Category: রাজণীতি

  • ঈদে খালেদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে পরিবারের আবেদন

    ঈদে খালেদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে পরিবারের আবেদন

    কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

    সাক্ষাতের জন্য দু’দিনের আবেদন করা হয়েছে। তবে সাক্ষাৎ করতে কারা যাচ্ছেন তা এখনো ঠিক করা হয়নি।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বোন সেলিনা ইসলাম, বোনের স্বামী রফিকুল ইসলাম, ভাই সাঈদ এস্কান্দরের স্ত্রী নাসরিন সাঈদ, পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান সিঁথি, দুই মেয়ে ও তারেক রহমানের স্ত্রীর বোন শাহিনা খান সাক্ষাৎ করতে পারেন।

  • ১৫ আগস্ট টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৫ আগস্ট টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে ১৫ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এদিন সকাল ১০টায় তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

    গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাত রসুল স্বাক্ষরিত ফ্যাক্সবার্তায় এ তথ্য জানা গেছে।

    গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফরের কথা নিশ্চিত করে বলেছেন, আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ফ্যাক্সবার্তা পেয়েছি। তাতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র বাহিনীর চৌকস দল গার্ড অব অনার জানাবে। পরে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র সুরা ফাতেহা পাঠ ও বঙ্গবন্ধুসহ ‘৭৫-এর ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করবেন।

    এদিন সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ মসজিদ চত্বরে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধু ভবনে অবস্থান করে তাতে অংশ নেবেন।

    জাতীয় শোক দিবসের এ কর্মসূচিতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা, সামরিক-বেসামরিক পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

    শোক দিবস সামনে রেখে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স সৌন্দর্যবর্ধন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে। জেলার বিভিন্ন সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে কালো তোরণ। সড়কের পাশে কালো পতাকা দিয়ে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে উড়ছে কালো পতাকা।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে জেলার সর্বত্র নিরাপত্তা জেরাদার করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তাকর্মীরা কাজ করছেন।

    গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাঈদুর রহমান খান জানান, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি করেছি। সবার প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর এ সফর সফল হবে।

  • ছুটির দিনেও ব্যস্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

    ছুটির দিনেও ব্যস্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ছুটির দিনেও কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার গণভবনে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে তাদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন তিনি। পাশাপাশি দলের বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়েও বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আজ ছুটির দিনেও অত্যন্ত কর্মব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’ প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় গণভবনের অফিসকক্ষে আসেন এবং বেলা ৩টা পর্যন্ত অফিস করেন।’

    এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। প্রধানমন্ত্রী সড়ক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে মন্ত্রীর কাছ থেকে খোঁজ-খবর নেন এবং ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও সহজ করতে মন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সম্প্রতি ভারত সফরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঈদ জামাত, কোরবানি যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে সেসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

    শেখ হাসিনার সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে মন্ত্রীকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।

    গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

    এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সাহারা খাতুন, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, অসীম কুমার উকিল প্রমুখ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

  • ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ঈদে দেশের মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত

    ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ঈদে দেশের মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বাক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এবারের ঈদে ডেঙ্গুর ভয়াবহতায় দেশের মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত। শনিবার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, এবার ঈদের প্রাক্কালে ডেঙ্গুর ভয়াবহতায় মানুষ আক্রান্ত ও আতঙ্কগ্রস্ত। সরকারের ব্যর্থতা, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের অসংলগ্ন বক্তব্য জনগণকে ব্যথিত করে। তারপরও দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।

    এদিকে এবারের ঈদে সারাদেশের বিভিন্ন রুটের ট্রেন সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা বিলম্বের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এবারের বাড়ি ফেরা যাত্রীদের ট্রেন, বাস ও লঞ্চের অধিক যাত্রীবহন, যানজট, অধিক ভাড়া আদায়, যাত্রাকে দুঃসহনীয় করে তুলেছে। তারপরও আমরা কামনা করি দেশের মানুষ মিলেমিশে সোহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদ্যাপন করুক।

