Category: বিনোদন

  • রবিবারের সকাল সকাল প্রত্যেককে নাড়িয়ে দিল সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর খবর

    রবিবারের সকাল সকাল প্রত্যেককে নাড়িয়ে দিল সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর খবর

    এখনও যেন বলিউড বিশ্বাস করতে পারছে না বি-টাউনের এমএস ধোনি আর নেই। মুম্বইর এই খবর একমুহূর্তে থমকে গিয়েছে বলিউড ৷ এরকম মর্মান্তিক খবরে বাক্যিহারা সকলে ৷ রবিবারের সকাল সকাল প্রত্যেককে নাড়িয়ে দিল সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর খবর ৷ এখনও যেন বলিউড বিশ্বাস করতে পারছে না বি-টাউনের এমএস ধোনি আর নেই ৷ সুশান্ত সিং রাজপুতের এমন পরিণতিতে হতবাক সকলে ৷ ট্যুইটার, ফেসবুক, ইনস্টা ছেয়ে গিয়েছে শোকবার্তায় ৷ প্রত্যেকের মুখে একটাই কথা, ‘এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না’ ৷ রবিবার সকালে মাত্র ৩৪ বছরে নিজের মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে মৃত্যু হল সুশান্ত সিং রাজপুতের৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান আত্মহত্যা করেছেন তিনি৷ টেলিভিশনে প্রভূত জনপ্রিয়তার পর ‘কাই পো চে’ দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু ৷ তারপর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি ৷ এমএস ধোনি, ব্যোমকেশ বক্সীর মতো ব্লকব্লাস্টারের নায়ক ছিলেন সুশান্ত ৷ বলিউডে নিজের অভিনয় দিয়ে এক স্বকীয় পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি ৷ পিকে-তে আমির ও অনুষ্কার পাশাপাশি চুটিয়ে অভিনয় করেছিলেন শারফারাজ সুশান্ত ৷ সুশান্তের মতো প্রতিভাবান অভিনেতার জন্য সবাই দোয়া করবো আল্লাহ ওর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিক ৷’

  • বলিউড অভিনেতা সুশান্তের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বলিউড অভিনেতা সুশান্তের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    ঘড়িতে তখন দুপুর ৩টা বেজে ২১ মিনিট। এর আগেও একাধিক নিউজ পোর্টাল বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার খবর দিয়েছিল। অক্ষয় কুমারের টুইটে নিশ্চিত হওয়া গেল। তিনি লিখেছেন, ‘আমি হতভম্ব। আমি কী বলব, কীভাবে বলব কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। আমার মনে আছে, ছিচোরে দেখলাম। শেষ করে আমার বন্ধু, প্রযোজক সাজিদকে (পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি, প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা) ফোন করে বললাম, “এই ছেলে তো একটা দুর্দান্ত ট্যালেন্ট। ইশশ, এত দারুণ একটা সিনেমা। আমাকেও নিতে।” সৃষ্টিকর্তা ওর পরিবারকে এই শক্তি দিন।’

    ৩ দিন আগে সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার, ২৮ বছর বয়সী দিশা সালিয়ান উঁচু বিল্ডিং থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে। আর আজ রোববার সুশান্তের মুম্বাইয়ের বাসায় তাঁর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। সুশান্তের বয়স হয়েছিল ৩৪ বছর। কোন সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। মুম্বাই পুলিশ তাঁর মৃত্যু রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে এটুকু জানা গেছে, বান্দ্রার ফ্ল্যাটে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে সুশান্তের দেহ। ইতিমধ্যেই কার্টার রোডের সেই ফ্ল্যাট মুড়ে ফেলা হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা বলয়ে।

    একতা কাপুরের জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল ‘পবিত্র রিশতা’ থেকে ‘কাই পো চে’, ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’, ‘কেদারনাথ’, ‘সঞ্চরিয়া’ অসংখ্য ছবি দিয়ে তিনি ছোট পর্দা থেকে বলিউডের বড় পর্দায় সফল অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    সবচেয়ে বেশি আলোচনার কেন্দ্রে এসেছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনির বায়োপিকে অভিনয়ের মাধ্যমে। সুশান্তর ক্যারিয়ারে এটাই প্রথম সিনেমা যা বেশ ভালো ব্যবসা করেছিল। ১৯৮৬ সালে বিহারের পটনায় জন্ম সুশান্তের।

  • অসুস্থ, চার দেয়ালে বন্দী অভিনেতা প্রবীর মিত্র

    অসুস্থ, চার দেয়ালে বন্দী অভিনেতা প্রবীর মিত্র

    অভিনয় দিয়েই দর্শককে আনন্দে ভাসিয়েছেন, কাঁদিয়েছেন, হাসিয়েছেন। পাঁচ দশকের অভিনয় দিয়ে অর্জন করেছেন মানুষের ভালোবাসা। দেশের চলচ্চিত্রের গুণী এই মানুষটির সময় কাটছে ঘরে শুয়ে-বসে। ছবিতে কাজ করছেন না বছর তিনেক হলো। গেল মাসে পা পিছলে পড়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান। তিনটি সেলাই দিতে হয়। প্রবীর মিত্রর সময় কাটছে সেগুনবাগিচার বাড়িতে। বই ও পত্রিকা পড়ে সময় কাটান।

