Category: রাজণীতি

  • বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে ডাকটিকেট প্রকাশ করল অষ্ট্রেলিয়া

    বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে ডাকটিকেট প্রকাশ করল অষ্ট্রেলিয়া

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিচ্ছবি সম্বলিত পৃথক দু’টি ডাকটিকেট সরকারিভাবে প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ান সরকার।

    ডাক টিকেটের মূল্য অস্ট্রেলিয়ান মুদ্রায় ১ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেছে।

  • নির্বাচন পেছানো হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত কাল: সিইসি

    নির্বাচন পেছানো হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত কাল: সিইসি

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছানো হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল সোমবার জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। রবিবার বিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

    এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় ভোট গ্রহণের তারিখ পেছানোর অনুরোধ জানিয়ে সিইসিকে চিঠি দেন যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। এছাড়া বিকালে নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট এক মাস পেছানোর লিখিত দাবি জানান ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

    অন্যদিকে, দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলাকালে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ও জোটের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটের তারিখ পিছিয়ে দিলে আপত্তি করবে না আওয়ামী লীগ।

  • ৫ হাজার টাকায় মিলবে বিএনপির মনোনয়ন ফরম

    ৫ হাজার টাকায় মিলবে বিএনপির মনোনয়ন ফরম

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন ফরম আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হবে বিক্রি। রবিবার বিকালে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, আগামীকাল সোমবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং মঙ্গলবার একই সময়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হবে। ১৪ নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা এবং জমা দিতে লাগবে ২৫ হাজার টাকা।

    দলটির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ফরম তুলতে পারবেন নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা।

    এর আগে দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেন জাতীয় ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

  • মায়ের পায়ের তলায় চুমু খেয়ে দিন শুরু করতাম: শামীম ওসমান

    মায়ের পায়ের তলায় চুমু খেয়ে দিন শুরু করতাম: শামীম ওসমান

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান তার মাকে শ্রদ্ধার বিষয়টি স্মরণ করে বলেন, ‘আমার মা জীবিত থাকা অবস্থায় প্রতিদিন পায়ের তলায় চুমু দিতাম। সেখানে আমি জান্নাত তালাশ করতাম। মা বলতো সেখানে ময়লা আর আমি সেখানে দেখতাম জান্নাত।

    ‘তাই আমি সবাইকে বলবো মা ও বাবাকে সম্মান করো। কোনো দিন কোনো কাজে ঠেকবেন না। বাবা মার দোয়া হলো সন্তানের জন্য পাওয়ার। জীবনে অনেক বিপদ দেখেছি। পার পেয়েছি। ভেবে দেখেছি কিভাবে পার পেলাম। ভেবে চিন্তা করে একটাই ধারণা পেয়েছি তা হলো বাবা মায়ের দোয়া পাশে ছিল।

    রবিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পঞ্চবটিতে অ্যাডভেঞ্জার ল্যান্ড পার্কে নারায়ণগঞ্জ কিন্ডারগার্টেন ইউনিটির উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, মা-বোন ও ভাইয়েরা আমি ভোট চাই না। শুধু একটু দোয়া ভিক্ষা চাই। আর কাজের মাধ্যমে আপনাদের স্মৃতিতে বেঁচে থাকতে চাই।
    তিনি বলেন, গত ৫ বছরে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার কাজ করার পরেও আমার মন ভরেনি। আমরা শিশুদের জন্য কিছু দিতে পারি না। আমরা শুধু তাদের বলি পড়ো পড়ো। আগামীবার আমি এমপি নির্বাচিত হতে পারলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে আন্তর্জাতিক মানের স্কুল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করবো। সেই সঙ্গে এত আধুনিক মেডিক্যাল সেবা নিশ্চিত করা হবে যাতে দেশের মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথম চয়েজ করে নারায়ণগঞ্জকে।’

    কিন্ডারগার্টেন ইউনিটির উপদেষ্টা মোমেন সিকদারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী শওকত আলী, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি এহসানুল হক নীপু. যুবলীগ নেতা শাহাদাত সাজনু, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়ের আলম সানি প্রমুখ।

  • জাতিসংঘ নির্বাচন চায় গ্রহণযোগ্য

    জাতিসংঘ নির্বাচন চায় গ্রহণযোগ্য

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতি নজর রাখছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন যেন সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য হয় সেটিই প্রত্যাশা করছে সংস্থাটি।

