Category: রাজণীতি

  • আমার কোন সংসার নেই আপনারাই আমার সংসার : সাদিক আবদুল্লাহ

    আমার কোন সংসার নেই আপনারাই আমার সংসার : সাদিক আবদুল্লাহ

    আমার কোন সংসার নেই আপনাই আমার সংসার। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি এবং আল্লাহ যতদিন বাচিয়ে রাখবে আপনাদের জন্যই কাজ করে যাবো। আজ দুপুরে নগর ভবনের সামনে বয়ষ্কদের মাঝে ভাতা’র বই বিতরন অনুষ্ঠানে নগরবাসীর উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

    এসময় শহর সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় ২০১৮- ১৯ অর্থ বছরের বরিশাল মহানগর এলাকার ৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বয়স্ক ভাতা প্রাপ্ত সুবিধাভোগী ৬০১ জন প্রবীনের মাঝে নতুন ভাতা বই বিতরন করা হয়। ভাতা’র বই বিতরণ অনুষ্ঠিনে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আরও বলেন, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবীনদের কথা চিন্তা করে বয়স্ক ভাতা চালু করেছেন। যাতে প্রকৃত বয়স্করা এ সুবিধা পান এবং ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রথমবারের মতো নতুন এ ভাতা বই চালু করা হলো।

    তিনি প্রবীনদের দেশের সন্মানিত ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাঁদের চিকিৎসার জন্য সিটি কর্পোরেশন থেকে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    তিনি বলেন, জনগনের টাকায় নগর ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন প্রদান করা হয়। কোন কর্মচারী সেবা প্রদান না করে কাউকে কোন হয়রানী করলে সেই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কর্পোরেশনের কেউ কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করতে পারবেনা। কর্কর্তা কর্মচারী এখনো যারা ভালো হননি তাদের বলছি পরিবর্তন হউন, স্বভাব পাল্টান।

    মেয়র আরও বলেন, আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই। আমি পরিবারের সাথে সময় দেইনা। জনগনের বাইরে আমার কোন সংসার নাই। আমি সকলকে সাথে নিয়ে সুন্দর আগামীর বরিশাল গড়তে চাই।

    অনুষ্ঠানে বিসিসির প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, রফিকুল ইসলাম খোকন, আয়শা তৌহিদ লুনা, শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আল মামুন তালুকদার, শহর সমাজসেবা অফিসার জাবের আহমেদসহ স্থানীয় সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন।

  • বঙ্গবন্ধুর একটা টেপ রেকর্ডার ছিল আমার কাছে

    বঙ্গবন্ধুর একটা টেপ রেকর্ডার ছিল আমার কাছে

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর একটা টেপ রেকর্ডার ছিল আমার কাছে। প্রতিবার সেই টেপ রেকর্ডারে আমি নতুন টেপ ভরে নিতাম, নতুন ব্যাটারি ভরে নিতাম। দেখতাম ওটা ঠিক আছে কি-না। উনি যখন বক্তৃতা দিতেন, তখন আমি ওই টেপ রেকর্ডারে তা রেকর্ড করতাম। বক্তৃতার পর উনি আবার ওটা শুনতেন। শোনার পর বলতেন, এসব জায়গা বাদ দিয়ে দাও। এগুলো প্রেসে যাবে না। আমি তখন প্রেস বিভাগের লোকজনকে বলতাম, এসব জায়গা যাবে না। বাদ দিয়ে দাও।

    ১৫ আগস্ট রাতের বর্ণনা দিয়ে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমি যখন শুয়ে পড়ি তখন প্রায় ১টা বাজে। ভোর সাড়ে ৫টা কিংবা পৌনে ৬টার দিকে আমার এক আত্মীয় টেলিফোন করে বলেন যে, আপনি কি জানেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে? আমি খুব ক্ষেপে গেলাম। এগুলো কী বলছেন আপনি! আমি ৯টার সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাচ্ছি, স্যারকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব। আপনি আজেবাজে কথা কেন এভাবে বলছেন!’

    ‘উনি বললেন, আপনি রেডিও শোনেন। আমি রেডিও চালু করলাম। প্রথম কথাই যেটা শুনলাম, শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে! আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া হলো, কেউ যেন পরিহাস করছে। কিন্তু এই রেডিওতে কে পরিহাস করবে? কী অদ্ভুত ব্যাপার না!’

    একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কমিশনার মাহবুব তালুকদার আরও বলেন, ‘খুব ছোট্ট ঘটনা। আমি তো বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে হেলিকপ্টারে কত জায়গায় গেছি। অন্যান্য সময়ে তার সঙ্গেও কত জায়গায় গেছি। কিন্তু আমি যে বঙ্গবন্ধুর গাড়ির দরজা বন্ধ করলাম, শেষ মুহূর্তে উনি যে তাকিয়ে দেখলেন, এটা আমার কাছে জীবনের গৌরবজনক ঘটনা মনে হয়। অতি সামান্য, কিন্তু কী অসামান্য এই ঘটনা।’

    নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম ও কবিতা খানম, ইসি সচিব মো. আলমগীরসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শনিবার রাতে ওই কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    শরিফুল ইসলাম সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়নের তেবারিয়া গ্রামের মো. তারু মিয়ার ছেলে। তিনি দরগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

    সাটুরিয়া থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. আবুল কালাম জানান, শরিফুল প্রথমে ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। শনিবার শরিফুল ওই কলেজছাত্রীকে চাচিতারা গ্রামের এক আত্মীয় বাড়িতে ফুসঁলিয়ে নিয়ে যান। মেয়েটির বাবা গ্রামবাসীকে বিষয়টি জানালে তারা শরিফকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে তার বিরুদ্ধে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন মেয়েটির বাবা।

  • ১৫ আগষ্টের বুলেট নিয়ে বেঁচে আছেন শাহানারা আব্দুল্লাহ

    ১৫ আগষ্টের বুলেট নিয়ে বেঁচে আছেন শাহানারা আব্দুল্লাহ

    বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে পাবর্ত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) ও বরিশাল জেলা আ’লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির সহধর্মীনি শাহানারা আব্দুল্লাহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে শরীরে বিদ্ধ বুলেটের দু:সহ যন্ত্রণা সহ্য করে স্বামীর সঙ্গে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

     

    শিশু পুত্র সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবু সহ স্বজন হারানোর সেই দুঃসহ রাত তাকে প্রতিনিয়ত তাড়িত করে।চোখের সামনে বিভীষিকাময় সেই রক্তস্নাত রাতের স্মৃতি ভেসে উঠলে চোখ বেয়ে তার অশ্রুধারা নেমে আসে। এ কষ্ট আমৃত্যু তাকে বহন করতে হবে। শোকের মাস এলে তার সেই কষ্ট আরও বহুগুন বেড়ে যায়। চোখের সামনে ভেসে ওঠে শিশু পুত্র ও স্বজনদের রক্তমাখা নিথর মৃত মুখ। ১৫ আগষ্ট সেই দু:সহ রাতের কথা মনে পড়লেই তিনি আবেগ আপ্লুত ও অশ্রু সজল হয়ে পড়েন।সেই রাতে অলৌকিক ভাবে বেঁচে যাওয়ায় মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।

     

    আপসোস করেন সেই রাতে বঙ্গবন্ধুও যদি সপরিবারে বেঁেচে যেতেন তাহলে ইতিহাস আজ অন্যভাবে লেখা হতো। বাংলাদেশ রূপ নিতো সোনার দেশে। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগষ্ট নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বাকী খুনি ও চক্রান্তকারীদের ফাঁসির দাবী জানান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে রক্তঝড়া অচিন্তনীয় বিয়োগান্তুক অধ্যায়ের শোকগাথাঁয় জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে শ্বশুর তৎকালীণ কৃষিমন্ত্রী ও কৃষক কুলের নয়নের মনি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও নিজের শিশু পুত্র সুকান্ত আব্দুলাহ সহ পরিবারের অনেক স্বজনকে হারান শাহানারা আব্দুল্লাহ ।সেদিন রাতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অপার কৃপায় অলৌকিকভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বুলেটবিদ্ধ শাহানারা আব্দুল্লাহ ও তার কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু পুত্র বর্তমান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ প্রাণে বেঁচে যান।

     

    শরীরে বেশ কয়েকটি বুলেট বহন করে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে শাহানারা আব্দুল্লাহ স্বামী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির মতো আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও মহিলা আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ও শহীদ আ. রব সেরনিয়াবাত স্মৃতি পরিষদেরও উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালণ করছেন তিনি।

     

    তিনি তার স্বামী জেলা আ’লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ও পুত্র বরিশাল সিটির জননন্দিত মেয়র যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সোনারবাংলা বির্নিমানে সমানতালে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছেন।৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলা সহ নানা ভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও তার পরিবারকে হয়রানির শিকার হতে হয়। ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হন তারা।

     

    তবে সকল চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মাঝেও এ পরিবারটি বরিশালে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের একমাত্র ভরসাস্থল ও শেষ ঠিকানা।

