Category: রাজণীতি

  • ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

    ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

    খুলনা প্রতিনিধি//জান্নাতুল ফেরদৌস:

    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে বৃদ্ধা তছিরন নেছার (৭০) মৃত্যু হয়েছে।

    চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। তছিরন নেছা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে ওই গ্রামে পুনরায় সংঘর্ষ হতে পারে এমন আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শৈলকুপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আরিফ রেজা মন্নুর মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ৪ আগস্ট পাইকপাড়া গ্রামে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    এত উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় তছিরন নেছাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে মারা যান তিনি। শৈলকুপা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষের পর আমরা ওই গ্রামে সতর্ক অবস্থানে আছি। আবার যাতে সংঘর্ষ না হয় সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা ছাড়লেন জয়শঙ্কর

    প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা ছাড়লেন জয়শঙ্কর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঢাকা ছেড়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

    এক টুইট বার্তায় ড. জয়শঙ্কর বলেন, আমি ঢাকা ত্যাগ করছি। ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে অভ্যর্থনা জানানোয় তাকে ধন্যবাদ। আমাদের সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিদায় জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। এসময় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীও উপস্থিত ছিলেন।

    তিন দিনের সফরে গত ১৯ আগস্ট ঢাকায় আসেন এস জয়শঙ্কর। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

    ভারতের বিজেপি সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটাই প্রথম ঢাকা সফর।

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সকল আসামিদের দ্রুত বিচারের দাবীতে পিরোজপুরে মানব বন্ধন

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সকল আসামিদের দ্রুত বিচারের দাবীতে পিরোজপুরে মানব বন্ধন

    ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার সকল আসামীদের দ্রুত বিচারের দাবীতে পিরোজপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে শহরের গোপাল কৃষ্ণ টাউন ক্লাব সড়কে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক শফিউল হক মিঠু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রাসেল পারভেজ রাজা, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সুমন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক জসিম হালাদার রায়হান, স্বেচ্ছাসেবকলীগের পৌর যুগ্ম আহবায়ক শেখ হাসান মামুন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জিহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাইসুল ইসলাম সহ নেতৃবৃন্দ।

    মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন, ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্যই সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালিয়ে সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টাসহ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ভাগ্যগুনে সেদিন শেখ হাসিনা বেঁচে যান। এ গ্রেনেড ও জঙ্গী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। তারেকরহমান এখনো লন্ডনে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

    এ সময় বক্তারা, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত সব খুনিদের অবিলম্বে ফাঁসি কার্যকর করসহ যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদেরও আইনের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকরের দাবি করেন।

  • ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের ঋণী করে গেছেন’

    ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের ঋণী করে গেছেন’

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন রক্ত দিয়ে হলেও দেশের মানুষের ঋণ শোধ করবেন। তিনি আমাদের ঋণ শোধ করেন নাই, ঋণী করে গেছেন।

    সোমবার জাতীয় জাদুঘরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নৌ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    খালিদ মাহমুদ বলেন, সমগ্র জাতি বঙ্গবন্ধুর কাছে ঋণী। বঙ্গবন্ধুর ঋণ আমরা কখনোই শোধ করতে পারব না। কিন্তু তার স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন সোনার বাংলা গড়ার। সেই সোনার বাংলা আমরা যেন তৈরি করতে পারি। আল্লাহর কাছে আমরা সেই প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সেই শক্তি দেন। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার মানুষ তৈরি করতে, আমরা আমাদের কর্ম দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে কতটুকু ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি তা বুঝাতে হবে।

    নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকে একটি জার্নালে দেখলাম দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশ এক নম্বরে। সেখানে পাকিস্তান অনেক নিচে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের যে অর্জন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।

    জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বলেন, ২৩ মার্চ জিয়াকে অনুরোধ করার পরও ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে জিয়া কক্সবাজারের চলে যায়। সে আশপাশে থাকলে পাকিস্তানি সেনারা বাঙালি সৈনিকদের মারতে পারত না।

