Category: বিনোদন

  • ‘মাসুদ রানা’ বিতর্ক নিয়ে যা বললেন ফারিয়া

    ‘মাসুদ রানা’ বিতর্ক নিয়ে যা বললেন ফারিয়া

    অনলাইন ডেস্ক :

    বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ‘মাসুদ রানা’র খোঁজে গত ২ আগস্ট থেকে চ্যানেল আইতে শুরু হয়েছে রিয়েলিটি শো। ‘কে হবে মাসুদ রানা’ নামের এ শোয়ের বাছাই কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। অনুষ্ঠানের একাধিক ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।

    স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো :

    প্রসঙ্গ মাসুদ রানা:
    আমি কয়েকটি পয়েন্টে কথা বলতে চাই। শুরুটা করছি প্রশ্ন দিয়েই।
    আমি বিশ্বাস করি আমার ভক্ত ও বন্ধুরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ। আপনাদের কি মনে হয়, ক্যামেরার সামনে থাকা মানুষগুলোর ব্যক্তিগত অভিমত দেওয়ার জায়গা কি খুব থাকে এসব বিচারকার্যে? কিংবা বিচারকদের ব্যক্তিগত ছবি মাসুদ রানা?

    শুরু থেকেই আমরা জেনেছি এটি বিগ বাজেটের একটি চলচ্চিত্র। যার বাজেট নাকি ৮৩ কোটি টাকা! যেখানে দুই কোটিতে আমরা একটি ছবি নির্মাণ করি, সেখানে এর বাজেট ৮৩ কোটি!

    এত টাকার লগ্নির কারণ ডিটেইল কাজ করছে তারা। এই যে বিচারকাজ, গ্রুমিং সবই হচ্ছে বিস্তারিত। এখন আপনার কি মনে হয়, যারা ৮৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছেন, তারা হুট করেই দু’একজনকে ধরে এনে বিচারকের আসনে বসিয়ে দেবেন? নিশ্চয়ই নয়।

    অনুষ্ঠানে বিচারকরা যা-তা করে চলে যাবেন, আর তারা কোটি কোটি টাকা ঢেলে দেবেন? নিশ্চয়ই নয়!বা এই যে এত টাকার একটি অনুষ্ঠানে এটা কি অনুষ্ঠান প্রযোজক, পরিচালক, কুশলীরা ছাড়া শুধু বিচারকরাই ডিরেকশন দিয়ে, নিজেরা সংলাপ বলে অনুষ্ঠান শেষ করছেন? আপনার কী মনে হয়?

    ভেবে দেখুন, অডিশনে আশা যুবকদের অপমান করার জন্য আপনারা ক্ষুব্ধ। আর সেটা প্রতিবাদ করতে আপনারা কী করছেন। আপনারাও বিচারকদের চরম অপমান করে তার প্রতিবাদ করছেন। পার্থক্যটা কোথায় রাখলেন?

    শুধু বলি গত কয়েকদিন ধরে আমার সঙ্গে যা ঘটেছে তা অবর্ণনীয়! ফেসবুকে হুমকি গালি-গালাজসহ আমার নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন মেয়ের জন্য এর ফল কতটা ভয়ঙ্কর তা নিশ্চয়ই আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন!

    অন্যরা কিভাবে ভাবেন, জানি না। কিন্তু আমার সামনে যে ছেলেটি অডিশন দিতে এসেছে, তাকে আমি অসম্মান করিনি। প্রথমত ধরেই নিয়েছি, যেহেতু তার স্বপ্ন অভিনয়, সেহেতু সে আমার ভবিষ্যত কলিগ কিংবা দর্শক বা ভক্তও হতে পারে (আবার নাও হতে পারে) বা আমাকে চেনেন।

    যদি কেউ তাদের মধ্যে আমার ভক্তও হয়ে থাকেন, আমি চাইনি অভিনয় জগতের মানুষ হিসেবে আমার প্রতি তার ক্ষোভ জন্মাক, বা অশ্রদ্ধা জন্মাক। বিষয়টি আমি এভাবে ভাবি, যারা আমার সামনে এসেছেন, তাদের ভালোবাসার জন্যই আমি হয়তো অভিনেত্রী হয়ে বিচারকের আসনে বসতে পেরেছি।

