Category: বিনোদন

  • বিয়ে করলেন অভিনেত্রী ঈশানা

    বিয়ে করলেন অভিনেত্রী ঈশানা

    বিয়ে করলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঈশানা খান। পাত্রের নাম সারিফ চৌধুরী। যিনি পেশায় নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার, থাকেন সিডনিতে।

    বুধবার আসরের নামাজের পর গুলশানের আজাদ মসজিদে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

    ঈশানা নিজেই বুধবার সন্ধ্যার পর জানিয়েছেন তার বিয়ের খবর।

    ঈশানা খান বলেন, ‘আমরা নতুন জীবন শুরু করলাম, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। হঠাৎ করেই আমাদের বিয়েটা হয়ে গেল। আজ বনানী ক্লাবে আমাদের দুই পরিবারের গেট টুগেদার হচ্ছে। পরে বড় পরিসরে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করব। তখন সবাইকে জানাব।

    ঈশানা জানান, ১৩ জুলাই তার স্বামী সারিফ চৌধুরী সিডনি ফিরে যাবেন। স্বামীর সঙ্গে ঈশানাও সিডনি যাচ্ছেন। আপাতত অভিনয় নয়, সংসারের মন দিতে চান তিনি।

    ২০০৯ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হয়েছিলেন ঈশানা খান। এরপর বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিছবিতে কাজ করে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। অনেক জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি।

  • ফের ক্যামেরার সামনে সুমাইয়া শিমু

    ফের ক্যামেরার সামনে সুমাইয়া শিমু

    টিভি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু। দীর্ঘ দিন ধরে সাফল্যের সঙ্গে অভিনয় করেছেন নাটক-টেলিফিল্মে। মাঝে বেশ অনেক দিন ক্যামেরার সামনে দেখা যায়নি এই অভিনেত্রীকে। সম্প্রতি বিরতি কাটিয়ে ফের পর্দায় হাজির হচ্ছেন তিনি।

    সম্প্রতি একটি খণ্ড নাটকে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় সুমাইয়া শিমু। রুম্মান রশীদ খানের রচনায় ‘ওয়াটার’ শিরোনামের নাটকটি পরিচালনা করেছেন সীমান্ত সজল।

    নাটকটিতে শিমুকে দেখা যাবে তারিক আনাম খানের বিপরীতে। নাটকের গল্পে দেখা যাবে, তারিক আনাম খানের চরিত্রটি অ্যাকুয়াফোবিয়ায় আক্রান্ত এক ব্যক্তির। পানিতে রাজ্যের ভয় তার। কিন্তু কেন পানির সঙ্গে তার বিরোধ, সেটা বুঝতে পারে না তার স্ত্রী সুমাইয়া শিমু। দিনের পর দিন স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে মানিয়ে চলার সংগ্রাম করে হাঁপিয়ে ওঠে সে। জীবনের সবটুকু দিয়ে বুঝতে পারে পানির অপর নাম যেমন জীবন, ঠিক তেমনি পানির অপর নাম মরণও।

    তারিক আনাম খান ও শিমু ছাড়াও এতে আরো অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, শিশুশিল্পী মোহাম্মদসহ অনেকে। আসছে ঈদে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ‘ওয়াটার’ নাটকটি প্রচার হবে।

  • গানে নারীদের অপমান করায় হানি সিং গ্রেফতার

    গানে নারীদের অপমান করায় হানি সিং গ্রেফতার

    গানের সংলাপে নারীদের অপমান ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করায় ভারতের পাঞ্জাবের জনপ্রিয় ব়্যাপার হানি সিংকে গ্রেফতার করা হয়ছে। একই অভিযোগ আনা হয়েছে সংগীত প্রযোজক ভূষণ কুমারের বিরুদ্ধেও।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ‘মাখনা’ গানের জন্য ভ্ক্তদের রোষানোলে পড়েছেন হানি সিং। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘ম্যায় হুঁ ওম্যানাইজার’, ‘সিলিকন ওয়ালি লড়কিয়োঁকো ম্যায় পটাতা হুঁ’র মতো বেশ কয়েকটি লাইন রয়েছে এই গানে, যা অত্যন্ত আপত্তিকর। আর সেই কারণেই পাঞ্জাবের নারী কমিশনের তরফে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়।

