Category: রাজণীতি

  • নির্মানাধীন শহীদ আ:রব সেরনিয়াবাত আইনজীবী সমিতি ভবন পরিদর্শনে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নির্মানাধীন শহীদ আ:রব সেরনিয়াবাত আইনজীবী সমিতি ভবন পরিদর্শনে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্মানাধীন শহীদ আব: রব সেরনিয়াবাত ভবন পরিদর্শন করছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সদর-৫ আসনের নৌকার প্রার্থী কর্ণেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম ও বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড্যা: ওবায়েদ উল্লা সাজু সহ অন্যান্য আইনজীবী নেতৃবৃন্দ।

  • ২১তম পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস উপলক্ষে প্রস্ততি সভায় প্রধান অতিথি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    ২১তম পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস উপলক্ষে প্রস্ততি সভায় প্রধান অতিথি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    আগামী ২রা ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্দেগে এক প্রস্ততিমূলক অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে,পার্বত্য এলাকার রক্তক্ষয়ী সংঘাত,সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে দেশের অখন্ডতা রক্ষা ও পাহারে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির দেড় যুগের বেশি সময় পার হয়েছে, ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির সফল রূপকার জননেন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে শভেচ্ছা ও অভিন্দন জানান এবং ২১তম পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস ২০২৮ প্রতি বছরের ন্যায়  এবারও সফল ভাবে আয়োজন করা হবে।দলীয় সকল নেতাকর্মীকে ২রা ডিসেম্বার পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবসে অনুষ্ঠান সফল করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহনের নির্দেশ দেন।

    এসময় সভায় অন্যান্য মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এড্যা: একেএম জাহাঙ্গীর, তালুকদার মো: ইউনুছ এমপি ও বরিশাল সদর-৫ আসনের নেীকার প্রার্থী কর্ণেল অেব:) জাহিদ ফারুখ শামীম সহ মহানগর আওয়ামীলীগের  নেতাকর্মী বৃন্দু।

  • উন্নত চিকিৎসা শেষে বরিশালে নিজ গৃহে ফিরছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফারুক হুমায়ুন

    উন্নত চিকিৎসা শেষে বরিশালে নিজ গৃহে ফিরছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফারুক হুমায়ুন

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    দীর্ঘদিন পরে হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসা নিয়ে আজ শুক্রবার বরিশালে ফিরেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর কমান্ডের তথ্য ও গবেষণা কমান্ডার ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফারুক হুমায়ুন।

    গত সেপ্টেম্বর মাসের 8 তারিখ ইমপালস হসপিটালে এনজিও গ্রাম সম্পন্ন হয় এনজিওগ্রাম শেষে তার মাল্টিপল ব্লক ধরা পড়ে ডাক্তার দ্রুত সময়ের মধ্যে ওপেন হার্ট সার্জারি করার পরামর্শ দেন। ২৬ তারিখ ঢাকার ইব্রাহিম কার্ডিয়াক সেন্টারে ডাক্তার মাসুম সিরাজের তত্ত্বাবধানে ওপেন হার্ট সার্জারি করেন, তার ছেলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের বরিশাল জেলা শাখার সদস্য সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির রিজন।

    বাংলার মুখ টুয়েন্টি ফোর প্রতিবেদককে জানান, আমার অসুস্থ বাবা ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ নিজে হসপিটালে এসে আমাদের পরিবারের প্রতি সার্বিক সাহায্য সহোযোগিতা ও হসপিটালে কর্তব্য-রত ডাক্তারদের কাজ থেকে সার্বক্ষ্নিক আমার বাবার চিকিৎসার খোজ খবর নিয়েছেন এবং আমার অসুস্থ বাবার জন্য বরিশালে দোয়া প্রার্থনার আয়োজন করেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ভাই।

    আমাদের পরিবারের এই দুঃসময়ে সর্বদা পাশে থাকার জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর প্রতি আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আমার বাবার সুস্থতা কামনা করে বরিশালের জনগন দোয়া করেছেন,তাদের প্রতি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।

