Category: বিনোদন

  • লাইফ সাপোর্টে এটিএম শামসুজ্জামান

    লাইফ সাপোর্টে এটিএম শামসুজ্জামান

    দেশের কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান লাইফ সাপোর্টে। এর আগে বরেণ্য এ অভিনেতার শরীরে অস্ত্রোপচার হয়। তখন তাকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল।

    মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে এ অভিনেতাকে।

    গণমাধ্যমকে এটিএম শামসুজ্জামানের ছোট ভাই আলহাজ্ব সালেহ জামান সেলিম জানান, এটিএম শাসুজ্জামানের শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় গতকাল তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। তারপর আজ তিনটার দিকে ডাক্তাররা তাদের জানান এ টিএম শাসুজ্জামানকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা বেশি ভালো না।

    শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শরীরে অস্ত্রোপচার করতে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত কারণে অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও মাঝেমধ্যেই শখের বশে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে তাকে।

    ষাটের দশকের শুরুতে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন এটিএম শামসুজ্জামান। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করলেও খল অভিনেতা হিসেবেই জনপ্রিয়তা পান এটিএম।

  • নিজের যোগ্যতায় বলিউডে টিকে আছি: আরবাজ খান

    নিজের যোগ্যতায় বলিউডে টিকে আছি: আরবাজ খান

    অযোগ্য হলে দু’একটির বেশি সিনেমায় কাজ করার সুযোগ পেতাম না জানিয়ে সালমানের ভাই আরবাজ খান বলেছেন, অনেকেই আছেন, যারা দু’একটি সিনেমায় কাজ করার পর হারিয়ে গেছেন। কিন্তু আমি দীর্ঘদিন বলিউডে টিকে আছি এবং ৭০টির মতো সিনেমায় অভিনয় করেছি। আমার গ্রহণযোগ্যতা আছে বলেই তা সম্ভব হয়েছে, অন্যের জোরে নয়।

    আরবাজ খান বলেন, বলিউডে নিজের যতটুকু অর্জন কিংবা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে তার সবটুকু নিজের যোগ্যতায় করেছেন, সালমান খানের জোরে নয়। কঠোর পরিশ্রম, মেধা-যোগ্যতার বলেই তা করতে পেরেছেন বলে সম্প্রতি ভারতীয় মিডিয়াকে জানিয়েছেন আরবাজ খান।

  • ব়্যাম্পে হাঁটতে হাঁটতে মডেলের মৃত্যু!

    ব়্যাম্পে হাঁটতে হাঁটতে মডেলের মৃত্যু!

    ব়্যাম্পে হাঁটার সময়ে আচমকা পড়ে গিয়ে মৃত্যু হলো মডেলের। শনিবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে সাওপাওলো ফ্যাশন উইকে।

    ঘটনার পর হতবাক হয়ে যান অন্যান্য মডেল থেকে শোতে উপস্থিত ফ্যাশন বিশেষজ্ঞরাও। কীভাবে তার মৃত্যু হলো?

    অনকেরই অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই পুরুষ মডেলের। তবে হৃদরোগজনিত কোনও সমস্যা তার আগে ছিল কিনা বা পড়ে গিয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক কিনা তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। তবে এই ঘটনায় ফ্যাশন জগতে বেশ উদ্বেগ বেড়েছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলের সাওপাওলো ফ্যাশন উইকে। শনিবার ফ্যাশন উইকের শেষ দিন ছিল।

    ফ্যাশন উইক সূত্রে জানা গেছে, ওই মডেলের নাম টেলস সোয়ার্স। ফ্যাশন-লাইন ‘ওকসা’র শো চলছিল ওই সময়ে। সংশ্লিষ্ট ওই ফ্যাশন উইকে এদিন টেলস সোয়ার্স ব়্যাম্প মাতাচ্ছিলেন ‘ওকসা’র মডেল হয়ে। ঠিক তখনই ঘটে এই ঘটনা। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও রয়েছে ধোঁয়াশা।

    ২৬ বছর বয়সী ওই মডেল ক্যাটওয়াক করতে করতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ব়্যাম্প ওয়াক যখন তার শেষ পর্যায়ে, ব্যাক স্টেজের দিকে ফিরছিলেন তিনি। এরই মাঝে হঠাৎ পড়ে যান টেলস। উদ্যোক্তারা ছুটে আসেন স্টেজে। টেলসকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এরপর তাকে দেখেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সাওপাওলো ফ্যাশন উইকের পক্ষ থেকে টেলস সোয়ার্সের পরিবারকে সমবেদনা জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে কম বয়সেই মডেলের মৃত্যু ঘটেছে। ছিপছিপে চেহারায় ফ্যাশন ব়্যাম্প মাতানোর লক্ষ্যে অনেক সময়েই মডেলরা দিনের পর দিন না খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। এতে হিতে বিপরীত হয়।

