Category: বিনোদন

  • শিল্পীরা বলছেন প্রতারণা, পরিচালকের অস্বীকার

    শিল্পীরা বলছেন প্রতারণা, পরিচালকের অস্বীকার

    নায়ক ওমর সানি ও নায়িকা মৌসুমী বলছেন ছবির শুটিং পুরোপুরি শেষ হয়নি। হয়নি ডাবিংয়ের কাজও। এভাবে ছবি মুক্তি দিয়ে ‘প্রতারণা’ করেছেন পরিচালক দিলশাদুল হক শিমুল।

    তবে নায়ক-নায়িকার এসব দাবি মানতে নারাজ পরিচালক। তাঁর মতে, এটা তথাকথিত ফর্মুলা ফিল্ম না। তিনি বললেন, ‘আমি আমার মতো করে একটা গল্প বলার চেষ্টা করেছি। সেই হিসেবে ছবির পুরো কাজ শেষ করেই সেটি মুক্তি দিয়েছি। আমরা যদি এখনো পুরোনো ধ্যানধারণা নিয়ে পড়ে থাকি, তাহলে কেমন করে হবে! ডাবিং করলে অনেক কিছুই মেলানো যাবে না। তাই দৃশ্য ও সংলাপ ন্যাচারাল রাখতে ডাবিং করিনি।

    বাংলাদেশি সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানি ও নায়িকা মৌসুমী অভিনীত ‘লিডার’ ছবিটি বরিশালের একটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে আজ ১৬ নভেম্বর। সিনেমাটিতে একজন নেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এতে একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ওমর সানি। কিন্তু মুক্তির আগেই ছবিটির নির্মাতা দিলশাদুল হকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এনে ছবিটিকে বয়কট করার ঘোষণা দিলেন প্রধান দুই শিল্পী ওমর সানি ও মৌসুমী। ছবিটি নিয়ে কথা বলতে ফেসবুক লাইভে আসেন ওমর সানি।

    ফেসবুক লাইভে ওমর সানি বলেন, ‘এই ছবিতে যখন আমি আর মৌসুমী অভিনয় করতে রাজি হই তখন গল্পটি ভালো লেগেছিল। একজন পরিচালক একটি ছবিকে কীভাবে নষ্ট করতে পারেন, তার বাস্তব প্রমাণ পেলাম। এই ছবিতে আমি আর মৌসুমী কোনো ডাবিং করিনি। এই ছবির ৬০ ভাগ শুটিং এখনো বাকি আছে। পরিচালক শিমুল এই “প্রতারণা” কেন করল, জানি না। সে আমাদের সঙ্গে, দর্শকদের সঙ্গে, একটি গল্পের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এটা করার দরকার ছিল না।

    দর্শকদের কাছে অভিযোগ জানিয়ে ওমর সানি বলেন, ‘আমি একজন সচেতন মানুষ, চলচ্চিত্রপ্রেমী, তাই আপনাদের জানাতে বাধ্য হলাম। পরে আপনারাই বলবেন ভালো হয়নি। আমি ও মৌসুমী ছবিটি বর্জন করছি। একটা ছবি মুক্তি পেলে সেই ছবির শিল্পীদের জন্য সবচেয়ে বড় খুশির খবর। কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। আমি প্রযোজক সমিতিকে চিঠি দিয়েছি, তাদের উত্তর পাইনি এখনো। দর্শক, আপনাদের জানালাম। বিচার আপনারাই করবেন।

    ফেসবুক লাইভে ওমর সানি আরও বলেন, ‘পরিচালক ছবিটা শেষ করতে পারতেন। শুটিংয়ে অনেক নয়েজ থাকে, ডাবিংয়ে সেটা আমরা ঠিক করি। সেই সুযোগটুকু পেলাম না। এক বছর আগে পরিচালক সমিতিতে আমি অভিযোগ করেছিলাম, সেন্সর বোর্ড ও শিল্পী সমিতিতে চিঠি পাঠিয়েছিলাম। পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার আমাকে ডেকেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে বসেছিলাম। তাঁরা বলেছিলেন বাকি অংশের শুটিং করতে হবে, ডাবিং করতে হবে। পরিচালক কিছুই করেননি। এখন শুনছি ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। একটা ভালো ছবিকে মেরে ফেরার অধিকার কার আছে? একটা অসমাপ্ত ছবি কীভাবে মুক্তি পায়? পরিচালক হয়ে এই কাজটি তিনি কীভাবে করলেন?’

