Category: রাজণীতি

  • বিএনপি নির্বাচনে আসবে,মনে করেন শামসুল হুদা

    বিএনপি নির্বাচনে আসবে,মনে করেন শামসুল হুদা

    গতবারের অভিজ্ঞতার আলোকে বিএনপি এবার নির্বাচনে আসবে বলে মনে করেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদা। আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ‘জাতীয় নির্বাচনী অলিম্পিয়াড’ এর আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    জাতীয় নির্বাচনী অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠানে সারা দেশের ৩০টি নির্বাচনী আসনের ২৯৫টি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত ৭৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁরা সারা দেশের ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে বিজয়ী হয়ে আসেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সবাই এবার প্রথমবারের মতো ভোটার হয়েছেন। এই ৭৩ জনের মধ্যে অনুষ্ঠানে ১০ জন চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হন। তাঁদের পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে অতিথিরা তার জবাব দেন।

    আলোচনার একপর্যায়ে নির্বাচন ও সংসদ বয়কটের সমালোচনা করেন সাবেক সিইসি এ টি এম শামসুল হুদা। তিনি বলেন, যদি সব দল ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) রাজি না হয়, তাহলে তা করা উচিত নয়। জোর করে করলে অসুবিধা হতে পারে।

    শামসুল হুদা মনে করেন, রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেওয়া, ভাঙচুর—এ ধরনের প্রথাগত আন্দোলনের সংস্কৃতি ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম, এগুলো জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে।

    বক্তব্য দেন এ টি এম শামসুল হুদা। ঢাকা, ১০ নভেম্বর। ছবি: দীপু মালাকারবক্তব্য দেন এ টি এম শামসুল হুদা। ঢাকা, ১০ নভেম্বর। মালাকারসভাপতির বক্তৃতায় ইভিএমের বিপক্ষে বলেন সুজনের সভাপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান। তিনি বলেন, বিশ্বের কয়েকটি দেশ ইভিএম বন্ধ করে দিয়েছে।

    ‘না’ ভোটের বিধান চালুর দাবি জানান শিক্ষার্থীদের একজন। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়ে সুজনের নির্বাহী সদস্য ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ বলেন, শুধু ‘না’ ভোটের বিধানই নয়, কত শতাংশ ‘না’ ভোট হলে নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে করতে হবে, সেটাও সংযুক্ত থাকতে হবে।

    সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অস্ত্রের মতো তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বিরাট হুমকি।

    সুজনের নির্বাহী সদস্য সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বিকল্প হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকতে পারত।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

  • গৌরনদী-আগৈলঝাড়া আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়ে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    গৌরনদী-আগৈলঝাড়া আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়ে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    শামীম ইসলাম:

    জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহের লক্ষ্যে ঢাকা যাওয়ার পূর্বে, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার জনপ্রতিনিধি,দলীয় নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গের সাথে মতবিনিময় ও দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়ার সদস্য,পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি।

  • নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করার সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বিএনপি

    নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করার সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বিএনপি

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

    শনিবার (১০ নভেম্বর ২০১৮) বিকেল ৫টায় বৈঠকে বসার কথা থাকলেও কয়েকজন নেতা এসে না পৌঁছানোর কারণে বৈঠক শুরু হতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। এছাড়া সেখানে পৌঁছেছেন মির্জা ফখরুল, মাহবুবুর রহমানসহ আরো কয়েকজন নেতাকর্মী।

    জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর ২০ দলীয় জোটের একটি বৈঠকও হতে পারে। এ বৈঠকের মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হবে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি যাবে না।

    নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া থেকে সব রকমের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে আজকের বৈঠকে।

    এর আগে, একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই গত বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর ২০১৮) রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। মূলত নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেই এই বৈঠক হলেও এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি কেউ। যদিও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে নির্বাচনের বিষয়ে ইতিবাচক বিএনপি।

    এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন বিএনপি কি আদৌ নির্বাচনে অংশ নেবে নাকি আন্দোলনের পথে হাঁটবে।

    এদিকে, নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে দ্বিমত এখন বিএনপিতেই। দলের ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন বলছেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে দলটির চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবেই নির্বাচনের যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

    অন্যদিকে, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলছেন, সংলাপে কোনো দাবি না মানার পরেও এই নির্বাচনে অংশ নিলে তা হবে সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন।

    দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে সাফ জানিয়ে দেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। বিএনপিকে বাইরে রেখে আবারো নির্বাচন করার সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

    মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার জন্যই বিএনপি আন্দোলনে যাবে। নির্বাচন আন্দোলনেরই একটি অংশ। সরকারের লক্ষ্যই হল বিএনপি যেন নির্বাচনে না যায়। সুতরাং তাদের এই লক্ষ্য সিদ্ধ হতে দেব না। আমরা এবার নির্বাচনে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়ে আছি।’

    তবে, বেগম জিয়া কিংবা তারেক রহমানকে ছাড়া নির্বাচনে যাওয়া আত্মঘাতীমূলক সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে করেন দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

    গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সরকারের কাছে যদি আমরা এভাবে আত্মসমর্পণ করি তাহলে তো হল না, কারণ সরকার ৭ দফার কোনটাই তোয়াক্কা করে না। সেহেতু এ অবস্থায় আমাদের নির্বাচনে যাওয়া মানেই সরকারের ইচ্ছা পূরণ করা।

    ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হবে বলেও জানান তারা।

  • হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে আজ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা- মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে আজ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা- মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ‘চলো চলো ঢাকা চলো” আজ বরিশাল জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের আওয়ামীলীগ দলীয় নৌকা মার্কার  মনোনয়ন প্রত্যাশী সকল সংসদ-সদস্য প্রার্থীগন বিসিসি মেয়র সাদিক অাবদুল্লাহর সাথে সবাই একত্রে লন্চ যোগে বরিশাল হইতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করবেন।

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় ও পল্লীউন্নয়ন সমবায় মন্ত্রনালয় এর সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান,জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি,(মন্ত্রী) আলহাজ্জ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এর নেতৃত্বে,দলীয় নমিনেশন ফরম ক্রয় করবেন ও দাখিল করবেন।

    এই কর্মসূচী সফল করার লক্ষ্যে গতকাল সন্ধায় সিটি মেয়রের বাসভবনে  একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় মুল্যবান বক্তব্য ও দিক নির্দেশনা দিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। সকল নেতাকর্মীর উদ্দেশ্য র্সিটি মেয়র তার বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী অাপনাদের অনুরোধ রেখে আমাকে মেয়র নমিনেশন দিয়েছেন এবং আপনারা আমাকে বিজয়ী করেছেন, বরিশাল এর মাটি নৌকায় ঘাটি এটা আবার প্রমান করে দিতে হবে, আসছে ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার মনোনীত বরিশাল সদর-৫ আসনের নৌকার প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করে জননেত্রীকে এই আসন উপহার দিতে হবে।

    বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড ও সদরের ১০টি ইউনিয়ন সহ সকল সহযোগি সংগঠনের সহস্রধীক নেতাকর্মীকে নিয়ে ঢাকার সদর ঘাট হইতে  ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয় পথ-যাত্রায় রেলী সহকারে পৌছাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।

    উক্ত প্রস্থতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ-সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ,মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি (এমপি প্রার্থী) গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান (এমপি প্রার্থী) সাইদুর রহমান রিন্টু সহ -বিসিসি কাউন্সিলরগন ও সহযোগী সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    উক্ত সভার সঞ্চালনা করেন ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নইমুল হোসেন লিটু।

  • বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানালেন এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ

    বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানালেন এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানালেন বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ-সদস্য, প্রয়াত মেয়র হিরন পত্নি জেবুন্নেছা আফরোজ।

    গতকাল বরিশালস্থ সিটি মেয়র এর বাসভবনে এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ সহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ, নবনির্বাচিত বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সাথে দেখা করেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    এ সময় অারো বিভিন্ন ওয়ার্ড এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার: কাদের

    বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার: কাদের

    আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    শনিবার সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা ও দেয়া নিয়ে ব্রিফিংকালে তিনি একথা জানান।

    একই সঙ্গে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নির্বাচনে অংশ নেবে বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    এদিকে, দ্বিতীয় দিনের মতো শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

  • বিএনপির ঘাটিতে জয় চায় আওয়ামী লীগ

    বিএনপির ঘাটিতে জয় চায় আওয়ামী লীগ

    বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বরিশাল-৫ আসনকে বলা হয় দক্ষিণের রাজনীতির সদর দফতর। আসনটি সব রাজনৈতিক দলের প্রথম টার্গেট হলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সব নির্বাচনেই এ আসনে জয়লাভ করছে বিএনপি।
    শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচনই নয়, সিটি নির্বাচনেও বেশিরভাগ সময় জয় পায় বিএনপিই। মাঝে একবার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রয়াত শওকত হোসেন হিরন জয়লাভ করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির দলীয় কোন্দলের সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছিলেন হিরন। সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রায় সোয়া লাখ ভোট পেয়ে মেয়র হন আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এ বিজয় নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশাল-৫ আসনটি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বড় দু’দলই।

