাল জাহাজে তুলে দিয়ে নিজে সড়ক পথে ফিরছিলেন। দোকানের জন্য কেনা ঈদের মালামাল এখনো বন্দরে পৌঁছেনি কিন্তু তার আগে পথিমধ্যে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় চির বিদায় নিতে হয়েছে মনিরকে। পরিবারের একমাত্র ছেলে মনিরের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

    অপরদিকে এ দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করা বাকি তিনজন হলেন, মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া ইউনিয়নের পূর্বষাট্টি গ্রামের বাসিন্দা সাদেক বেপারীর পুত্র ও উলানিয়া বাজারের আহাদ ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী দুই ভাই রিয়াজ হোসেন (৩৩) এবং সাইফুল ইসলাম (৩৫)। এছাড়া একই ইউনিয়নের আশা গ্রামের বাসিন্দা রতন হাওলাদারের পুত্র উলানিয়া বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম (২৭)।

    নিহত রিয়াজ ও সাইফুলের বড় ভাই আজাদ হোসেন জানান, তার দুই ভাই দোকানের মালামাল কেনার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলো। ফেরার সময় পদ্মা পাড়ি দিতে তারা প্রথমে গাছবাহী একটি ট্রলারে ওঠেছিলো। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নামিয়ে দেওয়ার পর তারা স্পিডবোটে উঠে দুর্ঘটনায় দু’জনই প্রাণ হারায়। সোমবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবরে তার ভাইদের নাম প্রথমে জানতে পারেন। পরে শিবচর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ফোনে দুর্ঘটনার খবরটি নিশ্চিত করা হয়। তিনি জানান, নিহত সাইফুল মাত্র তিন মাস আগে বিয়ে করেন, আর রিয়াজের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

    অপরদিকে অপর নিহত উলানিয়া বাজারের বোরকার দোকানের ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলামও একই দুর্ঘটনায় নিহত আজাদের ভাইদের সাথে ঢাকায় গিয়েছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচরের দূর্ঘনায় চারজনের এ মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো মেহেন্দিগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। মেহেন্দীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আবুল কালাম জানান, শিবচরের দুর্ঘটনায় মেহেন্দিগঞ্জের চারজন নিহত হয়েছেন, যাদের মরদেহ মঙ্গলবার সকালে স্ব-স্ব এলাকায় দাফন করা হয়েছে।

    এছাড়া একই দুর্ঘটনায় বিভাগের মধ্যে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। যারমধ্যে বরিশালের বন্দর থানার ভেদুরিয়া এলাকার আলী আহমেদের পুত্র আনোয়ার চৌকিদার (৫০), বানারীপাড়া উপজেলার হাশেম বেপারীর পুত্র আলাউদ্দিন বেপারী (৪৫), ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রাজাবাড়িয়া এলাকার মৃত আব্দুল কুদ্দুস শিকদারের পুত্র নাসির উদ্দিন (৪৫), পিরোজপুর সদর উপজেলার চরখানা এলাকার ওহিদুরের পুত্র বাপ্পী (২৮) এবং ভান্ডারিয়া উপজেলার পসারিয়াবুনিয়া এলাকার রঞ্জন অধিকারীর পুত্র জনি অধিকারী (২৬)।

  • বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বরিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের বিবৃতি

    বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বরিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের বিবৃতি

    সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ একটি দিন আজ। জাতিসংঘ ঘোষিত ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’, বাংলায় ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’। ১৯৯১ সালে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার (ইউনেসকো) ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় একটি দিবস পালনের সুপারিশ করা হয়।

    দুই বছর বাদে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় আজকের দিন, অর্থাৎ ৩ মে তারিখটিকে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকরা এ দিবসটি পালন করে আসছেন।

    দিনটি উপলক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন বরিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি খান রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক রিপন হাওলাদার।

    বরিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মজিবর রহমান নাহিদ স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে সংগঠনের সকল সদস্যগণ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহণ করেন।

    পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।