Category: রাজণীতি

  • আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই : কাদের

    আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই : কাদের

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা চাইনা বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে যাক। আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে থাকুক, তারা একটি বড় দল। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক আমরা এটাই চাই।

    শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা চলাকালে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, আমরা চাইনা গতবারের মতো বিএনপি ভুয়া অভিযোগ দিয়ে নির্বাচন বয়কট করুক। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু আছে, অথচ বিএনপি নির্বাচনের পরিবেশ নেই বলে নানা কথা বলছে, মূলত তারাই এগুলো তুলছে।

    সভায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এইচ টি ইমামসহ বিভিন্ন উপ কমিটির নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

  • নির্বাচনের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই : ফখরুল

    নির্বাচনের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই : ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। অবিলম্বে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও মামলা দেওয়া বন্ধ না হলে তার দায়-দায়িত্ব সরকারকে এবং নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) বহন করতে হবে।

    শুক্রবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করছে। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে সাত দফা দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমাদের কোনো দাবির প্রতি কর্ণপাত না করে একটি প্রহসনের নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন জনগণের সামনে প্রশ্ন এসেছে আদৌ নির্বাচন হবে কি-না। এই প্রহসনের নির্বাচন করে কি লাভ?

    সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, পাঁচবার ওবায়দুল কাদেরকে পরাজিত করেছি। ২০০৮ সালে অনেক কারচুপির পর ১৩০০ ভোটে পরাজিত হই। গত দুই ঈদে বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি।  তফসিল ঘোষণার পরে আশা করেছিলাম সবাই নির্ভয়ে কাজ করতে পারবো। কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। বলতে চাই নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এই কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আমি মনে করি না।

    নির্বাচনে থাকবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে ফখরুল বলেন, আমরা এতোকিছু করছিতো নির্বাচনে থাকার জন্য, আপনাদের কি মনে হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

  • গণভবনে সাবেক সেনাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বিধি লঙ্ঘন নয়

    গণভবনে সাবেক সেনাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বিধি লঙ্ঘন নয়

    নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, গণভবনে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়। তবে গণভবন ও বঙ্গভবনে কেউ নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তাঁরা (সশস্ত্রবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা) আসছেন, দেখা করেছেন, সমর্থন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন। আমি যতটুকু আচরণ বিধিমালা বুঝি, তাতে মনে হচ্ছে না এটা আচরণবিধির লঙ্ঘন।

    এ সময় রফিকুল ইসলাম বলেন, কোনো নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন,সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলে কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তাদের গাফিলতির অভিযোগে যদি কেউ মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারেন, তাঁরা ইসি ও আদালতে এ ব্যাপারে প্রতিকার চাইতে পারেন।

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

  • ঢিমেতালে চলছে বাস্তবায়ন

    ঢিমেতালে চলছে বাস্তবায়ন

    ঢাকার চিহ্নিত সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ শুরু করেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। মেয়র হিসেবে তাঁর নেওয়া বেশ কিছু উদ্যোগ নগরবাসীর দৃষ্টি কেড়েছিল। বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে আনিসুল হক আরও উন্নয়নকাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি মারা যান।

    আনিসুল হকের মৃত্যুর পর তাঁর নেওয়া উদ্যোগগুলোর কয়েকটির কাজ চলছে ঢিমেতালে। নগরবিদ ও ডিএনসিসির কর্মকর্তারা বলছেন, আনিসুল হকের উদ্যোগগুলো চালিয়ে নেওয়ার মতো উদ্যমী নেতৃত্ব এখন অনুপস্থিত। এ কারণে এসব কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে।

    নগর গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহরে আনিসুল হকের মতো শক্তিশালী নেতৃত্ব দরকার। যাঁরা বর্তমানে দায়িত্বে আছেন, তাঁরা চাইলে আনিসুল হকের উদ্যোগগুলো বাস্তবে রূপ দিতে পারেন। উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত না হলে নগরবাসী বঞ্চিত হবে।

    ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন আনিসুল হক। মেয়রের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বিলবোর্ড অপসারণ, অস্থায়ী ময়লা রাখার ঘর বা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ, ঠিকাদার নিয়োগে ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা চালু, ডিএনসিসি এলাকায় প্রতিবন্ধীবান্ধব ফুটপাত নির্মাণ, গুলশান ও বারিধারা এলাকায় দূতাবাসের সামনের ফুটপাতে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদ, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দৈনিক মজুরি বাড়ানো ছিল আনিসুল হকের উল্লেখযোগ্য কাজ।

    কিছু উদ্যোগের বর্তমান অবস্থা
    চার হাজার বাস: ঢাকা শহরের পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চার হাজার বাস নামানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন আনিসুল হক। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এ পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) মাধ্যমে এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হবে।

