Category: বিনোদন

  • শুটিংয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যয়

    শুটিংয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যয়

    টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যয় মারা গেছেন। বুধবার (২৩ মার্চ) দিনগত রাত ১টা ১০ মিনিটে কলকাতার প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।

    টলিউডের আরেক অভিনেতা ভরত কৌলের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    তিনি জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যায় একটি রিয়েলিটি শো-তে অংশ নেন অভিষেক চট্টোপাধ্যয়। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে জানা যায়, এ অভিনেতা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর কিছুটা ভালো বোধ করায় বাড়িতেই ছিলেন তিনি। তবে গভীর রাতে সবাইকে কাঁদিয়ে ওপারে পাড়ি জমান অভিষেক।

    এদিকে, এ অভিনেতার মৃত্যুর খবরে টলিপাড়ায় শোকের ছায়া নেমেছে।

    নব্বইয়ের দশকে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা ছিলেন অভিষেক। এক সময় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পালদের সঙ্গে একসারিতে নাম উঠে আসতো তার।

    উৎপল দত্ত, সন্ধ্যা রায়ের মতো প্রতিভাশালী অভিনেতাদের সঙ্গে পর্দায় দেখা গেছে অভিষেক চট্টোপাধ্যয়কে। কাজ করেছেন শতাব্দী রায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের মতো সমসাময়িক প্রথম সারির অভিনেত্রীদের সঙ্গেও।

    ১৯৬৪ সালের ৩০ এপ্রিল জন্ম অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের। ১৯৮৬ সালে তরুণ মজুমদারের ছবি ‘পথভোলা’ দিয়ে সিনেমায় যাত্রা শুরু। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো- ‘দহন’, ‘বাড়িওয়ালি’, ‘মধুর মিলন’, ‘মায়ের আঁচল’, ‘আলো’, ‘নীলাচলে কিরীটি’। শুধু বড় পর্দা নয়, ছোট পর্দাতেও তিনি সমানভাবে সাবলীল অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন।

    তবে মাঝে দীর্ঘদিন টলিউডে অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আক্ষেপও করেছিলেন এ অভিনেতা। অভিযোগ তোলেন- টলিউডে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক জানান, রাজনীতির কারণে একের পর এক ছবি থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল তাকে। সেই সময় যাত্রাপালা ও মঞ্চনাটক করে সংসার চালাতে হয়েছে।

    তবে গত কয়েক বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় অভিষেকের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছিল। ‘ইচ্ছেনদী’, ‘পিতা’, ‘অপুর সংসার’, ‘অন্দরমহল’, ‘কুসুম দোলা’, ‘ফাগুন বউ’, ‘খড়কুটো’-এর মতো সিরিয়ালে অভিনয় করে দর্শকদের মন জিতে নিয়েছেন তিনি।

  • চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: প্রধানমন্ত্রী

    চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: প্রধানমন্ত্রী

    সরকার দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করার অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সিনেমা হল বা সিনেপ্লেক্স স্থাপনের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (২৩ মার্চ) নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০’ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি’র ভাষণে এ কথা বলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিল্পীদের সর্বোচ্চ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার ভার্চুয়ালি প্রদান করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। চলচ্চিত্রশিল্প ছিল অ্যানালগ, যা আমি ডিজিটাল করতে চাই। আমরা এই লক্ষ্যে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। আমি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সিনেমা হল বা সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করতে চাই।’

    তার সরকার পুরনো চলচ্চিত্রকে ডিজিটালাইজ করার পদক্ষেপ নিয়েছে। চলচ্চিত্রশিল্পকে সমাজের প্রতিবিম্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই শিল্প সমাজ সংস্কারে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।

