Category: রাজণীতি

  • নিজেদের কারণেই মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বিএনপি নেতারা: কাদের

    নিজেদের কারণেই মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বিএনপি নেতারা: কাদের

    বিএনপি নেতারা নিজেদের কারণে মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা তাদের ইন্টারনাল বিষয়। আমি যতদূর জানি তাদের মধ্যে দুইজন আছে যারা তাদের কাঙ্ক্ষিত জায়গা (আসন) থেকে মনোনয়ন পায়নি বলে মনোনয়ন জমা দেয়নি। আর মির্জা আব্বাস সময়মতো মনোনয়ন জমা দেয়নি। নির্বাচন কমিশন তাই মনোনয়ন জমা নেয়নি। বিএনপি মনগড়া অভিযোগ করলে তো হবে না।

    তিনি বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) ভেতরে জগাখিচুড়ি অবস্থা বিরাজ করছে। সব নেতারা এখন মির্জা ফখরুলের কন্ট্রোলের বাইরে। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্টও এখন ঐক্যবদ্ধ নয়।

    বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের হয়রানি করা হচ্ছে এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তথ্য-প্রমাণ দিয়ে বলুন, কোথায় কোথায় আপনাদের প্রার্থীকে বাধা দেয়া হচ্ছে। তাহলে নির্বাচন কমিশন তার ব্যবস্থা নেবে। অন্ধকারে ঢিল ছোড়া তাদের পুরানো অভ্যাস।

    জামায়াতের ভেতরও মুক্তিযোদ্ধা আছে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপির দৃষ্টিতে তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। তাদের ব্যাখ্যা বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক নন। তাদের মুক্তিযোদ্ধ তাদের মনগড়া মুক্তিযোদ্ধ।

    বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত শাকিলা ফারজানা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফারজানা কি জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত নয়? ফারজানা যদি জঙ্গি না হয় তাহলে জঙ্গি কে? বিএনপি যাদের মনোনয়ন দিয়েছে তাদের অনেকেই জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত।

    জামাত ছাড়া বিএনপি অচল এমন দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জামাত বিএনপি মিলে একাকার। তারা একসাথে রাজনীতি করছে। দেখুন ২০১৪ সালে সাধারণ মানুষের ওপর যে হামলা চালিয়েছে তার সাথে কি জামাত জড়িত ছিলে না?

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে আসবে আমরাও এটা চাই। কারণ আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চাই। আমরা চাই না একা একা নির্বাচন করতে। কিন্তু যদি নির্বাচনে না এসে বলে- বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনে জয়ী হয়ে গেছে তাহলে হবে না। অবশ্য তারা নির্বাচনে না আসলে তাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে সেটা তারাও জানে।

    জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা জাতীয় প‌ার্টিকে বলেছি- প্রয়োজনে ৩০০ আসনে আপনাদের প্রার্থী দিয়ে দেন। কিন্তু যোগ্য এবং উইনেবল হতে হবে। আমরা যাদের যোগ্য এবং উইনেবল মনে করেছি, তাদের মনোনয়ন দিয়েছি।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট মনে করেছে বাংলাদেশে এই মূহর্তে নির্বাচনের সহায়ক পরিবেশ বিরাজ করছে। তাই তারা নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। এটা তাদের ইন্টারনাল বিষয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহম্মদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুব, উপ দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

  • শামীম ওসমানের আসনে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী

    শামীম ওসমানের আসনে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন নতুন পেক্ষাপট তৈরি হচ্ছে, নানা নাটকীয়তার রূপ নিচ্ছে। আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী শামীম ওসমানের বিপক্ষে বিএনপি ছাড়াও নিজেদের এক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বর্তমান সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নির্বাচনী মাঠ এখন আলোচনার তুঙ্গে।

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন জাতীয় শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউছার আহম্মেদ পলাশ। আওয়ামী লীগ থেকে দলীয়ভাবে শামীম ওসমানকে মনোনয়নের চিঠি দেয়ায় কাউছার আহম্মেদ পলাশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন।