    ওমর সানির এসব বক্তব্য মানতে নারাজ পরিচালক দিলশাদুল হক শিমুল। তিনি বলেন, ‘আমি আসলে বুঝতে পারছি না, কেন তিনি এমনটা করছেন। হলিউড ও বলিউডে কিছু ছবিতে লাইভ সাউন্ড রেকর্ডিং হয়। আমরা যখন ছবিটি শুটিংয়ের পরিকল্পনা করি, তখন লাইভ সাউন্ড রেকর্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিই। বিষয়টি অভিনয়শিল্পীরা কিন্তু জানেনও।

    আপনার বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ, ছবির পুরো শুটিং শেষ না করেই মুক্তি দিয়েছেন। শিমুল বলেন, ‘পুরো শুটিং বলতে তিনি কী বোঝাতে চান? আমার ছবি, পরিচালক হিসেবে আমি জানি, কী দরকার আর কী দরকার নেই। আমার যতটুকু দরকার ছিল ঠিক ততটুকুই কাজ করেছি আমি। আমি এমনিতেই চিত্রনাট্যে যা ছিল, তা ভাঙতে চেয়েছি। এটাও অভিনয়শিল্পীরা জানেন। গল্পটা ঠিক রেখে আমি ইম্প্রোভাইজ করে শুটিং করতে চেয়েছি। এই ছবির শুটিং করতে আমি গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর গিয়েছি। প্রাকৃতিক নানা বিষয় ফুটিয়ে তুলতেই এসব জায়গায় গিয়েছি। নয়তো এফডিসির ভেতরে সেট বানিয়ে বা ঢাকার পাশের কোনো এলাকায় শুটিং করে নিতে পারতাম। আমার সব পরিকল্পনার কথা তাঁরা জানেন। এরপরও যদি তাঁরা এসব কথা বলেন, আমার কিছু বলার নাই।’

    শিমুল আরও বলেন, ‘সানি ভাই ছবিতে একটি গান চেয়েছিলেন। পরে সেটা আমি করতে পারিনি। গল্পে গানের চাহিদা আছে বলে মনে হয়নি। এখন গান না থাকার কারণে কি তিনি বলছেন, ছবির কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরিচালক আমি, আমি জানি গল্পের শেষ কোথায়, কতটুকু শুটিং দরকার।’

    আজ শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে ‘হাসিনা: আ ডটার’স টেল’ ডকুড্রামা। এর ব্যাপারে নির্মাতার আগ্রহ রয়েছে বলেই নিজের ছবিটি প্রথম সপ্তাহে একটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিয়েছেন। পরের সপ্তাহে বড় পরিসরে মুক্তি দেওয়ার কথা ভেবেছেন তিনি।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘লিডার’ ছবিতে ফেরদৌস, মৌসুমী, ওমর সানি ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন নিঝুম রুবিনা, আহমেদ শরীফ, শহীদুল আলম সাচ্চু, সোহেল খান প্রমুখ।

  • চিত্রনায়ক-নায়িকারা আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছেন

    চিত্রনায়ক-নায়িকারা আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছেন

    আগামী সপ্তাহ থেকে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের নায়ক-নায়িকারা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারে নামবেন। মঙ্গলবার বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচনী প্রচার উপ-কমিটির এক সভায় সাংবাদিকদের এ কথা জানান আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছেন চিত্র নায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিল খান, অভিনেত্রী অরুনা বিশ্বাস, অভিনয় শিল্পী জাহিদ হাছান, সাদিয়া ইসলাম মৌ ও শমী কায়সারসহ অনেকে। তারা আগামি সপ্তাহ থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন। এটা আজ আমাদের বৈঠকের স্বিদ্ধান্ত।

    এ সময় চিত্রনায়ক ফেরদৌস বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা প্রচণ্ড ভালোবাসি। তিনি আমাদের যে উন্নয়নের ধারা দেখিয়ে দিয়েছেন সেই ধারায় আমরা হাঁটছি। আমার মনে হয় উনি যদি আগামীতে প্রধানমন্ত্রী না হন, তবে বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে যেতে পারবে না।

    চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষকে বিনোদন দিয়ে আসছি। আমি মনে করি আগামীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে দেখতে চায়। আপনারা যারা নতুন ভোটার আছেন তারা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ভোট দিন। কারণ এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার।

    নাট্য অভিনেতা জাহিদ হাসান বলেন, আমরা অনেক কনফিডেন্টলি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি এই নৌকা মার্কার কারণে। আমরা যখন দেশের বাইরে যায় তখন গর্বের সঙ্গে বলি আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশটাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা মহাসড়কে আমরা যাত্রা করছি, এর গন্তব্য যেন আরও ভালো জায়গায় চলে যায়। আমরা নৌকার সঙ্গে আছি এবং ইনশাল্লাহ থাকবো।

    এ ছাড়াও চিত্রনায়ক শাকিল খান, শমী কাইসার, সাদিয়া ইসলাম মৌসহ প্রত্যেকে আওয়ামী লীগের জন্য নৌকায় ভোট চেয়েছেন।

    নির্বাচনী প্রচার উপ কমিটির আহবায়ক ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কন্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম এমপিসহ নির্বাচনী প্রচার উপ-কমিটির অনেকে।

  • হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার

    হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার

    বহুল আলোচিত ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ ডকুফিল্মটি মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপরে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। কিন্তু চলচ্চিত্রে প্রধানমন্ত্রী নয় একজন মমতাময়ী মা, আদর্শ স্ত্রী এবং যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তানের নিরাভরণ জীবনযাপনের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে চলেবে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ ডকুফিল্মের উদ্বোধনী প্রদর্শনী। শুক্রবার থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সের পাশাপাশি ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হল ও ব্লকবাস্টার সিনেমাস এবং চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে একযোগে মুক্তি পাবে ছবিটি।

    ৭০ মিনিটের ডকুফিল্ম পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান। সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) পক্ষে ডকুফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু।গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের কনভেশন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রযোজনা সংস্থা সিআরআইর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস, পরিচালক পিপলু খান, ছবিটির পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন ও শিবু কুমার শীল।

    পরিচালক পিপলু খান বলেন, ডকুফিল্মে প্রধানমন্ত্রী বা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে উপস্থাপন করা হয়নি। তুলে ধরা হয়েছে একজন সাধারণ শেখ হাসিনাকে- খুব সহজেই একাত্ম হওয়া যায় যার সঙ্গে, অনুভব করা যায় তার মানবিকতা ও মমত্ব।ডকুফিল্মটিতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার আবেগঘন কণ্ঠ আর দৃশ্যায়নে ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে নৃশংস হত্যাপরবর্তী বিষাদপূর্ণ সময়ে দুই বোনের নির্বাসিত জীবনসংগ্রামের চিত্র।

    আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআই ও অ্যাপেলবপ ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’। চলচ্চিত্রটির চিত্রগ্রহণ করেছেন সাদিক আহমেদ। সম্পাদনা করেছেন নবনীতা সেন এবং সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দেবজ্যোতি মিশ্র।

  • বিয়ে হয়ে গেল দীপিকা-রণবীরের

    বিয়ে হয়ে গেল দীপিকা-রণবীরের

    অবশেষে বিয়ে হয়ে গেল দীপিকা পাড়ুকোন-রণবীর সিংয়ের। মঙ্গলবার ইতালির লেক কোমার ভিলা দেল বালাবিয়ানে গাঁটছড়া বাঁধলেন এই তারকা জুটি। খবর এএনআইয়ের।

    তবে এখন পর্যন্ত বিয়ের কোনো ছবি বাইরে আসেনি। যদিও বিয়ের ছবি যাতে কোনওভাবেই বাইরে প্রকাশ না পায় সেই জন্য আসরে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি ছিল না। সূত্রের খবর, বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন দু’জনের পরিবারের কাছের আত্মীয় ও সদস্যরা।

    দুই পরিবারের ৩০ থেকে ৪০ জন আত্মীয়ের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় বিয়ে। সন্ধ্যায় সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ও পরিচালক সঞ্জয়লীলা বানশালির। আগামীকাল সিন্ধি মতে আবারও বিয়ে হবে তাঁদের। এরপর দেশে ফিরে মুম্বাইতে হবে বড় আকারে রিসেপশন।

  • মিম্বারের ঠকচি, ইলেকশন বড়ডা-ই করমো: হিরো আলম

    মিম্বারের ঠকচি, ইলেকশন বড়ডা-ই করমো: হিরো আলম

    হ্যালো, হিরো আলম বলছেন?
    হিরো আলম: কচ্চি, কে কচ্চেন?
    -দলীয় মনোনয়ন তুললেন? নির্বাচন করবেন?
    হিরো আলম: বগুড়া-৪ আসন থ্যাকে ইলেকশন করিচ্চি। জাতীয় পার্টি থ্যাকে মনোনয়ন তুলচি। আজ (মঙ্গলবার) মনোনয়ন জমা দিচ্চি। কেন্দ্রীয় নেতা জিএম কাদের আর নায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা হামাক সাহস দিচ্চে, উৎসাহ যোগাচ্চে। এমপি হবার পারলে মন্ত্রীও করবে কচ্চে।

    -কিন্তু আপনি বগুড়া সদরের বাসিন্দা? অন্য এলাকার ভোটার আপনাকে চিনবে?
    আপনাকে ভোট দিবে?
    -হিরো আলম: হামাক চিনে না বগুড়াত লোক কম আচে। হিরো আলম এখন ওয়াল্ড ফেমাস স্টার। হামার বাড়ি বগুড়াত। সদরত ভোট করবার চাচনো। কিন্তু অন্য এডা কারণে কাহালু-নন্দীগ্রামত ভোট করিচ্চি। ওই এলাকাত হামার বহু ভক্ত, সগলি হামাক চিনে। জনগণের ভালোবাসায় হামার সম্বল। ক্যানডিডেট হলে হামিই জিতমো।