  • রানুকে নিয়ে উচ্ছ্বাস বেশিদিন থাকবে না : লতা মঙ্গেশকর

    রানুকে নিয়ে উচ্ছ্বাস বেশিদিন থাকবে না : লতা মঙ্গেশকর

    লতা মঙ্গেশকরের জনপ্রিয় গান ‘এক পেয়ার কা নাগমা’ গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হন রানু মণ্ডল। তার জীবন বদলে যায়। রানুকে অনেকেই লতা বলেও ডাকতে শুরু করেছেন। কারণ তার গায়কী অনেকটা লতার মতোই। লতা মঙ্গেশকর নিজেও শুনেছেন রানুর গান। রানুকে এ কালের লতা বলা হচ্ছে এই কথাও তার জানা।

    লতার প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় ছিলেন সংগীতাঙ্গনের মানুষেরা। ভারতীয় এক গণমাধ্যমে অবশেষে রানু বিষয়ে মন্তব্য করেছেন লতা মঙ্গেশকর। তিনি বলেছেন, ‘এটা দর্শকের সাময়িক উচ্ছ্বাস, রানুকে নিয়ে দর্শকের উচ্ছ্বাসও হয় তো বেশিদিন থাকবে না।’

    রেলেস্টেশন থেকে উঠে এক একজন শিল্পীকে সবাই লতা বলছে তা নিয়ে লতা মঙ্গেশকরের ভাবনা নেই। সংগীত জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকেই কথা বলেছেন তিনি। ভারতীয় সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তি গায়িকা বললেন, ‘কেউ আমার নাম নিয়ে সুনাম অর্জন করলে অনেক ভালো লাগে। নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হয়। কিন্তু আমার মনে হয়, অনুকরণ করে কেউ কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না।’

    লতা মঙ্গেশকর বলেন, ‘কিশোর কুমার দা, মোহাম্মদ রাফি কিংবা আমার গান গেয়ে অনেকেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টেকেনি। টিকে থাকতে হলে অবশ্যই নিজস্ব গায়কী ঢং লাগবে।’

    উঠতি গায়কদের পরামর্শ দিয়ে লতা বলেন, ‘মৌলিক হও। আমার বা আমার সহযাত্রীদের চিরসবুজ গানগুলো গাইতে পারো, কিন্তু সেই সঙ্গে একজন গায়কের উচিত নিজের গানের সন্ধান করা। যেমন আমার বোন আশা ভোঁসলে যদি নিজের গায়কি তৈরি করতে না পারত, তবে চিরকাল আমার ছায়া হয়ে থাকত। কীভাবে নিজস্বতা তৈরি করতে হয়, সেটার বড় উদাহরণ সে।’

    গান ভাইরালের মাধ্যমে রানুর জীবনের মোড় ঘুরে যায়। রাতারাতি জনপ্রিয় বনে যান রানু। এরই মধ্যে কলকাতায় দুর্গাপূজার একটি থিম সং করেছেন রানু। পরে হিমেশের সুর দেয়া ‘তেরি মেরি’ গানটি করেন। হিমেশ রেশমিয়ার পর রানুকে এবার ‘দাবাং ৩’র জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন সালমান। শিগগিরই হয়তো এই গানটির রেকর্ডিংয়ে দেখা যাবে রানুকে। রানুর বায়োপিকও নির্মাণ হতে যাচ্ছে শিগগিরই।

  • অন্ধকার জীবনের মাশুল গুনছেন মিয়া খলিফা

    অন্ধকার জীবনের মাশুল গুনছেন মিয়া খলিফা

    মানুষের জীবনে কতই না ভুল থাকে। এরমাঝেও কিছু ভুল থাকে যেগুলো আর শোধরানো যায় না। অনুশোচনা করেই কাটাতে হয়। তেমন অনুশোচনার কথাই জানালেন পর্ন স্টার মিয়া খলিফা। ব্যক্তিগত হীনমন্যতা থেকেই এই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য এই পেশায় এসেছিলেন বলে জানান মিয়া।

    বিবিসির ‘হার্ডটক’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা আমার ওজনের জন্য ভুগেছি এবং নিজেকে কখনও পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণের যোগ্য বলে মনে হতো না। আমার নারীত্বকে যেন কেউ অনুভব করতো না।’

    পর্নোগ্রাফির জগৎ থেকে অনেক আগেই বের হয়ে এসেছেন। তবে নিজের জীবনের ভয়াবহ তিন মাসের অভিজ্ঞতা ভুলতে পারছেন না তিনি। আবার, তার সেই পরিচয়ও মানুষ ভুলছে না। এখনো লোকে তাকে সে চোখেই দেখে। মিয়ার মতে, এ পরিচয়টা মুছতে তার সময় লাগবে সেটা তিনি বুঝতে পারছেন। কিংবা হয়তো কোনো দিনই মুছবে না।

