Category: রাজণীতি

  • জাতি আজ আতঙ্কিত, মনে ঈদের আনন্দ নেই: রিজভী

    জাতি আজ আতঙ্কিত, মনে ঈদের আনন্দ নেই: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে যে ভয়াবহ দুঃশাসন ও স্বৈরশাসন চলছে, এর যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে গোটা জাতি আজ আতঙ্কিত। দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির কারণে মানুষ দিশেহারা। বাড়ি ভাড়া, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বেড়েছে। দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। এরই মাঝে যোগ হয়েছে মামলা হামলাসহ নানা আতঙ্ক। এ অবস্থায় ঈদের আনন্দ মলিন হয়ে যায়।

    আজ সকাল সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় রিজভী বলেন, শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক আওয়ামী ভাবাপন্ন লোক হয়তো তাদের নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারে কিন্তু বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ, শিক্ষক, সাংবাদিক, পেশাজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা এখন এ অবৈধ সরকারের নানা বাহিনী দ্বারা আক্রান্ত-ক্ষতবিক্ষত।

    গত এক দশকের মধ্যে ঈদ বাজারে এমন মন্দাভাব আগে কখনও দেখা যায়নি দাবি করে রিজভী বলেন, ব্যবসায়ীরা দোকানে দোকানে ঈদের সামগ্রী তুলে বিপাকে পড়েছেন। বেচা-বিক্রি বন্ধ। রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার জন্য ঘরমুখো মানুষ প্রচণ্ড দুর্দশার মধ্যে পড়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, ড. মামুন আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. ওবায়েদুল ইসলাম, সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ প্রচার সম্পাদক আসাদুল করীম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ।

  • বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পকেট কমিটি নিয়ে উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে তালা

    বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পকেট কমিটি নিয়ে উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে তালা

    বরিশাল ছাত্রদলের ঘোষিত কমিটি নিয়ে নিজ দলে দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করেছে। পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিরাগভাজন হয়েছেন। বিশেষ করে সেই ক্ষোভের আগুন জলে উঠেছে রোববার (১৯ আগস্ট) রাতে কমিটি ঘোষণা আসার পরপরই। যে কারণে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে বিক্ষুব্ধদের একাংশ তালাও ঝুলিয়ে দিয়েছে। সেই সাথে রাজনৈতিক অভিভাবক কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়াকেও তুলোধুনা করা হচ্ছে। এমনকি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান ও সাধারণ সম্পাদককেও বিষাদগার করা হচ্ছে।

    এমন বাস্তবতায় অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল জেলা ও মহানগরের ঘোষিত এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে বিএনপি নেতা সরোয়ারের আস্থাভাজনরাই মূলে রয়েছে। মূলত সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। কারণ মাহফুজুল আলম মিঠু নামে যে ব্যক্তিকে জেলা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তাকে বিগত সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে দেখা যায়নি। এমনকি তিনি বরিশালের ছাত্র রাজনৈতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য কোন ভুমিকাও রাখেন নি। তবে শোনা যাচ্ছে- তিনি অধিকাংশ সময়ে রাজধানীতে বরিশাল বিএনপির অভিভাবক সরোয়ারের সাথে অবস্থান করেন।

    এছাড়াও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সন্তান মিঠু বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি সরোয়ারের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করছেন। মূলত এই বিশেষ কারণেই সরোয়ার তার পক্ষে সুপারিশ রাখায় সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার বিষয়টি তরান্বিত হয়। তাছাড়া ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসানও তাকে নেতা হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। কারণ এই দুই নেতা একই এলাকার বাসিন্দা। সেক্ষেত্রে এখানকার পদবঞ্চিত নোতাকর্মীদের অভিব্যক্তি হচ্ছে- কেন্দ্রীয় নেতা রাজিব আহসান আগামীতে মেহেন্দিগঞ্জ হিজলা আসনে সাংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। মূলত সেই নির্বাচনে শক্তি সামর্থ যোগানোর বিষয়টি অনুমানে নিয়েই নিজ এলাকার ছেলেকে মনোনীত করেছেন।

    এই জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসানও বরিশালের রাজনীতিতে অপরিচিত মুখ। তাছাড়া সিনিয়র সভ-সভাপতি তারেক আল ইমরান ও যুগ্ম সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরানকেও বিগত সময়ে মাঠে থাকতে দেখা যায়নি। তবে এই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে ছিলেন। এমনকি সেই রাজপথে সাহসী পদক্ষেপ রাখতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার কারাবরণও করেছেন। যে কারণে তার পদটি নিয়ে কোন বিতর্ক না থাকলেও সোহেল রাঢ়ী তুষ্ট নন।