    চলচ্চিত্রশিল্পকে আমাদের উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত মানুষের বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ১ হাজার কোটি টাকার একটা তহবিল গঠন করে রেখেছি। আমি চাই, আমাদের একেবারে জেলা-উপজেলা সব জায়গাতেই এই সিনেমা হল বা সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হোক। সেখানে যেন আধুনিক প্রযুক্তিতে এই চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতে পারে। তাছাড়া আমরা চলচ্চিত্রের জন্য আর্কাইভ এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। পাশাপাশি পুরনো সিনেমাগুলো ডিজিটালাইজড করে সেগুলোকেও আবার নতুনভাবে উপস্থাপন করার পদক্ষেপ নিয়েছি। সে পদক্ষেপও আমরা সীমিতভাবে নিয়েছি। কিন্তু আমি মনে করি, এ ধরনের পদক্ষেপ আরো নেওয়া দরকার।


    সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের যত পুরনো চলচ্চিত্র রয়েছে সেগুলোকে ডিজিটালাইজড করে নতুন আঙ্গিকে নিয়ে আসতে হবে। যেন সেগুলো মানুষের কাছে সহজে উপস্থাপন করা যায়।


    প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সভাপতিত্বেই অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন।

    এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ এর পুরস্কার প্রাপ্ত ২৭টি ক্যাটাগরিতে ৩২ জনের নাম ঘোষণা করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

    সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে যৌথভাবে পুরস্কার জিতেছে ‘গোর (দ্য গ্রেভ)’ ও ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্র। ‘গোর’ (দ্য গ্রেভ) যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন গাজী রাকায়েত ও ফরিদুর রেজা সাগর এবং ‘বিশ্বসুন্দরী’ প্রযোজক ছিলেন অঞ্জন চৌধুরী।

    চলচ্চিত্রশিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য ‘আজীবন সম্মাননা’ লাভ করেছেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম (আনোয়ারা) এবং অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ।

    ‘গোর’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন গাজী রাকায়েত।

    ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সিয়াম আহমেদ সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হন এবং ‘গোর’ চলচ্চিত্রের জন্য দীপান্বিতা মার্টিন ২০২০ সালের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান।

    পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ‘বিশ্বসুন্দরী’ ছবির জন্য ফজলুর রহমান বাবু এবং ‘গন্ডি’ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন অপর্ণা ঘোষ।


    ‘বীর’ ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান মিশা সওদাগর। ‘গন্ডি’ ছবির জন্য সেরা শিশু শিল্পীর পুরস্কার জিতেছেন মুগ্ধতা মোর্শেদ ঋদ্ধি।


    ‘হৃদয় জুড়ে’ ছবিতে ‘বিশ্বাস যদি যায়রে’ গানের জন্য বেলাল খান শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালকের পুরস্কার জিতেছেন এবং ‘বিশ্বসুন্দরী’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন প্রয়াত মো. সাহিদুর রহমান।

    সেরা গায়কের পুরস্কার পেয়েছেন ইমরান মাহমুদুল (‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্র) এবং দিলশাদ নাহার কনা ও সোমনুর মনির কোনাল যৌথভাবে ‘বিশ্বসুন্দরী’ ও ‘বীর’ চলচ্চিত্রে গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গায়কের পুরস্কার পেয়েছেন।

    সৈয়দ আশিক রহমান পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আড়ং’ শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছেন।

    অন্যান্য পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন: কবির বকুল (সেরা গীতিকার), মো. মাহমুদুল হক ইমরান (সেরা সুরকার), গাজী রাকায়েত (গল্প), গাজী রাকায়েত (চিত্রনাট্যকার), ফখরুল আরেফিন খান (সংলাপ), শরিফুল ইসলাম(সম্পাদনা), উত্তম কুমার গুহ (সেরা শিল্প নির্দেশনা), পঙ্কজ পালিত এবং মাহবুব উল্লাহ নিয়াজ (সম্মিলিতভাবে সেরা চিত্র গ্রাহক), মো. শাহাদাত হাসান বাধন (সেরা শিশু শিল্পী বিভাগে বিশেষ পুরস্কার), কাজী সেলিম আহমেদ (সাউন্ড ডিজাইনার), এনামতারা বেগম (পোশাক) এবং মোহাম্মদ আলী বাবুল (মেকআপ)।

