Category: রাজণীতি

  • অবৈধ কর্মপরিষদ এর জিএস নাহিদ সেরনিয়াবাত গ্রেপ্তার

    অবৈধ কর্মপরিষদ এর জিএস নাহিদ সেরনিয়াবাত গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    বরিশাল বিমানবন্দর থানা পুলিশ অর্থ অাত্মসাৎ মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত অাসামী বিএম কলেজের অস্থায়ী কর্মপরিষদের জিএস নাহিদ সেরনিয়াবাতকে গ্রেফতার করেছে। আজ সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর নতুল্লাবাদ এলাকা থেকে নাহিদ সেরনিয়াবাদকে গ্রেপ্তার করে এ এস আই মহিউদ্দিন, পরে তাকে আদালতে প্রেরণ করেন, বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ এ আর মুকুল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    উল্লেখ্য,নাহিদ সেরনিয়াবাত মাদারীপুর এর কালকিনী উপজেলার এক গ্রামের সেরনিয়াবাত বংশ এর বাসিন্দা,আগৈলঝাড়ার (শেরাল)এর সেরনিয়াবাত বংশের সাথে তাহার কোনো আত্বীয় সম্পর্ক নেই,খোজ নিয়ে জানা যায়,নাহিদ দীর্ঘদিন যাবৎ সকল ধরনের অপকর্ম,চাদবাজি,টেন্ডারবাজি,ইট ভাটা দখল সহ,নারী ও মাদকের সাথে জড়িত ছিলো।নাহিদ নামের পাশে সেরনিয়াবাত যুক্ত থাকায়,বিভিন্ন অফিস আদালতে সুবিধা নেয়ার পায়তারা চালাতো ও ক্ষমতার অপব্যবহার করতো,তার গ্রেপ্তার এ নগরবাসী স্বস্তি পেয়েছেন

  • আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার তারেক : ফখরুল

    আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার তারেক : ফখরুল

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আওয়ামী সরকারের আক্রোশের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজ ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারামুক্তি দিবস। ১১/১-এর ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন অসাংবিধানিক সরকারের নির্দেশে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পরে তার বিরুদ্ধে চালানো হয় অপপ্রচারের ধারাবর্ষণ। ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের কর্তৃত্ববাদী সরকার গণতন্ত্র ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধা দিয়ে তারেক রহমানকে ঘিরে বিছাতে থাকে নানা চক্রান্তজাল। মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে তারেক রহমানকে হেয় করার জন্য রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করা হয়। অথচ দেশের কোথায়ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা ছিল না। দিনের পর দিন রিমান্ডের নামে নিষ্ঠুর নির্যাতন করা হয়। পৈশাচিক, শারীরিক অত্যাচারে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নিমর্ম অত্যাচারে তারেক রহমান মুক্তির পরও হাসপাতালের বিছানা থেকে উঠতে পারেননি।

    তিনি আরও বলেন, ১১/১-এর সরকার যে মামলায় তারেক রহমানের নাম অভিযোগপত্রে দিতে পারেনি, ক্ষমতাসীন হওয়ার পর সেই মামলায় সম্পূরক চার্জশিট দিয়ে তারেক রহমানের নাম দেয়া হয়েছে। সুতরাং এই নাম দেয়া সরকারের প্রতিহিংসার চরিতার্থেরই নামান্তর। অর্থাৎ নির্দোষ তারেক রহমান আওয়ামী সরকারের আক্রোষের শিকার।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সমকালীন রাজনীতির সবচেয়ে জনপ্রিয় জননেতা তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস এবারে যথাযথভাবে পালন করা যায়নি। কারণ, দেশে এখন অন্ধকার শ্বাসরোধী পরিবেশ। তারেক রহমানের ওপর সরকারের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ধারা এখনও বয়ে চলেছে। নানাভাবে তাকে বিপর্যস্ত-বিপন্ন করার জন্য সরকার কূটচাল চেলেই যাচ্ছে। তথাকথিত আইনি প্রক্রিয়ার নামে মিথ্যা মামলা ও অন্যায় সাজা দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসাপূরণের গতি অব্যাহত আছে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া অন্যায় বিচারে কারাবন্দি। প্রতিহিংসা চরিতার্থের নেশায় উম্মাদ সরকার দেশনেত্রীকে হয়রানি ও হেনস্তা করার জন্য বানোয়াট মামলা এবং পরিকল্পিত আইনি প্রক্রিয়ার নামে তাকে সাজা দিয়েছে। এক ব্যক্তির অদম্য ক্রোধ ও হিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটছে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ওপর।