  • চাকুরি থাকাকালীন অবস্থায় মৃত্যুুবরণ, ৯ শ্রমিকের পরিবারকে বিসিসি’র অনুদান

    চাকুরি থাকাকালীন অবস্থায় মৃত্যুুবরণ, ৯ শ্রমিকের পরিবারকে বিসিসি’র অনুদান

    বরিশাল সিটি করপোরেশনে চাকুরি থাকাকালীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা ৯ শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নির্দেশে তাদের এ অনুদান প্রদান করা হয়।

    অনুদান প্রাপ্তদের মধ্যে ৬ জন শ্রমিক ও ৩ জন ঝাড়ুদারের পরিবার রয়েছে।

    যারমধ্যে মৃত জয়নাল সরদারের (শ্রমিক) পক্ষে তার দুই স্ত্রী আবেদন করলে, তাদের সমবন্টন অর্থাৎ অনুদানের ১ লাখ টাকা দুটি ভাগে ৫০ হাজার টাকা করে উভয়কে বুঝিয়ে দেয়া হয়। একইভাবে মৃত মোঃ তৈয়ব আলী সিকদারের (শ্রমিক )পক্ষে তার দুই ছেলে আবেদন করলে, তাদেরও সমবন্টন করে আর্থিক অনুদানের টাকা বুঝিয়ে দেয়া হয়।

    এছাড়া শ্রমিক পদে মৃত মোঃ হানিফ, রুনু বেগম, জাহাঙ্গীর সরদার ও গোপাল লাল এবং ঝাড়ুদার পদে মৃত ইরানী বেগম, আশা রানী, চম্পা রানী/মুন্নী মেথর এর পরিবারের পক্ষ থেকে স্ত্রী অথবা সন্তাররা একক আবেদন করেন। যার প্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই শেষে এসব পরিবারের হাতে ১ লাখ টাকার অনুদান তুলে দেয়া হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু বলেন, দৈনিক মজুরী ভিত্তিতে চাকুরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেয়ার বিষয় বিসিসিতে এটিই প্রথম। মেয়রের নির্দেশে বৃহষ্পতিবার (০৮ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় মৃত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারের হাতে ১ লাখ টাকার এ অনুদান তুলে দেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

  • দক্ষিনাঞ্চলের ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের পাশে বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    দক্ষিনাঞ্চলের ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের পাশে বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    গভীর রাতে ঢাকা থেকে ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষদের পাশে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। ঘরমুখো মানুষদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থাও করেছেন তিনি। পাশাপাশি অসুস্থ রোগীদের বিশেষ সার্ভিসের মাধ্যমে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর সবকিছুর তদারকি নিজেই করছেন। দক্ষিণাঞ্চল মুখী মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম লঞ্চগুলোতে স্বাভাবিক দিনের থেকে আজ (১০ আগষ্ট) যাত্রী সংখ্যা খুব বেশিই ছিল।

     

    নদী বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) বিকেলে থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকা ত্যাগ করতে শুরু করে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের নানান রুটে যাত্রীরা, যার মধ্যে বেশিরভাগ যাত্রীই নৌপথে লঞ্চযোগে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় মধ্যরাত থেকে বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো এসে পৌঁছালে বেড়ে যায় ভিড়।

     

    নৌ-বন্দর কর্তৃপক্ষে তথ্যানুযায়ী শুক্রবার (০৯ আগস্ট) ভোররাত পৌনে ১ টায় প্রথমে ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষদের নিয়ে বরিশালে এসে পৌঁছায় এমভি মানামী লঞ্চটি। এরপর একে একে এমভি এ্যাডভেঞ্চার-১, ১১ পারাবত-৯, সুন্দরবন-১০, সুরভী-৮, কামাল-১, ফারহান-৮ নামের লঞ্চগুলো।

     

    যদিও এরআগে এমভি সপ্তবর্ণা-৯, সুন্দরবন-২, বোগদাদীয়া-১২, রেডসান-৫, সম্পাসহ ভায়া রুটের ৫ টি লঞ্চ বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রী নামিয়ে পরবর্তী স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়।

     

    তবে সরাসরি রুটের লঞ্চগুলো বরিশাল নদী বন্দরের জেটিতে নোঙ্গর করে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

     

     