    হানি সিংয়ের গাওয়া ‘মাখনা’ গানটি গত বছর ২১ ডিসেম্বর টি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেল এসেছে। এরপর গানটি দেখা হয়েছে ২১ কোটি ৬ লাখ ৮২ হাজার ৬৪১ বার। পাঞ্জাব নারী কমিশন অভিযোগ জানিয়েছে, হানি সিং তার এই গানে নারীদের নিয়ে অশ্লীল রসিকতা করেছেন, যা খুবই অপমানজনক। হানি সিংসহ এই গানের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

    পাঞ্জাবের নারী কমিশনের চেয়ারপারসন মণীষা গুলাটি সংবাদমাধ্যকে জানান, পাঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল, ইন্সপেক্টর জেনারেল ও অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারির কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। হানি সিং তার গানে এমন কিছু কথা ও শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা নারীদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক।

    গানের এমন কথার জন্য টি-সিরিজের ভূষণ কুমার, গায়ক হানি সিং ও গায়িকা নেহা কক্করের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের দাবিও জানান মণীষা গুলাটি। সেই সঙ্গে তিনি সেন্সর বোর্ডেও অভিযোগ জানান। পাঞ্জাবে গানটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি তুলে রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন মণীষা। মোহালির মাতাউর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

    মোহালির সিনিয়র এসপি হরচরণ সিং ভুল্লার বলেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪ এবং ৫০৯ নম্বর ধারায় হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    গানের কথা নিয়ে বিতর্কে জড়ানোর ঘটনা হানি সিংয়ের প্রথম নয়। এর আগে ২০১৩ সালেও একবার গানের কথা নিয়ে বিতর্কে জড়ান তিনি। ওই গানটিতে হানি সিং লিখেছিলেন, ‘ম্যায় হুঁ বলৎকারি’। এছাড়া ‘লাক ২৮’, ‘ব্লু আইজ’, ‘কিকলিকালেরেদ্রি’ ও ‘ব্লাউন রং’ গান নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় এই ব়্যাপার।

  • ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখতে গিয়ে সিনেমা হলেই একজনের মৃত্যু

    ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখতে গিয়ে সিনেমা হলেই একজনের মৃত্যু

    সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখতে গিয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে। সিনেমা হলে ছবি দেখতে দেখতেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বার্নার্ড চ্যানিং নামে বছর ৭৭ বছরের ওই ব্যক্তি ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন থাইল্যান্ডে। হঠাৎই তার খেয়াল হয় ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দেখবেন। তখন হয়ত তিনি ভাবতেও পারেননি এটাই তার দেখা শেষ ছবি হবে।
    সিনেমা হলে ওই ব্যক্তির পাশে বসা ছবিটি দেখছিলেন এমন একজন মহিলার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি জানতেও পারেননি তার পাশের সিটের ভদ্রলোক প্রাণ হারিয়েছেন। ছবির শেষে যখন হলের আলো জ্বলে ওঠে তখন তিনিই প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন। এরপর তিনি জরুরী বিভাগে খবর দিলে তারা ওই ব্যক্তির দেহ ঢেকে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায় ছবি দেখতে দেখতেই মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির।

    অপর একজন প্রত্যক্ষদর্শী বক্তব্য, “হলের প্রবেশদ্বারের কাছে কিছু লোক কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তারা ওই একই হলে ছিলেন যেখানে ওই ব্যক্তি মারা যান। ওরা হতচকিত হয়ে গেছেন এইরকম একটা ঘটনায়। কিছু লোক ওই ব্যক্তির কাছেই বসেছিলেন। কী হচ্ছে তা দেখার জন্য কাউকে অনুমতি দেননি হলের কর্মচারীরা। আমাদের ছবিও তুলতে দেওয়া হয়নি।”
    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ‘দ্য কনজিউরিং ২’ দেখতে গিয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের একটি সিনেমা হলে মৃত্যু হয়েছিল ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির। পরে জানা যায় হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে তিনি মারা যান। প্রসঙ্গত, ‘অ্যানাবেল কামস হোম’ দ্য কনজিউরিং ইউনিভার্সের ষষ্ঠ ছবি। ২০১৭ সালে ‘অ্যানাবেল: ক্রিয়েশন’র পর অ্যানাবেল সিরিজের এটি তৃতীয় ছবি।

