Category: রাজণীতি

  • ড. কামাল হোসেন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না

    ড. কামাল হোসেন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না

    ঢাকা–৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতা সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, ড. কামাল হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছে না। আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিজের মনোনয়ন ফরম জমা দেন সুব্রত চৌধুরী।

    গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমরা দিন দিন হতাশার দিকে যাচ্ছি। ইসির আচরণের মনে হচ্ছে, তারা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করতে যাচ্ছে। তারা ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচনের মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। আমরা ঐক্যফ্রন্ট গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনী জোয়ার তৈরি করেছি।

    জামায়াত প্রসঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের নেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, তিনি জামায়াত দেখেন না। জামায়াত যাঁরা, তাঁরা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

  • আরবান ম্যানেজমেন্ট… প্রজেক্টের সভায় বক্তব্য রাখেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    আরবান ম্যানেজমেন্ট… প্রজেক্টের সভায় বক্তব্য রাখেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    অনলাইন ডেক্স:

    আজ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন সম্মেলন কক্ষে,আরবান ম্যানেজমেন্ট অফ ইন্টারন্যাল মাইগ্রেশন ডিউ টু ক্লাইমেট চেইন্জ প্রজেক্টের আওতাধীন ফেসিবিলিটি স্টাডি ডাটা ফাইন্ডিংস সেয়ারিং সভা অনুষ্ঠিত হয়,উক্ত সভায় মূল্যবান দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম

    আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম

    অনলাইন ডেক্স:

    পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন, বরিশাল সদর-৫ আসনের নৌকা প্রতীকের দলীয় প্রার্থী কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম।

    সৌজন্য সাক্ষাত শেষে,আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ বরিশাল সদর-৫ আসনের নৌকা মার্কার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীমকে, জয়ী করার লক্ষে সদর আসনের দলীয় সকল নেতাকর্মীকে মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের দুয়ারে গিয়ে আওয়ামীলীগ সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডের স্বচিত্র তুলে ধরে, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করার আহ্ববান জানান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সহ বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড: এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ও সহ-সভাপতি,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু ও গৌরনদী পৌর মেয়র হারিছুর রহমান সহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ।

  • শেখ পরিবারের ৮ সদস্য নৌকার কাণ্ডারি

    শেখ পরিবারের ৮ সদস্য নৌকার কাণ্ডারি

    অনলাইন ডেক্স:

    শেখ পরিবারের ৮ সদস্য নৌকার কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ এবং রংপুর-৬ আসন থেকে এবার নির্বাচন করবেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের আট সদস্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ভাগনে শেখ ফজলুল করিম সেলিম গোপালগঞ্জ-২ আসনের কয়েকবারের সংসদ সদস্য। তিনি এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন।

    বঙ্গবন্ধুর আরেক ভাগনে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য। এবারও তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ছোটভাই শেখ আবু নাসেরের দুই ছেলে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন শেখ হেলাল উদ্দিন বাগেরহাট-১ ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল খুলনা-২। শেখ হেলাল উদ্দিন কয়েকবারের সংসদ সদস্য। শেখ হেলাল উদ্দিনের ছেলে শেখ সারহাম নাসের তন্ময় এবার বাগেরহাট-২ আসনে নৌকার নতুন কাণ্ডারি।

    এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস ঢাকা-১০ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।

    তিনি পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর বড় ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি আবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

  • প্রয়োজনে এরশাদকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হতে পারে: কাদের

    প্রয়োজনে এরশাদকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হতে পারে: কাদের

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাজনৈতিকভাবে নয়, সত্যিকারভাবইে অসুস্থ বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, প্রয়োজনে তাকে দুই/এক দিনের মধ্যে সিঙ্গাপুর হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, এরশাদের ৯০/৯২ বছর বয়স হয়েছে। তিনি অসুস্থ হতেই পারেন, এখানে হাসাহাসির কিছু নেই। যে কেউ যে কোন সময় অসুস্থ হতে পারে।

    আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনবিচ্ছিন্ন দলছুট নেতারা ঐক্যফ্রন্টে যেতেই পারে। নেতায় নেতায় ঐক্য করছে এতে জনগণের কিছু আসে যায় না। নির্বাচনে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না।