    তিনি বলেন, ‘এক ভয়াঙ্কর রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশে বিরাজমান। গুম-খুন, লুটপাট, অর্থ আত্মসাৎ ও দখলের মহাসমারহে গণতন্ত্রকে বন্দী করা হয়েছে। বন্দী করা হয়েছে গণতন্ত্র স্বীকৃত বিরোধীদলের অধিকার, মানুষের কথা বলার অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে। সারাদেশ আজ বন্দীশালায় পরিণত হয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্তবলয়ে বন্দী দেশবাসী। এমতাবস্থায় আমরা সকলে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস স্মরণ করছি। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। দুঃশাসনের অবসানে তার অতিদ্রুত দেশে ফেরার জন্য দেশবাসীসহ সকলে প্রতীক্ষা করছি।’

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • নতুন রাজনৈতিক জোটকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন রাজনৈতিক জোটকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে উদ্ভূত নতুন রাজনৈতিক জোটকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল দলের অংশগ্রহণেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে তো রাজনৈতিক দল দুইটি। একটি আওয়ামী লীগ অপরটি আওয়ামী লীগ বিরোধী। আওয়ামী লীগ বিরোধীদের তো একটা জায়গা লাগবে। এ জন্য তারা যে ঐক্য করেছে আমি তাদের সাধুবাদ জানাই যে, ঐক্যটা থাক।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ড. কামাল হোসেন এবং অন্যদের নিয়ে নতুন জোট গঠন সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তার দলও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য একটি ভালো বিরোধী জোট প্রত্যাশা করে।

    অতীতে জোটের নেতৃবৃন্দের কেউ কেউ সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি আশা করবো তাদের জোট নির্বাচন বানচালের জন্য নয় বরং সংঘবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্যই হবে।

    বিমসটেক সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পর সেই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন হলেও আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার, খালেদা জিয়ার কারাবাস এবং রোহিঙ্গা সমস্যার মত বিষয় সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্থান করে নেয়।

    শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে ইভিএম’র আংশিক ব্যবহারকে সমর্থন করে বলেন, জাতীয় নির্বাচনে এর ব্যাপক ব্যবহারের জন্য আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

    তিনি বলেন, কিন্তু বিএনপি ইভিএম পদ্ধতির বিরোধিতা করছে। কারণ কি তাদের জাল ভোট প্রদানের নীল-নকশা বানচাল হয়ে যাবে, এই ভয়ে।

    তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল যারা অতীতে ভোট চুরি ও ভোটের কারসাজিতে অভ্যস্ত ছিল তারাই কিনা এখন নির্বাচনের অনিয়মের বড় বড় কথা বলছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ, জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেয়ার রাজনীতি আমরা করি না। জনগণ যদি ভোট দেয় তবেই আমরা ক্ষমতায় থাকবো, না হলে নয়। আর আমার বিশ্বাস থেকেই আমি কথাগুলো বলছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো ক্ষমতা নেই এই নির্বাচনকে বানচাল করার। কারণ, এটাই দেশকে এগিয়ে নেয়ার একমাত্র পথ এবং জনগণও এটা জানে যে, দেশে কেবল গণতান্ত্রিক সরকার থাকলেই দেশ উন্নত হতে পারে।

    তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রই যেন দেশে এক সময় একটা প্রচলিত প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ’৭৫-এ জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর। তাঁর নিজের ওপরও বেশ কয়েকবার প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, দেশে একটি সুবিধাবাদী মহল রয়েছে যাদের দেশে অগণতান্ত্রিক সরকার থাকলে বেশ সুবিধা হয়, তারা কদর পায়, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভাগ পায়।

    ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কয়েকটি আসনে সাংসদরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় দেশের সেই স্বার্থান্বেষী মহল নির্বাচনের নিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। কিন্তু নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের মধ্যে ড. কামাল হোসেন নিজেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েই জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।

    তিনি স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া নির্বাচনী আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন ড. কামাল হোসেন।

    প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের জন্য কমিশন গঠন হতে পারে বলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের আত্মস্বীকৃত খুনীদের আমরা বিচার করেছি। কিন্তু এর ষড়যন্ত্রকারী যারা তাদের কোন তদন্ত হয়নি বা বিচার হয়নি এবং সেটা হওয়া উচিত এটা হলো বাস্তবতা। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক রিপোর্ট আছে, অনেক গবেষণা হয়েছে। তাই একটা সময় আসবে যখন দেখা যাবে এগুলোও বেরিয়ে আসবে।

    সংবাদ সম্মেলনে মঞ্চে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচ মাহমুদ আলী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

  • সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    ধর্মকে ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপ যাতে সামাজিক শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সে জন্য সকল ধর্মের লোকদের আরো সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ রবিবার বঙ্গভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ধর্ম মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখায়, জনকল্যাণে অনুপ্রাণিত করে। কোন ধর্মই জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ অথবা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না।’