    পুরস্কার বিজয়ীদের পক্ষে বিশিষ্ট অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব‌্য দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র আমাদের জীবনের চিত্র, জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। সমাজ সংস্কারে এই চলচ্চিত্র বিরাট অবদান রাখতে পারে, যা মানুষের মনে দাগ কাটে।

    তিনি বলেন, এই চলচ্চিত্র অনেক বার্তা দিয়ে যায় এবং ইতিহাসের বার্তাবাহক হিসেবেও কাজ করে। যেটা ইতিহাসকে ধরে রাখে। অনেক অজানাকে জানার যেমন সুযোগ করে দেয় তেমনি অনেক হারিয়ে যাওয়া ঘটনাকেও সামনে নিয়ে আসে। সমাজের অনিয়ম উশৃঙ্খলতা দূর করতেও এই চলচ্চিত্র ভূমিকা রাখতে পারে। আবার এই চলচ্চিত্রে মাধ্যমেই দেশ ও জাতির প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা বা দায়বদ্ধতা প্রকাশ পায়। কাজেই, সেদিক থেকে চলচ্চিত্রের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

    সীমিত সুযোগ ব্যবহার করে দেশে উন্নত মানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করায় সংশ্লিষ্ট শিল্পী কলাকুশলী সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।


    সিনেমা হলে গিয়ে চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ না হলেও বিদেশে যাওয়ার সময় বিমানে বসে বা সুযোগ পেলে তিনি দেশের চলচ্চিত্র দেখেন এবং তার ভাল লাগে বলেও নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমাজ সংস্কার এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধকরণের যে সুযোগ রয়েছে তাকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সবাইকে আমি এই আহ্বানই জানাবো- আমাদের স্বাধীনতা অর্জন, গণমানুষের যে আত্মত্যাগ এবং আমাদের এগিয়ে চলার পথটা যেন মানুষের সামনে আরো ভালভাবে উপস্থাপন হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষ যেন আরো সুন্দরভাবে এগিয়ে যেতে পারে পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম যেন নিজেদের জীবনকে আরো সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে সেভাবেই আপনারা চলচ্চিত্র নির্মাণ করে মানুষের সামনে উপস্থাপন করবেন- সেটাই আমি চাচ্ছি।

    তিনি পুরস্কার বিজয়ী শিল্পী ও কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানান এবং আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্ত শিল্পী আনোয়ারা’র শারীরিক অসুস্থতার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে তার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন এবং প্রয়োজনে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    শারীরিক অসুস্থতার জন্য নিজে উপস্থিত হতে পারেননি আনোয়ারা। তার হয়ে ড. হাছান মাহমুদের হাত থেকে পুরস্কার নেন মেয়ে চিত্রনায়িকা মুক্তি।

    প্রধানমন্ত্রী এসময় তার সরকারের ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট’ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ করে, এই ট্রাস্টকে আরো সমৃদ্ধ করায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    ‘আজীবন সম্মাননা’ পাওয়া অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদের নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করার সময়, তার কণ্ঠে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, জয় বাংলা স্লোগান অনেকদিন হারিয়ে গিয়েছিল। যে স্লোগান দিয়ে লাখো মানুষ বুকের রক্ত দিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ করেছেন; তেমনই একজনের মুখে স্লোগানটি শুনে সত্যিই আবারো মুগ্ধ হয়েছি। তাকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি মানেই শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি- এই নিয়েই আমাদের জাতিসত্তা। এটা আরো বিকশিত হোক, সেটাই আমি চাই।