    ২০০৮ সালের নির্বাচন ছাড়া নব্বইয়ের পট পরিবর্তনের পর প্রতিটি নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে অন্তত ৫০ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড রয়েছে বিএনপির। ১৯৯১ সালের ভোটে এমপি হন প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস। তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ছেড়ে দেয়া আসনে উপনির্বাচনে বিজয়ী হন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার। ’৯৬ সালে এমপি হন আবদুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে নাসিম বিশ্বাস। ১৯৯৮ সালে তার আকস্মিক মৃত্যু হলে উপনির্বাচনে আবার এমপি হন সরোয়ার। ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এমপি হন সরোয়ার। ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪২ ভোটার অধ্যুষিত এ এলাকায় ২০০৮ সালের নির্বাচনে সরোয়ার ১ লাখ ৫ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক

    শামীম পান ৯৯ হাজার ৩৯৩ ভোট। তৎকালীন মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনের কারিশমার কারণেই ভোটের ব্যবধান কমাতে পেরেছিল আ’লীগ। সবশেষ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটে শওকত হোসেন হিরন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হন। পরে তার আকস্মিক মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে বিজয়ী হন তার স্ত্রী জেবুন্নেসা আফরোজ। আগামী নির্বাচনেও তিনি দলের মনোনয়ন চাচ্ছেন। তিনি ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হচ্ছেন- সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান রিন্টু, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহম্মেদ এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য রেলওয়ে শ্রমিক লীগের উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন রিপন।

    ২০১৪ সালে হিরনের মৃত্যুর পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রয়াত মেয়রের স্ত্রী জেবুন্নেসার মধ্যে হিরনকে খুঁজে ফিরলেও সময়ের ধারাবাহিকতায় কিছু আশাহত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত যে হিরন আগলে রেখেছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতি। সেই হিরন অনুসারীরা আশাহত হয়ে ধীরে ধীরে ভিড় জমান জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদায় পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদে থাকা এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছায়াতলে। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী বলেন, ‘হিরনের বলয় টিকিয়ে রাখতে জেবুন্নেসা শুধু ব্যর্থই হননি, তিনি নিজেও হাত মিলিয়েছেন হাসানাত আবদুল্লাহর সঙ্গে। ফলে বরিশালের আওয়ামী লীগ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় হিরন অনুসারীদের অস্তিত্ব। পরিস্থিতি এমন যে হিরনের কথা বলার মতো এখন আর কেউ নেই এখানে।’ এসব বিষয় নিয়ে আলাপকালে জেবুন্নেসা বলেন, ‘আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ আমার রাজনৈতিক অভিভাবক। তার পরামর্শ নিয়েই আমি আমার কর্মকাণ্ড চালাই। এক্ষেত্রে হিরন সাহেবের সঙ্গে তার সম্পর্ক কি ছিল না ছিল তা আমার জানা নেই।’

    আওয়ামী লীগের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রম এর আগে একাধিকবার দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করলেও জিততে পারেননি কখনোই। জানতে চাইলে মাহবুব উদ্দিন বলেন, ‘বরিশালের সাধারণ মানুষ আমাকে চেনেন-জানেন। তারা চান যে আগামী নির্বাচনে আমি সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব করি। বাকি সিদ্ধান্ত দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।’ দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন সত্ত্বেও রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে পরিচিত সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, ‘বংশানুক্রমিকভাবে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান আমি। আমার অতীত, বর্তমান এবং দলের জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষার বিশ্লেষণ করে জননেত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন তাই মাথা পেতে নেব।’ দলের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, ‘আমি কাজ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্যে। আওয়মী লীগ সে কাজের প্ল্যাটফর্ম। সোনার বাংলা নির্মাণের ক্ষুদ্র কর্মী ছাড়া আমি নিজেকে আর কিছুই মনে করি না।’