    খালেদা জিয়ার রায়ের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার রায় আদালতের বিষয়, এখনে সরকার ও আওয়ামী লীগের কিছুই করার নেই।

    মতবিনিময়কালে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস নিজাম উদ্দিন হাজারী, সভাপতি আবদুর রহমান, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য জাহানারা বেগম সুরমা ও যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রীকে দেখে রাজনীতিতে আসার অণুপ্রেরণা পেয়েছি: তন্ময়

    প্রধানমন্ত্রীকে দেখে রাজনীতিতে আসার অণুপ্রেরণা পেয়েছি: তন্ময়

    দাদাকে দেখিনি। আমার বাবাও কিন্তু নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন। ১৯৮১ সালে তিনি দেশে ফিরে আসার পর আমার বাবা সব সময় তার পাশে ছিলেন। আমি বাবাকে আর আমার নেত্রীকে দেখে শিখেছি। রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণটা আসলে ওখান  থেকেই এসেছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি প্রধানমন্ত্রীকে দেখে ‘ইন্সপায়ার্ড’ হয়েছি রাজনীতিতে।’ এই কথাগুলো বলছিলেন শেখ সারহান নাসের তন্ময়।

    বঙ্গবন্ধু পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতিতে আসা এ তরুণ বাগেরহাট-২ আসনে একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। সুদর্শন চেহারা, বাচনভঙ্গির কারণে ইতিমধ্যেই সারা দেশে আলোচিত তরুণ হিসেবে নিজের একটা স্বতন্ত্র স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অন্যতম কনিষ্ঠ প্রার্থী শেখ তন্ময়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই শেখ আবু নাসেরের ছেলে শেখ হেলাল উদ্দীনের একমাত্র ছেলে তিনি।

    লন্ডন থেকে পড়াশোনা করে দেশে এসে রাজনীতিতে মনোননিবেশ করা শেখ তন্ময় বলেন, ‘আমার দাদা শেখ আবু নাসের, তিনি বঙ্গবন্ধুর একমাত্র  ছোট ভাই ছিলেন। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট তিনিও প্রাণ হারান। যদিও তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না সেভাবে। পারিবারিকভাবে সবসময়  এটাই আমাদের পরিবেশ, এটাই আমাদের ঐহিত্য। আমরা চাই, মানুষের জন্য কাজ করতে।

    আজকে যখন দেখি আমাদের প্রধানমন্ত্রী কত বাধা পেরিয়ে, কত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আজকে এই পরিবেশটা আমাদের জন্য তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। মানুষ ভালো বলবে, মন্দ বলবে; কিন্তু তিনি চেষ্টা তো করেছেন। গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যে কাজ করেছেন এটা তো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আমি সত্যের পক্ষে। আমি জানি, আমি নিজে দেখেছি তার পরিশ্রম। আমরা বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি, তবে আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দেখেছি। প্রধানমন্ত্রীকে দেখে ইন্সপায়ার্ড হয়েছি। তিনি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছেন। কিন্তু তার একার পক্ষে তো সব সম্ভব নয়; আমি চেষ্টা করব তার উন্নয়ন অভিযাত্রায় কিছুটা অবদান রাখতে। আমি মনে করি, এটাই আমার স্বপ্ন, আমি আসলে কাজ করতে চাই।

    দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর কেমন লাগছে জানতে চাইলে তন্ময় বলেন, ‘আসলে ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না; কতটা আনন্দিত আমি। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতার আন্দোলন, বাংলাদেশের সৃষ্টির আন্দোলনে যে দলটি নেতৃত্ব দিয়েছে সেই দল থেকে মনোননয়ন; আমাদের  নেত্রীর স্বাক্ষরিত কাগজটি আমার জীবনে অনেক বড় পাওয়া।’
    তরুণ প্রজন্মের একজন হিসেবে রাজনৈতিক ভাবনার বিষয়ে তন্ময় বলেন, ‘আমি ঠিক ‘ইয়ুথ আইকন’ তা বলব না; তবে আমি তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি অবশ্যই।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরুণদের প্রতি যে ভালোবাসা, তরুণদের প্রতি যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন, তাতে মনে হয় আমাদের জন্য একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়াই প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন। আমাদের তথ্যপ্রযুক্তিখাত বলেন, অবকাঠামোখাত যেকোনো উন্নয়ন আমরাই তো ভোগ করব। আমাদের বাবা-মা, তারাতো একটা পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন, সবকিছুই তো আমাদের জন্য। তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, আমাকে ওখান থেকে জিতে আসতে হবে।

