Category: রাজণীতি

  • ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

    ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

    ‘গণতন্ত্রের বিজয় সুনিশ্চিত করা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে ১৪ দল। এ ছাড়াও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল। নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সমাবেশ অব্যাহত থাকবে।’

    কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আজ শনিবার কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

    এর আগে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি (জেপি)’র মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসে তখন অশুভ একটি মহল ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো ওই অশুভ শক্তি আবারো নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে কোনো অবান্তর, অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক দাবি দেশের মানুষ মানবে না। কারণ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)’র মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।

    নাসিম বলেন, সংবিধান বিরোধী কোনো কোনো কাজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না এবং তা মেনে নেওয়া হবে না। আগামী ডিসেম্বরেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    নির্বাচনের আগে সংলাপের দাবি নাকচ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দল অর্থহীন সংলাপের পক্ষে নেই। সংলাপের অর্থ হলো নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া এবং অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনা।

    ‘বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করাই বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের করা মন্তব্যের জবাবে নাসিম বলেন, দেশের জনগণের রায়ের মাধ্যমেই কেবল মাত্র সরকার পরিবর্তন হতে পারে। কোনো দল বা মহল সরকার পরিবর্তন করতে পারবে না।

    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে যেভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাতে দেশের মানুষ আবারো আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। সরকার বদলের বিএনপির স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।

    এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা বা না করার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র এখতিয়ার। তবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল পাওয়া গেছে। কেননা ইভিএমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত অনেক ভোট কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থীরাও জয়লাভ করেছে। আর ভালো জিনিস মেনে নিতে কারো তো কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়।

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোটে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নাসিম বলেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দল একটি আদর্শিক জোট। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া বড় লক্ষ্য নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনই এ জোটের প্রধান লক্ষ্য।

    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল।

  • বিএনপি নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

    বিএনপি নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

    তিনি বলে, এমন বিরোধী দল বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। তারা গত ১০ বছরে ১০ মিনিটের জন্য আন্দোলন করতে পারেনি। এ ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের নেতাদের পদত্যাগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    শনিবার বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিএনপির মতো ব্যর্থ দল আর কোথাও নাই। তারা সবসময় সর্বাত্মক আন্দোলনের কথা বলে। কিন্তু তারা এমন কোনো আন্দোলন করতে পারেনি যার কারণে সরকার গত দশ বছরে দুই মিনিটের জন্য অস্বস্তিতে পড়েছে। তাই আমি বলবো এ ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে বিএনপির সকল নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত।

    এ সময় তিনি নির্বাচন সামনে রেখে জোট ভাঙা-গড়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। জোটের শরিকদের জন্য ৬৫ থেকে ৭০ টি আসন ছেড়ে দেয়ার কথা চিন্তাভাবনা করছে আওয়ামী লীগ বলে জানান তিনি।

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি জন্য বিএনপি নেতাদের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে সরকারের কিছু নেই। এটা আদালতের বিষয়। লিগ্যাল ব্যাটেলে জয় লাভ করে তারা তাদের নেত্রীকে মুক্ত করে আনতে পারে। এক্ষেত্রে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।

    আদালতকে প্রভাবিত করার যে অভিযোগ বিএনপি নেতারা করে আসছেন তার সেটি প্রত্যাখ্যান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যদি সরকার আদালতকে প্রভাবিত করত তাহলে এখন পর্যন্ত ৩০ টি মামলায় তিনি কিভাবে জামিন পেলেন?

    মওদুদ আহমেদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাদের বলেন সংবিধান সম্মত না হলেও তিনি নাকি তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মওদুদ সাহেব আপনারা সংবিধানকে পেছনে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন আপনাদের পক্ষে এটা বলা সম্ভব।

    এসময় বিএনপি নেতাদের বিএনপির প্রতি তিনটি প্রশ্ন ছুড়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, এ তিনটি প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারলে বিএনপি জনগণের কাছে প্রত্যাশা করতে পারে না।  প্রশ্ন তিনটি হলো (১) তারা কেন ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করেছিল, সেই সঙ্গে এটা কে পঞ্চম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছিল? (২) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাবমেরিন কেবল কেন তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল? (৩) তারা কেন তাদের দলের গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাতিল করল এ প্রশ্নগুলোর উত্তর জাতিকে দিতে হবে।

  • নির্বাচন পরিচালনায় সামরিক বাহিনীকে চান ফখরুল

    নির্বাচন পরিচালনায় সামরিক বাহিনীকে চান ফখরুল

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের শেষ কথা অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। সকল রাজবন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। জাতীয় সংসদকে ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেইংফিল্ড তৈরি করতে হবে। সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দিতে হবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