    কারণ তিনি চেয়েছিলেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে। ফলে এই কমিটিকে বৈধতা দিতে তিনি অসমর্থ বলে জানিয়েছেন। এই নেতার মতে জেলা পুরো কমিটিটি পকেট কমিটি হিসেবে আখ্যায়িত করতে হচ্ছে। অপরদিকে মহানগর কমিটির সভাপতি পদে রেজাউল ইসলাম রনি নামে যাকে রাখা হয়েছে তাকে নিয়েও রয়েছে ঢের বিতর্ক। বরিশার শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি এই রনি সাবেক ছাত্রনেতা রাফসান আহম্মেদ জিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। তাছাড়া সাধারণ সম্পাদক মহানগরের এই কমিটিতে হুমায়ুন কবির নামে যাকে মনোনীত করা হয়েছে তিনি বরিশাল শহরের সন্তান নন। এমনকি তার বাসাবাড়িও সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নে। ফলে তাকে নিয়েও বিতর্কের কমতি নেই। পদবঞ্চিত কেউ কেউ দাবি করছেন কবির বরিশাল শহরের ভোটারও নন। তবে দলীয় কর্মসূচিতে তার অবস্থান থকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে- যোগ্যতা বিবেচনায় তাকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে। এই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি তারিকুর ইসলাম তারিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক তছলিম বিগত সময়ে মাঠে থাকায় তাদের নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম রয়েছে। তবে কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মাহামুদুল হাসান তানজিলকে অনেকেই মাদক বিক্রেতা হিসেবে মিডিয়ার কাছে তুরে ধরছে। তবে খোঁজখবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে- মহানগরের এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আরিফুর রহমান মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আনিছুর রহমান জনি অধিষ্টিত হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বয়স বিবেচনায় তাদেরকে রাখা হয়নি বলে শোনা যাচ্ছে।

    একইভাবে জেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে সাইফুল ইসলাম সুজন এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সুজনকে কমিটিতে না রাখা হলেও সোহেল রাঢ়ীকে এই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়ছে। বিশেষ করে ত্যাগি নেতা সুজন বদবঞ্চিত ও সোহেল রাঢ়ীকে অবমূল্যায়ন করার বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি কর্মী সমর্থকরাও। কমিটি ঘোষণায় ক্ষুব্ধ সুজন ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।

    একইভাবে সোহেল রাঢ়ীও এই কমিটি মেনে নিতে নারাজ থাকার বিষয়টি অবহিত করে বলছেন- নেতা সরোয়ার স্বৈরাচ্চারি এরশাদের রুপ ধারন করেছেন। ফলে এখানকার নেতাকর্মীরা খুব্ধ হয়ে রাজপথে নেমে পতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিএনপির কার্যালয়টি গভীররাতে তালাবদ্ধ করে দিয়েছে।

    এমতাবস্থায় পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা ঘোষিত কমিটি বাতিলের আহবান জানিয়েছেন। তবে পদধারী নেতারা বলছেন কেন্দ্রীয় নেতারা সকল কিছু বিবেচনা করেই কমিটি ঘোষণা দিয়েছে। এই কমিটির বিরোধিতা না করে বরং তদের সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।’

  • কলোনী এলাকার মানুষের সাথে দেখা করছেন লিপি আব্দুল্লাহ

    কলোনী এলাকার মানুষের সাথে দেখা করছেন লিপি আব্দুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত নগরপিতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সহধর্মিনী সেরনিয়াবাত লিপি আব্দুল্লাহ নগরীর কলোনী গুলিতে ঘুরে ঘুরে অসহায় , নিপিরীত, বঞ্চিত মানুষের সাথে দেখা করেছেন।

    নগরীর হিরন নগর কলোনী, রসুলপুর সহ বিভিন্ন কলোনীতে মানুষের ঘরে ,ঘরে গিয়ে তাদের সুখ দু:খের খোজ খবর নেন মেয়র পত্নী।

