Category: রাজণীতি

  • বরিশালে ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০, অস্ত্রসহ আটক ১

    বরিশালে ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০, অস্ত্রসহ আটক ১

    বরিশালে ছাত্রদলের নব-গঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পদবঞ্চিতদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জনের মতো আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ও একজনকে দেশিয় অস্ত্রসহ আটক করে।

    আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল ও বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত ১৯ আগস্ট বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এরপরপরই পদবঞ্চিতরা দলীয় কার্যালয় দখল করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছিল। ধারাবাহিকতায় পদবঞ্চিত নেতারা তাদের কর্মীদের নিয়ে নব গঠিত ছাত্রদলের কমিটি বাতিল করে পুনরায় কমিটি ঘোষণার দাবিতে শুক্রবার (২৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরের সদররোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্র সমাবেশ ডাক দেয়।

    ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সুজন, জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদ প্রত্যাহারের ঘোষণাকারী সোহেল রাঢ়ী ও পদবঞ্চিত রফিকুল ইসলাম টিপুর নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয়ে ছাত্র সমাবেশ শুরু হয়। ছাত্র সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করে মহানগর ছাত্রদলের পদবঞ্চিত কিছু নেতাকর্মীরাও। ওই সমাবেশে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজীব আহসানের বিরুদ্ধে বক্তব্যের পাশাপাশি তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের বিতর্কিত কমিটি বাতিলের দাবি জানান বক্তারা।

    এদিকে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের সমাবেশ চলাকালীন সময়ে দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে বরিশাল মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীরা। এ সময় পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এনিয়ে উভয়গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে রুপ নিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতে উভয়পক্ষে প্রায় ১০ জন আহত হয়। পরে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ ও লাঠিচার্জে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার সময় ঘটনাস্থল হতে পদবঞ্চিত রিমন নামে একজন ছাত্রদল নেতাকে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশ।

    এ বিষয়ে পদবঞ্চিত নেতা বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সুজন এবং পদ প্রত্যাহারকারী জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি প্রভাবিত হয়েছে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের বিতর্কিত কমিটি ঘোষণা করেছে। এই কমিটিতে ত্যাগীদের বঞ্চিত করে নিষ্ক্রিয়দের ওপরের পদে দায়িত্ব দিয়েছে।

    তারা বলেন, আমরা জেলা ছাত্রদলের বিতর্কিত ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে কমিটি ঘোষণার পর পরই দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলাম। সে অনুযায়ী পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে আমরা ছাত্র সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছিলাম। এতে মহানগর ছাত্রদরের পদবঞ্চিতরাও একাত্ততা প্রকাশ করেন।

    বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি জানান, ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী দলীয় কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আমরা সেখানে গিয়ে তালা ভেঙে সমাবেশ করি এবং দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেই। এছাড়া সেখানে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আর জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বলছেন কমিটি দেওয়া হয়েছে যোগ্যতা অনুসারে। তাই এখানে দোষের কিছু নেই।

    এই বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে এবং ঘটনাস্থল থেকে একজনকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করে। এছাড়া ঘটনাস্থলে পুলিশও মোতায়ন করা রয়েছে।

  • বিএনপিকে বাদ দিয়ে কেউ নির্বাচন করতে চায় না : ওবায়দুল কাদের

    বিএনপিকে বাদ দিয়ে কেউ নির্বাচন করতে চায় না : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি কোটা আন্দোলনে ব্যর্থ, বিদেশিদের কাছে নালিশ করে ব্যর্থ এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর ভর করেও ব্যর্থ হয়ে এখন তাদের একমাত্র রাজনীতি হলো গুজব সন্ত্রাস।

    শুক্রবার দুপুরে তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাটে চাপরাশিরহাটে এলাকাবাসীর সঙ্গে জম্মার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের আলাপকালে এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি এবারও নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে ২০১৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে কেউ নির্বাচন করতে চায় না। সরকার চায় সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, কিন্তু বিএনপি নিজেরাই নিজেদের যদি বাদ দেয় তাহলে আমাদের কি করার আছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান, জেলা পরিষদের সদস্য আলা বকস টিপুসহ অনেকে।

