Category: বিনোদন

  • সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মিলার মামলা : প্রতিবেদন ২৪ ফেব্রুয়ারি

    সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মিলার মামলা : প্রতিবেদন ২৪ ফেব্রুয়ারি

    অনলাইন ডেস্ক:

    সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে সংগীতশিল্পী মিলার সাবেক স্বামী পাইলট পারভেজ সানজারিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

    আজ সোমবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম সাইবার ইউনিট প্রতিবেদন দাখিল না করায় বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে ১১ জুলাই বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে সংগীতশিল্পী মিলা ইসলাম এ মামলা করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- এসএম আর রহমান এবং খান আল-আমিন।

    আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজমের সাইবার ইউনিটকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    এর আগে ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মারধর ও যৌতুকের অভিযোগে মিলা বাদী হয়ে সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারির নামে মামলা করেন। মামলার পরই সানজারিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    পরে এসিড হামলা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পারভেজ সানজারি গায়িকা মিলার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনে রয়েছেন মিলা। সেই সঙ্গে আট সপ্তাহ পর তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার : সেরা অভিনেত্রী তিশা ও জয়া

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার : সেরা অভিনেত্রী তিশা ও জয়া

    অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান ঘটলো। এলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ঘোষণা। তথ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ ও ২০১৮ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে আজ ৭ নভেম্বর। জানা গেল বিগত দুই বছরে চলচ্চিত্রে বিভিন্ন বিভাগে সেরাদের নাম।

    সেই সঙ্গে জানা গেল দুই বছরে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ীদের নাম। ঘোষণা অনুযায়ী ২০১৭ সালের সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘হালদা’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তাকে পুরস্কৃত করতে যাচ্ছে রাষ্ট্র।

    ২০১৬ সালের ‘অস্তিত্ব’ ছবির জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন তিশা। এবার তার হাতে দ্বিতীয়বারের মতো উঠতে চলেছে এই পুরস্কার।

    অন্যদিকে ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দেবী’ ছবিতে রানু চরিত্রে মুগ্ধতা ছড়ানো জয়া আহসানকে
    সেরা অভিনেত্রীর স্বীকৃতি দিয়েছে জুরিবোর্ড। এর ফলে দ্বিতীয়বারের মতো মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতলেন জয়া।

    এর আগে তিনি ২০১৫ সালে ‘জিরো ডিগ্রি’ ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন। অনিমেষ আইচ পরিচালিত সেই ছবিতে জয়ার বিপরীতে ছিলেন মাহফুজ আহমেদ।

    দুই বছরের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণায় ২০১৭ সালের সেরা ছবি হয়েছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ এবং ২০১৮ সালের সেরা ছবি ‘পুত্র’। সেরা পরিচালক হয়েছেন ২০১৭ সালের ছবি ‘গহীন বালুচর’র নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ২০১৮ সালের সেরা নির্মাতা হিসেবে পুরস্কার জিতেছেন ‘জান্নাত’ ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

    ২০১৭ সালে যৌথভাবে সেরা নায়ক হয়েছেন ‘সত্তা’ ছবির জন্য শাকিব খান ও ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির জন্য আরিফিন শুভ। ২০১৮ সালে ‘পুত্র’ ছবি দিয়ে সেরা অভিনেতা হয়েছেন ফেরদৌস এবং ‘জান্নাত’ ছবি দিয়ে সেরা অভিনেতা সাইমন সাদিক।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দিতে জুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। গঠিত বোর্ড সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলো মূল্যায়ন করে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম সুপারিশ করেছে। তারই ভিত্তিতে প্রদান করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

    ১৩ সদস্য বিশিষ্ট জুরি বোর্ডে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) সভাপতি করা হয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্য-সচিব হিসেবে এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (চলচ্চিত্র) ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    এছাড়া ২০১৭ সালের জুরি বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান বুলবুল, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক এম এ আলমগীর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রগ্রাহক পংকজ পালিত ও সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম।

    ২০১৮ সালের জুরি বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, চলচ্চিত্র অভিনেতা ড. এনামুল হক, সংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, গীতিকার ও সংগীত পরিচালক হাসান মতিউর রহমান, অভিনেত্রী রওশন আরা রোজিনা, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থার যুগ্ম-মহাসচিব তপন আহমেদ।