    অল্প বয়সে অনেক টাকা রোজগার, অজানা রঙিন জগতে হারিয়ে যাওয়ার হাতছানি থেকেই এই পেশায় গিয়েছিলেন মিয়া। প্রথম যখন পর্ন ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব পান তিনি বুঝতে পারেননি এটিকে কীভাবে প্রত্যাখ্যান করবেন। মোহভঙ্গ হয় মাত্র তিন মাসেই। মাত্র ১২ হাজার ডলার আয় করেছেন, বিনিময়ে তছনছ হয়ে গেছে গোটা জীবন। বাবা-মা ও পরিবারের লোকজন তাকে ত্যাগ করেছেন। পর্ন ছেড়ে দেওয়ার পরেও আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশকিছু মুসলিম অধ্যুষিত দেশে নিষিদ্ধ করা হয় তাকে। আইএসআইএসের কাছ থেকে খুনের হুমকিও পান।

    মিয়ার উপলদ্ধি, পর্নোগ্রাফির জগৎ থেকে বের হওয়াটা সহজ নয়। ইন্ডাস্ট্রিতে ঢোকার পর নানা ফাঁদে আটকে পড়ে অল্প বয়সী মেয়েরা। নারী পাচারকারীদের মাধ্যমেও কীভাবে ছোট ছোট মেয়েরা এ অন্ধকার জগতে আসতে বাধ্য হয় সেটিও বলেছেন মিয়া। কার মতে, বহু মেয়ে অপরিণত মনে, ভুল সিদ্ধান্ত ও কিছু মানুষের পাল্লায় পড়ে নিজের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। আমাকে এ ধরনের অনেক মেয়েই মেইল করে সেকথা জানিয়েছে। তাদের জীবনের গল্পগুলো ভয়ঙ্কর।

    ১৯৯৩ সালে লিবিয়ায় জন্ম নেন মিয়া খালিফা। ২০০১ সাল থেকে আমেরিকার বাসিন্দা। ২০১৪’র শেষ দিকে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে খুব অল্পসময়ের জন্য কাজ করেছেন তিনি। দ্রুতই অন্ধকার জগতের নায়িকা হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। যে পরিচয় এখন তার

  • দর্শক নেই নোবেলের কনসার্টে

    দর্শক নেই নোবেলের কনসার্টে

    যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত হলো ‘সা রে গা মা পা’র দ্বিতীয় রানারআপ বিজয়ী মাঈনুল আহসান নোবেলের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান। বাংলাদেশি ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির আয়োজনে শনিবার (৩১ আগস্ট) ম্যানচেস্টারের ইস্ট ক্যাথলিক হাইস্কুলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে সঙ্গীতানুষ্ঠানে আশানুরূপ লোক সমাগম না হওয়ায় হতাশ হয়েছেন শিল্পীসহ আয়োজকরা।

    নোবেলের ‘একক সঙ্গীত সন্ধ্যা’ হিসেবে প্রচার করা হলেও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে অনুষ্ঠানে আরও দুজন শিল্পী সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। যা ‘দৃষ্টিকটু’ বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই। নির্দিষ্ট সময়ের ২ ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয়ে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে এ অনুষ্ঠান। জনপ্রতি ২০ ও ভিআইপি ৫০ ডলার হারে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

    আয়োজকরা চার শতাধিক দর্শক আশা করেছিলেন কিন্তু মাত্র দুইশোর মতো টিকিট বিক্রি হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশি ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির অন্যতম কর্মকর্তা সাদ চৌধুরী বাবু।

    Nobel-2

    ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলায় গানের রিয়েলিটি শোতে বাবার প্রতি ভালোবাসার জেমসের সেই বিখ্যাত ‘বাবা গান’ দিয়েই শুরু করেন নোবেল।

    ‘সা রে গা মা পা’র দ্বিতীয় রানারআপ বিজয়ী হবার পর মাঈনুল আহসান নোবেলের দেশের বাইরে এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটাই প্রথম সঙ্গীতানুষ্ঠান। দর্শক উপস্থিতি কম দেখে আয়োজকবৃন্দের পাশাপাশি শিল্পী নিজেও হতাশ হয়ে পড়েন। এ প্রসঙ্গে দর্শকদের উদ্দেশে নোবেল বলেন, ‘আগামীতে আবারও কানেকটিকাটে আসব, তখন যেন দর্শক সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।’ উপস্থিত অনেক দর্শক নগর বাউল জেমসের গাওয়া ‘বাংলাদেশ’ গানটি গাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গানটি নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে, তাই তিনি এ গানটি আর গাইবেন না।’

