Category: রাজণীতি

  • যে বেটারা আমার গাড়ি ঘুরিয়ে দিয়েছে, আমি ওদের মাথা ঘুরিয়ে দেব: কাদের সিদ্দিকী

    যে বেটারা আমার গাড়ি ঘুরিয়ে দিয়েছে, আমি ওদের মাথা ঘুরিয়ে দেব: কাদের সিদ্দিকী

    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, রাজশাহীর সমাবেশে আসতে যেসব পুলিশ আমার গাড়ি ঘুরিয়ে দিয়েছে আমি ওদের মাথা ঘুরিয়ে দেব।

    শুক্রবার বিকালে রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    পুলিশদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আপনি এ রকম বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদের সামনে বললেন আপনাদের মিটিং করতে বাধা নেই, আমার গাড়ি তো পাঁচবার ধরছে পুলিশ, তারপরেও আমাকে ভুল রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছে। আল্লাহ যদি আমাকে দুটি বছর সময় দেয় তাহলে আমি খুঁজে বের করব, আমি খুঁজে বের করব, যে বেটারা আমার গাড়ি ঘুরিয়ে দিয়েছে আমি ওদের মাথা ঘুরিয়ে দেব।

    তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের কথা দিয়েছিলেন, আর পুলিশ ধরবে না, সভা সমাবেশে বাধা দেবে না। আপনারা রাস্তায় মিটিং করবেন না, আপনারা মাঠে মিটিং করবেন। আপনারা রাজশাহীর নেতারা, আপনার রাজশাহীর পুলিশরা আমাদের রাস্তায় মিটিং করতে বলেছিল। আপনি (শেখ হাসিনা) বলেন রাস্তায় মিটিং করবেন না আর আপনার পুলিশরা বলে রাস্তায় মিটিং করতে।

    সমাবেশে বঙ্গবীর বলেন, আমি টাঙ্গাইল থেকে সড়কপথে এসেছি, আমি গরিব মানুষ, গরিবের মতো চলাফেরা করি, রাস্তায় রাস্তায় শেখ হাসিনার মাইটা পুলিশরা বাধা দিয়েছে, আমাকেও ঘুরাতে পারে নাই, এই মাঠের মানুষকেও ঘুরাতে পারে নাই।

    পুলিশদের উদ্দেশে কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, আমরা সংসদে থাকতে অন্তত ৭ বার পুলিশদের সুযোগ-সুবিধার জন্য প্রস্তাব করেছিলাম সেই জন্য আজকে এত বেতন। শুধু হাসিনার কথা নয় আর কদিন পর আমাদের কথাও শুনবেন আপনারা।

    তিনি বলেন, যে পুলিশরা ঘুষ দিয়ে ভর্তি হয়েছেন, আমি এই রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে কথা দিয়ে গেলাম, আপনাদের ঘুষের টাকা আমি ফিরিয়ে দেব। সব টাকা দিতে পারব না। আমি একটা মনে মনে হিসাব করে রেখেছি যারা আওয়ামী লীগের আমলে পুলিশে ভর্তি হয়েছে তাদের প্রত্যককে আমরা ১০ লাখ টাকা আমরা ফিরিয়ে দেব।

  • খালেদা জিয়াকে দেখলে কান্নায় বুক ফেটে যায়: ফখরুল

    খালেদা জিয়াকে দেখলে কান্নায় বুক ফেটে যায়: ফখরুল

    কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেখানে রাখা হয়েছে দেখলে কান্নায় বুক ফেটে যায়। শুক্রবার বিকালে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় একথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেছেন এখানে তাকে আরও চিকিৎসা দিতে হবে। কিন্তু সরকার জোর করে খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে নিয়েছে।

    গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে খালেদা জিয়ার অবদান প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি এমন একজন নারী যিনি গণতন্ত্রের জন্য স্বামী হারিয়েছেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। বড় ছেলে তারেক রহমান নির্বাসিত।

    তিনি বলেন, তাকে (খালেদা জিয়া) হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা সম্পন্ন না করে জোর করে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে কারাভ্যন্তরে রেখে তাকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার।

    এর আগে দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে জনসভায় যোগ দিতে পারেননি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তবে ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি।