  • ‘ভারসাম্যের রাজনীতি স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারে’

    ‘ভারসাম্যের রাজনীতি স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারে’

    বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, একমাত্র ভারসাম্যের রাজনীতিই স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দেশে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠা হয়, ইতিহাস আমাদের সেই শিক্ষায় দেয়।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ইতিহাস বারবার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় একক দলীয় ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা বাড়িয়ে দেয়, রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের মধ্যে দুর্নীতির প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।

    ফলে সরকার দেশের স্বার্থের বদলে দলীয় স্বার্থকে প্রধান্য দেয়। এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা, ফলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে স্বেচ্ছাচারের মাধ্যমে একটি দলের স্বার্থ উদ্ধারের প্রবণতা বন্ধ হবে।

    তিনি বলেন, দেশের মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতাদের এটাও বুঝতে হবে, ভবিষ্যতে ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করে দেশকে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।

    সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, র‌্যাব, পুলিশসহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অনেক কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের অপবাদ দেয়া হয়। কিন্তু সে সবের জন্য মূলত রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যরাই দায়ী। কারণ তারা ওই সমস্ত বাহিনীকে অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ করতে বাধ্য করেন। আসলে এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য হুকুমদাতারাই অপরাধের মূল হোতা।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মো. ইউসুফ, মাহবুব আলী, সাহিদুর রহমান, শাহ আহম্মেদ বাদল, মাহফুজুর রহমান, শাহ আলম, বিএম নিজাম, ওবায়দুর রহমান মৃধা, আসাদুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

  • জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বিএনপি!

    জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বিএনপি!

    নানামুখী চাপের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ দলীয় জোটের দ্বিতীয় প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামিকে নিয়ে নতুন করে ভাবছে জোটের নেতৃত্বদানকারী দল বিএনপি। সিলেটসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে জামায়াতের রহস্যময় ভূমিকার কারণে দীর্ঘ দিনের এই সঙ্গীর প্রতি আকষর্ণ কমলেও ভোটের রাজনীতির কারণে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে এ নিয়ে নেতিবাচক ঘোষণা দিতে চাইছে না বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

    একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার পর থেকেই দলের ভেতরে-বাইরে এবং দেশে-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়ে বিএনপি। জবাবে দলটি বলছিল এই মিত্রতা আদর্শিক নয় শুধুই নির্বাচনী জোট। তবে সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াত প্রার্থীর ভরাডুবি এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তাদের জোটে রাখার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন প্রবল আকার ধারণ করেছে।

    সম্প্রতি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা দলটির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করে। সেখানে জামায়াত ইস্যুও গুরুত্ব পায়। বিএনপিতে জামায়াত বিরোধীরা মনে করছেন- ভোটের মাঠে এখন আর জামায়াতের জনপ্রিয়তা নেই, সময় এসেছে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগের।

    বিএনপিকে নিয়ে সরকার বিরোধী বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে ইতোমধ্যেই দলটির প্রতি জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগের শর্ত দিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

    তবে বিএনপি সূত্র জানায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জাতীয় ঐক্য গঠনের পাশাপাশি নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের ভোট ব্যাংকের বিষয়টি বিবেচনা করছে বিএনপির হাইকমান্ড। দলটির নেতারা মনে করছেন, নিবন্ধনহীনতার কারণে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ না থাকায় বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনে জামায়াতকে নিয়ে তেমন সমস্যা হবে না। সার্বিক পরিস্থিতিতে জামায়াতকে নিয়ে কৌশলগত অবস্থানে থাকাটাই সুবিধাজনক মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

    পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশের রাজনীতিতে ইসলামপন্থী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি অতীতে সব সময় সুবিধাবাদী অবস্থানে রয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী এই দলটি অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে কৌশলে ব্যবহার করে দেশের রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান করে নেয়।