    আজ বৃহস্পতি বার ঢাকা হইতে লন্চ যোগে বরিশালে রওয়ানা হয়েছেন,৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফারুক হুমায়ুন ও তার পরিবার বর্গ।

  • মনোনয়ন দাখিল’ আওয়ামী লীগের ২৬৪, বিএনপির ২৯৩

    মনোনয়ন দাখিল’ আওয়ামী লীগের ২৬৪, বিএনপির ২৯৩

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবগুলো দলই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৬৪ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ২৯৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। আর জাতীয় পার্টি প্রার্থী দিয়েছে ২১০ আসনে।

    ৩ হাজার ৬৭ প্রার্থী মনোননয়পত্র দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এদের মধ্য দলগুলোর প্রার্থী ২ হাজার ৫৬৯ জন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪৯৮ জন।

    দলগুলো প্রার্থীর সংখ্যা:

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (নৌকা): ২৮১ জন
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি (ধানের শীষ): ৬৯৬জন
    জাতীয় পার্টি-জাপা (লাঙ্গল): ২৩৩ জন
    জাতীয় পার্টি-জেপি (বাইসাইকেল): ১৭ জন
    বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি (কাস্তে): ৭৭ জন
    বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মই): ৪৯জন
    জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (মশাল): ৫৩ জন
    গণফোরাম (উদীয়মান সূর্য): ৬১ জন
    বিকল্পধারা বাংলাদেশ (কুলা): ৩৭জন
    জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (তারা): ৫১ জন
    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা): ২৯৯ জন
    বাংলাদেশ খেলাফল আন্দোলন (বটগাছ): ২৬ জন
    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (গামছা): ৩৭জন
    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (ছাতা): ১৫ জন

    বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল-এমএল (চাকা): ৩ জন
    গণতন্ত্রী পার্টি (কবুতর): ৮ জন
    বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (কুড়েঘর): ১৪ জন
    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ি): ৩৩ জন
    জাকের পার্টি (গোলাপ ফুল): ১০৮ জন
    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি (গরুর গাড়ি): ১১ জন
    বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন (ফুলের মালা): ২০ জন
    বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (হারিকেন): ৪৯জন
    ন্যাশনাল পিপলস পার্ট(আম): ৯০ জন
    জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (খেঁজুর গাছ): ১৫ জন
    গণফ্রন্ট (মাছ): ১৬ জন
    প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল-পিডিপি (বাঘ): ১৬ জন
    বাংলাদেশ ন্যাপ (গাভী): ৪ জন
    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (কাঁঠাল): ১৩ জন
    ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার): ২৮ জন
    বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি): ৫ জন
    ইসলামী ঐক্যজোট (মিনার): ৩২ জন
    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিম (রিকশা): ১২ জন
    বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (মোমবাতি): ২১ জন
    জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা (হুক্কা): ৬ জন
    বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি (কোদাল): ৩০জন
    খেলাফত মজলিশ (দেয়ালঘড়ি): ১২ জন
    বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল (হাতপাঞ্জা): ১৭ জন
    বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (ছড়ি): ১ জন
    বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ (টেলিভিশন):৭১ জন।

  • বরিশালে প্রশাসন রদবদলের দাবি বিএনপি প্রার্থীর

    বরিশালে প্রশাসন রদবদলের দাবি বিএনপি প্রার্থীর

    বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনের বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর শ্রমিক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি প্রার্থী মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ।সংবাদ সম্মেলন থেকে বরিশালের প্রশাসনের রদবদলের দাবি জানানো হয়।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বরিশাল নগরীর সদর রোড অশ্বিনী কুমার হল চত্বর সংলগ্ন বিএনপি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনের বিএনপি প্রার্থী উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ।

    তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পথে আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। কয়েক দফার হামলায় বিএনপির ১৩ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারজন ভর্তি রয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসিকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পুলিশ প্রশাসনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