    যদি কেউ আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চালায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

    যে কোন মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল আন্দোলন সংগ্রামে সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের লোকরা অংশ নেওয়ায় বিজয় ত্বরাম্বিত হয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে কাজে লাগানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে সমাজে বিদ্যমান সম্প্রীতি ও বন্ধুত্ব আরো জোরদারে সকল ধর্ম বিশ্বাসের লোকদের প্রতি আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বলেন, সকল ধর্মীয় উৎসবই আনন্দ-উল্লাসের, কিন্তু প্রতিটি উৎসবই সকলের অংশগ্রহণে সার্বজনীন হয়ে ওঠে।

    আবদুল হামিদ বলেন, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মাঝে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যগত ঐক্য যৌথ প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহানুভবতার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।

    এ সময় তিনি হিন্দু সম্পদায়ের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সমাজ থেকে সকল ধরনের অবিচার, নিপীড়ন, নির্যাতন ও সংঘাত দূর করে জনগণের মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক তৈরি করাই ছিল শ্রী কৃষ্ণের মূল মতাদর্শ।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, সমাজে ধর্ম ও ভালো লোককে রক্ষায় সকল ধরনের অপশক্তি নির্মূলে সমাজে শ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল।

    এ সময় অভ্যর্থনায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন হিন্দু ধর্মীবলম্বীর ব্যক্তিবর্গ, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগণ। এ সময় তারা রাষ্ট্রপতিকে জন্মাষ্টমীর ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

    সংসদ সদস্য, বিচারপতি, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার, হিন্দ্র ধর্মাবলম্বী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গও বঙ্গভবনের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

  • কেউ সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে পা দেবেন না

    কেউ সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে পা দেবেন না

    কেউ সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে পা দেবেন না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যের নামে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ করার ডাক দিয়েছে বিএনপি। ওই সাম্প্রদায়িক শক্তি যদি আবার ক্ষমতায় আসতে পারে তাহলে ২০০১ সালের চেয়ে ভয়াবহ পরিবেশ সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য অপেক্ষা করছে।

    আজ রবিবার দুপুরে পলাশীর মোড়ে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিপূর্বক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি প্রকাশ্য শত্রুর চেয়ে গোপন ছদ্মবেশী শত্রুকে বেশি ভয় পাই। এদের আগামী নির্বাচনে প্রতিরোধ করতে হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ও ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। এছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজি মো. সেলিম জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানান।

  • খালেদার মুক্তি কোর্টের মাধ্যমে আনতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    খালেদার মুক্তি কোর্টের মাধ্যমে আনতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাজা কোর্ট (আদালত) দিয়েছেন। তাই তার মুক্তি কোর্টের মাধ্যমে আনতে হবে। অন্যথায়, তার দ্রুত মুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

    সদ্য সমাপ্ত নেপাল সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মামলা কিন্তু আমরা দেইনি। উনাদেরই পছন্দের ফখরউদ্দিন ও মঈনউদ্দিন সাহবের আমলেই এই মামলাটি হয়েছিল। মামলাটি কিন্তু আমরা করেনি।

  • ‘জামায়াত ইসলাম সুকৌশলে শিশুদের মগজ ধোলাই দিয়ে যাচ্ছে’

    ‘জামায়াত ইসলাম সুকৌশলে শিশুদের মগজ ধোলাই দিয়ে যাচ্ছে’

    জামায়াত ইসলাম সুকৌশলে শিশু-কিশোরদের মগজ ধোলাই দিয়ে বিপথগামী করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। রবিবার সকালে মাদারীপুরে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কঠিন ঝুঁকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। তার কারণ জামায়াত ইসলাম কিন্তু বসে নেই। তারা সুকৌশলে আমাদের ছেলে-মেয়ে, শিশু কিশোরদের মগজ ধোলাই দিয়ে যাচ্ছে। সেই মগজ ধোলাইয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মগজ ধোলাই দিতে হবে। এজন্যে বিভিন্ন উৎসব করতে হবে।’ মন্ত্রী এসময় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মুক্তিযুদ্ধের চেনতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেন।

    নৌমন্ত্রী আগামী সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইতিমধ্যে ইভিএম ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এক সময় মানুষ সীল দিতেও পারতো না, সীল দেয়া শিখেছে। তেমনি ইভিএম পদ্ধতি একবার চালু হলে মানুষ সেটার প্রতিও আস্থা পাবে। একটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হলেই মানুষের চর্চা হয়ে যাবে, জনগণ ভালোভাবে এটি বুঝতে পারবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম ব্যবহারে বিএনপির বিরোধীতা কোন প্রভাব ফেলবে না। ইভিএম কেনার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।

