Category: প্রচ্ছদ

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বরিশালে ১১৫ জনকে আর্থিক সহায়তা

    বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বরিশালে ১১৫ জনকে আর্থিক সহায়তা

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে বরিশালে ১১৫ জন অসহায়কে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে বরিশাল সিটি করপোরেশনের আয়োজনে আর্থিক সহায়তার চেক অসহায়-দুস্থদের হাতে তুলে দেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মো. ফারুক।

    সিটি করপোরেশনের হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ১১৫ জনকে মোট ২৬ লাখ টাকার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তার জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছে, এছাড়া শিক্ষা খাত ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্যও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

    চেক বিতরণ শেষে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামের দেয়ালে চিত্রাঙ্কন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এসময় তার সহধর্মিণী লিপি আব্দুল্লাহ ও ছোট ছেলেসহ কাউন্সিলরবৃন্দ এবং আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বরিশাল চারুকলায় আয়োজিত এ চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে শিশু থেকে কিশোর বয়সী ছেলে-মেয়েরা অংশ নেয়।

    চিত্রাঙ্কন কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করে মেয়র বলেন, বাংলার স্বাধীনতার ইতিহাস যেন আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারি সেজন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

    আমরা বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের কথা মুখে মুখে না বলে যেন বুকে ধারণ করি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছে। বেঁচে থাকেলে যে সোনার বাংলা আমরাও দেখে যাব, আর না পারলে আগামীর প্রজন্ম সেই সোনার বাংলা পাবে।
    তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামটি এখনো আমরা বুঝে পাইনি, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এ অডিটোরিয়ামটির নীচতলার দেয়ালে চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে স্মরণীয় করা হলো। আমার আমলে তো শিশু-কিশোরদের হাতে আঁকা চিত্রগুলো দেয়ালে সঠিকভাবে রাখার ব্যবস্থা তো করা হবেই, প্রয়োজনে আইন করে চিত্রগুলোকে স্থায়ীভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে আজকের শিশুরা বড় হয়ে এখানে এসে আজকের দিনের সেই স্মৃতিচারণ করতে পারে।

    দেয়ালে চিত্রাঙ্কন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী শিশ-কিশোররা জানান, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামের দেয়ালে চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে তারা সেই ৬ দফা থেকে দেশ স্বাধীনের ইতিহাস পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন, গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলামসহ কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • বরিশালে “বঙ্গবন্ধুর সাইকেল যাত্রা” অনুষ্ঠিত

    বরিশালে “বঙ্গবন্ধুর সাইকেল যাত্রা” অনুষ্ঠিত

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর সাইকেল যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    আজ বুধবার (১৭ মার্চ) বিকেল ৪ টায় বরিশাল নগরের জিলা স্কুল মোড় থেকে এ সাইকেল যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

     

    উদ্বোধন শেষে মেয়র নিজে শিশু-কিশোর-বৃদ্ধসহ সকল বয়সী মানুষদের সাথে সহস্রাধিক বাইসাইকেল নিয়ে বর্ণাঢ্য সাইকেল যাত্রা বা র‌্যালিটি বের করেন। কয়েক কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এ যাত্রোচরদ বিভিন্ন বয়সের ও শ্রেনী পেশার মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী লোগো সংবলিত সাদা টি শার্ট পরে বাইসাইকেল নিয়ে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করতে দেখা গেছে।

     

    সাইকেল যাত্রা নগরের পুলিশ লাইন রোড, বাংলাবাজার রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি রোড, সিএন্ডবি রোড, চৌমথা, নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড, বিএম কলেজ রোড, নতুনবাজার, হাসপাতাল রোড, জেলখানার মোড়, সদর রোড হয়ে পুনরায় জিলা স্কুল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

     

    এদিকে সড়কের দুইপাশে দাড়িয়ে থেকে সাধারণ মানুষ মেয়রের নেতৃত্বে এ সাইকেল যাত্রাকে স্বাগত জানান।

     

    উল্লেখ্য ৩০ মার্চ বিকেল ৪ টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী লোগোর সর্ববৃহৎ মানব প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু উদ্যানো। মেয়র জানিয়েছেন এটি হবে ১ লাখ ৬০ হাজার স্কয়ারফিটের এ যাবৎকালের সবথেকে বড় মানব প্রদর্শনী।

  • বরিশালে ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে কেক কাটলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে কেক কাটলেন মেয়র সাদিক