    কয়েক মাস আগে টেলিভিশন দেখার অভ্যাস থাকলেও করোনার এই সময়ে পরিবারের সবাই তাঁকে টেলিভিশন থেকে দূরে রাখছেন। তবে সবাই মিলে বসলেই তিনি টিভির সামনে বসেন। দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন আর্থ্রাইটিসে। হাঁটুর ব্যথার কারণে ঘর থেকে বেরও হন না। একরকম চার দেয়ালে বন্দী ও প্রায় নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করছেন তিনি।

    বড় ছেলের বউ সোনিয়া জানালেন, অস্টিওপোরোসিসেও ভুগছেন তাঁর শ্বশুর। তাঁর হাড়ে ক্ষয় ধরেছে। ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। মাঝেমধ্যে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, আবার কদিন ভালো থাকেন। কারও সাহায্য ছাড়া চলতেও পারেন না। ইদানীং কানেও কম শুনছেন।
    কিছুদিন আগে প্রবীর মিত্রই বলছিলেন, ‘আমি ক্লান্ত। লাঠিতে ভর করে হাঁটি। এ অবস্থায় সিনেমায় কাজ করা যায় না। তাই সারা দিন বাসায় থাকি। চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করা ছাড়া বাইরে বের হই না।’

    দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ, সেটা জানেন না প্রবীর মিত্র। পরিবারের মানুষেরা তাঁকে সেসব জানাননি। তবে করোনাভাইরাস নামে যে দেশে কিছু একটা এসেছে, সেটা জানেন। সোনিয়া বললেন, ‘আমরা জানাতে চাইনি, কারণ তিনি ভয় পাবেন। যদিও তিনি মানসিকভাবে বেশ শক্ত।’

    ঢালিউডের একসময়ের ব্যস্ত অভিনেতার ব্যস্ততাগুলো এখন কেবলই অতীত। আগে সময় পেলে বিকেলে ছুটতেন কাকরাইল ফিল্ম পাড়া বা এফডিসিতে। সহশিল্পীদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাতেন। এখন তা হয় না।

    যে চলচ্চিত্রের জন্য জীবনের এক-তৃতীয়াংশ ব্যয় করেছেন, সেখানকার দু-একজন ছাড়া কেউ তেমন খোঁজ-খবর নেন না। প্রবীর মিত্র বলেন, ‘আগে সবার সঙ্গে দেখা হতো, কথা হতো। এখন মাসের পর মাস অনেকের সঙ্গে দেখা হয় না, কথা হয় না। এটা পীড়া দেয়। আমার সবাইকে দেখতে ইচ্ছে করে, তাদেরও হয়তো ইচ্ছে হয়। কিন্তু দেখাটা হয়ে ওঠে না। যা-ই হোক, সবকিছু মেনে নিতে হয়।’

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে মাঝেমধ্যে লোক যান প্রবীর মিত্রর বাসায়, খবর নেওয়ার জন্য। এ ছাড়া আর কেউ খবর নেন না, ফোনও করেন না। ভীষণ কাজপাগল মানুষ ছিলেন তিনি। কাজ করতে না পারায় ভীষণ আক্ষেপ তাঁর।

    স্ত্রী মারা গেছেন ২০‌০০ সালে। তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছেলে আকাশ মারা গেছেন ২০১২ সালে। বড় ছেলেকে নিয়ে সেগুনবাগিচায় থাকলেও মেজ ছেলে আর মেয়ের বাসায় যাওয়া-আসা আছে তাঁর।

    প্রবীর কুমার মিত্রের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট চাঁদপুরের নতুন বাজারে। পৈতৃক নিবাস কেরানীগঞ্জের শাক্তায়। পুরান ঢাকায় বড় হওয়া প্রবীর মিত্র স্কুলজীবন থেকেই নাট্যচর্চায় যুক্ত হন। স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৬৯ সালে প্রয়াত এইচ আকবরের ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। পরে ওই পরিচালকের ‘জলছবি’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক হয়।

  • তলস্তোয়ের হিতোপদেশ

    তলস্তোয়ের হিতোপদেশ

    নেকড়ে আর ছাগল
    নেকড়ে দেখল, একটা ছাগল পাথুরে পাহাড় বেয়ে উঠছে। কিন্তু সেই খাড়া পাহাড়ে ওঠা নেকড়ের কম্ম নয়। নেকড়েটা ছাগলকে বলল, ‘কেন এত কষ্ট করা! নিচের সমতল পথ ধরে যাচ্ছিস না কেন? সে পথে তোর খাবার মিলবে, তোফা খানা!’
    আর ছাগল বলল, ‘আমাকে কেন উপদেশ দিচ্ছ তা ভালোভাবেই জানি আমি। তুমি আমার খাবারের কথা ভাবছ না হে, ভাবছ তোমার খাবারের কথা!’