    এর আগে ব্রাজিলের খ্যাতনামা মডেল আনা ক্যারোলিনা রেস্টন নামে এক মডেল অ্যানোরেক্সিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২১ বছর বয়সী ওই মডেলের উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, কিন্তু ডায়েট করে ওজন নামিয়েছিলেন ৪০ কেজিতে। এরপর ফের ওজন কমানোর চেষ্টা করলে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। শেষে অ্যানোরেক্সিয়া নারভোসায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

  • রং পেন্সিল মিডিয়ার বৈশাখী ২য় মিউজিক ভিডিও প্রকাশ

    রং পেন্সিল মিডিয়ার বৈশাখী ২য় মিউজিক ভিডিও প্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার//কাইয়ুম খান:

    বরাবরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রং পেন্সিল মিডিয়া এবারের বৈশাখে প্রকাশ করল তাদের এবারের ২য় বৈশাখি মিউজিক ভিডিও “রঙে ভরা বৈশাখ”।

    এ মিউজিক ভিডিও টি পরিচালনা করেছেন শাওন তৌসিফ অরন্য। কোরিওগ্রাফি করেছেন তাসফিয়া ইসলাম মিম।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    মিউজিক ভিডিও টিতে অভিনয় করেছেন বরিশালের সনামধন্য থ্রি এস ড্যান্স গ্রপের আলিফ ইসলাম,তাসফিয়া ইসলাম মিম এবং ছান্ধিয়া ইসলাম রোজা।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    রং পেন্সিল মিডিয়ার পরিচালক শাওন অরন্য বলেন, আমরা সব সময় বৈশাখে দর্শকদের জন্য বিনোদনের কিছু তৈরি করি। তারা যেন বিনোদন পান তার চিন্তা করেই এবারের বৈশাখে আমরা একটু ব্যতিক্রম করেছি এবার।বৈশাখে আমরা একটা মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেছিলাম সেটার ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কারনে আমরা এবারের বৈশাখি আরও একটি মিউজিক ভিডিও ” রঙে ভরা বৈশাখ” রিলিজ করেছি।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এ মিউজিক ভিডিও টি আজ ২৬ এপ্রিল (শুক্রবার ) সকাল ১০টায় রং পেন্সিল মিডিয়ায় নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে এবং ক্যবল চ্যানেল বিটিসিএন এ পাব্লিস করা হয়।

    https://youtu.be/xbl74TlZZTs

  • চাইনিজ সিনেমায় শাহরুখ খান

    চাইনিজ সিনেমায় শাহরুখ খান

    দীর্ঘদিন ধরেই বলিউড মাতিয়ে চলেছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন হিন্দি সিনেমার কিং খান। তাকে কেউ বলিউড বাদশা বলেও ডাকে, রোমান্সের রাজাও বলা হয় তাকে। বহু সিনেমা তার ইতিহাস হয়ে আছে বি-টাউনে।

    শাহরুখের খ্যাতি জগতময়। বিশ্বের সেরা জনপ্রিয় ও ধনী অভিনেতার তালিকায় উপরের দিকে তার নাম। বেশ কয়েকবার শোনা গেছে, হলিউডের ছবিতে কাজ করবেন তিনি। তবে সেগুলো ঘোষণা বা গুজব হয়েই রয়ে গেছে। শাহরুখের কাছ থেকে কোনোরকম নিশ্চিত কোনো খবর আসেনি কখনো।

    তবে এবার নিজেই ঘোষণা দিলেন চাইনিজ সিনেমায় অভিনয় করার। সেইসঙ্গে চিনের সঙ্গে যৌথভাবে ছবি প্রযোজনা করতেও নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তিনি।

    সম্প্রতি বেজিংয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে উপস্থিত হয়েছিলেন শাহরুখ খান। সেখানে দেখানো হয় তার ছবি ‘জিরো’। ছবিটির প্রিমিয়ার সংশ্লিষ্ট এক অনুষ্ঠানে লাইভ ওয়েবকাস্টে শাহরুখ জানান তার পছন্দের ছবির তালিকা।