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর সভাপতিত্বে জনসভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিজেপির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সন্তুষ্ট ৬৮ শতাংশ তরুণ

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সন্তুষ্ট ৬৮ শতাংশ তরুণ

    দেশের শতকরা ৫৩ দশমিক ৫ ভাগ ভোটার মনে করেন আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। আর শতকরা ৬৮ দশমিক ৩ ভাগ শিক্ষিত তরুণ ভোটার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সন্তুষ্ট।

    ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শনিবার সকালে গবেষণা প্রতিষ্ঠান কলরেডির তরুণ ভোটারের ওপর গবেষণা ও জরিপের ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী গবেষক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশের মোট ভোটারের শতকরা ১০ ভাগ তরুণ ভোটার। এদের মধ্যে শতকরা ৬৮ দশমিক ৩ ভাগ তরুণ ভোটার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি সন্তুষ্ট।

    শতকরা ৩০ দশমিক ২ ভাগ ভোটার পরিবর্তন চায় এবং শতকরা ১৮ দশমিক ৫ ভাগ ভোটার ভোটের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।আবুল হাসনাৎ মিল্টন জানান, রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের ১২টি জেলার মোট ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ১ হাজার ১৮৬ জন শিক্ষার্থী ভোটারের মধ্যে এই গবেষণা জরিপ পরিচালনা করা হয়।

    মোট ২১টি ফোকাস গ্রুপ গত ২২ থেকে ৩০ অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই জরিপ ও গবেষণা পরিচালনা করে। গবেষণা দলের সদস্যরা মোট ১৮টি বিষয়ের ওপর প্রশ্ন নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে এ জরিপ ও গবেষণা কার্যক্রম চালায় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

  • আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাই ও ঘোষণা কবে?

    আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাই ও ঘোষণা কবে?

    একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী চূড়ান্তের প্রাথমিক ধাপে শুক্রবার মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। প্রথম দিনে দুই হাজারের বেশি ফরম বিক্রি করেছে তারা।

    দলটির প্রার্থী চূড়ান্তে এরপর বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসবে ফাইনাল শিট, হবে অপেক্ষার অবসান; জানা যাবে কারা নৌকা প্রতীকে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করবে।

    তাহলে মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়া শেষ হচ্ছে কবে? আর বাছাই প্রক্রিয়া শেষে মনোনীত প্রার্থীদের নামের ঘোষণাই বা আসবে কবে?

    এ নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঝে দেখা দিয়েছে আগ্রহ। এসবের জবাব পেতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে আরও একটি রাত। ১১ নভেম্বর দলটির মনোনয়ন বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত আসবে কতদিন পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম প্রদান ও সংগ্রহের কাজটি চলবে। পাশাপাশি বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করা হবে কবে।

    বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বেলা সাড়ে তিনটার মনোনয়ন বোর্ডের ওই সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা৷

    এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়। তেমন কিছু জানাতে পারেননি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিজেও অন্ধকারে থাকার কথা জানান তিনি। বলেন: বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে রোববার আমাদের দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় সভাপতিত্ব করবেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। নেত্রী সেখানে সিদ্ধান্ত নেবেন কতোদিন আর দীর্ঘ হবে মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়া চলবে। বাছাই প্রক্রিয়াই বা কবে থেকে শুরু হবে। সেই সঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন কোনটি হবে।

    এর আগে দশম জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করেন ২ হাজার ৬৮ জন। এবার মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিনেই দুই হাজারেরও বেশি মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন।

    শনিবারের পরিস্থিতি বিবেচনায় মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে, কতদিন চলবে মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়ার কাজ। বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, এমন পরিস্থিতি থাকলে আরও পাঁচদিন মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা নেওয়া হতে পারে।তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হয় সেটা জানা যাবে রোববার।

  • আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ডিপজল

    আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ডিপজল

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

    শনিবার দুপুরে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন।

    মনোনয়ন ফরম কেনার পরে মনোয়ার হোসেন ডিপজল সাংবাদিকদের জানান, আগামী নির্বাচনে আমি ঢাকা-১৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করে এই আসনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিতে চান।