    শনিবার বিকেলে দলটির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। বেলা ২টায় জনসভা শুরু হয়। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুজ্জামান আলীম।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আজকে দুঃস্বপ্ন দেখে তারা ভয়ে চিৎকার করে ওঠে। আসলো, আসলো বিএনপি আসলো, আসলো, আসলো তারেক রহমান আসলো। আসলো, আসলো খালেদা জিয়া আসলো এই ভয়ে রাতে তাদের ঘুম হয় না। ২৪টা ঘণ্টা শুধু বিএনপিভীতি, খালেদা জিয়া-ভীতি, তারেক রহমান-ভীতি, এর থেকে বাঁচার জন্য কত রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে, এখন নিয়ে আসছে ইভিএম। এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।’

    বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও দেশবাসী বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সমস্ত দেশবাসী ও রাজনৈতিক সংগঠনকে আহ্বান জানাতে চাই আসুন এখন আর কোনো বিভেদ নয়, কালবিলম্ব নয়, গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য, বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে রক্ষার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আসুন বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলে এই দুঃশাসনকে এই স্বৈরাচারকে যারা বুকের ওপর চেপে বসে আছে তাদের পরাজিত করি।’

    Fokhrul

    তিনি বলেন, ‘এই জনসভা আজকে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের তরুণরা আবার জেগে উঠেছে। তারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা এনেছে। ১৯৯০ সালে বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল। তারা প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও দেশমাতাকে ফিরিয়ে আনবে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনবে।’

    ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মামলা প্রত্যাহার চাই, তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহার চাই, তার বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মন্ত্রী আগে থেকেই বলে দিচ্ছেন যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তার সাজা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর নতুন করে তদন্ত করা হয়েছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই এই ধরনের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। বাংলাদেশের মানুষ এই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কয়েকদিন আগে কারাগারে আমাদের নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। সরকারকে বলতে চাই অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করুন। তার চিকিৎসার উপযুক্ত ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় সব দায়দায়িত্ব আপনাদেরকে নিতে হবে।’

    ফখরুলের বক্তব্যের মধ্যদিয়ে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে সভা শেষ হয়। এতে অন্যদের মধ্যে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদল সভপতি সাইফুল ইসলাম নীরব প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

    এছাড়াও জনসভায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, তৈমুর আলম খন্দকার, ফরহাদ হালীম ডোনার, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওবায়দুইল ইসলাম, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহ-সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম, আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর!

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর!

    আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে সম্ভাব্য এ তারিখের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে তিনি কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি। নির্দিষ্ট দিনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারাও এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি।

    নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন-সংক্রান্ত ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে।

    ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনে জন্য ৪০ হাজার ৬৫৭টি ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা করেছে ইসি। এর মধ্যে সম্ভাব্য ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৪ হাজার ৪৫৩টি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর আসন অনুসারে ভোটকেন্দ্রের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অনেক আগে থেকেই কার্যক্রম শুরু করেছে। এমনকি তাদের প্রার্থী বাচাইও প্রায় চূড়ান্ত। নেতারা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী সঠিক সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করছেন। তবে এ বিষয়ে বাইরে তারা কিছু প্রকাশ করছেন না।

    আওয়ামী লীগের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করেছে।

    এ ছাড়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার কথাবার্তার মধ্যদিয়েও জানা গেছে, ২৭ ডিসেম্বরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ।

    বিরোধীদল জাতীয় পার্টিও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদও স্বীকার করেছেন যে তিনি ৩০০ আসন এবং ১০০ আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করে রেখেছেন। বিএনপি নির্বাচনে এলে মহাজোটে এবং না এলে বিরোধী দল হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

    তবে আরেক বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এখনো নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে মুখ খুলছে না। তবে তারা এখন পর্যন্ত বলছে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না।

    এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছোটখাট দলগুলোও জোট করে মাঠে নামার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে : মওদুদ

    সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে : মওদুদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, দেশের মধ্যে যারাই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চান, তারা আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়া শুরু করেছে। একটি জাতীয় ঐক্য হবে। কারণ আমরা গুম দেখতে চাই না। হত্যা, অপহরণ দেখতে চাই না। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য বেড়ে সামনের দিকে যাচ্ছে। এখন সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে।

    শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, ‘আমার ভয় হয়, কারণ কামাল হোসেনরা যখন জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা শুরু করল, সরকার বলল ভালো। গণতন্ত্রের জন্য ভালো আলোচনা। কিন্তু এখন ঐক্য বেড়ে সামনের দিকে যাচ্ছে। এখন সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে’, মন্তব্য মওদুদের।

    তিনি আরও বলেন, সামনের দিনে যখন এই ঐক্য জনমত তৈরি করবে, তখন হয়তো এই সরকারই সবার আগে আঘাত হানার চেষ্টা করবে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরতদের যেভাবে আঘাত করেছে, গ্রেফতার করেছে; সেভাবে আঘাত ও গ্রেফতার করবে। কিন্তু এবার আর তা পারবে না।