    -আপনি তো আগে ইউপি সদস্য পদেও নির্বাচন করে হেরেছেন? সংসদ নির্বাচনে জিতবেন কীভাবে?
    হিরো আলম: ভোটত জিততে টেকা লাগে না, সাহস লাগে। ভোটারের ভালোবাসা, সমর্থন লাগে। সেডা হামার আচে। আগে দুইবার মিম্বারত দাঁড়াচি। ৬ জন ক্যানডিটেড আচল। একবার ৭১, আরেকবার ১৬ ভোটে মিম্বার ইলেকশনত ঠকচি। মেম্বারের ভোটত ফেল করার পর খুব কষ্ট পাচি। তখন হিরো আলমক কেউ চিনিচ্চিল না। সগলিক সেদিন কচলাম ভোট করলে বড়ডা-ই (সংসদ নির্বাচন) করমো। এখন হিরো আলম ওয়াল্ড সেলিব্রিটি। গোটা বিশ্বে সগলি হামাক চিনে। হামি জিরো থেকে হিরো আলম, এজন্যি বড় নির্বাচনডা-ই করারই সিদ্ধান্ত লিচি।

    -আপনি যেখানে নির্বাচন করার কথা বলছেন সেখানে তো অনেক প্রভাবশালী নেতা নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, জাসদের বর্তমান সাংসদ একেএম রেজাউল করিম তানসেন, বিএনপি থেকে চারবার নির্বাচিত জিয়াউল হক মোল্লা। এসব নেতার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন?

    হিরো আলম: নেতাগেরে টেকা আচে, হামার আচে জনগণের ভালোবাসা। ৫০০ মিউজিক ভিডিও, ৮০ টি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘মারছক্কা’র হিরো হামি। বলিউলের’ বিজু দ্যা হিরো’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হইচি। দুনিয়াজুড়ে কোটি ভক্ত হামার। ফেসবুক পেজে ফলোয়ার ৩ লাখ ৩১ হাজার। হিরো আলমের প্রতি মানুষের সেই ভালোবাসার জোরেই নির্বাচনে জিতমো হামি। হামার নেতা হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসলে মন্ত্রীও হবার পারি।

    -শুনলাম আপনি বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে লড়তে বগুড়া-৬ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নের চেষ্টা করেছিলেন।
    হিরো আলম: ওগলা যারা কচ্চে, তারা সগলি না জানেই কচ্চে। সদরে হামি ভোট করবার চাচলাম, তবে আওয়ামী লীগ থ্যাকে লয়। জাতীয় পার্টি কথা দিলে রাখে, এ জন্যি লাঙল মার্কার প্রার্থী হবার চাচ্চি।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তুমুল আলোচনায় আসা কেবল ব্যবসায়ী থেকে ঢালিউড ও বলিউডের অভিনেতা বনে যাওয়া বগুড়ার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম মঙ্গলবার এভাবেই মুঠোফোনে বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় বলছিলেন।
    বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পাটির ‘লাঙল’ মার্কায় নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তিনি। মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে এই মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কয়েক বছর ধরে ব্যাপক আলোচিত হিরো আলমের হঠাৎ করে রাজনীতিতে আসা এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় নতুন করে আলোচনায় তিনি। মঙ্গলবার দিনভর বগুড়ার সর্বত্র আলোচিত হয় হিরো আলমের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি। হিরো আলমের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার খবর ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ভাইরাল’ হয়ে গেছে। বগুড়ার প্রত্যন্ত এরুলিয়া গ্রামে একসময় সিডি বিক্রি করতেন আশরাফুল আলম। সিডি যখন চলছিল না তখনই মাথায় আসে কেবল সংযোগ ব্যবসার। কেবল সংযোগের ব্যবসার সুবাদে মিউজিক ভিডিও তৈরি শুরু করেন। ইউটিউবে প্রায় ৫০০ মিউজিক ভিডিও ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন হিরো আলম। ইউটিউবে প্রকাশ করা তাঁর নিজস্ব ভিডিওগুলোও অনেক জনপ্রিয়। ভিডিওগুলোর নির্দেশনাও দেন হিরো আলম। ভিডিওগুলোর মূল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ইউটিউবে হিরো আলমের এসব ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তাঁর ভিডিও নিয়ে কৌতুক শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় তাঁর ভিডিও নিয়ে হয় ট্রল। তবে সবকিছু ছাপিয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