    ইউটার্ন প্রকল্প: ঢাকার যানজট কমাতে সাতরাস্তা থেকে উত্তরা পর্যন্ত ১১টি ইউটার্ন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল আনিসুল হকের। ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে জমি বুঝে না পাওয়ায় অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রকল্পের কাজ।

    কাজটির অগ্রগতি সম্পর্কে প্রকল্প পরিচালক ও ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম বলেন, উত্তরার র‍্যাব-১–এর কার্যালয়, রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স ও কাওলা এলাকায় নির্মাণকাজ চলছে। প্রকল্পটির সংশোধিত পরিকল্পনা পাসের অপেক্ষায় আছে। ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।

    গাবতলীর জায়গা: গাবতলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে থাকা ৫২ একর জমি উদ্ধার করে ডিএনসিসি। একটি প্রকল্পের অধীনে ওই জায়গায় কারখানা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কারখানা, প্রশাসনিক ভবন, বাস ও ট্রাক ডিপো, ময়লা রাখার অস্থায়ী ঘরসহ আরও কিছু স্থাপনা করার পরিকল্পনা ছিল। গত এক বছরে প্রকল্পের কাজ শুরু না করায় উদ্ধার করা জায়গার বেশির ভাগ পুনরায় দখল হয়ে গেছে।

    তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল ও অন্য ১০টি জায়গা: দীর্ঘদিন দখলে থাকা সাতরাস্তা থেকে তেজগাঁও রেলক্রসিং পর্যন্ত সড়কটি দখলমুক্ত করেন মেয়র আনিসুল হক। এখন সড়কের পাশে সারি করে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে।

    তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল ছাড়াও আনিসুল হকের উদ্যোগে গাবতলী, মহাখালী, আবদুল্লাহপুরসহ আরও আটটি এলাকা পার্কিংমুক্ত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে পার্কিং ফিরে আসতে শুরু করেছে মহাখালী, আবদুল্লাহপুর এলাকায়।

    এলইডি বাতি ও সিসি ক্যামেরা: আনিসুল হক ডিএনসিসি এলাকায় এলইডি বাতি বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এ বিষয়ে একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায়। কিন্তু চলতি অর্থবছরেও এলইডি বাতি বসানোর প্রকল্পে অগ্রগতি নেই।

    সবুজ ঢাকা: ‘সবুজ ঢাকা’ প্রকল্পের আওতায় পাঁচ লাখ গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা ছিল ডিএনসিসির। প্রকল্পটিতে কোনো টাকা বরাদ্দ না থাকায় কাজ এগোচ্ছে না।

    ১০০ গণশৌচাগার: আনিসুল হক একাধিকবার ১০০টি গণশৌচাগার নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন। ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, গণশৌচাগার নির্মাণের মতো জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই পদচারী–সেতুর নিচের জায়গায়, মার্কেট, পার্কে শৌচাগার নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

    আনিসুল হকের নেওয়া উদ্যোগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিএনসিসির প্যানেল মেয়র জামাল মোস্তফা বলেন, আনিসুল হকের শুরু করা কাজগুলো থেমে নেই, চলমান আছে। ডিএনসিসির কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মিলে তাঁর নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন।

  • শেরপুরে বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর

    শেরপুরে বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর

    শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা সদরের শিমুলতলী ও থানা মোড় এলাকায় ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটে।

    উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল মান্নান জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিমুলতলী এলাকার উপজেলা বিএনপি ও থানা মোড় এলাকার সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় বন্ধ করে দলীয় নেতা-কর্মীরা বাড়িতে চলে যান। গভীর রাতে কে বা কারা ওই দুই কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা বিএনপি কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে নিয়ে যায় এবং ভেতরে থাকা শামিয়ানা, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে আসেন।

    জেলা বিএনপির সভাপতি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক বলেন, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককে (ডিসি) অবহিত করেছেন।

    ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অপরদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ডিসি আনারকলি মাহবুব গতকাল বিকেলে বলেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশ সুপারকে বলেছেন।

  • হাতেম আলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির “Concluding Festival 2019” অনুষ্ঠিত

    হাতেম আলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির “Concluding Festival 2019” অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    বরিশাল শহরের প্রাণ কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির “Concluding Festival 2019” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার ২৭ তারিখ সকাল ৯ টা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কলেজ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হতে শুরু করে। এরপর জাতিয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে ১১ টা থেকে শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন। প্রথমে কলেজের পক্ষ থেকে আলিমুজ্জামান মেশকাত ও আদৃত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেয়।

    সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাধ্যক্ষ হারুণ-অর রশিদ (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ), ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাঈদ আহমেদ মান্না ও ইসলামী ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক, জনাব মাছুম বিল্লাহ বক্তব্য প্রদান করেন। এরপর শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেক কাটা হয়। এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কলেজকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেয়া হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের উপাধ্যক্ষ জনাব হারুণ-অর রশিদ (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ), বরিশালের মাননীয় মেয়র জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রতিনিধি হিসেবে ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব সাঈদ আহমেদ মান্না বিশেষ অতিথি, জনাব মোঃ মাইনুল হোসেন খান, সহকারী অধ্যাপক গণিত, জনাব এইচ. এম. বাহাউদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক ভূগোল, জনাব লাভলী শামীমা ফেরদৌস, সহকারী অধ্যাপক প্রাণিবিদ্যা, জনাব মুহাম্মদ সাহাবউদ্দিন মৃধা, সহকারী অধ্যাপক রসায়ন, জনাব মাহাবুব আলম, সহকারী অধ্যাপক বাংলা, জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক পদার্থবিজ্ঞান, জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, প্রভাষক হিসাববিজ্ঞান, জনাব মোঃ মাসুম বিল্লাহ, প্রভাষক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, জনাব কে এম নজরুল ইসলাম, প্রভাষক পদার্থবিজ্ঞান, জনাব মোঃ মানিক মিয়া, প্রভাষক ইংরেজি, জনাব মোঃ অলিউল ইসলাম, প্রভাষক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ও জনাব মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন, প্রভাষক ইসলামিক স্টাডিজ, প্রমুখ শিক্ষকবৃন্দ ও কলেজ ছাত্রলীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটি’র সদস্য মাশরুফ আল নাফিজ, সামসুজ্জোহা সুয়াদ, শাফি আহমেদ, রহমতুল্লাহ তূর্য, আলিমুজ্জামান মেশকাত, প্রদীপ্ত সাহা, ঐশ্বর্য ইকা, মুনিরা বিনতে, রাফি শিকদার, জাহ্নবী খান তিন্না, মাফি রুম্মান, পারভেজ হাসান, সৌগত রায় লালন, রহমান নাঈম, পারভেজ হাসান, শান্ত ইসলাম আদি, আলিফ হোসেইন, রেজা আহমেদ, আসিফ ইকবাল নুহাশ, হাসান মোর্শেদ, নাফিসা হোসেইন, মাহিমা মাহি, সানজিদা সাঞ্জু, জুবায়ের হোসেন অনিক, অর্ণব ইসলাম, মোঃ আফনান, মোঃ ইরাজ, সাদমান রেজওয়ান খান ও হুজাইফা রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে একে একে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, মুনিরা বিনতে, রাফি শিকদার, আহমেদ জাহিন রাশা, জাহ্নবী খান তিন্না, আদৃত, মাফি রুম্মান, স্বপ্নিল দে, শাহাবুদ্দিন বিশাল, আবেশ, তাহসিন এহসান অহিন, প্রদীপ্ত সাহা, শাফি আহমেদ, অমিত এইচ কে সাগর ও হুজাইফা রহমান।

    সবশেষে হাতেম আলী কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির দুই বছরের স্মৃতিমাখা দিনগুলি নিয়ে প্রদীপ্ত সাহা’র লেখা এবং তাহসিন এহসান অহিন ও প্রদীপ্ত সাহা’র সুরে “তাই কাঁদো বন্ধু আজ কাঁদো গানটি হুজাইফা রহমানের কন্ঠে পরিবেশন করেন। এসময় এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রহমতুল্লাহ তূর্য।

  • ভোটে হেরে গেলেও পালিয়ে যাব না: কাদের

    ভোটে হেরে গেলেও পালিয়ে যাব না: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরে গেলেও দেশ থেকে পালিয়ে যাব না।

    তিনি বলেন, আমাদের ভুলত্রুটি থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের রাজনীতি। আমরা মানুষের মধ্যে আছি। তাই ভোটে হেরে গেলেও পালিয়ে যাবে না আওয়ামী লীগ। দেশ ও জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করে যাবে।

    শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন  ওবায়দুল কাদের।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের এ দেশেই জন্ম, এ দেশেই আমরা মরব। যে শপথ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ষড়যন্ত্র মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখন কোথায় নিয়ে যাচ্ছে কেউ জানত না। বঙ্গবন্ধু জেলখানা থেকে বাহিরে পা দিয়ে কুয়াশা ভেজা সকালে একখণ্ড মাটি কপালে ছুঁয়ে বলেছিলেন-এই দেশেতেই জন্ম, আমরা যেন এই দেশেতেই মরি ।

    তিনি আরও বলেন, আমরাও এই মাটির সঙ্গেই আছি। বঙ্গবন্ধুও ছিলেন, তার কন্যা শেখ হাসিনাও আছেন।