    শিকারি ও তিতির
    শিকারির জালে ধরা পড়ল তিতির। শিকারিকে বারবার অনুনয় করতে লাগল সে, ‘ছেড়ে দাও আমাকে। একবার ছেড়েই দেখো, আমি তোমার অনেক উপকার করব। আমি অন্য তিতিরদের এনে তোমার জালের দিকে ঠেলে দেব।’
    তিতিরের কথা শুনে শিকারি বলল, ‘তোকে এমনিতেই ছাড়তাম না। এখন তোর কথা শুনে একেবারেই ছাড়ব না। তোর গলা মটকে দেব। কারণ, ভাইবোনদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতেও তোর বাধে না।’

    কুকুর আর কুকুরের ছায়া
    কুকুরটা নদী পার হচ্ছিল একটা তক্তার ওপর দিয়ে। মুখে ছিল মাংসের টুকরা। নদীর জলে সে দেখতে পেল নিজের ছায়া। ভাবল, আরে! আরেকটা কুকুর যাচ্ছে মাংস নিয়ে! কুকুরটা নিজের মাংসের টুকরো ফেলে দিয়ে জলে দেখা কুকুরের মাংসটা কেড়ে নিতে গেল। কুকুরের ছায়ার কাছে তো মাংস ছিল না, কুকুরের মাংসের টুকরাটাও গেল জলে ভেসে।
    খাওয়ার মতো কিছুই থাকল না কুকুরটার!

  • একতা কাপুরকে ধর্ষণের হুমকি

    একতা কাপুরকে ধর্ষণের হুমকি

    ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় প্রযোজক ও নির্মাতা একতা কাপুর। সম্প্রতি তাঁর প্রযোজিত একটি ওয়েব সিরিজ নিয়ে চলছে তুমুল বিতর্ক। একপক্ষ মামলা করেছে যে, এই সিরিজে নাকি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে কটাক্ষ করা হয়েছে। আরেকদল অনলাইনে একতা কাপুরকে ধর্ষণের হুমকি পাঠাচ্ছে। কেননা, এই সিরিজে নাকি নগ্নতা দেখানো হয়েছে, যেটা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    এই সিরিজ যেসব ভারতীয়দের আহত করেছে, তাদের কাছে একতা কাপুর ক্ষমা চেয়ে আইএনএসকে এক দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন। একতা কাপুর বলেন, ‘হ্যাঁ, একটা এফআরআই হয়েছে আমার বিরুদ্ধে। যাদের অনুভূতি আহত হয়েছে তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি। কাউকে আহত করা আমার উদ্দেশ্য না। আমি কেবল মানুষকে বিনোদন দেওয়ার জন্য কনটেন্ট বানাই। আমি একজন গর্বিত ভারতীয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ছোট করার তো কোন প্রশ্নই আসে না। তারপরেও যারা আহত হয়েছেন, আমি শুধু বলতে চাই, কাউকে আহত করা আমাদের উদ্দেশ্য না।’

    ৪৫ বছর বয়সী প্রভাবশালী এই প্রযোজক আরও বলেন,’সিরিজে নাকি যৌনদৃশ্য দেখানো হয়েছে। আর সেজন্য আমি একের পর এক ধর্ষণের হুমকি পাচ্ছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। প্রতিনিয়ত সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি। আমার ৭১ বছর বয়সী মাকেও ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারমানে আমরা জানলাম, যৌনতা খুবই খারাপ বিষয়। কিন্তু ধর্ষণ ভালো। পর্দার একটা কাল্পনিক চরিত্রের জন্য আমাকে এই অবস্থার ভিতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। আর যারা এই সমস্ত বলছে, করছে, সেই রক্ত মাংসের মানুষগুলোর বেলায়? তারা নাকি আমার নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে। এই প্রাণীগুলোর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’

  • সব এলোমেলো হয়ে গেল

    সব এলোমেলো হয়ে গেল

    করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ঘরবন্দী বড় পর্দার তারকা সিয়াম আহমেদ। মাহিয়া মাহির বিপরীতে প্রথম ছবি স্বপ্নবাজিতে তাঁর অংশের শুটিং বন্ধ হয়ে গেছে। মুক্তি পায়নি তাঁর ঈদের ছবিও। এখন সময় কাটছে কীভাবে। কথা হলো প্রথম আলোর সঙ্গে।

    সময় কাটছে কীভাবে?
    রাত–দিনের সময়টা এলোমেলো হয়ে গেছে। রাতে হলিউড ও বলিউডের সিনেমা, ওয়েব সিরিজ দেখছি। দিনে ৪৫ মিনিটের মতো শরীরচর্চা করি। এর বাইরে সিনেমার গল্প লেখার চেষ্টা করছি।

