Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনলাইন পরিক্ষা শুরু ১৫ মে

    ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনলাইন পরিক্ষা শুরু ১৫ মে

     ক্যাম্পাস প্রতিনিধি//ই এম রাহাত ইসলাম: সারাদেশে লকডাউন পরিস্থিতির কারনে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে সরাসরি ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সেশনজট ও পরীক্ষার নানাবিধ সমস্যা এড়াতে ১৫ মে থেকে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শুরু হচ্ছে অনলাইন পরীক্ষা। মঙ্গলবার (১২মে) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচা‌র্য অধ্যাপক ড. কে এম মোহসিন অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। উপাচার্য জানান, দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সকল নিয়ম মেনেই আমাদের পরীক্ষা গ্রহন করা হবে৷ অনলাইন পরীক্ষার সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার শাহ আলম চৌধুরী জানান, দেশের এই ক্রমবর্ধমান সংকটকে বাঁধা হিসেবে না নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের সেশনজটের কথা মাথায় রেখেই অনলাইন পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি৷ এ প্রসঙ্গে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এবং সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন জানান, করোনা ভাইরাসের আতংক এখন সারা বিশ্বেই বিরাজ করছে। বৈশ্বিক এই সংকট এর প্রভাব থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। অনলাইন পরীক্ষা নিয়ে ইউজিসির থেকে একটা ইতিবাচক নির্দেশনা দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যাতে সেশনজটে না পড়ে সেজন্যই অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ইউজিসি । সকল শিক্ষকরা এ বিষয়ে একমত হয়েছেন এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও বেশ ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রযুক্তির সফল ব্যবহারে বহির্বিশ্বে অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়া হয়ে থাকে। আমরাও সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পরীক্ষা নিয়ে সেশনজট ও পরীক্ষাজটমুক্ত রাখতে চাই। ছাত্র ছাত্রীদের কল্যানের কথা চিন্তা করেই অনলাইনে পরিক্ষা নেয়া হচ্ছে। তাদের জীবন থেকে যাতে মূল্যবান সময় নষ্ট না হয়।নির্ধারিত সময়েই যাতে তাদের কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। সেজন্যই অনলাইন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। ছাত্র ছাত্রীরাও আমাদের সাথে একমত হয়েছে এবং তারা পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে। আশা করছি অনলাইন পরিক্ষার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকবে৷ অনলাইন পরিক্ষা প্রসঙ্গে সিভিল বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, সমগ্র বিশ্বের মত আমাদের দেশও কোভিড-১৯ দ্বারা আক্রান্ত। সে কারনে আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরিক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছিল, এ জন্য সেশনজটে পড়ার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। এই সেশনজট এড়াতেই আমরা অনলাইন পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করেছি। এতে সেশনজট এড়ানো যাবে।

  • ১০ মে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা

    ১০ মে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা

    ১০ মে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চিন্তা-ভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে আজ মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব মো. মাহবুব হোসেন অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে জানা গেছে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের একটি রীতি চালু হয়েছে। এই রীতি অনুযায়ী বিগত ১০ বছর জেএসসি ও সমমান, এসএসসি ও সমমান, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাসহ সব পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।

    দীর্ঘদিনের রীতি এবার ব্যত্যয় হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। করোনা সংক্রমণ এড়াতে সরকার সারাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছে। এ কারণে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের মূল্যায়ন শেষে নম্বরপত্র (ওএমআর শিট) বোর্ডে পৌঁছাতে পারছেন না শিক্ষকরা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব সোমবার গণমাধ্যমকে জানান, চলতি মাসের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগামী ১০ মে এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। সেই লক্ষ্যে এ কাজের আপডেট জানতে ও ফল প্রকাশের সময় নির্ধারণে মঙ্গলবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডসহ কারিগরি এবং মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

    ইতোমধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফল তৈরির কাজ প্রায় শেষ হলেও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড অনেক পিছিয়ে বলে জানা গেছে।

    এবার এসএসসি-সমমান পরীক্ষা ১ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সরস্বতী পূজার কারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। এ কারণে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