  • নুসরতের প্লাস্টিক সার্জারি

    নুসরতের প্লাস্টিক সার্জারি

    ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই আছেন যাঁরা নিজেদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে প্লাস্টিক বিউটির দিকে ঝুঁকেছেন৷ এ বিষয় যে কাউকে মাত দিতে পারে একমাত্র একজন৷ কিম কার্দাশিয়ান৷ কিম ছাড়াও তাঁর বোন কাইলি, কেন্ডাল, ক্লোই প্রত্যেকেই সার্জারির দিক থেকে বিষারদ৷ তবে এই প্লাস্টিক দুনিয়া থেকে টলিউড বেশ খানিকটা দূরত্বে ছিল৷ কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে টলিউডের সুন্দরীরাও দল বেঁধে প্লাস্টিক সুন্দরীদের দলে নাম লেখাচ্ছেন৷

    শোনা যাচ্ছে নুসরত জাহান লিপ সার্জারি করিয়েছেন৷ এমনটাই অভিযোগ আনলেন বেশ কয়েকজন সাইবারইউজার৷ অনেকদিন ধরেই নুসরতের মুখে চোখে একটা পার্থক্য লক্ষ্য করছিল ভক্তরা৷ তাদের মতে, নায়িকা একই রকম সুন্দরী আর নেই৷ কিছু একটা যেন বদল ঘটেছে তাঁর সৌন্দর্যে৷ অবশেষে ধরা গেল সেই পার্থক্য৷ লিপ সার্জারি করিয়েছেন নুসরত৷ তাঁর ওপরের ঠোঁটটি খানিকটা ফুলে গিয়েছে৷ এর আগেও ফোলা আপার লিপ অনেকেই লক্ষ্য করেছিল৷ তবে তারা ভেবেছিল কোনওভাবে হয়তো আঘাত পেয়ে ঠোঁট ফুলে গিয়েছে৷ কিংবা ফোটো এডিট অ্যাপের কারণে এমনটা মনে হচ্ছে৷
    কিন্তু না গত কয়েক মাস ধরেই এমন ফোলাই রয়ে গিয়েছে ওপরের ঠোঁট৷ যতই সূক্ষ্ম সার্জারি হোক না কেন ফ্যানেদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া একেবারেই সম্ভব না৷ টলিউডের সেরা অভিনেত্রীদের মধ্যে নুসরত একজন৷ সারাক্ষণ লাইমলাইট, ক্যামেরা, সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছেন তিনি৷ একটুও এদিক ওদিক হলেও চোখে পড়াটাই স্বাভাবিক৷ পুরনো ছবির সঙ্গে এখনকার ছবির তুলনা করলে সত্যি নুসরতের ঠোঁটে বদল ঘটেছে৷ সেটা মেক নাকি লিপ জব সেটা অভিনেত্রী ছাডা় আর কেউ বলতে পারবে না৷
    টেকনোলজি যত উন্নত হচ্ছে তত দূরের জিনিস কাছে এসে যাচ্ছে৷ আগে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলে তবে সেলেব্রিটিদের সশরীরে চোখের সামনে দেখা যেত৷ তারপরই অটোগ্রাফ নেওয়ার ঠেলাঠেলি৷ কিন্তু এখন স্মার্টফোনের জমানায় অটোগ্রাফে ইতি টেনেছে ফ্যানেরা৷ এখন এক ক্লিকেই নিজেদের পছন্দের সেলেব্রিটিদের সঙ্গে যোগযোগ করতে পারছে ভক্তরা৷ তারকাকে কোনও বার্তা দিতে হল লাগবে কেবল একটাই জিনিস৷ ইন্টারনেট৷ এখন এই ইন্টারনেট সবাইকে কাছে এনে দিয়েছে৷ ঠিক এই পদ্ধতিতেই নুসরতকেও ট্রোল করা শুরু করেছেন নেটিজেনরা৷ কোনও ছবি আপলোড করে নুসরত যদি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্বন্ধে ক্যাপশন দেন তাহলে কমেন্ট সেকশন ভরতে শুরু করতে নানা কথায়৷

    ‘লিপজব করিয়ে আবার সৌন্দর্যের কথা বলছ?’, ‘তোমাকে আগেই দেখতে ভালো লাগত৷ কেন করালে সার্জারি?’, ‘কেন আজকালকার অভিনেত্রীরা এতো লিপ জব করায়? দেখে মনে হয় যেন এরা পৃথিবীতে বাঁচতেই চায় না৷ এলিয়নদের থেকে শিখছে নাকি এসব?’ এ ধরণের কমেন্টেই ভরে উঠছে নুসরতে বিভিন্ন পোস্টের কমেন্ট সেকশন৷