    লেখার ভাবনা এল কীভাবে?
    সারা বছর সিনেমার কাজের মধ্যেই থাকি। কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের গল্প মাথায় আসে। এর আগে অনেক গল্প মাথায় এসেছে। সেগুলো লোকেশনে বসেই বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালক, চিত্রগ্রাহকের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছি। লিখে রাখা হয়নি। কিন্তু এবার বাসায় বসে গল্পের ভাবনাগুলো লিখে রাখছি। এরই মধ্যে সিনেমার দুটি গল্প লিখে ফেলেছি।
    সিয়াম আহমেদ। ছবি: সংগৃহীতসিনেমার শুটিংয়ের অনুমতি মিলেছে। এর মধ্যে শুটিং করার ইচ্ছা আছে?
    না, এখনই শুটিংয়ে যেতে চাই না। সিনেমা মানে শত মানুষের ইউনিট। সুতরাং এই অবস্থায় নিরাপদ নয়। তা ছাড়া আমার বাসায় মা–বাবা আছেন। এ কারণেই আমি শুটিং করব না আপাতত। মা–বাবাকে ভালো রাখার জন্যই কাজ।

    অনেকেই মনে করছিলেন, বছরটা হবে সিনেমার ঘুরে দাঁড়ানোর বছর। বড় বাজেটের পাঁচটি ছবি হাতে নিয়ে আপনারও বড় প্রাপ্তির বছর ছিল এটি। কিন্তু সবকিছু আটকে গেল….
    করোনাভাইরাসের কারনে সবকিছু থমকে গেল। প্রায় ডজনখানেক বড় বাজেটের ছবি মুক্তির প্রক্রিয়ায় ছিল এ বছর। আশা করেছিলাম, সিনেমা ঘুরে দাঁড়ানোর সূচনা হবে এই বছরে। ভিন্ন গল্প, ভিন্ন নির্মাণের অনেক ছবি দিয়ে আমারও বড় প্রাপ্তির বছর ছিল এটি। কিন্তু প্রকৃতির নির্মমতায় করোনায় সব এলোমেলো হয়ে গেল।

    এই পরিস্থিতিতে অবশিষ্ট অনেক সিনেমা হল একেবারেই বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাহলে সিনেমা চলবে কোথায়?
    আমার কাছে মনে হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ভাবনাকে পরিবর্তন করতে হবে। মাল্টিপ্লেক্স তো আস্তে আস্তে বাড়ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সিনেমা মুক্তির প্রক্রিয়ার মধ্যে আসতে হবে। আজ নেটফ্লিক্স সারা দুনিয়া শাসন করছে। শত শত কোটি টাকার বাজেটে ছবি নির্মাণ করে শুধু অ্যাপে মুক্তি দিয়েই লাভ ঘরে তুলে নিচ্ছে। এখন থেকে সে পথেই হাঁটার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পরিস্থিতি বুঝে এগোতে হবে আমাদের।

  • নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা, খুঁজছে ত্রিপুরার পুলিশ

    নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা, খুঁজছে ত্রিপুরার পুলিশ

    ভারতের টেলিভিশনের চ্যানেলে গান গেয়ে পরিচিতি পাওয়া গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল, এখন ভারতে যাওয়ামাত্রই গ্রেপ্তার হবেন। মামলা হওয়ার পর থেকে তাঁকে খুঁজছে ত্রিপুরার পুলিশ। ২৫ মে ত্রিপুরার বিলোনিয়া থানায় নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এদিকে মামলার বিষয়টি অবগত আছেন বলে জানিয়েছেন নোবেলও।

     বলেন, ‘মামলা হয়েছে, শুনেছি। আমি আপাতত নতুন গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। কাল এটা নিয়ে ভাবব।’
    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক মন্তব্য করায় নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ত্রিপুরার বিলোনিয়ার সুমন পাল। স্থানীয় বিলোনিয়া থানায় নোবেলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলাটি করা হয়েছে।

    পরিচয় প্রকাশ না করা শর্তে একটি সূত্র কে জানিয়েছে, নোবেলের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের একটি করে প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারের কাছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ভারতে ঢোকামাত্রই গ্রেপ্তার হবেন নোবেল। তাঁকে ত্রিপুরা পুলিশ খুঁজছে।

    যোগাযোগ করা হলে আগরতলা থেকে সহকারী হাইকমিশনার কিরীটি চাকমা বলেন, ‘মামলার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। এখানকার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নোবেলের মামলার খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।’

    জানা গেছে, সুমন পাল অভিযোগপত্রে তাঁর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে মন্দ মন্তব্য করায় নোবেলের ভারতের ভিসা বাতিল এবং তাঁর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানিয়েছেন। এর আগে বিশ্ববরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরুদ্ধেও কুরুচিকর মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন নোবেল।

    সুমন পাল সংবাদমাধ্যমে জানান, একজন ভারতীয় হিসেবে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন কুৎসাপূর্ণ মন্তব্য মেনে নিতে পারেননি, তাই নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার জন্য নোবেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

    জি বাংলার সারেগামাপা অনুষ্ঠানে গান গেয়ে যখন সবার প্রশংসায় ভাসছিলেন, ঠিক তখনই বিরূপ মন্তব্য করে সমালোচনায় পড়েন নোবেল। সারেগামাপা অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড ফিনালের আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বদল করার মন্তব্য করেন তিনি। সে সময় তিনি এ-ও বলেছিলেন, বাংলাদেশে তাঁর কাজ করার মতো কোনো সংগীত পরিচালক নেই। এমনকি তাঁর সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গান গাওয়ার যোগ্যতা দেশের কোনো নারী শিল্পী রাখেন না।