    সেখানেই একটি সাক্ষাত্কারে কিং খান জানান ভবিষ্যতে ভারত ও চিনের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান বাড়ানোর জন্যে তিনি ছবি প্রযোজনা করতে চান। চিনের কোনো নির্মাতার সঙ্গে যৌথভাবে তিনি এমন কোনো ছবি তৈরি করতে চান যেখানে তুলে ধরা হবে পারিবারিক মূল্যবোধের কথা।

    পারিবারিক ছবি ছাড়া আরও একটি জব্বর আইডিয়া রয়েছে কিং খানের। তিনি এমন কোনো ছবি বানাতে চান যেখানে একই ফ্রেমে ধরা পড়বে ভারতীয় এবং চিনা সুপারহিরোরা।

    শাহরুখ এদিন বলেন, ‘সিনেমা এবং আর্ট দেশ, কাল, ভাষার ঊর্ধ্বে গিয়ে মানুষকে এক সূত্রে বেঁধে ফেলে’।

    শুধু প্রযোজনাই নয়। চিনের ছবিতে অভিনয়ের আগ্রহও প্রকাশ করেন শাহরুখ খান। বলেন অন্য কাউকে দিয়ে ডাবিং করাবেন না। বরং নিজেই শিখবেন ম্যান্ডারিন।

  • স্পর্শকাতর মন্তব্যের পর সাফা কবীর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবর হলেন

    স্পর্শকাতর মন্তব্যের পর সাফা কবীর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবর হলেন

    টেলিভিশন নাটকের একজন শীর্ষ বাংলাদেশি  অভিনেত্রী ও মডেল সাফা কবির। চলতি সপ্তাহে একটি প্রাইভেট রেডিও স্টেশনে ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, মৃত্যুর পরের জীবনে তিনি বিশ্বাস করেন না।

    সাফার এমন মন্তব্য ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। দেশীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। একই বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবর হয়েছেন তিনি।

    ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল এর অনলাইন ভার্সনে সাফাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে  বলা হয়েছে, নাস্তিকতা নিয়ে মন্তব্যের জন্য বাংলাদেশি অভিনেত্রী সাফা কবীরকে সেদেশে  ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। দেশটিতে নাস্তিক পরিচয় থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে।

    ডেইলি মেইলের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের একটি প্রাইভেট রেডিও স্টেশনে একটি ইন্টারভিউ দেন সাফা কবীর। এতে তিনি মন্তব্য করেন, ‘মৃত্যুর পরের জীবনে আমি বিশ্বাস করি না। প্রকৃতপক্ষে, আমি যা দেখি না, তাতে বিশ্বাস করি না।’ তিনি বলেন, ‘স্বর্গে ও নরক প্রসঙ্গে কেউ কেউ তাঁদের মুসলিম বিশ্বাস প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    বলা হয়, সাফার ওই মন্তব্যের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভাইরাল হয় ইন্টারভিউয়ের ফুটেজটি। নানা মন্তব্য করে ব্যবহারকারীরা। এসব মন্তব্যের অধিকাংশই তাঁর বিরুদ্ধে।’

    গতকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) নিজের মন্তব্যের জন্য ফেসবুকে ক্ষমা চান ২৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। এতে নিজের নাস্তিক পরিচয়কে অস্বীকার করেন তিনি।

    প্রতিবেদনে ঘটনার পূর্বাপর বিবরণ দেওয়া হয়। এতে স্থান পায় সাফার ফেসবুকে দেওয়া স্টাটাসও। বলা হয় সাফা লিখেছেন, ‘যদি কোনো ভুল করে থাকি, তবে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাই আমি। তিনি সবচেয়ে দয়ালু এবং ক্ষমাশীল। তিনি অবশ্যই আমাকে ক্ষমা করবেন।

    সাফা আরো লিখেছেন, ‘যদি আমার কোনো কথা কারো বিশ্বাসে আঘাত করে থাকে তবে আমি দুঃখিত এবং তার জন্য আমি ক্ষমা চাই।

    ফেসবুকে সাফার ওই পোস্টে ৬০ হাজার মন্তব্য পড়েছে।

    ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে আরো লেখা হয়েছে, নাস্তিকতা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে নিষিদ্ধ। গত কয়েক বছরে সেখানে নাস্তিক পরিচয় থাকার অভিযোগে প্রায় ডজন মানুষকে নিষ্ঠুরভাবে আক্রমণ ও হত্যা করেছে সন্দেহভাজন ইসলামী চরমপন্থিরা।

    অনেক নেতৃস্থানীয় নাস্তিক দেশ পালিয়ে গেছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোতে নির্বাসনে বসবাস করছে।
    মঙ্গলবার তিনি ফেসবুকে ক্ষমা চেয়েছেন। এতে  নাস্তিক পরিচয়কে অস্বীকার করছেন এই অভিনেত্রী।