  • ফ্রিতে যদি ভাইরাল হই, সমস্যা কী: সুবাহ

    ফ্রিতে যদি ভাইরাল হই, সমস্যা কী: সুবাহ

    সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসাইনের করা মামলায় তার স্ত্রী শাহ হুমায়রা হোসেন সুবাহকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১৪ মার্চ) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ। আদালতে সুবাহর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান।

    আগাম জামিন পেয়ে সুবাহ গণমাধ্যমকে জানান, আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে এনে ইলিয়াস মামলা করেছিলেন। আমি বিচারিক আদালতে এসব বিষয় তুলে ধরব। এদিকে জামিনে থাকা সুবাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই সরব। তবে কিছুক্ষণ আগে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে সুবাহ লেখেন, ‘ও এখন পাগলা কুকুর হয়ে গেছে। আমাকে নিয়ে যত বেশি মিথ্যা প্রচার করা হবে তত বেশি ভাইরাল হব। আমার ৪টা বাচ্চাও আছে, তাতে কার বাবার কী! আর যতই নাটক করো, যতই কাহিনি রটাও দেনমোহর না দেওয়ার ভয়ে, তাতে কোনো লাভ নেই। মামলা তুলব না।


    উল্লেখ্য, গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিয়ে করেন ইলিয়াস ও সুবাহ। তবে বিয়ের পর সপ্তাহ পার না হতেই শুরু হয় ঝামেলা। সুবাহর অভিযোগ, ইলিয়াস তার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই তাকে বিয়ে করেছেন। আর ইলিয়াসের অভিযোগ, তাকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছেন সুবাহ।

  • ঢাকায় সানি লিওনের সঙ্গে আরও যারা এসেছিলেন

    ঢাকায় সানি লিওনের সঙ্গে আরও যারা এসেছিলেন

    সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষেসানি লিওন শনিবার (১২ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তার ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করে এই তারকা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সানি লিওন সঙ্গে তার স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারসহসহ বলিউডের নারগিস ফাখরি ও কৈলাস খের, ‘কাঁটা লাগা’খ্যাত গায়িকা শেফালি জারিওয়ালা এসেছিলেন।

    এছাড়াও কলকাতার দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত এসেছিলেন এই অনুষ্ঠানে।

    জানা যায়, কৌশিক হোসেন তাপস ও ফারজানা মুন্নীর একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসেন তারা। এরপর কিছুটা বিশ্রাম নিয়েই রাতে রাজধানীর ১০০ ফিট এলাকার একটি কনভেনশন হলে তাপস-মুন্নীর মেয়ের বিবাহ পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাজির হন তারা।

    তাপস-মুন্নীর মেয়ের বিবাহপরবর্তী সংবর্ধনার ওই আয়োজনের ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে সানি লিওনের সঙ্গে বাংলাদেশের কণ্ঠশিল্পী ঐশী, প্রতীক হাসান, তাসনিম আনিকাসহ অনেককেই নাচতে দেখা গেছে।

    জানা গেছে, একদিনের সফরে ঢাকায় আসেন তারা। আজ রোববার (১৩ মার্চ) সকালের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ভারতে ফিরে গেছেন বলিউড ও টলিউড তারকারা।

  • ভাইরাল রাশমিকা ও বরুণের নাচ

    ভাইরাল রাশমিকা ও বরুণের নাচ

    দক্ষিণী সুপারহিট অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। যিনি আল্লু অর্জনের বিপরীতে ‘পুষ্পা’ ছবিতে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

    এবার তাকে বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানের সঙ্গে দেখা গেছে।

    তবে সিনেমার জন্য নয়, তারা কাজ করছেন একটি বিজ্ঞাপনে। তারই শুটিংয়ের জন্য দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেল। শুটিংয়ের ফাঁকে দুজনে অংশ নেন নাচে। এক সমুদ্রপাড়ে তাদের নাচ ভাইরাল হয়েছে।