    ভারতের জি বাংলার সারেগামাপা অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পর নোবেল ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি ‘সুনন্দা’ শিরোনামে একটি গান প্রকাশ করবেন। সেটির খবর না দিতে পারলেও ‘তামাশা’ প্রচারণা করতে গিয়ে সমালোচনার শিকার হন নোবেল। গানের প্রচারের কৌশল হিসেবে দেশের সংগীতের কিংবদন্তিদের নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করে ১৯ মে বিতর্কে জড়ান। নিজের ফেসবুক পেজে নোবেল বলেছেন, ‘লিজেন্ডদের আমি শেখাব কীভাবে ২০২০ সালে মিউজিক করতে হয়!’ ভারতের রিয়েলিটি শো পরিচিতি পাওয়ার পর বিতর্কের জন্ম দেওয়া নোবেলের এ ধরনের কথা শুনে দেশের সংগীতাঙ্গনের অনেকেই অবাক ও বিস্মিত হয়েছেন। অনেকে এটাকে পাগলের প্রলাপও বলছেন।
    ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল জি বাংলার দাদাগিরি অনুষ্ঠানে নোবেল।ছবি: ফেসবুক থেকেভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল জি বাংলার দাদাগিরি অনুষ্ঠানে নোবেল।ছবি: ফেসবুক থেকে

    হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই নোবেলের মুখ থেকে এমন কথা শুনে শুরুতে কেউ বিশ্বাস করতে চাননি। ভেবেছিলেন, হয়তো ফেসবুক পেজ হ্যাক করে কেউ লিখে দিয়েছেন। তাই লিজেন্ডদের নিয়ে এভাবে লিখেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, যিনি দেশের জাতীয় সংগীত বদল করার কথা বলতে পারেন, তাঁর পক্ষে দেশের কিংবদন্তিদের নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলাটা কোনো বিষয়ই নয়। পোস্ট দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুক লাইভে আসেন নোবেল। তখন সবাই নিশ্চিত হয়ে যান, জেনে-বুঝে নোবেল এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেছেন। ফেসবুক লাইভে নোবেলও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলেছেন, তিনি জেনে-বুঝে পোস্টটি দিয়েছেন। লাইভে তিনি বলেছেন, ‘অ্যা ভাই, কী শুনলাম আমি। পেজ নাকি হ্যাক হইছে। কই পেজ তো হ্যাক হয়নি। আমি তো নোবেল। দেখেন রক্ত-মাংসের নোবেল। গাল টানলে গাল বাড়ে, নাক ধরা যায়। আমি নোবেল। সো নো প্রবলেম।’

    সম্প্রতি নোবেলের বিয়ের খবর প্রকাশ পায়। ছবি: ফেসবুক থেকেসম্প্রতি নোবেলের বিয়ের খবর প্রকাশ পায়। ছবি: ফেসবুক থেকে
    এদিকে গান নিয়ে সমালোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই ঈদের পরই সাত মাস আগে সেরে নেওয়া বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে চলে আসে। ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে এটি নোবেলের তৃতীয় বিয়ে হিসেবে চাউর হতে থাকে। কাছে নোবেল দাবি করেছেন, তৃতীয় বিয়ের ব্যাপারটি পুরোটাই মিথ্যা। ২৬ মে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে এর আগে কোনো মেয়ের বিয়ে হয়নি। তবে আমার সঙ্গে অনেক মেয়ের রিলেশন ছিল। এত মেয়ের রিলেশন ছিল যে গুনে শেষ করা যাবে না। এ অবস্থায় এখন যদি বলা হয় এটি আমার তৃতীয় বিয়ে, এটি ঠিক না। তৃতীয় বিয়ের খবরটি গুজব, বিভ্রান্তিকর।’

    নোবেল আরও জানিয়েছেন, নতুন গান ‘তামাশা’র কাজ শেষ। ইমন চৌধুরী মিক্স মাস্টারিং করছেন। বুধবার গানটির ভিডিওর শুটিং হয়েছে। ২৯ মে প্রোমো ছাড়ার ইচ্ছা আছে। ৭ জুন গানটি ইউটিউবে প্রকাশিত হবে।

    ভারতের টিভি চ্যানেল জি বাংলার সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো সারেগামাপার মাধ্যমে দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় হয়েছেন মাঈনুল আহসান নোবেল।

    গোপালগঞ্জের ছেলে নোবেল বড় হয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। লেখাপড়া করেছেন বাংলাদেশ ও ভারতে। মাথায় গানের পোকা ঢোকে কলকাতায় থাকতেই। মাত্র ৬০০ টাকায় পুরোনো সিগনেচার ব্যান্ডের গিটার কিনে তা দিয়েই শুরু করে দেন সংগীতচর্চা। কলকাতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ করে ২০১৪ সালে ঢাকায় ফেরেন নোবেল। এভাবে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা করতে করতে নোবেলের সঙ্গে গানের প্রেম পোক্ত হয়ে যায়।