  • ভারতে নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ফেরদৌস

    ভারতে নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ফেরদৌস

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেয়ায় ভারতজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস আহমেদকে নিয়ে। ইতোমধ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট ভাঙার অভিযোগে ভারতীয় ভিসা বাতিল হয়েছে তার। মঙ্গলবার রাত ১০টায় ঢাকায় ফেরেন তিনি। দেশে ফেরার পর বিষয়টি নিয়ে নীরব ছিলেন ফেরদৌস।

    আজ বুধবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।

    ফেরদৌস এক বার্তায় বলেন, ‘আমি চিত্রনায়ক ফেরদৌস। অভিনয় শিল্প আমার একমাত্র নেশা ও পেশা। অভিনয় শিল্পের মাধ্যমে বাংলা ভাষাভাষী সবার মধ্যে মেলবন্ধ তৈরিতে সর্বদা কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার ভাবতে ভালো লাগে আমি দুই বাংলায় সমানভাবে জনপ্রিয়। দুই বঙ্গের মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনাচারে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আবার ভারত বহু কৃষ্টি-কালচারের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ একটি দেশ।

    ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের অবদান আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। পাশাপাশি ভারতের জনগণের ত্যাগ-তিতিক্ষা আমাদের চিরঋণী করে রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে আমার সম্পর্ক বহুদিনের। এখানের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক শিল্পী, সাহিত্যিক আমার বন্ধু। যাদের সাথে আমি সবসময় হৃদ্যতা অনুভব করি। এজন্য বিভিন্ন সময় কারণে অকারণে আমি এখানে চলে আসি।

    ভারতে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের এই নির্বাচন পূর্বের মতো সাড়া বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। এই সময় আমি ভারতে অবস্থান করছিলাম। সকলের মতো আমারও আগ্রহের জায়াগায় ছিল এই নির্বাচন। ফলে ভাবাবাগে তাড়িত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি নির্বাচনী প্রচারণায় আমি আমার সহকর্মীদের সাথে অংশগ্রহণ করি। এটা পূর্বপরিকল্পনার কোন অংশ ছিল না।

    শুধুমাত্র আবেগের বশবর্তী হয়ে আমি অংশগ্রহণ করেছি। কারো প্রতি বিশেষ আনুগত্য প্রদর্শন বা কোন বিশেষ দলের প্রচারণার লক্ষ্যে নয়, আবার কারো প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করাও আমার উদ্দেশ্য নয়। ভারতের সব রাজনৈতিক দল এবং নেতার প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। আমি ভারতের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

    আমি আগেও বলেছি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা অগাধ। সেই ভালোবাসা আমাকে আবেগ তাড়িত করেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, আবেগের বশবর্তী হয়ে সহকর্মীদের সাথে এই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করাটা আমার ভুল ছিল। যেটা থেকে অনেক ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং অনেকে ভুলভাবে নিয়েছেন। আমি স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক।

    একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে অন্য একটি দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ কোনভাবেই উচিত নয়। আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি ক্ষমা প্রর্থনা করছি। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সবাই আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

  • গ্রেফতার হতে পারেন নায়ক ফেরদৌস!

    গ্রেফতার হতে পারেন নায়ক ফেরদৌস!

    ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রচনা ব্যানার্জিসহ অনেক তারকা অভিনেত্রীর সঙ্গে জুটি বেঁধে ওপার বাংলার একাধিক হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। সিনেমার পর্দায় মানুষ তাকে দেখতে অভ্যস্ত থাকলেও এবার তাকে দেখা গেল ভারতের জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণার ময়দানে। চলমান লোকসভার নির্বাচনী প্রচারণায় তৃণমূলের হয়ে রবিবার নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা যায় ফেরদৌসকে। তবে এটা ভালোভাবে নেয়নি কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি।ভারতের একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কীভাবে বিদেশি নাগরিককে দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    এখানেই শেষ নয়, এবার দেশটির নির্বাচন কমিশনের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেছে বিজেপি। একই সঙ্গে ভিসা আইনের শর্ত লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ায় বাংলাদেশি এই চিত্রনায়ককে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

    ভারতের সরকারি সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) বলছে, বিদেশি নাগরিক তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রিজিওনাল ফরেইনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যাসহ প্রতিবেদন চেয়েছে।