    ডিপজল ১৯৯৪ সালে ঢাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি তখন বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

  • শেখ হাসিনা প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি ইসলামকে ভালোবাসেন: আল্লামা মাসঊদ

    শেখ হাসিনা প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি ইসলামকে ভালোবাসেন: আল্লামা মাসঊদ

    বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা চেয়ারম্যান ও শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেছেন, কওমি মাদরাসা শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি প্রদান করে শেখ হাসিনা প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি ইসলাম ও উলামায়ে কেরামকে ভালোবাসেন।

    তিনি বলেন, শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি না থাকার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারছিল না, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে এখন বিশ্বের দরবারে শিক্ষিত হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার উদ্যোগে আলেম-জনতা ঐক্য গড়ার আহ্বানে, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে ৪ দিনব্যাপী ঐতিহাসিক পথযাত্রার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে সুনামগঞ্জ পুরান বাস স্ট্যান্ডে ওই সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    দুর্নীতি দেশের উন্নতি নষ্ট করে দেয় দাবী করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, দুর্নীতি একটি সামাজিক ব্যাধি। সমাজের সর্বত্র দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এদেশের এই উন্নয়নের ধারা আকড়ে রাখতে হলে আমাদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের আওয়াজটা উঠাতে হবে, যাতে করে মানুষ সচেতন হতে পারে।

    মাদক যুবসমাজকে নষ্ট করে দিচ্ছে মন্তব্য করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্মপ্রাণ দেশ। এদেশের যুবকরা ধর্মপ্রেমী। ইসলাম, ধর্ম ও দ্বীনের প্রতি এতো টান অন্যান্য দেশের যুবকদের মাঝে কমই দেখা যায়। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি আমাদের দেশের উন্নতি সহ্য করতে না পেরে আমাদের যুব সমাজকে মদ-নেশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকাসক্ত করে তাদের জীবনকে নষ্ট করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। যদি যুবকদের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ আর কখন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।

    তাবলীগের বর্তমান বিবাদ প্রসঙ্গে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, সারা বিশ্বে সুন্দর একটা দাওয়াতি কাজ চলছিল। তাবলীগের সাথীরা পৃথিবীর সর্বত্রে দ্বীনের প্রচার-প্রসার করছিল। কিছুদিন আগে যারা একই দস্তরখানায়, এই প্লেটে বসে একসাথে খানা খেয়েছে, এখন তাদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা ইহুদী-খৃষ্টানদেরকে সহ্য করতে পারে কিন্তু তার অপর পক্ষের সাথীকে সহ্য করতে পারে না।

    তিনি বলেন, মসজিদে মসজিদে মারামারি জন্যে ইসলাম আসেনি। ইসলাম প্রেম ও ভালোবাসার ধর্ম। ইসলাম মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়।

    আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, হযরত ইলিয়াস রহ. উম্মতের মধ্যে বিভক্তি করার জন্যে তাবলীগ জামায়াত তৈরি করেননি। হযরত ইলিয়াস রহ. ইসলামের প্রচার-প্রসার, মানুষের দ্বীনের হেফাজত, জনসাধারণকে উলামায়ে কেরামের সঙ্গে জুড়িয়ে দেয়ার জন্যে তাবলীগ জামায়াত তৈরি করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করার জন্যে নয়। কাউকে নাস্তিক-মুরতাদ বলে ফতোয়া দেয়া জন্যে নয়।

    তিনি বলেন, দ্বীনকে মহব্বতের নামে মসজিদে মসজিদে মারামারি করে, মসজিদ থেকে কাউকে বের করে দেয়ার জন্যে ইসলাম আসেনি।

    আল্লামা মাসঊদ বলেন, মানুষের মধ্যে পরস্পরের প্রেম-ভালোবাসাকে ইসলাম পছন্দ করে। বিভাজন-বিদ্বেষকে নয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- ‘আল্লাহর জন্যে মানুষকে ভালোবাসা’। তাবলীগের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ভুলে আলেম-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাবলীগের কাজকে বেগবান করার আহ্বান জানান তিনি।