    একই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নের চিঠি পেয়েছে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি মো. শাহআলম ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। তবে বিএনপি দলীয় সাবেক সাংসদ গিয়াসউদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    এলাকাবাসীরা জানান, নির্বাচনের এসব স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করে তাহলে বিএনপির এ আসনের ভোট একাধিক ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। একই ঘটনা আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কাউছার আহম্মেদ পলাশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের এ আসনের ভোট বিভক্ত হয়ে যাবে।

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ২০০৮ সালে সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরীর সাথে হেরে যাওয়া ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম এবার শামীম ওসমানের বিপরীতে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন। এতে সমীকরণে হিসেবে শামীম ওসমানও অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন।তবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাউছার আহম্মেদ পলাশের মনোনয়নপত্র দাখিলে সেই সমীকরণে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির সাবেক সাংসদ গিয়াসের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিলের বিষয়টিও ভোটের সমীকরণে বেশ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

  • মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হিরো আলম

    মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হিরো আলম

    জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলম। বুধবার (২৮ নভেম্বর) বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নন্দীগ্রাম উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও মোছা. শারমিন আখতারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    এর আগে এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্রের ফরম কিনেছিলেন হিরো আলম। তবে জাপার মোট ২২০ মনোনীত প্রার্থীর মধ্যে হিরো আলমের নাম নেই।

    মনোনয়পত্র জমা দেয়ার পর হিরো আলম বলেন, মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। মানুষের সেবা করতেই জাতীয় পার্টি থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম, পাইনি। তাতে আমি থেমে থাকব না। আমি স্বতন্ত্র নির্বাচন করছি।

    হিরো আলম যে আসনে (বগুড়া-৪, কাহালু-নন্দীগ্রাম) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই। আসনটিতে নৌকা প্রতীক পেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) বর্তমান সাংসদ এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন।

    বিএনপি থেকে জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাবেক সাংসদ জিয়াউল হক মোল্লা এবং জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক চেয়ে না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামাল উদ্দিন কবিরাজ।

    এছাড়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির ও কাহালু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, অধ্যাপক আহছানুল হক এবং জাতীয় পার্টির নেতা নূরুল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. ইদ্রিস আলী, তরীকত ফেডারেশনের কাজী এম এ কাশেম এবং এনপিপি নেতা আয়ুব আলী আসনটি থেকে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

  • বিএনপির বিকল্পের পাল্টা জামায়াতের স্বতন্ত্র

    বিএনপির বিকল্পের পাল্টা জামায়াতের স্বতন্ত্র

    বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আসন সমঝোতা হয়েছিল ২৫টিতে। এসব আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করতে হবে। কিন্তু গতকাল ওই ২৫টির বাইরে আরও ২২টি আসনে জামায়াতের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ নিয়ে শেষ মুহূর্তে ২০–দলীয় জোটের এই দুই শরিকের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

    এদিকে যে ২৫ আসন জামায়াতকে দেওয়া হয়েছে, সেগুলোতে বিকল্প প্রার্থী দিয়ে রেখেছে বিএনপি। অবশ্য ওই ২৫টির মধ্যে একটিতে গতকাল জামায়াতের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। ফলে ধানের শীষ প্রতীকের ২৪ জন এবং স্বতন্ত্র ২২ মিলিয়ে জামায়াত মোট ৪৬ আসনে প্রার্থী দিল। অন্যদিকে জামায়াত স্বতন্ত্র হিসেবে যে ১৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, সেগুলো বিএনপি, এর শরিক অন্য দলেরও প্রার্থী আছে।

    জামায়াতের নেতাদের দাবি, তাঁদের চাপে রাখতে সমঝোতা হওয়া আসনগুলোতে বিএনপি বিকল্প প্রার্থী রেখেছে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে জামায়াতও ১৮টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১), প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি তাসনীম আলম (নাটোর-১), নির্বাহী পরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ (সাতক্ষীরা-১), নুরুল ইসলাম বুলবুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩) ও শফিকুল ইসলাম মাসুদ (পটুয়াখালী-২) এবং সাবেক সচিব এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী (কুমিল্লা-৯) অন্যতম।

    সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে বিএনপির কাছে দুটি অনুরোধ রেখেছিল জামায়াত। এক. যে ২৫টি আসনে সমঝোতা হয়েছে, সেগুলোতে যাতে বিএনপির কাউকে মনোনয়ন দেওয়া না হয়। দুই. ওই ২৫ আসনে যেন জামায়াতের দুজনকে মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়, যাতে তাদের মূল প্রার্থী কোনো কারণে বাছাইয়ে বাদ গেলে দ্বিতীয়জন ভোট করতে পারেন। কিন্তু বিএনপি প্রতিটি আসনেই জামায়াতকে একটি করে চিঠি দেয়। পাশাপাশি প্রায় সব কটি আসনেই বিএনপি নিজেদের প্রার্থীও মনোনয়ন দেয়। এ নিয়ে দুই দলের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।

    যদিও বিএনপির একটি সূত্র বলছে, শেষ মুহূর্তে জামায়াতের প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করতে না পারলে বা কোনো কারণে প্রার্থিতা বাতিল হলে ওই আসনটি একেবারে ফাঁকা হয়ে যেতে পারে। এই আশঙ্কা থেকে তারা বিকল্প প্রার্থী দিয়ে রেখেছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে জামায়াত বাড়তি ২২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

    এই বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহম​দ বলেন, ‘এগুলো দর–কষাকষি ও চাপ তৈরির জন্য করা হয়।’ তিনি বলেন, প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। তার আগ পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত বলা যাবে না। আরও অনেক সমঝোতা হবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, কেবল বিকল্প প্রার্থীই নয়; প্রতীক বরাদ্দ নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মৃদু টানাপোড়েন ছিল। শুরুতে জামায়াতের দলীয় সিদ্ধান্ত ছিল স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার। তখন বিএনপির দিক থেকে জামায়াতকে উদ্বুদ্ধ করা হয় ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে। শেষ মুহূর্তে জামায়াত মত বদলায় এবং ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা জানায়।

    কিন্তু মনোনয়নপত্র দাখিলের আগের দিন গত মঙ্গলবার রাতে বিএনপির পক্ষ থেকে জামায়াতকে বলা হয় স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে। এ নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে জামায়াত। পরে একপর্যায়ে জামায়াতকে ২৫টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়।এই বিষয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘এত দিন ওনারাই (বিএনপি) উদ্বুদ্ধ করেছিলেন আমরা যেন ধানের শীষ প্রতীক ​নিই। আমাদের মধ্যে এ বিষয়ে ভিন্ন মত থাকলেও শেষ পর্যন্ত সম্মত হই। কিন্তু বিএনপি মঙ্গলবার রাতে চিঠি ইস্যু করতে এতটা বিলম্ব করে যে আমাদের প্রার্থীদের চিঠি নিয়ে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় আমরা সন্ধ্যায় আমাদের প্রার্থীদের বার্তা দিয়েছি, তাঁরা যেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।’ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, চূড়ান্তভাবে সমঝোতা হলে দুপক্ষই বাড়তি প্রার্থীদের প্রত্যাহার করে নেবে।