    কাদের বলেন, ক্ষমতা আল্লাহর হাতে, জনগণের হাতে। ক্ষমতার দাপট আমরা কোনো দিন দেখাইনি। আমাদের ভুলত্রুটি হতে পারে, এত বড় দল। কিন্তু আমরা অপকর্মকারীকে আনপানিশড যেতে দিইনি।

    এ সময় তিনি নিজ দলের সংসদ সদস্যের কারাগারে থাকার বিষয়টি টেনে বলেন, আমরা ভুল হলে সংশোধন করে নিই। ভুল হলে সংশোধনের সৎ সাহস শেখ হাসিনার আছে।

  • সরকার একতরফা ও ভোটারশূন্য নির্বাচনের পথেই হাঁটছে: রিজভী

    সরকার একতরফা ও ভোটারশূন্য নির্বাচনের পথেই হাঁটছে: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে বিতর্কিত করে তোলা হচ্ছে। এসব নির্বাচনী আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে প্রতীয়মান হয় যে, সরকার একতরফা ও ভোটারশূন্য নির্বাচনের পথেই হাঁটছে।

    আজ শুক্রবার সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্যে করে তিনি আরও বলেন, এখনো সময় আছে, নিজেদেরকে সরকারের ছাতার নিচে থেকে বের করে জনগণের ছাতার তলে আসুন। জনগণের হরণকৃত ভোটারাধিকার ফেরত দেয়ার চেষ্টা করুন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচনের চিন্তা করে থাকেন, তাবে আপনারা রেহাই পাবেন না। অন্যায় বা অবিচারের পন্থা অবলম্বন করলে দেশের সাধারণ মানুষ তা রুখে দিতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

    রিজভী আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর রাষ্ট্রীয় ভবন গণভবনে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের গণভবনে সাক্ষাতকার নিয়েছেন। রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিভিন্ন মন্ত্রী-এমপিদের নিয়ে একতরফা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে খবর এসেছে। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারদের নানা ধরণের নির্দেশনাও দেয়া হচ্ছে।

  • টর্চলাইট দিয়ে খুঁজেও জামায়াতে মুক্তিযোদ্ধা মিলবে না: অর্থমন্ত্রী

    টর্চলাইট দিয়ে খুঁজেও জামায়াতে মুক্তিযোদ্ধা মিলবে না: অর্থমন্ত্রী

    জামায়াত দেশের শত্রু, তাদের দলে কোন মুক্তিযোদ্ধা নেই। দলটিতে দু’একজন মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও অন্ধকারে টর্চলাইট দিয়ে খুঁজেও তাদের পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    শুক্রবার নগরীর টিলাগড় জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    গত বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেছিলেন, ‘কেউ যুদ্ধাপরাধ না করলে তার হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিতে সমস্যা কী? জামায়াতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে।

    এদিকে, গত বৃহস্পতিবার সকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সিলেট-১ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ইনাম আহমদ চৌধুরী বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎ করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইনাম চৌধুরীর সাথে আমাদের তিন প্রজন্মের পারিবারিক সম্পর্ক। ইনামের বাবা চাকুরি শুরু করেন আমার দাদার সাথে। ইনামের বড় ভাই ফারুক চৌধুরী আমার ঘনিষ্ট বন্ধু। ইনামের সাথে সম্পর্ক এতো সহজে কাটবে না। চিরদিনই থাকবে। নির্বাচনে করছে আরেক দলে, তো কি হয়েছে?

    সাক্ষাৎকালে ইনাম চৌধুরীর সাথে রাজনৈতিক কোন আলাপ হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভদ্রভাবে সে অভিযোগ করেছে তার নেতাকর্মীদের পুলিশ হয়রানি করছে। আমি বলেছি, পুলিশের একটি ব্ল্যাক লিস্ট থাকে। সেটা অনুযায়ী তারা অভিযান চালায়, গ্রেফতার করে। এই ব্ল্যাক লিস্ট রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় না। তবে মাঝে মধ্যে ভুল হতে পারে।

    ইনামের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিএনপির অনেকে নেতিবাচকভাবে দেখছে এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা সমালোচনা করছে তাদের মন ছোট। কিন্তু ইনামের মন এতো ছোট নয়।

    এসময় অর্থমন্ত্রীর সাথে ছিলেন তার ছোট ভাই সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. এ কে আবদুল মোমেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আহমদ আল কবীর, মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও সিটি কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

  • মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছে বিএনপি: কামরুল ইসলাম

    মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছে বিএনপি: কামরুল ইসলাম

    জামায়াতেও মুক্তিযোদ্ধা আছে বলে বিএনপি নেতার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। আজ সকালে কেরানীগঞ্জে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

    এসময় মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার, আর উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনা সরকারের কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, নির্বাচনকে বানচাল করতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। নির্বাচনের দিন তারা সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে পারে সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে সজাগ থাকতে হবে।