Category: বিনোদন

  • দ্বিতীয়বারের মতো জুটি হতে যাচ্ছেন বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর, এবার ‘থ্রি’

    দ্বিতীয়বারের মতো জুটি হতে যাচ্ছেন বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর, এবার ‘থ্রি’

    বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুর তাদের এর আগে দেখা যায় ‘এবিসিডি টু’তে। ওই সিনেমার পরিচালক রেমো ডি সুজাই বানাচ্ছেন ‘থ্রি’।

    ইতিমধ্যে পাঞ্জাবে শুরু হয়েছে সিনেমাটির শুটিং। শ্রদ্ধা ও অন্য অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি ১০ ফেব্রুয়ারি ‘থ্রি’ টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন লন্ডনে। চলতি বছরের মাঝামাঝিতে শেষ হবে ছবির দৃশ্যায়ন।

    এ সিনেমার সঙ্গে ‘এবিসিডি টু’র ধারাবাহিকতা থাকলেও শ্রদ্ধা ও বরুণকে দেখা যাবে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সদস্য হিসেবে। দুর্দান্ত কিছু ড্যান্স মুডে তারা পর্দা মাতাবেন, যা এ সিরিজের আগের দুই সিনেমার কোনোটিতে দেখা যায়নি।

    সিনেমাটির প্রযোজনা করবেন টি-সিরিজের ভূষণ কুমার। তিনি নিজেও নাচের ভক্ত। ভূষণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ‘থ্রি’তে যোগ করবেন পুরোনো ‍দুটি গান। অবশ্যই নতুন সংগীতায়োজনে। তিনি জানান, একটি হবে ১৯৯০ এর দশকের জনপ্রিয় গান। অন্যটি গুরু রানধাওয়ার গান।

    জানা গেছে, ‘থ্রি’ নির্মিত হবে বড় বাজেটে। বলিউডের সবচেয়ে বড় নাচের সিনেমা হতে যাচ্ছে এটি। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের একাধিক ড্যান্স ফর্মের সঙ্গে তাল মেলাবেন তারকারা।

    ২০১৫ সালে মুক্তি পায় ‘এবিসিডি টু’। ৬৫ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি আয় করে ১৬৫ কোটি রুপি।  এর দুই বছর আগে মুক্তি পাওয়া ‘এবিসিডি’ ২০ কোটি রুপি বাজেটের বিপরীতে আয় করে ৭৬ কোটি রুপি। তবে প্রথম সিনেমার সঙ্গে দ্বিতীয় কিস্তির গল্পের কোনো মিল নেই।

  • আমেরিকান গায়িকা মারিয়া ক্যারি সৌদি আরব মাতালেন

    আমেরিকান গায়িকা মারিয়া ক্যারি সৌদি আরব মাতালেন

    জনপ্রিয় আমেরিকান গায়িকা মারিয়া ক্যারি সৌদি আরব মাতালেন। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রথম আন্তর্জাতিক গালফ টুর্নামেন্টের অংশ হিসেবে এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। সমসাময়িক নারী শিল্পীদের মধ্যে মারিয়াই প্রথম যিনি দেশটিতে সংগীত পরিবেশন করলেন।

    আরব নিউজ জানায়, কিং আবদুল্লাহ ইকোনমিক সিটিতে এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। মঞ্চে উঠে মারিয়া ক্যারি বলেন, এ রাতে আপনাদের সবাইকে পেয়ে আমি খুবই খুশি।

    এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হলো, বিনোদন প্রসঙ্গে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে সৌদি আরব। সর্বশেষ কয়েক বছরে বিনোদন ও লৈঙ্গিক প্রশ্নে দেশটির নিয়ম-কানুনে কিছু সংস্কার আনা হয়।

    অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশ’ শ্রোতা। পুরোপুরি ফূর্তির মেজাজে তারা গান উপভোগ করেন। স্থানীয়দের পাশাপাশি কনসার্টে ছিলেন বিদেশিরাও।মারিয়া পরিবেশন করেন লাইক দ্যাট, শেইক ইট অফ, লাভ টেকস টাইম, ফ্যান্টাসি, অলওয়েজ বি মাই বেবি, ড্রিম লাভার, হানিসহ বেশ কিছু জনপ্রিয় গান।

    ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান গালফ টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আরও পারফর্ম করবেন পর্তুগালের ডিজে টিয়েসটো, ইয়েমেন-আমিরাত বংশোদ্ভূত গায়ক বালকিস ফাথি ও জ্যামাইকার র‌্যাপার সিন পল।

    সৌদি আরবে সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের একাধিক লাইভ কনসার্ট হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।

    ২০১৬ সালের অক্টোবরে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক থিয়েটার গ্রুপ ইলুমিনেট রিয়াদে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। দেশটিতে এ ধরনের প্রকাশ্য অনুষ্ঠান তখন ছিল একদমই বিরল।

    পরের বছর জানুয়ারিতে জেদ্দায় লাইভ পারফর্ম করেন সৌদি তারকা মোহাম্মদ আবদু। সঙ্গে ছিলেন দেশটির আরেক শিল্পী রেবাহ সাগের ও ইরানি-সৌদি গায়ক মাজিদ আল-মুহান্দিস। সাত বছরের মধ্যে এটি ছিল শহরের প্রথম প্রকাশ্য মিউজিক কনসার্ট।

    সর্বশেষ ডিসেম্বরে রিয়াদে তিনদিনের এক সংগীত অনুষ্ঠানে গান করে স্পেনিশ-আমেরিকান গান এনরিক ইগলেসিয়াস, ব্ল্যাক আইড পিয়াস ও ডেভিড গুয়েটা।

  • অবশেষে লুইস ঝড়ে কুমিল্লার বড় জয়

    অবশেষে লুইস ঝড়ে কুমিল্লার বড় জয়

    হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে সর্বশেষ কয়েক ম্যাচে ছিলেন অনুপস্থিত। কাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের একাদশে ফিরে প্রথম ওভারেই এক রান নেওয়ার সময় আবার চোট লাগে কুচকিতে। কিন্তু এভিন লুইসের এসবে থোড়াই কেয়ার। কাল ৪৯ বলে ১০৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলার পথে ইনজুরিকে যেমন হারিয়েছেন; তেমনি খুলনা টাইটানসকেও।

    ৮০ রানের সে জয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের সেরা চারে থাকার সম্ভাবনা এখন উজ্জ্বল। ৯ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ওপরে চিটাগং ভাইকিংসের সঙ্গী তারা।

    বিপিএল সেঞ্চুরির তালিকায় সবার ওপরে প্রত্যাশিতভাবেই ক্রিস গেইল। পাঁচটি সেঞ্চুরি এই ক্যারিবিয়ান দানোর। অন্য কারো নেই একাধিক সেঞ্চুরি। লুইসেরও শতরানের ইনিংস আছে তবে এবারের বিপিএলে ব্যাট হাসছিল না মোটেই। কুমিল্লার হয়ে খেলা চার ম্যাচে করেন মোটে ৭৯ রান। এরপর তো পড়ে যান ইনজুরিতেই। কাল ফেরার ম্যাচেই যে অমন বিধ্বংসী হয়ে উঠবেন লুইস, কে ভেবেছিলেন!

    প্রথম ওভারে ইনজুরিতে পড়ায় শুরুটা একটু রয়েসয়ে করেন লুইস। তৃতীয় ওভারে পেসার শরিফুল ইসলামকে পর পর দুই বলে চার ও ছক্কা মেরে করেন গা গরম। অন্য প্রান্তে তামিম ইকবালও স্বচ্ছন্দ। সাত ওভারে বিনা উইকেটে ৫৭ রান তুলে ফেলে কুমিল্লা। কিন্তু মাহমুদ উল্লাহর করা পরের ওভারে তামিম (২৫) ও এনামুল হক (০) আউট হলে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয় খুলনার। ১১ ওভারে দুই উইকেটে ৮৩ রান করা কুমিল্লার তখন ব্যাটিং উইকেটে দ্রুত রান তোলার তাড়া।

    এর পরই উন্মত্ত হয়ে ওঠে লুইসের ব্যাট। ৩১ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর আরো বেশি করে। ফিফটি করার পর পর মিডিয়াম পেসার মোহাম্মদ সাদ্দামের ওভারে চার ছক্কায় তোলেন ২৮ রান। অন্য প্রান্তে ইমরুল কায়েসও সঙ্গ দেন দারুণ। ২১ বলে ৩৯ করে অধিনায়ক আউট হওয়ার পরের গল্পটি শুধুই লুইসের। প্রথম ৩১ বলে ফিফটি করা এই ক্যারিবিয়ানের পরের ফিফটির জন্য লাগে ১৬ বল।

