Category: বিনোদন

  • বিজ্ঞাপনে চিত্রনায়িকা রেসি

    বিজ্ঞাপনে চিত্রনায়িকা রেসি

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রেসি। অনেকদিন ধরেই তাকে বড় পর্দায় দেখা যাচ্ছে না। বর্তমানে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই ব্যস্ততার ফাকে সময় পেলে মাঝে মধ্যে নাটক কিংবা বিজ্ঞাপনে দেখা মিলে তার।

    রোববার (২৬ মে) রাজধানীর উত্তরায় নতুন একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। শরীফ আইরন মেশিনের এই বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করছেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

    বিজ্ঞাপনে কাজ প্রসঙ্গে রেসি বলেন, অনেকদিন পর আবার বিজ্ঞাপনে কাজ করলাম। স্বামী-সংসার আর সন্তানকে সময় দেওয়ার পর যে সময়টুকু পাই তার মধ্যেই কিছু কাজ করার চেষ্টা করি।

    এ ছাড়া আমার বিউটি সেলুন নিয়ে ব্যস্ততা তো রয়েছেই। ভালো চলচ্চিত্রের অপেক্ষা করেই যাচ্ছি কিন্তু সেরকম কিছুই পাচ্ছিনা। এখন ভালো বাজেট কিংবা ভালো মানের গল্পের ছবি খুব কম। হাতে গোনা দুয়েকটা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, বুলবুল জিলানী পরিচালিত ‘নীল আঁচল’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ২০০৪ সালে বড় পর্দায় কাজ শুরু করেছিলেন রেসি। বিরতির আগ পর্যন্ত ৪০টি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি।

    এফ আই মানিকের ‘এক জবান’, ‘স্বামী ভাগ্য’ এবং মনতাজুর রহমান আকবরের ‘আমার স্বপ্ন আমার অহংকার’সহ তার অভিনীত বেশির ভাগ ছবিই বেশ ভালো ব্যবসা করেছিল। এরপর বিয়ে এবং সন্তানদের সময় দেওয়ার কারণে অভিনয় থেকে বিরতি নেন। সর্বশেষ বন্ধন বিশ্বাসের ‘শূন্য’ছবিতে তিনি কাজ করেন।

  • দেবের সঙ্গে এগিয়ে মিমি-নুসরাত

    দেবের সঙ্গে এগিয়ে মিমি-নুসরাত

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ভোটের প্রাথমিক ফলাফলে পশ্চিমবঙ্গে নিজ নিজ আসনে এগিয়ে রয়েছেন তিন তারকা প্রার্থী দেব, মিমি এবং নুসরাত।

    ঘাটাল থেকে তৃণমূলের প্রার্থী দেব। নায়কের প্রতিপক্ষ বিজেপির প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ।

    অন্যদিকে যাদবপুর আসনে প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। এই আসনে দ্বিতীয় শক্ত প্রার্থী হচ্ছেন সিপিএম নেতা ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের সাবেক মেয়র বিকাশ ভট্টাচার্য।

    অন্যদিকে নুসরাত লড়ছেন বসিরহাট থেকে। এই আসনে নুসরাতের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিজেপির সায়ান্ত বসু ও সিপিআইয়ের পল্লব সেনগুপ্ত।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে গতবারের তুলনায় এবার তৃণমূলের আসন কমলেও এই তিনটি আসেন মমতার তিন প্রার্থী জয়ের পথে রয়েছেন।

    এনডিটিভির লোকসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, সারা দেশের ৫৪২ আসনের মধ্যে ৩২৪টি পেতে যাচ্ছে এনডিএ জোট। একক দল হিসেবে বিজেপি পাচ্ছে ২৭৬টি। সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ২৭২টি আসন।

    আনন্দবাজারের প্রাথমিক ফলাফলেও একই আভাস মিলছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩২৬টি আসন পাচ্ছে এনডিএ জোট। আর একক দল হিসেবে বিজেপি পাচ্ছে ২৭২টি আসন।

  • ঈদের পরদিন আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘মাহফুজ’!

    ঈদের পরদিন আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘মাহফুজ’!

    ঈদের পরদিন আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘মাহফুজ’ না, এ কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এটি সংগীত অঙ্গনের দুর্যোগ, সংগীতানুষ্ঠানের দুর্যোগ। ঈদের পর দিন এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে এশিয়ার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী”মাহফুজুর রহমানের”একক সংগীতসন্ধ্যা অনুষ্ঠান।দর্শকদের অধীর আগ্রহ এবং তাদের উৎসাহ মাহফুজুর রহমানকে সংগীত অঙ্গনে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে তার বিশ্বাস।

  • গোপনে বিয়ে করছেন রণবীর-আলিয়া

    গোপনে বিয়ে করছেন রণবীর-আলিয়া

    বলিউডে একের পর এক বিয়ে লেগেই আছে। এবার শোনা যাচ্ছে বিরাট-আনুশকা, রণবীর-দীপিকার মতো আলিয়া-রণবীরও নাকি ইতালির লেক কোমোতে বিয়ে করতে চলেছেন। সম্প্রতি বলিপাড়ায় ছড়িয়েছে এমন গুঞ্জন। গোপনেই নাকি বিয়ে সারছেন তারা।

    বেশকিছু সংবাদমাধ্যমে এখবরও প্রকাশিত হয় যে, আলিয়া-রণবীর নাকি ইউরোপে একে অপরের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন। তবে শিগগিরই রণবীর-আলিয়া বিয়ের প্রসঙ্গটাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আলিয়ার মা সোনি রাজদান।

    আলিয়ার মা এক সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ‘এই খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, পুরোটাই গুজব। আলিয়ার হাতে এই মুহূর্তে তিনটি ছবি । রণবীরও তার আগামী ছবি নিয়ে ব্যস্ত। শিগগিরই ওদের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবিতে একসঙ্গে দেখা যাবে।’

    এর আগে রণবীর আলিয়ার সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার বাবা মহেশ ভাট বলেছিলেন,‘ওরা যে একে অপরের সঙ্গে প্রেম করছে এটা বুঝতে আলাদা করে কোনও বুদ্ধির দরকার পরে না। রণবীর ভীষণ ভালো ছেলে। ওরা এই সম্পর্কটা কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে এটা ওরাই সিদ্ধান্ত নেবে।

    এতদিনে এটা ঠিকভাবেই বোঝা গেছে রণবীর ও আলিয়ার পরিবার মানুষরা তাদের ভালোবাসার সম্পর্কটাকে বেশ শ্রদ্ধার চোখেই দেখে। রণবীরের বাবা ঋষি কাপুর আলিয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘নীতু ওকে পছন্দ করে, আমিও করি, রণবীরও করে। এখন আনুষ্ঠানিক ভাবে শুধু চার হাত এক হতে বাঁকি।

  • সুবীর নন্দীর শেষকৃত্য সম্পন্ন

    সুবীর নন্দীর শেষকৃত্য সম্পন্ন

    রাজধানীর সবুজবাগে শ্রী-শ্রী বরদেশ্বরী মহাশ্মশানে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় শুরু হয় শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা। শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়।

    এ সময় মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন সুবীর নন্দীর পরিবারের সদস্য, আত্মীয় ও বন্ধু-স্বজনরা। দূর দূরান্ত থেকে এসেছেন অনেক ভক্তরাও।

    গত মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সুবীর নন্দী। সেখান থেকে বুধবার সকালে রিজেন্ট এয়ারওয়েজে তার মরদেহ দেশে আনা হয়।

    এরপর নিয়ে যাওয়া হয় গ্রিন রোডে অবস্থিত শিল্পীর বাসভবনে। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা সেরে বেলা ১১টায় তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় শহীদ মিনারে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানায় সর্বস্তরের মানুষ।

    পরে এফডিসিতে শ্রদ্ধা শেষে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণ ঘুরে রামকৃষ্ণ মিশনে নিয়ে যাওয়া হয় সুবীর নন্দীকে। সেখান থেকে সবুজবাগ শ্রী-শ্রী বরদেশ্বরী মহাশ্মশানে যায় তার মরদেহ। সেখানে বিকেল ৫টায় শুরু হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পীর শেষকৃত্যানুষ্ঠান।

  • চলে গেলেন সুরের জাদুকর সুবীর নন্দী

    চলে গেলেন সুরের জাদুকর সুবীর নন্দী

    সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বরেণ্য সংগীত শিল্পী সুবীর নন্দী মারা গেছেন। বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটায় তিনি মারা যান। সিঙ্গাপুর থেকে তার মেয়ে ফাল্গুনী নন্দী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে ঢাকা ও সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় টানা ১৮ দিন চোখ মেলেননি সুবীর নন্দী। পরে গত ৩ মে চোখ মেলেন তিনি। তবে এর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শনি ও রবিবার দুই দফায় হার্ট অ্যাটাক হয় সুবীর নন্দীর। এরপরই তার অবস্থা ‘সঙ্কটাপন্ন’ বলে জানান তার চিকিৎসকরা। বাংলাদেশে সুবীর নন্দীর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করছিলেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন।

     