    সাগর নামের ঢাকা থেকে আগত এক লঞ্চযাত্রী জানান, যাত্রীদের ভিড় শুরু হলেও যতটা হওয়ার কথা থাকে এমন সময়ে তা হয়নি। তবে যে যাত্রী হয়েছে তাতেই কেবিনের বাহির বারান্দায়ও দাঁড়ানো যায়নি। আর ডেকেও ছিলো পর্যাপ্ত যাত্রী। উত্তাল মেঘনা পাড়ি দেয়ার সময় মনের ভেতর আতঙ্ক দেখা দিলেও ভালোভাবেই বরিশাল এসে পৌঁছেছি। বরিশাল লঞ্চঘাটে নামার সাথে সাথেই বিসিসির মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ নানামুখী উদ্যোগে খুব সহযেই গন্তব্যে পৌছাতে পারব বলেও জানান তিনি।

     

    এদিকে যাত্রীদের নিরাপত্তায় বরিশাল নদী বন্দর এলাকায় মধ্যরাত থেকেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মী, বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বরিশাল সদর নৌ থানা পুলিশ, মেট্রোপলিটনের কোতায়ালি মডেল থানা পুলিশ, বরিশাল সদর ও নৌ ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি পল্টুন ও আশপাশের এলাকা সাদা পোশাকে পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

     

    অপরদিকে বরিশাল নদী বন্দরের আশপাশের এলাকায় মধ্যরাত থেকেই বিভিন্ন ধরনের যাত্রীবাহি যানবাহন নিয়ে চালকরা অবস্থান নিয়েছে। স্বাভাবিকের থেকে ভাড়া বেশি হলেও যাত্রীরা অন্ধকার থাকতেই সেসব যানবাহনে চড়েই পরবর্তী গন্তব্যে যাচ্ছেন।

     

    এদিকে অভ্যন্তরীন রুটের লঞ্চগুলো ৫ টার পর থেকে যাত্রা শুরু করলেও সেগুলোতে যাত্রীরা গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

     

    মধ্যরাতে লঞ্চ থেকে নেমে হয়রানি রোধে পল্টুন ও নদী বন্দর ভবনের সামনে যাত্রীদের জন্য বসার ব্যবস্থা ও ছাউনি করা হয়েছে। একই সাথে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। যে বাসগুলো লঞ্চে আসা যাত্রীদের নতুল্লাবাদ ও রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দিচ্ছে।

  • দক্ষিণাঞ্চলবাসীর ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্ঘুম মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    দক্ষিণাঞ্চলবাসীর ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্ঘুম মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    আর একদির পরেই মুসলিমদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা। ত্যাগের মহিমায় আর ধর্মীয় অনুশাসনের মন্ত্র ধারণ করে কোটি মানুষ ফিরছে দক্ষিণাঞ্চলে। ঈদ যাত্রায় বিগত বছরে লঞ্চে আসা যাত্রীরা নগরী পার হতে নানান ধরণের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতেন। কিন্তু এ বছর ক্ষুদ্র পরিবহনের নৈরাজ্যে যাত্রী হয়রানির শিকার হচ্ছেন না কেউ। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মৌলিক চিন্তায় নিমিষেই দূর হয়েছে সেসব ভোগান্তি। শান্তিতে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। তাও আবার বিনামূল্যের বাস সার্ভিসে। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সৌজন্যে এই ফ্রি বাস সার্ভিস চালু হয়েছে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে। শুধু ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করেই দায়িত্ব শেষ করেননি মেয়র। সেসবের তদারকি করে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন জনপ্রিয় এই নগরপিতা। নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০টিরও বেশি বাস এই সেবা প্রদান করছেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের এমন অবিস্মরণীয় সেবা পেয়ে খুশি গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। মেয়রের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আনন্দ পাগল ঘরমুখোরা।

    ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে বরিশালে আসা সিয়ামুল হায়াত বলেন, পূর্বের ঈদে বরিশাল নদী বন্দরে নেমে আলফা, অটো বা সিএনজিতে করে রুপাতলী যেতে কমপক্ষে জনপ্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা লাগতো। তার ওপর গভীর রাতে যাতায়াতে নানান আতঙ্ক থাকতো। কিন্তু সিটি করপোরেশনর ফ্রি বাস সার্ভিসের কারণে কোন ভাড়াই গুণতে হয়নি না। আবার পথের নিরাপত্তা নিয়েও কোনো দুচিন্তা নেই। এই যাত্রী বলেন, এমন যোগ্য মেয়র বাংলাদেশের কোন নগরীতে আছে বলে আমার জানা নেই।

