Category: বিনোদন

  • গাঙ্গুবাই ছবির সাফল্যে আলিয়ার ‘ব্যতক্রমী উদযাপন’

    গাঙ্গুবাই ছবির সাফল্যে আলিয়ার ‘ব্যতক্রমী উদযাপন’

    মুক্তি পেয়েছে আলিয়া ভাট অভিনীত ছবি ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’। সঞ্জয় লীলা বানসালির ছবির পুরো দৃশ্যজুড়েই আলিয়া। মুক্তির এক সপ্তাহে ১০০ কোটি রুপি আয় করেছে ছবিটি।

    ইনস্টাগ্রামে বেশি অ্যাকটিভ আলিয়া ভাট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জীবনযাপনের সব খবর তিনি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

    বক্স অফিসে ছবির এ সাফল্যে আলিয়া করে বসলেন মজার কাণ্ড, যা দেখে ভক্তরা একেবারে অবাক। বাচ্চাসুলভ আলিয়ার কাণ্ডে পুলকিত নেটিজেনরা।

    গাঙ্গুবাই ছবির সাফল্যে ভিন্নধর্মী উদযাপন করেছেন আলিয়া। তবে উদযাপনটি ছিল একেবারে নিজের মতো করে। পেট পুরে ভেজ বার্গার আর ফ্রাইস খেলেন আলিয়া। পরে সেই ছবি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে জানালেন তার মনের কথা।

  • এবার তেলেগু সিনেমায় দেখা যাবে সালমানকে

    এবার তেলেগু সিনেমায় দেখা যাবে সালমানকে

    দক্ষিণ ভারতীয় ছবি এখন নতুন দিশা দেখিয়েছে ভারতীয় সিনে জগতকে। গল্প ভাল হলে যেকোনো ভাষার ছবিই প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখছেন দর্শকরা। বাহুবলী, পুষ্পাসহ আরও বেশ কিছু দক্ষিণ ভারতীয় ছবি প্রমাণ করে দিয়েছে ভাষা কোনো বাধা নয়। 

    এ অবস্থায় দক্ষিণের দিকে পা বাড়িয়েছেন বলিউডের বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী। আলিয়া ভাট, অজয় দেবগণের পর সে তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছেন সালমান খান। 

    দক্ষিণী কোনো সিনেমার রিমেক নয়। এবার তিনি নিজেই কাজ করবেন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে। জানা যাচ্ছে, চিরঞ্জীবির আসন্ন ছবি ‘গডফাদার’ এর মাধ্যমেই দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ডেবিউ করবেন সালমান। মোহন রাজার মালয়ালম ছবি ‘লুসিফার’ এর রিমেক হলো গডফাদার। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন চিরঞ্জীবি। একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যাবে বলিউডের ভাইজানকে। 

    এই ছবির শুটিংয়ের জন্য মুম্বাই আসছেন চিরঞ্জীবি। তেলুগু সুপারস্টারের জন্য নিজের বিলাসবহুল বাগানবাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করেছেন সালমান। এ মাসেই সিনেমার শুটিং শুরু হতে পারে। 

    সোশ‍্যাল মিডিয়ায় এ সিনেমার টিজার শেয়ার করে সালমান লিখেছেন, আমরা সবাই যেন নিজের নিজের যত্ন নিই। টাইগার থ্রি আসছে ২০২৩ এর ঈদে। সবাই যেন দেখতে পারি। হিন্দি, তামিল ও তেলুগুতে ছবি মুক্তি পাবে।  

  • কেন কপিল দেবের সঙ্গে শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভাঙে সারিকার

    কেন কপিল দেবের সঙ্গে শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভাঙে সারিকার

    ছোটবেলায় বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ, বিয়ের আগে সন্তান জন্ম দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত। সবমিলিয়ে খুব একটা সহজ জীবন কাটাননি এক সময়ের বলিউড অভিনেতা সারিকার। বিবাহিত জীবনও যে সুখের ছিল এমনটা নয়। কমল হাসানের সঙ্গে হয়েছিল বিচ্ছেদ। মামলায় হেরে গিয়েছিলেন গৃহ পরিচারকের কাছেও। ভেঙেছিল কপিল দেবের সঙ্গে বিয়েও। কিন্তু কেন?