  • রিলেশন অনেক ছিল, তবে বিয়ে এ প্রথম: নোবেল

    রিলেশন অনেক ছিল, তবে বিয়ে এ প্রথম: নোবেল

    গানের মানুষদের নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেওয়ায় কয়েক দিন ধরেই আলোচনা সমালোচনার মুখে পড়েছেন সারেগামাপাখ্যাত সংগীতশিল্পী নোবেল। সেই সমালোচনার রেশ এখনো কাটেনি। নতুন আলোচনা, সমালোচনার জন্ম দিলেন এই সংগীতশিল্পী। হঠাৎ করেই সোমবার দুপুরে তাঁর গোপন বিয়ের খবর, বিয়ের কাবিননামাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বলা হচ্ছে এটি তাঁর তৃতীয় বিয়ে। অন্যদিকে নোবেল বিয়ের খবর স্বীকার করলেও তৃতীয় বিয়েকে গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে যখন কথা হয় তখন তিনি বউ, ভাই ও বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে খিলগাঁওয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াতে ছিলেন। সেখান থেকেই মুঠোফোনে এসব নিয়ে বিস্তারিত জানান নোবেল।

    কবে বিয়ে করেছেন?
    ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর। প্রায় সাত মাস হয়ে গেল। আমার বউ সালসাবিল মাহমুদ আমার সঙ্গেই আছেন। বউ, ভাই ও এক বন্ধুকে নিয়ে খিলগাঁওয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াত খেতে এসেছি।

    প্রেমের বিয়ে?
    হ্যাঁ, প্রেম করে বিয়ে করেছি। পরিচয় হওয়ার পর আড়াই মাস প্রেম করেছি। একটা সময় আমরা দুজন সিদ্ধান্ত নিলাম বিয়ে করব। করে ফেলেছি।
    বিয়ে কি পারিবারিকভাবেই হয়েছে?
    বিয়ের দিন আমার পরিবার থেকে বাবা, মা সবাই ছিলেন। আমার মামা ও চাচা সাক্ষী ছিলেন। কিন্তু সালসাবিলের পরিবার থেকে কেউ ছিলেন না। বলতে পারেন, মেয়ে পালিয়ে বিয়ে করেছি। আমি পারিবারিকভাবেই করেছি। বিয়ের জন্য আমার সঙ্গে আমার ডেমরার বাসায় চলে আসে। সেখানে আমার পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। বিয়ে হয়। অবশ্য এক মাস পর আমার শশুরবাড়ির লোকজন জানতে পারে। এখন অবশ্য ঠিক হয়ে গেছে। সালসাবিলের পরিবার মেনে নিয়েছেন।

    নোবেল ও তাঁর স্ত্রী সালসাবিল। ছবি: সংগৃহীতনোবেল ও কীভাবে প্রেম হলো?
    আমি তখন শো করতে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম। হিউস্টনে একটি শো শেষে অ্যারিজোনাতে যাচ্ছিলাম। বিমানে থাকা অবস্থায় সালসাবিল আমাকে ইনস্টাগ্রামে নক দিয়েছিল। এভাবেই পরিচয়। এরপর দেশে আসি। তার সঙ্গে দেখা করি। আড়াই মাস চুটিয়ে প্রেম করার পর বিয়ে করে ফেলি। এখন আমরা দুজন রাজধানীর নিকেতনের বাসায় থাকি।
    প্রায় সাত মাস আগে বিয়ে। ভক্ত, দশর্কের কাছ থেতে গোপন রাখলেন কেন?
    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে বেশ কয়েক মাসের জন্য ভারতে শো করতে গিয়েছিলাম। নানা ব্যস্ততার কারণে জানানো হয়নি। এখন তো সবাই জেনে গেল। ভালোই হয়েছে সবাই জেনে গেছে। আমি খুশি হয়েছি। কারণ বিয়ের বিষয়টা কীভাবে সবাইকে জানাব, তা নিয়ে একটু ইতস্তবোধ ছিল। এখন মনে হচ্ছে আমি চাপমুক্ত হলাম।

    কিন্তু হুট করে জেনে যাওয়ার কারণে আপনি অস্তস্তির মধ্যে পড়ে গেলেন না?

    না না, ভালো হয়েছে। বিয়ের বিষয়টা সবাইকে কীভাবে জানাব, তা নিয়ে কনফিউজ ছিলাম। তা ছাড়া বিয়েটা একেবারেই ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটিকে বাজারজাত করার কিছু আছে বলে আমি মনে করি না। তারপরও আমরা পাবলিক ফিগার। দশর্ক–ভক্তরা আমাদের সবকিছু জানতে চাই, আগ্রহ থাকে। এখানে দর্শকের বঞ্চিত করার কিছু নেই। দর্শক, স্রোতাদের বলতে চাই, দোয়া করবেন। বউকে নিয়ে যেন সামনের দিনগুলো সুখে কাটাতে পারি।

    কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে এটি আপনার তৃতীয় বিয়ে। তাই কি?

    না, এটা পুরোটাই মিথ্যা। আমার সঙ্গে এর আগে কোনো মেয়ের বিয়ে হয়নি। তবে আমার সঙ্গে অনেক মেয়ের রিলেসন ছিল। এত মেয়ের রিলেসন ছিল যে গুনে শেষ করা যাবে না। আর বয়সের কারণে এটা হয়ই। বিয়ের আগে সবার জীবনে এমন প্রেম থাকেই। কারোর কম, কারোর বেশি। আমার একটু বেশিই ছিল। এই অবস্থায় এখন যদি বলা হয় এটি আমার তৃতীয় বিয়ে, এটি ঠিক না। তৃতীয় বিয়ের খবরটি গুজব, বিভ্রান্তিকর।

    নোবেল । ছবি: প্রথম আলোনোবেল । বিয়ের অনুষ্ঠান কবে করবেন?
    আরও পরে। সবাই বলে না, সাবলম্বী হয়ে বিয়ে করতে হয়। আমি তাই আমার মৌলিক গান নিয়ে আগে সাবলম্বী হব, তারপর বিয়ের অনুষ্ঠান করব।

    ‘তামাশা’ গানের খবর কী?
    গান তো করা শেষ। ইমন চৌধুরী মিক্স মাস্টারিং করছেন। তিনি দেশের বাড়িতে গেছেন। কাল হয়তো চলে আসবেন। আগামীকাল গানটির ভিডিওর শুটিং করব। আমার বাসায়ই শুটিং হবে। ২৯ মে প্রোমো ছাড়ার ইচ্ছা আছে। ৭ জুন গানটি ইউটিউবে প্রকাশিত হবে।

  • মামুন মোয়াজ্জেম এর দুটি কবিতা

    মৃত্যুর মিছিলের ভেতর
    বাঁকা চাঁদ অকস্মাৎ এসে যায়
    জীবন নাশ ও বিকাশের দোলাচলে নাচে পৃথিবী !

    অসুস্থ পৃথিবী পীড়িত আঙ্গুল তুলে জানায়
    জীবনের জয়গানই শ্রেয়
    জীবের কোলাহলই পৃথিবীর প্রাণ
    সবুজের অবাধ বিথার আসমুদ্রহিমাচল
    মানব স্পন্দনেই জাগ্রত !

    কোনকোন দুখিনী ঈদ আসে
    দুঃখে আনন্দ জাগাতে
    আমরা জাগি-
    কুলহারা প্রবল ঢেউয়ে আমরা তরী ভাসাই
    ধ্বংস স্তুপে ডানা মেলি আমরা ফিনিক্স পাখি।

    তবুও ঈদ
    দুঃখের নোনাজলে পুত হয়ে জেগে ওঠার ঈদ !!

    শুধু একটি সংখ্যা বা ছবি পর্যন্তই কী মানবজীবন

    এক ঘূর্ণাবর্তে যারা চলে যায়
    তারা কী খসে পড়া তারার নামে শুধুই সংখ্যা ?

    হে মানুষ, তোমার পিন্ডি চটকাতে বড়ো বেশি
    আয়োজনের প্রয়োজন নেই !
    কিছু ভেজাল বাতাসের নগণ্য কারসাজিতেই
    তুমি অস্তিত্ব বিহীন-
    তারপর একটি সংখ্যা পরিবারের বারকোশে একটি ছবি
    নগণ্য একটু ইতিহাস !

    জনে জনে নগরে নগরে নানান ভোজবাজি কারসাজিতে
    সূর্যের তেজকেও ম্লান করে দাও অহংকারের আগুনে
    বুকের ভেতর টিমটিমে জ্বলা প্রাণ প্রদীপের কথা
    তুমি ভুলে যাও
    চায়ের গল্পে ওঠে দাম্ভিক স্বগতোক্তি
    যেন তোমার দয়ায় বেঁচে থাকে পুরো পৃথিবী !

    অথচ একটি দুটি সংখ্যা ভিন্ন তুমি কিছু নও
    একটি সংখ্যা থেকে একটি ছবি না হয় একটি
    গ্রুপ ছবির ক্ষুদ্র ইতিহাস পর্যন্তই তুমি’র সাকুল্যে মানব !
    যদি আসে ঘূর্ণাবর্ত
    যদি না আসে হাত পা’র অবলম্বনের কোন ফুরসৎ !