  • মিলার নির্দেশেই এসিড নিক্ষেপ : রিমান্ডে কিম

    মিলার নির্দেশেই এসিড নিক্ষেপ : রিমান্ডে কিম

     ‘সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারিকে এসিড নিক্ষেপ করতে সহকারী কিমকে নির্দেশ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মিলা নিজেই’ -পুলিশের রিমান্ডে এমন তথ্য জানিয়েছেন মিলার সহকারী ও ব্যক্তিগত দেহরক্ষী কিম জন পিটার হালদার। মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনদিনের রিমান্ড শেষে সোমবার (৮ জুলাই) কিম জন পিটার হালদারকে নিম্ন আদালতে পাঠানোর কথা রয়েছে। তদন্তের তদারকি কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘কিম আমাদের কাছে বলেছে, সে সানজারির ওপর এসিড ছুড়েছে। সে মিলার নির্দেশেই এসিড ছুড়েছে বলে ডিবির কাছে জবানবন্দি ও দিয়েছে। তাকে আমরা আদালতে পাঠিয়েছি। তবে এখনো সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি।’

    জানা গেছে, তিনদিনের রিমান্ডে কিম ডিবিকে জানিয়েছে, ‘গত ২৫ মে বিকেলে মিলা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন সানজারি আমার জীবনটা নষ্ট করেছে। সানজারিকে তুই (কিম জন পিটার হালদার) তো কিছু করতে পারবি না, যা করার আমি নিজেই করব। তখন আমি মিলা আপুকে বলি যে, আমি কিছু একটা করবই। এ সময় মিলা আপুর সঙ্গে পরামর্শ করি সানজারির গোপনাঙ্গে এসিড দেব।’

    তিনি বলেন, ‘তখন আপু বলেন, পারলে কিছু করে দেখা, তারপর আসিস। তখন আমি চিন্তা করি, সানজারি মিলা আপুর জীবন নষ্ট করেছে, তার জীবনও নষ্ট করব। ওই দিনই (২৫ মে) সন্ধ্যায় এসিড কিনি। ২৬ ও ২৭ মে উত্তরায় সানজারির বাড়ির সামনে ইফতারের পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অবস্থান করি। কিন্তু তাকে দেখিনি। ২ জুন বিকেলে আবার যাই। তখন তাকে এসিড মেরে দৌড়ে পালিয়ে যাই।’

    রিমান্ডে কিম আরও বলেন, ‘মিলা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভেতর এক বন্ধুর বাসায় তাকে লুকিয়ে রেখেছিল।’

    এদিকে মামলার তদন্তের বিষয়ে ডিবির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) বদরুজ্জামান জিল্লু জাগো নিউজকে বলেন, ‘মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

    MILA1

    এসিড নিক্ষেপের মামলায় গত ১ জুলাই উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন গায়িকা মিলা। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ জামিন আবেদনের শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন। সেই সঙ্গে আট সপ্তাহ পর তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন।

    এ বিষয়ে এডিসি বদরুজ্জামান জিল্লু বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আমরা উচ্চ আদালতে মিলার জামিন বাতিলের আবেদন করব। জামিন বাতিল হলে তাকে কাস্টডিতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।’

    স্বামীকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মিলা ইসলাম  বলেন, ‘যেভাবে তাকে (কিম জন পিটার হালদার) রিমান্ডে মারধর করা হয়েছে আর কী বলবো? মারধর করে আমার নাম বলাতে পারে। কিন্তু আমি এ ধরনের কোনো তথ্য জানি না। সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক কোনো জবানবন্দি ও দেয়নি।’

    মিলা আরও বলেন, ‘তাকে (সানজারি) কোনো এসিড মারা হয়নি। যদি এমন কাজ করাতে হয় আমি আমার সহকারীকে দিয়েই কেন করাবো? কিম গরিব ছেলে, তাকে মারধর করে বায়াস করিয়ে এসব বলাতেই পারে। আমি মনে করি, ঘটনা ঘটিয়ে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে, যাতে আমার ওপর আমার স্বামীর নির্যাতনের মামলাটি ধামাচাপা দেওয়া যায়।’