    সারিকার মা ছিলেন রাজপুত, বাবা ছিলেন মারাঠি। ছোট থেকেই বাবা-মায়ের অশান্তি দেখেই বড় হয়েছিলেন তিনি। প্রথম ব্রেক হমরাজ। তখন তার বয়স পাঁচ। কিন্তু ছবি মুক্তির আগেই বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে নিজেকে প্রথম বড় পর্দায় দেখার স্বাদ নিতে পারেননি তিনি।

    এক সময় গোটা পরিবারের রোজগারের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে ওই পাঁচ বছরের ছোট্ট মেয়ে সারিকা। ছেলে ও মেয়ে উভয়ের ভূমিকাতেই শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করতে শুরু করেন তিনি। তবে ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করার সময় বদলে যেত তার নাম। তখন তার নাম ‘মাস্টার সুরাজ’।

    একটা সময় স্কুলে যাওয়ার টাকা ছিল না সারিকার। মায়ের সঙ্গে বাসে করেই শুটিংয়ে যেতেন। একটু স্বাবলম্বী হওয়ার মেয়ের জন্য সেটেই শিক্ষক রেখে দেন তার মা। তিনি সারিকাকে শুটিংয়ের ফাঁকে পড়াতেন। ক্রমে শিশুশিল্পীর পরিচয় ছেড়ে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন সারিকা।

    সারিকা কোন ছবি করবেন, কোন ছবি ছাড়বে, কত টাকা নেবে সে সবই নির্ধারণ করতেন সারিকার মা। মেয়ের গায়ে প্রকাশ্যে হাত তুলতেও দ্বিধা বোধ করতেন না তিনি। একটা ঘটনা এসব কিছুকে ছাপিয়ে যায়। মুম্বাইয়ের সমুখনন্দা হলে আসার কথা ছিল সারিকার। তিনি দেরি করে আসেন। সারিকার মা সবার সামনেই মেয়েকে আচমকাই টেনে থাপ্পড় লাগিয়ে দেন।

    আমূল পালকারের সঙ্গে সেমি ন্যুড শট দেওয়া নিয়েও বাধে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া। নিজের পারিশ্রমিক থেকে দেড় হাজার টাকা নিয়ে শপিং করেছিলেন বলেও মার খেতে হয়েছিল মায়ের কাছে। সহনশীলতার বাঁধ ভাঙে তার। একদিন হুট করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। জানতে পারেন সারিকার পারিশ্রমিক দিয়ে তার মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায় ছয়টি ফ্ল্যাট কিনলেও সবটাই নিজের নামে। হতাশায় ভেঙে পড়েন তিনি।

    এ সময় তার আলাপ হয় কপিল দেবের সঙ্গে। তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়, এক সময় প্রেম। জানা গেছে, বিয়ের কথাও হয়েছিল তাদের। কিন্তু বিয়ে ভেঙে যায়। কপিল আবার ফেরত চলে যান তার প্রাক্তন প্রেমিকা রোমির কাছে। এরপর সারিকার জীবনে আসেন কমল হাসান। প্রেমের সম্পর্ক অনেক দূর এগোলে সারিকা হন সন্তান সম্ভবা। তখনও তাদের বিয়ে হয়নি।

    কমল হাসান সারিকাকে তখন বিয়ে করতে চাইলেও পিছিয়ে আসেন তিনি। বলেন, দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পরই বিয়ে করবেন তারা। তার মনে হয়েছিল তা নাহলে প্রথম সন্তানকে সারা জীবন তার বাবার পরিচয় নিয়ে কটু সন্তান শুনতে হবে। যাতে দুই সন্তানের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ সৃষ্টি না হয় সে কারণেই এমন সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন বলে শোনা যায়।

    পরবর্তীতে তারা বিয়ে করেন, যদিও সেই বিয়েও সুখের হয়নি। কিছু বছর পর বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। শোনা যায়, অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন কমল।

  • কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএমকে হারানোর এক বছর

    কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএমকে হারানোর এক বছর

    বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানকে হারানোর এক বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি।