    গতকাল ( ১০ মার্চ) তারা দুজনই তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজয় এবং পূজা হেগড়ে-এর আসন্ন সিনেমা ‘বিস্ট’ -এর একটি গান ‘আরবি কুথু’র সঙ্গে নেচেছেন। ভিডিওতে তাদের খুনসুটিও করতে দেখা গেছে।

    মজার ভিডিওটি শেয়ার দিতেই ভাইরাল নেট দুনিয়ায়। তাদের ভক্তরাও যেন খুবই মজা পেয়েছেন এমন নাচে।

    এদিকে রাশমিকাকে সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে দেখা যাবে ‘গুডবাই’ ছবিতে। অন্যদিকে বরুণ ধাওয়ানকে দেখা যাবে ‘যুগ যুগ জিও’ এবং ‘ভেদিয়া’ ছবিতে

  • আইটেম গানের জন্য কত টাকা নেন সামান্থা?

    আইটেম গানের জন্য কত টাকা নেন সামান্থা?

    মুক্তির তিন মাস হয়ে গেলেও এখনো থামছেই না পুষ্পার জ্বর! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ডিংয়ে অনড় হয়ে বসে আছে তেলুগু ছবি ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’। দক্ষিণী সিনেমার তারকা আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ ছবিতে একটি আইতেম গানে দেখা গিয়েছে সামান্থা রুথ প্রভুকে।

    ব্যক্তি জীবন টালমাটাল সামান্থার পেশাগত রেখচিত্র শুধুই ঊর্ধ্বমুখী। শোনা যাচ্ছে, দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে নায়িকাদের সর্বাধিক আয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। প্রথম স্থানে রয়েছেন অভিনেত্রী নয়নতারা।

    দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে সামান্থার বয়স প্রায় ১২ বছর। এক দশকেরও বেশি সময় একাধিক সফল ছবি তার ঝুলিতে। বলা হয়, তিনি যাতেই হাত দেন, সোনা ফলে। গত বছর চেনা পরিসর পেরিয়ে হাতেখড়ি হয়েছে বলিউডে। সেখানেও সফল তিনি। একের পর এক সাফল্যের নিজের পারিশ্রমিক বাড়িয়েও নিয়েছেন সামান্থা। জানা গেছে, একটি ছবির জন্য তিনি পারিশ্রমিক নেন তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকা। প্রযোজনা সংস্থা এবং আরও কিছু বিষয় দেখেশুনে পারিশ্রমিক ঠিক করেন সামান্থা।

    সম্প্রতি অল্লু অর্জুন অভিনীত ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ ছবিতে একটি আইতেম গানে দেখা গেছে তাকে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের গুঞ্জন, পর্দায় এ আইটেম গান ফুটিয়ে তুলতে দেড় কোটি টাকা চেয়েছিলেন সামান্থা। পরে শোনা যায়, তিনি দাবি করেছিলেন। ‘পুষ্পা’র এ আইটেম গানে নেচে পাঁচ কোটি টাকা পেয়েছেন অভিনেত্রী।

  • খোলামেলা পোশাকে সামান্থা, অনুরাগীদের কটাক্ষ

    খোলামেলা পোশাকে সামান্থা, অনুরাগীদের কটাক্ষ

    এ প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। কারণ তিনি যা করেন, তা নিয়েই শুরু হয় চর্চা। এবার সামান্থা প্রভুর পোশাক নিয়েও চর্চা আর কৌতূহলের অন্ত নেই। সম্প্রতি একটি ফটোশুটে খোলামেলা পোশাক পরা দিয়ে অনুরাগীদের কটাক্ষের শিকার হলেন অভিনেত্রী।

    গাঢ় সবুজ রঙের একটি গাউন পরে ছবি দিয়েছেন ইনস্টাগ্রামে। জামার গলা ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’-এর আকারে কাটা। দক্ষিণী অভিনেত্রীর এ সাজকে অনেকেই ‘সাহসী’ তকমা দিয়েছেন। এরইমধ্যে ১৬ লাখেরও বেশি অনুরাগী ছবিটি পছন্দ করেছেন। তবে এ নিয়ে অনেক প্রশংসা যেমন করেছেন, তেমনি সমালোচনাও করেছেন। সামান্থার জামার কিছুটা অংশ মাটিতে লুটিয়ে থাকায় অনেকেই ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করেছেন।কেউ কেউ আবার সামান্থার খোলামেলা অবতার নিয়ে কটাক্ষ করে একাধিক মন্তব্য করেছেন। কারও কারও বিস্ময়, ‘এ কোন ধরনের জামা পরেছেন সামান্থা?’