    এবার মোট ২৮টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। সেগুলো হলো আজীবন সম্মাননা, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে, শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী, শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার, শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক, শ্রেষ্ঠ গায়ক, শ্রেষ্ঠ গায়িকা, শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ সুরকার, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার, শ্রেষ্ঠ চিত্র নাট্যকার, শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা, শ্রেষ্ঠ সম্পাদক, শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক, শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক, শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা এবং শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান।

  • এবার মিথিলা-ফাহমির নামে ভিডিও ভাইরাল, নেয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা

    এবার মিথিলা-ফাহমির নামে ভিডিও ভাইরাল, নেয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী মিথিলা ও নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমির অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকেই ফেসবুকের বেশকিছু গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে কয়েকটি ছবি। যেখানে ফাহমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে মিথিলাকে।

    পরে জানা যায়, ফাহমির ফেসবুক পেজটি হ্যাক করা হয়েছে। সেই পেজ থেকেই ছড়ানো হয়েছে ছবিগুলো। সেই সঙ্গে বিভ্রান্তি ছড়ানো নানা মন্তব্যও করা হচ্ছে পেজ থেকে।

    সেই উত্তাপে নতুন করে আজ মঙ্গলবার থেকে ছড়িয়ে পড়েছে মিথিলা-ফাহমির নামে কিছু অশ্লীল ভিডিও। মূলত এগুলো সবই ভুয়া ভিডিও বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিভিন্ন পর্নো সাইট থেকে ডাউনলোড করে মিথিলা ও ফাহমির নামে প্রচার করা হচ্ছে ভিডিওগুলো। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    এদিকে জানা গেছে, হ্যাক হওয়া পেজ উদ্ধার করতে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি। তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, দ্রুতই পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সাহায্য নেবেন এই নির্মাতা। করবেন জিডি।

    কে বা কারা পেজ হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত আপাতত অনুমানের ভিত্তিতে সেটি যাচাই-বাছাইয়ের চেষ্টা চলছে। আজই আইনিভাবে হ্যাকারদের শনাক্ত করা হতে পারে। সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অশ্লীল ছবি ও ভুয়া ভিডিও ছড়াচ্ছেন তাদেরও নজরদারিতে আনা হবে। বিশেষ করে নানা রকম বানোয়াট তথ্যে মিথ্যা ছবি দিয়ে ভিডিও তৈরি করা ইউটিউবারদের ব্যাপারেও শক্ত অবস্থানে যাচ্ছেন ফাহমি।

    ফেসবুকে ছড়ানো ছবি ও ভিডিও প্রচারকারীদের ব্যাপারে কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে কী না এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাইবার ক্রাইমের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    তবে গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই মিথিলা-ফাহমি দুজনই ফোন বন্ধ করে রেখছেন। ভাইরাল হওয়া ছবি নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

    এদিকে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতার অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হওয়ায় শোবিজের মানুষদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে ক্ষোভ। কারো আইডি হ্যাক করে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়াটাকে গর্হিত অপরাধ বলে দাবি করছেন তারা।

    প্রসঙ্গত, গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খানের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর বেশ কয়েকজনের সঙ্গে অভিনেত্রী, সমাজকর্মী মিথিলার প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায়। সে তালিকায় ছিলেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি, জন কবির। তবে তাদের সঙ্গে শুধু ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’র সম্পর্ক আছে বলেই দাবি করেন মিথিলা।

    এরপর গত বছর হঠাৎ করেই কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে ভাইরাল হয় মিথিলার প্রেমের খবর। তখনও সৃজিতকে নিজের ভালো বন্ধু বলে দাবি করেন মিথিলা। কিন্তু দিন দিন সৃজিত-মিথিলার সম্পর্ক ডালপালা মেলেছে দুই বাংলায়। তাদের বিয়ে হবে বলেও কলকাতার গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। সম্প্রতি নেপালের নাগরকোটের একটি দোকানে দেখা যায় তাদের।