    জি বাংলার ‘সা রে গা মা পা’ তে অংশ নিয়ে দুই বাংলার মানুষের মন জয় করেছেন বাংলাদেশের ছেলে মাঈনুল আহসান নোবেল। দর্শক ভোটে বারবার সেরা হওয়ার পাশাপাশি বিচারকদের কাছ থেকে সবসময় উচ্ছ্বসিত প্রশংসা পেয়েছেন।

    ‘সা রে গা মা পা’র এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন অঙ্কিতা। যৌথভাবে প্রথম রানারআপ গৌরব ও স্নিগ্ধজিৎ এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন প্রীতম ও মাঈনুল আহসান নোবেল।

    Nobel-2

    গোপালগঞ্জের সন্তান নোবেল ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে মিতালি গড়েছেন। কোনো গুরুর কাছে শিক্ষা না নিলেও আগে বাংলালিংক নেক্সট টিউবার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সেরা ৬-এ এসেছিলেন তিনি।

    আয়েশা দেওয়ান লিপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মরিয়ম মারিয়া ও রাশিদা আখন্দ লাকী সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এ ছাড়াও নৃত্য পরিবেশন করেন রোকাইয়া রেখা।

    শিল্পীদের যন্ত্রে সহযোগিতা করেন গিটারে শুভম মিত্র, ড্রামে সাইদুজ্জামান রিড ও কীবোর্ডে জুয়েল। অনুষ্ঠান সহযোগিতায় ছিলেন সাদ চৌধুরী বাবু, হারুন আহমেদ, জাহেদ চৌধুরী লিটন, মোহাম্মদ শরীফুল আহসান হেলাল, কবির আখন্দ, মোল্লা বাহাউদ্দিন পিয়াল, নিরা বাহাউদ্দিন, রাশিদা আখন্দ লাকী, মামুন সরকার ও লাইলাক আহমেদ।

  • পর্নো জগতের করুণ গল্প শোনালেন মিয়া খলিফা

    পর্নো জগতের করুণ গল্প শোনালেন মিয়া খলিফা

    মানুষ এক জীবনে অনেক ভুল করে। সে সব ভুল শুধরেও নেয় অনেকে। কিন্তু কিছু ভুল থাকে যার ক্ষমা হয় না। মানুষ সেই ভুলের অনুশোচনা বুকে বয়ে চলে নীরবে নিভৃতে। তেমনি অনুশোচনায় জ্বলছেন প্রাক্তন পর্নো তারকা মিয়া খলিফা।

    নীল ছবি থেকে অনেক আগেই নিজেকে বের করে এনেছেন। আপাত দৃষ্টিতে সাদামাটা জীবন তার। উপস্থাপনাসহ নানা রকম পেশায় জীবন চালানোর চেষ্টা করছেন। তবে নিজের জীবনের ভয়াবহ তিন মাসের অভিজ্ঞতা ভুলতে পারেন না তিনি।

    তিনি যতোই সুন্দর জীবনের চেষ্টা করুন না কেন গোটা দুনিয়ায় তার পরিচিতি নীল ছবির তারকা হিসেবেই। এখনো লোকে তাকে সে চোখেই দেখে। তিনি বুঝতে পারেন এ পরিচয়টা কাটাতে তার সময় লাগবে। কিংবা হয়তো কোনো দিনই মুছবে না।

    সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার অনেক করুণ গল্প শোনান মিয়া খলিফা। তিনি বলেন, অল্প বয়সে অনেক টাকা রোজগার, অজানা রঙিন জগতে হারিয়ে যাওয়ার হাতছানি থেকেই এই পেশায় যান তিনি। অথচ মোহভঙ্গ হয় মাত্র তিন মাসেই। সম্মান ও সময়ের বিনিময়ে সেভাবে টাকাও রোজগার করতে পারেননি মিয়া।

    ২০১৫ সালে তিন মাস কাজ করার পরই এই পর্নো ছবির জগৎ থেকে বেরিয়ে এসেছেন। অথচ হারানো সম্মান ফিরে পাননি তিনি। পর্নো জগতের নীল আলো থেকে বেরিয়ে আজও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি মিয়া।

    তার ব্যক্তিগত জীবনটা তছনছ হয়ে গেছে। ‘আজও রাস্তাঘাটে লোকজনের মাঝে নিজেকে নিয়ে ভীষণ হীনমন্যতায় ভুগি আমি’- এভাবেই বললেন আবেগপ্রবণ মিয়া।