    ঐতিহাসিক পথযাত্রা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ বলেন, আল্লামা মাসঊদ উলামায়ে কেরামের অভিভাবক। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী মানবকল্যাণে শান্তির ফতোয়া প্রকাশ করে তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন কওমি মাদরাসায় কোন জঙ্গি নেই।

    জনসভায় বক্তব্য দেন মাওলানা আব্দুর রহীম কাসেমী, মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাইফী, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা আবু সুফিয়ান যাকী, মুফতি তাজুল ইসলাম কাসেমী, মাওলানা সদরুদ্দিন মাকনুন, মাওলানা আইয়ুব আনসারী, মাওলানা আব্দুল আলীম ফরীদী, মাওলানা সাঈদ নিজামী, দারুল হাদিস তেঘরিয়া মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা আনোয়ার হুসাইন, মাওলানা আবদুল্লাহ প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার উদ্যোগে আলেম-জনতা ঐক্য গড়ার আহ্বানে, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে দেশব্যাপি ঐতিহাসিক পথযাত্রা ৬ অক্টোবর শনিবার সকাল ১১টার দিকে যশোরের চাঁচড়ার মোড়ের জনসভা মাধ্যমে শুরু করেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। এরপর খুলনার শহীদ হাদীস পার্ক, গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়া, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, মাদারীপুরের শিবচর, মুন্সিগঞ্জের কুচিয়া মোড়া কলেজ মাঠ, নরসিংদীর ভেলানগর, ভৈরবের দুর্জয় মোড়,ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিশ্বেরোড, হবিগঞ্জে মিরপুর বাহুবল,মৌলভীবাজার, সিলেট ও সর্বশেষ সুনামগঞ্জ পুরান বাস স্ট্যান্ড সর্বশেষ জনসভা ও সমাপনী দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে

    আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, কোথাও গণগ্রেফতার হচ্ছে না। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখন পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

    আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মগবাজারে এক সুধী সমাবেশে তিনি জানান, যাদের নামে সুনির্দিষ্ট মামলা বা গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে কেবল তাদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে। নির্বাচন ঘিরে কোন সংঘাতের সৃষ্টি হলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দমন করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এসময় সুধী সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন আয়োজকরা। রমনা-তেজগাঁওয়ের সংসদ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের পক্ষে নৌকায় ভোট চান বক্তারা।

  • পুলিশ ও আওয়ামীলীগের বক্তব্য মিলছে না

    পুলিশ ও আওয়ামীলীগের বক্তব্য মিলছে না

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় পিকআপের ধাক্কায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, তারা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মিছিলে ছিল। তবে কে কোন পক্ষের সমর্থক ছিল, তা পুলিশ জানাতে পারেনি।

    অন্যদিকে আওয়ামী লীগের দাবি, মাদক ব্যবসায়ীদের বাধা দেওয়ার কারণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    আজ শনিবার দুপুরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এটাই নির্বাচনী সহিংসতায় বড় ধরনের প্রাণহানির প্রথম ঘটনা। নিহত দুজন হলো আরিফ হোসেন (১৪) ও মো. সুজন (১৮)। এদের মধ্যে সুজন নির্মাণশ্রমিক এবং আরিফ প্রিন্টিংয়ের কাজ করত। এ ঘটনায় আরও কয়েক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাঁদের সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা–১৩ আসনের সাংসদ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ওই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘাতের ঘটনা ঘটে। আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাদেক খানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার জন্য তাঁর কর্মী–সমর্থকদের একটি গাড়িবহর মিছিল নিয়ে মোহাম্মদপুর এলাকার সুনিবিড় হাউজিংয়ের সামনে যায়। এ সময় নানকের সমর্থকেরা বাধা দেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের মোহাম্মদপুর বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আরিফ ও সুজন আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মিছিলে অংশ নিয়েছিল।

    আরিফ ও সুজনের বন্ধু নুরুল আমিন জানান, সুজন নবীনগর হাউজিংয়ের ১০ নম্বর রোডে থাকে। পেশায় রাজমিস্ত্রির কাজ করে সে। তার বাবার নাম রুহুল আমিন।