    নৌ প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

  • বরিশাল সিটি করপোরেশনে নিয়োগ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে নিয়োগ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা পদগুলোতে আবেদন করতে পারেন।

    ১) পদের নাম: প্রোজেক্ট ম্যানেজার-২
    পদ সংখ্যা: ১টি

    ২) পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোজেক্ট ডাইরেক্টর
    পদ সংখ্যা: ১টি

    ৩) পদের নাম: রিসেটেলমেন্ট অফিসার
    পদ সংখ্যা: ১টি

    ৪) পদের নাম: টাউন প্ল্যানার
    পদ সংখ্যা: ১টি

    ৫) পদের নাম: অ্যাকাউন্টেন্ট
    পদ সংখ্যা: ১টি

    ৬) পদের নাম: অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর
    পদ সংখ্যা: ১টি

    ৭) পদের নাম: কার ড্রাইভার
    পদ সংখ্যা: ১টি

    আবেদনের সময়সীমা: ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।
    বিজ্ঞপ্তি:

  • বরিশালে বয়স্কভাতার বই বিতরন করলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে বয়স্কভাতার বই বিতরন করলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে ৩ থেকে ১০ং ওয়ার্ডের বয়স্ক মানুষদের মধ্যে বয়স্কভাতার বই বিতরন করেছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    আজ দুপুরে নগর ভবনের সামনে অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ বই বিতরন করেন।

    এসময় ৬০১ জন বয়স্কদের মধ্যে ভাতা বত বিতরণ করা হয়।

  • দুপুরের খাবার পাবে প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী

    দুপুরের খাবার পাবে প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী

    ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করার লক্ষে জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (১৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতির খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।

    বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    জানা গেছে, বর্তমানে ১০৪ উপজেলায় প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুল ফিডিং (বিস্কুট বিতরণ) চালু আছে। এবার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই স্কুল ফিডিং চালু করতে চায় সরকার।

    নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘একটি শিশুর প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিদিনের খাবারে বৈচিত্র্য আনতে পুষ্টিচাল, ডাল, পুষ্টিতেল, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন মৌসুমি তাজা সবজি, ফল এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ডিম দিয়ে খাবার রান্না করা হবে। অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পরামর্শ করে খাবারের মেনু ঠিক করা হবে।’

  • বরিশাল জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী পালিত

    বরিশাল জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী পালিত

    কেক কেটে ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে বরিশালে পৃথক পৃথক স্বেচ্ছসেবক দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় সদর রোড বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৃথক পৃথক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করে জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল।

    প্রথমে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল দলীয় কার্যালয়ের সামনে ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয় পরে দলীয় কার্যালয় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করে।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন। জেলা স্বেচ্ছসেবক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক এমপি উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ,মহানগর বিএনপি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মীর জাহিদুল কবীর জাহিদ, সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনি, সিনিয়র সহ সভাপতি আতাউর রহমান আউয়াল,সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আবদুল্লাহ্ সাদি, যুগ্ম সম্পাদক আজিজুর রহমান ভূইয়া মামুন সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেদুজ্জামান রাসেদ।

    এর পূর্বে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল একই স্থানে ১১টায় কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন। এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক, বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার।

    মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগর বিএনপি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মীর জাহিদুল কবীর জাহিদ, সাধারন সম্পাদ মশিউর রহমান মঞ্জু, সহ-সভাপতি মতিউর রহমান মিঠু,নুরুল আমিন কোটন,একেএম তৌহিদুল ইসলাম,আরমান সিকদার নুন্না,রিয়াজ মাহমুদ মিলটন,এ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দিক সহ অন্যান্যরা।

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন ভিপি নুর

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন ভিপি নুর

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নিজের উপর বারবার হামলার বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর। সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    এছাড়া পটুয়াখালীতে নিজের উপর হামলার ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ডাকসু ভিপি।