    ইনিংসের একেবারে শেষ ওভারে ওই সাদ্দামকে ছক্কা মেরেই পৌঁছান সেঞ্চুরিতে। চার ওভারে ৫৯ রান দেন এই পেসার, বিপিএলে যা সবচেয়ে খরুচে। আর ৪৯ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকেন লুইস। ম্যাচশেষে যে ইনিংসের মুগ্ধতা কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুলের কণ্ঠে, ‘দারুণ ইনিংস খেলেছে লুইস। যা আমাদের দলের জন্য দরকার ছিল; ওর আত্মবিশ্বাসের জন্যও। অনেক দিন ধরেই ও নিজের মতো ব্যাটিং করতে পারছিল না। ও ফর্মে আসায় আমাদের সামনের ম্যাচগুলোর জন্য ভালো হয়েছে।’

    ৮০ রানের সে জয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের সেরা চারে থাকার সম্ভাবনা এখন উজ্জ্বল। ৯ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ওপরে চিটাগং ভাইকিংসের সঙ্গী তারা।

    প্রথম ১১ ওভারে ৮৩ রান করা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস শেষ ৯ ওভারে তোলে ১৫৪ রান,তাদের পাঁচ উইকেটে ২৩৭ রান বিপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। কিন্তু কী আশ্চর্য, প্রত্যেক বোলারকে তুলাধোনা করলেও খুলনার অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ একটি ওভারও করাননি স্পেশালিস্ট বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামকে দিয়ে। ম্যাচশেষে খুলনার প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে আসা কার্লোস ব্রাথওয়েট অবশ্য এ নিয়ে দলের ব্যাখ্যা দিতে নারাজ, ‘আমি এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না। কারণ আমি দলের অধিনায়ক বা কোচ নই।’

    ১০ ম্যাচে মাত্র দুই জয়ে বিপিএল থেকে ছিটকে যাওয়া খুলনার জন্য ২৩৭ টপকে জেতাটা অসম্ভবই। ৫৫ রানের ওপেনিং জুটির পরও। এরপর রানের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি। শেষ পাঁচ উইকেট ১৩ রানে হারিয়ে অল আউট হয় ১৫৭ রানে। আলিস আল ইসলামের পর এবারের বিপিএলের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন পাকিস্তানি পেসার ওয়াহাব রিয়াজ।

  • সেই বান্ধবীকেই বিয়ে করছেন বরুণ

    সেই বান্ধবীকেই বিয়ে করছেন বরুণ

    হাজারও তরুণীর ক্রাশ বলিউডের জনপ্রিয় নায়ক বরুণ ধাওয়ানও এবার বিয়ের ঘোষণা দিলেন। শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন এই নায়ক। প্রেম নিয়ে অনেকদিন লুকোচুরি খেলার পর গেল বছরই পুরনো বান্ধবী নাতাশা দালালের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন বরুণ। এবার সেই বান্ধবীকেই বৌ সাজিয়ে ঘরে তোলার পালা।

    শোনা যাচ্ছে, জমকালো আয়োজনে নয় বরং দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একেবারে পারিবারিকভাবেই বিয়েটা সারতে চান তারা। এছাড়া ঘনিষ্ঠজনরা পাবেন তাদের বিয়ের দাওয়াত। তাই বিয়ে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্যও করছেন না বরুণ।

    বরুণের হবুস্ত্রী নাকি কেনাকাটাও শুরু করে দিয়েছেন। বিয়ের পোশাক থেকে গয়না, ইতোমধ্যেই সবকিছু গুছিয়ে নিতে শুরু করে দিয়েছেন নাতাশা। জীবনের অন্যতম প্রধান দিনটিকে যাতে নিজেদের মতো করে সাজিয়ে-গুছিয়ে নিতে পারেন, সেদিকে নজর রেখেই নাকি নাতাশা জোর তোড়জোড় শুরু করেছেন।

    উল্লেখ্য, করণ জোহরের শো ‘কফি উইথ করণে’ হাজির হলে বিয়ে নিয়ে বরুণকে প্রশ্ন করা হয়। সেখানে নাতাশার কথাই বলেন ‘বদরিনাথ কি দুলহানিয়া’র এই অভিনেতা। শিগগিরই বেজে উঠবে তার বিয়ের বাদ্য।

  • সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন সালমান

    সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন সালমান

    বছরের পর বছর বলিউডে চলছে তিন খানের রাজত্ব। সালমান খান, শাহরুখ খান ও আমির খানে সিনেমা মুক্তি পেলেই কেঁপে ওঠে বক্স অফিস। কিন্তু গেল বছরটা ছিল না তাদের অনুকূলে। সালমান খানের ‘রেস থ্রি’, আমির খানের ‘থাগস অব হিন্দুস্থান’ ও শাহরুখ খানের ‘জিরো’ তিন সিনেমাই তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি গত বছর। বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিলেন তিন জনই।

    এরপরও সুখবর নিয়ে এলেন সালমান খান। গেল বছরে ভক্তদের পছন্দের তালিকায় সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ভাইজান সালমান খান। সম্প্রতি এক জরিপের ফলাফলে তা উঠে এসেছে। সিনেমা ব্যবসা সফল না হওয়ার কোনে প্রভাব পড়েনি ভক্তমনে। ভক্তির আসনে তিনি নাম্বার ওয়ান। একটি জরিপ তার প্রমাণ।

    সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে একটি জরিপ করে। জরিপে পাঠকদের কাছে প্রশ্ন ছিল ‘আপনার মতে ২০১৮-র এক নম্বর হিরো কে?’ এতে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন সালমান খান। অয়ক্ষ কুমার, অমিতাভ বচ্চন বা শাহরুখ খানের মত জনপ্রিয় তারকারা এই তালিকায় অনেক পিছিয়ে।

    উত্তরে ৯ শতাংশেরই রায় গেছে সালমানের দিকে। অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চন বা শাহরুখ খান পেয়েছেন ৭ শতাংশ ভোট। তবে জরিপে দেখা যাচ্ছে, রণবীর সিংয়ের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে তিনি অগ্রজদের কাছাকাছি আছেন। ধারণা করা হচ্ছে, রণবীরের ‘সিম্বা’ এই জাদুকরী ফল এনে দিয়েছে।

  • রহস্যময়ী ক্লিওপেট্রার অজানা কাহিনী

    রহস্যময়ী ক্লিওপেট্রার অজানা কাহিনী

    বিউটি কুইন ক্লিওপেট্রা। কিন্তু কয়েনে তার যে ছবিটি ছিল সেখানে মোটেও আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল না তাকে। বেশ সাদামাটা চেহারার পুরুষালি নারী মনে হয়েছে তাকে। তবে সৌন্দর্যের উপমা দিতে গিয়ে ‘ক্লিওপেট্রার মতো সুন্দর’ বলা হয় অনেক সময়। কারণ তার নাম শুনলেই মানুষের মনে ভেসে উঠে খাড়া নাক, টানা চোখের নারীর কাল্পনিক ছবি।

    মনে হতে পারে, একটি কয়েন দেখে তো আর চেহারা সম্পর্কে ধারণা করা যায় না। তবে, বিষয়টি একটি কয়েনে সীমাবদ্ধ না। এ পর্যন্ত যতগুলো কয়েনে ক্লিওপেট্রাকে পাওয়া গেছে, সবগুলোর সাদৃশ্য আছে। সবগুলোতেই ছুঁচালো নাক এবং থুঁতনি দেখা গেছে। খুব সাদামাটা চেহারায় পাওয়া গেছে তাকে, এলিজাবেথ টেইলরের মতো নয়। তাই হলিউডের ক্লিওপেট্রার যে চেহারা মানুষের কল্পনায় গেঁথে গেছে, বাস্তবের ক্লিওপেট্রা তার থেকে একেবারেই আলাদা বলে মনে করা হচ্ছে।

    কয়েন পোট্রেটগুলোকে ‘ভুল’ ভাবা যায় না কোনো মতেই। কারণ কয়েনগুলো সেই সময়কার। বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েনগুলো সংগ্রহ করা হলেও ধারণা করা হচ্ছে যে একটি অফিসিয়াল ছবি দেখে তৈরি করা হয়েছে সবগুলো। আর অফিশিয়াল সেই ছবি আঁকা হয়েছিল রানীকে সামনে বসিয়ে কোনো দক্ষ চিত্রকরের হাতে। তাই অনুমান করে আঁকার প্রশ্নই আসে না। ক্লিওপেট্রার বাবার যেসব ছবি কয়েনে দেখা গেছে, সেগুলোর সঙ্গেও কয়েনের ক্লিওপেট্রার চেহারার মিল আছে।