    যে ২৫ আসনে সমঝোতা
    বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতা হয় ঠাকুরগাঁও-২ (আবদুল হাকিম), দিনাজপুর-১ (মোহাম্মদ হানিফ), দিনাজপুর-৬ (আনোয়ারুল ইসলাম), নীলফামারী-২ (মনিরুজ্জামান), নীলফামারী-৩ (আজিজুল ইসলাম), গাইবান্ধা-১ ( মাজেদুর রহমান সরকার), সিরাজগঞ্জ-৪ (রফিকুল ইসলাম খান), পাবনা-৫ (ইকবাল হুসাইন), ঝিনাইদহ-৩ (মতিউর রহমান), কুমিল্লা-১১ (সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের), কক্সবাজার-২ (হামিদুর রহমান আজাদ), চট্টগ্রাম-১৫ (শামসুল ইসলাম), যশোর-২ (আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন), বাগেরহাট-৩ (আবদুল ওয়াদুদ), বাগেরহাট-৪ (আবদুল আলীম), খুলনা-৫ (মিয়া গোলাম পরওয়ার), খুলনা-৬ (আবুল কালাম আযাদ), সাতক্ষীরা-৩ (রবিউল বাশার), সাতক্ষীরা-২ (আবদুল খালেক), সাতক্ষীরা-৪ (গাজী নজরুল ইসলাম), পিরোজপুর-১ (শামীম সাঈদী), সিলেট-৫ (ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী), সিলেট-৬ (হাবিবুর রহমান), ঢাকা-১৫ (শফিকুর রহমান) ও রংপুর-৫ আসনে (গোলাম রব্বানী )।

    এর মধ্যে রংপুর-৫–এ গোলাম রব্বানী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি উপজেলা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন।
    গোলাম রব্বানীর আইনজীবী বায়েজিদ ওসমানী বলেন, তাঁরা চেষ্টা করেও মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি।

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের দাবি করেন, পুলিশ ও প্রশাসনের বাড়াবাড়ির কারণে রংপু​র–৫ আসনে গোলাম রব্বানী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। তাঁরা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

    জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। গত ২৮ অক্টোবর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাই দল হিসেবে জামায়াতের নির্বাচন করার সুযোগ নেই।

  • সাদেক হোসেন খোকার ছেলে-মেয়েকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    সাদেক হোসেন খোকার ছেলে-মেয়েকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    সম্পদের তথ্য-বিবরণী দাখিল না করার মামলায় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন ও মেয়ে সারিকা সাদেকের আগাম জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাদের দু’জনকে আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    অবশ্য আদালত বলেছে, আত্মসমর্পণ করে তারা জামিনের আবেদন করলে আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালত বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে।

    প্রসঙ্গত, ইশরাক হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

    এর আগে, বুধবার একটি একটি দুর্নীতি মামলায় ইশরাকের বাবা সাদেক হোসেন খোকার ১০ বছরের সাজার রায় দেন আদালত। যদিও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সাদেক হোসেন কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

    প্রসঙ্গত, সম্পদের তথ্য-বিবরণী চেয়ে ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ইশরাক হোসেন ও সারিকা সাদেককে আলাদা নোটিশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন। কিন্তু তারা তা না দেওয়ায় ২০১০ সালের ২৯ ও ৩০ আগস্ট রমনা থানায় দুটি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। দুদক সম্প্রতি অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়ায় ইশরাক ও সারিকা আগাম জামিনের আবেদন জানান।

  • বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন কারাগারে

    বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন কারাগারে

    বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের মামলায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও নরসিংদী-১ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির খোকনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে নরসিংদী জেলা ও দায়রা জজ আতিবুল্লাহ এ আদেশ দেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদী মডেল থানায় নরসিংদী জেলা বিএনপি সভাপতি খায়রুল কবির খোকনসহ ৩৪ জনকে আসামি করে এই মামলা করা হয়। পরে ২৭৩ জনকে আসামি করে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

    ওই মামলায় আজ খায়রুল কবির খোকন ও জেলা যুবদলের সভাপতি মহসীন হোসেন বিদ্যুৎ আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। বিচারক মহসীন হোসেন বিদ্যুতের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে খায়রুল কবির খোকনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    উল্লেখ্য, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী-১ আসনে বিএনপি দলীয় একক প্রার্থী হিসেবে গতকাল বুধবার মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

  • বরিশালে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মারামারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে

    বরিশালে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মারামারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে

    বরিশাল (সদর)-৫ আসনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরিশাল (সদর)-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার মনোনয়নপত্র জমা দিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের কার্যালয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ছিলেন।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুনের সঙ্গে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাঈদ চৌধুরীর ধাক্কা লাগে। এনিয়ে তাদের মধ্যে বাদানুবাদের একপর্যায়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুনের পক্ষ নিয়ে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী ও ছাত্রদল নেতা রাহতসহ ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী সাঈদ চৌধুরী ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনদের বেদম মারধর করে। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ও বিএনপির সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি শান্ত করেন।

    মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাঈদ চৌধুরী জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন ও জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করেন। প্রতিবাদ করলে তারা মারধর শুরু করেন। এ ঘটনায় মাসুদ হাসান মামুন ও সোহেল রাঢ়ী ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করবেন বলে জানান অ্যাডভোকেট সাঈদ চৌধুরী।

    জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী জানান, সাঈদ চৌধুরী সিনিয়র নেতা সম্পর্কে কটূক্তি করছিল। এ কারণে ছাত্রদলের জুনিয়র কয়েকজন তাকে কিল-ঘুষি মেরেছে।

    মহানগর পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার সহকারী কমিশনার (এসি) মো. রাসেল জানান , বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন এবিএম মোশাররফ হোসেন, নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্ঘন না করার অঙ্গীকার

    মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন এবিএম মোশাররফ হোসেন, নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্ঘন না করার অঙ্গীকার

    মোঃ আবু হানিফ খান:

    আজ উৎসব মুখর পরিবেশে ১১৪-পটুয়াখালী-৪, (কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও মহিপুর) সংসদীয় আসনে মনোনায়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটপ্রার্থী। মনোনায়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় সহকারী রির্টানিং অফিসার ও কলাপড়া নির্বাহি অফিসারের কাছে মনোনায়নপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও কলাপাঠা উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব এবিএম মোশাররফ হোসেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক হাজী হুমায়ুন সিকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির আহবায়ক জনাব মোঃ আঃ আজিজ মুসুল্লি, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি উপাধ্যাক্ষ নুর বাহাদুর তালুকদার, কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান টুটু বিশ্বাস এবং রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি শামীম মাষ্টার।

    এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর রহমান নির্বাচনী আচরন বিধি মালার বই তুলে দেন বিএনপি নেতা-কর্মীদের হাতে। আর এ বই হাতে পেয়ে এবিএম মোশাররফ হোসেনসহ বিএনপি দলীয় নেতা-কর্মীরা নির্বাচনী আচরন বিধির লঙ্ঘন না করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী দল জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষে প্রতিক নিয়ে বিপুল জয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।

  • গোরস্থান মসজিদ নির্মানে সহযোগিতার চেক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    গোরস্থান মসজিদ নির্মানে সহযোগিতার চেক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    অনলাইন ডেক্স:

    মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মাধ্যমে বিসিসিতে বরাদ্ধকৃত অর্থ থেকে নগরীর গোরস্থান মসজিদ নির্মানের সহযোগিতার চেক মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এ সময় বরিশাল গোরস্থান আন্জুমানের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, মাহাবুব উদ্দিন আহম্মেদ,বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান,সাইদুর রহমান রিন্টু,২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইদ মান্না সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্যেক্ষ্য,হাসানাত আবদুল্লাহ্ বরিশাল আন্জুমান গোরস্থানের পুরাতন  জরাজীর্ন মসজিদ টি ভেঙ্গে পুনরায়,আধুনিক ও উন্নত মানের বৃহৎ আকারের নতুন গোরস্থান মসজিদ নির্মানে সর্বাত্তক সহযোগিতা করে আসছেন।

  • বরিশাল সদর-৫ আসনে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন কর্ণেল (অব:) জাহিদ ফারুক ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সদর-৫ আসনে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন কর্ণেল (অব:) জাহিদ ফারুক ও মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    অনলাইন ডেক্স:

    আজ বরিশাল জেলা প্রশাসকরে কার্যালয়ে,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সদর-৫ আসনের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী কর্ণেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এডভোকেট তালুকদার মো: ইউনুছ, জেবুন্নেছা আফরোজ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মনিরুল ইসলাম ছবি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।