    তিনি বলেন, নীল ছবির জগৎ থেকে বের হওয়াটা সহজ নয় কখনোই। এই ইন্ডাস্ট্রিতে ঢোকার পর একের পর এক পাকচক্রে জড়িয়ে পড়েন অল্প বয়সী মেয়েরা। পর্নো ইন্ডাস্ট্রির ব্ল্যাকহোল টেনে নেয় অল্প বয়সী মেয়েদের। নারী পাচারকারীদের মাধ্যমেও কীভাবে ছোট ছোট মেয়েরা পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে আসতে বাধ্য হয়, সে বিষয়েও জানিয়েছেন মিয়া।

    তিনি বলেন, ‘বহু মেয়ে অপরিণত মনে, ভুল সিদ্ধান্ত ও কিছু মানুষের পাল্লায় পড়ে নিজের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। আমায় এ ধরনের অনেক মেয়েই মেইল করে সেকথা জানিয়েছে। সেগুলো ভয়াবহ।’

    মিয়ার কথায়, পর্নো ইন্ডাস্ট্রির আসল রূপ বুঝতে পেরেই কোনো মতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। মিয়া জানান, তার পর্নো ছবি করার কথা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে তার বাবা-মা ও পরিবারের লোকজন ত্যাগ করেছেন। পর্নো ছেড়ে দেওয়ার পরেও আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি তাদের সঙ্গে। তবে সময়ের সঙ্গে ক্ষত কমে যাবে সেই বিশ্বাস বুকে ধরে আছেন তিনি।

  • চার নারীর ‌‘অন্দরকাহিনী’তে প্রিয়াঙ্কা

    চার নারীর ‌‘অন্দরকাহিনী’তে প্রিয়াঙ্কা

    কখনও বন্ধু, কখনও বোন, স্ত্রী, আবার কখনও প্রেমিকা। ৪ জন মহিলা ও তাদের জীবনের ৪টি আলাদা আলাদা সম্পর্ক ও গল্প নিয়েই এগিয়েছে পরিচালক অর্ণব মিদ্যার ছবি ‘অন্দরকাহিনী’র গল্প। আর এই প্রত্যেকটা নারী চরিত্র ও সম্পর্কের কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেছেন টালিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।

    ইতিমধ্যেই ছবিটি ৪৯টি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ৩৬টিরও বেশি পুরস্কার জিতেছে। তবে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে এখনও মুক্তি পায়নি। অবশেষে ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অর্ণব মিদ্যার এই ছবি।

    ছবির ট্রেলারে প্রত্যেকটি নারী চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে প্রিয়াঙ্কাকে। নারী চরিত্রের এতগুলো পর্যায়ে তার অভিনয় মন কেড়েছে দর্শকদের।

    ছবির কেন্দ্রীয় ভূমিকায় প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি ‘অন্দরকাহিনী’তে রয়েছেন সায়নি ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়সহ অন্যরা। অন্দরকাহিনীর গল্প, চিত্রনাট্য, লিখেছেন পরিচালক অর্ণব মিদ্যা নিজেই। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছে রাজা নারায়ণ দেব, সম্পদনা করেছেন সুপ্রিয় দত্ত। ছবির আর্ট ডিরেকশন তপন শেঠের করা।

  • শাকিব-অপু মুখোমুখি ১১ বছর পর

    শাকিব-অপু মুখোমুখি ১১ বছর পর

    ক্যারিয়ারে যত ছবি করেছেন অপু বিশ্বাস, বেশির ভাগ ছবিতেই তাঁর নায়ক শাকিব খান। তাই বক্স অফিসে শাকিবের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ পেয়েছেন কমই, মাত্র দুইবার—২০০৭ সালে মান্নার সঙ্গে ‘মেশিনম্যান’ ও ইমনের সঙ্গে ২০০৮ সালের ঈদে ‘এক বুক ভালোবাসা’ নিয়ে লড়েছিলেন শাকিবের ছবির সঙ্গে। ২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করেছিলেন শাকিব-অপু। এরপর ২০১৭ সালে বিচ্ছেদের আগ পর্যন্ত শাকিব ছাড়া কোনো ছবিই করেননি অপু। পরের বছরই দেবাশীষ বিশ্বাসের ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’তে বাপ্পী চৌধুরীর বিপরীতে চুক্তিবদ্ধ হন অপু। বেশ আগেই পরিচালক ঘোষণা দেন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি দেবেন। একই দিনে শাকিব-নুসরাত ফারিয়া জুটির ‘শাহেনশাহ’ মুক্তির ঘোষণাও দেয় শাপলা মিডিয়া। তার মানে ‘এক বুক ভালোবাসা’র ১১ বছর পর আবার বক্স অফিসে মুখোমুখি তাঁরা।