    সৃজিতের সঙ্গে যখন তার বিয়ের গুঞ্জন তুঙ্গে তখনই প্রকাশ হলো ফাহমির সঙ্গে মিথিলার অন্তরঙ্গ ছবিগুলো, যা মিথিলাকে রাতারাতি ‘বিতর্কিত তারকা’ হিসেবে নিন্দিত করেছে।

    অন্যদিকে নির্মাতা ফাহমি সম্প্রতি ‘কে হবে মাসুদ রানা’ নামক রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসেবে প্রতিযোগীদের সঙ্গে বাজে আচরণের কারণে সমালোচনার শিকার হন।

  • মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা তরুণী এখন জনপ্রিয় অভিনেত্রী

    মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা তরুণী এখন জনপ্রিয় অভিনেত্রী

    বয়সের তুলনায় সংগ্রামটা করেছেন তিনি অনেক বেশি। এটা যেমন ক্যারিয়ারের জন্য তেমনি বেঁচে থাকার জন্যও। মাত্র দুই বছরের ক্যারিয়ার তার। টেলিজগতে জনপ্রিয়মুখ হয়ে উঠেছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা।

    শুধু অভিনেত্রী হিসেবে নন, তার অসম্ভব মনের জোর ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধে তার লড়াকু মনোভাবের জন্যেও তিনি সবার প্রিয়। সিনিয়ররা আদর করে, জুনিয়ররা ভালোবেসে জড়িয়ে রাখে। অনেকের কাছে তিনি অনুপ্রেরণাও।

    মুর্শিদাবাদের ছোট শহর থেকে কলকাতায় এসেছিলেন পড়াশোনা করতে। তার পরে কীভাবে হয়ে উঠলেন অভিনেত্রী, সেই গল্প ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় জানিয়েছেন ঐন্দ্রিলা। আর সেটা জানাতে গিয়েই বললেন মৃত্যুকে জয় করে ফেরা সেই করুণ কাহিনির কথাও।

    ঐন্দ্রিলা জানান, ২০১৫ সালে তার ক্যানসার ধরা পড়ে। ক্যানসারের ট্রিটমেন্টটা অসম্ভব পেনফুল। সেটা মুখে প্রকাশ করতে পারেন না তিনি। তারউপর ছিলো বোন ম্যারো টেস্ট, বায়োপসি টেস্ট। আর কেমোর যন্ত্রণা তো ছিলোই। সেটা ভয়াবহ। এসব কিছু জীবনটাকে দুর্বিষহ করে তুলেছিলো এই অভিনেত্রীর।

    ঐন্দ্রিলার ভাষ্যে, ‘অনেকে এই কথাগুলো বলতে পছন্দ করে না। বা বলতে চায় না হয়তো, পুরনো মেমরিগুলো চলে আসে বলে। কিন্তু আমার মনে হয় যদি আমার কথা শুনে, এখন যাঁরা সাফার করছেন, তাদের ফ্যামিলি বা তারা একটু হলেও সাহস পান, তবে সেটা আমার কাছে একটা বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট।

    যারা ফিল করেছে বা সামনে থেকে দেখেছে তারা ছাড়া বোঝা সম্ভব নয় ক্যান্সারের ভয়াবহতা। কিন্তু একটা জিনিস, খুব হেল্প করেছে। সেটা হলো মনের জোর। ফ্যামিলি সাপোর্ট তো সব সময়েই পেয়েছি। তবে সঙ্গে ছিলো মনের জোর। আমি কখনো ভাবিনি যে, আমার জীবন এখন শেষ।

    যেটা হয় সাধারণত, ক্যানসার নামটা শুনলেই তো মনে হয় এখানেই যেন জীবনটা ফুলস্টপ হয়ে যাবে। কিন্তু এই ভাবনাগুলো কিন্তু শারীরিক অবস্থাকে আরও খারাপ করিয়ে দেয়। মনের জোরটা রাখাটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট। আমি সেটা পেরেছিলাম।’

    কলকাতার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘ঝুমুর’ দিয়ে আলোচনায় আসেন মিষ্টি হাসির ঐন্দ্রিলা। এরপর তিনি জনপ্রিয়তা পান ‘জীবনজ্যোতি’ সিরিয়ালে। বর্তমানে তার অভিনীত ‘জিয়নকাঠি’ও তুমুল হিট দুই বাংলার সিরিয়ালপ্রেমীদের কাছে। এখানে জাহ্নবী চরিত্রে অভিনয় করছেন ঐন্দ্রিলা।