    স্থানীয় সময় গত শুক্রবার মধ্যরাতে জেনেভায় জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেন সংস্থাটির মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক।

    ফারহান হক বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র বাংলাদেশের সর্বশেষ তথ্য জাতিসংঘের নজরে রয়েছে এবং জাতিসংঘ তা পর্যবেক্ষণ করছে। জাতিসংঘ চায় যে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য এবং স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হোক।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘ নিয়মিতভাবে খোঁজখবর রাখছে। নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক আছে কিনা তা আমরা সময়মতো তুলে ধরব।

    নির্বাচন কমিশন গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। তফসিল অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভোট উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

  • তফসিল পেছানোতে আপত্তি নেই আ’লীগের, তবে সিদ্ধান্ত ইসির

    তফসিল পেছানোতে আপত্তি নেই আ’লীগের, তবে সিদ্ধান্ত ইসির

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাইলে তফসিল পেছাতে পারে। এটা ইসির বিষয়। পেছালেও দলীয়ভাবে আপত্তি জানাবে না আওয়ামী লীগ। তবে এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গেও আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন আছে।

    রোববার (১১ নভেম্বর) ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন পেছানোর বিষয়টা ইসির। তারা পেছাবেন কি না সেটা তাদের বিষয়। সিডিউলের বিষয়টা সম্পূর্ণভাবে ইসির এখতিয়ার।

    তিনি বলেন, নির্বাচনের পেছানোর সময় এবং দাবি যৌক্তিক হতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা সময় ও বাস্তবের দিকে চেয়ে যথাযথভাবে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন সিডিউল পেছালে আমরা আপত্তি করবো না। দলীয়ভাবে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে সব দলের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবে নির্বাচন কমিশন এটা ইসির কথা।

    ক্রিকেটার মাশরাফির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক আগে থেকেই মাশরাফির বিষয়টা ভাবা হচ্ছে। মাশরাফি তার নিজ এলাকায় কাজ করছেন। তবে সাকিবকে দেশের স্বার্থে আরও খেলতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক একে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

  • ঐক্যফ্রন্ট বিএনপিকে নিয়েই নির্বাচনে যাচ্ছে

    ঐক্যফ্রন্ট বিএনপিকে নিয়েই নির্বাচনে যাচ্ছে

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

    তবে এক মাস পিছিয়ে নতুন তফসিলের দাবি জানানো হয়েছে ঐক্যফ্রন্টের তরফ থেকে।

    এরআগে শনিবার রাতে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের বৈঠকের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছিলেন নির্বাচনের আসার বিষয়ে রোববার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

    সে অনুযায়ী আজকের সংবাদ সম্মেলনে ড.কামাল বলেন, একটা অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের যাবতীয় দায়িত্ব সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের। জনগণের দাবি মানা না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে।

    ড. কামাল হোসেনের পর কথা বলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ন্যূনতম শর্ত এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরও বিটিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লংঘন। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরুদ্ধে সাবেক নির্বাচন কমিশনার শামসুল হুদাসহ দেশের প্রায় সকল দল ও জনগণের আপত্তি থাকার পরও সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করেনি।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, এরকম একটা পরিস্থিতিতে একটা অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়া প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এরকম ভীষণ প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- জোট নেতা আ স ম আব্দুর রব, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, আবদুল মালেক রতন প্রমুখ।

    নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। এবারও দলটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল। পাশাপাশি দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার কারামুক্তিও দাবি বিএনপির।

    তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তরফ থেকে তাদের এসব দাবি মানার বিষয়ে কার্যত কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গত মাসে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের সঙ্গে দুই দফা সংলাপেও বসেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চায় জাসদ

    নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চায় জাসদ

    আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চায় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। রোববার সিইসির কাছে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি হস্তান্তর করা হয়েছে।

    চিঠিতে সিইসির উদ্দেশে বলা হয়, ‘আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহ জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করছে।’

    ‘এমতাবস্থায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ২০ এর ১ এর (এ) ধারায় অনুযায়ী ১৪ দলীয় জোটের শরীক দল হিসেবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও ১৪ দলীয় জোট মনোনীত অভিন্ন প্রার্থীদের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নির্বাচনী প্রতীক ‘নৌকা’ সংরক্ষিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন।

    চিঠির অনুলিপি ইসি সচিব ও ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম-সচিবের কাছেও পাঠানো হয়।