    বিএনপি প্রার্থী মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ বলেন, বরিশাল-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঙ্কজ নাথ ভোটের মাঠে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভয় দেখাতে প্রশাসনকে ব্যবহার করছেন।

    এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। এ কারণে বরিশালের প্রশাসন রদবদলের দাবি জানাই।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারসহ মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজাকার ও আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভোট চাইতে হবে কেন? :শামীম ওসমান

    রাজাকার ও আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভোট চাইতে হবে কেন? :শামীম ওসমান

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান নাসিক ৫ নং ওয়ার্ডে এক পথসভায় যুবকদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে জেগে উঠার এখনই সময়। যুবকরা তোমরা জেগে উঠো। তোমরা জেগে উঠলে এই সমাজ জেগে উঠবে। এখনই তোমাদের যুদ্ধে নামতে হবে। এখনই তোমাদের মিছিলে যেতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধীদের বিপক্ষে যারা আছে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে হবে। তোমাদের মুরুব্বীরা কি তোমাদের ইতিহাস শোনায়নি। কিভাবে ওই রাজাকার, আলবদররা চোখের সামনে আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত লুটেছে? কিভাবে ছেলের সামনে বাবাকে আর বাবার সামনে ছেলেকে গুলি করে মেরেছে। যদি সঠিক ইতিহাস জেনে থাকো তাহলে তোমাদের উচিত ওইসব দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা।

    এতো বড়ো অপরাধ করে তারা কিভাবে আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখে। আমি কাদের বিরুদ্ধে ভোট চাইবো? তাদের বিরুদ্ধে? কেনো? ওইসব রাজাকারদের বিরুদ্ধে কেনো ভোট চাইতে হবে?

    আজ বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) নাসিক সিদ্ধিরগঞ্জের ৫ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ আজিবপুর এলাকায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, যারা ক্ষমতায় যাবার জন্য আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে। যারা ক্ষমতায় আসার জন্য স্কুলে আগুন দেয়। এমনকি বোবা প্রাণি গবাধি পশুও তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করে। তাদের বিরুদ্ধে কেনো ভোট চাইতে হবে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ভোট চাইবো না। আর আমি আপনাদেরও বলছি, আল্লার দোহাই লাগে যদি আপনাদের মনে হয় আমি সহি না, তাহলে আপনারাও আমার জন্য ভোট চাইবেন না।

    আর যদি মনে হয় আমি আপনাদের জন্য সহি। কাজ করেছি তাহলে উচিত হবে আমার হয়ে আপনারা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চাইবেন। কাকে ভোট দিবেন এটা আপনাদের চয়েজ। যারা উন্নয়নের কাজ করে তাদের ক্ষমতায় আনবেন নাকি যারা ধ্বংসলীলা চালায় তাদের। যার হাত ধরে আজকে দেশ দরিদ্র রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যার হাত ধরে দেশের জিডিবির হার বেড়েছে। তাকেই এই দেশে আবার নির্বাচিত করতে হবে।

    এসময় শামীম ওসমানের সাথে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাষ্টার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, বিলুপ্ত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক আব্দুল মতিন প্রধান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, নাসিক ১০নং কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও নাসিক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসান, জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হাজী সুমন কাজী, নারায়ণগঞ্জ জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মন্ডল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শারমিন শাকিল মেঘলাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এদিকে উঠান বৈঠকের শুরুতে শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান বলেন, আমি এই প্রথম আমার নানি বাড়ি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলাম। আপনারা আমার বাবার জন্য এবং আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

  • মালয়েশিয়ায় ২৫০ বাংলাদেশির ‘সেকেন্ড হোম’

    মালয়েশিয়ায় ২৫০ বাংলাদেশির ‘সেকেন্ড হোম’

    মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়ার কর্মসূচি ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ)’ অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৫০ জন সেখানে বাড়িও কিনেছেন। ওই প্রকল্পে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা যেমন তৃতীয় অবস্থানে আছেন, তেমনি বাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও একই অবস্থানে তাঁরা।

    মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। দেশটি বিভিন্ন সময় মোট কতজন বিদেশি নাগরিক দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তা প্রকাশ করলেও বাড়ি কেনার তথ্য এই প্রথম প্রকাশ করল। এতে দেখা যায়, চীন ও যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোক সেখানে বাড়ি কিনেছেন।

    বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাড়ি কেনার কোনো সুযোগ নেই। এ দেশের যাঁরা সেখানে বাড়ি কিনেছেন, তাঁরা মূলত টাকা পাচার করেছেন।

    মালয়েশিয়া সরকার ২০০২ সালে দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচি চালু করে। এর আওতায় মালয়েশিয়ার ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রেখে অন্য দেশের একজন নাগরিক দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও অন্যান্য সুবিধা পান। তাঁরা সেখানে বাড়িও কিনতে পারেন। যদিও মালয়েশিয়ায় সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়েছে যে বিদেশিরা সেখানে প্রচুর বাড়ি কিনে ফেলছেন।

    মালয়েশিয়ার স্থানীয় সরকার ও গৃহায়ণ উপমন্ত্রী রাজা কামারুল বাহরিন শাহ রাজা আহমাদ ১ নভেম্বর দেশটির সংসদে জানান, মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের মোট ৪ হাজার ৪৯৯ জন নাগরিক বাড়ি কিনেছেন। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাগরিকেরা। তাঁরা কিনেছেন ১ হাজার ৬৬৪টি বাড়ি। এর পরের অবস্থান যুক্তরাজ্যের, সেখানকার নাগরিকেরা কিনেছেন ৩৫৭টি। আর তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পরেই আছে যথাক্রমে ইরান (২১৭টি), জাপান (২০৮টি), পাকিস্তান (১৯২টি), সিঙ্গাপুর (১৭৫টি), অস্ট্রেলিয়া (১৪৭টি), দক্ষিণ কোরিয়া (১২৭টি) ও যুক্তরাষ্ট্র (১১৫টি)। বাড়ি কেনা বাবদ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা সেখানে কত অর্থ ব্যয় করেছেন, তা উল্লেখ করেননি মালয়েশীয় মন্ত্রী।

    মোট বাংলাদেশি ৩৭৪৬ জন
    দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে বাংলাদেশিরা অংশ নেওয়া শুরু করেন ২০০৩ সাল থেকে। মালয়েশীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ৩২ জন বাংলাদেশি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশি এতে অংশ নিয়েছেন। অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ বাড়ি কিনেছেন, সেই সংখ্যা ২৫০।

    আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই বছর ১০০ জনের কম করে বাংলাদেশি দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নেন। এরপর থেকে সংখ্যাটি ২০০ জনের ওপরে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছিলেন ২০১২ সালে, ৩৮৮ জন। প্রকাশিত তথ্য থেকে দেখা যায়, নির্বাচনের আগের বছরগুলোতে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে যায়। ২০১৫ সালে যেখানে ২০৫ জন বাংলাদেশি এ সুবিধা নিয়েছেন, সেখানে ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৩ জনে। সর্বশেষ প্রকাশিত ২০১৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত হিসাবে আট মাসে মালয়েশিয়া দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছেন ২৫৩ জন বাংলাদেশি।

    পাচারে কারা, খোঁজ নেই
    মালয়েশিয়ায় কারা টাকা পাচার করছেন, তা নিয়ে দেশের বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেও কার্যত কোনো ফল দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশে বিভিন্ন মেলায় অংশ নিয়ে এবং পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন দেশে নাগরিকত্ব নিতে আগ্রহীদের খোঁজা হয়।

    দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সরকার চাইলে মালয়েশীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশিদের তথ্য পেতে পারে। কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এটা দুঃখজনক।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে সই করেছে। এর আওতায় তথ্য চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা টাকা কিন্তু সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত আনা হয়েছিল। একজনের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্যদের ক্ষেত্রে কেন নয়?