    হিরো আলম বলেন, ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই কর বড় হয়েছেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত। সিডির ব্যবসার সুবাদে ২০০৮ সালে নিজেই একটা মিউজিক ভিডিও তৈরি করেন। নায়ক-নির্দেশক তিনি নিজেই।
    এরপর তা কেবল চ্যানেলে প্রচার করেন। পরিচিতরা প্রশংসা করেন। আলম সিডি ব্যবসা বাদ দিয়ে মিউজিক ভিডিও বানানোয় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। হিরো আলম ইতিমধ্যেই ‘মার ছক্কা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বলিউড পরিচালক প্রভাত কুমারের ‘বিজু দ্য হিরো’ নামে চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন তিনি।
    ২০১৬ সালে হিরো আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলেন। বাংলাদেশের গণমাধ্যমের শিরোনাম হন তিনি। ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমও তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়।

    হিরো আলমের সঙ্গে ছবি তুলে ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ছবি তুলে ফেসবুকে প্রকাশ করায় বিবিসি হিন্দি, জি নিউজ, এনডিটিভি, ডেইলি ভাস্কর, মিড-ডের মতো ভারতের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলো তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন করে। সেখানে হিরো আলমকে বাংলাদেশের বিনোদনজগতের তারকা বলে উল্লেখ করা হয়।
    ফেসবুকে হিরো আলমের রেকর্ড অনুসারীর ভিত্তিতে গুগল তথ্য তথ্য প্রকাশ করে বলিউড নায়ক সালমান খানের চেয়েও হিরো আলমকে গুগলে বেশিবার খোঁজা হয়েছে। আল্টিমেট ইন্ডিয়ার বরাত দিয়ে ইউএনবির খবরে বলা হয়েছে, গুগলে কাকে সবচেয়ে বেশিবার খোঁজা হয়, তার একটি তালিকা করে ইয়াহু ইন্ডিয়া। জরিপে দেখা গেছে,‘সুলতান’ ও ‘দাবাং’ তারকা খ্যাত সালমান খানকে পেছনে ফেলেছেন হিরো আলম। সালমানের চেয়েও বেশিবার খোঁজা হয়েছে হিরো আলমকে।

    হিরো আলমের বিপক্ষে লড়বেন কারা :

    হিরো আলম লাঙল প্রতীকে যে আসনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত সেই বগুড়া-৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১১ হাজার ৯৪১ জন। ১৯৯১ সালে এই আসনে বিএনপির সাংসদ নির্বাচিত হন দলের প্রয়াত যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক মোল্লা। তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৯৪ সালের উপনির্বাচনে প্রয়াত সাংসদের ছেলে জিয়াউল হক মোল্লা দলীয় মনোনয়নে সাংসদ হন। এ ছাড়া তিনি আরও তিন দফা সাংসদ হন। ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর সংস্কারপন্থী নেতাদের পক্ষ নেওয়ায় জিয়াউল হক মোল্লা দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাঁকে বাদ দিয়ে মোস্তফা আলী মুকুলকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি মহাজোট মনোনীত জাসদের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে হারিয়ে সাংসদ হন।

    ২০১৪ সালের নির্বাচন বিএনপি বয়কট করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগে সমঝোতার ভিত্তিতে জাপার নুরুল আমিনকে জেতার সুযোগ করে দিতে মাঠ ছেড়ে দেয়। কিন্তু মহাজোটের অন্যতম শরিক জাসদের রেজাউল করিম তানসেন মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে নির্বাচন হয়। নির্বাচনে জাপার প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি সাংসদ হন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংস্কার পন্থী জিয়াউল হককে ইতিমধ্যেই দলে ফিরিয়ে এনে প্রার্থী করতে যাচ্ছে বিএনপি। জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ২৮ অক্টোবর নির্বাচনী জনসভা থেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে (জাসদ) ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিনও এ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।

  • শাওন ভাইকে ভোট দিন

    শাওন ভাইকে ভোট দিন

    গত কয়েকদিন ধরে শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। গতকাল সকালে রক্ত পরীক্ষা করতে হাসপাতালে যাব ভেবে বের হলাম। দখিণ হাওয়ার দারোয়ান কিছুতেই আমাকে বের হতে দিতে চাইছিল না!