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম দিন।

    মুজিব শতবর্ষ ও জাতীয় শিশু দিবসে প্রথম প্রহরে বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেতা কর্মি ও পথশিশুদের সাথে নিয়ে কেক কেটে মুজিব শতবর্ষ উদযাপন করলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এসময় তিনি ছিন্নমুল শিশুদের কথা শুনলেন দীর্ঘ সময় ধরে।

    এসময় সিটি মেয়র বললেন জাতীর জনকের ইতিহাস। আজ ১৭ মার্চ রাত ১২ টা এক মিনিটে তিনি কেক কাটেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুস ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।

  • সেদিন জন্ম হয়েছিল একটি মুজিবের

    সেদিন জন্ম হয়েছিল একটি মুজিবের

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    দিনটি ছিল ১৭ই মার্চ ১৯২০। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন একটি শিশু।তখনও বাংলাদেশ নামক দেশটি ছিল পরাধীন। সেদিন কে ভেবেছিলো একদিন এই শিশু হবে একটি স্বাধীন মানচিত্রের কর্নধর। কে ভেবেছিলো একদিন এই শিশুর হাত ধরে আসবে বাংলার স্বাধীনতা। কে ভেবেছিলো একদিন এই শিশুর তর্জনীর ইশারায় ৭ কোটি স্বাধীনতা পিপাসু বাঙালি ছিনিয়ে আনবে স্বাধীনতা। সেই শিশুটি একদিন পরিনত হবে একজন শেখ মুজিবুর রহমানে।

    ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুল ও কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়াশনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করেন। ১৮ বছর বয়সে বেগম ফজিলাতুন্নেসার সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তাদের ২ মেয়ে – শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং তিন ছেলে- শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। অল্পবয়স থেকেই তাঁর রাজনৈতিক প্রতিভার প্রকাশ ঘটতে থাকে। ১৯৪০ সালে তিনি নিখিল ভারত মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। কট্টরপন্থী এই সংগঠন ছেড়ে ১৯৪৩ সালে যোগ দেন উদারপন্থী ও প্রগতিশীল সংগঠন বেঙ্গল মুসলিম লীগে। এখানেই সান্নিধ্যে আসেন হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সময়ে রক্ষণশীল কট্টরপন্থী নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনের কর্তৃত্ব খর্ব করতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ। ভাষা আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিব। ১৯৪৮ সালে ভাষার প্রশ্নে তাঁর নেতৃত্বেই প্রথম প্রতিবাদ এবং ছাত্র ধর্মঘট শুরু হয় যা চূড়ান্ত রূপ নেয় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে। পঞ্চাশের দশক তাঁর রাজনৈতিক উত্থানের কাল। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন দূরদর্শীতা এবং প্রজ্ঞাসম্পন্ন এক কুশলী রাজনৈতিক নেতা। এসময় শেখ মুজিব মুসলিম লীগ ছেড়ে দেন এবং হোসেন সোহরাওয়ার্দী এবং মাওলানা ভাসানীর সাথে মিলে গঠন করেন আওয়ামী মুসলিম লীগ। তিনি দলের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষি মন্ত্রী হন মুজিব। ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান তিনি।
    ১৯৬৩ সালে হোসেন সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিব। তিনি ছিলেন আইয়ুব খানের ‌মৌলিক গণতন্ত্র তত্ত্বের কট্টর সমালোচক। ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এই ছয় দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা।
    মুজিবের ৬ দফার প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার শেখ মুজিবকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বাংলার সমস্ত জনগণ। জনরোষের কাছে নতি স্বীকার করে এক পর্যায়ে তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় শোষকগোষ্ঠী। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শেখ মুজিবুর রহমানকে গণসম্বর্ধনা দেওয়া হয়৷সেখানেই উত্থাপিত হয় এগার দফা দাবি যার মধ্যে ছয় দফার সবগুলোই দফাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। লাখো মানুষের এই জমায়েতে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়৷১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আয়োজিত এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, “একসময় এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। … একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোন কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। … জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি- আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র বাংলাদেশ”।১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আওয়ামী লীগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩১০টি আসনের মধ্যে ৩০৫টি আসন লাভ করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মুজিবের স্বায়ত্বশাসনের নীতির পুরোপুরি বিপক্ষে ছিলো। আওয়ামী লীগের সরকার গঠন ঠেকাতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সংসদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। শেখ মুজিব তখনই বুঝে যান যে, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে লড়াইয়ের কোনো বিকল্প নেই। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। রেসকোর্সের জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”। ঐতিহাসিক এ ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে শৃংখল মুক্তির আহ্বান জানিয়ে ঘোষণা করেন, “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্। … প্রত্যেকে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো। যার যা কিছু আছে তাই নিয়েই শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে”।
    বঙ্গবন্ধুর ডাকে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা বাংলা। মুজিবের নেতৃত্বে বাঙ্গালি জাতির এই জাগরণে ভীত ইয়াহিয়া খান সামরিক আইন জারি করেন, নিষিদ্ধ করেন আওয়ামী লীগকে এবং শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এরপর আসে ২৫ মার্চ, ১৯৭১। রাতের অন্ধকারে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর শকুনের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনারা; শুরু করে অপারেশন সার্চলাইট নামে ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড।অশীতিপর বৃদ্ধ থেকে কোলের শিশু- কেউ রক্ষা পায়না পাক হায়েনাদের নারকীয়তা থেকে। মুজিবকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে। অবশ্য তার আগেই, পাক বাহিনীর অভিযান শুরু হলে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং জনগণকে সর্বাত্মক আন্দোলনে সামিল হতে আহ্বান জানান।