    মেয়র পত্নীর এই কাজের প্রশংসা করেছেন বরিশালের সর্বস্থরের জনগন। তারা বলছেন , এই হচ্ছে সেরনিয়াবাত পরিবার। যে পরিবারের জন মানুষের প্রান প্রিয় নেতা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আমৃত্যু কাজ করেছেন সাধারন মানুষদের জন্য। ছোট শিশু প্রান দিয়েছেন  ঘাতকদের হাতে দেশের জন্য।  এই পরিবারের সন্তান , আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ হলেন দক্ষিণ বঙ্গের সিংহ পুরুষ। পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার । আর  একই পরিবারের সন্তান সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ হয়েছেন নগর পিতা ।

    তিনি অঙ্গীকার করেছেন , আমৃত্যু মানুষের সেবা করবেন । আর মেয়র পত্নীও এখন মানুষের সেবা করার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন ।

    এটাই প্রমান করে যে , বরিশাল নগরী হবে ভালবাসা ও উন্নয়নের রোল মডেল।

  • ‘পত্রিকায় অযাচিত লেখালেখিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়’

    ‘পত্রিকায় অযাচিত লেখালেখিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে রাজধানীতে আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একটি মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আজকের দাসেরকান্দি পয়োশোধনাগার নির্মাণ পরিকল্পনা তারই একটা অংশ। কেউ যদি কোনো প্রকল্পের কাজ না পায়, সেটা নিয়ে পত্রপত্রিকায় অযাচিতভাবে লেখালেখি হয়। এ কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়। তা ছাড়া কিছু পত্রিকা আছে, যারা একটু খুঁত পেলেই উন্মুখ হয়ে বসে থাকে সেগুলো ছাপানোর জন্য। এতে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ অকারণে পিছিয়ে যায়।

    রোববার সকালে প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকা ওয়াসার দাসেরকান্দি পয়োশোধনাগার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দাসেরকান্দি প্রকল্পটি ছাড়াও ঢাকায় রুট নিয়ে বিতর্কে বহুল আলোচিত মেট্রোরেল প্রকল্প পিছিয়েছে কয়েক বছর। সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে রুটের পরিকল্পনা ঠেকাতে নাগরিক সমাজের একটি অংশ নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামে। আর কিছু গণমাধ্যম সেগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে।

    এসব বিতর্কে বছর তিনেক পেছানোর পর ২০১৬ সালের ২৬ জুন উদ্বোধন হয় মেট্রোরেলের কাজ। ২০২১ সালের মধ্যে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত যাত্রী বহন শুরু হবে। অথচ এ নিয়ে বিতর্ক না হলে এরই মধ্যে কাজ প্রায় শেষ হয়ে যেতে পারত। স্বপ্নের পদ্মাসেতু প্রকল্পও পিছিয়েছে দুর্নীতি চেষ্টার ভুয়া অভিযোগের কারণে। যে সেতু দিয়ে এখন যান চলাচলের কথা, সেটি চালু হতে হতে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময় লেগে যেতে পারে।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসকিম এ খান প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে প্রকল্প এলাকার একটি রেপ্লিকা দেখানো হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দাশেরকান্দি পয়োশোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে হাতিরঝিল, গুলশান, বনানী, বারিধারা, সেনানিবাস এবং সংসদ ভবন এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যার যেমন সমাধান হবে তেমনি বাসিন্দারা একটি উন্নত পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা পাবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, যে কোনো ধরনের প্রকল্পের কাজ করতে গেলে আমাদের নানা ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়। এমনকি পাইপে আধা ইঞ্চির সমস্যা নিয়ে আমাদের অনেক দিন সময় নষ্ট হয়ে গেল।

     

    এসব বিতর্ক কেন তোলা হয়, তা বর্ণনা করে সরকারপ্রধান বলেন, কারণটা আমি জানি। কারণটা আর কিছুই না, কাজটা কে পেল না পেল। কেউ যদি না পেল, ওমনি দিল একখানা পত্রিকায় লিখে। আর কিছু পত্রিকা তো উন্মুখ হয়ে বসে থাকে, ওটা লিখবেই। তারপর সেটা নিয়ে আবার নানা জল্পনা-কল্পনা, তারপর আবার মাপামাপি, তার ওপর আবার রিপোর্ট দেন। অনেক ঝক্কি ঝামেলা, খামাখা সময়টা নষ্ট। অথচ হাতিরঝিল করেছি, হাতিরঝিলের পানি প্রায়ই পচে যায়। এই ট্রিটম্যান্ট প্লানটা যদি আমরা না করি, তাহলে হাতিরঝিলকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না, এটা হলো বাস্তবতা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের অনেক পুকুর ভরাট হয়ে বিল্ডিং হয়ে গেছে। পুকুর ভরাট করা চলবে না, সব ধরনের জলাধার সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। ঢাকায় এখন হাতেগোনা কয়েকটা পুকুর। এই পুকুরগুলো সব সংরক্ষণ করতে হবে। আর যেন কেউ পুকুর ভরাট না করে সে দিকে সতর্ক থাকতে হবে।