    তার মৃত্যুতে দেশি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির একটি অধ্যায়ের অবসান ঘটে। এই গুণী অভিনেতাকে হারানোর ক্ষতি পূরণ হবার নয় বলে মনে করেন সিনেমাপ্রেমীরা। কয়েকজন তারকাকে সামাজিক মাধ্যমে তাকে স্মরণ করতে দেখা গেছে। তবে এটিএম শামসুজ্জামানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তেমন কোনো আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি।


    এটিএম শামসুজ্জামানের মেয়ে কোয়েল বলেন, ‘বাবার জন্য বাসায় মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া তিনি যেটা পছন্দ করতেন, কোরআন তেলোয়াত ও এতিমদের খাওয়ানো-সে আয়োজনও রাখা হয়েছে। ‘


    ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে এটিএম শামসুজ্জামান জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। প্রথম চিত্রনাট্যকার হিসেবে তিনি কাজ করেছেন ‘জলছবি’ সিনেমায়।

    শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন তিনি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-জলছবি, জীবন তৃষ্ণা, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, যে আগুনে পুড়ি, মাটির ঘর, মাটির কসম, চিৎকার ও লাল কাজল ইত্যাদি।

    তবে ১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে এটিএম শামসুজ্জামানের সিনেমায় অভিষেক ঘটে। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খলনায়ক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। সিনেমার পাশাপাশি অসংখ্য খণ্ড নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি।


    একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এ অভিনেতার একমাত্র পরিচালিত সিনেমা ‘এবাদত’। জীবদ্দশায় পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এটিএম শামসুজ্জামান। কাজী হায়াতের ‘দায়ী কে’ সিনেমার জন্য দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পান তিনি। এরপর ‘চুড়িওয়ালা’, ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ এবং ‘চোরাবালি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য একই পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

  • করোনার মধ্যে পাস করেছি তাতেই খুশি: দীঘি

    করোনার মধ্যে পাস করেছি তাতেই খুশি: দীঘি

    প্রার্থনা ফারদিন দীঘি এবার রাজধানীর স্ট্যামফোর্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফলাফল ঘোষণা করেন। তারপর খবর নিয়ে জানা যায়, জিপিএ ৩.৭৫ পেয়েছেন এই চিত্রনায়িকা।

    ফলাফল প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দীঘি বলেন, ‘করোনার কারণে সেভাবে পড়াশোনা করতে পারিনি। করোনার মধ্যে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছি তাতেই আমি খুশি। আমার পরিবারের লোকজন খুব খুশি।’


    তিনি আরও বলেন, ‘ইচ্ছা আছে দেশের মধ্যে যে কোনো একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করবো। কোথায় ভর্তি হবো কয়েকদিনের মধ্যে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করবো। সবার কাছে দোয়া চাই। সামনে কয়েকটা কাজ করবো। সেজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। কয়েকদিনের মধ্যে জানতে পারবেন।’

    প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ‘কাবুলিওয়ালা’ সিনেমায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

    চলতি বছর চিত্রনায়িকা হিসেবে ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমায় দীঘির অভিষেক হয়েছে। এরপর ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’ নামের আরও একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে তার হাতে বেশকিছু সিনেমা ও ওয়েব ফিল্মের কাজ রয়েছে।

  • জায়েদ-নিপুণের পদ নিয়ে শুনানি ভালোবাসা দিবসে

    জায়েদ-নিপুণের পদ নিয়ে শুনানি ভালোবাসা দিবসে

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে স্থগিত হওয়া সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে জটিলতা এখনো কাটেনি। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ বিষয়ে শুনানির কথা থাকলেও তা পিছিয়েছে। ফলে চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের আবেদনের ওপর শুনানি হবে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)।

    নিপুণের আইনজীবীর সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।


    বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি নুরুজ্জামান, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কৃষ্ণাদেব নাথ।


    নিপুণের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এর আগে ২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সভাপতি হন ইলিয়াস কাঞ্চন।

    এর পরই শুরু হয় সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে ঝামেলা। এক সময় আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তে জায়েদের পদ বাতিল করে চিত্রনায়িকা নিপুণকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

    এরপর হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন জায়েদ খান। হাইকোর্ট আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করলে নিজের পদ ফিরে পান তিনি। পরে আপিল করেন নিপুণ।