    তৎকালীন স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সঙ্গে সমঝোতা করে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশ নেয় জামায়াত। পরবর্তী সময়ে এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনেও জামায়াত অংশ নেয়। সেই নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন না করায় জামায়াতের সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করে।

    সরকার গঠনের কিছুদিন পর জামায়াতের তৎকালীন আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মূলা দেন। বিএনপি সেই ফর্মুলার বিরোধিতা করলেও আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল তা সমর্থন করে। বিএনপি জামায়াতের সহযোগিতায় সরকার গঠন করলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মূলা না মানায় বিএনপির সঙ্গ ত্যাগ করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেয় জামায়াত। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ে জয়ী হলেও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির ভরাডুবি হয়। মাত্র ৩টি আসন পেয়ে পরবর্তীতে বিএনপির সঙ্গে আবারও জোট বাধে দলটি। সেই থেকে এখন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবেই দৃশ্যমান।

    জামায়াতের সঙ্গ প্রসঙ্গে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান বলেন, ‘জোটের রাজনীতি, জোটের নির্বাচন, জোটের আন্দোলন, জোটের আসন বন্টণ এই সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আমার মনে হয় নতুন করে চিন্তা করবার সময় এসেছে। নতুন করে পথ চলবার সময় এসেছে।’

    তিনি বলেন, ‘নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল আলাদা করে করলে নির্বাচনের পর ওই সরকার গঠনে সমমনাদের নিয়ে জোট হতে পারে।’

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘জামায়াত নিজেদের যেভাবে মাপে, যত বড় করে মাপে, তত বড় নয়, আমাদের জন্য সুবিধা হলো পরবর্তী পর্যায়ে তাদের অযৌক্তিক আবদার নাকচ করার ক্ষেত্রে আমরা আমাদের সাহসী ভূমিকা রাখতে পারবো।’

    সাধারণ মানুষ নিজের মতো করে ভোট দিতে পারলে বিএনপি একাই যথেষ্ট মনে বলে দাবি করেন তিনি।

    তবে জামায়াতের সঙ্গ নিয়ে এখনই নেতিবাচক ঘোষণা দিলে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

    তিনি বলেন, ‘এটা দিলে তো নানা রকমের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। আমরা তো এটা এখন বলতে চাই না। কারণ আমরা এখনও একটা জোটের মধ্যে আছি। আমরা তো আলাদা চিন্তা করতে পারছি না এখনও।’

  • কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে রাস্তায় নেমেছে ছাত্রলীগ

    কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে রাস্তায় নেমেছে ছাত্রলীগ

    কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে মাঠে নেমেছে কক্সবাজারের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার দুপুর ১২টা থেকে পৌরশহরের বিমানবন্দর সড়কের পাশে পড়ে থাকা বর্জ্য অপসারণ দিয়ে এ যাত্রা শুরু করেছেন তারা।

    বর্জ্য অপসারণে নেতৃত্ব দেয়া কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মইন উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশব্যাপী চলছে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর কোরবানির ঈদ উদযাপন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে পাড়া-মহল্লায় দেয়া হয়েছে অসংখ্য পশু কোরবানি। গ্রামে খোলা জায়গায় পশু জবাই হলেও শহরের সংকীর্ণ এলাকায় পশু জবাই হয়েছে রাস্তার ধারে, পথের উপর। কক্সবাজার পৌর শহরেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। কিন্তু অনেকে জবাই করা পশুর নিথর দেহটা উঠানে কিংবা বাসাবাড়ির বারান্দায় নিয়ে মাংস কাটাকাটি ও ভাগ বসানো নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু বর্জ্যগুলো তৎক্ষণাত অপসারণ হয়নি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের তাপ বাড়ায় দুর্গন্ধ ছড়ানো শুরু করে বর্জ্যগুলো।

    তিনি আরও জানান, পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা সিডিউলে উপসড়কগুলোতে কবে আসবেন তার সঠিক সময় নির্ধারণ নেই। তাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দলবদ্ধ হয়ে বর্জ্য অপসারণে মাঠে নেমেছি।