  • র‍্যাব কার্যালয়ে ডাক, ক্ষমা চাইলেন নোবেল

    র‍্যাব কার্যালয়ে ডাক, ক্ষমা চাইলেন নোবেল

    ফেসবুক পেজে দেওয়া নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ‘সারেগামাপা’খ্যাত সংগীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল। এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি বিভ্রান্তিমূলক স্ট্যাটাসগুলোও মুছে দিয়েছেন তাঁর ফেসবুক পেজ থেকে। নানান সমালোচনা এবং র‍্যাব কার্যালয় থেকে ফিরে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ভিভিও বার্তার শুরুতেই দেশবাসীকে ঈদ মোবারক জানিয়ে নোবেল বলেছেন, ‘আমি মনে হয় বেশি বেশি করে ফেলেছি। মানুষ আমার ওপরে ক্ষিপ্ত অবস্থায় আছেন। সে জন্য আমি আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থী এবং দুঃখিত।’

    ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে কারও ওপর আক্রমণ করে কিছু বলিনি। আমি সব সময় আমার ফেসবুক পেজে বলে এসেছি আমি যা কিছু করেছি আমার গানের প্রচারের জন্য করেছি। তারপরও কষ্ট পেলে আমাকে সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’

    Nagorik TV

    ফেসবুক পেজে নিজের ছবি দিয়ে নানা রকমের স্ট্যাটাস দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন নোবেল। ছবি: ফেসবুক থেকেফেসবুক পেজে নিজের ছবি দিয়ে নানা রকমের স্ট্যাটাস দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন নোবেল। ছবি: ফেসবুক থেকেগেল মঙ্গলবার তাঁর ফেসবুক পেজে একটা স্ট্যাটাস দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের সংগীতশিল্পীদের গত দশ বছরে কোনো অর্জন নেই। এমনকি সংগীত লেজেন্ডদেরও তিনি গান শেখানোর কথা তাঁর স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন। এটি নোবেলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগীতপ্রেমী শ্রোতা ও সংগীতের মানুষেরা তাঁর বিরুদ্ধে ঝড় তুলেছেন।

    এর একদিন পরই ইউটিউবার তাহসিনেশনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন ‘সারেগামাপা’খ্যাত এই সংগীতশিল্পী। একে অপরের নামের বিকৃতিসহ আক্রমণাত্মক স্ট্যাটাস দিতে থাকেন দুজনই।

    নোবেলকে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক স্ট্যাটাস থেকে বিরতি থাকতে গত পরশু সাইবার ক্রাইম (ডিএমপি) বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নাজমুল ইসলাম তাঁর ফেসবুকে সতর্কতামূলক একটি স্ট্যাটাস দেন। পরে দুঃখ প্রকাশ করে ওই স্ট্যাটাস নোবেল তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ারও দেন। কিন্তু নোবেলের আপত্তিকর স্ট্যাটাসগুলো তাঁর ফেসবুক পেজে রয়েই যায়।

    নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেন নোবেল। ছবি: ফেসবুক থেকেএরপর র‍্যাব–২–এর নজরে এলে গতকাল সন্ধ্যায় নোবেলকে আগারগাঁও অবস্থিত র‍্যাব–২–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনির জামান তাঁকে ডেকে নেন। সেখানে যাওয়া পর নোবেল তাঁর ভুল স্বীকার ভিডিও বার্তা দেন।

    বিষয়টি স্বীকার করে নোবেল বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যার আগে আমি, আমার এক বন্ধু ও ভাই বনানীতে কিছু কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম। সে সময় র‍্যাব–২–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনির জামান ভাই আমাকে ফোনে করে র‍্যাব কার্যালয়ে যেতে বলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে সেখানে চলে যাই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘র‍্যাব কার্যালয়ে যাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে ঘণ্টাখানেক কথা হয়। তিনি আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছেন। তিনি আমার দেওয়া কয়েক দিনের স্ট্যাটাসের বিষয়টি বুঝিয়েছেন। এরপর আমি আমার ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছি।’

    সংগীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল। ছবি: ফেসবুক থেকেএ ব্যাপারে র‍্যাব–২–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনির জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘নোবেল গানের মানুষদের অপমান করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের স্ট্যাটাস দিতে পারেন না। তাহসিনেশনের সঙ্গে বাদাবাদি করে যে ধরনের স্ট্যাটাস তাঁরা ব্যবহার করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা নোবেলকে ডেকেছিলাম। তিনি সব ভুল স্বীকার করেছেন।’ যদিও তিনি বলেছিলেন, ‘এটি তাঁর গানের প্রচারের কৌশল। কিন্তু গানের প্রচারের জন্য এ ধরনের কৌশল হতে পারে না। পরে তিনি ক্ষমা চেয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। এবং আমাদের কথা দিয়েছেন ভবিষ্যতে এ ধরনের স্ট্যাটাস আর দেবেন না।’

    এরপর   এক সাক্ষাৎকারে নোবেল বলেছেন, ‘“তামাশা” নামে আমার একটি মৌলিক গান আগামী মাসে আমার ইউটিউব চ্যানেল “নোবেলম্যান” থেকে প্রকাশিত হবে। গানটির প্রকাশের আগে আগে একধরনের তামাশা করেই মার্কেটিং কৌশল নিয়েছি। এর বাইরে কিছুই নয়।’ তিনি জানান, ৭ জুনের মধ্যে আসবে। একই সঙ্গে হিন্দি ও ইংরেজিতেও প্রকাশিত হবে গানটি। লেখা, সুর ও সংগীত জিহানের। ভিডিওর কাজ চলছে। মোট পাঁচটি গান করেছি। সেখান থেকে ‘তামাশা’ গানটি প্রকাশিত হবে।