    ক্লিওপেট্রার প্রেমিকদের সঙ্গেও কিন্তু মডার্ন কনসেপ্ট এর মিল নেই। প্রেমিক বলতেই যেমন সুদর্শন তরুণ মনে হয়, ব্যাপারটা সে রকম ছিল না। মধ্যবয়সী সিজারের মুখে ছিল বলিরেখা। মাথায় টাক ছিল। সেই টাক ঢেকে রাখা হতো মুকুটে। অ্যান্থনির থুঁতনি ঝুলে পড়েছিল। নাক ছিল ভাঙা। অর্থাৎ তারা কেউই সুদর্শন ছিলেন না।

    কয়েনগুলোর বেশিরভাগই খ্রিষ্টপূর্ব ৩০ অব্দের মাঝামাঝি অথবা শেষের দিকে। তখন ক্লিওপেট্রার বয়স ছিল তিরিশের বেশী। হলিউড তাকে যতটা সৌন্দর্যপ্রেমী আবেদনময় নারী হিসেবে দেখিয়েছে, বাস্তবে তিনি এতটা ছিলেন না বলে ধারণা করা হয়। তবে তিনি অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান এবং শক্তিধর নারী ছিলেন। তাছাড়া খুব বুদ্ধিমান ছিলেন। প্রচণ্ড উচ্চাভিলাষ ছিল। খুব সহজেই সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারতেন। নিজের মতে অটল থাকতেন এবং সবাইকে কীভাবে বশ করতে হয় সেটাও জানতেন। সম্মান করে তাকে অনেকে দেবীর সঙ্গেও তুলনা করেন।

    ক্লিওপেট্রা আগাগোড়াই রহস্যে ঘেরা ছিলেন। মাত্র ৩৯ বছর তিনি বেঁচে ছিলেন। কিন্তু এই অল্প সময়ে তিনই গড়েছেন তার দৈনন্দিন জীবন, প্রেম, মৃত্যু সবকিছুতেই ছিল রহস্য। এই রহস্যই তার প্রতি আকর্ষণ তৈরি করছে যুগে যুগে।

    অবশেষে কি খুঁজে পাওয়া গেল অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রার সমাধিস্থল? সেই সেনানায়ক মার্ক অ্যান্টনি, যিনি রোমের পূর্ব প্রান্তের রাজ্যগুলো দেখতেন আর মিসরের রানি ক্লিওপেট্রার সঙ্গে থাকতেন। দুই হাজার ৫০ বছর আগে মারা যান তাঁরা। বহু বছর ধরে প্রত্নতাত্ত্বিকরা খুঁজে চলেছেন তাদের সমাধি। অবশেষে নাকি সেই সমাধির খোঁজ পাওয়া গেল।

    প্রত্নতত্ত্ববিদ জাহি হাওয়াস বলেন, আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ১৮ মাইল দূরে প্রাচীন শহর তাপোসিরিস মাগনা, সেখানেই দুই ঐতিহাসিক ব্যক্তি শায়িত আছেন। একই সমাধিতে দুজনকে সমাহিত করা হয়েছিল। ইতিহাসে অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রার প্রেমের কথাই ফিরে এসেছে।

  • হঠাৎ রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়িকা মৌসুমী

    হঠাৎ রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়িকা মৌসুমী

    হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনে আলোচনায় ঢাকাই সিনেমার প্রিয়দর্শিনী নায়িকা মৌসুমী। তাকে এর আগে কখনোও রাজনীতির মাঠে দেখা যায়নি। সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রচারণাতে অংশ নিয়েছেন নানা অঙ্গনের শতাধিক তারকা। সেখানেও দেখা যায়নি চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে। চিত্রনায়ক ফারুকের প্রচারণাতেও ছিলেন না তিনি।

    কিন্তু সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি। তার মনোনয়ন নিয়ে চারদিকে নানা আলোচনা ডালপালা মেলেছে। এমনই সময় সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বললেন মৌসুমী।

    আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি এফডিসিতে দুপুর আড়াইটায় সংবাদ সম্মেলনে মৌসুমী বলেন, ‘আমি প্রকাশ্যে কখনো রাজনীতি করিনি। হঠাৎ করে মনোনয়ন কেনায় সবাই চমকেছেন। অনেক কথা বলছেন। এ নিয়ে আমি ভাবছি না। আমি মনে করি রাজনীতি যে কোনো মুহূর্তে যে কেউ করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণদের রাজনীতিতে আসার আহ্বান করেছেন। তিনি তারুণ্য নির্ভর একটি মন্ত্রিসভাও করেছেন। এগুলো দেখেই আমি রাজনীতিতে আসার সাহস পেয়েছি।

    তারেক জিয়ার সঙ্গে নায়িকা মৌসুমীর একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই দাবি করছেন তিনি বিএনপি করতেন। এখন কেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একজন তারকা দেশের প্রয়োজনে যে কোনো সরকারের অনুষ্ঠানেই থাকতে পারে। তার মানে এই নয় তিনি ওই সরকারের দল করেন। আমি কোথাও কোনোদিন বলিনি যে আমি কোন দল করি।

    এবারই প্রথম জানালাম, আমি আওয়ামী লীগ করি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তিনি নিজ হাতে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে এমপিদের নির্বাচন করবেন। তিনি এও বলেছেন এই বাছাই প্রক্রিয়া হবে নিরপেক্ষ। তাই আমি সাহস করে এগিয়েছি।’

    মৌসুমী আরও বলেন, ‘আমার ইমেজ চলচ্চিত্র দিয়ে তৈরি করেছি। আমার নতুন করে কোনো পরিচিতি লাগবে না। সুযোগ পেলে আমি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের সেবা করতে চাই। মহিলা ও শিশুদের নিয়ে কাজ করতে চাই।’

    একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই নায়িকা মনে করেন, জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে দীর্ঘদিন তার কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে পারবেন।

    তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমার ইচ্ছে ছিলো এমপি হওয়ার। মানুষের জন্য কিছু করতে হলে একটি শক্ত প্লাটফর্ম দরকার হয়। তাই আমি আওয়ামী লীগের প্লাটফর্মে এসেছি। আমার একটা জনপ্রিয়তা আছে। দেশের মানুষ আমাকে চিনেন, জানেন। নিজের একটা ইমেজ আমি তৈরি করেছি। তাই রাজনীতিতে আসতে আমার বাড়তি কোনো কিছুর দরকার নেই বলে মনে করি।’

    এবারের নির্বাচনে নৌকার প্রচারণায় অনেক তারকার দেখা মিললেও মৌসুমীকে কেন দেখা যায়নি? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মৌসুমী বললেন, ‘আমি নিরাপত্তাহীনতার কথা ভেবে যাইনি। দল থেকে আমার সাথেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। আমি বিনয়ের সাথে তাদের বুঝিয়েছি। প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত দর্শন থাকে। আমারও আছে। সেই দর্শন থেকেই প্রচারণায় ছিলাম না। কিন্তু সমর্থন আমার নৌকাতেই ছিল। এটা দলের হাই কমান্ড জানে। এটাকে নিয়ে কথা বলার কিছু নেই।’

    মৌসুমী বলেন, ‘নৌকার প্রচারণা করলেই কেউ আওয়ামী লীগ হয়ে যাবেন ব্যাপারটা তা নয়। এখন আমি মনোনয়ন কিনেছি, আমি আওয়ামী লীগের মানুষ এটার প্রমাণ দিলাম। হতেও পারে প্রধানমন্ত্রীর চোখে আমি যোগ্য। কারো কিছু বলার থাকবে না। নেত্রী কখনো বাছাই করতে ভুল করেন না।’

    ভক্তদের উদ্দেশ্যে মৌসুমী বলেন, ‘যেসব ভক্ত দর্শক আমার রাজনীতিতে আসায় কষ্ট পেয়েছেন তাদের বলবো, আমি মৌসুমী নতুন করে আর কোনো মৌসুমী হবো না। আপনাদের ভালবাসায় এই অবস্থানে এসেছি, এবার দেশসেবা করতে চাই। আমার জন্য দোয়া করবেন।

  • বলিউড ছেড়ে ইসলাম প্রচারে আত্ননিয়োগ করেছিলেন অভিনেতা কাদের খান

    বলিউড ছেড়ে ইসলাম প্রচারে আত্ননিয়োগ করেছিলেন অভিনেতা কাদের খান

    বলিউড ছেড়ে ইসলাম প্রচারে- কাদের খান একজন বিখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, কমেডিয়ান, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখক এবং পরিচালক। তিনি ১৯৭০ সাল থেকে একবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত ৪৫০ টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং ২৫০ টিরও বেশি ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন।