  • পর্যটকে মুখরিত ৩০ গোডাউন, আরও আধুনিক হবে: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    পর্যটকে মুখরিত ৩০ গোডাউন, আরও আধুনিক হবে: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    দুর দুরান্ত থেকে আগত ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের পদচ্ড়নায় মুখরিত বরিশালের ৩০ গোডাউন। হাজারও পর্যটকের বিনোদনের কথা চিন্তা করে এটিকে আরো আধুনিক করা হবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বরিশাল নগরীর বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ত্রিশ গোডাউন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বিকেলে তিনি ত্রিশ গোডাউন পরিদর্শনকালে এর উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা করেন ।

    এসময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইসরাইল হোসেন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক ::

    যে ঘুষ নেবে তার বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নিতে হবেই, যে ঘুষ দেবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহা পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতিতে যে ঘুষ নেবে শুধু সে অপরাধী নয়, যে দেবে সেও অপরাধী। এই জিনিসটা মাথায় রাখা এবং সেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তাহলে আমাদের অনেক কাজ দ্রুত হবে।’

    সম্পদের প্রতি মানুষের লোভের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্পদের তো সীমা আছে। মানুষ আসলে অন্ধ হয়ে যায় অর্থের জন্য। কিন্তু এটা ভুলে যায় যে মরে গেলে কিছু সাথে নেওয়া যাবে না, কবরে একাই যেতে হবে।’

    ‘যা রেখে যাবে সেটা আর কোনোদিন কাজে লাগবে না। আর যদি বেশি রেখে যায় তবে ছেলে-মেয়ের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। ওই নিয়ে মারামারি কাটাকাটি শুরু হয়ে যাবে। এখন যেটা যথেষ্ট দেখা যায়।’

    তিনি বলেন, ‘এই অন্ধের মত ছুটে বেড়ানো। আর নিজের সবকিছু নষ্ট করার কী অর্থ থাকে? কার কত আয়, আয় বুঝে ব্যয়; জীবনটা সবার ভালোভাবে চলুক সেটা আমরা চাই।’

    ‘কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়টা সামনে নিয়ে আসা- যে ঘুষ দেবে সেও যেমন দোষী, যে নেবে সে দোষী। তাহলে এভাবে যদি আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি, এটা নিয়ন্ত্রণ, করলে আমাদের অনেক কাজ আমরা দ্রুত করতে পারবো।’

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যথেষ্ট সক্রিয় আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    কে কত খরচ করলো তারও একটা হিসাব নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সরকারপ্রধান।

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও সচিবসহ তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রতিটি দপ্তরে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হবে : মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    প্রতিটি দপ্তরে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হবে : মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবীণদের সম্মান জানিয়ে তাদের কথা চিন্তা করে বয়স্ক ভাতা চালু করেছেন। বয়স্ক ভাতার এ টাকা প্রবীণদের জন্যই নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতে প্রকৃত বয়স্করা এ সুবিধা পান এবং ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রথমবারের মতো ভাতা বই চালু করা হয়েছে।

    রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয় চত্বরে বিসিসির আওতাধীন এলাকায় প্রবীণদের মধ্যে বয়স্ক ভাতার বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। সমাজসেবা অধিদপ্তর এর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    মেয়র বলেন, সিনিয়র সিটিজেনরা দেশের সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের প্রতি সম্মানের জায়গা থেকেই আমরা চাই, প্রতিটি দপ্তরে তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করতে। সঙ্গে মা-বোন অর্থাৎ নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখতে।

    তিনি বলেন, আমার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে, সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা স্বাস্থ্যসেবা বা চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার। প্রবীণদের চিকিৎসার জন্য সিটি করপোরেশন থেকে যা কিছু সম্ভব করা হবে। এজন্য সময় দিতে হবে।

    সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, বয়স্ক ভাতার এ টাকা নিয়ে কেউ যদি কোনো ধরনের সুযোগের সদব্যবহার করার চেষ্টা করে, তা বরদাস্ত করা হবে না।

    বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান, বিসিসির প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আল মামুন তালুকদার, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা জাবের আহমেদ প্রমুখ।

    সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি ওয়ার্ডের ৫৫৬ জনের মধ্যে রোববার এ বই দেওয়া হয়।

    জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের ৩০ ওয়ার্ডে ১৪ হাজার একজন এ বয়স্ক ভাতা পাবেন। প্রতিজনে বছরে পাবেন ছয় হাজার টাকা। আর বরিশাল জেলায় ৮৬ হাজার ৪৬৮ জনকে বয়স্ক ভাতা দেওয়া হবে।