    এদিকে জোটবদ্ধ দলগুলোর নির্বাচনে তাদের স্ব-স্ব মার্কা বা একই মার্কার ব্যবহার পরবর্তি নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কি-না, এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ইসি সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট।

    রোববার বিকল্পধারা বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই চিঠি দিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে। মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ নভেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ নভেম্বর। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ২৩ ডিসেম্বর (রোববার)

  • মনোনয়ন দৌড়ে আছেন ছাত্রলীগ–ছাত্রদলের সাবেক নেতারা

    মনোনয়ন দৌড়ে আছেন ছাত্রলীগ–ছাত্রদলের সাবেক নেতারা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোতে নতুন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছড়াছড়ি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। ফলে তখন অভিযোগ ওঠে অনেক আসনে ‘অযোগ্য’ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে জিতিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু এবার বিএনপি নির্বাচনে আসবে, সেটি মাথায় রেখেই প্রার্থী ঠিক করছে আওয়ামী লীগ। আর তাই অনেক ছাত্রনেতা প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন।

    অন্যদিকে বিএনপি এবার ভোটে যাবে কি না, সে ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে দলটি ভোটে যাওয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকালের মধ্যে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে দলটি। তবে বিএনপির সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতারা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বসে নেই। নিজেদের শক্তি জানান দিতে নিজ নিজ এলাকায় প্রচার–প্রচারণা শুরু করেছেন অনেক আগে থেকেই।

    রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রার্থী তালিকায় এবার সাবেক ছাত্রনেতাদের গুরুত্ব বাড়তে পারে। বিভিন্ন সময়ে রাজনীতির বাইরের ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে বড় সমালোচনা রয়েছে। তা ছাড়া, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হলে এবার রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত, এলাকায় জনপ্রিয়তা আছে, এমন প্রার্থীদেরই বাছাই করবে সব পক্ষ। জোটের হিসাব বাদ দিলে বড় দুটি দলে সাবেক ছাত্রনেতাদের অনেকেই প্রার্থী হতে চাচ্ছেন।

    আওয়ামী লীগ ও বিএনপির তরুণ নেতারা বলছেন, অনেক সময় প্রার্থী বদলের কারণে আগের সাংসদের অনেক দোষ ঢাকা পড়ে যায়। ফলে দেখা গেছে নতুন প্রার্থী দিলে দলের ভালো করার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে নতুন প্রার্থী দেয় দলগুলো।

    আওয়ামী লীগের অন্তত ৭০ জন সাংসদের অবস্থা নিজ এলাকায় ভালো নয় বলে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সংসদীয় দলের বৈঠকে বলেছেন। দলটির বিভিন্ন সূত্র বলছে, গতবার মনোনয়ন পেয়েছেন এবার পাবেন না, এমন নেতার সংখ্যা ১০০ হতে পারে। এসব আসনে প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছেন সাবেক ছাত্রনেতারা।

    নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে। ভোট হবে ২৩ ডিসেম্বর। দলীয় মনোনয়ন নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

    শুক্রবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলটিতে কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপকমিটিতে ছাত্রলীগের সাবেক অনেক নেতাই রয়েছেন। উপদেষ্টা পরিষদেও আছেন বর্ষীয়ান একাধিক নেতা।

    এই প্রতিবেদন নব্বইয়ের দশক থেকে যাঁরা ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলের রাজনীতিতে ছিলেন, তাঁদের নিয়ে।

    মনোনয়ন দৌড়ে ছাত্রলীগের নেতারা

    ১৯৯০ সাল থেকে গত ২৮ বছরে ছাত্রলীগের ১৬ জন সভাপতি–সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সংসদে যেতে পেরেছেন মাত্র দুজন। তাঁরা হলেন দিনাজপুর–৩ আসন থেকে ইকবালুর রহিম ও নারায়ণগঞ্জ–২ (আড়াইহাজার) আসন থেকে নজরুল ইসলাম বাবু। আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে, এবারও দলের পছন্দের তালিকায় তাঁরা আছেন।

    এ ছাড়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না পিরোজপুর–২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলেও জোটের সমীকরণে বাদ পড়েন। আসনটির সাংসদ বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করেন। এবারও জোটের সমীকরণেই আটকে আছে তাঁর ভাগ্য। তবে পিরোজপুর–১ আসন থেকেও তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাকি ১৩ জনের মধ্যে এবার ৪ জনের অবস্থা ভালো। তাঁরা হলেন : এনামুল হক শামীম, অজয় কর খোকন, মাহমুদ হাসান রিপন ও এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ। তবে তিনজনের আসনে আওয়ামী লীগের অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরাও শক্ত প্রার্থী।