    এ বিষয়ে মামলার বাদী পারভেজ সানজারি  বলেন, ‘আমি আগে থেকেই নিশ্চিত ছিলাম মিলার নির্দেশেই আমাকে এসিড মারা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা তার জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করতে পারে, তা না হলে বাদী হিসেবে আমিও আমার উকিলদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলছি।’

    এর আগে ২ জুন উত্তরায় সানজারিকে এসিড ছোড়েন কিম। এসিডে সানজারির পা, কাঁধ ও হাতের বেশকিছু জায়গা ঝলসে যায়। এ ঘটনায় ৪ জুন রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় কিম ও মিলার বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।

  • দুইশ কোটি পাচ্ছেন সালমান খান

    দুইশ কোটি পাচ্ছেন সালমান খান

    সালমান খান ছোট বা বড়, যে পর্দাতেই আসুন না কেন— দর্শকের বিনোদন একেবারে গ্যারান্টিড। সুতরাং চ্যানেলকে হাই টিআরপি দেওয়ার জন্য তার পারিশ্রমিক যে চোখ ছানাবড়া করার মতোই হবে, তাতে সন্দেহ নেই।

    তাই ‘বিগ বস থার্টিন’-এর সঞ্চালনা করতে যে তিনি ৪০০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পাচ্ছেন, এই খবর প্রথমে বিশ্বাস করতে অসুবিধা হয়নি।

    শোনা গিয়েছিল, প্রতি সপ্তাহান্তের স্পেশ্যাল এপিসোড শুট করতে তিনি ৩১ কোটি টাকা করে পাচ্ছেন।

    কিন্তু এবার ‘বিগ বস’-এর টিম থেকে জানা গেছে, এই তথ্য আদৌ সত্য নয়। গত বছর পারিশ্রমিক বাবদ মোট ১৬৫ কোটি টাকা পেয়েছিলেন সালমান।

    এবার নিজের পারিশ্রমিক বাড়িয়েছেন এই অভিনেতা। প্রতি এপিসোড শুটের জন্য যে অঙ্কটা তিনি চেয়েছেন, তাতে ২০০ কোটির পাবেন বলেই শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ এপিসোড প্রতি ১৩ কোটি টাকার মতো!

  • চলচ্চিত্রের ফিরছেন মনপুরার নায়িকা

    চলচ্চিত্রের ফিরছেন মনপুরার নায়িকা

    সম্পূর্ণ গ্রামবাংলার পটভূমিতে নির্মিত, পারিবারিক ও প্রেমের গল্পের ছবি ‘মনপুরা’তে অভিনয় করে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন এই সিনেমার নায়িকা ফারহানা মিলি। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি যখন মন্দা সময় কাটিয়ে ভালোর দিকে যাচ্ছিল ঠিক তখনই এই ছবির মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হন মিলি। এরপর তাকে শোবিজে খুব একটা দেখা যায়নি বললেই চলে।

    এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটলেও এর আগে টিভি নাটক ও মঞ্চে অভিনয় করতে তিনি। বড় ও ছোট দুই পর্দাতেই তার অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়েছে। দর্শক তাকে সব সময় পর্দায় দেখলেও এর বাইরে কোথাও হয়তো দেখেন নি। ছাত্রজীবন থেকেই মঞ্চ নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন মিলি। বিশেষ করে নাট্যকেন্দ্র ও লোক নাট্যদলের হয়ে অসংখ্যবার মঞ্চে অভিনয় করেছেন ‘মনপুরা’ খ্যাত এই তারকা।

    সিনেমা, নাটক ও পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে এখন তাকে মঞ্চ নাটকে দেখা যাচ্ছে না। সর্বশেষ ২০০৮ সালে নাট্যকেন্দ্রের হয়ে ‘প্রজাপতি’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। নতুন খবর হলো প্রায় দীর্ঘ ১০ বছর পর আবারও মঞ্চে ফিরছেন এই অভিনেত্রী। নতুন করে আবার মঞ্চে ফেরাটা তার জন্য বড়ই আনন্দের।

    ফারহানা মিলি বলেন, আমি মঞ্চের সাথে সবসময়ই জড়িত ছিলাম। আগে নিয়মিত অভিনয় করতাম কিন্তু এখন পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে সেটা আর হয়ে উঠছে না। তবে অনেকদিন পর ফিরছি এটাই অনেক আনন্দের।