    ওই আপিল শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছিলেন চেম্বারজজ আদালত। এরপর সাধারণ সম্পাদক পদের ওপর ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থিতাবস্থা জারি করেন চেম্বার আদালত।

    এসময়ের মধ্যে জায়েদ-নিপুণ কেউ সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে পারবেন না বলেও জানান আদালত। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদটি আপাতত শূন্য।

  • মোশাররফ-পরীমনির ‘মুখোশ’ মুক্তি পাবে ৪ মার্চ

    মোশাররফ-পরীমনির ‘মুখোশ’ মুক্তি পাবে ৪ মার্চ

    ১৭ জানুয়ারির পর ২১ জানুয়ারি ‘মুখোশ’ মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন পরিচালক ইফতেখার শুভ ৷ করোনার সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবার মোশাররফ করিম-পরীমনির পর্দা রসায়ন দেখার সুযোগ হলো না তখন ৷ এখন আবার করোনার সংক্রমন কমতে শুরু করেছে ৷ প্রেক্ষাগৃহেও নতুন ছবি মুক্তি পেতে শুরু করেছে ৷

    তাই দেরি না করে ছবি মুক্তির নতুন তারিখ নির্ধারণ করলেন পারিচালক ৷ ৪ মার্চ মুক্তি পাবে সরকারি অনুদান পাওয়া ছবিটি ৷


    পরিচালক-প্রযোজক ইফতেখার শুভ বলেন, ‘যে হারে করোনা সংক্রমনের হার কমছে, এ মাসের শেষে ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। সেই হিসাব করেই ছবি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত করেছি। তার আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করব ট্রেলার ৷’

    ইফতেখার শুভর প্রথম ফিচার ফিল্ম ‘মুখোশ’ ৷ নিজের লেখা উপন্যাস ‘পেজ নাম্বার ৪৪’ অবলম্বনে নির্মাণ করেছেন ছবিটি ৷

    ‘মুখোশ’-এ মোশাররফ করিম, পরীমনি ছাড়াও অভিনয় করেছেন জিয়াউল রোশান, ইরেশ যাকের, আজাদ আবুল কালাম, প্রাণ রায়, ফারুক আহমেদ, রাশেদ মামুন অপু, তারেক স্বপন, এলিনা শাম্মি, অলংকার চৌধুরী প্রমুখ ৷

  • সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের সেরা ১০টি গান

    সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের সেরা ১০টি গান

    ভারতীয় উপমহাদেশের সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর মারা গেছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রায় চার সপ্তাহ মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন কোকিলকণ্ঠী এই শিল্পী। রোববার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষার পাশাপাশি বিদেশি ভাষাতেও তিনি গান করেছেন। অনেকের বিচারে ভারতের সর্বকালের সেরা সংগীত শিল্পীদের একজন তিনি।

    সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া সেরা গানগুলোর মধ্যে থেকে রইল ১০টি। দেখেনিন একনজরে-

    ১.লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া ‘জাগো মোহন প্যায়ারে’ গানটি বেশ খ্যাত। তিনি রাজ কাপুরের ছবির জন্য এই গানটি গেয়েছিলেন। ছবির নাম জাগতে রহো। লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া হিট গানগুলোর আলোচনা করতে গেলে এই গানটি আসে সবার আগে। ‘জাগো মোহন প্যায়ারে’ গানটির মিউজিক ডিরেক্টর শলিল চৌধুরী।

    ২.লতাজির গাওয়ার সেরা গানগুলোর মধ্যে আারো একটি হল ‘আজা পিয়া তোহে প্যায়ার দুন’ গানটি। একবার এই গান প্রসঙ্গে আশা পারেখ বলেছিলেন, এটি আমার সবচেয়ে প্রিয় গানগুলোর মধ্যে একটি। গানের সুর দিয়েছিলেন আর ডি বর্মন। ‘আজা পিয়া তোহে প্যায়ার দুন’ গানটি সে সময় এতটাই সফল হয়েছিল যে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    ৩.লতাজির গলায় ‘লগ জা গলে সে’ গানটি শোনেনি এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া দায়। লতাজির অন্যতম জনপ্রিয় গান এটি। এই গান প্রসঙ্গ লতাজি একবার নিজে বলেছিলেন, তার হতাশার দিনে মন ভালো করে তোলে এই গান। ‘ওহকৌন থি’ ছবির জন্য তিনি এই গানটি রেকর্ড করেছিলেন।