  • ড. কামাল তারেক জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী করতে চাচ্ছেন

    ড. কামাল তারেক জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী করতে চাচ্ছেন

    তরুণ প্রজন্মকে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বক্তারা বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বিএনপি জামায়াতের মুখপাত্র হয়ে ড. কামাল মাঠে নেমেছেন। তিনি নাকি দেশ বাঁচাতে ঐক্যফ্রন্ট করেছেন! জাতি জানতে চায়, তিনি কার হাত থেকে দেশ বাঁচাতে চান? মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির হাত থেকে?

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়নকারী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত থেকে? তিনি কার কাছে দেশ তুলে দিতে চান- রাজাকারদের পৃষ্ঠাপোষক ও দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত তারেক, খালেদার হাতে? আসলে তিনি তারেক জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী করতে চাচ্ছেন। এরচে লজ্জার আর কিছু নাই। জনগণ ও তরুণ সমাজকে তিনি বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছেন।

    কিন্তু এ দেশের তরুণরা তা হতে দেবে না। তরুণরা কী করতে পারে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে। এবারও তরুনরা আওয়াজ তুলেছে, তারুণ্যের প্রথম ভোট মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে হোক।
    রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সম্প্রতি বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘আসন্ন নির্বাচন: তরুণ প্রজন্মের ভাবনা’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসমব কথা বলেন।

    ‘পথ হারাবে না বাংলাদেশ’ সিরিজ কর্মসূচির এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্প্রতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. নুজহাত চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবিব, সাবেক রাষ্টদূত ও সচিব এ কে এম আতিকুর রহমান, কালের কন্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, চলচ্চিত্র নায়ক ফেরদৌস, গবেষক ও কলামিস্ট সুভাস সিংহ রায়, বিএমএ নেতা প্রফেসর ডা. মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর ডা. ইফতেখার আলম অনন্ত, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সারিতা মিল্লাত,  ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা বরুণ ভৌমিক নয়ন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ নেতা মতিউর রহমান লাল্টু, ইয়ংম্যানস ক্রিশ্চিয়ান এসোসিয়েশনের সভাপতি উইলিয়াম প্রলয় সমাদ্দার, ছাত্রলীগ লীগ সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী, নন্দন হাসান প্রিয়, ইশতিয়াক আহমেদ তানভীর, জান্নাতুল নাইম সিম্মিসহ সদ্য ভোটার হওয়া একঝাঁক তরুণ। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, কবি ও সাংবাদিক আলী হাবিব।

    সাবেক সচিব আতিকুর রহমান বলেন, বিএনপির কোন সদস্য যাতে কোন আসনে (নির্বাচিত হয়ে) আসতে না পারে তরুণ সমাজকে তা দেখতে হবে। মনে রাখতে হবে যুদ্ধাপরাধ ও স্বাধীনতা বিরোধীতার কারণে জামায়াতের প্রতিটি সদস্য নির্বাচনের অযোগ্য। শুনেছি বিএনপি থেকে জামায়াতের ২৫জন সদস্য মনোনয়ন পেয়েছে। তাই দেখতে হবে আসলে মনোনয়ন কী জামায়াত পাচ্ছে না বিএনপি?

    চিত্র নায়ক ফেরদৌস বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পিছনেও সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল তরুণদের। এবারও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দাঁড়িয়েছে এই তরুণ সমাজ। আওয়াজ একটাই তারুণ্যের প্রথম ভোট মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে হোক।

    পীযূষ বন্দোপাধ্যায় বলেন, আজকে আমরা তরুণদের কথা শুনতে চেয়েছি, শুনেছি। এরা সবাই এবার প্রথম ভোটার হয়েছে। এখানে দেখলাম সত্যকে সত্যই বলা হয়েছে। সাদাকে সাদা কালোকে কালোই বলা হয়েছে। আলোচনা অন্য দিকেও যেতে পারতো হতে পারতো হয়নি, যায়নি। এজন্যই বলি বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মিত হয়েছে যে তরুণদের হাতে, সে দেশের তরুণরা ভুল করতে পারে না, ভুল করবে না। এসময় তিনি তরুণদরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথে ও শেখ হাসিনার উন্নয়নের পথে যুক্ত থাকতে হবে, যুক্ত রাখতে হবে।

    মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী বলেন, একটি ভোট শুধু একটি সরকার বদল করে না, সেই সঙ্গে একটি জাতির গতিপথ পরিবর্তন করে দিতে পারে। সম্মুখ যাত্রার পথও রুদ্ধ করে দিতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে হিটলারও জনগণের ম্যান্ডেড নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তার পরিণতি কী হয়েছিল গোটা বিশ্ব জানে। সুতরাং ভোটের ক্ষমতা তরুণ প্রজন্মকে অনুধাবন করতে হবে। পূর্ব পুরুষের রক্তের প্রতি অনুগত থেকে ভোট দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আজীবন থাকতে হবে।

    তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে ১০ কোটি ৪১ লাখ ভোটারের মধ্যে নতুন ভোটার ৪৩ লাখ। আর ১৮ থেকে ২৮ বছর পর্যন্ত তরুণ ভোটারের সংখ্যা ২ কোটি ১৫ লাখ। যা মোট ভোটারের ২০.৬৫ শতাংশ। নির্বাচনের মাপকাঠিতে এটা একটা বিশাল অংক। এই তরুণ সমাজ কী ভাবছে দেশের ভবিষ্যতের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    শহীদ ডা. আবদুল আলিম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত আরো বলেন, একজন শহীদের সন্তান হিসেবে আমি আশা করি যুদ্ধাপরাধীদের দল বা তার সহযোগীদের বাক্সে নিজের পবিত্র আমানত, হাতের ভোটটি তারণ্য তার রক্তের সাথের ঋণের সাথ বেঈমানি করবে না। আমার ভোট আমি দেবো মুক্তিযদ্ধের পক্ষে দেবো বা তরুণ ভোটার প্রথম ভোট স্বাধীনতার পক্ষে হোক।

  • দণ্ড স্থগিত হলে ব্যক্তি নির্বাচন করতে পারবে: হাইকোর্ট

    দণ্ড স্থগিত হলে ব্যক্তি নির্বাচন করতে পারবে: হাইকোর্ট

    বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজা কিংবা দণ্ড হাইকোর্টে স্থগিত হলে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আদেশের ফলে, সম্পদের গরমিল তথ্য দুদকে দেয়া সংক্রান্ত মামলায় দণ্ড স্থগিত চেয়ে করা আবেদনকারী সাবিরা সুলতানার নির্বাচনে প্রার্থী হতে কোনো বাধা নেই।

    সেই সঙ্গে এই আদেশের ফলে, এখন থেকে হাইকোর্টে কারও দণ্ড স্থগিত করার পর প্রার্থীর নির্বাচন করতে আর কোনো বাধা নেই।

    ঝিকরগাছা উপজেলার চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানার সাজা ও দণ্ড স্থগিত করে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

    আদালতে সাবিরা সুলতানার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। তার পক্ষে ছিলেন, এজে মোহাম্মদ আলী, আমিনুল ইসলাম ও এসকে গোলাম রসুল। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এবিএম বায়েজিদ।

    পরে আমিনুল ইসলাম জানান, সাবিরা সুলতানার দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন জানালে আপিল বিভাগ তা নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টের একক বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। শুনানি নিয়ে আদালত আদেশ দেন।

    আদেশে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ (১) ধারা এবং সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে সাবিরা সুলতানার সাজা ও দণ্ড স্থগিত করেন। এখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে তার আর কোনো বাধা থাকলো না।

    আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেছেন, কোনো ব্যক্তির দণ্ড আপিল বিভাগে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার সাজা বা দণ্ড চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না। তবে আপিল চলাকালে তার সাজা বা দণ্ড স্থগিত হলে তিনি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন না। বিচারিক আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তির সাজা কিংবা দণ্ড স্থগিত করার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে বলেও পর্যবেক্ষণে বলা হয়।