    ওহ আচ্ছা- বলে রাখা ভালো আমি ধানমন্ডি ৩/এ তে থাকি। গত শুক্রবার থেকে আওয়ামী লীগ এর নমিনেশন ফর্ম সংগ্রহ করার যে উৎসব- আমি তার প্যাঁচে পড়ে গেছি। আমার বাসস্থান আওয়ামী লীগ অফিসের উল্টোদিকে হওয়ায় নমিনেশন উৎসবের আঁচ খুব প্রবলভাবেই টের পাচ্ছি। পরশু যেমন একটা অনুষ্ঠানে যাবার জন্য শাড়ি পরে তৈরী হয়েছি। আমাদের গলিতে গাড়ি নিয়ে তো আর চলা যাচ্ছিল না! তাই মেইন রোড পর্যন্ত হেঁটে রওনা দিতেই আশেপাশে গুঞ্জন শুনতে পেলাম- “ঐ দেখ দেখ! হুমায়ূন আহমেদ এর বউ নমিনেশন পেপার নিতে আসছে!”
    ভাগ্যিস ধারে কাছে কোনো ‘ডট কম’ জাতীয় অনলাইন সংবাদপত্র ছিল না! তাহলে চিপায় একখান সংবাদের শিরোনাম হয়ে যেতাম!
    ‘আওয়ামী লীগ অফিসে গিয়ে এ কি করলেন শাওন! (দেখুন ভিডিও সহ)’
    যাই হোক বকর বকর না করে মূল গল্পে ফিরে যাই।
    আজ দখিণ হাওয়ার দারোয়ান চাচা আমাকে হেঁটে বের হতে দিবেনই না পণ করেছেন! নানা ফাঁক ফোকর গলে একখানা রিক্সা যোগাড় করে আনলেন। গলা নামিয়ে রিকশাচালককে বললেন- “কোনো চ্যাংড়া পুলা রাস্তা আটকাইলে বলবা ম্যাডাম আম্মা নৌকার লোক।”
    তরতরিয়ে রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। কেউ আটকালো না। সকাল ৮ টা বেজে ৪৫ মিনিট। পার্টি অফিসের সামনে ছোট ছোট জটলা। ভিড় এখনো বাড়েনি। একজন চা বিক্রেতাকে দেখে চেনা চেনা লাগল! পাশ দিয়ে আমার রিকশা যেতেই লম্বা এক সালাম ঠুকে বসল। ‘স্লামালিকুম শাওন ম্যাডাম।’ অবাক বিস্ময়ে আমি চাওয়ালাকে চিনে ফেললাম! অন্যপ্রকাশের স্বত্বাধিকারী, আমার প্রতিবেশী মাজহার ভাইয়ের ড্রাইভার! গতকালই স্বর্ণা ভাবীর কাছে শুনেছিলাম ২ দিনের ছুটি নিয়েছে তাদের ড্রাইভার। ‘শইল্যে বেদনা’ এই কারণ দেখিয়ে! এখন দেখি সে চা এর ব্যবসা ধরে ফেলেছে!
    আমি চলন্ত রিকশা থেকে তাকে জিজ্ঞেস করলাম- “আপনার না শইল্যে বেদনা! এখানে কি করেন!”
    সে মুচকি হেসে জবাব দিল- “চা বানাইয়া বেচতে তো ম্যাডাম সারা শইল লাগে না, ডাইন হাতই যথেস্ট। একটু সিজনাল ব্যবসার টেরাই নিয়া দেখলাম।”
    তার এই উদ্যমে তাকে ‘ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বলা যায় কিনা ভাবতে ভাবতে স্কয়ার হাসপাতাল পৌঁছে গেলাম।
    অনেক হুলুস্থুল করে, খালিপেটে একবার রক্ত নিলেন তারা। তারপর গ্লুকোজ গুলানো পানি গিলিয়ে দিলেন জোর করে! ২ ঘণ্টা পর ঝিমঝিম করা মাথা আর পেট ভরা ক্ষুধা নিয়ে নানান সাইজের ১০/১২ টিউব রক্ত দিয়ে রিকশা করে বাসায় ফিরছি। ৩/এ রোড়ের মুখে এসে আটকে পড়লাম! কিছুতেই ভেতরে যাওয়ার উপায় নেই। রিকশা, গাড়ি তো নয়ই- হেঁটে যাওয়াও অসম্ভব! কিন্তু আমারে তো চেন না চান্দু!!! আমি রিকশা থেকে নেমে হাঁটা শুরু করলাম। কি কপাল আমার ২০/২৫ জনের একটা দলের ভিতরে পড়ে গেলাম। তারা আমাকে ঘিরে সজোরে বাদ্য বাজনা বাজাচ্ছে আর এফ শার্পে গলা চড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে-
    “শাওন ভাইয়ের সালাম নিন
    নৌকা মার্কায় ভোট দিন।”
    “মোদের আসনে কাকে চাই?
    শাওন ভাই শাওন ভাই…”
    আমি বাকরুদ্ধ!!! চুলগুলো না হয় একটু ছোট করেই কেটে ফেলেছি! তাই বলে একেবারে ভাই!!! শাওন ভাই!!! এর মধ্যে ২ জন এসে আমার গায়ে একটি ব্যাজ পরিয়ে দিল! একজন গলায় একটা লাল-সবুজ  উত্তরীয়র মতো কিছু একটা ঝুলিয়ে দিল! কোথা থেকে যেন আমার হাতে একটা প্ল্যাকার্ডও চলে আসলো! আমি নিজেও দলের সবার সাথে তাল মিলিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করলাম…
    “শাওন ভাইয়ের সালাম নিন
    নৌকা মার্কায় ভোট দিন।”
    প্রবল উত্তেজনায় ১০/১২ বার স্লোগান দেয়ার পর হাতের প্ল্যাকার্ডে চোখ পড়ল। দেখি সৌম্য চেহারার কাঁচুমাচু এক ভদ্রলোক- ‘সোহান ভাই’! আর আমি কিনা ক্ষুধা পেটে, চোখ-কানের মাথা খেয়ে বানিয়ে ফেললাম ‘শাওন ভাই’! দলের সাথে আরো কিছুক্ষণ সোহান ভাইয়ের জন্য স্লোগান দিতে দিতে জনস্রোতের ধাক্কায় এগোতে থাকলাম। মনের মধ্যে ক্ষীণ আশা এই ধাক্কায় আমি হয়তো বাসায় পৌঁছে যাব। কিন্তু হায়! জনস্রোত আমাকে দখিণ হাওয়ার পাশের বিল্ডিংএ ঢুকিয়ে দিলো।
    এরপর কি হলো তা নিয়ে আরেকদিন বলবো। কারণ উপরের গল্পটার ৯৯ ভাগই বানানো ঘটনা… আমার কল্পনাপ্রসূত!