    চলুন যেনে নেয়া যাক এই অভিনেতার তিনি বলিউড ছেড়ে ইসলামের দিকে চলে আসার কাহিনী। কাদের খান ১৯৩৫ সালের ২২ অক্টোবর আফগানিস্তানের কাবুলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কাবুল আফগানিস্তানের আফগান পশতুন বংশোদ্ভুদ। তার পিতা মৌলভী আব্দুর রহমান যিনি কান্দাহারের বাসিন্দা ছিলেন। তার মাতা ইকবাল বেগম ছিলেন বর্তমান পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের পিশিন জেলার অধিবাসী। তিনি পবিত্র কুরআনে হাফেজ ছিলেন। তার পরিবার কানাডা এবং হল্যান্ডে বাস করে। তার তিন ছেলে কানাডায় বাস করে। কাদের খান ভারত ও কানাডার নাগরিক ছিলেন। কাদের খানের বাবা মৌলভী আব্দুর রহমান শুধু ধর্মীয় পণ্ডিত ছিলেন না, তিনি আরবি ভাষা ও ইসলামিক সাহিত্যে স্নাতকোত্তরও ছিলেন। তিনি হল্যান্ডে চলে যান। সেখানে তিনি নিজে ইসলামিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে কাদের খানের পিতা মৃত্যুর পূর্বে সেখানে ডেকে পাঠালেন এবং প্রতিষ্ঠানের উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিলে প্রথমে কাদের খান রাজি হননি। তিনি যুক্তি হিসেবে বলেন, ইসলাম সম্পর্কে তার জ্ঞান কম।

    তখন কাদের খানের পিতা জানতে চাইলেন, বলিউডে যোগ দেয়ার আগে ‍তুমি কি সেই জগৎটাকে জানতে? তিনি আরো বলেন, সিনেমার গল্প লেখা বা কথোপকথন লেখার বিষয়ে তার প্রথমে কোন জ্ঞান ছিল না, তিনি শিখেছিলেন এবং বলিউডে বেশ নাম করেছেন। তাই, একইভাবে তিনি ইসলাম, আরবি ও উর্দু সম্পর্কেও শিখতে পারবেন। কাদের খানের পিতার এই কথা তাকে ব্যাপক প্রভাবিত করে। এর ফলে তিনি ১৯৯৩ সালে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ এন্ড এরাবিক লিটারেচারে ভর্তি হন। পিতার ইচ্ছার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি নার্সারি লেভেল থেকে স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য তিন স্তরে ইসলামী শিক্ষা, শরিয়াহ আইন এবং অনুরূপ বিষয়ের জন্য বিভিন্ন ইসলামিক কোর্স কারিকুলাম তৈরি করেন। এই কোর্সের অন্যতম দিক ছিল অতি সহজেই একজন সাধারন মানুষ যাতে কুরআন বুঝতে পারেন। এমনকি অমুসলিমরাও যাতে সহজেই ইসলামিক শিক্ষা লাভ করতে পারেন। এছাড়াও তিনি দুবাইয়ে কেকে ইন্সটিটিউট অব এরাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। পরবর্তীতে কানাডায় তিনি আরবি ভাষা ও পবিত্র কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন ইসলামিক আইনের উপর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করেন।

    ২০০৫ সালের দিকে কাদের খানের ইসলামিক সেন্টারগুলো পূর্ণরুপে চলতে থাকে। পিতার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত ও পরিতৃপ্ত হন।

    এছাড়াও সারা জীবন তিনি ভারতের সাধারণ মুসলামানদের মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়েছেন। তিনি চাইতেন মুসলিম যুবকেরা শিক্ষায় ও কারিগরি দক্ষতা দিয়ে স্বাধীনভাবে নিজেদের স্থান তৈরি করে নিতে পারে।
    তার অসুস্থতার পূর্বে কাদের খান তার শিক্ষাকেন্দ্রগুলোর জন্য বিভিন্ন দেশে শাখা স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, লন্ডন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। ভারতে মুসলিম সমাজে তার অবদানের জন্য আমেরিকান ফেডেরাশন অব মুসলিম ফ্রম ইন্ডিয়া (AFMI) স্বীকৃতপ্রাপ্ত হয়।
    কাদের খান ২০১৪ সালে পবিত্র হজ পালন করেন। এভাবেই তিনি বলিউড থেকে দূরে চলে আসেন। আর ইসলাম প্রচারে নিজেকে নিয়োগ করেছিলেন।