    মাদারীপুর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জয় বাংলা’ উৎসবের প্রস্তুতি সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন খান, পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার, সাবেক পৌর মেয়র খলিলুর রহমান খান, চৌধুরী নূরুল আলম বাবু প্রমুখ। পরে জয় বাংলা উৎসবের জন্যে একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়।

  • ফর্মুলা বা সংলাপ নয়, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন’

    ফর্মুলা বা সংলাপ নয়, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোন ফর্মুলা নয়, সংলাপ সংলাপ করেও লাভ হবে না। ভারত-আমেরিকাসহ সংসদীয় গণতন্ত্রের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। দেশের জনগণ যাকে ভোট দিবে তারাই সরকার গঠন করবে।
    রবিবার সকালে শহরের মুজিব সড়কের মুক্তা প্লাজার সামনে সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসিম এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে মুসলিম, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রীস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকার নিয়ে নিরাপদে বসবাস করছে।

    জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানুর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এ্যাড. কে এম হোসেন আলী হাসান, জাতীয় পরিষদ সদস্য হীরক গুন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এ্যাড. সুকুমার চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক নরেশ ভৌমিকসহ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের লোকজন অংশগ্রহণ করেন। পরে শহরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

  • বনানী কবরস্থানে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ্

    বনানী কবরস্থানে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ্

    মুহাঃপলাশ চৌধুরী:

    নব নির্বাচিত বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ বনানীর কবরস্থান এ  ১৯৭৫ সাল এর ১৫ইআগস্টে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারাত করেন।

    এসময় সাথে ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মাহাববু উদ্দিন আহম্মদ (বীর বিক্রম),মহানগর আওয়ামীলীগ সহসভাপতি, এ্যাডঃআফজালুল করিম,মহানগর আওয়ামীলীগ এর প্রচার সম্পাদক এ্যাডঃগোলাম সরোয়ার রাজিব,মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ আহবায়ক  মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ,জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত ও যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শাহাদাৎ ইসলাম সুমন ও শুভ,ওয়াজির সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • খালেদা ও বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না

    খালেদা ও বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না

    এ দেশে খালেদা জিয়া ও বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। সারা দুনিয়া চায় অংশ গ্রহণ মূলক নির্বাচন। এ নির্বাচন এভাবে হবে না। এজন্য নেতাকর্মীদের আন্দোলনে নামতে হবে।

    শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত জনসভায় এ আহ্বান জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ।

    ওই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনসভা সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আজ দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করছি, কারণ দলের চেয়ারপারসন কারাগারে। আওয়ামী লীগ বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক শূন্যতার সৃষ্টি করেছিলো। জিয়াউর রহমান সেই শূন্যতা পূরণ করেন।

    ‘আওয়ামী লীগ যেখানে ব্যর্থ হয়েছে, জিয়াউর রহমান সেখানে সফল হয়েছেন, সেজন্য বিএনপিকে তারা এত ভয় পায়। যার প্রমাণ আজকের জনসভাও। এ সভা আজ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে বলতে চাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই নেত্রীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।’

    সরকারি আমলাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমলাদের বলছি আপনারা তফসিল ঘোষণার আগেই নিরপেক্ষ হয়ে যান।

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নেতাকর্মী এবং দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের আরেক সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

    সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য যতবার চেষ্টা করেছি, ততবার সরকার আটকে দিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় নেত্রীর মুক্তি সম্ভব নয়, তার মুক্তির একমাত্র পথ রাজপথ, তাই রাজপথে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, তারেক রহমানের অপরাধ তিনি জিয়াউর রহমানের বড় ছেলে, তার অপরাধ তিনি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে।

    ‘সরকার নানাভাবে দেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এবার ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। তাই চার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট নতুন ইভিএম আনতে চায়, কিনতে পারলে লাভ হবে। সাধারণ মানুষ এর ব্যবহার করতে পারুক আর না পারুক।’

    এদেশের মানুষ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়ি থেকে সমৃদ্ধশালী করেছিলেন। তাই এদেশের জনগণ কখনও তার নাম ভুলে যাবে না। খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

    জমির বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, যেভাবে ইচ্ছা দেশ চালাচ্ছেন, এভাবে দেশ চলতে পারে না। দেশে যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, আমরা যদি অংশ নিতে পারি, তাহলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, আবার সু’দিন আসবে, দেশ ভালোভাবে চলবে।

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুইদিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এরই অংশ হিসেবে নয়াপল্টনে এ জনসভা করে বিএনপি।

    এর আগে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়সহ দেশব্যাপী বিএনপির কার্যালয়গুলোতে সকাল ৬টায় দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    পরে সকাল ১০টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন দলের সিনিয়র নেতারা।