    রাজধানীর পাশাপাশি জেলা, উপজেলা শহর এবং ইউনিয়ন পর্যায়েও পানি ও পয়োসেবা নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হওয়ারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের সুপেয় পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, এই তিন পদক্ষেপ নিতে হবে এই কারণ যে, আমরা প্রত্যেকটা প্রামকে শহরে উন্নীত করতে চাই, গ্রামের মানুষ যেন শহরের মতো একটা উপযোগী ব্যবস্থা পায়।

    শেখ হাসিনা বলেন, রাজধানীর প্রধান নদী বুড়িগঙ্গার তলদেশে থাকা বর্জ্য অপসারণ, বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করে নদীটিতে পুরোপুরি দূষণমুক্ত করার পরিকল্পনাও নেই আমরা। বুড়িগঙ্গা তো প্রায় পচে দুর্গন্ধ। প্রচুর ময়লা দেখান থেকে বের করতে হয়েছে। কিন্তু তারপরও এখনও সেভাবে হয়নি। ওখানেও কতগুলো স্যুয়ারেজ সিস্টেম তৈরি করতে হবে।

    বালু, তুরাগ, ধলেশ্বরীও ড্রেজিং করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদী ড্রেজিং করলে প্রচুর জমি আমরা উত্তোলন করতে পারি। কোথাও আমরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করব, কোথাও আমরা চাষের উপযোগী জমি ব্যবহার করব, কোথাও আমরা শহর গড়ে তুলব।

    ‘জাতির পিতা এ দেশ স্বাধীন করে দিয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ। এ দেশের শোষিত-বঞ্চিত ভাগ্যহারা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতেই বঙ্গবন্ধু সারাজীবন কাজ করেছেন। গভীরভাবে এ দেশের মানুষকে ভালোবেসেছেন। আমরা সন্তান হয়ে বাবার কাছ থেকে সে সময়টুকু পাইনি। দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছরে আমরা যা না পেয়েছি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ১০ বছরে এ দেশ উন্নত-সমৃদ্ধ হতো। যখনই বাংলাদেশের মানুষ একটু সুখের মুখ দেখতে শুরু করেছিল তখনই হত্যা করা হয় জাতির জনককে।

  • খুুনিদের সাথে সংলাপের প্রশ্নই আসে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

    খুুনিদের সাথে সংলাপের প্রশ্নই আসে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, খালেদা জিয়াকে একাধিকবার সংলাপের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু তা তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এখন তারা আবার সংলাপ চায়। মন্ত্রী বলেন- খুনিদের সাথে সংলাপের কোন প্রশ্নই আসে না।

    ভোলা সরকারী কলেজের ৪টি একাডেমিক ভবন উদ্বোধন শেষে জাতীয় শোক দিবসের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে সংবিধান অনুুসারে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি না এসে যে ভুল করেছে। আবার যদি সে ভুল করে তাহলে সেটি হবে রাজনৈতিক আত্মহত্যার সামিল হবে এবং অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

    মন্ত্রী বলেন- পাকিস্থানীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, করেছে খুনি মোস্তাক-জিয়া। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যদি না জন্মাতেন তবে এই দেশ স্বাধীন হতো না। তিনি জীবনের ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাবরণ করেছেন। পাকিস্থানীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, কিন্তু করেছে খুনি মোস্তাক-জিয়া।

    ভোলা সরকারি কলেজে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর পারভীন আক্তার সভায় সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান তাদেরকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাকরি দিয়েছে। জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া খুনিদের জাতীয় সংসদের সদস্য করেছে। আর স্বাধীনতা বিরোধী নিজামী, মুজাহিদদের গাড়িতে তুলে দিয়েছে পতাকা।