    ৪.‘জিস পথ পে চলা উস পথ পে মুঝে আঁচল তো বিছা দে’ ‘ইয়াদগার’ ছবির এই গান বেশ সাফল্য অর্জন করেছিল। ১৯৭০ সালে মুক্তি পায় ‘ইয়াদগার’ সিনেমাটি। এস আর শর্মা পরিচালনায় এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মনোজ কুমার, প্রেম চোপড়ার অভিনেতারা। সে সময় লতাজির কন্ঠে ‘জিস পথ পে চলা উস পথ পে মুঝে আঁচল তো বিছা দে’ গানটি মন ছুঁয়ে গিয়েছিল সকলের।

    ৫. লতাজির গাওয়া আরও একটি হিট গান হল ‘ছোট সে সারি দুনিয়া কিসিকে লিয়ে ইয়ে মুনাসিব না আদমি কে লিয়ে’। ‘সরস্বতীচন্দ্র’ ছবির গান এটি। ১৯৬৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। সে সময় লতাজির কন্ঠে এই গান বেশ সাড়া ফেলেছিল।

    ৬. লতা মঙ্গেশকের কন্ঠে একটি হিট বাংলা গান হল ‘রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে’। এই গান বাঙালির আবেগের সঙ্গে জড়িত। গানটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন ভুপেন হাজারিকা। আর লিরিক্স পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। লতাজির সুরেলা গলায় এই গান বাঙালি মনকে সব সময় ব্যাকুল করে তোলে।

    ৭. লতাজির গাওয়া আরও একটি বাংলা হিট গান হল ‘আকাশ প্রদীপ জ্বলে’। সতিনাথ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় এই গানটি গিয়েছিলেন তিনি। গানটি মুক্তি পেয়েছিল বহু দিন আগে। তবে, আজও এই গানের খ্যাতি রয়েছে সর্বত্র। যে কোনও অনুষ্ঠানে বাঙালি কন্ঠে আজও শোনা যায় লতাজির গাওয়া আকাশ প্রদীপ জ্বলে গানটি।

    ৮.‘প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে’, গানটি নিশ্চয়ই শুনেছেন। এখনও সেরা বাংলা গানের তালিকায় রয়েছে লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে গানটি। গানটির মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। আর লিরিক্স গৌরিপ্রসন্ন মজুমদারের।

    ৯.মহব্বতে ছবির হিট গান ‘হাম কো হামিসে চুরালো’। এই গানটি লতাজির গলায় আরও একটি শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত। এই গানে লতা মঙ্গেশকের সঙ্গে গলা মিলিয়েছিলেন উদিত নারায়ন। গানটি ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কারের জন্য নমিনেটেড হয়েছিল।

    ১০. ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া দিল তো পাগল হ্যায় ছবিটি সেরা বলিউড ছবিগুলোর মধ্যে একটি। এই ছবির দিল তো পাগল হ্যায় গানটি মন কেড়েছিল সকলের। লতাজির গাওয়া এই গানটি সেরা গানগুলোর মধ্যে একটি।

  • পরীমণির অসুস্থতার কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে ১ মাস

    পরীমণির অসুস্থতার কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে ১ মাস

    মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক মাস পিছিয়েছে। আগামী ১ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণের শুনানির দিন ঠিক করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহাবুবুল হাসান।

    তিনি জানান, পরীমণি অন্তঃসত্ত্বা এবং জ্বরে আক্রান্ত। এ কারণে সময় চেয়ে তার আইনজীবী আবেদন করেন। আবার মামলার বাদী র‍্যাব-১–এর ডিএডি মজিবুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ঠিক করেন।

    এর আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গত ৫ জানুয়ারি পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

