Category: রাজণীতি

  • ‘নেত্রী গ্রিন সিগনাল দিয়েছেন, তাই নেমে পড়েছি’

    ‘নেত্রী গ্রিন সিগনাল দিয়েছেন, তাই নেমে পড়েছি’

    চিত্রনায়ক শাকিল খান দুদিন ধরে বাগেরহাটের মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনে জনসংযোগ করছেন। তিনি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া চাচ্ছেন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে বলছেন।  মঙ্গলবার বিকেলে মোংলা উপজেলার চটেরহাট এলাকায় প্রচারণা সভায় বক্তব্য দেন শাকিল খান। মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইদ্রিস আলীর বাসায় ওই সভা হয়।

    Advertisement সভায় শাকিল খান বলেন, ‘নেত্রী (আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) গ্রিন সিগনাল দিয়েছেন, তাই এলাকায় নেমে পড়েছি। জনগণের কাছে যাচ্ছি, দোয়া চাচ্ছি, ভালো সমর্থনও পাচ্ছি।’ এ সময় শাকিল খান আরো বলেন, আমি নির্বাচনী যে আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি, হয়তো তা অনেকে মনে করতে পারেন এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য (বর্তমান খুলনা সিটি মেয়র) আলহাজ তালুকদার আব্দুল খালেকও বিগত দিনে এ ধরনের কথা বলে গেছেন, তাই আমিও বলছি, এটা আপনারা ভাববেন না। বাস্তবতা হচ্ছে হাতের পাঁচ আঙুল যেমন সমান নয়, সব মানুষের মন তেমন সমান নয়। কাউকে সমানভাবে দেখলে আপনারা ভুল করবেন। দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে থেকে কাজ করে যাচ্ছি, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    শাকিল খান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই বিতাড়িত। অনেক নেতা-কর্মী কষ্টে-ক্ষোভের মধ্যে আছেন। এলাকায়ও ঠিকমতো থাকতে পারেন না। এটি শুনলে নিজের কাছেও অনেক খারাপ লাগে। আমি এই কথাগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছেও বলেছি। তবে আমি যদি আপনাদের মাঝে আসতে পারি, তাহলে আপনাদের সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করব। এমপি নির্বাচিত হলে মোংলা-রামপালের প্রতিটি ঘরে ঘরে যাতে অন্তত একটি করে চাকরি হয় তার ব্যবস্থা করব।

    প্রচারণা সভায় উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইদ্রিস আলী, মোংলা পোর্ট পৌরসভার কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল ইসলামসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের কয়েকশ নেতাকর্মী ও সমর্থক। এর আগে সোমবার দিনভর রামপালের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসংযোগ করেন শাকিল খান।

  • খালেদাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিয়োগ করতে হবে: ইনু

    খালেদাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিয়োগ করতে হবে: ইনু

    তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনটি একারণেই গুরুত্বপূর্ণ যে, এ নির্বাচনের মাধ্যমেই রাজাকার ও রাজাকারদের মাতাস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিয়োগ করতে হবে। তবেই বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, আর বিপদে পড়বে না। জঙ্গি-রাজাকার ও এদের পৃষ্ঠপোষকমুক্ত রাজনীতির চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও মহাজোটের ঐক্য বজায় রাখতেই হবে।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে মঙ্গলবার টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে ১৪ দলের শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নিয়ে পুষ্পস্তবক ও ফাতেহা পাঠ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।

    ইতিহাসের দিকে দৃষ্টিপাত করে মন্ত্রী বলেন, ‘একাত্তরে যে রাজাকার-সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে ‘মাইনাস’ বা বিয়োগ করা হয়েছিল, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা সেই অপশক্তিকে রাজনীতিতে ‘প্লাস’ বা যোগ করে। এটি একটি জাতীয় দুর্ঘটনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আবার এদেরকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস’ করার সংগ্রাম করছি।’