    এ ধরনের অভিজ্ঞতা আগেও হয়েছে সামান্থার। বিকিনি পরে ছবি দিয়ে একইভাবে কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে তার থোড়াই কেয়ার! সব নেতিবাচকতাকে উড়িয়ে নিজের শর্তে বাঁচেন সামান্থা।

  • পিছিয়ে গেলো হৃতিক-দীপিকার ‘ফাইটার’ এর মুক্তি

    পিছিয়ে গেলো হৃতিক-দীপিকার ‘ফাইটার’ এর মুক্তি

    বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী হৃতিক এবং দীপিকা। তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। ২০২১ সালে হৃতিকের জন্মদিনে জানা যায়, সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘ফাইটার’ সিনেমায় জুটি বাঁধতে চলেছেন হৃতিক এবং দীপিকা। ছবি মুক্তির দিন ঠিক হয়েছিল ২০২৩ এর ২৬ জানুয়ারি। এবার পিছিয়ে গেলো ফাইটার মুক্তির দিন।

    আনন্দবাজার ডিজিটাল জানায়, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানানো হয়েছে ফাইটার মুক্তি পেতে পারে ২০২৩ এর ২৮ সেপ্টেম্বর। ওই বছরই ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা শাহরুখ খান, জন আব্রাহাম এবং দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘পাঠান’ ছবির।

    পরের দিনই ‘ফাইটার’ মুক্তি পেলে সাফল্য নিয়ে ঝুঁকি থেকে যেতে পারতো। তাই ছবির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া হলো কি না তা অবশ্য জানা যায়নি। ‘ফাইটার’ এ হৃতিক-দীপিকার সঙ্গে আরও আছেন অনিল কাপুর।

  • পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন সানি লিওন: তথ্যমন্ত্রী

    পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন সানি লিওন: তথ্যমন্ত্রী

    পরিচয় গোপন করে একটি চলচ্চিত্রের কাজে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন বলিউড নায়িকা সানি লিওন। তবে তা দৃষ্টিগোচর হওয়ায় সানি লিওনের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘১০ম লিবারেশন ডকফেস্ট বাংলাদেশে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।


    তিনি বলেন, ভারতের ১০ জন শিল্পীকে বাংলাদেশে আসার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে সানি লিওনকে অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সানি লিওন নামে যে তিনি পরিচিত তা গোপন করা হয়। ভিন্ন নামে, মার্কিন নাগরিক দেখিয়ে তার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। তিনি যে পরিচয় গোপন করেছেন সেটা অপরাধ।

    বিষয়টি জানার পর তার বাংলাদেশে আসার অনুমতি বাতিল করা হয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, যারা গোপন করেছে তারা অন্যায় করেছে। যারা তাকে আনতে চেয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আমরা ভাবছি।

    বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে মির্জা ফখরুলের সমালোচনার জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, জিডিপি গ্রোথ রেট, পার ক্যাপিটা ইনকাম ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে। এটা আইএমএফ বলছে। বাংলাদেশের যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, দেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। গত ১৩ বছরে সাড়ে চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে মির্জা ফখরুল সাহেবরা খুশি না। কারণ তারা চায় দেশের মানুষ দরিদ্র থাকুক। এজন্যই এসব আজগুবি প্রশ্ন করে।