    নুর অভিযোগ করে বলেছেন, অন্যায়-অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তিনি ও তাঁর সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা-কর্মীরা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রোষানলের শিকার হচ্ছেন। সরকারের বিরোধিতা করলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন ‘খালেদা জিয়ার মতো পরিণতি’ হতে পারে আওয়ামী লীগ ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের এমন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

    সম্প্রতি নিজ এলাকায় হামলার শিকার হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নেতা নুরুল হক নুর।

    এ প্রসঙ্গে নুর বলেন, গত ১৪ আগস্ট চরবিশ্বাস থেকে আমার বোনের বাড়ি দশমিনা যাওয়ার পথে উলানিয়া বাজারে পটুয়াখালী-৩ এর সাংসদ এসএম শাহজাদা সাজুর নির্দেশে চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী, গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহের নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা হয়।

    ‘শাহিন শাহের ভাই নুরে আলম, লিটু পেদা, আব্বাস পেদা, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম রণো, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক, উলানিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল, যুবলীগ নেতা ইদ্রিস, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ফরিদ আহসান কচিন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ আসিফ, ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ, তূর্যসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে রড, স্টিলের পাইপ ও চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।’

    সংবাদ সম্মেলনে ডাকুস ভিপি বলেন, হামলায় প্রায় ২০-২৫ জনকে আহত, ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর, দুটি ডিসএলআর ক্যামেরা ও ৮৯ হাজার টাকা ছিনতাই হয়। হামলায় রবিউল, ইব্রাহিম, জাহিদ, রিয়াজ ও আমিসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হই।

    তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু হামলা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, আমাকে চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত করেছে। ডাক্তার সিটিস্ক্যান ও ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করার জন্য বরিশাল মেডিকেলে রেফার করলেও সন্ত্রাসীরা এবং পুলিশ আমাকে জোর করে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

    বারবার হামলা প্রসঙ্গে নুর বলেন, এ পর্যন্ত আটবার ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হাতে হামলার শিকাল হয়েছি। ভিপি হওয়ার আগে তিনবার (৩০ জুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে, ২৪ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি ও ১১ মার্চ রোকেয়া হলে) হামলার শিকার হয়েছি।

    ‘আর ভিপি হওয়ার পর পাঁচবার (১২ মার্চ টিএসসি, ২ এপ্রিল এসএম হল, ২৫ মে ব্রাক্ষণবাড়িয়া, ২৬ মে বগুড়া ও ১৪ আগস্ট উলানিয়া) হামলার শিকার হই।’

    তিনি বলেন, প্রতিবার প্রকাশ্যে ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটলে ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েও পাওয়া যায়নি। পুলিশের নীরব ভূমিকা ছিল সন্ত্রাসীদের সহায়ক।

    নুর বলেন, সর্বশেষ ১৪ আগস্টের ঘটনার দিন হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় গলাচিপা পুলিশের সহযোগিতা চাইলেও ওসি কোনো ধরনের সহযোগিতা করেনি। এমনকি পুলিশের উপস্থিতিতেও সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ আমার আত্মীয় ও সমর্থকদের গ্রেফতারের হুমকিও দেয়। সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে নগ্ন হামলা চালালেও ওসি হামলার কথা অস্বীকার করেন।

    ছাত্রসমাজ ও দেশবাসীর উদ্দেশে ডাকসু ভিপি বলেন, আমি আমার প্রাণনাশের শঙ্কাবোধ করছি। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আপনারা আমার তথা অন্যায়ের-অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার হোন।

    ‘আমি কোনো অন্যায়-অপরাধ করিনি। শুধু অন্যায়-অনিয়মের প্রতিবাদ করার কারণেই আমি ও ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা বারবার ক্ষমতাসীন দলের রোষানলের শিকার হয়েছি। ক্ষমতাসীন দলের নেতা ছাড়াও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকদের কাছ থেকেও প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুখীন হচ্ছি।’

    অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানি করে তার মুখ বন্ধ রাখা যায় না উল্লেখ করে নুর বলেন, জাতির পিতাই বলে গেছেন ‘বাঙালি জাতিকে তোমরা দাবায়া রাখতে পারবা না।’

  • জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    স্বাধীনতা পূর্ব পরবর্তী দক্ষিণাঞ্চলে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতিতে শক্ত-পোক্ত অবস্থানে গিয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম বাংলার বাঘখ্যাত শের-ই বাংলা একে ফজলুল হক, আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, অশ্বিনী কুমার দত্ত, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, বিডি হাবিবুল্লাহ, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, আব্দুর রহমান বিশ্বাস, রাশেদ খান মেনন, আমির হোসেন আমু, এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার, তোফায়েল আহম্মেদ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, পঙ্কজ দেবনাথ, বেগম সেলিমা রহমান, নুর-নবী চৌধুরী শাওন, আবদুল্লাহ আল জ্যাকব, বলরাম পোদ্দারসহ আরো অনেকে।

    তবে রাজনৈতিক পরিবারের ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ইতিপূর্বে কেবলমাত্র শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের ছেলে ফায়জুল হক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে নাসিম বিশ্বাস রাজনীতিতে নাম লেখালেও জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ে তারা আজ কেবলই স্মৃতির পাতায়। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান কৃষককূলের নয়নমনি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ যোগ্য উত্তরসূরী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ । ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ তার পরিবারের উপর নির্মম হামলায় বেঁচে যাওয়া সেই শিশু সাদিকই আজ বরিশালের মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছেন।

    যার ধারাবাহিকতায় বরিশালের হেভিওয়েট রাজনীতিবিদ এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবেই নয়, নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা তাকে আজ এ আসনে উপনীত করেছেন। তিনি আজ তরুনদের অংহকার ও মডেল, যুবরত্ন।

    সূত্রমতে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার মোট আয়তন ৫৮ বর্গ কিলোমিটার। ৩০টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। জনসংখ্যা প্রায় ৬ লাখ। আর এই ৬ লাখ নাগরিকের সেবক হচ্ছেন ৩০ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ১০ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও একজন নগর পিতা। এই ৬ লাখ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করার লক্ষে নানা সুবিধা ও অসুবিধার দিকগুলো দেখতে হয় নগরপিতাকে। এক কথায় নগরবাসীর ভাগ্যই থাকে নগরপিতার হাতে।

    কিন্তু সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামাল বিভিন্ন সময় দুর্নীতি করে এই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে দায়-দেনায় জর্জরিত করে রাখেন। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকালীন সময়ে তার মাথায় ৩০০ কোটি টাকার ঋণের বোঝা ছিল। সাবেক মেয়রের সময় নগরীর রাস্তঘাট খানাখন্দ, জলাবদ্ধতা, বিসিসি শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থেকে শুরু করে জনমনে ছিলো নানা রকম অস্বস্তি

    প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন নগরবাসীর জীবনমান গড়ার লক্ষে নগরীকে সৌন্দর্যমন্ডিত নগরী হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন। তবে ২০১৩ সালে বিসিসি মেয়র নির্বাচনে নতুন মেয়র হিসাবে যোগদান করে আহসান হাবিব কামাল। তিনি নগরপিতার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর কয়েক বছরে অটোরিক্সার লাইন্সেস বানিজ্য থেকে শুরু করে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা লোপাট করতে সাহায্য করতেন তার ছেলে রুপমকে। বিসিসির কর্মচারীদের বেতনসহ প্রায় ৩শ কোটি টাকা দেনা রেখে নিজেকে সাধুপরিচয় দেয়ার জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেন তিনি।

    ২০১৮ সালে বিসিসি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে প্রায় ৩শ কোটি টাকা দেনার ভার মাথায় নিয়ে দায়িত্বগ্রহণ করেছিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় আওয়ামী পরিবার (মন্ত্রী) আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সন্তান। ছোট বেলা থেকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। তার দাদা আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করা পিতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পথ ধরেই সাধারন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছিলেন তিনি।