    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন রিপন বলেন, ‘সবাই এমপি-মন্ত্রী হয়ে উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দেন। আমি কোনো কিছু হওয়ার আগেই লক্ষাধিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। মনোনয়ন দেয়া-না দেয়া নেত্রীর ব্যাপার। আমি আমার সেবামূলক কাজ চালিয়ে যাব।’ তার নিজের একটি সামাজিক সংগঠন রয়েছে। সমাজ কল্যাণ সংস্থা নামের সংগঠনের মাধ্যমে তিনি মানুষের চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানমূলক অর্থ সহায়তা করছেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খানিকটা ভালো অবস্থানে বিএনপি। একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী নির্বাচন করতে চাইলেও এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। তবে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন সরোয়ার। গোপন চুক্তির বিনিময়ে মাঠ ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। এরকম পরিস্থিতিতে তার মনোনয়ন নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ তার হাতেই উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    নির্বাচন নিয়ে কথা হয় মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বরিশাল বিএনপির ঘাঁটি। সিটি নির্বাচনে চুরি নয় ডাকাতি করে আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য সব দলের প্রার্থীর একযোগে নির্বাচন বর্জন। জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নে দল যে সিদ্ধান্ত দেবে সেটাই মাথা পেতে নেব।’ সরোয়ার ছাড়াও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হচ্ছেন- সদ্য সাবেক সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন এবং বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চান।

    জানতে চাইলে শিরিন বলেন, ‘দলের কাছে মনোনয়ন চাইব। এর আগেও চেয়েছি। বাকি সিদ্ধান্ত দেবে দল।’ এবায়েদুল হক চান বলেন, ‘মনোনয়ন চাই সেটাই তো স্বাভাবিক। জনগণের জন্যে রাজনীতি করি। জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ তৈরি করতেই তো নির্বাচনে অংশ নেয়া। বাকি সিদ্ধান্ত দেবে দল।’ এছাড়া মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল করিমের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে শোনা যাচ্ছে দলের কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হোসেন তাপসের নাম। সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে ব্যাপক আলোচিত হওয়া তাপস ভোটের মাঠে ফ্যাক্টর হতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে। নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রশ্নে তাপস বলেন, ‘পল্লীবন্ধু এরশাদের সিদ্ধান্তই এক্ষেত্রে আমার কাছে সব। বরিশালের মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। তাদের সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই। আর সেজন্যেই থাকব নির্বাচনী মাঠে। বাকি সিদ্ধান্ত নেবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।’

  • প্রথম দিনে বরিশালে  ১৫১ প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম ক্রয়

    প্রথম দিনে বরিশালে ১৫১ প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম ক্রয়

    ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথদিন এক হাজার ৭০০টি ফরম বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির দফতার সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।

    গোলাপ বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী দুইটি ফরম কিনিছেন। এর মধ্যে একটি গোপালগঞ্জ-৩ আসনের আর একটি রংপুর-পীরগঞ্জ । আগামী ১১ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে কবে মনোনয়নপত্র জমা হবে।’

    জানা যায়, বিক্রয় করা ফরমগুলোর মধ্যে ঢাকা এলাকার ৬৯৩টি, খুলনা ১৮১, ময়মনসিংহ ১৬১, রাজশাহী ১৭৬, রংপুর ১২০, সিলেট ৭২ ও বরিশাল ১৫১টি ফরম বিক্রি হয়।

    মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিন বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতা-কর্মীদের কথা চিন্তা করে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়পত্র বিক্রি শুরু হয়। পরে সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত চলে ফরম বিক্রি।

    এর আগে সকাল ১০টা থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হয়। মাঝে সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল তিনটা পযর্ন্ত জুম্মার নামাজ ও মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি ছিল।

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারটি নিশ্চিত, স্পিকার কোথায় নির্বাচন করবেন নিশ্চিত না।

  • সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী মেনে না নিয়ে দেশে গৃহযুদ্ধের সূচনা করতে যাচ্ছে: চরমোনাই পীর

    সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী মেনে না নিয়ে দেশে গৃহযুদ্ধের সূচনা করতে যাচ্ছে: চরমোনাই পীর

    এ.আই. অহিদ (খুলনা জেলা):

    ’’দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের যৌক্তিক দাবিকে উপেক্ষা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তফসিল ঘোষণা লজ্জ্বা ও দূর্ভাগ্যের বিষয়। তফসিল ঘোষণা দিয়ে সরকার পাতানো নির্বাচনের চক্রান্তে মেতে উঠেছে’’ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খুলনা জেলা ও মহানগর কর্তৃক আয়োজিত জনসভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