  • করোনা প্রতিরোধে বিএম কলেজে লিফলেট বিতরণ

    করোনা প্রতিরোধে বিএম কলেজে লিফলেট বিতরণ

    করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতামুলক কার্যক্রম চালিয়েছে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপভ রোববার সকালে ক্যাম্পাসে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শফিকুর রহমান শিকদার।

    কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস্ বরিশাল জেলা রোভারের কমিশনার এস.এম. তাইজুল ইসলাম ও সম্পাদক জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম।

    কার্যক্রমের শুরুতেই অত্র গ্রুপের সম্পাদক এ কে এম সামসুর রহমান ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে ভাইরাস প্রতিরোধে কি কি করনীয় তা উল্লেখ করেন।

    তিনি তার বক্তব্যে বললেন, যেহেতু ভাইরাস জনিত রোগ প্রতিরোধ করা সহজ ব্যাপার নয় তাই আমাদের প্রধান করনীয় হবে সচেতন থাকা। এই ভাইরাস মূলত ১ মিটারের মধ্যে চলাফেরা করে এবং ওই ১ মিটারের মধ্যে আসা প্রাণীকে সংক্রমিত করে।

    গ্রুপের সহ-সভাপতি ড. মোঃ গোলাম কিবরিয়া করোনা ভাইরাসের লক্ষন সংক্রান্ত সকল তথ্য উপস্থিত রোভার ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উপস্থাপন করেন।

    গার্ল-ইন-রোভার স্কাউট লিডার নাজমাতুস্ সাকিবা তার বক্তব্যে বলেন, এই ভাইরাস নাক, চোখ এবং মুখ থেকে প্রাণীর দেহে প্রবেশ করে। আর গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ তার অজান্তেই তার নাকে ও মুখে গড়ে ২০-৩০ বার হাত দেয়। এই হাতে থাকা জীবানু এতে করে অতি সহজেই প্রাণীর দেহে প্রবেশ করতে পারে। তাই তিনি বিশেষ ভাবে হাত ধোয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে বলেছেন।

    রোভার মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কি কি লক্ষন দেখা যায় এবং ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় বিষয়গুলো মাইকিং ও লিফলেট বিতরন করেন রোভার জয়দেব হালদার, রোভার ফারজানা আক্তার এবং রোভার ইমন হোসেন তালুকদার । এ কার্যক্রমে বিএম কলেজের ৯৩ জন রোভার অংশগ্রহণ করে।

  • ব‌রিশালে ল’ পরীক্ষায় ৯ জন বহিষ্কার

    ব‌রিশালে ল’ পরীক্ষায় ৯ জন বহিষ্কার

    বরিশালে এলএলবি প্রথমবর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    শনিবার (১৪ মার্চ) সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ কেন্দ্রে সাংবিধানিক আইন বিষয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময় তাদের বহিষ্কার করা হয়।

    বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব আহমেদ জানান, সাংবিধানিক আইন বিষয়ে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন-১৯৮০ অনুযায়ী ৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    সাংবিধানিক আইন বিষয়ের পরীক্ষায় মোট ৭০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডে-২০২০ উপলক্ষে পবিপ্রবি’র আলোচনা সভা

    এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডে-২০২০ উপলক্ষে পবিপ্রবি’র আলোচনা সভা

    প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসের আয়োজনে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডে-২০২০ পালিত হয়েছে। পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শনিবার এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডে’র অষ্টম বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পবিপ্রবির ডেইরি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ও এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড. তন্বী চন্দের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মামুন অর রশিদ, সাবেক ডিন প্রফেসর ড. আবদুল মতিন ও বাবুগঞ্জ শিক্ষা-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না।