     

  • ভেঙে গেল শ্রাবন্তীর দ্বিতীয় বিয়েও

    ভেঙে গেল শ্রাবন্তীর দ্বিতীয় বিয়েও

    সুপার মডেল কৃষ্ণ ভিরাজের সঙ্গে ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে।

    মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের আলিপুর জেলা আদালতে তাদের ডিভোর্স নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি। সেখানেই বিচারক রবীন্দ্রনাথ সামন্ত অভিনেত্রী শ্রাবন্তী ও ভিরাজের মিউচুয়াল ডিভোর্সের আবেদন মঞ্জুর করেন।

    শ্রাবন্তীর আইনজীবী অনুনয় বসু বলেন, “২০১৬ সালে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু, বিভিন্ন কারণে নিজেদের মধ্যে অমিল ঘটায় ২০১৭ সালে দু’জনের সম্মতিতেই আলিপুর আদালতে ডিভোর্সের মামলা দায়ের হয়। আজ বিচারপতি এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।”

    এর আগে, ২০০৩ সালে পরিচালক রাজিব বিশ্বাসের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল শ্রাবন্তীর। তাঁদের একটি পুত্র সন্তানও আছে। কিন্তু, রাজিব একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তুলে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন শ্রাবন্তী। এরপর বেশ কিছুদিন প্রেম করার পর ২০১৬ সালে কৃষ্ণ ভিরাজকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী। একটি বিজ্ঞাপনের কাজে গিয়ে মুম্বাইয়ের মডেল ভিরাজের সঙ্গে আলাপ হয় শ্রাবন্তীর। পরিচয়ের প্রায় দেড় বছর বাদে বিয়ে করেন তাঁরা। কিন্তু, বিয়ের কয়েকমাসের মধ্য়েই ডিভোর্সের আবেদন করেন শ্রাবন্তী-ভিরাজ। সূত্র: এনাডু ইন্ডিয়া.কম

  • হঠাৎ সেতুমন্ত্রীর দপ্তরে তারকাদের ভীড়

    হঠাৎ সেতুমন্ত্রীর দপ্তরে তারকাদের ভীড়

    হঠাৎ করেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দফতরে পৌছান একঝাঁক তারকা শিল্পী।

    গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে নগরীর বনানীস্থ নতুন বিআরটিএ ভবনে হাজির হয়েছিলেন অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষ এক ঝাঁক তারকা অভিনয়শিল্পী।

    এ সময় নবনিযুক্ত মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তারা মতবিনিময় করেন।

    এ প্রসঙ্গে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এ কারণে আমরা শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলাম। তার সঙ্গে আমাদের শিল্পীদের সম্পর্ক অনেক আগে থেকে। কারণ ১৯৯৬ সালে তিনি সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। যে কারণে শিল্পীদের সঙ্গে তার একটা যোগাযোগ ও সখ্য আগে থেকেই রয়েছে। আমরা যেসব সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি সেগুলো তাকে অভিহিত করেছি। নাটকের বিপর্যয় অর্থাৎ সম্প্রচার নীতিমালা, শিল্পী কল্যাণ তহবিলসহ বেশ কিছু বিষয়ে আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি।

    তিনি আরো বলেন,অভিনয়শিল্পী সংঘের কিছু দাবি ছিল, যা আমরা গত বছর তথ্যমন্ত্রীকে দিয়েছিলাম। এ বিষয়েও মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের দাবিগুলো সমাধানযোগ্য বলে তিনি মনে করছেন। তিনি আশ্বাসও দিয়েছেন। আমরা শিগগির তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। তাছাড়া আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সভা। এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী মহোদয়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহিদুল আলম সাচ্চু, গুণী অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, আজমেরী হক বাঁধন, দীপা খন্দকার, মীর সাব্বির, শমী কায়সার, আফসানা মিম, সুইটি, মাহফুজ আহমেদ, বন্যা মির্জা, শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রমুখ।