    ‘সাজাপ্রাপ্ত বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি রাজাকার-জঙ্গি-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক’ উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘তারা এদেরকে রক্ষা করার সবরকম অপচেষ্টায় লিপ্ত। সেকারণে বাংলাদেশকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করতে হলে এই অপশক্তি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক উভয়কেই ‘মাইনাস’ করতে হবে।’

    ‘এখানে মিটমাটের কোনো সুযোগ নেই, যারা এদের সঙ্গে মিটমাটের কথা বলেন, তারা নির্বাচন ও গণতন্ত্রের নামে খুনি ও অপরাধীদের হালাল করতে চান’, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

  • মুখোমুখি ছাত্রদলের পদপ্রাপ্ত ও বঞ্চিতরা

    মুখোমুখি ছাত্রদলের পদপ্রাপ্ত ও বঞ্চিতরা

    বরিশালে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পদপ্রাপ্ত ও পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ১৯ আগস্ট রাতে ঘোষিত ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে পদবঞ্চিত একাধিক ছাত্রদল নেতা সদ্যঘোষিত কমিটিকে অবৈধ আখ্যায়িত করে তা বাতিল এবং নতুন করে রাজপথে থাকা ত্যাগী ছাত্রনেতাদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার দাবিতে আন্দোলন করছেন। পদপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, কেন্দ্র ঘোষিত কমিটি বাতিলের ক্ষমতা কেন্দ্রেরই এবং তাদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে এভাবে আন্দোলন করা সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী।

    ঘোষিত কমিটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজনৈতিক মামলা ও কারাবরণের ভুক্তভোগী জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সুজন, ছাত্রনেতা সোহেল রাঢ়ী, আরিফুর রহমান মুন্নার নেতৃত্বে বিক্ষব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

    তারা বলছেন, ঘোষিত কমিটিতে রাজনৈতিক হামলা, মামলা, পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার ত্যাগী কর্মীদের উপেক্ষা ও অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদল নেতারা বলেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান শুধু যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপি সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের নিজস্ব লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আগামীতে নিজ এলাকা হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে (বরিশাল-৪) নির্বাচন করার জন্য নিজের পছন্দের লোক নিয়ে কমিটি করে তা চাপিয়ে দিয়ে ত্যাগী ছাত্রনেতাদের নতুন কমিটি থেকে বঞ্চিত করেছে।

    বিদ্রোহী গ্রুপের সাইফুল ইসলাম সুজন বলেন, সদ্য ঘোষিত পকেট কমিটি বাতিল করে ১/১১ এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে অগ্রভাগে থাকা পুলিশি নির্যাতন হামলা-মামলার শিকার হওয়া ছাত্রনেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন কমিটি করতে হবে।

    জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মুন্নার বক্তব্য, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি করা হয়েছে দীর্ঘদিন বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনুপস্থিত থাকা জেলা ছাত্রদলের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বরিশাল মহানগর বিএনপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারের ফার্মের স্টাফ মাহফুজুল আলম মিঠুকে। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়েছে জেলা সম্পাদককে মোটর সাইকেলে পরিবহন করা তারিক আল ইমরানকে। এভাবে সংগঠনের জন্য ত্যাগ তিতিক্ষার বদলে ব্যক্তি সেবা প্রদান এবং তোষামোদকারীদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে সদ্য ঘোষিত নতুন কমিটির জেলা সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিঠু বলেছেন, সাংগঠনিক বিষয়ে মতভেদ ধাকলে তা সাংগঠনিক ফোরামেই উপস্থাপন করতে হয়। এভাবে প্রকাশ্যে অভ্যন্তরীণ মতভেদ তুলে ধরা হলে তাতে দলের বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীই লাভবান হবে এবং প্ররোচিত করবে।

    ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, সংগঠনের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্ত তা সাংগঠনিক ফোরামেই তুলে ধরতে হবে। অঙ্গ সংগঠনের ব্যাপারে মূল সংগঠন নিয়ন্ত্রক নয়, অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে।