    প্রায় ৩০-৪০ হাজার নতুন ভোটার আছে বাগেরহাটে, তাদের প্রতিনিধি হয়ে আমি চাই যে, আমার দরজা সবার জন্য খোলা। আমার তরুণ ভাইবোনদের জন্য। আমি মনে করি, আমরা তরুণরা একটা পরিবারের মতো। আমরা একসাথে অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারব। কিন্তু আমি একা এগিয়ে যেতে চাইলে মনে হয় খুব বেশিদূর এগুতে পারব না।

    সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মানুষের জন্য কী করবেন জানতে চাইলে শেখ তন্ময় বলেন, ‘আমি অবশ্যই চেষ্টা করব, আমাদের বাগেরহাটে যত ভোটার আছে, দলমত নির্বিশেষে প্রত্যেক ভোটারের কাছে গিয়ে আমাদের যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে বাংলাদেশে সেটা তুলে ধরব। বলব, আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে আছি। কিন্তু আমি মনে করি আমাদের আরও বহুদূর যেতে হবে। কিন্তু কার নেতৃত্বে গেলে আমরা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পাবো এটা জনগন আজ বুঝে গেছে।

    বাগেরহাটকে নিয়ে আমাদের যে পরিকল্পনা আছে, গোটা দক্ষিণাঞ্চলকে নিয়ে নেত্রীর যে পরিকল্পনা আছে সেটা তুলে ধরার  চেষ্টা করব। আসলে দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ কিছুটা অবহেলিত। বিগত কিছু বছর আগে আমাদের একজন বড় রাজনৈতিক দলের প্রধানও সেখানে একবার নির্বাচিত হয়েছিলেন, কিন্তু সেরকম কোনো উন্নয়নমূলক কাজ আমরা পাইনি। আমাদের মোংলা বন্দরটা বন্ধ ছিল। শুধু তাই নয় আমরা রাস্তাঘাট, অবকাঠামো বুঝে পাইনি।

    রাজনীতির মাঠে অল্পদিনে এত আলোচিত হওয়ার বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন জানতে চাইল তন্ময় বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা আমাকে আালোচনায় এনেছে। সাধারণ মানুষ, ভাই-ব্রাদার, বন্ধু-বান্ধব যারাই আছেন তারা আমাকে আলোচনায় এনেছে। কিন্তু আমার রাজনীতিতে আসা সেখান থেকে না। আমি মনে করি, আমরা যারা নতুন, তাদের শেখার অনেক বাকি আছে এখনো। আমরা অনেক কিছুই জানি না, আমাদের মুরুব্বিরা আছে। সে শেখাটা এখন আমরা রাজনীতিতে ঢুকে শিখব আনুষ্ঠানিকভাবে, না তার বাইরে থেকে শিখবো? এমনটা অনেকেই ভাবেন। আমার বক্তব্য হচ্ছে, রাজনীতিতে ঢুকে শিখতে হবে সেটা। রাজনীতির এই চর্চাটা আমার জন্মের পর থেকেই আমি দেখেছি।

  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস নাম বদলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস নাম বদলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’

    জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবসের নাম বদলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ করেছে সরকার।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে দিবসটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ১২ ডিসেম্বর জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস। এই দিবসের নাম পরিবর্তন করে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস করার প্রস্তাব করা হয়, মন্ত্রিসভা এটা অনুমোদন করেছে।

    গত বছরের ২৭ নবেম্বর মন্ত্রিসভা প্রতি বছর ১২ ডিসেম্বর ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিসব’ হিসেবে ঘোষণা এবং দিবসটি উদযাপনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তকরণের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়।

    এরপর গত বছর ১২ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পালিত হয়।

  • জাপানী ভাষায় প্রকাশিত হল গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’

    জাপানী ভাষায় প্রকাশিত হল গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’

    সোমবার সন্ধ্যায় টোকিওর বাংলাদেশ দূতবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এর মোড়ক উম্মোচন করা হয়।

    বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ জাপানী ভাষায় অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)

    সিআরআই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী আকিয়ে আবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তোশিকো আবে।