    তবে বিসিসির পূর্বের মেয়নগনদের থেকে বর্তমান মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর এত জনপ্রিয়তার কারন কি? সরেজমিন অনুসন্ধানে ও বিসিসি সূত্রে উঠে আসে কিছু কারন, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বিসিসি মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের পর, নগরবাসীর কথা চিন্তা করে দিন-রাত নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুড়ে নগরবাসীর জীবনমান গড়ার লক্ষে জলাবদ্ধতা নিরাসন, নগরীর বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, ড্রেন পরিস্কার, রাস্তা পরিস্কার, নগরীর বর্জ্য পরিস্কার, যানবাহন নিয়ন্ত্রন, অবৈধ পানির লাইন বিচ্ছিন করা, হোল্ডিং ট্র্যাক্স পরিশোধ, কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ ঈদ বোনাস পরিশোধ, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পেনশন দেয়া ও অবৈধ কর্মচারী চিহ্নিত করা, নগরীর গুত্বপূর্ন সড়ক গুলোকে দুই লেনে ভাগসহ থ্রি-ডি জেব্রা ক্রসিং দেয়া, শেবাচিম হাসপাতালে রোগিদের গরম থেকে রক্ষা করার জন্য মাথার উপরে ফ্যান দেয়া, সাধারন মানুষদের সাহায্য করা ও তাদের কথা শোনা, ঈদ যাত্রায় সাধারন মানুষদের ভোগান্তি থেকে রক্ষা করার জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস দেয়াসহ নানা পরিকল্পনার কাজ বাস্তবায়ন করে আসছে তিনি।

    অনুসন্ধানে জানাযায়, এক হাজার ভুয়া কর্মচারীর নামে প্রায় দেড় যুগে শত শত কোটি টাকা লোপাটের মাধ্যমে বিসিসিকে ঋণগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিণত করা হয়েছিলো । সেই দেনা দায় মুক্ত করতে দায়িত্ব নেয়ার পর দুর্নীতির এ বিরাট ফাঁক বন্ধ করে দেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যে এ বিপুল অঙ্কের টাকা উত্তোলন করে লোপাটের ঘটনা উদঘাটন করেছেন মেয়র নিজেই। তাছাড়া হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণেও দুর্নীতি, চুরি, ঘুষ, দলীয় তদবির এবং সুপারিশের কারণে ট্যাক্স ফাঁকি, ট্রেড লাইসেন্স এবং হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়েও বিস্তর দুর্নীতি, যানবাহনের জ্বালানি খাতেও হতো সাগর চুরি বিষয়টি ধরা পরে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কাছে। নগরবাসীর ভাগ্য গড়ার নামে সাবেক মেয়ররা নিজেদেরই ভাগ্য তৈরি করতে ব্যস্ত হয়ে থাকতেন। এসব কর্মকান্ডে খোঁজ করে মেয়র সাদিক নিজেই বিভিন্ন খাদে তদারকি করে দেখেন। নগরীতে বিভিন্ন ব্যবসা ট্রেড লাইসেন্স না করেই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করা প্রতিষ্ঠান গুলোকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। বরিশাল নগরীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে নগরীর খালগুলো পুনরূদ্ধার করে পুনঃখননের প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে বিশেষ বরাদ্দ ও এমনকি সরকারী পুকুরগুলোও পুনরূদ্ধারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি।

    সাড়ে তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৪৬টি খাল পুর্নখননের জন্য ১২১ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ১০৯ কিলোমিটার খালগুলোর দুই পারের ২৩ কিলোমিটারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য বরাদ্দ ৪৮০ কোটি টাকা চেয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। তাছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫৪৮ কোটি ১০লাখ ৬৭হাজার ৪৩৭ টাকা ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১২৫ কোটি ৩৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৪৫টাকা সংশোধিত বাজেট উপস্থাপন করে তিনি।