    এই আদেশের পর থেকে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান তারা হাইকোর্টে সাজা বা দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে জানান অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

    তবে এর আগে গত ২৮ নভেম্বর বিচারিক আদালতে কোনো ব্যক্তি ২ বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্ত হলে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না বলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে বিচারিক আদালতের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দণ্ড স্থগিত করা হলে কিংবা আপিল চলাকালে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দণ্ড স্থগিত কিংবা বাতিল হলে ওই ব্যক্তির নির্বাচনে অংশ নিতে কোন বাধা থাকবে না।

    এর ফলে হাইকোর্টের দুইটি পৃথক বেঞ্চ সাজা বা দণ্ড স্থগিত নিয়ে পৃথক পর্যবেক্ষণ দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন কোন আদেশ অনুসরণ করবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, যাদের ক্ষেত্রে আদালত ইতোমধ্যে দণ্ড স্থগিত করেনি তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে আজকের এই আদেশের পর যারা এই আদেশের আলোকে হাইকোর্টে দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করবেন তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

    এর আগে মিথ্যা তথ্য ও জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানাকে গত ১২ জুলাই ঢাকার বিশেষ আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম দুর্নীতি দমন আইন ২০০৪ সালের ২৬ (২) ধারায় তিন বছর ও ২৭ (১) ধারায় তিন বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন।

    একইসঙ্গে দুটি ধারায় পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি পৃথক দুই ধারায় তাকে দেওয়া ৩ বছরের সাজা একসঙ্গে চলবে বলেও আদেশ দেন আদালত। রায়ে সাবিরা সুলতানার ১ কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও আদেশ দেওয়া হয়।

    এরপর গত ১৭ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন তিনি। আদালত শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর এ মামলায় তিনি গত ৬ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন।

    পরে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে সাবিরা সুলতানা তার সাজা ও দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন জানালে তার শুনানি গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। এরপর নিয়ম অনুসারে মামলাটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি মামলাটি বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ পাঠিয়ে দেন। যার ধারাবাহিকতায় এ মামলার শুনানি নিয়ে (তিনি) সাবিরা সুলতানার সাজা ও দণ্ড স্থগিত করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সাজা বা দণ্ড স্থগিত করলে বিচারিক আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে পর্যবেক্ষণ দেন হাইকোর্ট।

    প্রসঙ্গত, মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৪ মে সাবিরা সুলতানা তার ৫৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা সম্পদের হিসাব জমা দেন দুদকে। পরবর্তী সময়ে দুককের অনুসন্ধানে দেখা যায় ৪৫ লাখ টাকার সম্পদের বিষয়ে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়াসহ ১ কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকার সম্পত্তি অসাধু উপায়ে অর্জন করেছেন সাবিরা সুলতানা। যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

    ওই ঘটনায় গত ২০১০ সালের ২০ জুলাই সৈয়দ আহমেদ (দুদকের সহকারী পরিচালক) বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর ওই বছর ২৫ জুলাই ৯ জনকে সাক্ষী করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

  • সিইসির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    সিইসির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অ্যালিসন ব্লেইক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যান। সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে দুপুর সোয়া ১২টায় ইসি থেকে বের হয়ে যান তিনি। তবে এ সময় মিডিয়ার সাথে কথা বলেননি ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

    ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এর আগে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা, ২ ডিসেম্বর বাছাই এবং ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

    jagonews

    এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। এজন্য নির্বাচনী পর্যবেক্ষক মিশনও পাঠাবে না সংস্থাটি। গত মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ডেমোক্রেসি সাপোর্ট ও ইলেকশন কোঅর্ডিনেশন গ্রুপের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

    বুধবার (২৮ নভেম্বর) ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ শেষে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক পর্যবেক্ষক আসবেন। আমরা বলেছি পর্যবেক্ষকরা যেখানে যাবেন তাদের নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তালিকা চেয়েছি। তারা আগে থেকে তালিকা দিয়ে জানাবেন, কোথায় কি কি কাজ করবেন।