  • ‘অবতার’র মত চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে বাঁচবে সিনেমা হল’

    ‘অবতার’র মত চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে বাঁচবে সিনেমা হল’

    শুক্রবার (০১ নভেম্বর) বরিশাল নগরীর অভিরুচি সিনেমা হলে প্রদর্শিত হয়েছে মাহমুদ হাসান শিকদার পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘অবতার’। চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। হল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন ‘অবতার’ সিনেমা ভালমানের, দর্শকের উপস্থিতিও বেশ। এমন সিনেমা প্রতিমাসে অন্তত একটি মুক্তি পেলেও তাদের ব্যবসা টিকে থাকবে বলে জানান হলের ম্যানেজার পায়রা-মানব নামে খ্যাত রেজাউল কবির। নতুবা বরিশালের অন্যান্য সিনেমা হলের মত এই সিনেমা হলটিও গুগল ম্যাপ থেকে মুছে যাবে।

    রেজাউল কবির আরো বলেন, বাংলাদেশে নিয়মিত ভালোমানের সিনেমা মুক্তি না পাওয়ায় দর্শক হল মুখি হচ্ছে না। অবতারের মত সিনেমা বছরে ১০/১২টা মুক্তি পেলেও আমাদের ব্যবসা টিকে থাকবে। নয়তো ভারত-বাংলাদেশের যৌথ সিনেমায় ভর করে চলতে হবে। তাই আমরা বলবো বাংলা সিনেমা হলে এসে দেখতে।

    বরিশালের একমাত্র এই হলে ‘অবতার’ মুক্তির পরপরই দর্শকদের উচ্ছাস ছিলো তুঙ্গে। অনেকেই সিনেমা দেখে জানিয়েছেন অভিব্যক্তি। কেউ কেউ অনুভূতি প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। পরিচালককে জানিয়েছেন ধন্যবাদ।

    দর্শক অনিকেত মাসুদ জানিয়েছেন, গল্প চিরায়ত। সৃষ্টির শুরু থেকেই ভালো আর মন্দের যুদ্ধ। সাবজেক্ট সমসাময়িক মাদকের ভয়াবহতা। মাদক ব্যবসায়ীদের ভয়ানক শক্তির বিরুদ্ধে আগমন একজন অবতারের। পুরো চলচ্চিত্রটাকে কাল্পনিক দুই ভাগে করা যায় এই ভাবে, প্রথমার্ধ অবতার প্রাইম আর শেষ অংশ অবতার কনক্লুলেশন। অনেকগুলো জটিল অংকের সমাধান পাওয়া যায় চলচ্চিত্রটির শেষ অংকে। গল্পটার সক্ষমতা আছে দর্শক ধরে রাখার।

    কমপ্লিট ফিল্মের সবগুলো উপাদান এখানে বিদ্যমান। গানগুলো ভালো হয়েছে। মনে লেগে থাকার মতো। টাইটেল সং থেকে শুরু করে আইটেম সং, রোমান্টিক সং, সুফী ভাবধারার গানগুলোর কথা, সুর ও কম্পোজিশন উচু মানের। ফাইটিং গতানুগতিক। তামিল বা হিন্দি সিনেমার সাথে তুলনা করলে পরিচালকের প্রতি অবিচার করা হবে।

    সুফী গানের সাথে দৃশপট কিছুটা অসামঞ্জস্য মনে হয়েছে। লোকেশনের যথেষ্ট ভেরিয়েশন আছে। পুরো সিনেমাটায় গতি আছে। নির্মাণশৈলী ব্যাকরণ সম্মত ও দৃষ্টি নন্দন।

    অভিনয়ে রয়েছেন, মাহিয়া মাহি, আমিন খান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মিশা সওদাগর, সিবা সানুসহ সবাই যার যার জায়গা থেকে সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। নায়ক জেএইচ রুশোর নবাগত নায়ক হিসেবে অবশ্য ভালই করেছেন।