    তবে আগে থেকেই অপু বলে আসছেন, শাকিবের সঙ্গে যেন তাঁর তুলনা না করা হয়। বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারের হিট-সুপারহিট ছবিগুলোর নায়ক শাকিব। তিনি এখনো জনপ্রিয়তার শীর্ষে। শুধু শুধু তাঁর সঙ্গে লড়াইয়ের ঘোষণা দেওয়ার মানে হয় না। তবে আমার নতুন ছবিটির গল্প ভালো। প্রথমবার বাপ্পীর সঙ্গে জুটি গড়েছি। গানগুলোও দারুণ। সব কিছু মিলিয়ে দর্শকদের ভালো লাগবে।’

  • ‘উত্তম কুমারের মৃত্যু সংবাদে কেঁদেছিলেন মা’

    ‘উত্তম কুমারের মৃত্যু সংবাদে কেঁদেছিলেন মা’

    আমার বাবা যতদিন বেঁচে ছিলেন ৩১ আগস্ট তারিখটি কখনও বিনা উদযাপনে পার হতে দিতেন না। আমার মায়ের জন্মদিনটি তিনি কখনও ভুলতেন না। আজ মায়ের জন্মদিনে সেই পুরনো গল্পগুলোই না হয় করি।

    বাবা, মা, ভাই, বোন নিয়ে আমাদের ছোট্ট পরিবারে চারজনের জন্মদিনই খুব উত্সাহ নিয়ে পালন করা হতো। আম্মার জন্মদিনে আমার খালারাও আসতেন। বিশেষ করে বিউটি খালা ও সুইটি খালা। আসতেন খালাতো ভাইবোনেরা। কি সুখের দিনগুলো যে ছিল।

    আমার মায়ের নাম ফয়জুননেসা খাতুন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী এবং অতি স্পষ্টবক্তা।

    দৃঢ় ব্যক্তিত্ব, সাহস, নৈতিকতা ও সততার জন্য চারপাশের মানুষ তাকে সম্মান করে। কবিতা ভালোবাসতেন খুব। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ। এখন অসুস্থতার জন্য সব ভুলে গেলেও কবিতা ভোলেননি।

    আপন মনে বলে ওঠেন ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর’। আমার রবীন্দ্র প্রীতির পুরো দায়-দায়িত্ব মায়ের। জন্মের আগের থেকে ‘শিশু’ আর ‘সঞ্চয়িতা’র সব কবিতা আবৃত্তি শুনতে শুনতে মগজ-ধোলাই হয়ে গেছে।

    তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। কামরুননেসা ও ইডেনের মেধাবী ছাত্রী। কিন্তু বিয়ের পর ‘আজিমপুর গার্লস স্কুলে’ কিছুদিন চাকরি করার পর ছেড়ে দেন। আমার ভাই তখন খুব ছোট। আমার বাবা তাকে চাকরি বা কোন সংগঠন করতে খুব উত্সাহ দিতেন। প্রায়ই বলতেন ‘শুধু সংসার নিয়ে পড়ে থাকলে কি লাভ? তোমার প্রতিভার অপচয় হচ্ছে।’

    কিন্তু মায়ের অতিরিক্ত উদ্বেগ ছিল আমাদের জন্য। মনে করতেন তিনি চাকরি বা অন্য কিছু করলে আমাদের অযত্ন হবে। বাবার প্রতিও তার যত্নের শেষ ছিল না। বিশেষ করে জেল থেকে বাবা যে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাঁধিয়ে নিয়ে আসেন সেটার দিকে মায়ের খেয়াল ছিল পুরো মাত্রায়। আমাদের তিনজনের কারও বাড়ি ফিরতে একটু দেরি হলেই টেনশনে মা অসুস্থ হয়ে পড়তেন।

    মায়ের এই অতিরিক্ত টেনশনের কারণেই বাবা সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। তিনি চাইতেন স্বামী ও ছেলে-মেয়েরা সারাক্ষণ কাছাকাছি থাকবে।

    আমার মা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন। কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামির লেশমাত্র তার মধ্যে ছিল না। কোনদিন দেখিনি পীর, ফকিরের কাছে বা মাজারে দৌড়াতে। একটা ছোট ঘটনা বলি। তাহলেই বোঝা যাবে মানুষটি কেমন ছিলেন তার যৌবনে।

    কি একটা কাজে আমি আর মা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লাইব্রেরিতে যাচ্ছিলাম। বোধহয় কোন একটা বই দেখার দরকার ছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ঢুকতে হলে তখন বায়তুল মোকাররম মসজিদের একটা অংশ দিয়ে ঢুকতে হতো।