    ১৪ এপ্রিল রাতে স্বপরিবারে সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন সুবীর নন্দী। উত্তরার কাছাকাছি আসতেই হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে পড়ে। এ সময় তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে সিএমএইচে নেওয়া হয়েছে। সিএমএইচে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে গত ৩০ এপ্রিল (মঙ্গলবার) তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

  • এই প্রথম একসঙ্গে অমিতাভ ও ইমরান হাশমী

    এই প্রথম একসঙ্গে অমিতাভ ও ইমরান হাশমী

    মার্চে ‘বদলা’র পর আরও একটি থ্রিলার সিনেমায় দেখা যাবে বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনকে। নাম ঠিক না হওয়া এই ছবিটি তামিল ও হিন্দি ভাষায় তৈরি হচ্ছে। রুমি জাফরির পরিচালনায় এই সিনেমায় অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে প্রথমবারের মতো স্ক্রিন শেয়ার করছেন বলিউড সিরিয়াল কিসার খ্যাত ইমরান হাশমী।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, সিনেমাটিতে অমিতাভ বচ্চনকে অবসরপ্রাপ্ত আইনজীবির ভূমিকায় দেখা যাবে। ইমরানকে পাওয়া যাবে বিজনেস টাইকুনের চরিত্রে। আগামী ১০ মে থেকে মুম্বাইয়ে ছবির শ্যুটিং শুরু হচ্ছে ।  ছবিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিনয় করছেন অন্নু কাপুর। ১২ জুনের মধ্যে শ্য়ুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    ছবির প্রযোজক আনন্দ পন্ডিত সিনেমাটির গল্প নিয়ে গণমাধ্যমকে জানান, ছবিটিতে এক দল পুরনো বন্ধুর গল্প দেখানো হবে।  যারা প্রত্যেকেই অবসরপ্রাপ্ত আইনজীবী। তারা ভারতের শিমলার একটি বাংলোতে সবাই দেখা করেন এবং সময় কাটাতে একটা সাইকোলজিক্যাল গেম শুরু করেন। আর সেই গেম নিয়েই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।

  • বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী আর নেই

    বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী আর নেই

    সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী মারা গেছেন। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টায় তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

    এর আগে, রোববার সুবীর নন্দীর শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। শনিবার ও রোববার পরপর দুইদিন হার্ট অ্যাটাক হয় তার। হার্টে চারটা ব্লক ছিল। রোববার সকালে চারটা রিং পরানো হয়েছে।

    ঢাকা ও সিঙ্গাপুরে টানা ১৮ দিন হাসপাতালের বিছানায় নিথর হয়ে পড়েছিলেন নন্দিত এ গায়ক। অবশেষে গত ৩ মে চোখ মেলেন ও মেয়ে ফাল্গুনীকে দেখে কাঁদেন। চিকিৎসকরা আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন। প্রিয় শিল্পীর সুস্থ হয়ে ওঠার সংবাদে খুশি হয়েছিলেন ভক্তরাও। এমন স্বস্তির খবরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৪ মে ও ৫ মে দুই দফা হার্ট অ্যাটাক হয় সুবীর নন্দীর।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার সিএমএইচ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সঙ্গীতশিল্পীকে। এর আগে ১৬ দিন রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।

    ১৪ এপ্রিল রাতে সিলেট থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ট্রেনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সুবীর নন্দী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও কন্যা। রাত ১১টার দিকে তাকে রাজধানীর সিএমএইচে নেয়া হয়। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে হার্ট অ্যাটাক করেন এই নন্দিত শিল্পী। এরপর তাকে দ্রুত লাইফ সাপোর্ট দেয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হার্টের অসুখে ভুগছিলেন সুবীর নন্দী।

    নন্দিত কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী ৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রেও উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ১৯৮১ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’ ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে আসে। তবে চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত ‘সূর্যগ্রহণ’ চলচ্চিত্রে।

    চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। আর চলতি বছরে সঙ্গীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার সুবীর নন্দীকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করেছে।

  • মমতাজের জন্মদিন আজ

    মমতাজের জন্মদিন আজ

    বাংলা ফোক গানের সম্রাজ্ঞী মমতাজ। বর্তমানে তিনি সরকার দলীয় এমপি। রাজনীতির মঞ্চে তার অনেক ব্যস্ততা। তবুও গান গেয়ে চলেছেন নিয়মিতই।

    বরেণ্য এই গায়িকার জন্মদিন আজ। ১৯৭৪ সালের ৫ মে মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মমতাজের পুরো নাম মমতাজ বেগম। বাবা মধু বয়াতিও গান করতেন। তার কাছ থেকেই গানে হাতেখড়ি। পরে মাতাল রাজ্জাক দেওয়ান এবং শেষে আবদুর রশীদ সরকারের কাছে গান শিখেছেন তিনি।