    আলোচনা সভা শেষে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রির সমস্যা এবং সম্ভাবনার বিভিন্ন তথ্যচিত্র উপস্থাপন করে পেশার মানোন্নয়নে ৬ দফা প্রস্তাবনা ও দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের ভিপি মারুফ বিল্লাহ। এসময় উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পবিপ্রবির এ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ননী গোপাল সাহা, এ্যানিমেল সায়েন্স এন্ড ব্রিডিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাওসার নিয়াজ বিন সুফিয়ান ও পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার ফৌজদার। ওই সংবাদ সম্মেলনে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি কোর্স সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা ও স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন উত্থাপিত ৬ দফা প্রস্তাবনা ও দাবির মধ্যে রয়েছে- (১) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে প্রাণি উৎপাদন ও প্রাণি স্বাস্থ্য-এ দুটি ভাগে বিভক্তকরণসহ প্রাণিসম্পদের উৎপাদন কর্মকান্ড শুধুমাত্র এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি গ্র্যাজুয়েট দিয়ে পরিচালিত করা। (২) দেশের প্রতিটি কৃষিভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অনুষদ চালু করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা। (৩) দেশের প্রতিটি উপজেলায় কমপক্ষে একজন করে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি গ্র্যাজুয়েট নিয়োগ দিয়ে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা। (৪) পৃথক ডেইরি ও পোল্ট্রি উন্নয়ন বোর্ড, মাংস উৎপাদন ও বিপণন বোর্ড এবং বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ ও পরিবেশ বোর্ড গঠন করা। (৫) প্রানিজসম্পদ উন্নয়নে খামারীদের জন্য ব্যাংকঋণ সহজীকরণ করা। (৬) প্রাণিখাদ্যের উপর সরকারি ভর্তুকি প্রদান করা।

    উল্লেখ্য, পবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাবুগঞ্জ শিক্ষা-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দের দীর্ঘ ১৩ মাসের টানা আন্দোলনের ফসল হিসেবে বিগত ২০১২ সালের ১৪ মার্চ সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসে এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অনার্স ডিগ্রী চালু হয়। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে রায় ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সেই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি লাভের দিন ১৪ মার্চকে প্রতিবছর এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডে (পশুপালন দিবস) উপলক্ষে প্রতিবছর পবিপ্রবির বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, সেমিনার, আলোচনা সভা, প্রযুক্তি প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালিত হলেও এবছর করোনা ভাইরাসের সতর্কতার কারণে ওই আয়োজন সীমিত করা হয়।’

  • এ আর এস  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিয়া ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    এ আর এস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিয়া ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার//সাইফুল ইসলাম:

    আজ বুধবার সকাল ১০ টায় নগরীর এ আর এস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিয়া ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এ.কে.এম মোস্তাফা সেলিম, সভাপতি, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি।আরও উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদ লুনা, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।

    উক্ত অনুষ্ঠান এ আর এস বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়ে পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিকাল ৪ টায় অনুষ্ঠানের সূচি ঘটে।

  • সংঘাত-সহিংসতায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তাপ-উত্তেজনা

    সংঘাত-সহিংসতায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তাপ-উত্তেজনা

    আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত-সহিংসতায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। মঙ্গলবার বিকেলে এক পক্ষের চারজনকে কুপিয়ে জখমের পর থমথমে পরিস্থিতি মাঝে গভীর রাতে প্রতিপক্ষের একজনকে তুলে নিয়ে অন্ধকার কক্ষে নির্যাতনের ঘটনায় বাড়ছে উত্তেজনা। ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্ক বিরাজ করায় ভীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। ভীতিকর পরিস্থিতির অবসান এবং ঘটনায় জড়িতদের বিচার চেয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বুধবার সকালে মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। অবশ্য ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের। কিন্তু এরপরেও উভয়গ্রুপ পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়ে থাকায় সুমূহ সংঘাত-রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

    ক্যাম্পাস সূত্র জানায়- বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কোন কমিটি না থাকলেও ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহমিদ জামান নাভিদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রুম্মান হোসেন নিজেদেরকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে অধিপত্য বিস্তারের লড়াই চালিয়ে আসছিলেন। দুটি গ্রুপ এর আগে একাধিক বিতর্কিত কর্মকান্ড জড়ালে তা ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ থাকলেও মঙ্গলবার বিকেলে বড় ধরনের সংঘাত সৃষ্টি করে। কিছুদিন পূর্বে শুরু হওয়া অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কাছে টানতে উভয় গ্রুপ পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিলে দেখা উত্তেজনা। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে মঙ্গলবার বিকেলে সংঘাতের মধ্যদিয়ে রক্তপাতে।

    একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়- মঙ্গলবার বিকেলে তাহমিদ জামান নাভিদের বেশ কয়েকজন অনুগত শিক্ষার্থীকে রুম্মান হোসেন ক্যাম্পাসে আটকে রাখার খবর ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরে নাভিদ ১০/১২ জনকে সাথে নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে উভয়গ্রুপের মধ্যে তীব্র উত্তেনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে উভয়গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় গ্রুপপ্রধান রুম্মান হোসেন এবং তার একই বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাফি, ভ‚তত্ত¡ ও খনিবিদ্যা বিভাগের জিহান হোসেন ও উদ্ভিদবিজ্ঞানের হাফিজুর রহমানকে কুপিয়ে জখম করে। পরে তাদের উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করে শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ ভুমিকা রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখলেও রাতে আবার এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনায় রুপ নেয়।

    অপর একটি সূত্র জানায়- নাভিদের অনুসারী মোহাম্মদ শাহাজালাল নামের এক শিক্ষার্থীকে ওই রাতে শেরে বাংলা হলের ৪০১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে যায় রুম্মান হোসেনের বাহিনী। পরে তাকে একই হলের ১০০১ নম্বর অন্ধকার কক্ষে আটকে নির্যাতন করে জিয়োলজি অ্যান্ড মাইনিং বিভাগের শিক্ষার্থী শান্তসহ অন্তত ১০জন। এসময় তার মুখও হাত-পা বেঁধে রড ও দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে মারধর করে। কিন্তু মারধরের একপর্যায়ে শাহাজালাল কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে ৪০১৪ নম্বর রুমে গিয়ে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়েও ধরে নেওয়ার চেষ্টা চালালে অপর শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে ব্যর্থ হয় এবং একপর্যায়ে স্থান ত্যাগ করে রুম্মান অনুসারীরা। এনিয়ে ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থী বুধবার মাঠে নেমেছে। প্রতিবাদস্বরুপ তারা দুটি ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি এবং ভীতিকর পরিবেশ-পরিস্থিতির অবসান চেয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

    এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সুব্রত কুমার জানান, উত্তপ্ত পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে বুধবার সকালে প্রক্টোরিয়াল বডি জরুরি সভা করেছে। সেখানে ঘটনার সাথের জড়িতদের শনাক্তকরণে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ঢাকায় অবস্থানরত ভিসিকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

    সূত্রগুলো জানায়- এর আগেও একাধিকবার এ দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে রক্তপাত সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কার্যত তেমন কোন শাস্তিমুলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বরং হুঁশিয়ারিতে ইতি টানায় উভয়গ্রুপ দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং সংঘাত-সহিংসতার পথ বেঁচে নেয়। ফলশ্রুতিতে ঘটে যাওয়া এবারের রক্তাপাতের ঘটনাটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বেশিমাত্রায় আতঙ্কিত করে তুলেছে। অথচ কর্তৃপক্ষ এবারও তাদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াতেই সিদ্ধান্ততেই আবদ্ধ থাকছে, যে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।’

    সূত্রের বরাত দিয়ে জানতে প্রক্টর সুব্রত কুমারের সাথে আবারও যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ে সেটি প্রক্টোরিয়াল বডির। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে দাবি তা উপাচার্যকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা থেকে ফিরে পরবর্তী প্রদক্ষেপ নেবেন।’

    এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী জানান, নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে আসা তাহমিদ জামান নাভিদের বাবা বরিশাল মহানগর বিএনপির একজন পদধারী নেতা। অথচ তিনি নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকান্ড জন্ম দিয়ে আসছেন। মহানগর আওয়ামীলীগের এক শীর্ষ নেতার নাম ভাঙিয়ে নাভিদ ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    অবশ্য নাভিদ তার বাবার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাইছেন। বরং উল্টো তিনি প্রশ্ন রাখলেন- বাবা বিএনপি করলে কী ছেলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে কোন বিধি নিষেধ রয়েছে কী না ? তাছাড়া নাভিদ প্রতিপক্ষ রুম্মানসহ তার অনুগত শিক্ষার্থীদের কুপিয়ে জখম করার বিষয়টিও অস্বীকার করেছেন। বলছেন- হাফিজুর রহমান নামে তার অনুসারীরে রুম্মান আটকে রাখার খবর পেয়ে উদ্ধার করতে গেলে হাতাহাতি হয়েছে মাত্র। এতে সেখানে কোন রক্তপাতের ঘটনা না ঘটলেও তারা জখম হওয়ায় একটি নাকট সাজিয়েছেন।

    তবে এই বিষয়ে জানতে রুম্মানের সাথে যোগাযোগের জন্য তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

  • বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সরকারি বিএম কলেজে বসন্ত উৎসব

    বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সরকারি বিএম কলেজে বসন্ত উৎসব

    বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সরকারি ব্রজমোহন কলেজ প্রাঙ্গণে বসন্ত উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

    শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কলেজের জীবনানন্দ দাশ চত্বরে বসন্ত উপলক্ষে ছিল নানা আয়োজন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক জনাব এস এম অজিয়র রহমান।

    জেলা প্রশাসক বলেন, শীতের জরাজীর্ণতাকে পেছনে ফেলে নতুনকে বরণ করার উৎসব হচ্ছে বসন্ত। উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা আয়োজনে সারা দেশে আয়োজন করা হচ্ছে বসন্ত উৎসব।

    সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি খায়রুল হাসান সৈকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি ব্রজমোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. গোলাম কিবরিয়া, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ স ম ইমানুল হাকিম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অলক কুমার সাহা, কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন সরোয়ার, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু কুমার কর।

  • ভালবাসা দিবসে বিএম কলেজে প্রেমবঞ্চিতদের বিক্ষোভ

    ভালবাসা দিবসে বিএম কলেজে প্রেমবঞ্চিতদের বিক্ষোভ

    ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার নামে প্রহসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন কলেজের প্রেমবঞ্চিত সংঘ। শুক্রবার সকালে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলেজের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তারা। পরে কলেজের মূল ভবনের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

    কলেজের ফ্লাইট সার্জেন্ট ফজলুল হক হলের সিঙ্গেল কমিটির আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

    প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা বলেন- একজনে ৩ থেকে ৪টা প্রেম করবে আর অন্যরা একটাও করতে পারবে না, এটা বৈষম্যমূলক আচরণ। আমরা চাই প্রেমের সমবন্টন করে ভালোবাসাকে সুন্দর রূপ দিতে। ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার নামে যা হচ্ছে সেটা পুরোপুরি প্রহসন।

    এসময় অন্য শিক্ষার্থীরা ‌‘কেউ পাবে আর কেউ পাবেনা, তা হবে না তা হবে না’ বলে স্লোগান দেয়।

  • বরিশালের সেই ধর্ষক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার দাবি ববি শিক্ষার্থীদের

    বরিশালের সেই ধর্ষক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার দাবি ববি শিক্ষার্থীদের

    স্টাফ রিপোর্টার//সাইফুল ইসলাম:

    বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামি জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইস্যু ক্লার্ক বনি আমিনকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

    এছাড়া বনিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বরিশাল নারী শিশু নির্যাতন ও সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ কমিটি।

    বনি আমিনকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কের পাশে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    বনি আমিন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এবং বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় গত মঙ্গলবার রাতে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে ধর্ষণকারী ববি কর্মচারী বনিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বরখাস্তের দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে একই স্থান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

    এদিকে বনি আমিনকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল নারী শিশু নির্যাতন ও সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ কমিটি। এই দাবিতে দুপুরে তারা পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেয়ার পাশাপাশি উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানোর কথা বলেন জেলা নারী শিশু নির্যাতন ও সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক পুষ্প চক্রবর্তী।

    কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ইস্যু ক্লার্ক বনির আমিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষকে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন।

    অপরদিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে জোরালো চেষ্টার পাশাপাশি মামলার অভিযোগ তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) আবু রায়হান মোহাম্মদ সালেহ।

    গত রোববার সরকারি মহিলা কলেজের এক ছাত্রীকে নগরীর নথুল্লাবাদ থেকে অপহরণ করে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে নগরীর এয়ারপোর্ট থানায় বনি আমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার মা। পরদিন সোমবার ওই ছাত্রীকে ঝালকাঠিতে বনি আমিনের এক নিকটাত্মিয়ের বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা বনি আমিন।