    শরীয়তপুর-২ আসনে সাবেক সভাপতি এনামুল হক শামীমকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানায়। সাংসদ ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী এবার নির্বাচন না-ও করতে পারেন। কিশোরগঞ্জ–৫ আসনে অজয় কর খোকন দলীয় মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করছেন। তবে এর আগে তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। ফলে দলের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। এই আসনের বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের আফজাল হোসেন। তাঁর সমর্থনে স্থানীয়ভাবে আলাদা জনসভাও হয়েছে।

    গাইবান্ধা–৫ আসনে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার ভালো অবস্থান রয়েছেন। তবে সেখানে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন প্রার্থী হওয়ার জোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ। তিনি এবার বাগেরহাট-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। তাঁর এলাকার বতর্মান সাংসদ মোজাম্মেল হোসেন। তিনি একাধিকবার সাংসদ হয়েছেন, তিনি প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন।

    এর বাইরে সাবেক সভাপতি বাহাদুর ব্যাপারী শরিয়তপুর–৩ আসন থেকে ও লিয়াকত শিকদার ফরিদপুর-১ আসন থেকে মনোনয়নের চেষ্টা করছেন। ফরিদপুর–১ এর বর্তমান সাংসদও ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান ১৯৮৬ সাল থেকে ৮৮ সাল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সেদিক থেকে লিয়াকত শিকদার দলীয় কোনো পদে নেই।ওপরে মারুফা আক্তার পপি, সুজিত রায় নন্দী, রাজীব আহসান ও আকরামুল হাসান। নিচে সোহেল রানা টিপু, সাজ্জাদ সাকীব বাদশা ও নুরুল আলম পাঠান মিলনওপরে মারুফা আক্তার পপি, সুজিত রায় নন্দী, রাজীব আহসান ও আকরামুল হাসান। নিচে সোহেল রানা টিপু, সাজ্জাদ সাকীব বাদশা ও নুরুল আলম পাঠান মিলন

    সভাপতি–সম্পাদকের বাইরে
    আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান। কিন্তু সেখানে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি সাংসদ হিসেবে আছেন। সুজিত ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন।

    দলটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ঢাকা–৮ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। আসনটির সাংসদ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখন থেকে মনোনয়ন চাওয়ার প্রধান কারণ এই আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় অবস্থিত। দলের নেতা–কর্মীদের দাবি, যেন এই আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নির্বাচন করেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর শিক্ষাজীবন ও রাজনীতির বড় অংশই এখানে কাটানোর কারণে তিনি এখান থেকে নির্বাচন করতে চান।

    পিরোজপুর–৩ আসনে মঠবাড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুর রহমান চেষ্টা করছেন। আসনটিতে গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তুম আলী ফরাজীর কাছে হেরে যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন।

    ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মারুফা আক্তার পপি জামালপুর-৫ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চান, কিন্তু এই আসনে ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা এখনো শক্ত প্রার্থী। মারুফা আক্তার বলেন, ‘দলের নেতারা অনেক প্রাজ্ঞ। তাঁরা সবকিছু বিবেচনা করে যাঁর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনিই মনোনয়ন পাবেন। নির্বাচন আমাদের জন্য উৎসবের মতো। মনোনয়নপত্র কিনে আমরা সেই উৎসবে শামিল হব।’

    ২০০৭ সালে ১/১১–এর সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকীব বাদশার ভূমিকার বিষয়ে আওয়ামী লীগে ইতিবাচক সাড়া আছে। টিপু রাজবাড়ী–২ আসনে ও বাদশা পিরোজপুর–১ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। টিপুর মনোনয়নের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধনও করেছেন তাঁর সমর্থকেরা। দুজনই বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে আছেন। সাজ্জাদ সাকীব বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ গড়ে তুলেছি। জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়েছি, আমি আশাবাদী।’

    নিজেদের দখলে থাকা ময়মনসিংহ–৭ (ত্রিশাল) আসনটি ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। এবার জোটগত নির্বাচন না হলে আওয়ামী লীগ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চাইবে। আওয়ামী লীগ থেকে বেশ কয়েকজন স্থানীয় নেতা মনোনয়ন চাইলেও নতুন প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে আছেন ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক নুরুল আলম পাঠান মিলন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য।