    সবকিছু মিলিয়ে অনেক দিন পর সিনেমা হলে বসে পুরো চলচ্চিত্র দারুণভাবে উপভোগ করার জন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য টিম অবতারের। গল্পের বাকি অংশ জানা ও দারুণ সময় উপভোগ করার জন্য দর্শককে অবশ্যই সিনেমা হলে গিয়ে অবতার দেখতে হবে। অবতারে সময়টা আপনার ভালোই কাটবে। জয় হোক দেশিয় বাংলা চলচ্চিত্রের।’

  • ঢালিউড কাপানো মাহিয়া মাহির জন্মদিন আজ

    ঢালিউড কাপানো মাহিয়া মাহির জন্মদিন আজ

    বিনোদন ডেস্ক:

    পরিবারের দেয়া নাম শারমিন আক্তার নিপা। তবে সবাই তাকে চেনন ভিন্ন নামে। ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। আজ ২৭ অক্টোবর, তার জন্মদিন।

    একুশে টেলিভিশনের পক্ষ থেকে মাহির জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা। শুভ জন্মদিন মাহিয়া মাহি।

    জন্মিদিনে বিশেষ কোন পরিকল্পনা না থাকলেও ঘরোয়া আয়োজনে দিনটি পালন করেন তিনি।

    মাহি ১৯৯৩ সালের আজকের এই দিনে রাজশাহীর তানোরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১২ সালে ‘ভালবাসার রং’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে রূপালি পর্দায় পা রাখেন এই নায়িকা। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এগিয়ে গেছেন সমান তালে। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু হিট, সুপারহিট সিনেমা।

    রূপালি পর্দার দর্শকদের কাছে তার আবেদন অন্যরকম। লোকে বলে- চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার পরে মাহিই একমাত্র নায়িকা যার নামের জোরে অনেক সিনেমা ব্যবসায়িক সফলতা পেয়েছে। যার প্রমাণ অগ্নি সিনেমার দুটি কিস্তি, পোড়ামন, দেশা দ্য লিডার, অনেক দামে কেনা ইত্যাদি। নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের গল্পে নির্মিত চলচ্চিত্র কৃষ্ণপক্ষতেও মাহি-রিয়াজ, ফেরদৌস, তানিয়া আহমেদের মতো অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে সমান তালে অভিনয় করে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন হালের এই জনপ্রিয় নায়িকা।

    এছাড়া সুপার হিট সিনেমা ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এ সাংবাদিক চরিত্রে মাহিকে দর্শক পেয়েছে ভিন্ন রূপে। যদিও এর আগে মাহি একই চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তবে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ দিয়ে তিনি আবারও চলে আসেন লাইম লাইটে। কারণ বিয়ের পর দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে ছিলেন মাহি।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ মে সিলেটের ব্যবসায়ী অপুর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মাহি। এরপর নতুন সংসার, নতুন আত্মিয়দের সামলে নিতে কিছুটা সময় নেন তিনি। যদিও এখনও চলচ্চিত্র বোদ্ধারা মনে করেন বর্তমানে মাহিই বাংলাদেশের শীর্ষস্থান দখল করা অভিনেত্রী।

  • যে কারণে হেরে গেলেন মৌসুমী

    যে কারণে হেরে গেলেন মৌসুমী

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    অনেক আশা জাগিয়েও ইতিহাস করতে পারলেন না প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা মৌসুমী। গতকাল (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নারী সভাপতি হিসেবে ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছেন এই নায়িকা।

    ভোট গণনা শুরু হওয়ার পরও বারবার এসেছে মৌসুমী এগিয়ে আছেন। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সময় জানা গেল ১০২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিশা সওদাগর।

    ভক্ত-দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে মৌসুমী থাকলেও ২২৭ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর। মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট।

    এদিকে কেন হেরে গেলেন মৌসুমী সেই আলোচনা চলছে দিনভর। আলোচনায় ঘুরেফিরে এসেছে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার রাজনীতি। অনেকে এটাকে ‘ব্যাড পলিটিক্স’ বলেও অভিহিত করছেন। তবে রাজনীতির মাঠে ভোটার টানতে এ রাজনীতিকে স্বাভাবিক বলেই মানছেন অনেকে।