    ঢাক-ঢোল পেটানো ছাড়া তার এই যে নিরব জনসেবা-আমাকে বিমোহিত করেছে। আমি নগরীর বাসিন্দা নয়। তারপরও দোয়া করি সাদিক আব্দুল্লাহর এই আদর্শ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ুক। আয়শা সিদ্দিকা অপি নামে আরেক যাত্রী বলেন, প্রথমবারের মতো বরিশাল সিটি করপোরেশন এমন একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ফ্রি বাস সার্ভিসের কারণে যাত্রীরা অন্য পরিবহন চালকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেলো। তিনি বলেন, এমন নগর পিতাই মানুষ চায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাত ১২টা থেকেই লঞ্চঘাট এলাকায় নিজে মোটর সাইকেল চালিয়ে এসে যাত্রীদের সাথে কথা বলছেন সিটি মেয়র সাদিক। কুশল বিনিময়, যাত্রাপথে কোন বিড়ম্বনা আছে কিনা, হয়রানির শিকার হচ্ছেন কিনা-এমনসব খোঁজখবরও নেন সাদিক। শুধু লঞ্চঘাট নয় নথুল্লাবাদ ও রুপাতলীতেও গিয়ে যাত্রীদের সাথে কথা বলেন তিনি।

    জানা গেছে, এবারের ঈদে সরকারি ও বেসরকারি ২৬টি নৌ-যান ঈদ স্পেশাল সেবা প্রদান করছেন। প্রতি ঘন্টায় বরিশাল নদী বন্দরে এসে ভিড়ছে যাত্রীবাহি নৌযান। যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে নৌপুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব ও সাদা পোশাকের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী টহল দিচ্ছে। দায়িত্ব পালন করছে বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রয়েছে সিভিল সার্জণের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প। ওদিকে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সবগুলো ইউনিট দফায় দফায় সমন্বয় সভা করে গৃহিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করছে। আর কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ। তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, যাত্রী নিয়ে প্রতিযোগীতা করলে সেসব লঞ্চকে বরিশাল নৌ-বন্দরে বেধে রাখা হবে। মেয়র জানান, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষ আমার মেহমান। কারও অবহেলায় তাদের বিড়ম্বণা বা ক্ষতি হবে তা বরদাস্ত করা হবে না।

    ঈদ আনন্দের। আনন্দের ঈদ সড়ক পথে বা নৌপথে অসুস্থ প্রতিযোগীতায় ম্লান হতে দেওয়া হবে না। এজন্য মেয়র বাস মালিক সমিতির নেতাদেরও নির্দেশনা দিয়েছেন। জানা গেছে, ঈদ আনন্দে বাড়ি ফেরা এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার সময় সবার নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সারাদিন ও সারারাত তিনি নগরী ঘুরে বেড়াবেন।

  • নিজের পিঠে গুলি খেয়ে নেতাজিকে বাঁচিয়ে ছিলেন “কর্নেল নিজ়ামুদ্দিন”

    নিজের পিঠে গুলি খেয়ে নেতাজিকে বাঁচিয়ে ছিলেন “কর্নেল নিজ়ামুদ্দিন”

    লক্ষ্মী সায়গলদের সঙ্গে বার্মার জঙ্গলে হাঁটছেন নেতাজী। হঠাত ঝোপের কাছে যেন ঝলসে উঠল বিদ্যুৎ সঙ্গে গুড়ুম!নেতাজিকে লক্ষ্য করে। না, লাগেনি। বাঁদিক থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে নেতাজীকে বাঁচিয়ে দেন। তিনি নিজামুদ্দিন। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা, দেহরক্ষী, গাড়ির চালক কর্নেল নিজ়ামুদ্দিন। বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুতত্ত্ব এক কথায় খারিজ করে দেন এই মানুষটাই।উত্তরপ্রদেশ সরকারের তৈরি জনতা আয়োগে নেতাজি নিয়ে তদন্তের সাক্ষী ছিলেন নিজ়ামুদ্দিন। নেতাজি মৃত্যু রহস্য সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। জানিয়েছেন, ১৯৪৭ সালের ২০ আগস্ট নেতাজিকে শেষবার বার্মার ছিতাং নদীতে নৌকায় তুলে দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই সাবমেরিনে জাপানে চলে যান নেতাজি। এরপর আর কখনও নেতাজির সঙ্গে নিজামুদ্দিনের সাক্ষাৎ হয়নি।