    তোফায়েল আরও বলেন- কিছুদিন আগে নিস্পাপ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের জন্য আন্দোলন করেছিলো। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তাদের সমর্থন করেছি। সেই ছাত্র আন্দোলনকেও বিএনপি দলীয়করণ করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি নিজেরা এখন আন্দোলন করতে পারে না।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন- ২০০১ সালের পহেলা অক্টোবরের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ’র সকল নেতা-কর্মীর ওপর ভয়াবহ অত্যাচার করেছে বিএনপি। তখন তারা বলত একটা আওয়ামী লীগ পিটাবা ২ টন গম পাবা। মায়ের সামনে মেয়েকে ধর্ষণ করেছে তারা। এমনকি গরুর দড়ির খুটা দিয়ে লালমোহনে মানুষের চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তরুণ ছাত্রসমাজের উদ্দেশে বলেন- তোমাদের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিএনপি যদি আবার সুযোগ পায়, তবে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ লোককে হত্যা করবে। তাই স্বাধীনতার চেতনা, মূল্যবোধ বুকে ধারন করে আগামী নির্বাচনের জন্য কাজ করতে আহবান জানান।

    এর আগে মন্ত্রী কলেজ চত্তরে একটি বিজ্ঞান ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, প্রশাসনিক ও হোষ্টেল ভবনের উদ্বোধন করেন। পরে ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে কলেজের একটি হোষ্টেল ও অডিটোরিয়াম নির্মাণের ঘোষণা দেন।

    এই সভায় বক্তব্য রাখেন- মন্ত্রীপত্নী মিসেস আনাওয়ারা আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপিত ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. ইউনুছ মিয়া, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব।

    পরে মন্ত্রী সদর উপজেলা পরিষদ চত্তরে মাধ্যমিক ও দাখিল পর্যায়ের ২৬৭ জন মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি প্রদান করেন।’

  • ছাত্রদলের কমিটি চায় বরিশালের ত্যাগী নেতারা

    ছাত্রদলের কমিটি চায় বরিশালের ত্যাগী নেতারা

    কোনোভাবেই ‘আদু ভাইদের’ রাহুমুক্ত হচ্ছে না বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদল। তিন মাসের আহ্বায়ক কমিটি ৮ বছরেও পারেনি পূর্ণাঙ্গ করতে। তবুও ওই ব্যার্থ কমিটির অনেক নেতা পরবর্তী কমিটিতেও স্থান পেতে চাচ্ছেন।

    যদিও ইতিমধ্যে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদধারীরা দলের অন্য সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন। এরপরও ওই ব্যার্থ নেতারা ছাড়ছেন না ছাত্র সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ। ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের আভাস পেয়ে ওই নেতারা তাদের অনুসারি নব্যদের পদ পাইয়ে দিতে তোরজোর শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে পদ প্রত্যাশী ত্যাগী নেতাদের মাঝে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ।

    ছাত্রদলে পদ প্রত্যাশী একাধিক মাঠ নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ হাসান মামুন বর্তমানে মহানগর যুবদলের সভাপতি। যুগ্ম আহ্বায়ক এইচ.এম তসলিম উদ্দিন বর্তমানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান মঞ্জু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সস্পাদক হয়েছেন। এই তিন নেতা ছাত্রদলে থাকাকালে ব্যাপক দাপটের সাথে সংগঠনকে নিয়ন্ত্রন করেছেন। তাদের কর্মকান্ড নিয়ে রয়েছে বহু বিতর্ক। বয়স পার হওয়ায় ছাত্রদলের কমিটিতে পদ থাকা অবস্থাতেই তারা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলে পদ পেলেও ছাত্রদলে তাদের আধিপত্য ধরে রাখতে সম্ভাব্য কমিটি নিয়ে কূটকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

    দলীয় সূত্র জানায়, এরা সকলেই বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি অ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তবে বিভিন্ন সময় তারা সরোয়ারের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে এবং পদের অপব্যবহার করে নান বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে বিভিন্ন উপজেলার কমিটি গঠনকে ঘিরে বাণিজ্যে মেতে ওঠে মাসুদ হাসান মামুন। গুরুত্বপূর্ণ পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে দলীয় নেতাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে দেবো-দিচ্ছি করে আর কমিটিই করে দেয়নি। ওই সব নেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিকাশের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার কারণে এক সময় তার নাম হয়ে ওঠে ‘বিকাশ মামুন’। টাকা দেওয়া পদ প্রত্যাশী নেতাদের তোপ থেকে রক্ষায় মামুন তার অনুসারী নেতাদের জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দিতে লবিং চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

    তার অনুসারীরা পদ পেলে যাদের কাছ থেকে মামুন টাকা নিয়েছে সেই উপজেলার নেতাদের আগামির কমিটিতে পদ দিতে পারবে বলে মনে করছে সে। অভিযোগ আছে, মামুন যাদের পক্ষে দৌড়ঝাপ করছে তারা কেউই গুরুত্বপূর্ণ পদের যোগ্য নয়। এরা মামুনের ডাকে মাঝে-মধ্যে দলীয় কর্মসূচিতে আসে, আবার আসেও না।

    জেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুবদল সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম তসলিম উদ্দিনকে নিয়ে রয়েছে ভিন্ন বিতর্ক। তার পরিবারের মধ্যে আছে বহুমুখী রাজনীতিক। সে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও তারই বড় ভাই জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন এবার। আরেক ভাই আছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে এবং অপরজন জামায়াত ইসলামীতে। অভিযোগ আছে, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দল থেকে সুবিধা নিতেই এই কৌশলী পন্থায় তসলিমের পরিবার। সেও কিছু যুবককে ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
    মহানগর ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মঞ্জু বহু আগেই ছাত্র জীবন শেষ করলেও এবারের ছাত্রদলের কমিটিতে সভাপতি পদ চাচ্ছিলেন। বয়সের কারণে তালিকাচ্যুত হয়েও ছাত্রদলে প্রভাব ধরে রাখতে মরিয়া সে। ইতিপূর্বে গণমাধ্যমে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায়ের কথা জানালেও দল বা সংগঠনের কাছ থেকে অব্যাহতি নেয়নি। এরপর থেকে দলীয় কর্মসূচি এড়িয়ে চললেও স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়ে পুনরায় দলে কর্মকান্ডে দেখা যায় তাকে। চতুর মঞ্জু ছাত্রদলে গুরুত্বপূর্ণ পদে কখনই আসীন হতে না পারলেও সব সময়ই একটি নিজস্ব বলয় নিয়ে চলতেন। যে কারণে তার গ্রুপের দ্বারা বিভিন্ন সময় সিনিয়র নেতারাও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। এরা সকলেই ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে দলের ভিন্ন সংগঠনের পদে অবস্থান করলেও নানান কারণে ছাত্রদলের কমিটিকে হাতের মুঠোয় রাখতে নিজেদের অযোগ্য অনুসারীদের পদ পাইয়ে দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তাদের এ চেষ্টার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পদ প্রত্যাশী ত্যাগী নেতারা ক্ষুব্ধ এবং শংকিত আগামির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটি নিয়ে।

    তারা ‘আদু ভাই’র রাহুমুক্ত মুক্ত ছাত্রদল কমিটি দিতে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান।

  • বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আ.লীগ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার পথ রুদ্ধ করতে চায়’

    বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আ.লীগ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার পথ রুদ্ধ করতে চায়’

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এক-এগারোর আওয়ামী লীগের আরেকটি চক্রান্ত। সেই চক্রান্তটি হচ্ছে- বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যে পথ, সেই পথকে তারা রুদ্ধ করতে চায়।

    রবিবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উপলক্ষে নেতাকর্মীরা জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    বিএনপি এক-এগারো নিয়ে চক্রান্ত করছে- ক্ষমতাসীনদের এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি এক-এগারো করার প্রয়োজনটা কী? এর সঙ্গে বিএনপির তো কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না।

    তিনি বলেন, বিএনপি তো এখন ড্রাইভিং সিটে নেই। ড্রাইভিং সিটে আছে তারা (আওয়ামী লীগ)। আর এক-এগারো করার অভিজ্ঞতা তাদের। এক-এগারোর সুবিধাভোগী তারা। অযথা বিএনপিকে এর মধ্যে নিয়ে আসা মানে তাদের কোনো কুমতলব আছে।

    এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ইট বালু থেকে শুরু কয়লা,পাথরসহ গুম, খুন হচ্ছে বিরোধী দলের নেতা কর্মী: সরোয়ার

    ইট বালু থেকে শুরু কয়লা,পাথরসহ গুম, খুন হচ্ছে বিরোধী দলের নেতা কর্মী: সরোয়ার

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, দেশে সর্বত্র দূর্নীতিতে ভরে যাওয়ার কারনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ভোল্টের সোনা তামা হয়ে যাচ্ছে। দেশ থেকে উদাও হয়ে যাচ্ছে ইট বালু থেকে শুরু কয়লা,পাথরসহ গুম, খুন হচ্ছে বিরোধী দলের নেতা কর্মী।
    এই অবৈধ ভোটার বিহীন সরকার নতুন করে দেশে ওয়ান এলেভেনের গন্ধ পাচ্ছে তারাতো গন্ধ পাবে কারন ওয়ান ইলেভেন সরকার বর্তমান অবৈধ সরকারের সৃষ্টি সেই কারনেই তারা মসনদ হারাবার ভয়ে ওয়ান এলভেনের গন্ধ পাচ্ছে।