    দেশে দেশে, পথে পথে লোক গান করে বেড়াতেন মমতাজ। ২০০০ সালে হানিফ সংকেতের আমন্ত্রণে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’-তে গান করতে আসেন তিনি। প্রথমে না করে দিলেও হানিফ সংকেত অনেক বুঝিয়ে তাকে রাজি করান।

    মো. রফিকুজ্জামানের কথায় ও সোহেল আজিজের সুরে ইত্যাদিতে তিনি অবশেষে গাইলেন ‘রিটার্ন টিকিট হাতে লইয়া আইসাছি এই দুনিয়ায়/ টাইম হলে যাইতে হবে যাওয়া ছাড়া না উপায়’ গানটি।

    সেই গান রাতারাতি পৌঁছে গেল কোটি কোটি শ্রোতার কাছে। আর মমতাজ জায়গা করে নিলেন সবার অন্তরে। দিনে দিনে তিনি হয়ে উঠলেন বাংলা লোক সঙ্গীতের সম্রাজ্ঞী।

    দুই দশকেরও বেশি তার পেশাদারী সংগীত জীবন। এরমধ্যে রেকর্ড ৭০০টির বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তার। গেয়েছেন সিনেমাতেও। বৈচিত্রময় কণ্ঠের মমতাজ যেমন সহজ কথা ও সুরে ‘ফাইট্টা যায়’ গান গেয়ে দেশ মাতিয়েছেন তেমনি ‘মনপুরা’ ছবিতে ‘আগে যদি জানতাম রে বন্ধু’র মতো ব্যতিক্রমী ধাঁচের গান গেয়েও তুমুল প্রশংসিত হয়েছেন।

    ফিতার ক্যাসেট থেকে সিডি এলো, সিডির দিন গিয়ে এলো ভিডিও দেখার যুগ। এই পরিবর্তনের স্রোতে অনেক বিখ্যাত-জনপ্রিয় শিল্পীই হারিয়ে গেছেন। কিন্তু মমতাজ রয়ে গেছেন স্বমহিমায় তার শ্রোতাদের মনের রানী হয়ে।

    ক্যারিয়ারে বহু চড়াই উৎরাই তাকে পার হতে হয়েছে। মৌলবাদী হামলার মুখেও পড়তে হয়েছে তাকে। বহুবার বহু কনসার্ট থেকে গান না করেই ফিরে এসেছেন। নিরবে কেঁদেছেন অপমানে। তবে থেমে যাননি। সব যন্ত্রণাকে প্রেরণা করে চলতে চলতে মমতাজ আজ এদেশের কোটি মানুষের প্রিয় মানুষ। তিনি আজ মহান সংসদের একজন সম্মানিত সদস্যও।

    গুণী এই কণ্ঠশিল্পীর জন্মদিনে বাংলার মুখ24.com এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা রইলো।

  • অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম দেখতে বাংলাদেশি দর্শকের উন্মাদনা, ভিডিও নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার সংবাদ

    অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম দেখতে বাংলাদেশি দর্শকের উন্মাদনা, ভিডিও নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার সংবাদ

    মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। শুক্রবার মুক্তি পাওয়া ৩৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এ ছবিটি এরইমধ্যে আয় করেছে ১.২ বিলিয়ন ডলার। একই দিনে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি ও সীমান্ত স্কয়ারে স্টার সিনেপ্লক্সেও মুক্তি পায় ছবিটি। ছবিটি ঘিরে বাংলাদেশের দর্শকদের ছিল বাড়তি উন্মাদনা। সেই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এনিয়ে খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডেইলি মেইল। সংবাদ মাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনে ভিডিওটি সংযুক্ত করেছে।

    ভিডিও-তে দেখা যায়, ছবিটির টিকেটের জন্য বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বসুন্ধরা সিটির সামনে জড়ো হন শত শত দর্শক। একটি টিকেটের জন্য শুরু করেন হুড়োহুড়ি, শত শত লোক টিকেটের জন্য দৌড়ে যান বসুন্ধরা সিটিতে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকার শত শত মানুষ ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ টিকেটের জন্য সিনেমা হলের দিকে দৌড়াচ্ছে। কেউবা পানির মধ্য দিয়ে দৌড় দিচ্ছে, আবার কেউ ‘উঁচু স্থান’ টপকিয়ে টিকেট পেতে দৌড়াচ্ছে। দৌড়ে গিয়ে লাইনে টিকেটের জন্য দাঁড়াচ্ছে।