  • ‘আমরা জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল’

    ‘আমরা জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল’

    আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমরা ইভিএম মেশিনের প্রতি নয়, জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল। জনগণ সরাসরি ভোট দিক, আর ইভিএম মেশিনের মাধ্যমেই দিক, যে কোনোটাই আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য।

    শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে বলেন, তিনি কথা তো বলেন এমন, যেগুলোর সঙ্গে তথ্য বা সত্যের কোনো মিল নেই। আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। জনগণ প্রত্যক্ষভাবে ভোট দিয়েছে। কোনো মেশিন দ্বারা নয়।

    আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সব সময় প্রসাদে বসে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে। তারা জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে না। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের আমলে আওয়ামী লীগ জনগণের সরাসরি ভোটে বার বার ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  • ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচন ২০১৮ সালে করার চেষ্টা করছে বিএনপি। তবে এই নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে আর আসবে না। নির্দিষ্ট একটা দলের জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না। গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কোনো দলকে সুযোগ দেয় না।

    শুক্রবার সিলেট সার্কিট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার করতেই আমরা ইভিএম সাপোর্ট করি। নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের ‘খারাপ ধারণা’ দূর করতে ইভিএম দরকার। ইভিএম হচ্ছে আধুনিক ভোটিং পদ্ধতি। সিলেটেও বিএনপি দু’টি ইভিএমের কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। তারা জিতলে মানবে আর হারলেই কারচুপির অভিযোগ তুলবে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারবে না বলেই নানা অভিযোগ দিচ্ছে তারা।

    ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের ‘নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি)’ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, এক জন নোট অব ডিসেন্ট দিতেই পারেন। সিইসিসহ পাঁচ জন কমিশনারের মধ্যে সবার মতামত যে এক হবে এমন তো কোনো কথা নেই। এটাই গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য। একজন ভিন্ন মত দিতেই পারেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, একেএম এনামূল হক শামীম, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

  • জেলে-বিদেশে বিএনপির শীর্ষ ২৪ নেতা

    জেলে-বিদেশে বিএনপির শীর্ষ ২৪ নেতা

    অনলাইন ডেস্ক

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের ২৪ জন শীর্ষ নেতা কারাগারে অন্তরীণ না হয় বিদেশে অবস্থান করছেন। জাতীয় নির্বাচনের তিন মাস বাকি, বিএনপির এসব নেতা রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারছেন না। দলীয় প্রধানের মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে অংশ না নেয়ার মতও আছে বিএনপিতে। নির্বাচনী বছরে বিএনপির সভা-সমাবেশে অংশ নিতে পারছেন না তারা।

    বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন দলীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরে গণমাধমকে বলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৬০ হাজার। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা ২০ লাখ। ইতোমধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার নেতাকর্মী জেল খেটেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির ৩ হাজার নেতাকর্মীকে এই সময়ে খুন করা হয়েছে। গুম করা হয়েছে ৭২৮ জনকে। গুম হওয়া কিছু নেতাকর্মীর লাশ পাওয়া গেলেও অধিকাংশেরই কোনো হদিস নেই।

    বিএনপির তথ্য অনুযায়ী, বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ হাজার নেতাকর্মীকে। বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও সিনিয়র নেতাদের মধ্যে প্রায় দুই ডজন নেতা কারাগারে রয়েছেন কিংবা দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এদের মধ্যে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ভারতে, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ড. ওসমান ফারুক যুক্তরাষ্ট্রে, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বিদেশে, আব্দুস সালাম পিন্টু জেলে, উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালু সৌদি আরবে, যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী কারাগারে, আন্তর্জাতিক সম্পাদক এহছানুল হক মিলন যুক্তরাষ্ট্রে, নাসির উদ্দিন অসীম লন্ডনে, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নান্নু করাগারে, নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর কারাগারে, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাইয়ুম মালয়েশিয়ায়, মহানগর দক্ষিণের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব কারাগারে এবং যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কারাগারে রয়েছেন।

  • সরকার পতন আন্দোলনে পাক প্রধানমন্ত্রীকে পেলেন না তারেক

    সরকার পতন আন্দোলনে পাক প্রধানমন্ত্রীকে পেলেন না তারেক

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বিএনপিকে বসানোর চক্রান্তে পাকিস্তানের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পাননি বিএনপি নেতা তারেক রহমান। বাংলাদেশকে প্রয়োজনে পাকিস্তানের উপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র বানানোরও ওয়াদা করেও ইমরানের কাছ থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাকে।