    তিনি আরও বলেন, লোকনাট্য দল ও নাট্যকেন্দ্র- দল দুটির ব্যানারে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব এসেছে। আমিও মানসিকভাবে মঞ্চ নাটকে ফেরার পরিকল্পনা করেছি। এছাড়া কয়েকটি রেপার্টরি নাটকেও অভিনয়ের প্রস্তাব আছে। ইচ্ছা আছে শিগগিরই মঞ্চে কাজ করার। মঞ্চে কাজ না করলেও টেলিভিশন নাটকে কিন্তু আমি নিয়মিত কাজ করি। এখন আমার ছেলেটাও বড় হয়েছে। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে এখন মঞ্চে সময় দিতে পারব।

    আগের মত খুব একটা নিয়মিত না হলেও মাঝে মাঝে টিভি নাটকে তার দেখা মেলে। মিলি অভিনীত দুটি ধারাবাহিক নাটক ‘চিটিং মাস্টার’ ও ‘গুড্ডু বুড়া’ আরটিভি এবং দুরন্ত টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে। এছাড়াও আগামী ২২ জুলাই থেকে তার অভিনীত নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘ঘুমন্ত শহরে’ এনটিভিতে প্রচার শুরু হবে।

  • বিতর্কে হৃতিক

    বিতর্কে হৃতিক

    ইদানিং বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না বলিউড অভিনেতা হৃতিকের রোশনের। অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের সঙ্গে তার টানাপড়েনের জের এখনও জারি। পারিবারিক ঝামেলায় তার বিরুদ্ধে গেছেন নিজের বোন সুনায়নাও।

    এবার তার জন্য কাল হল প্রখ্যাত শরীরচর্চা কেন্দ্রের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়া। তার নামে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা হল ভারতের হায়দরাবাদ পুলিশে।

    অভিযোগকারীর দাবি, তিনি ওই জিম ব্যবহারকারী। কিন্তু জিমের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তার। ওই জিমে নাকি আগে থেকে নাম নথিভুক্ত করা হলেও পছন্দসই স্লট পাওয়া যেত না। কারণ সর্বোচ্চ যতজনকে সেবা দেওয়া যায়, সেই পরিকাঠামোকে ছাপিয়ে অতিরিক্ত ব্যবহারকারীকে সময় দেওয়া হতো। ফলে যে গুণমানের সেবা পাওয়ার কথা, তা পাওয়া যায় না। এই অভিযোগে জিমের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হৃতিকের নামেই মামলা ঠুকে দিলেন এক ব্যক্তি।
    অনিয়মের প্রতিবাদ করায় নাকি অভিযোগকারীকে জিমের অ্যাপও ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দরাবাদের কেপিএইচবি কলোনি থানা হৃতিক রোশন এবং জিম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শশীকান্ত নামে ওই অভিযোগকারীর বক্তব্য, গত বছর ডিসেম্বরে তিনি প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার টাকা দিয়েছেন। কিন্তু জিমের প্রতিশ্রুতি মতো পছন্দসই স্লট পাননি। শরীরচর্চাকেন্দ্রের পক্ষ থেকে একটি প্যাকেজ দেওয়া হয়েছিল। ওজন কমানোর প্যাকেজে ছাড় দেওয়া হয়েছিল সেই অফারে।

    অভিযোগকারীর দাবি, হৃতিক রোশনের বিজ্ঞাপনের মুখ হওয়ায় তার মতো আরও অনেকে এই অফার নিয়েছে। তাই প্রতারণার দায়ে হৃতিকও অভিযুক্ত।

    এদিকে হৃতিকের বোন সুনায়নার অভিযোগ, মুসলিম ছেলের প্রেমে পড়ায় তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে রোশন পরিবার। সুনায়না যোগাযোগ করেছিলেন কঙ্গনার সঙ্গেও। পারিবারিক অত্যাচারকে তিনি নরকযন্ত্রণার সঙ্গে তুলনা করেছেন। সেই বিতর্কের গোদের মধ্যেই জালিয়াতির বিষফোঁড়া হৃতিকের। তার এবং জিম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

  • ধর্মতর্ক : নুসরাত মুসলিম নাকি জৈন?

    ধর্মতর্ক : নুসরাত মুসলিম নাকি জৈন?