    মইন জানান, পশু জবাই করা স্থানগুলো পরিষ্কার করে সেখানে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দুর্গন্ধ মুক্ত করার চেষ্টা করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিমানবন্দর সড়ক হিসেবে এটি ভিআইপি এলাকা। ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে আসা পর্যটকরা বিমান থেকে নেমে এ সড়ক দিয়েই হোটেল ও গেস্ট হাউসে যাচ্ছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধে পর্যটক এবং স্থানীয়রা নাকে রুমাল দিয়ে চলছে দেখে আমরা তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে মাঠে নেমেছি।

    Student-lig-1

    দুপুরে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা নিজ উদ্যোগে বাসাবাড়ি থেকে পাইপ টেনে পানি দিয়ে রাস্তায় জমে থাকা রক্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছেন। পশুর নাড়ি-ভুড়ি-হাড়-বর্জ্য একটা নির্দিষ্ট স্থানে জমা করে পরে বালতি ভরে সেগুলো দূরবর্তী ডাস্টবিনে রেখে আসা হয়। মেয়রের এলাকায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বর্জ্য অপসারণে নেমেছে খবর পেয়ে অন্যান্য ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরাও কাজে নেমেপড়ে বলে জানায় স্থানীয়রা।

    কক্সবাজার পৌর মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, পর্যটন নগরীর বাসিন্দা হিসেবে নিজ এলাকা পরিষ্কার রাখতে পৌরসভার পাশাপাশি নিজেদেরও যে দায়িত্ব রয়েছে সেটাই তারা প্রমাণ করেছে। কক্সবাজার পৌর ও ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বর্জ্য অপসারণে নেমে যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে তা আগামীতে পরিচ্ছন্ন দেশ গঠনে তাদের অনুপ্রাণিত করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    পৌর মেয়র জানান, কক্সবাজার পৌর এলাকার ১২টি ওয়ার্ডের ৬১ স্পটে এবার কোরবানির পশু জবাই করার স্থান নির্ধারণ করা হয়। এরপরও কিছু কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে পশু জবাই হয়েছে। সেসব এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ক্রমে বর্জ্য অপসারণ করছে।

    উল্লেখ্য, কক্সবাজারের ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের পূর্বে সদর আসনের এমপি সাইমুম সরোয়ার কমল, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ, জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

  • জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা, দোয়া

    জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা, দোয়া

    বিএনপির নেতারা পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বিএনপির সিনিয়র নেতারা বুধবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর শের-ই বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে যান। এসময় তারা শ্রদ্ধা জানানোর পর সেখানে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মোনাজাত করেন।

    বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, আজিজুল বারী হেলাল, কাজী আবুল বাসারসহ দলের অসংখ্য নেতাকর্মী।

    পরে বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা দুর্নীতির মামলায় কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশ্যে যান।

  • নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    শেখ সুমন:

    বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র ,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের সর্বস্থরের জনগনকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানান।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক নগরীর প্রতিটি মানুষের জীবনে। কুরবানি উপলক্ষে মানুষ যে ত্যাগ করে ,এই ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক সবার জীবন।

    প্রতিটি মানুষের জীবনের সমস্ত দু:খ গুলো মুছে যাক। মহান রাব্বুল আলামিন সকল মানব জাতীকে ক্ষমা করে দিক।

  • বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক ভিপি নান্নুর পরিবারের পাশে মির্জা ফখরুল

    বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক ভিপি নান্নুর পরিবারের পাশে মির্জা ফখরুল

    বরিশাল বিভাগের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সরকারি বিএম কলেজের সাবেক ভিপি নান্নুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন চলাকালে গ্রেপ্তার কারাবন্দি মাহবুবুল হক নান্নুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী রোডের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ফখরুল।

    এসময় তিনি নান্নুর পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দেন ও শীঘ্রই তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করার আশ্বাস দেন।

    বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা সুমন দেওয়ানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    মাহবুবুল হক নান্নু বিএনপির বরিশাল বিভাগের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সরকারি বিএম কলেজের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি)। গত ৫ আগষ্ট(রোববার) রিক্সাযোগে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় রমনা থানাধীন কর্ণফুলি মার্কেটের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলার সভাপতি জেএম আমিনুল ইসলাম। ওইদিন রাতেই তাদেরকে রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়। দুইটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একটি মামলায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। তাছাড়া অপর মামলাটিতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে বিচারক। এরপর থেকেই তারা কারাবন্দি আছেন।

  • ঈদের দিন শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

    ঈদের দিন শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

    ঈদের দিন (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রাজনীতিবিদ, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের জনগণ এবং পেশাজীবীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

    এর আগে ওই দিন সকাল ৮টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগায়ে ঈদের নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি।

    রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

  • প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অবিচল সাদিক আবদুল্লাহ

    প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অবিচল সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত নগর পিতা।  জন মানুষের আস্থাভাজন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন জনগন। কারন, নির্বাচনের আগে তিনি অনেক অঙ্গিকার করেছেন । এখনও তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে মেয়রের আসনে অধিষ্ঠিত হননি। কিন্তু তার আগেই তিনি অঙ্গিকার পূরনের চেষ্টা করছেন।

    বিশেষ করে নির্বাচন পরবর্তী নগরবাসীর দুয়ারে কড়া নাড়ার বিষয়টি বেশি মাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। অবশ্য এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই রাজনৈতিক পরিবারের গৃহবধূ সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র স্ত্রী লিপি আবদুল্লাও। শহরের অবহেলিত এলাকার মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করে সুখ-দু:খের জীবন কাহিনি শুনছেন তিনি। মেয়রপত্নী কীর্তনখোলার তীরবর্তী রসুলপুর কলোনিতে গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের সার্বিক খোঁজ খবর নিয়েছেন। পাশাপাশি স্বামীর ওপর আস্থা রাখার আশ্বাস দিয়ে তার পাশে থাকার আহ্বান করেন।

    একইভাবে মেয়র সাদিক ও জনগণের বাসাবাড়িতে গিয়ে গিয়ে খোঁজ খবর নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলে গেলেন শহরের কাউনিয়া এলাকার হরিজন পল্লীতে। সেখানে বসবাসরত মানুষের খোঁজ খবর নিয়েছেন তিনি। অবশ্য এই কলোনির বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে নির্বাচনের আগে ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ছিল। পর্যায়ক্রমে নগরীর সকলের সাথে তিনি ও তার স্ত্রী কুশল বিনিময় করবেন বলেও জানা গেছে। নির্বাচিত হয়ে নগরভবনের দায়িত্ব না নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর উদাহরণ এই প্রথম বরিশালের কোনো মেয়র সৃষ্টি করলেন।

    বিগত সময়ে নির্বাচনপূর্ব প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি দেখালেও পরবর্তীতে তাদের পাশে পায়নি নগরবাসী। অবশ্য সাদিকও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যে জোরতর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার আঁচ পাওয়া গেছে। নিশ্চিত হওয়া গেছে, রাজনৈতিক ঝুটঝামেলা এড়াতে ইতিমধ্যে সাদিক নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছেন। অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনার দায়ভার তিনি নিতে নারাজ, সেই বিষয়টিও প্রকাশ পেয়েছে। বিশেষ করে দ্বন্দ্ব সংঘাত বা বিতর্কিতমূলক কর্মকান্ড থেকে সকল নেতাকর্মীকে সেইভ সাইডে থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তরুণ এই মেয়র।

    এরপরেও যদি কোনো নেতাকর্মী অস্বাভাবিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে দল বা জাতির জনকের সুনাম ম্লান করার অপতৎপরতা দেখায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন তিনি। সংগত কারণে ধারণা করা হচ্ছে, সাদিক সতর্কভাবে পথ চলতে চাইছেন। বরিশালের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে মেয়রের এই কৌশলী পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সচেতন মহল।