    ২০০০ সালের পর ২০১৮-এর ১৯ই আগস্ট কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি ও সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে বরিশাল জেলা ও মহানগরের একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে সেই কমিটিতে পদবঞ্চিতরা বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসভবন এবং দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ, দলীয় কার্যালয়ে তালা, ঝাড়ু মিছিল, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কুশপুত্তলিকা ও ছবিতে অগ্নিসংযোগ, বরিশালে অবাঞ্চিত ঘোষণা করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। অন্যদিকে পদপ্রাপ্তরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সমাবেশ করেছে।

  • সেরনিয়াবাত ভবনে ছাত্রলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া মোনাজাত

    সেরনিয়াবাত ভবনে ছাত্রলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া মোনাজাত

    শেখ সুমন :

    ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরিশাল নগরীর কালীবাড়ী রোডস্থ সেরনিয়াবাত ভবনে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

    দোয়া ও মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ । বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্য়াড. এ কে এম জাহাঙ্গীর ,  মহানগর আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু, হোসেন {নানা} , নব নির্বাচিত কাউন্সিলর এ্য়াড. রফিকুল ইসলাম খোকন , বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন সেরনীয়াবাত, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব খান সহ জেলা ও মহাগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে ১৫ ই আগস্টে নিহত সকল শহিদের  বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

  • বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের ভাঙচুর

    বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের ভাঙচুর

    রাজশাহীতে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা তালার পর এবার ভাঙচুর চালিয়েছে বিএনপি কার্যালয়ে। কেউ তালা মারে, আবার কেউ ভাঙে। গতকাল থেকে এমনই অবস্থা ছিল নগর বিএনপি কার্যালয়ে। রবিবার পদ পাওয়া পদবঞ্চিতদের দেওয়া তালা ভেঙে পরিচিতি সভা করেছে নতুন নেতারা। জবাবে সোমবার ফের ভাঙচুর চালালো পদ বঞ্চিতরা।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী নগরীর ভুবনমোহন পার্ক এলাকার নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় পদ বঞ্চিতরা। তারা ভাঙচুর শেষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। সেই তালা বিকেলে ভেঙে পরিচিতি সভা করে পদ পাওয়া নতুন নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের এমন ঘটনায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
    সিটি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লিমন বলেন, পদ না পাওয়ায় রবিবার সকালে নেতৃবৃন্দ এসে দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে তারা তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে নতুন আটটি ইউনিটের পরিচিতি সভা করেছেন। সভায় নতুন আটটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    তবে এবিষয়ে নগর ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান জনিকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এই প্রসঙ্গে নগর বিএনপি নেতারাও কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
  • নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির থাকার সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

    নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির থাকার সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

    নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভায় কোনো বিএনপির প্রতিনিধি থাকার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    রবিবার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর এক কোটি টাকা ব্যয়ে ৬শ’ মিটারের মধ্যে ৬০টি স্ট্রিট লাইট স্থাপন করে ইন্টারসেকশন আলোকিতকরণ উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

    সরকারের আয়তন বৃদ্ধি কিংবা আরও লোকজন যুক্ত করার কোনো দরকার নেই উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের বলেন, মন্ত্রিসভায় নতুন করে অন্য কাউকে যোগ নয় বরং কমানো হতে পারে। গতবার বিএনপিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অফার করা হয়েছিলো। তবে তারা সেটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে। এবার বিএনপির যেহেতু সংসদে প্রতিনিধিত্ব নেই, তাই নতুন করে তাদের আমন্ত্রণ জানানোর কোনো সুযোগ নেই।

    তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালকে যদি বিএনপি ২০১৪ সাল মনে করে থাকে তাহলে তারা আরও বড় এবং মারাত্মক ভুল করবে। এবার যদি সন্ত্রাস সহিংসতা হয় বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে।