  • সেই নারকীয় তাণ্ডবের কথা ভুলতে পারি না: শাহান আরা বেগম

    সেই নারকীয় তাণ্ডবের কথা ভুলতে পারি না: শাহান আরা বেগম

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সেই কালরাতে একই ঘটনায় আরও দুটি পরিবারের ওপর নেমে এসেছিল এই নিষ্ঠুর-নির্মম-নৃশংসতা। এর অন্যতম হলো বঙ্গবন্ধুর বোন আমেনা বেগম ও তার স্বামী তৎকালীন পানিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবতের পরিবার এবং অপরটি হচ্ছে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনির পরিবার।

    সেদিন সেরনিয়াবতের বাড়িতে নৃশংসতার প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী ছিলেন তার বড় পূত্রবধূ শাহান আরা বেগম। যিনি শরীরে চারটি গুলি লাগার পরেও বেঁচে গিয়েছিলেন। তিনি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর স্ত্রী। এবারের শোক দিবসে কথা বলেছে তার সঙ্গে। বরিশালে অবস্থানরত শাহান আরা টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেদিনের ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

    শাহান আরা আব্দুল্লাহ বলেন, বেঁচে থাকার তাগিদে স্বাভাবিক কাজ কর্ম করতে হয়। কিন্তু সেই নৃশংসতার স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়ায় প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে, আগস্ট এলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেই নারকীয় তাণ্ডবের কথা।

    তিনি বলেন, ১৪ আগস্ট দিবাগত রাতে ঘুমিয়ে পড়ার পর ১৫ আগস্ট ভোরে ঘুম ভাঙে গুলির শব্দে। তখন আজান হচ্ছিল। হঠাৎ করেই মুহুর্মুহু গুলি। বৃষ্টির মতো গুলি চলতে থাকলো চারদিকে। বাসার সবাই তখন ভয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির ( আব্দুর রব সেরনিয়াবত ও আমেনা বেগম) রুমে জড়ো হই। শ্বশুর সাহেব ফোন করলেন বঙ্গবন্ধুকে। ওদিকে দোতলায় আরেক রুমে ফোন বাজছিল। সেই ফোন ধরতে চলে গেলেন আমার স্বামী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। শ্বশুর সাহেব বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কথা শেষ করে শুধু বললেন, তার বাড়িতেও মনে হয় আক্রমণ হয়েছে।

    এরপর বেগম শাহান নিজেই শেখ ফজলুল হক মনিকে ফোন করেন। তিনি বলেন, ‘‘টেলিফোনে শেখ মনিকে তাদের বাড়ি আক্রমণ হওয়ার খবর জানালে তিনি জানতে চান, ‘যারা আক্রমণ করেছে, তারা কি পোশাক পরা?’ তখন আমি জবাব দেই, ‘অন্ধকারে কিছু দেখা যাচ্ছে না।’ এরপর তার শাশুড়ি ( বেগম সেরনিয়াবত) ফোন নিয়ে শেখ মনিকে বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে ডাকাত পড়েছে, কিছু একটা করো।’ ঠিক ওই সময়ে সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠে আসে ঘাতকেরা। রুমে ঢুকেই তারা ‘হ্যান্ডস আপ’ বলে নির্দেশ দেয়। সবাইকে নিচে নিয়ে এসে ড্রয়িংরুমে কর্ডন করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখে। এরপর তাদের পক্ষে একজন আমার দিকে অস্ত্র তাক করে জিজ্ঞেস করলো, ‘ওপরে আর কে কে আছে?’ জবাবে আব্দুর রব সেরনিয়াবত আমার দিকে এমনভাবে তাকান, যেন আমি কিছু না বলি। আমি উত্তর দেই, ‘ওপরে কেউ নাই।’ তখন তার শ্বশুর সেরনিয়াবত জানতে চান, ‘তাদের কমান্ডিং অফিসার কে?’ কিন্তু ঘাতকরা তাদের কোনও কমান্ডিং অফিসার নেই উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশফায়ার শুরু করে।

    শাহান আরা উল্লেখ করেন, ‘প্রায় সবার গায়েই গুলি লাগে। শহীদ ভাইকে (সেরনিয়াবতের ভাইয়ের ছেলে) অস্ত্র ঠেকিয়ে ওরা গুলি করে। উনি সঙ্গে সঙ্গে উপুড় হয়ে পড়ে যান। আমার শ্বশুরের শরীর দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। আমার শরীরের পেছনের অংশে হাত দিয়ে দেখি রক্ত বের হচ্ছে। ওরা চলে যেতে লাগলো। তখনও আমার জ্ঞান ছিল। এরমধ্যেই কে যেন কান্না করে ওঠে। এরপর ঘাতকরা আবারও দৌড়ে এসে ব্রাশফায়ার করে। এবার ওরা নিচ দিয়ে ব্রাশফায়ার করে। আমার শ্বশুর সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। আমি আমার শ্বশুরের পেছনে ছিলাম, আমার কোমরে গুলি লাগে। সে সময় ব্রাশফায়ারে ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা যান। আমরা গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৯ জন কাতরাচ্ছিলাম।’