    গেস্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

    স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবনকে জাপানি শিশু-কিশোর ও জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি সন্তানদের কাছে তুলে ধরার অভিপ্রায় নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইংরেজি ছাড়া প্রথম অন্য কোনো বিদেশি ভাষা হিসাবে জাপানীতে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ অনুবাদ করা হল।

    প্রধান অতিথি আকিয়ে আবে বলেন, “বঙ্গবন্ধু ছিলেন এক মহান নেতা। যেহেতু গ্রাফিক নভেল জাপানীদের খুব প্রিয় তাই জাপানী ভাষায় অনূদিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ তার সম্পর্কে জাপানের শিশু-কিশোরদের অবহিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তোশিকো আবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন, অনুদিত গ্রাফিক নভেল এই মহান নেতার জীবন সম্পর্কে জানতে সবাইকে সহায়তা করবে।

    বইটির প্রকাশক রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ জাপানী ভাষায় অনুবাদ সফল্ভাবে সমাপ্ত করার জন্য টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং দুই অনুবাদককে ধন্যবাদ জানান।

    পরে অতিথিরা বইটির মোড়ক উম্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ‘টাইম-লাইন’ ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

    এসময় বইটির দুইজন অনুবাদক অধ্যাপক মাসাকি ওহাসি এবং ইমরান শরিফকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

    জাপানী ভাষায় প্রকাশিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ টোকিওর সেক্রেড হার্ট স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পাঠ করে শোনানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শেখ রেহানা, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এবং বইটির দুই অনুবাদক, শিল্পী রাশাদ ইমাম তন্ময়, শিবু কুমার শীল।

    গ্রাফিক্স নভেল ‘মুজিব’ গ্রন্থটি পর্যায়ক্রমে জাপানের বিভিন্ন স্কুলে পাঠ্য করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

  • বরিশাল-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সান্টুর

    বরিশাল-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সান্টুর

    একই আসনে একাধিক মনোনীত প্রার্থী থাকায় শুরুতেই বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে বিএনপিতে। দলের মনোনীত প্রার্থী তালিকায় অধিকাংশ আসনেই বিকল্প হিসেবে ২/৩ জনের নাম রেখেছে দলটি। মনোনয়ন বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী। ফলে চিঠি বিতরণের শুরুতেই বিএনপিতে দেখা দিয়েছে বিশৃঙ্খলা। এরই মধ্যে বরিশাল-২ আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত সারফুদ্দীন আহমেদ সান্টু মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।

    জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে বিএনপি। দলের চেয়ারপারসনের গুলশান অফিসে এ মনোনয়ন বিতরণ শুরু হয়। প্রথম দিন বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

    সন্ধ্যায় মনোনয়ন নিতে আসেন বরিশাল-২ আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত সারফুদ্দীন আহমেদ সান্টু। নিজ আসনে আরেক প্রার্থীর নাম দেখে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করেন।

    এসময় সান্টু সাংবাদিকদের বলেন, আমার আসনে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালেরও নাম রয়েছে। তাই মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে এসেছি। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো।

  • দেড় শতাধিক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা কাজ করবেন নৌকার পক্ষে

    দেড় শতাধিক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা কাজ করবেন নৌকার পক্ষে

    নৌকার পক্ষে কাজ করবেন দেড় শতাধিক সাবেক সামরীক কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর দেড়শতাধিক সাবেক কর্মকর্তা।

    তারা নৌকা মার্কার হয়ে নির্বাচনে কাজ করবেন। মঙ্গলবার এসব সাবেক সামরিক কর্মকতা আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার সরকার ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন। সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে ১০৮ জন সেনাবাহিনীর, ১৯ জন বিমান বাহিনীর এবং ২০ জন নৌ বাহিনীর সদস্য।

    সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিনজন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ১৮ জন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ১৯ জন, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ৭ জন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল ২০ জন।

    এছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত মেজর রয়েছেন ৩৫ জন। তাছাড়াও ক্যাপ্টেন ও লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও রয়েছেন। নৌবাহিনীর মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল ২ জন, অবসরপ্রাপ্ত কমডোর ৭ জন, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন ৬ জন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ১ জন ও অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন ৩ জন।

    বিমানবাহিনীর মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল ১ জন, অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডোর ২ জন, অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন ৮ জন এবং অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার ৭ জন।