    ১৯৪২ সালে আজামগড় থেকে পালিয়ে সিঙ্গাপুর চলে যান ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। এরপর নেতাজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যুক্ত হন আজাদ হিন্দ ফৌজের সঙ্গে। নেতাজীর সঙ্গেই প্রাচ্যের রণাঙ্গনেঅংশ নিয়েছিলেন৷ ২০১৪ সালে ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী বারাণসী এলে নিজামুদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছিলেন। গত বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১১৬ বছর তিন মাস ১৪ দিন বয়সে আজমগড়ের বাড়িতেই মৃত্যু হয় তাঁর। রেখে গেলেন স্ত্রী আজবুল নিশা, তিন ছেলে ও দুই মেয়েকে। ১০৭ বছর বয়সে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে যাওয়ার সময় তাঁর নাম ফের নতুন করে সর্বসমক্ষে আসে। ১১৬ বছর বয়সি কোনও ব্যক্তি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলছেন তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

    সবথেকে বেশি বয়সি হিসেবেও তাঁকেই ধরা হত।নিজামুদ্দিনের আসল নাম সইফুদ্দিন। আজ়মগড়ের মুবারকপুরের ঢাকুয়া গ্রামে ১৯০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ইমাম আলি সিঙ্গাপুরে একটি ক্যান্টিন চালাতেন। গ্রাম ছেড়ে তিনি বাবার কাছে চলে যান। পরে সেখানেই আজ়াদ হিন্দ বাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৩-৪৫ পর্যন্ত আজ়াদ হিন্দ ফৌজে ছিলেন তিনি। ক্রমেই নেতাজির ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। তাঁকে দেহরক্ষী, গাড়ির চালক হিসেবেও নিযুক্ত করেন নেতাজি। এই সময়েই ১৯৪৩ সালে বার্মার জঙ্গলে নেতাজিকে বাঁচাতে গুলি খেয়েছিলেন নিজামুদ্দিন। ২০১৬ সালে টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে আমরা হাটছিলাম। হঠাত ঝোপের আড়াল থেকে একটা বন্দুক গর্জে উঠল। আর আমি ঝাঁপ দিলাম নেতাজির সামনে। ৩ টি বুলেট লাগে পিঠে। বহুক্ষণ বেহুঁশ ছিলাম।

    জ্ঞান ফিরতে দেখি নেতাজি পাশে দাঁড়িয়ে। ক্যাপ্টেন লক্ষী সায়গল আমার শরীর থেকে বুলেটগুলো বের করেছিলেন। ‘তাঁর নিজ়ামুদ্দিন নামও নেতাজির দেওয়া। কর্নেল নিজ়ামুদ্দিন নিজে গাড়ি করে নেতাজিকে পৌঁছে দিয়ে এসেছিলেন মায়ানমারের ছিতাং নদীর ধারে। যেখান থেকে সাবমেরিনে জাপানে চলে যান নেতাজি। যাওয়ার সময় রেজিমেন্টের দায়িত্ব বর্তায় নিজ়ামুদ্দিনের ঘাড়ে। নেতাজির দেওয়া দায়িত্ব নিষ্ঠাভরে পালন করেছিলেন নিজ়ামুদ্দিন। আজাদ হিন্দ ফৌজ আত্মসমর্পন করে ১৯৪৫ সালে। তিনি চলে আসেন রেঙ্গুন।