  • সাদিক আবদুল্লাহকে আইভীর অভিনন্দন

    সাদিক আবদুল্লাহকে আইভীর অভিনন্দন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী।

    নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব প্যাডে ১৭৬ নং পত্রে ২০ আগস্ট মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভীর স্বাক্ষরিত অভিনন্দন বার্তাটি বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এ মেয়রের কাছে পৌচেছে।

    বার্তায় বলা হয় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও নারায়নগঞ্জবাসীর পক্ষ হতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

    বার্তায় মেয়র আইভি আরও বলেন গুরুত্বপূর্ন ও পবিত্র এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বরিশালবাসীর প্রত্যাশা পূরন হবে এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস। মহান আল্লাহর নিকট নব নির্বাচিত মেয়রের সুস্বাস্থ্য,দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন মেয়র আইভী।

  • আরিফিন মোল্লার কাণ্ডে বিব্রত বরিশাল আওয়ামী লীগ!

    আরিফিন মোল্লার কাণ্ডে বিব্রত বরিশাল আওয়ামী লীগ!

    অনলাইন ডেস্ক : বাবা ছিলেন বিএনপির কট্টর সমর্থক। মা যুক্ত ছিলেন জামায়াতের সঙ্গে। ছাত্রলীগ-যুবলীগ কিংবা কোনো অঙ্গ সংগঠনের সঙ্গে নিজে কখনও যুক্ত ছিলেন না, এখনও নেই। দলের সদস্যও নন তিনি। স্থানীয় শীর্ষ নেতারা তার নাম শোনেননি আগে। অথচ নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা ঘোষণা করে মাঠ গরম করে তুলেছেন। বরিশালে এমনই এক স্বঘোষিত ভুঁইফোড় নেতার তুঘলকি কাণ্ডে অতিষ্ঠ জেলা, মহানগর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ যেন ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’। হঠাৎ নেতা বনে যাওয়া এই ব্যক্তির নাম আরিফিন মোল্লা।

    প্রচারে দু-হাত খুলে টাকা ঢালছেন ‘উড়ে এসে জুড়ে বসা’ এই নেতা। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে ঘিরে নগরীতে এই স্বঘোষিত নেতার ব্যয়বহুল আয়োজন ও ব্যাপক প্রচার টনক নড়েছে বরিশাল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের। তারা বলেছেন, আরিফিন মোল্লা আওয়ামী লীগের কেউ না। দলের নাম ব্যবহার করে তিনি যা করছেন, তা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য। তাকে নিয়ে ফেসবুকেও চলছে সমালোচনার ঝড়। তবে আরিফিন মোল্লা দাবি করেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী তিনি। দলে পদ-পদবি নেই, তাই নামের পরে শুধু ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ লেখেন। জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি নিয়ে যারা সমালোচনা করেন, তারা কেন তার মতো আয়োজন করে দেখাতে পারলেন না।

    আরিফিন মোল্লার বাড়ি নগরীর পশ্চিমাংশে সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে। প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করে দলের নামে বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছেন। ঘোষণা দিয়েছেন আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সদর আসনে (বরিশাল-৫) মনোনয়ন চাইবেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেন মোল্লার বড় ছেলে আরিফিন মোল্লা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অপরিচিত এই আরিফিন মোল্লা প্রায় এক বছর আগে হঠাৎ বরিশালে যাতায়াত শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত আনোয়ার হোসেন মোল্লা সপরিবারে ঢাকায় থাকতেন। আরিফিনের জন্মও ঢাকায়। বাড়ি রায়পাশায় হলেও পরিবারের কারোরই গ্রামে আসা-যাওয়া ছিল না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেছেন, আরিফিন মোল্লা ঢাকায় এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে ব্যবসা করেন। বৈধ-অবৈধ ব্যবসায় তিনি এখন নব্য কোটিপতি। আর তাই সম্প্রতি এলাকায় এসে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে নিজেকে নেতা হিসেবে জাহির করতে চাচ্ছেন।

    সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আরিফিন মোল্লা নগরীর চৌমাথা, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী, সদর রোড, সিঅ্যান্ডবি সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২৫টির বেশি তোরণ স্থাপন করেন। ১৬ আগস্ট রায়পাশার বাড়িতে দোয়া অনুষ্ঠানের নামে প্রায় ১০ হাজার মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। মোটা টাকা খরচ করে স্থানীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন ও ব্যানার, বিলবোর্ডে আরিফিন নিজেকে ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ দাবি করায় তাকে ভর্ৎসনা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

    সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম ছবি বলেন, ‘এ নামে কোনো নেতা নেই, তাকে চিনিও না।’ রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান খোকন অভিযোগ করেন, আরিফিনের বাবা মৃত আনোয়ার মোল্লা ছিলেন বিএনপির কট্টর সমর্থক। শুনেছি তার মা জামায়াত করতেন, একবার গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, আরিফিনকে নেতার স্বীকৃতি দিল কে? এটা কি মগের মুল্লুক! জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি বলেন, মোটা টাকা খরচ করে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে আরিফিন যা করছেন, তা অন্যায়। টাকা থাকলেই নেতা হওয়া যায় না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফিন মোল্লা বলেন, দেশের সব জায়গায় ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু বরিশালে দেখছি উল্টো। পদ-পদবি না থাকায় প্রতিবাদও করতে পারছি না। নিজেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচয় দেওয়া আরিফিন দাবি করেছেন, তার পরিবারের কেউ কখনও জামায়াত-বিএনপি করত না।

  • ‘সরকার ২১ আগস্টের রায়কে প্রভাবিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে’

    ‘সরকার ২১ আগস্টের রায়কে প্রভাবিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে’

    সরকার একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রভাবিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।শনিবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
    রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব গতকাল বলেছেন, ২১ আগস্ট মামলার রায় হলে সংকটে পড়বে বিএনপি। আর আগামী সেপ্টেম্বরে সে রায় হবে। কাদের সাহেবরই বক্তব্যেই পরিষ্কার যে তারা নীলনকশা অনুযায়ী ২১ আগস্টের মামলার রায় নিয়ে আগাম কাজ করছেন, সে জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কূটচাল চালছেন।
    গ্রেনেড হামলার ঘটনায় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করে বিএনপির এই  নেতা বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় সরকার নিজেরা লিখে আদালতকে দিয়ে তা বাস্তবায়ন করাবে কি না, মানুষের মনে সেই সংশয় দেখা দিয়েছে। তাদের (সরকার) বক্তব্য শুনে মনে হয়, একটি ফরমায়েশি রায় হতে যাচ্ছে।
    রিজভী আরো বলেন, মানুষের ক্ষোভের ধাক্কায় পতনের ভয়ে সরকারের বুকে ধড়ফড়ানি শুরু হয়েছে। তাই তারা উদ্ভট বক্তব্য রাখছে। কিন্তু যতই ষড়যন্ত্র ও মহাপরিকল্পনা করেন না কেন আপনাদের পতন ঠেকানো যাবে না।
  • হত্যাকারী যেই হোক, ক্ষমা পাবে না : ওবায়দুল কাদের

    হত্যাকারী যেই হোক, ক্ষমা পাবে না : ওবায়দুল কাদের

    সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি জড়িত। হত্যাকারী যেই হোক, যত প্রভাবশালী হোক, ক্ষমা পাবে না। নিরপেক্ষভাবে বিচার হবে। বিচারে যারাই দোষী সাব্যস্ত হবে, শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

    শনিবার সকালে পতেঙ্গা এলাকায় টানেল নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে এ কথা বলেন।

    এ সময় কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণকাজের ২৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ মন্ত্রীকে দেখান উপ-প্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) ড. অনুপম সাহা।

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ মোতালেব, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।