    একটু থেমে শাহান আরা ফের বলেন, ‘‘এরমধ্যে আবারও একদল লোক গাড়ি নিয়ে আসে। তখন ভাবলাম—এই বুঝি শেষ। কিন্তু পরে দেখি রমনা থানার পুলিশ এসেছে। তারা আমার শ্বশুরের পালস দেখে বলে, ‘বাড়ির কেউ আহত আর কেউ মারা গেছে।’ পরে পুলিশ প্রহরায় আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’’

    অক্টোবর পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে শাহান আরা আব্দুল্লাহ উল্লেখ করেন। আর সেদিন বিপথগামী সেনা কর্মকর্তারা বাড়ির দোতলায় তল্লাশি না চালানোয় প্রাণে বেঁচে যান আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর স্ত্রী স্মৃতিচারণ করতে করতেই ফুঁপিয়ে ওঠেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সেদিন তিন প্রজন্মকে একসঙ্গে হারিয়েছেন তিনি। নিজের সন্তান সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবু, শ্বশুর আব্দুর রব সেরনিয়াবত, চাচাতো ভাসুর শহীদ সেরনিয়াবত, দেবর আরিফ সেরনিয়াবত, ননদ বেবি সেরনিয়াবতসহ ছয়জনকে। আর তিনি নিজেসহ আহত হয়েছিলেন-আব্দুর রব সেরনিয়াবতের স্ত্রী আমেনা বেগম, বিউটি সেরনিয়াবত, হেনা সেরনিয়াবত, আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, খ ম জিল্লুর রহমান, ললিত দাস ও সৈয়দ মাহমুদ।

    ‘সেই কালরাত্রির কথা এতদিন পরেও বার বার স্মৃতিতে ফিরে আসে,’  উল্লেখ করেন সেরনিয়াবত পরিবারের এই পূত্রবধু। তিনি পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানান।

  • ভোলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি এঁকে পুরস্কার পেল দেড়শ’ শিশু

    ভোলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি এঁকে পুরস্কার পেল দেড়শ’ শিশু

    ভোলার সদর উপজেলায় বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকায় পুরস্কার পেল দেড়শ’ শিশু। এ সময় কবিতা আবৃত্তি করে আরও শতাধিক শিশু। সকাল থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ চত্বর ছিল বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিশুদের উপস্থিতিতে এ আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রাপ্ত শিশুদের মধ্যে সেরা তালিকায় ছিল ‘ক’ বিভাগে সিয়েনা তাছশিয়া মহিমা অহষি করঞ্জাই, নুহাস উজামা ইরাদ, রেদোয়ান, আদর ঘোষ, আশরিন সালমা বর্ষা, আদিলা রশিদ মিধি, তানসিন আহমেদ অনি, অথৈ ঘোষ, তাসফিক আহমেদ, উলফে বিনতে আমিন, মেহজাবিন অধরা, জাগ্রত বিশ্বাস, মাহমুদুর রহমান, মাফুজুর রহমান, অর্পিতা মিত্র, মো. ইব্রাহিম, মো. শাখাওয়াত, ফাহমিদা বেগম, সাকির হোসেন, মো. মাহমুদুর রহমান, প্রাপ্ত কর্মকার, শাফায়ত হোসেন, কনক জাহান চাঁদনী, ফাহমিদা বেগম।

    প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও শিশুদের উদ্দেশ্য শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আবদুল মমিন টুলু, মোশারেফ হোসেন, জহুরুল ইসলাম নকিব, মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।

  • শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    অনলাইন ডেস্ক : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টা ৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির জনকের স্মৃতির প্রতি এ শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    সশস্ত্র বাহিনীর চৌকস দল এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে বেঁজে ওঠে করুণ সুর। প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।

    এরপর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেখান থেকে তিনি সরাসরি বঙ্গবন্ধু ভবনে যান।

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আমীর হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মুহাম্মদ ফারুক খান, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী। এরপর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    বেলা পৌনে ১১টার দিকে সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স মসজিদে অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

    দোয়া মাহফিলে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা, সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এরপর বেলা ১১টা ৪০মিনিটে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া থেকে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।