    মামলার অপর দুই আসামি হলেন আশরাফুল ইসলাম ও কবির হোসেন। জামিনে থাকা এ দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    গত বছরের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে পরীমণির বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। পরে রাজধানীর গুলশান থানায় করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলার দুই মাসের মাথায় গত বছরের ৪ অক্টোবর আদালতে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অভিযোগপত্রে ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র গত বছরের ১৫ নভেম্বর আমলে নেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বদলি করা হয়।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পরীমণির বাসা থেকে জব্দ মাদকদ্রব্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র ছিল না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে সিআইডিকে জানানো হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পরীমণির নামে মদজাতীয় পানীয় সেবনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ৩০ জুন ওই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়। মামলার দুই আসামি আশরাফুল ও কবিরের মাধ্যমে পরীমণি বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় রেখেছিলেন। মাদকদ্রব্য রাখার বিষয়ে তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরীমণি তার গাড়িটি মাদকদ্রব্য বহনের কাজে ব্যবহার করতেন।

  • তরুণ নির্মাতা আকাইদ রনির স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “Money Chapter-1”

    তরুণ নির্মাতা আকাইদ রনির স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “Money Chapter-1”

    নিজস্ব প্রতিনিধি //
    আগামি ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে অনলাইন প্লাটফর্মে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এ প্রজন্মের তরুন নির্মাতা আকাইদ রনির পরিচালনায় থ্রিলার, প্রেম, ক্রাইম ও স্নায়ু উত্তেজক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “Money Chapter -1” অসাধারন কাহিনী ও টুইষ্টে পরিপূর্ণ “Money Chapter -1” নামক এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণে তরুন তুর্কি আকাইদ রনির পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিচালক হিসেবে ছিলেন আরেক জনপ্রিয় ও সফল তরুন নির্মাতা রুবেল আনুশ।

    থ্রিলার ও টুইষ্টে ভরপুর এই চলচ্চিত্রটিতে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন এ প্রজন্মের কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী যাদের মধ্যে আছেন মোহাম্মদ সালমান, তামান্না সরকার, সোহাগ বিশ্বাস, আফসান ঠাকুর, মাজিদুল ইসলাম, মুন্না খান। এছাড়াও আকাইদ রনির এই ফিল্মটিতে প্রধান চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন আরেক তরুন জনপ্রিয় ক্যামেরাপার্সন মোঃ রফিক।

    তরুন নির্মাতা আকাইদ রনির এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটিতে সম্পাদনায় ও কালারে ছিলেন শরিফ চৌধুরী, মেকাপে ছিলেন বাবু এবং লাইটিংয়ে ছিলেন সেলিম। আবার দর্শক ডিমান্ড মাথায় রেখে এ্যাকশন, থ্রিলার, প্রেম নির্ভর এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি রাজধানী ঢাকা শহরের শ্যামলী, আদাবর, সদরঘাট সহ ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে।

    বর্তমান প্রজন্মের তরুন নির্মাতা আকাইদ রনি পরিচালনার একক ২য় সফলতম কাজ এটি। এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির কাজ সম্পর্কে এই চলচ্চিত্রেরই কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেতা ও হিরো মোহাম্মদ সালমান আমাদের প্রতিনিধিকে বলেছেন, আকাইদ রনি ভাইয়ের ডিরেকশনে অনেকদিন বাদে চমৎকার একটি কাজ করেছি। আমি মূলত এমন থ্রিলার, ক্রাইম ও প্রেমধর্মী কম্বাইন্ড কাহিনির কাজ এর আগে কখনও করিনি। এটি আমার নতুন এবং চমকপ্রদ একটি অভিজ্ঞতা ছিল। এমন টুইষ্টপূর্ণ কাহিনি নির্ভর কাজ করতে পেরে আমি যারপরনাই আনন্দিত। আশা করছি ভবিষ্যতে প্রিয় আকাইদ রনি ভাইয়ের সাথে এমন আরও অনেক কাজ করবো ইনশাল্লাহ।

    সর্বোপরি দেশে অনেক তরুন ও উদীয়মান নির্মাতাদের ভীড়ে আকাইদ রনির মত একজন তরুন নির্মাতার এমন মৌলিক কাজ দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আমরা আশাবাদী। আকাইদ রনি সহ সকল তরুন নির্মাতাদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি এবং দর্শকদেরকে এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের অনুপ্রেরণা।