     

    ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এ সরকারের অধীনেই গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী এবং শুরু হয় পাক সেনাদের প্রতিহত করার পালা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর, ৩০ লক্ষ বাঙ্গালীর প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে আসে বিজয়। ১৬ ডিসেম্বর সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান যেখান থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, সেখানেই বাংলাদেশ-ভারত মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামের নতুন একটি দেশ। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন তাঁর প্রিয় মাতৃভূমিতে, তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন দেশে। স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতির জনককে বরণ করতে লাখো মানুষের ঢল নামে বিমানবন্দরে। দেশে ফিরেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু । মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন জানান বঙ্গবন্ধু এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাহায্য আসতে শুরু করে। শুরু হয় বাংলাদেশ পুনর্গঠনের এক নতুন যুদ্ধ। এরই মধ্যে সক্রিয় হয়ে ওঠে স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে রাজনৈতিক অস্থিতশীলতা সৃষ্টি করতে উঠেপড়ে লাগে এই চক্রটি। এসময় বঙ্গবন্ধু বুঝতে পারেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১৯৭৪ সালে তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে এক ছাতার নীচে আনতে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা ‘বাকশাল’। একই সাথে অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ্য, প্রথম যে দলটি নিষিদ্ধ করা হয় তার নাম বাংলাদেষ আওয়াশী লীগ, শেখ মুজিবের নিজের দল।
    এর ফলে দেশে স্থিতিশীলতা আসতে শুরু করে। সমস্ত দেশ যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, ঠিখ তখনই আসে আরেকটি আঘাত।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা হত্যা করে শেখ মুজিব এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের।নেমে আসলো বাংলার রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায়। কেবল তাঁর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সেই সময় দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান। সদ্য স্বাধীন জাতির জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি নিয়ে আসে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড, তৈরি করে রাজনৈতিক শূণ্যতা, ব্যাহত হয় গণতান্ত্রিক উন্নয়নের ধারা।

    এই মহান ব্যাক্তির জন্মশতবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।

    তানজিম হোসাইন রাকিব 

    01742165941

  • বরিশালে সাইকেল র‍্যালীর মাধ্যমে উৎযাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী

    বরিশালে সাইকেল র‍্যালীর মাধ্যমে উৎযাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী

    ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাইকেলে করে নির্বাচনী প্রচারনা করেছিলেন। সে জন্য আগামীকাল ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীর রাজপথে এক বিশাল দৃষ্টিনন্দন বর্ণাঢ্য সাইকেল যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

    বিকেল ৩ টায় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ,জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব , সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালীর আয়োজন করা হয়েছে।
    যেখানে তিনি নিজেই সাইকেল চালিয়ে সাইকেল রেলির নেতৃত্ব দিবেন। র‍্যালীটি জিলা স্কুল/শিশুপার্ক থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। বরিশালের সকল কিশোর তরুন ও যুব সমাজ নাগরিককে এই সাইকেল রেলীতে অংশগ্রহন করার জন্য সাদরে নিমন্ত্রণ করা হয়।

  • শহীদ জননী শাহান আরা বেগম এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত

    শহীদ জননী শাহান আরা বেগম এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত

    মাননীয় মন্ত্রী,বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর সহধর্মিণী ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মাতা  বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জননী সাহান আরা বেগম এর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    এ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত কায়েদ সাহেব হুজুর (রহ.) এর ছেলে মাওলানা মো: খলীলুর রহমান নেছারাবাদী।

  • বরিশালে মশা নিধনে মাঠে নেমেছে বিসিসি

    বরিশালে মশা নিধনে মাঠে নেমেছে বিসিসি

    বরিশাল নগরীতে মশার উৎপাত বেড়েছে । মশার যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ নগরবাসীকে স্বস্তিতে রাখতে মাঠে নেমেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ।

    আজ বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থানে মশা নিধনে কাজ করতে দেখা গেছে শুধু সিটি কর্পোরেশনেরই স্টাফরাই নয় মেয়র নিজেই ফগার হাতে নিয়ে মশা নিধন করতে দেখা গেছে।

    বরিশাল নগরীতে মেয়রকে ফগার হাতে নিয়ে মশা মারার উদ্ধোধন দেখে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছে।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে মশার উৎপাৎ থামতে নানা মূখি পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। চলতি মাসের মধ্যেই অনেকটা কাজ হবে বলে জানা গেছে।

  • নগরীতে সেই চোরা জলিলের নেতৃত্বে এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাই, মামলা

    নগরীতে সেই চোরা জলিলের নেতৃত্বে এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাই, মামলা

    বরিশাল নগরীতে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে দিবালোকে একটি এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বরিশাল ‘ল’ কলেজের সামনে ফিল্মিস্টাইলে এ ঘটনা ঘটে। যে ঘটনায় গতকাল ১০ মার্চ বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসিকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আসামীরা হলো যথাক্রমে, বেতাগী থানার গাবতলীর বাসিন্দা মোঃ ইউনুস মিয়ার পূত্র স্বাধীন ওরফে সোহাগ(২৩), শেবাচিম হাসপাতালে পিছনের বাসিন্দা রাসেল ওরফে জামাই রাসেল(৩৫), নগরীর ব্যাপ্টিষ্ট মিশন রোডের বাসিন্দা মৃত মইন উদ্দিন আকনের পূত্র আঃ জলিল আকন ওরফে চোরা জলিল(৩৮), বামনা থানার কালিকাবাড়ী গ্রামের শামসুল হকের পূত্র কামাল (৪০), সাইফুল(৩২), রুবেল (২৩)সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন। মামলাটি দায়ের করেন ছিনতাই হওয়া এ্যাম্বুলেনসটির চালক মোঃ মিঠু জম্মাদার (২৫)। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামীরা অত্যন্ত অসৎ, সন্ত্রাসী, দাঙ্গা হাঙ্গামাকারী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, দস্যুতাকারী, পরসম্পদলোভী ও পরবৃত্ত লোভী প্রকৃতির লোক। মামলার বাদী মোঃ মিঠু জম্মাদার একজন পেশাদার ড্রাইভার। তার ভাই আসাদ জম্মাদারের মালিকানাধীন এ্যাম্বুলেন্স মাইক্রোবাস টয়োটা জাপান, যার নম্বর ঢাকা মেট্রো চ-১৯-০০৫২ গাড়িতে গত ৪ মার্চ সকালে অজ্ঞাত ব্যাক্তির ০১৪০৮-৭৫২১৯৭ নম্বরের মুঠোফোন থেকে ড্রাইভার মোঃ মিঠু জম্মাদারের ব্যবহৃত ০১৭৮১-২০..৯৬ নম্বরে কল করে বরিশালে রোগী নিয়া যাবার কথা বলে নলছিটির কুমারখালী বাজারে যাইতে বলে। বাদী তাদের দেয়া ঠিকানায় দুপুর ১২টার দিকে পৌছালে অজ্ঞাতনামা ২জন ব্যাক্তি বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে যাইবে বলিয়া এ্যাম্বুলেন্সে ওঠে। মামলার বাদী তাদের নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের সামনে আসলে নগরীর ব্যাপ্টিষ্ট মিশন রোডের বাসিন্দা মৃত মইন উদ্দিন আকনের পূত্র আঃ জলিল আকন ওরফে চোরা জলিল(৩৮), বামনা থানার কালিকাবাড়ী গ্রামের শামসুল হকের পূত্র কামাল (৪০) এ্যাম্বুলেন্সে উঠে বলে সদর হাসপাতালের সামনে যাইতে হবে। বাদী তাদের নিয়ে বরিশাল সদর হাসপাতালের সামনে গেলে সাইফুল ও রুবেল গাড়ীতে উঠে বরিশাল ‘ল’ কলেজের সামনে নিয়া যায়। সেখানে নিয়ে স্বাধীন ওরফে সোহাগ(২৩), রাসেল ওরফে জামাই রাসেল(৩৫) এর নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩জন ব্যাক্তি আকষ্মিকভাবে গাড়ীর সামনে এসে দাড়ায় এবং গাড়ীতে থাকা অন্যান্য আসামীদের সহযোগীতায় মামলার বাদী মোঃ মিঠু জমাদ্দারকে কিল, ঘুষি, চর-থাপ্পর মারতে থাকে। এসময় বাদী আসামীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে স্বাধীন ওরফে সোহাগ, রাসেল ওরফে জামাই রাসেল ও জলিল আকন ওরফে চোরা জলিল তাদের কোমরে থাকা ধারালো চাকু বের করে মিঠুর ঘাড়ে ও পেটে ঠেকিয়ে বলে যে, (প্রকাশের অযোগ্য) তোর জীবন এখানেই শেষ করে দেব। কোন চিৎকার চেচামেচি করবিনা। এসময় প্রানভয়ে মামলার বাদী এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার মোঃ মিঠু জমাদ্দার নিশ্চুপ হয়ে গেলে ২নং আসামী শেবাচিম হাসপাতালে পিছনের বাসিন্দা রাসেল ওরফে জামাই রাসেল মিঠুর হাত থেকে গাড়ীর চাবি ছিনিয়ে নিয়ে ড্রাইভিং সিটে বসে অন্যান্য সকল আসামীদের সাথে নিয়ে দ্রুত গাড়ী চালিয়ে সটকে পরে। পরোবর্তিতে মিঠুর ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।