    বিয়ে করেন আজবুন নিশাকে। রেঙ্গুনেরই স্থানীয় একটি ব্যাঙ্কের গাড়ি চালক হিসাবে কাজ শুরু করেন। ১৯৬৯ সালের ৫ জুন ফিরে আসেন আজমগড়ের গ্রামের বাড়িতে। সেখানেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। ২০০১ সালে নিজের পরিচয় সবার জনসমক্ষে আনেন তিনি।নেতাজির মতোই রহস্যময়! নেতাজির মতোই আমাদের হৃদয়েও অমর হয়ে থাকবেন নিজামুদ্দিন। নিজের কাছে সর্বদা আইএনএ-এর পরিচয়পত্র। বাড়ির নাম ‘হিন্দ ভবন’। ছাদে চব্বিশ ঘণ্টা ভারতের পতাকা। মুখে ‘জয় হিন্দ’। স্যালুট নিজামুদ্দিন।

  • ঈদের দিন শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ঈদের দিন শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার (১২ আগস্ট) দলীয় নেতাকর্মী, বিচারক এবং বিদেশি কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। খবর বাসস।

    শনিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্বিজীবী এবং সকল শ্রেণি-পেশার জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।প্রেস সচিব বলেন, পরে প্রধানমন্ত্রী একই স্থানে সকাল ১১টা থেকে বিচারক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক, সিনিয়র সচিব এবং সচিব মর্যাদার অন্যান্য বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

  • বরিশালে সিটি মেয়রের ফ্রি বাস সার্ভিস পেয়ে খুশি ঘড়ে ফেরা যাত্রীরা

    বরিশালে সিটি মেয়রের ফ্রি বাস সার্ভিস পেয়ে খুশি ঘড়ে ফেরা যাত্রীরা

    ঈদ উল আজহা ঘড়ে ফেরা মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নিরাপদ করতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) দিবাগত মধ্যরাত থেকেই ২০টির মতো বাস বরিশাল নদী বন্দর এলাকা থেকে যাত্রীদের নিয়ে রুপাতলী ও নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে পৌঁছে দিচ্ছে। ফ্রি বাসে ঢাকা থেকে বরিশাল শহরে আসা যাত্রীরা পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে সড়কপথে যাচ্ছেন।

    এদিকে, ফ্রি সার্ভিসের আওতায় চলাচলরত বাসগুলোর কার্যক্রম সড়কে থেকে সরাসরি মনিটরিং করছেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবাদুল্লাহ।

    মধ্যরাতে যাত্রীরা ফ্রি বাস সার্ভিস পেয়ে বেশ আনন্দিত।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০টির মতো বাস যাত্রী নিয়ে বরিশাল নদী বন্দর সংলগ্ন ডিসি অফিসের সামনের সড়ক দিয়ে যাত্রী নিয়ে রুপাতালী ও নতুল্লাবাদের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন। সেখানে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে বাসগুলো আবার নির্ধারিত রুট দিয়ে পূর্বের জায়গায় আসছে। বাস আসা মাত্রই সেগুলোতে যাত্রীরা মুহুর্তের মধ্যে উঠে পড়ছেন। আর মেয়রের নেতৃত্বে কাউন্সিলর ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা তা মনিটরিং করছেন।

    এদিকে বন্দরে এলাকায় ফ্রি বাস সার্ভিসের প্রচারণা মাইকের পাশাপাশি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। যাত্রীরাও মেয়রের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন।

    ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে বরিশালে আসা মজিবর রহমান বলেন, এই রাতে নতুল্লাবাদ যেতে এক থেকে দেড়শ’ টাকা গুণতে হতো। তার ওপর গভীর রাতে যাতায়াতে নানান আতঙ্ক থাকে। কিন্তু সিটি করপোরেশনর ফ্রি বাস সার্ভিসের কারণে কোন ভাড়াই গুণতে হবে না। আবার পথের নিরাপত্তা নিয়েও কোনো দুচিন্তা নেই।

    আয়শা আক্তার নামে অপর এক যাত্রী বলেন, প্রথমবারের মতো বরিশাল সিটি করপোরেশন এমন একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ফ্রি বাস সার্ভিসের কারণে যাত্রীরা অন্য পরিবহন চালকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেলো।

    সিটি করপোরেশনের সর্ব কনিষ্ঠ কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনি জানান, আগামীকাল থেকে ফ্রি সার্ভিসে বাসের সংখ্যা আরো বাড়নোর চিন্তা ভাবনা রয়েছে মেয়রের।