    জনসভায় চরমোনাই পীর আরও বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও এদেশে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করতে হয়, এটা দুঃখজনক। এটা ভাবতেও আমাদের লজ্জা হয়। সব রাজতৈকি দলের নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিকে গুরুত্ব না দিয়ে সরকার দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চায় সরকার। নির্বাচনের কাঙ্খতি পরিবেশ তৈরি করতে তিনি নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করেন। তিনি বলেন, এ দেশে যখনই কেউ ব্যক্তিগত নীতি-আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে গেছে এই মাটিতেই সে ধ্বংস হয়ে গেছে। শুক্রবার বিকেলের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    গত ০৯ নভেম্বর খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর ও জেলা শাখা আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের খুলনা মহানগর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মুজাম্মিল হক। দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, সরকার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন করলেও মানুষের মন জয় করতে পারেনি। মানুষের মনে শান্তি আনায়ন করতে পারেনি। এ কারণে শেখ হাসিনা সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে ভয় পাচ্ছে। চরমোনাই পীর এসময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি ঘন্টার পর ঘন্টা উন্নয়নের কথা বলেন। যদি উন্নয়ন করে থাকেন তাহলে সুন্দর পরিবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে আপনি ভয় পাচ্ছেন কেন। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও সাধারণ মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।

    জনগণকে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথে নামলে তাদেরকে প্রতিহত করা যাবে না। তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গত ৫ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশের মাধ্যমে ১০ দফা দাবি পেশ করেছে। গত ১৬ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির কাছে ১০ দফা বাস্তবায়নে স্মারকলিপি দিয়েছে। এ ১০ দফা মেনে নিলে রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে আর সংলাপের প্রয়োজন হতো না। জনসভায় সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম খুলনা জেলার ০৬ টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। বিভিন্ন দল তাদের প্রার্থী নিয়ে সমস্যায় থাকলেও বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইসলামী আন্দোলন ৩০০ আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এই জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মহাসচিব ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ। বক্তৃতা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, নগর সহ-সভাপতি মাওঃ মুজাফ্ফার হোসাইন, জেলা সহ-সভাপতি ও খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওঃ আবু সাঈদ, মাওঃ রেজাউল করীম, নগর সেক্রেটারি মুফতী আমানুল্লাহ, জেলা সেক্রেটারি শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, সৌদি আরব শাখার সেক্রেটারি মাওঃ হাফেজ আসাদুল্লাহ আল গালিব, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা সজিব, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু গালিব, নগর প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওঃ গাজী নূর আহম্ম দ সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

  • বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রতি ভোট কেন্দ্রে কমিটি গঠনের নির্দেশ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর

    বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রতি ভোট কেন্দ্রে কমিটি গঠনের নির্দেশ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর

    আজ বরিশাল সার্কিট হাউজ এ  বরিশাল জেলা ও মহানগর অাওয়ামীলীগ অায়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায়,নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ না রেখে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এমপি।

    সেই সাথে নির্বাচনের আগেই জেলার প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একটি করে কেন্দ্র কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এই নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী হাসানাত আবদুল্লাহ-এমপি।

    বেলা ১১টায় নগরীর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন পরিবিক্ষন কমিটির মন্ত্রী মর্যাদায় আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এমপি’র সভাপত্বে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের যৌথ বর্ধিত সভা শুরু হয়।

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মো. ইউনুস-এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ এমপি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানারা বেগম।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর এর সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট আফজালুল করিম, সহ-সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু সহ বরিশালের ৬টি উপজেলার দলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। বর্ধিত সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এসময় বাবুগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আসন দুটিতে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী দেয়ার জন্য সভাপতির মাধ্যমে দলের সভানেত্রীর নিকট দাবী জানান। তাছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    তাছাড়া সভাপতির বক্তৃতায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ-এমপি বলেন, কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনীত করবে তার পক্ষেই সবাইকে কাজ করতে হবে। একজন মনোনয়ন চেয়ে না পেলে অভিমান করে বসে থাকলে চলবে না। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই হবে তা হলো নৌকার বিজয়। কেননা নৌকার বিজয় হলে সেই বিজয় গোটা আওয়ামী পরিবারের বিজয় হবে। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে। যেসব উন্নয়ন হয়েছে তা সকলের সামনে তুলে ধরতে হবে।

    আওয়ামী লীগের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগনকে নৌকায় ভোট দেয়ার বিষয়ে উৎসাহ করতে হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের একটি করে সেন্টার কমিটি গঠনের বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন। যারা ভোটের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ভিত্তি আরো শক্তিশালী করতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।