    মানবাধিকার নিয়ে সোচ্চার দেশগুলো নিজের ঘরের মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখতে পায় না অভিযোগ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্ব মানবাধিকার নিয়ে আমরা সবাই সোচ্চার। আবার কিছু কিছু দেশ অনেক বেশি সোচ্চার।

    কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য সেসব দেশ মানবাধিকার নিয়ে অনেক বেশি সোচ্চার ও পরদেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তা নিয়ে খুবই সোচ্চার। কিন্তু নিজের দেশে ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় সে বিষয়ে সোচ্চার না। আমরা যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করি, নিজেদের ঘরের মধ্যে মানবাধিকার রক্ষা করি না।

    বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে চলচ্চিত্র শিল্পের খারাপ দিন কেটে গেছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিনেমার খারাপ দিন কেটে গেছে। আগামী দিন ভালোই হবে, খারাপের দিকে যাবে না সিনেমা।


    সিনেমায় অনুদানের প্রয়োজন থাকলেও শুধু অনুদান দিয়ে সিনেমা শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, অনুদাননির্ভর শিল্প এটি নয়। অনুদান দেওয়া হয় ভালো সিনেমা নির্মাণে জন্য। সিনেমা শিল্পের বিকাশে যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা এই সরকার নিচ্ছে।

    এবারের আয়োজনে বিশ্বের ১৯৬টি দেশ থেকে জমা হয়েছিল একুশ শতাধিক ছবি, জমা করা ছবির মধ্য থেকে ৪০টি দেশের ১৪০টি ছবি প্রদর্শিত হবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর উপস্থিত ছিলেন।

  • বন্ধ হলো সালমান খানের ‘ব্ল্যাক টাইগার’র কাজ

    বন্ধ হলো সালমান খানের ‘ব্ল্যাক টাইগার’র কাজ

    ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (রিসার্চ অ্যান্ড উইংস) – এর চৌকস কর্মকর্তা ছিলেন রবীন্দ্র কৌশিক। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী রবীন্দ্রকে তার সাহসিকতার জন্য ‘দ্য ব্ল্যাক টাইগার’উপাধি দিয়েছিলেন। এমন এক ব্যক্তির জীবনের গল্পকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দায়িত্ব ছিল সালমান খানের কাঁধে। এ বিষয়ে রবীন্দ্রের পরিবারেরও কোনো আপত্তি ছিল না। তবুও বন্ধ হল ছবির কাজ।

    কিন্তু কেন? কারণ ‘দ্য ব্ল্যাক টাইগার’ তৈরির জন্য কেনা স্বত্বের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। দীর্ঘদিন ধরে কথাবার্তা, নানা পরিকল্পনা চলতে চলতে সেই স্বত্বের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ফলে আপাতত এই ছবি তৈরি করতে পারবেন না পরিচালক রাজ কুমার। অন্যদিকে সালমান খানও ব্যস্ত তার অন্য চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে। ফলে পরিচালক-অভিনেতার যৌথ সিদ্ধান্তে আপাতত রবীন্দ্র কৌশিকের জীবনীর কাজ স্থগিত।

    র’ গোয়েন্দার ভূমিকায় সালমান খান সফল। ‘টাইগার’ হয়ে সে কথা আগেই প্রমাণ করেছেন তিনি। ফের একই চরিত্রে দেখা যেতো তাকে। এবার ‘টাইগার’ নয়, ‘ব্ল্যাক টাইগার’ হিসেবে। তবে আপাতত পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হল না।

    অভিনয় ভালবাসতেন রবীন্দ্র কৌশিক। সিনেমার থেকে কম রোমাঞ্চকর নয় তার জীবন! একটি অনুষ্ঠানে তার অভিনয় ক্ষমতা দেখে ‘র’-এর কর্মকর্তারা তার পরিচয় গোপন রেখে পাকিস্তানে পাঠান। প্রতিবেশী দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। এরপর সেখানকার সেনাবাহিনীতে যোগদান করে নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়েছিলেন ভারতে।