    (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

  • নির্বাচনে কোন আসনে কোন তারকা

    নির্বাচনে কোন আসনে কোন তারকা

    নির্বাচন এ দেশের মানুষের কাছে জাতীয় উৎসব। অনেক আশা আর প্রত্যাশার ভেলা ভাসিয়ে নাগরিকেরা নিজ নিজ এলাকার দায়িত্ব তুলে দেন প্রতিনিধিদের হাতে। ভোটের বাক্সে রায় দিয়ে সেরা মানুষটিকে সংসদে পাঠান।

    আবারও শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নির্বাচন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর। সেই দিনটিকে সামনে রেখে চলছে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন বিতরণ। এরই মধ্যে গেল শুক্রবার থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগ।

    সেখানে দেখা গেছে তারকাদের ভিড়। আওয়ামী লীগের গয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে রীতিমত হিড়িক পড়েছে তারকাদের। তারা নিজ নিজ এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ধানমন্ডিতে অবস্থিত আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস থেকে।

    সেখানে গাজীপুর-৫ আসন থেকে মনোনয়ন কিনেছেন চিত্রনায়ক ফারুক। চিত্রনায়িকা কবরী তার আগের আসন নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে এবার মনোনয়ন চাইছেন ঢাকা-১৭ আসন থেকে। নীলফামারী-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।

    সঙ্গীতশিল্পী মমতাজ মনোনয়নপত্র কিনেছেন মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে। অভিনেত্রী তারানা হালিম তালিকায় আছেন টাঙ্গাইল-৬ এর প্রার্থী হিসেবে।

    চিত্রনায়ক শাকিল খান আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বাগেরহাট-৩ আসনে। ঢাকাই সিনেমার ডেঞ্জারম্যান খ্যাত অভিনেতা ডিপজল মনোনয়নপত্র কিনেছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে।

    একই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন অভিনেত্রী শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী। তারা মনোনয়নপত্র কিনেছেন ফেনী-৩ আসন থেকে।

    নরসিংদী-৫ রায়পুরা থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে সংসদ নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নির্মাতা ড. মাসুদ পথিক। ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর) আসনের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান।

    আছেন ক্রিকেট তারকারাও। ক্রিকেটার মাশরাফি মনোনয়নপত্র কিনেছেন নড়াইল-২ আসনের প্রার্থী হিসেবে। ক্রিকেটার দুর্জয় মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়পত্র কিনেছেন।

    তবে নির্বাচন করবেন বলে শোনা গেলেও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র কিনেননি অভিনেত্রী শাবানার স্বামী প্রযোজক ওয়াহিদ সাদিক, চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও শাকিব খান।

    এদিকে আজ সোমবার (১২ নভেম্বর) থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছেন বিএনপি। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ-১ আসন থেকে মনোনয় চাইছেন কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপা। সিলেট-৬ আসন থেকে বিএনপির মনোয়নয়পত্র কিনেছেন চিত্রনায়ক হেলাল খান।

    দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। তিনিও এবার অংশ নেবেন নির্বাচনে। নীলফামারি-৪ আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন তিনি।

    বিএনপি থেক নির্বাচনে অংশ নেবেন কণ্ঠশিল্পী মনির খানও। ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনবেন তিনি।

    এছাড়াও হিরো আলম বগুড়া-৬ আসন থেকে সতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। নায়ক সোহেল রানাকে ঢাকা-১৮ আসনে দেখা যেতে পারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে।

  • বিয়ের জন্য লাইসেন্স পেলেন প্রিয়াংকা-নিক!

    বিয়ের জন্য লাইসেন্স পেলেন প্রিয়াংকা-নিক!

    ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিনেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাস।

    তবে এ জন্য তাদের নিতে হয়েছে মার্কিন লাইসেন্স।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে তাদের বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হয় সে লক্ষ্যেই এ লাইসেন্স নিতে হল প্রিয়াংকা-নিক জুটিকে।

    এবার ১০ বছরের ছোট ভিনদেশিকে বিয়েতে আর কোনো বাধা রইল না দেশিগার্ল প্রিয়াংকার।

    ই-নিউজ ও দ্য ব্লাস্টসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের জন্য ইতিমধ্যে লাইসেন্স পেয়েছেন এ তারকা জুটি।

    জানা গেছে, নিয়মানুযায়ী এ লাইসেন্সপ্রাপ্তির ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে বিয়ে করতে হবে প্রিয়াংকা ও নিককে।

    ‘দ্য ব্লাস্ট’ সূত্রে খবর, গত সপ্তাহে লাইসেন্সের কাগজপত্র তৈরি করতে প্রিয়াংকা ও নিক বেভারলি হিলসের আদালতে গিয়েছিলেন।

    লাইসেন্সটি বিয়ের দিন রাজস্থানের যোধপুরে নিয়ে আসবেন তারা।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১ ডিসেম্বর যোধপুরের উমেদ ভবনে সানাই বাজবে প্রিয়াংকা চোপড়ার। নভেম্বরের ২৯ ও ৩০ তারিখে রয়েছে সংগীত ও মেহেদি অনুষ্ঠান।

    এর আগে গত আগস্ট মাসে নিজ বাড়িতে রোকা অনুষ্ঠান সেরে ফেলেছেন প্রিয়াংকা।

    জানা গেছে, এমন হাইপ্রোফাইল বিয়েতে মাত্র ২০০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    নিমন্ত্রণের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন দেশিগার্লের সাবেক প্রেমিকরা।

  • বগুড়া থেকে নৌকার প্রার্থী হতে চাই: অপু বিশ্বাস

    বগুড়া থেকে নৌকার প্রার্থী হতে চাই: অপু বিশ্বাস

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় তারকা চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস রাজনীতিতে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ফরম কিনতে চান তিনি।

    রবিবার (১১ নভেম্বর) দলটির ধানমন্ডির নতুন কার্যালয়ে যাওয়ার পথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে নায়িকা জানান, ‘বগুড়া থেকে নৌকার প্রার্থী হতে চাই।’

    অপু বলেন, ‘ধানমন্ডিতে যাচ্ছি মমতাজ উদ্দিন এমপি চাচার সঙ্গে কথা বলতে। তিনি এবং আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা সবুজ সঙ্কেত দিলে মনোনয়ন ফরম কিনব। আমি মূলত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে রাজনীতি করতে চাই। মানুষের পাশে থাকতে চাই। কারণ রাজনীতি হলো মানুষের পাশে থাকার সরাসরি মাধ্যম।’

    এর আগে শনিবার গাজীপুরের একটি আসন থেকে নির্বাচনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন অপু বিশ্বাসের সাবেক স্বামী নায়ক শাকিব খান। কিন্তু রাত পোহাতেই সিদ্ধান্ত বদলান ঢাকাই ছবির কিং। জানান, ‘আপাতত রাজনীতিতে আসার কোনো ইচ্ছা নেই। ভক্তরা চাচ্ছেন না আমি রাজনীতিতে জড়াই।

  • বিয়ে করতে ইতালি গেলেন দীপিকা এবং রণবীর সিং

    বিয়ে করতে ইতালি গেলেন দীপিকা এবং রণবীর সিং

    দেখতে দেখতে বিয়ের দিন এগিয়ে এলো। আর বাকি মাত্র তিনদিন। এরপর সাতপাকে বাঁধা পড়বেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিং। হবেন সুখের দম্পতি।

    দুই তারকার বিয়ের আসর বসবে ইতালিতে। এরইমধ্যে সব প্রস্তুতি নেয়া শেষ। গেল শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুম্বাই ছেড়েছেন এই তারকা জুটি।

    এ দিন সকালে বেশ সতেজ ছিলেন দুজন। তারা রং মিলিয়ে পোশাকও পরেছিলেন। দু’জনেই বেছে নিয়েছিলেন সাদা রং। রণবীরের সঙ্গে ছিলেন তার বাবা, মা এবং বোন। দীপিকার সঙ্গেও ছিলেন তার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা।

    ইতালিতে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের দীপিকা জানান, ‘অবশেষে আমরা সুখের ঘর বাঁধতে চলেছি এর চেয়ে আনন্দের কিছু নেই। প্রিয় মানুষের গলায় মালা দিতে পারাটা সৌভাগ্যের। সবার কাছে আশির্বাদ চাই যেন আমরা সুখী হতে পারি।’

    তিনি আর বলেন, ‘প্রতিটি মেয়ের জীবনে বিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমার জীবনেও তাই। নতুন কোনও সিনেমায় সই করার আগে যতটা উত্তেজিত থাকি, ঠিক তেমনই লাগছে।