    এছাড়া, সাবেক নেতৃত্বের মধ্যে তরুণদের মধ্যে এবার মনোনয়ন চান সাবেক সহসভাপতি ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান আনসারী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২), সাবেক সহসম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মানিক (পাবনা-৫), সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত (নেত্রকোনা-৩), সাবেক অর্থ সম্পাদক মোর্শেদুজ্জামান সেলিম (ময়মনসিংহ–৩), সাবেক আইন সম্পাদক শেখ ওবায়েদুর রহমান (বাগেরহাট–৩), সাবেক সহ সভাপতি তারিক আল মামুন (কুষ্টিয়া-১) ও খন্দকার তারেক রহমান (ঢাকা-৫) প্রমুখ মনোনয়নপত্র নেবেন বলে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    পুরোনো তবে নতুন মুখ
    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন ১৯৮৮ সালের কমিটির। তিনি এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। তাঁর আসন নেত্রকোনা-২। আসনটির সাংসদ আরিফ খান জয়ের বিরুদ্ধে সাংসদ থাকাকালীন বেশ কিছু অভিযোগ ওঠায় এবার তিনি বাদ পড়তে পারেন। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার উকিল আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। নেত্রকোনা-৩ আসন থেকে তিনি এবার নির্বাচন করতে চান।

    ছাত্রদলের বর্তমান নেতারাও মনোনয়ন চান

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে একাদশ জাতীয় সংসদে মনোনয়ন পেতে চান ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন। দলটিতে এর আগেও ছাত্রদলের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার নজির রয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসানের আসন বরিশাল–৪। তিনি বলেন, দল যদি কনসিডার করে তবে অবশ্যই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তাঁর আগ্রহ আছে এবং সার্বিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা ফুটিয়ে তুলছেন।

    সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রায়ই নরসিংদীতে নিজের এলাকায় (নরসিংদী–৩) যান। সেখান থেকে এবারই প্রার্থী হতে আগ্রহী। এই আসনটিতে বিএনপির সাবেক মহাসচিব মান্নান ভূইয়া ২০০১ সালে এবং ২০০৮ সালে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার নির্বাচন করেছেন। বর্তমানে সানাউল্লাহ মিয়াও এই আসন থেকে আগ্রহী। সহসভাপতি মামুনুর রশিদ নোয়াখালীর চাটখিল সোনাইমুড়ি উপজেলার আসনে নির্বাচনী কাজ করছেন। তিনি বলেন, আসলে আসনটি দীর্ঘদিন অভিভাবকশূন্য, যার কারণে দীর্ঘদিন নেতা-কর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন। যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন না করলে তারা ঐকবদ্ধ হওয়ার সাহস পাবে না।

    সাবেকদের মধ্যে যাঁরা
    বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্তত ১০ জন সাবেক ছাত্রনেতার সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই বলছেন, খালেদা জিয়াকে কারান্তরীণ রেখে তাঁরা নির্বাচনে অংশ নেবেন না। তারপরও দলীয়ভাবে আসন বন্টনের কাজ এগিয়ে রাখছেন নেতারা। শেষ মুহূর্তে যাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে, দলের সবাই তাঁর পক্ষেই কাজ করবেন। তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রত্যেকেই এলাকায় প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন। এর মধ্যে বর্তমান কমিটির নেতারাও রয়েছেন।

    নব্বইয়ের পর থেকে সাবেক হওয়া ছাত্রনেতাদের মধ্যে আমান উল্লাহ আমান ঢাকা-২ আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচন করেছেন। তিনি ডাকসুর সহসভাপতি ছিলেন। এবারও এই আসনে তাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবু বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি। তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। তিনি বলেন, বিএনপিতে তরুণ নেতৃত্ব সব সময়ই থাকে। এর মাধ্যমে নতুনদের উৎসাহিত করা হয়। তা ছাড়া আসনটি বিএনপি অধ্যুষিত। গ্রহণযোগ্য কাউকে দিলে তিনি অবশ্যই পাস করবেন।

    স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূইয়া জুয়েল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। তাঁর আসন নরসিংদী-৪। ২০০১ সালে এই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ২০০৮ সালে জয়নাল আবেদিন। জুয়েল বলেন, ‘১/১১–এর পর থেকেই এলাকায় যাওয়া–আসা করি। মানুষের কাছ থেকেও প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায়। নতুন নেতৃত্ব চায়। যারা দলের দুর্দিনে পালিয়ে যায় না এবং সুসময়ে চরিত্র হারায় না, তাদের চায় জনগণ।’

    ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাবিব–উন–নবী খান সোহেল ঢাকা-৮ আসন থেকে ২০০৮ সালে নির্বাচন করে হেরে গেছেন। এবারও এই আসনে তিনিই মনোনয়ন পাবেন বলে দলের নেতারা বলছেন।

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল খুলনা-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। এর আগে তিনি ২০০৮ সালে ঢাকার একটি আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল–২ থেকে এর আগেও নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এবারও তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে দলীয় সূত্রগুলো বলছে।

    পটুয়াখালী-৩ আসনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন দলীয় মনোনয়ন চান। তাঁর আসনে জেলা বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। দল থেকে এর আগে শাহজাহান খানকে মনোনয়ন দিলেও তিনি জিততে পারেননি।

    ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি হায়দার লেনিন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি ভোলা সদর থেকে মনোনয়ন চান। আসনটিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০–দলীয় জোটের অধীনে জেপির আন্দালিব রহমান পার্থ নির্বাচন করেছিলেন। এবার জোটের হিসাব ও দলের অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্ভর করছে লেনিনের ভাগ্য।

    ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি শহিদুল্লাহ এমরান নেত্রকোনা–৫ (পূর্বধলা) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ডা. মোহাম্মদ আলী নির্বাচন করেছিলেন। ২০১২ সালে তিনি মারা গেছেন। শহিদুল্লাহ এমরান বলেন, ‘পারিবারিকভাবে বহু আগে থেকেই মাঠে ছিলাম। আমার বাবা-মা দুজনই থানা বিএনপিতে দায়িত্ব পালন করেছেন।’ এই আসন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের তালুকদারও মনোনয়ন চান।

    এর বাইরে ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম বাবুল ফরিদপুর–২, আরিফা সুলতানা রুমা পাবনা–৩, আজমল হোসেন পাইলট নেত্রকোনা–১ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। এ ছাড়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ ঢাকা–৭ থেকে নির্বাচন করতে চান। তুলনামূলক পুরোনোদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসন থেকে শেখ মোহাম্মদ শামীম, ঝিনাইদহ–৩ থেকে আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ঝিনাইদহ–৪–এ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ প্রমুখ নির্বাচন করতে আগ্রহী।

  • আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা!

    আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা!

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র বিক্রি শুরু। শেখ হাসিনার পক্ষে মনোনয়ন কিনেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এরই মধ্যে দেখে নিন, ৩০০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকাঃ

    ঢাকাঃ

    ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান,

    ঢাকা-২ শাহীন আহমেদ,

    ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বীপু,

    ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন,

    ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল,

    ঢাকা-৬ শাহে আলম মুরাদ,

    ঢাকা-৭ ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন,

    ঢাকা-৮ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট,

    ঢাকা-৯ মোজাফফর হোসেন পল্টু,

    ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস,

    ঢাকা-১১ একেএম রহমতউল্লাহ,

    ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল,

    ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক,

    ঢাকা-১৪ সাবিনা আকতার তুহিন,

    ঢাকা-১৫ গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু,

    ঢাকা-১৬ এম এ মান্নান কচি,

    ঢাকা-১৭ মুহম্মদ ফারুক খান,

    ঢাকা-১৮ অ্যাডঃ সাহারা খাতুন,

    ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ,

    ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ।

    নারায়ণগঞ্জঃ

    নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী,

    নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু,

    নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত,

    নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান,

    নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম।

    গাজীপুরঃ

    গাজীপুর-১ আকম মোজাম্মেল হক,

    গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,

    গাজীপুর-৩ জামিল হাসান দুর্জয়,

    গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি,

    গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান।

    মুন্সিগঞ্জঃ

    মুন্সিগঞ্জ-১ ডাঃ বদিউজ্জামান ডাব্লু,

    মুন্সিগঞ্জ-২ অ্যাডঃ মাহবুবে আলম,

    মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস।

    কিশোরগঞ্জঃ

    কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম,

    কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন,

    কিশোরগঞ্জ-৩ ডঃ মিজানুল হক,

    কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক,

    কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন,

    কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন।

    নরসিংদীঃ

    নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম,

    নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান,

    নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা,

    নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন,

    নরসিংদী-৫ ব্যারিস্টার তৌফিকুর রাহমান।

    গোপালগঞ্জঃ

    গোপালগঞ্জ-১ শেখ রেহানা,

    গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম,

    গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা।

    মাদারীপুরঃ

    মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন,

    মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান,

    মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।

    শরিয়তপুরঃ

    শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক,

    শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম,

    শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক।

    ফরিদপুরঃ

    ফরিদপুর-১ ডাঃ দিলীপ রায়,

    ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী,

    ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন,

    ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্লাহ।

    কুমিল্লাঃ

    কুমিল্লা-১ সুবিদ আলী ভুঁইয়া,

    কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ,

    কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন,

    কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল,

    কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু,

    কুমিল্লা-৬ আফম বাহাউদ্দীন বাহার,

    কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত,

    কুমিল্লা-৮ অধ্যাপক আলী আশরাফ,

    কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম,

    কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা কামাল,

    কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব।

    চট্রগ্রামঃ

    চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন,

    চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা,

    চট্টগ্রাম-৪  দিদারুল আলম,

    চট্টগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ( মহাজোট),

    চট্টগ্রাম-৬ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী,

    চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ,

    চট্টগ্রাম-৮, চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল,

    চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম,

    চট্টগ্রাম-১১ আব্দুল লতিফ,

    চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী,

    চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ,

    চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

    চাঁদপুরঃ

    চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন,

    চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া,

    চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী,

    চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া,

    চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।

    দিনাজপুরঃ

    দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল,

    দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুূদ চৌধুরী,

    দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম,

    দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী,

    দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার,

    দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক।

    ঠাকুরগাঁওঃ

    ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন,

    ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন,

    ঠাকুটগাঁও-৩ অধ্যক্ষ সুজাউল করিম চৌধুরী বাবুল।

    নীলফামারীঃ

    নীলফামারী-১ আফতাবউদ্দিন সরকার,

    নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর,

    নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা,

    নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম।

    লালমনিরহাটঃ

    লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন,

    লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ,

    লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ দুলাল।

    রংপুরঃ

    রংপুর-১ মশিউর রহমান রাঙ্গা( মহাজোট)

    রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক,

    রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম,

    রংপুর-৪ টিপু মন্সী,

    রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান,

    রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়।

    কুড়িগ্রামঃ

    কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী,

    কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম,

    কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন।

    গাইবান্ধাঃ

    গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ,

    গাইবান্ধা-২ সৈয়দ শামস উল আলম হীরা,

    গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার,

    গাইবান্ধা-৪ আবুল কালাম আজাদ,

    গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন।

    রাজশাহীঃ

    রাজশাহী-১ মতিউর রহমান,

    রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক,

    রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন,

    রাজশাহী-৪ এনামুল হক,

    রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা,

    রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম।

    নাটোরঃ

    নাটোর-১ আবুল কালাম,

    নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল,

    নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক।

    পাবনাঃ

    পাবনা-১ অধ্যাপক আবু সাইয়িদ,

    পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু,

    পাবনা-৩ মকবুল হোসেন,

    পাবনা-৪ গোলাম ফারুক প্রিন্স।

    নওগাঁঃ

    নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার,

    নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার,

    নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন,

    নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক,

    নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার নিজামউদ্দীন জলিল জন,

    নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম।

    টাঙ্গাইলঃ

    টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক,

    টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল,

    টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ,

    টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী,

    টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন,

    টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম এ বাতেন,

    টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও

    টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়।

    মানিকগঞ্জঃ

    মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক,

    মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম,

    মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন।

    সিরাজগঞ্জঃ

    সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম,

    সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত,

    সিরাজগঞ্জ-৩ ইসহাক হোসেন তালুকদার ,

    সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম,

    সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও

    সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী,

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান,

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস।

    নরসিংদীঃ

    নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম,

    নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান,

    নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা,

    নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও

    নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ রাজু তনয়।

    বি বাড়িয়াঃ

    বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার,

    বিবাড়িয়া-২ অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা ( মহাজোট)