    আমরা দুজন সেখানে ঢুকতে যাচ্ছি এক ভদ্রলোক (বোধহয় কেরানি গোছের কিছু হবেন) মাকে বললেন, মাথায় কাপড় দিয়ে আসুন। মা সেই লোকটির দিকে কড়াভাবে তাকিয়ে বললেন, ‘আমার মাথার দিকে আপনার তাকানোর দরকার কি? আপনি চোখ নিচু করুন’। মায়ের কণ্ঠস্বর শুনেই সেই ভদ্রলোক আর দ্বিতীয় বাক্য ব্যয় করার দুঃসাহস করেননি।

    মায়ের ছিল গল্পের বইয়ের নেশা। শরত্চন্দ্রের উপন্যাসগুলো মোটামুটি মুখস্ত ছিল। বিমল মিত্র, শংকর, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নতুন বই বাজারে এলেই কিনে ফেলতেন। কড়ি দিয়ে কিনলাম, সাহেব বিবি গোলাম, আসামী হাজির, কত অজানারে, চৌরঙ্গী ছিল নিত্যসঙ্গী। উত্তম কুমারের বাঁধানো ছবি ছিল বাড়িতে। মনে আছে উত্তম কুমারের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে সেকি কান্না।

    আশির দশকের মাঝমাঝি যখন বাড়িতে ভিসিআর এলো তখন উত্তম-সুচিত্রার বেশ কয়েকটি ছবির ক্যাসেট বাবা তাকে উপহার দিয়েছিলেন। বাবা নিজে সিনেমা দেখতেন না একদমই। কিন্তু মায়ের এই উত্তম প্রীতিতে খুব মজা পেতেন।

    হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের দারুণ ভক্ত আমার মা। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যখন ঢাকায় আসেন তখন মা তার সঙ্গে দেখা করে ছিলেন। এখনও সারা দিন তার গান শোনেন।

    উলের সেলাই ছিল মায়ের আরেকটি শখ। আমাদের সকলের জন্য কত যে সোয়েটার বানিয়েছেন। বাবা জ্যাম, জেলি খেতে ভালোবাসতেন বলে পেয়ারার মৌসুমে বয়াম ভরে ভরে জেলি বানাতেন।

    আত্মীয় স্বজন কাউকে দিতে বাকি রাখতেন না। আর বাবা যে তাকে কতটা ভালোবাসতেন সেটা অনুভব করি যখন পুরনো ছবির অ্যালবামগুলো দেখি। দুতিনটে অ্যালবাম তো শুধু মায়ের ছবিতেই ভরা। আমৃত্যু তাকে ছেড়ে থাকতে পারেননি।

    আমি এবং আমার ভাই- এই দুজনের মধ্যে কাকে তিনি বেশি ভালোবাসেন? এই প্রশ্ন যখন অনেক আগে করেছি তিনি সব সময়ই বলেছেন ‘সমান। কোন পার্থক্য নেই।’ কোন বৈষম্য তিনি কোনদিন করেননি। বাবা-মা দুজনেই আমাদের বেলায় কোন বৈষম্য করেননি একথা ঠিক। ভাই বড় বলে তার উপর নির্ভরতা একটু বেশি ছিল আর আমি ছোট বলে আগলে রাখার প্রবণতা।

    তবে আমাদের দুজনের চেয়েও বোধহয় আমার ছেলেকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। আমার ছেলেকে জন্মের পর থেকে তিনিই লালন-পালন করেছেন বলা চলে। আমি নিশ্চিন্তে চাকরি করতে পেরেছি এ কারণেই।

    আমার মায়ের যত গুণ ছিল তার এক শতাংশও আমার নেই। কিন্তু মায়ের প্রতি আমার অভিযোগ রয়েছে। সেটা হলো তিনি নিজের প্রতি একটুও সুবিচার করেননি। আমাদের জন্য, সংসারের জন্য শুধু খেটেই গেলেন। এত মেধা, এত প্রতিভা দিয়ে কী লাভ হলো?

    তিনি কেন নিতান্ত সাধারণ গৃহিণীর ও মায়ের জীবন আতিবাহিত করলেন? কেন চাকরি করলেন না, লেখালেখি করলেন না বা কোন সংগঠনেও জড়িত হলেন না?