    এবারের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ মুহূর্তে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকায় দেখা যায় ব্যাপক পরিবর্তন। পুরনো ১৮১ জন সদস্যকে অযোগ্য ঘোষণা করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয় মিশা-জায়েদ প্যানেলের ফেভারে থাকা একঝাঁক ভোটার। যেখানে নবাগত নায়ক-নায়িকাদের পাশাপাশি আছেন ফাইটারদের সমিতি ও নৃত্যশিল্পীদের সমিতির সদস্যরা। ফাইটার আরমান ও নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুলের নেতৃত্বে এই দুই সংগঠনের ভোটাররা মিশা-জায়েদ প্যানেলকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে অভিনেতা ওমর সানি বলেন, ‘প্রকৃত শিল্পীরা মৌসুমীকে ভোট দিয়েছেন এই বিশ্বাস আমার আছে। কিন্তু শিল্পী সমিতিতে আরও দুটি অংশ রয়েছে, যেগুলোর সদস্যরা নির্বাচনে ভাইটাল ভূমিকা রেখেছে। তারা হলো নৃত্যশিল্পী ও ফাইটের লোকজন।’

    ‘এদের মধ্যে ফাইটের যে গ্রুপটা রয়েছে তাদের কাছ থেকে আমরা ভোট পাইনি। এরা নির্বাচনের সময় সবাই মিলে এক হয়ে যায়। এদের কীভাবে তারা ম্যানেজ করেছে সেটা আমি বলতে চাই না। নির্বাচনের আগে তারা একটা ভোটব্যাংক বানিয়ে নিয়েছে। হেরে যাওয়ার এটা অন্যতম কারণ।’

    তবে হেরে গেলেও বিজয়ীদের জন্য শুভকামনা রাখছেন ওমর সানি। মৌসুমীকেও তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রতিবন্ধকতার মুখেও লড়াই করার জন্য।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় শেষ হয়। এবারের নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ৪৪৯ জন। এদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৮৬ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ৩৫২টি।

    এবার সভাপতি মিশা সওদাগরের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদ খান। তিনি হারিয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াস কোবরাকে।

  • ভিলেনের কাছে নায়িকার পরাজয়

    ভিলেনের কাছে নায়িকার পরাজয়

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    সব কৌতুহলের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এবারও সভাপতি পদে মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান নির্বাচিত হয়েছেন। যদিও গুজব ছড়িয়েছিল যে চিত্রনায়িকা মৌসুমী প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন! কিন্তু পরবর্তিতে মিশা-মৌসুমী ফেসবুকে লাইভে এসে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করেন।

    শুক্রবার রাত ১টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।

    তিনি জানান, সভাপতি পদে মিশা পেয়েছেন ২২৭ ভোট এবং মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান পেয়েছেন ২৮৪ ভোট এবং ইলিয়াস কোবরা পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

    অতীতের নির্বাচনগুলোতে একাধিক প্যানেল থাকলেও এবার মিশা সওদাগর এবং জায়েদ খান প্যানেলের বাইরে কোনো প্যানেল ছিল না। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে সভাপতি পদে খলনায়ক মিশা সওদাগরের বিপক্ষে লড়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

    সহ-সভাপতির দুটি পদে প্রার্থী হন মনোয়ার হোসেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইলিয়াস কোবরা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে লড়েছেন আরমান ও সাংকো পাঞ্জা।

    সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অভিনেতা সুব্রতর বিপরীতে কোনো প্রার্থী ছিল না। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়েছেন নূর মোহাম্মদ খালেদ আহমেদ ও চিত্রনায়ক ইমন। দফতর ও প্রচার সম্পাদক পদে একাই ছিলেন জ্যাকি আলমগীর। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাকির হোসেন ও ডন। কোষাধ্যক্ষ পদে লড়েছেন অভিনেতা ফরহাদ। এ ছাড়া সুব্রত, জ্যাকি, আলমগীর ও ফরহাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

    নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদ সদস্যের ১১টি পদের জন্য প্রার্থী হয়েছিলেন ১৪ জন। তারা হলেন-অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, বাপ্পারাজ, রঞ্জিতা, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী, নাসরিন, মারুফ আকিব ও শামীম খান (চিকন আলী)।
    উল্লেখ্য, শুক্রবার শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, চলে বিকেল ৫টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও পরে সময় বাড়ানো হয়।

    নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৪৪৯, তবে ভোট পড়েছে ৩৮৬টি।

    নির্বাচিত হলেন যারা :

    সভাপতি : মিশা সওদাগর।
    সাধারণ সম্পাদক : জায়েদ খান।
    সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন : ডিপজল ও রুবেল।
    সহ-সাধারণ সম্পাদক : আরমান।
    সাংগঠনিক সম্পাদক : সুব্রত।
    আন্তর্জাতিক-বিষয়ক সম্পাদক : ইমন।
    দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক : জ্যাকি আলমগীর।
    সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক : জাকির হোসেন।
    কোষাধ্যক্ষ : ফরহাদ।

    কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য : অঞ্জনা সুলতানা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী, নাসরিন, বাপ্পারাজ, মারুফ আকিব ও রোজিনা।

  • আবারও ক্ষমতায় মিশা-জায়েদ

    আবারও ক্ষমতায় মিশা-জায়েদ

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর। আর সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। 

    শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টায় নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। এতে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছেন ২২৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ পেয়েছেন ২৮৪ ভোট,  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইলিয়াস কোবরা পেয়েছেন ৬৮ ভোট। সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও চিত্রনায়ক রুবেল। তাদের প্রাপ্ত ভোট যথাক্রমে ৩১১ ও ২৯৩।

    সহ সম্পাদক পদে ২৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আরমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাংকোপাঞ্জা পেয়েছেন ৭১ ভোট। আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ২৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক ইমন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ পেয়েছেন ১০৫ ভোট। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাকির হোসেন ২৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডন পেয়েছেন ১২২ ভোট।

    কার্যকরী পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, পাশে তাদের প্রাপ্ত ভোট
    অরুনা বিশ্বাস ৩১৫
    অঞ্জনা ৩২৪
    আফজাল শরীফ ২৯৩
    আসিফ ইকবাল ৩১৪
    আলেকজান্ডার বো ৩৩৭
    জেসমিন ৩০৯
    জয় চৌধুরী ৩০৩
    নাসরিন ১৮১
    মারুফ আকিব ২৭৩
    রোজিনা ৩২০

    কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদি নির্বাচনে তিন পদে বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়েছে তিনজন। তারা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ।

    এর আগে সকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিএফডিসি শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৮৬ শতাংশ। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ৪৪৯ জন। নির্বাচন কমিশনের সূত্রমতে, ভোট দিয়েছেন ৩৮৬ জন।

    এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও খলনায়ক মিশা সওদাগর। সমিতির ২১টি পদের মধ্যে নির্বাচন হয় ১৮টির।

    সুত্র: সময় টিভি অনলাইন পোর্টাল

  • জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন মৌসুমী

    জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন মৌসুমী

    বাংলার মুখ ডেস্ক ::

     বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টায়।

    ঢাকাই সিনেমায় নতুন একটি ইতিহাস গড়তে গড়লেন মৌসুমী। যদিও একটি ইতিহাস এরই মধ্যে গড়েছেন। সেটা হচ্ছে- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ইতিহাসে সভাপতি পদে কোনো নারীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইতিহাস। মৌসুমীই প্রথম নারী প্রার্থী; যিনি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এবার জয়ী হয়ে সেই ইতিহাস আরো জোরালোভাবে শিল্পী তথা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে।

    অতীতের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনগুলোতে একাধিক প্যানেল থাকলেও এবার মিশা সওদাগর এবং জায়েদ খান প্যানেলের বাইরে কোনও প্যানেল নেই। একাধিক প্যানেল না থাকায় নির্বাচন নিয়ে সাধারণ শিল্পীদের মাঝে উচ্ছ্বাস অনেকটাই কম ছিলো।

    এবার সভাপতি পদে লড়ছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও খলনায়ক মিশা সওদাগর। সহ-সভাপতির দুটি পদে প্রার্থী হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াস কোবরা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন আরমান ও সাংকো পাঞ্জা।

    বিস্তারিত আসছে……