    সূত্র বলছে, ইমরান খান বাংলাদেশ সরকারের উপর প্রতিশোধের বদলে সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বের হাত বাড়ানো প্রত্যয় ব্যক্ত করলে তারেক রহমান মর্মাহত হন। বরং তিনি তারেককে আইনের হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশে প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পরামর্শ দিয়েছেন।

    লন্ডন বিএনপি নেতা মালেকের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা যায়, ২৩ আগস্ট লন্ডনে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে গিয়ে উপস্থিত দূতাবাস কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দেশটির নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে শুভেচ্ছা জানান তারেক। এসময় তারেক রহমানের সাথে উপস্থিত ছিলেন লন্ডন বিএনপির নেতা মালেকের ঘনিষ্ঠ আবুল হোসেন। তার ভাষ্যমতে, পাকিস্তানকে কট্টর ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করতে ইমরান কাজ করবেন বলে তারেক আশা প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান ক্রমাগতভাবে বাংলাদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করারও আহ্বান জানান তিনি।

    পাশাপাশি খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে আইএসআইয়ের সহযোগিতা, নির্বাচনকালীন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামের জ্বালাও-পোড়াও এবং নির্বাচনী তহবিলে অনুদান দেওয়ার জন্য দূতাবাসের উপস্থিত দু’জন সিনিয়র কর্মকর্তার মাধ্যমে ইমরান খানের সরকারের কাছে সহায়তা চান তারেক। নির্বাচনে জিতলে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের আদলে কট্টর ইসলামী রাষ্ট্র, পাকিস্তানের ইচ্ছানুযায়ী পরিচালনা করারও ওয়াদা করেন। পাশাপাশি সেভেন সিস্টার নিয়ে ভারতকে চাপে রাখা, জঙ্গিবাদের মাধ্যমে ভারতকে অস্থিতিশীল করার কথাও দেন তারেক। বিনিময়ে পাকিস্তানকে শুধু নির্বাচনের পূর্বে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ সরকারকে চাপে রাখা, নির্বাচনে বিএনপিকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করা এবং খালেদা জিয়ার দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    তারেক রহমানের অনৈতিক এবং অযৌক্তিক সব দাবি শুনে উপস্থিত দুই দূতাবাস কর্মকর্তা হাসিতে ফেটে পড়েন। নির্বুদ্ধিতা এবং আকাশ-কুসুম কল্পনার জন্য তারেক রহমানকে তিরষ্কার করেন তারা। একপর্যায়ে তারেক ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে তাকে পুলিশ ডাকার আগে দূতাবাস এলাকা ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দেন দূতাবাস কর্মকর্তারা। একপর্যায়ে অপমানিত হয়ে দূতাবাস ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন তারেক। চলে যাওয়ার সময় পাকিস্তানকে ব্যর্থ রাষ্ট্র এবং আমেরিকার দালাল বলে গালি দেন তারেক।

  • বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    দরজায় কড়া নাড়ছে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন। ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যে গতকাল মঙ্গলবার গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় বৈঠকে মিলিত হন বিকল্পধারার সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি মহাসচিব আবদুল মান্নান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী বলে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

    বৈঠকে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, এই বৈঠকে যারা উপস্থিত আছেন তাঁদের কারোই ভোট নেই। তাই নির্বাচনে ইতিবাচক ফলাফল আনতে হলে যুক্তফ্রন্টকে একটি ‘বিগ ফিশ’ ধরতে হবে। অর্থাৎ একটি বড় দলকে যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে ভেড়াতে হবে।

    আব্দুর রব বলেন, আওয়ামী লীগকে এক্ষেত্রে বিবেচনা করা যাবে না। তাহলে বাকি থাকলো বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে না গেলে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা শূন্য। তাই বিএনপিকে যুক্তফ্রন্টে নিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন আব্দুর রব। আবার জামাত-হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করলে যুক্তফ্রন্টের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন আব্দুর রব।

    এসময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবশ্যই তাঁরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হবেন। ২০ দলীয় জোট ঐক্যে আসলো কী আসলো না তাতে কিছু আসে যায় না। বিএনপি এককভাবে আসলেও তাদের সঙ্গে ঐক্য করা হবে বলে জানান তিনি।

    এই পর্যায়ে জামাতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করা হবে নাকি জামাতকে বাদ দিয়ে ঐক্য করা হবে এ বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে বিতর্ক হয়।

    ড. কামাল হোসেন তখন বিএনপির সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, আগে বিএনপির মনোভাব কী জানা প্রয়োজন। বিএনপি কী করতে চায় তা আগে জানতে হবে। বিএনপির মনোভাব জানার পর দলটির সঙ্গে ঐক্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান ড. কামাল। এরপর সিদ্ধান্ত হয়, বি. চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না ও ড. জাফরুল্লাহ বিএনপির সঙ্গে কথা বলবেন। শিগগিরই তাঁরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্য প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনায় বসবেন বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।