    বেগুনি পাড়ের সাদা রঙের শাড়ি, দু’হাতে চূড়া, হাত ভর্তি মেহেন্দি, গলায় মঙ্গলসূত্র, সিঁথিতে সিঁদুর- এমন বেশে সংসদে শপথ বাক্য পাঠ করে শিরোনামে তৃণমূলের নবাগতা সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। মুসলিম নারীর সিঁথিতে সিঁদুর! গলায় মঙ্গলসূত্র! আর এ কারণেই তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ।

    নুসরাতের বেশভূষা নিয়ে ইতিমধ্যেই ‘আপত্তি’ তুলেছেন দেওবন্দের এক মৌলবী। তবে শুধু দেওবন্দের মৌলবীই নন, সিঁদুর-মঙ্গলসূত্র পরায় এবার দলেরই একাংশের ‘ক্ষোভ’-এর মুখে পড়েছেন তৃণমূলের এই তারকা সাংসদ। যে বসিরহাট থেকে এবার সাংসদ হয়েছেন নুসরাত, সেখানকারই প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী ইদ্রিশ আলির তোপের মুখে পড়লেন সিঁদুর-মঙ্গলসূত্রের অভিনেত্রী সাংসদ।

    নুসরাত জাহানের সিঁদুর-বিতর্ক প্রসঙ্গে ইন্ডিয়ান তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিশ আলি বলেন, ‘আমি নিজে কোনও মন্তব্য করব না। সমালোচনা হচ্ছে। আমার কাছে বহু লোক আপত্তি জানিয়েছেন। শুধু মুসলিম নন, হিন্দুদের অনেকও বলছেন, এটা কী! সে নিজে ঠিক করুক, সে কি মুসলিম? মানুষ বিভ্রান্তি হচ্ছে, সে মুসলিম না জৈন? অনেকে এই প্রশ্ন করছেন। আমার মনে হয় ও যা করছে ঠিক নয়। ও একটা অবস্থান ঠিক করুক। মুসলিম হলে মুসলিম ধর্ম মেনে চলতে হবে। হিন্দু হলে হিন্দু ধর্ম মেনে চলতে হবে। (এমন করলে) না ঘর কা না ঘটকা হয়ে যাবে তো।’

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই তুরস্কে ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের সঙ্গে বিয়ে হয় নুসরাত জাহানের। বিয়ের পরই সংসদে ‘নুসরাত জাহান রুহি জৈন’ হিসেবে শপথ পাঠ করেন বসিরহাটের সাংসদ।

    অন্যদিকে, ভরা সংসদে লোকসভার অধ্যক্ষকে নুসরাতের প্রণাম জানানো নিয়েও আপত্তি তুলেছেন তৃণমূলের ইদ্রিশ। এ প্রসঙ্গে বসিরহাটের প্রাক্তন সাংসদ বলেন, এটা সংস্কৃতি নয়। বিজেপি সাংসদরাও করেননি, উনিই শুধু করেছেন এসব। প্রণাম করা, শ্রদ্ধা জানানো ব্যক্তিগত রুচির ব্যাপার। কিন্তু সেটা তো সব জায়গায় হয় না। বাইরে করতে পারতেন।

    অন্যদিকে, বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে সরব হয়েছেন স্বয়ং নুসরত জাহানও। টুইট করে নুসরাত জানিয়েছেন, ধর্মীয় কট্টরপন্থীদের করা মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানালে ঘৃণা ও হিংসা বাড়ে, ইতিহাসেই তার প্রমাণ রয়েছে। আমি বহুত্ববাদী ভারতের প্রতিনিধি, যা জাতপাত, ধর্মীয় বেড়ার ঊর্ধ্বে। আমি সব ধর্মকেই সম্মান করি…আমি একজন মুসলিম। আমি কী পরব, তা নিয়ে কেউ মন্তব্য করতে পারেন না। ধর্ম পোশাকের ঊর্ধ্বে…’।

    নুসরতের সিঁদুর ও মঙ্গলসূত্র নিয়ে ইদ্রিশ ফের বলেন, আমরাও দুর্গাপূজার মণ্ডপে যাই, সেখানে তো মুসলিম হয়ে দুর্গাপূজা করি না। মুসলিম হয়ে যদি পাথর পূজা করি, সেটা তো হয় না। একটা ধর্ম মেনে চলা উচিত। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। আমরা যখন নমাজ পড়ি, উনি যান, সেখানে কি নমাজ পড়েন উনি? নমাজকে শ্রদ্ধা জানান। অনেকে বাজে প্রচার করেন এটার। কোরআনে অন্য ধর্মকে শ্রদ্ধা জানানোর কথা বলা আছে।