    সরোয়ার আরো বলেন, আজ দেশে জনগনের ভোটের সরকার নেই বলেই দেশে আইনের শাসন নেই। জনগন এই সরকারকে বিশ্বাষ করে না। ভোটার বিহীন আওয়ামীলীগ সরকার জনগনকে বিশ্বাস করে না বলেই তারা প্রশাসনের ভোটের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার কারনে কয়দিন পরপরই তাদের বেতন-ভাতা বাড়ছে, দিচ্ছে তাদের পদোন্নতি।
    এতে করে সরকারের শেষ রক্ষা হবেনা। তারা এখন দেশ থেকে পালিয়ে যাবার চিন্তা ভাবনা করছেন কোথায় পালাবেন গুম,খুনসহ জনগনের টাকা,সোনা, কয়লা ও পাথর কোথায় গেছে তার হিসাব না দিয়ে বাংলার মাটি থেকে পালিয়ে যাবার কোন সুযোগ এই অবৈধ সরকার পাবে না।

    আজ রোববার (১৯ই আগস্ট) বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে অশ্বিনী কুমার টাউন হলের আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

    মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এবায়েদুল হক চাঁন, সাবেক সংসদ ও বরিশাল উত্তর জেলা সভাপতি মেজবা উদ্দিন ফরহাদ,দক্ষিন জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার,মহানগর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক আনায়ারুল হক তারিন,মহানগর,স্বেচ্ছাসেবক দল সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সমির,মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারন সম্পাদক মসিউর রহমান মঞ্জু,সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেদুজ্জামান রাসেদ,জেলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি আতাউর রহমান আউয়াল,সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আবদুল্লাহ্ সাদি,বাকসু সাবেক পরিবহন সম্পাদক রবিউল আউয়াল শাহিন, বাকসু সাবেক সদস্য মতিউর রহমান মিঠু।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম সম্পাদক আজিজুর রহমান মামুন ভূইয়া,জেলা যুগ্ম সম্পাদক খান মোঃ আনোয়ার ও বরিশাল সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আহবায়ক মানিক হাওলাদার প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার আরো বলেন,আজ দেশে আওয়ামী অবৈধ সরকারের হাতে গনতন্ত্র অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

    তাই আগামী দিনগুলোতে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে অবৈধ সরকারকে হটিয়ে জনগনের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।
    একারনেই স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিটি নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে রাজ পথে থাকার আহবান জানান।

    তিনি আরো বলেন দেশের নির্বাচন কমিশনার এখনই যদি বলেন সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশের নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব না তাহলে এই নির্বাচন কমিশনারের অধিনে কোনভাবেই নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এই জন্য নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার ছাড়া এদেশে সংসদ নির্বাচন হবেনা।

    সরোয়ার স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আলোচনা সভা থেকে দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদার বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তিসহ বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জে.এম আমিনুল ইসলাম লিপনের মুক্তির দাবী জানান।

    এর পূর্বে প্রধান অতিথি যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ।

  • মির্জা ফখরুলের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল: কাদের

    মির্জা ফখরুলের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য আবার দেশকে ‘স্বাধীন’ করতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আহ্বান রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

    গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ১৭ আগস্ট সারা দেশে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এই সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

    ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ শুক্রবার দুপুরে এক সমাবেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেন, ‘দেশের জনগণকে আহ্বান জানাব যে শুধু এই নিরাপদ সড়ক নয়, নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন, আপনারা জেগে উঠুন। আপনারা দেশকে “স্বাধীন” করুন।’ তাঁর এই মন্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকেরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি প্রশ্ন রাখতে চাই, এটা কি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল নয়? এর যদি বিচার করতে হয়, ফখরুলকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে বিচার করলে কি ভুল হবে?’ তিনি বলেন, ‘ফখরুল ইসলাম এখনো গ্রেপ্তার হননি, রাষ্ট্রদ্রোহিতার কথা বলে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’