    আজকেও যখন তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছি, নিজের অসুস্থতা নিয়ে তার কোন অভিযোগ বা কথা নেই। শুধু জিজ্ঞাসা করেন আমি কেমন আছি, অর্ণ কেমন আছে। আমরা ভালো থাকলেই যেন তার ভালো থাকা।

    এত স্নেহ, এত মমতা ভালো নয়, একটুও ভালো নয়। জন্মদিনে তার সুস্থতার জন্য, আয়ু বৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করি। আর শুধু ভাবি আহা, তিনি যদি আমার মতো একটু স্বার্থপর হতেন তাহলে অনেক সুখে থাকতে পারতেন।

  • সংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন আজ

    সংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন আজ

    ১৯৫৮ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন পপ সংগীতের কিংবদন্তি তারকা মাইকেল জ্যাকসন। তাকে পপ সংগীতের রাজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সংক্ষেপে তাকে এমজে নামে ডাকা হয়। সংগীত, নৃত্য এবং ফ্যাশন জগৎসহ ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে চার দশকেরও অধিককাল ধরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি বৈশ্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। জো জ্যাকসন ও ক্যাথেরিন জ্যাকসন দম্পতির সপ্তম সন্তান মাইকেল জ্যাকসন। তার পরিবার ছিল আফ্রো-আমেরিকান। পরিবারের অসচ্ছলতার কারণে মাইকেল জ্যাকসনকে কপিকল অপারেটর হিসেবে কারখানায় কাজ করতে হয়েছে। মাইকেল জ্যাকসন মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তার ভাইদের সঙ্গে ‘জ্যাকসন-৫’ মিউজিক্যাল গ্রুপে যোগ দেন। সেখান থেকে প্রথম মিউজিক অ্যালবাম ‘ডায়ানা রোজ’ ১৯৬৯ সালে প্রকাশ হয়। এ অ্যালবামের প্রথম একক গান ‘আই ওয়ান্ট ইউ ব্যাক’ ১৯৭০ সালের জানুয়ারিতে বিলবোর্ডের হট তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে নেয়। মাত্র ১৩ বছর বয়সে এককভাবে মাইকেল জ্যাকসনের ক্যারিয়ারের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭২ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘বেন’ প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯৭৯ সালে তার পরবর্তী অ্যালবাম বের হয়। এ অ্যালবামের নাম ছিল ‘অফ দ্য ওয়াল’। এর ‘ডোন্ট স্টপ টিল ইউ গেট অ্যানাফ’ ও ‘রকিং উইথ ইউ’ গান দুটির মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। মাইকেলের সবচেয়ে বিক্রীত অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে ‘অফ দ্য ওয়াল’, ‘থ্রিলার’, ‘ব্যাড’, ‘ডেঞ্জারাস’ এবং ‘হিস্ট্রি’। এর মধ্যে ‘থ্রিলার’ সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম। মাইকেল জ্যাকসনের গানের ভিডিওগুলো বিশ্ববাসীকে মন্ত্রমুগ্ধ করে। ‘বিট ইট’ গানটি প্রচার করে শিরোনামে আসে এমটিভির নাম। অনেকেই হয়তো জানেন না, মাইকেল জ্যাকসনের এই একটি গানকে পুঁজি করে এমটিভির উত্থান ঘটে। মাইকেলের জনপ্রিয় নাচের মধ্যে রোবোট, ও মুনওয়াক (চাঁদে হাঁটা) রয়েছে। মুনওয়াক আসলে হলো সামনের দিকে হাঁটার দৃষ্টিভ্রম সৃষ্টি করে পেছনে যাওয়ার ভঙ্গিমা। তিনি পপ সংগীত এবং মিউজিক ভিডিওর ধারণা পাল্টে দেন। ২০০৯ সালের ২৫ জুন মাত্র ৫০ বছর বয়সে ওষুধের বিষক্রিয়ায় তিনি পাড়ি জমান না ফেরার দেশে।

  • নুসরাত ফারিয়ার ভিডিও ভাইরাল!

    নুসরাত ফারিয়ার ভিডিও ভাইরাল!

    ভয়’ শিরোনামের ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া। ছবিটিকে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন কলকাতার অঙ্কুশ হাজরা। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হবে।

    অন্যদিকে নুসরাতের শরীর ফিট রাখার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে স্যোশাল মিডিয়াতে। ১৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে ফারিয়াকে কঠোর জিম করতে দেখা গেছে। এরই মধ্যে ভিডিওটি দেখেছেন বহু দর্শক।

    ফারিয়া জানান, শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত ফিটনেস সেন্টারে যান তিনি। এটি তার নিয়মিত কাজেরই একটি অংশ।

    ‘ভয়’ ছবিটি পরিচালনা করবেন ভারতের নির্মাতা রাজা চন্দ।