    নুরুল আমিন আরও জানান, আজ সকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা নুর আলম তাদের একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার দাওয়াত দেন। এ জন্য তারা ১০–১২ জন তরুণ–কিশোর বন্ধু মিলে নবোদয় হাউজিং লোহার গেট এলাকায় যায়। সেখানে মিছিল করে একটি পিকআপ ভ্যানে ওঠে তারা। এর পরপরই কারা যেন পিকআপ ভ্যানে ঢিল ছুড়তে থাকে। এ সময় পিকআপ থেকে সবাই তাড়াহুড়ো করে নামতে শুরু করে। চালক পিকআপভ্যানটিও পেছনের দিকে চালাতে থাকেন। এ সময় কয়েকজন পড়ে গেলে পিকআপটি সুজন ও আরেক কিশোরের ওপর দিয়ে উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আরিফ মারা যায়। গুরুতর অবস্থায় সুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সুজনের মৃত্যু হয়।

    এদিকে নিহত আরিফের ভাই আলাউদ্দিন বলেন, ‘আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। আরিফ আওয়ামী লীগের নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাচ্ছিল।’ ময়নাতদন্তের জন্য আরিফের লাশ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

    দুজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর। তিনি বলেন, আরিফ প্রিন্টিংয়ের কাজ করে। তার বাবার নাম মো. ফারুক হোসেন। ভোলা জেলার লালমোহনে গ্রামের বাড়ি। ঢাকার তুরাগ হাউজিংয়ের ঢাকা উদ্যান পানির পাম্পের পাশে তার বাসা।

    সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক সোনিয়া আকতার বলেন, হাসপাতালে আরিফকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ছেলেটিকে যাঁরা নিয়ে এসেছেন, তাঁরা বলেছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় সে আহত হয়েছে। মারামারির ঘটনায় আহত ১৬ জনকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে ক্যাজুয়ালটি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।

    নিহত সুজন ও আরিফ আওয়ামী লীগের কর্মী জানিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা সাদেক খান দাবি করেন, মাদক ব্যবসায়ীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের বাধার কারণে দুজন মারা গেছে। এখানে জাহাঙ্গীর কবির নানকের লোকজন জড়িত ছিলেন না। আর ঘটনার সময় তিনি (সাদেক খান) ধানমন্ডি ৩ নম্বরে ছিলেন।

    এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

  • প্রয়োজনে আমি গিয়ে তার পক্ষে ভোট করবো : প্রধানমন্ত্রী

    প্রয়োজনে আমি গিয়ে তার পক্ষে ভোট করবো : প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তার ব্যক্তিগত সহকারী তোফাজ্জল হোসেন।

    শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়।

    এরপর কিছুক্ষণ পর সৈয়দ আশরাফের ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়াতুল ইসলাম একই আসন থেকে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    এর আগে একাদশ নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক মতবিরোধ নিরসনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি রাজনৈতিক দল ও জোট গুলোর সঙ্গে সংলাপে বসে।

    সংলাপের শেষ দিনে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে এক আলাপচারিতায় উঠে আসে সৈয়দ আশরাফের শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গে।

    ওই সময় উপস্থিত এক নেতা জানিয়েছেন: আলোচনার সৈয়দ আশরাফের শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে তার আসন কিশোরগঞ্জ-১ এ করণীয় কী হবে জানতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন: আশরাফের শ্বাস থাকা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ-১ থেকে যেন কেউ মনোনয়ন চাইতে না আসে। আশরাফ অসুস্থ থাকলে প্রয়োজনে আমি গিয়ে তার পক্ষে ভোট করবো।

    এসময় তিনি ঢাকাসহ সারাদেশে সৈয়দ আশরাফের আশু-সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল আয়োজনে নির্দেশনা দেন। আজ শুক্রবার এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    বর্তমানে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আওয়ামী লীগের এই সাবেক সাধারণ সম্পাদক থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

  • নির্বাচন করছেন মাশরাফি-সাকিব, আ.লীগের মনোনয়ন কিনছেন রবিবার

    নির্বাচন করছেন মাশরাফি-সাকিব, আ.লীগের মনোনয়ন কিনছেন রবিবার

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসান।

    রবিবার তারা এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসান নির্বাচন করতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

    ওই সময় তিনি বলেছেন, তারা যদি নির্বাচনে আসেন, তাহলে তাদের ভোট দেবেন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভাশেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।