    এবিষয় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের গনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু বলেন, পূর্বে বিসিসিতে সেবা নিতে আসা সাধারন নগরবাসীদের হাজার হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে সেবা নিতে হতো এখন আর সেবা নিতে হলে কোন ঘুষ প্রয়োজন হয় না। কারন মেয়র মহোদয় সব নিজেই তদারকি করেন । তিনি আরো বলেন, আমরা এর আগে কোন মেয়রকে দূর্নীতির বিষয় এমন কঠোর অবস্থান নিতে দেখিনি। তাছাড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন -ভাতা প্ররিশোধ, বিসিসিতে এই প্রথম কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ বোনাস প্ররিশোধ, রাতে ১১টার থেকে রাত ৩টার ভিতর নগরীর সব কয়টি স্থানের ময়লা পরিস্কার করে নেয়া, প্রতিটি সড়ক সংস্কার করা, কর্মচারীদর প্রতিমাসে বেতন প্ররিশোধ করাসহ বেশ কিছু কাজ তিনি বাস্তবায়ন করেছেন।

    সেরনিয়াবত সাদিক আবদুল্লাহ রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। জন্মের পর থেকেই তিনি ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকে ছিলেন। তার বাবা এবং দাদা মন্ত্রী ছিলেন। তারপরেও ক্ষমতার অপব্যবহার করেন না তিনি। তিনি সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে পছন্দ করেন, ভালো কোন পোষাক না পড়ে সাধারণ পোষাক পড়ে নগরবাসীর দ্বারে দ্বারে ছুটে গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন । গাড়িতে চড়ে বিলাসীতা করা তার পছন্দের ভিতর নেই। কখনও রিকশায় চড়ে বা কখনও পায়ে হেঁটে এমনকি বৃষ্টিতে ভিজেও নগর ও নগরবাসীর উন্নয়ন কর্মকান্ডের তদারকি করতে পছন্দ করেন । রাত কিং বা দিন নেই সব সময়ই সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের সুখ দুঃখের কথা শোনেন।

    অপরদিকে দেলোয়ার হোসেন নামে এক দিনমজুর বলেন, মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ঠিকই তিনি তার কথা রেখে আমাদের কাছে ছুটে এসেছেন। আমাদের জনগণের চাহিদাই তার ইচ্ছা। মেয়র সাদেক আবদুল্লাহ তার পিতার মত আমাদের পাশে সব সময় ছায়া হয়ে রয়েছেন। আমাদের বিভিন্ন সময় সাহায্য করেন। তিনি খুব ভালো মানুষ । তার জনপ্রিয়তার সাথে কারো তুলনা হবে না। মেয়রের একটি ঘোষনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আগে কোন মেয়র রএমন ঘোষনা দেয়নি। সেটা হল সমুদয় দেনা পরিশোধসহ নগর ভবন সাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভাতা নিবেন না।

    এবিষয় বিসিসির ২নং প্যানেল ও ৭নাম্বার ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাডঃ রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, মেয়র মহোদয় দিনে বা রাতের বেলায় নগরীর প্রতিটি ওলি-গলি ঘুরে নগরীর প্রকৃত দৃশ্য দেখেন, নগরবাসীয় বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন । বরিশালবাসীর স্বপ্ন পূরনে দির-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। অসহায় গরিব মানুষদের মুখের ভাষা তিনি ভালো বোঝেন। নগরবাসী যে ভাবে চায় তিনি সেই ভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন। বরিশাল নগরীর সৌন্দর্য কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেই পরিকল্পনা নিয়েই কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছেন। সুন্দর পোশাক পড়াকে সৌন্দর্য হিসেবে গণ্য করেন না। তিনি আরো বলেন, মেয়র মহোদয়ের ১বছরের কার্যক্রম হয়তো সাধারন নগরবাসীর মন ছুঁয়ে গেছে তাই নগরবাসীর কাছে তিনি এতটা জনপ্রিয়। তাছাড়া ইতিমধ্যে তিনি দেশের সর্বশেষ্ঠ মেয়র হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।