  • সারাদেশের ন্যায় বরিশালে একযোগে সম্প্রচারিত হল বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষন

    সারাদেশের ন্যায় বরিশালে একযোগে সম্প্রচারিত হল বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষন

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    সারাদেশের ন্যায় বরিশালে একযোগে সম্প্রচারিত হল বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষন। বরিশালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ ভাষন সম্প্রচারিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সভাপতি এড. এ.কে.এম জাহাঙ্গীর,মহানগর আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বরিশাল মহানগর আওয়ামিলীগ এর সহ-সভাপতি ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্যানেল মেয়র নাইমুল গাজী লিটু,  বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্যানেল মেয়র এড. রফিকুল ইসলাম খোকন, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর কার্যকরী কমিটির সদস্য শেখ আরাফাত জামান বাবু, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইদ মান্না সহ আওয়ামীলীগ ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বিসিসি মেয়রের ফুলের শুভেচ্ছা

    বরিশালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বিসিসি মেয়রের ফুলের শুভেচ্ছা

    বিভাগীয় শহর বরিশালে যথাযোগ্য মর্যদায় ঐতিহাসিক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বর্জে কন্ঠের ৭ই মার্চ ভাষন দিবস উপলক্ষে সিটি কর্পোরেশন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সকল অঙ্গগঠন,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বরিশাল রেঞ্জ পুলিশ, বরিশাল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

     

    আজ রোববার (৭ই) মার্চ সকাল নয়টায় নগরীর শহীদ সোহেল চত্বর জেলা ও মহানগর দলীয় কার্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের অস্থায়ী ম্যুরালে পূস্পার্ঘ অর্পণ করে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হক লিটু, প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন, প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদা লুনা সহ কাউন্সিল ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ।

     

    এর পরপরই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. একে এম জাহাঙ্গীর হোসাইন, সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সহ দলীয় নেতৃবৃন্দরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

     

    এসময় আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক (সাবেক) সংসদ এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুসের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

     

    পরবর্তীতে বরিশাল জেলা ও মহানগর কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছা সেবক লীগ,মহিলা লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সহ বিভিন্ন দলীয় অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে একে এক সৃশৃঙ্খল ভাবে জতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

     

    অপর দিকে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বিভাগীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

     

    এছাড়া এখানে বরিশাল রিপোর্টর্স ইউনিটিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    ৭ই মার্চ উপলক্ষে বিকালে বিসিসি ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে নগরীর ছয়টি এলইডি স্ত্রিনের মাধ্যমে ও নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডে বঙ্গবন্ধু ভাষন প্রচারিত হবে।

     

    এর উদ্ধোধন করবেন বিসিসি মেয়র। অন্যদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র‌্যাবের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।