    বি বাড়িয়া-৩ উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী,

    বি বাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট  আনিসুল হক,

    বি বাড়িয়া-৫ ফয়জুর রহমান বাদল ,

    বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি।

    সিলেটঃ

    সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন,

    সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী,

    সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস,

    সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ,

    সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন,

    সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ,

    হবিগঞ্জঃ

    হবিগঞ্জ-১ এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু,

    হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান,

    হবিগঞ্জ-৩  মো. আবু জাহির।

    সুনামগঞ্জঃ

    সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন,

    সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা,

    সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন,

    সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান,

    সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক।

    মৌলভীবাজারঃ

    মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন,

    মৌলভীবাজার-২ অধ্যাপক ডা. রুকন উদ্দিন আহমদ,

    মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসিন ,

    মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ।

    নোয়াখালীঃ

    নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম,

    নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম,

    নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ,

    নোয়াখালী-৪একরামুল করিম চৌধুরী,

    নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের,

    নোয়াখালী-৬ আয়েশা সিদ্দিকী।

    লক্ষ্মীপুরঃ

    লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ,

    লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান,

    লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল,

    লক্ষ্মীপুর-৪।

    ফেনীঃ

    ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী,

    ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী,

    ফেনী-৩ সাইফুদ্দীন নাসির।

    বান্দরবানঃ বীর বাহাদুর

    রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার।

    জয়পুরহাটঃ

    জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু

    জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।

    বরিশালঃ

    বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ,

    বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক,

    বরিশাল-৩ টিপু সুলতান ( মহাজোট),

    বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ,

    বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হক,

    বরিশাল-৬ তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস।

    পটুয়াখালীঃ

    পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া,

    পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,

    পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন,

    পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার।

    বরগুণাঃ

    বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু,

    বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান।

    ঝালকাঠিঃ

    ঝালকাঠি-১ মনিরুজ্জামান মনির,

    ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু।

    ভোলাঃ

    ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ,

    ভোলা-২ আলী আজম মুকুল,

    ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন,

    ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব।

    পিরোজপুরঃ

    পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম,

    পিরোজপুর-২ শাহে আলম,

    পিরোজপুর-৩ ইসহাক আলী খান পান্না।

    শেরপুরঃ

    শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক,

    শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী,

    শেরপুর-৩ ফজলুল হক।

    ময়মনসিংহঃ

    ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং,

    ময়মনসিংহ-২ হায়াতুর রহমান খান,

    ময়মনসিংহ-৪ আব্দুস ছাত্তার,

    ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ,

    ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দীন,

    ময়মনসিংহ-৭ এম এ হান্নান,

    ময়মনসিংহ-৮ আব্দুছ ছাত্তার,

    ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ার আবেদীন তুহিন,

    ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলান্দাজ বাবেল।

    নেত্রকোনাঃ

    নেত্রকোনা-১ মোশতাক আহমেদ রুহী,

    নেত্রকোনা-২ আরিফ খান

    নেত্রকোনা-৩ ইত্তেকার তালুকদার,

    নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন।

    যশোরঃ

    যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন,

    যশোর-২ মনিরুল ইসলাম,

    যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ,

    যশোর-৪ রণজিত কুমার রায়,

    যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য,

    যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক।

    খুলনাঃ

    খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস,

    খুলনা-২ মিজানুর রহমান,

    খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান,

    খুলনা-৪ সালাম মোর্শেদী,

    খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

    রাজবাড়িঃ

    রাজবাড়ি-১ কাজী কেরামত আলী,

    রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম।

    সাতক্ষীরাঃ

    সাতক্ষীরা-১ শেখ মুজিবুর রহমান,

    সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি,

    সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ তআফম রুহুল হক,

    সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার।

    মাগুরাঃ

    মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শেখর,

    মাগুরা-২ বীরেন শিকদার।

    নড়াইলঃ

    নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি,

    নড়াইল-২ শেখ হাসিনা।

    বাগেরহাটঃ

    বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন,

    বাগেরহাট-২ মীর শওকত আলী

    বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক

    বাগেরহাট-৪ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন .

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মনোনয়ন বোর্ড কতৃক। বোর্ড যাকে চূড়ান্তভাবে নমিনেশন দেবেন, তিনিই পেয়ে যাবেন বহু কাঙ্ক্ষিত নৌকার টিকিট।