    বিএনপির মহাসচিবের উদ্দেশে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোন স্বাধীনতা? পাকিস্তানে ইমরান সরকার এসেছে, মহাখুশি—না?’ তিনি বলেন, ‘ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব, অচিরেই টের পাবেন কত ধানে কত চাল।’ ফখরুল ইসলামের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নাকি এক-এগারোর কথা বলছে। ১/১১-এর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার সব ধরনের ষড়যন্ত্র বিএনপি করেছে। খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে আর ১/১১-এর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না। জনগণ বিএনপির সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেবে। এই ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গোপন বৈঠক চলছে। দেশে, বিদেশে ব্যাংককে বসে বৈঠক চলছে। গত সাত দিনে কারা ঘনঘন যাতায়াত করছে, সে খবর আমরা জানি। ব্যাংককে এখন ঘাঁটি করেছে। কারা কারা আসছেন, কারা যাচ্ছেন, কী কী কথা হচ্ছে, মনে করেছেন আমরা জানি না?’ তিনি বলেন, ‘ঢাকা অচল হবে না। বাংলাদেশ অচল করা যাবে না। বিএনপি অচল হয়ে যাবে। বিএনপি অচল হওয়ার সব উপাদান তারা যুক্ত করে ফেলেছে।’

    বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, শক্তি কমে আসছে, তাই বিএনপির গলার জোর বেড়ে গেছে। কথা বলতে বলতে লাগামছাড়া হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীকেও আক্রমণ করে কথা বলছে বিএনপি। বিএনপি যত দিন আছে, দেশে তত দিন অশান্তির আগুন জ্বালাবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি বলে বুকের ওপর দানব সরকার। বিএনপি নামক সাম্প্রদায়িক দানব পার্টি বাংলাদেশে যত দিন থাকবে, এখানে অশান্তি দূর হবে না। দানব পার্টি যত দিন আছে, দেশে অশান্তির আগুন জ্বালাবে।

    গণমাধ্যমে ‘সরকারবিরোধী’ আন্দোলন চলছে, দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কারা কারা পেছন থেকে ষড়যন্ত্রে বাতাস দিচ্ছে, আমরা জানি। এই বাতাস দেওয়া বন্ধ করুন। বিএনপি মাঠে না থাকলেও দু-একটা মিডিয়ার মধ্যে এই আন্দোলন আছে। টার্গেট হাসিনা সরকারকে উৎখাত করা। শেষ পর্যন্ত ইনশা আল্লাহ বাংলার জনগণ রুখে দাঁড়াবে।’

    মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ সভায় বক্তব্য দেন।

  • খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে : রিজভী

    খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে : রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের অন্যায় আর জুলুমের শিকার হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেগম জিয়াকে সব অধিকার থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি অসুস্থ এই নেত্রীকে সুচিকিৎসা না দিয়ে তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে।এছাড়া নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সরকার প্রধান শিশু-কিশোরদের সঙ্গে নিষ্ঠুর প্রতিশোধের খেলায় মেতে উঠেছেন।
    আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম মোশারফ হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী লিখিত বক্তব্যে বলেন, উন্নতমানের যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তার সুচিকিৎসার অধিকারকেও বাধা দেয়া হচ্ছে। সরকার প্রতিহিংসার কারণে অন্যায়ভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে বানোয়াট অসত্য মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে।
    তিনি বলেন, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলাগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে। বাংলাদেশ এখন জুলুমের গ্যাসচেম্বারে পরিণত করা হয়েছে। দেশের সর্বত্র রক্ত ঝরছে। সারাদেশে জনপদের পর জনপদে অসংখ্য মিথ্যা মামলা এবং সেই মামলায় হাজার হাজার বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীকে আসামি করে গ্রেফতার করা এবং অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
    তিনি বলেন, ঈদের আগেই সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে বেগম জিয়ার মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি এবং তার সুচিকিৎসার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অন্যায় সাজা ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে জোর দাবি জানাচ্ছি। শিশু-কিশোরদের আন্দোলনে সরকারের বর্বরতার নিন্দা জানিয়ে তাদের মিথ্যা মামলা ও রিমান্ড প্রত্যাহার করে মুক্তি এবং বিএনপির নেতাকর্মীসহ দেশের রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।
    তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে বিনা চিকিৎসায় মরণাপন্ন অবস্থা। খুব দ্রুত অস্ত্রপচার না হলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়বেন। কিন্তু বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক কোনোক্রমেই শিমুল বিশ্বাসকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করছেন না। নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতে নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিএসএমএমইউ-এর কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো দলীয় চেতনায় ভরপুর বলে বিরোধী দলের মানুষরা সুচিকিৎসা পাওয়ারও অধিকারকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে।