Category: শিক্ষাঙ্গন

  • অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

    অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

    আগামী অক্টোবরে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শিক্ষক বদলি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সেজন্য চলতি মাসেই অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। যদিও এই ট্রায়াল গত জুন মাসে শুরুর কথা ছিল। তবে করোনার কারণে সেটি সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

    এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসেই আমরা অনলাইন শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করব। গত জুন মাসেই আমরা অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করতে চেয়েছিলাম। করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

    অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য সফটওয়্যার যাচাই ও শিক্ষক বদলির কিছু শর্ত নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। এটি নিয়ে আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য তৈরি করা সফটওয়্যারে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করা হবে। এটি যুক্ত হওয়ার পর চলতি মাসেই ট্রায়াল শুরু হবে।

    প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলিতে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বদলির সময় অধিদপ্তরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দালালরা শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। শিক্ষকদের এই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে নিষিদ্ধ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে নিষিদ্ধ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কথিত র‌্যাগ ডে নামে অমানবিক, নিষ্ঠুর ও নীতিবহির্ভুত উৎসব আয়োজন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক ভবনে অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনলাইনে একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ একাডেমিক পরিষদের তিন শতাধিক সদস্য সংযুক্ত ছিলেন।

    এ ছাড়া সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদে ‘ইথিক্যাল রিভিউ কমিটি’ গঠন করার সুপারিশ করা হয়। সভায় অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউটকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সমন্বিতভাবে অসমাপ্ত পরীক্ষাসমূহ গ্রহণ ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মৌলিক গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ ও গবেষণাধর্মী প্রকাশনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ বুধবার। সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রকাশিত ফল মুঠোফোনের ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে জানা যাবে।

    বুধবার বিকালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ পরীক্ষায় ৩১টি অনার্স বিষয়ে সারাদেশে ৭৯৭টি কলেজের চার লাখ ৩০ হাজার ২৬৯ জন পরীক্ষার্থী মোট ২৯৮টি কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করে। প্রমোশনের হার ৯৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

    প্রকাশিত ফল ক্ষুদেবার্তা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট nu.ac.bd/result এবং nubd.info থেকেও জানা যাবে।

    মুঠোফোনের ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে nu<space>hp2<space> Roll No লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি ক্ষুদেবার্তায় ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

  • অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে মেডিকেল পরীক্ষা

    অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে মেডিকেল পরীক্ষা

    অবশেষে করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত হওয়া মেডিকেল ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষা অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের মেডিকেল অনুষদের ডিন শাহরিয়ার নবী শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে সারাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোর স্থগিত এমবিবিএস ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষা অবিলম্বে নেয়ার দাবিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ডিন অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষার্থীদের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি করোনা মহামারিতে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো মেডিকেল কলেজগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে আটকে আছে মে’২০ সালের সব কটি প্রফেশনাল পরীক্ষা।

    তবে অন্যসব পরীক্ষার তুলনায় ফাইনাল পরীক্ষা একটু আলাদা উল্লেখ করে এতে বলা হয়, মে’২০ সালের প্রফেশনাল পরীক্ষা মূলত ২০১৯ সালের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা। অন্য প্রতিষ্ঠানের তুলনা কম ছুটি, বেশি ক্লাস এবং ছয়মাস অন্তর নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে কৃতকার্যদের চিকিৎসক হওয়ার যে ধারা তা বিগত কয়েক বছরই মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থাকে সেশনজটবিহীন এবং হাসপাতালে রোগীদের সেবা প্রদানে ডাক্তার যোগান দেওয়াকে রেখেছে নিরবিচ্ছন্ন। রোগীদের সবচেয়ে দুঃসময় মেটাতে চিকিৎসক তৈরির এ ধারা ব্যাহত হলে ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষা নেয়া জরুরি।

    সূত্র: ভোরের ডাক

  • এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান

    এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবার (২৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ফেসবুকে পেজ ও প্রোফাইলে (মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন বোর্ড) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাল্পনিক তারিখ ঘোষণা করে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। উল্লেখিত বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।

    বলা হয়েছে, এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে এবং কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। উপযুক্ত পরিবেশ হলে পরীক্ষা নেয়া হবে এবং তারিখ গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। একইভাবে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার হবে।

    ভুয়া কোনো পেজ বা সামাজিক মাধ্যমের তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হলো।

  • ৩০ জুনের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পুনর্নিরীক্ষণ ফল

    ৩০ জুনের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পুনর্নিরীক্ষণ ফল

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল আগামী ২৯-৩০ জুনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। ইতোমধ্যে আবেদনকারীদের উত্তরপত্রের নম্বর পুনরায় গণনার কাজ শেষ পর্যায়ে। খাতা পরিবর্তিত নম্বর, গ্রেডসহ ফল আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে পাঠানো হবে বলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, এ বছর এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলে রেকর্ডসংখ্যক পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন আসে। ফলে সারাদেশে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৭১ শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট নয়। এ কারণে বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য বোর্ড চ্যালেঞ্জ করে মোট চার লাখ ৮১ হাজার ২২২টি বিষয়ের ফলে আপত্তি তুলে আবেদন করে। গত বছর আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল এক লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৮ জন।

    গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এবার গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন, যা গত বছর পেয়েছিল এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৯৪ জন। পরীক্ষার ফলে আপত্তি থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য গত ১ জুন শুরু হয় পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন কার্যক্রম, যা ৭ জুন শেষ হয়।

    বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড থেকে জানা গেছে, এবার ১১ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দুই লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ পরীক্ষার্থী তার কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে মোট ৪ লাখ ৮১ হাজার ২২২টি বিষয়ে ফল পরিবর্তনের প্রত্যাশায় আপত্তি জানিয়ে আবেদন করে।

    এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৪৬ হাজার ২৬০, বরিশালে ২৩ হাজার ৮৫০, চট্টগ্রামে ৫২ হাজার ২৪৬, দিনাজপুরে ৪০ হাজার ৭৫, রাজশাহীতে ৪৪ হাজার ৬১, সিলেটে ২৩ হাজার ৭৯০, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৯ হাজার ৩০৩, ময়মনসিংহে ৩১ হাজার ৩৩১, মাদরাসা বোর্ডে ২৮ হাজার ৪৮৪ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৮টি বিষয়ে খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছে। যার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে আবেদনের সংখ্যা সব চাইতে বেশি।

    শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, একজন শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছে। তার মধ্যে ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থ, জীববিজ্ঞান, বাংলায় আবেদন বেশি রয়েছে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ২০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আড়াই শতাংশের মতো আবেদন করেছে। অনেকে ভাবে একটা আবেদন করে দেখি কিছু বাড়ে কি না? অনেকে আবার সিরিয়াসলিই ফল পরিবর্তনের আত্মবিশ্বাস থেকে আবেদন করে।’ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি’র পদত্যাগের দাবিতে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদকে শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিরোধিতাকারী আখ্যা দিয়ে তার পদত্যাগের দাবীতে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমন দাবি জানান বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরাম বরিশাল বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দরা। একই সাথে আগামী সাত দিনের মধ্যে ভিসি পদত্যাগ না করলে সারাদেশে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারী দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বেসরকারী কলেজ, অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরাম, বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ ইউনুস শরীফ। তিনি বলেন, অনার্স শিক্ষকেরা দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে শিক্ষকেরা বেতন বঞ্চনার শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। যা শিক্ষা বিস্তারে সুষম নীতির ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য এবং সংবিধানের পরিপন্থী। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে সরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিধিমোতাবেক এনটিআরসিএর সনদপ্রাপ্ত হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাউশির ডিজির প্রতিনিধিদের তত্বাবধানে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েও তাদেরকে এমপিও ভুক্ত করা হচ্ছেনা। দীর্ঘ দিনের আন্দোলন সংগ্রাম ও হাইকোর্টের নির্দেশনা, শিক্ষা মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সুপারিশ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সুপারিশের প্রেক্ষিতে ২০১৮ এর সংশোনাধীন জনবল কাঠামো সংশোধন কমিটির প্রথম মিটিংয়ে সকল সদস্য বেসরকারি অনার্স মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনীহার কারণে বিষয়টি উপেক্ষিত হচ্ছে। ১৯৯৫,২০১০,২০১৩ এবং ২০১৮ তে জনবল কাঠামো সংশোধন করা হলেও এসব শিক্ষকদের দাবি উপেক্ষা করা হয়েছে। তারপরেও দীর্ঘ আটাশ বৎসর হলো শিক্ষকেরা প্রতিষ্ঠান থেকে নামমাত্র বেতনে কিংবা বেতনহীন অবস্থায় লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সেবা দিয়ে আসছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নীতিমালা ও সরকারি নীতিমালা মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের শতভাগ বেতন-ভাতা ও সুযোগ সুবিধা প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও সারাদেশে বেসরকারি কলেজের ৯০ ভাগ কলেজ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিতে চায় না। শিক্ষকদের বেতনের নাম করে গরীব ছাত্রছাত্রীদের নিকট হতে মাসে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা করে বেতন নেওয়া হলেও শিক্ষকদের বেতন বাবদ ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে দিয়ে থাকে যা একজন শিক্ষকেরা বর্তমান বাজার দরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা অসম্ভব। শুধু তাই নয় অধিকাংশ কলেজেই মাসের পর মাস সামান্য টাকাটাও ফান্ডে না থাকার অযুহাতে বন্ধ রাখা হয়। পরীসংখ্যানে দেখা যায়, শুরুতে কলেজের সংখ্যা গুটি কয়েক হলেও ২০১৮ সাল পর্যন্ত তা ৫০০ ছাড়িয়ে যায় এবং সংখ্যা দাড়ায় প্রায় ৮৫০০। এরমধ্যে ২৬৮ কলেজ সরকার জাতীয়করন করার পর তাদের চাকরি সরকারি হলেও একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত বাকি ৩১৫ টি কলেজের ৫৫০০ শিক্ষকের জন্য মাত্র ১শত ৪৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার এমপিও বরাদ্দ না দিয়ে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যা চুড়ান্ত ভাবে অমানবিক বলে মনে করেন তারা। গত ১৭ মার্চ থেকে বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারনে শিক্ষকেরা যে সামান্য বেতন ভাতা পেত তাও বন্ধ থাকার কারনে মানবেতর জীবন যাপন করছে উপরন্তু এসব শিক্ষকদের নিয়োগকারী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বেতনভাতার ব্যাপারে কোন ভুমিকা পালন করছে না। ফলে পরিবারের ভরন পোষন করতে না পারা শিক্ষকদের আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই। ২০১৫ সালে মাউশি থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি’র কাছে অনার্স -মাষ্টার্স শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ব্যাপারে মতামত চাওয়া হলেও বিগত ৫ বছরেও তিনি কোন মতামত বা সুপারিশ করেননি। অন্যদিকে বারবার জনবলে অন্তর্ভূক্তি এবং এমপিও’র বিরোধিতা করেছেন। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হয়ে শিক্ষকদের বেতন ভাতার ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। ক্রাস প্রোগ্রামের নামে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করছে। ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার ফি আত্মসাৎ করা, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের প্রাপ্য অর্থ বছরের পর বছর শিক্ষকদের না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে রেখে মুনাফা অর্জন, করছে বলে অভিযোগ তোলেন। বিশ্ববিদ্যালয় তহবিল থেকে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা এবং প্রণোদনার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভঙ্গ করা হচ্ছে। যে কারনে আজ আমরা ভিসি’র পদত্যাগ দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে সংশোনাধীন জনবল কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করে এমপিও প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোকলেসুর রহমান, জেলা কমিটির সহ সভাপতি আমিরুল ইসলাম জসীম, মোহাম্মদ সোহাগ মুন্সী, বিভাগীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ পরিতোষ চন্দ্র হালদার সহ বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি ।

  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেতন নিয়ে সুখবর পাচ্ছেন শিক্ষকরা!

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেতন নিয়ে সুখবর পাচ্ছেন শিক্ষকরা!

    করোনার মধ্যে এমপিওভুক্ত নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাদ পড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের সুখবর দিতে যাচ্ছে সরকার। জানা গেছে, ঈদের আগে বকেয়া বেতন বঞ্চিতের এমপিওভুক্তির আওতায় আনতে আগামী বৃহস্পতিবার বিশেষ সভা ডেকেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।

    মঙ্গলবার মাউশির পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মাউশির আওতাধীন নতুন এমপিওভুক্তি/এমপিও স্তর পরিবর্তন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) দ্বিতীয় পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে মে মাসের সভা অধি-দফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে আগামী ১৮ জুন বেলা ১১টায় ভিডিও- কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সব সদস্যকে (মাউশির কর্মকর্তারা ব্যতীত) ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হওয়ার জন্য তাদের ই-মেইল ঠিকানায় একটি লিংক পাঠানো হবে।

    সভায় আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে- নতুন এমপিও-ভুক্ত/এমপিও ও স্তর পরিবর্তন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও সুবিধা (বকেয়াসহ) প্রদান ও বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদের আগে বকেয়া বেতন, বোনাস প্রদানসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের অনলাইনে আবেদন করতে নির্দেশনা দেয় মাউশি।

    এরপর গত ১৬ মে বিশেষ এমপিওভুক্তির সভার আয়োজন করা হয়। প্রথম ধাপে যারা আবেদন করতে পারেনি ও আবেদন অসম্পূর্ণ থাকায় বাতিল হওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে বলা হয়।

    বর্তমানে তাদের বকেয়াবেতন প্রদানে নতুনভাবে এমপিও-ভুক্তির বিশেষ সভা ডাকা হয়েছে।

  • একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও ক্লাস পেছাচ্ছে

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও ক্লাস পেছাচ্ছে

    ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে শনিবার থেকে এ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর কথা ছিল। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই ভর্তি প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

    নতুন করে কবে নাগাদ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন উর রশীদ শনিবার জানান, ভর্তি বিষয়ে আমরা শিক্ষাবোর্ড থেকে গত ২৭ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা চেয়ে পত্র দিয়েছি। মন্ত্রণালয়ের কোনো নির্দেশনা এখনো আমরা পাইনি। পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শিক্ষাবোর্ড থেকে জানা গেছে, ২৭ মে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবরে লেখা ঢাকা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হকের ওই চিঠিতে বলা হয়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনপত্র অনলাইনে ছাড়ার সম্ভাব্য সময় ৬ জুন ধরা হলেও সারাদেশে করোনা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। একাদশের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করা হলে অনলাইনে আবেদনের জন্য ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকান ও সাইবার ক্যাফেতে ভিড় করবে। এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হবে। এছাড়া ভর্তির প্রয়োজনে অন্তত একবার সংশ্লিষ্ট কলেজে শিক্ষার্থীদের স্বশরীরে যেতে হবে। অথচ, সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ। এসব বাস্তবতার আলোকে একাদশের ভর্তি নিয়ে করণীয় বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা চাওয়া হয় ওই চিঠিতে।

    শিক্ষাবোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা জানান, ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ১৬ আগস্ট একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করেছিলেন তারা। তবে করোনার কারণে সব সূচি এলেমেল হয়ে গেছে।

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের এতদিন ফলের অপেক্ষায় বসে থাকতে হচ্ছিল। এখন অপেক্ষায় থাকতে হবে একাদশে ভর্তির জন্য।

    গত ৩১ মে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর সারাদেশে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা গতবছর ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন, যা গত বছর পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

    ফলাফলে দেখা গেছে, এবার এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে।বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, সারাদেশে উচ্চ মাধ্যমিকে সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬৫টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ শাখায় রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ। মাদ্রাসায় রয়েছে এক লাখ আট হাজার। ব্যানবেইসের হিসাবে, আসন অনেক খালি থেকে যাবে। আর ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের হিসাব মতে, সারাদেশের সব কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসা মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে মোট আসন সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৬ হাজার। আর এবার পাস করেছে মোট ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। সে হিসেবে উচ্চ মাধ্যমিকে আসন ফাঁকা থাকবে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৫৭৭টি।

  • এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন আজ থেকে, যেভাবে করবেন

    এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন আজ থেকে, যেভাবে করবেন

    আজ থেকে আগামী ৭ জুন পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। টেলিটক মোবাইল থেকে RSC স্পেস বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস রোল নম্বর স্পেস বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

    ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দেয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC স্পেস YES স্পেস পিন নম্বর স্পেস যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

    একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে, এ ক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে। প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।