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা জেপি মজুমদার নির্বাচন কমিশনে যে অভিযোগ দায়ের করেছেন, সেখানে তিনি ফেরদৌসকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। জেপি মজুমদার বলেছেন, ‘ভারতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো বিদেশি অংশ নিতে পারেন না। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস একজন বাংলাদেশিকে ব্যবহার করে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেছে। এছাড়া ভিসা-সংক্রান্ত আইন না মানায় তাকে (ফেরদৌস) গ্রেফতার করা উচিত।

    এর আগে, রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ভারতের একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কীভাবে বিদেশি নাগরিককে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে রোড শো করাচ্ছে? আমি এ রকম আগে শুনিনি। আগামীকাল হয়তো আমাদের মমতা ব্যানার্জি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে দিয়ে তৃণমূলের হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্য ডাকতে পারেন। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন বাংলাদেশি অভিনেতাকে ব্যবহার করে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল উত্তর দিনাজপুর জেলার ৫০ শতাংশ মুসলিম ভোট টানতে চাইছে। তৃণমূল আসলে আমাদের দেখে ভয় পেয়ে গেছে, তাই বিদেশ থেকে অভিনেতা নিয়ে আসছে।’

    তবে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের যে প্রার্থীর প্রচারণায় ফেসদৌস অংশ নিয়েছিলেন সেই কানাইয়ালাল আগরওয়ালের নির্বাচনী এজেন্ট মুশাররফ হুসেন জানান, ‘ফেরদৌস বাংলাদেশে একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। আমরা তাকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর হয়ে রোড শোয় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলাম এবং তিনিও রাজি হয়েছেন।’

  • বেতন এক ডলার! নিরাপত্তায় ২ কোটি ডলার খরচ জাকারবার্গের

    বেতন এক ডলার! নিরাপত্তায় ২ কোটি ডলার খরচ জাকারবার্গের

    ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ও তার পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে ২০১৮ সালে খরচ হয়েছে দুই কোটি ২৬ লাখ ডলার। আগের বছরের তুলনায় এই অঙ্ক দ্বিগুণেরও বেশি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে উদ্ধৃত করে খবরে এ কথা বলেছে লন্ডনের অনলাইন গার্ডিয়ান।

    এতে বলা হয়, গত তিন বছর ধরে জাকারবার্গ বেতন হিসেবে নিচ্ছেন এক ডলার। তার অন্যান্য খরচের খাতে রয়েছে দুই কোটি ২৬ লাখ ডলার। এর বেশির ভাগই তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় খরচ হয়। তার ও পরিবারের শুধু নিরাপত্তা খাতে খরচ হয়েছে প্রায় দুই কোটি ডলার। আগের বছর এই অঙ্ক ছিল ৯০ লাখ ডলার। ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহারের জন্য তিনি পেয়ে থাকেন ২৬ লাখ ডলার।

    অন্যদিকে ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ ২০১৮ সালে ঘরে তুলেছেন দুই কোটি ৩৭ লাখ ডলার। আগের বছর তার এই অংক ছিল দুই কোটি ৫২ লাখ ডলার।

  • আমাকে নয়, ভালো ভবিষ্যতের জন্য মমতাকে ভোট দিন: নুসরাত

    আমাকে নয়, ভালো ভবিষ্যতের জন্য মমতাকে ভোট দিন: নুসরাত

    বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন টলিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। মাঠ-ঘাট ঘুরে ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি। তার বাকপটুতায় মুগ্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও। এ কারণে নির্বাচনী এলাকা বসিরহাটের বাইরে বিভিন্ন জেলায় নুসরাতকে নিজের সঙ্গে প্রচারেও নিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী।

    সেই নুসরাত এবার সরাসরি জানিয়ে দিলেন, তিনি কেবল প্রার্থী মাত্র। রাজ্যবাসী নিজেদের ভবিষ্যত সুদৃঢ় করতে মমতা ব্যানার্জিকেই ভোট দেবেন।

    রবিবার প্রচারে বেরিয়ে নুসরাত বলেন, ‘ভোট আপনাদের ক্ষমতা ও অধিকার, এ রাজ্যে অন্য কাউকে ভোট দিয়ে আপনাদের ভোট নষ্ট করবেন না। নিজেদের ভালো ভবিষ্যতের জন্যই তৃণমূলকে ভোট দেবেন, এছাড়া অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে না।’

    সেইসঙ্গে নুসরাত জানিয়ে দেন, ‘আমাকে ভোট দিতে হবে না। ভোট দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আমাকে শুধু দোয়া ও আশীর্বাদ করুন।