Category: শিক্ষাঙ্গন

  • এসএসসি’র ৭৫ জেএসসি’র ২৫ ভাগ নিয়ে এইচএসসি’র ফল

    এসএসসি’র ৭৫ জেএসসি’র ২৫ ভাগ নিয়ে এইচএসসি’র ফল

    এসএসসি’র ৭৫ ভাগ আর জেএসসি’র ফলাফলের ২৫ ভাগ নিয়ে মূল্যায়ন করে এইচএসসি’র ফল তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি।বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই এইচএসসি’র ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এক্ষেত্রে এসএসসি’র ফলাফলকে ৭৫ আর জেএসসি’র ফলাফলকে ২৫ ভাগ হিসাব করে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সরাসরি গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরা দুটি পাবলিক পরীক্ষা অতিক্রম করে এসেছে। এদের জেএসসি ও এসএসসি’র ফলের গড় অনুযায়ী এইচএসসি’র ফল নির্ধারণ করা হবে।

    ১ এপ্রিল এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল, যাতে অংশ নেয়ার কথা ছিল প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর।

    কিন্তু দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়ায় ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও আটকে যায়। আটকে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চিরাচরিত নিয়মে না নিয়ে এসব শিক্ষার্থীর অষ্টম শ্রেণির সমাপনী এবং এসএসসি’র ফলাফলের গড় করে এইচএসসি’র ফল নির্ধারণ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

  • মাধ্যমিকে ভর্তি প্রক্রিয়ার নির্দেশনা নিয়ে সিদ্ধান্ত কাল

    মাধ্যমিকে ভর্তি প্রক্রিয়ার নির্দেশনা নিয়ে সিদ্ধান্ত কাল

    করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামীকাল বুধবার।

    আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত থেকে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে নিদের্শনা দেবেন।

    উল্লেখ্য, প্রতি বছর ১ম শ্রেণির ভর্তি লটারিতে ও ২য় থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার মাধ্য ভর্তি করা হয়। তবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষা কোন প্রক্রিয়ায় হবে তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর ভুল ব্যাখ্যা এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ( ববি) শিক্ষার্থীরা।

    রবিবার সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবৃত শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে তাঁরা এ মানববন্ধন করেন।

    মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান অ্যানী বলেন, মূর্তি আর ভাস্কর্য এক নয়। মূর্তি হচ্ছে যার উপাসনা করা হয়। আর ভাস্কর্য হচ্ছে কোন ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের ঐতিহ্য- ইতিহাসকে স্মরণ করার জন্য তৈরি করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী মূর্তি ও ভাস্কর্যের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ভুল বার্তা দিচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

    এছাড়াও মানববন্ধনে রাজুগাজী, আরিফ শেখ, আরাফাত, রুপম সহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। তাঁরা সকলে ধোলাই খালে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য নিমার্ণ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন এবং বঙ্গবন্ধু বাংলায় কোন মৌলবাদী,উগ্রবাদীর ঠাঁই হবে না বলে হুশিয়ার করে দেন।

    এসময় তাঁরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু একটি ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণও করেন।

    উল্লেখ্য সাম্প্রতি ধোলাই খালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধীতা করেছে ধর্মভিত্তিক কয়েকটি দলের নেতারা। এরপর থেকেই ধর্মীয় মৌলবাদী, অগ্রবাদীদের তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে দেশে।

  • আরও বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

    আরও বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

    বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • দুই-একদিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত

    দুই-একদিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত

    করোনা মহামারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে কিনা সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী দুই একদিনের মধ্যে জানিয়ে দেবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

    আজ সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে সীমিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা সচিবালয় থেকে ভার্চুয়াল এই সভায় যোগ দেন।

    আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, এর পরে কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানাবে আপনাদেরকে। কাল-পরশু জানাবে।

    প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা আছে কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, খুলনা ডিভিশন থেকে একটা স্ট্রং অ্যাকশন (মোবাইল কোর্ট পরিচালনা) নেওয়া হচ্ছে, আমরাও চারদিকে সবাইকে বলেছি। প্রধানমন্ত্রীও এগ্রি করছেন, গুড এপ্রিশিয়েট করেছেন। কিছু স্ট্রিক ভিউতে যেতে হবে। এখন পর্যন্ত আমরা কমফোর্টেবল জোনের মধ্যে আছি।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা একটু বেশি করে প্রচার করবেন যাতে সবাই গুরুত্ব দেয়।

  • শিক্ষা-গবেষণায় আধুনিক হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    শিক্ষা-গবেষণায় আধুনিক হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) এক বছর পার করেছেন ভিসি অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন। ২০১৯ সালের ৬ নভেম্বর ভিসি হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন তিনি।

     

     

    অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা-গবেষণা, সহশিক্ষায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হবে এমন প্রত্যাশা তার।

     

     

    এর আগে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন অধ্যাপক ড. এস. এম. ইমামুল হক। শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলায় ছাত্র আন্দোলনের মুখে তাকে বাধ্যতামূলক পূর্ণ মেয়াদে ছুটিতে পাঠানো হয়।

     

     

    এর ছয়মাস পর ভিসি নিয়োগ না হওয়ায় বাতিল করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। একই সময় রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি পদ শূন্য হওয়ায় একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম যখন স্থবির হয়ে পড়েছিল। ঠিক তখনই ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেন অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন।

     

     

    যোগদানের পর কারো কাছ থেকেই ফুল গ্রহণ করেননি তিনি। বলেছিলেন, ভালো কাজ করলে বিদায়ের দিন কেউ ফুল দিলে তা গ্রহণ করবেন। এরপর আটকে থাকা ভর্তি পরীক্ষা সফলতার সঙ্গে শেষ করেন।

     

     

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হাতে নেন একটি মাস্টারপ্ল্যান। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব চাকরির বিধিমালা, আবাসিক নীতিমালা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল করতে টিএসসি নীতিমালা প্রণয়ন করেন।

     

     

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৯ বছরেও হয়নি এসব নীতিমালা। শিক্ষার্থী দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ফি ও জরিমানা কমানোর জন্য গঠন করেছেন কমিটি।

     

     

    একাডেমিক ক্যালেন্ডার রিভিউ করে সেশনজট নিরসনের উদ্যোগ, গবেষণা খাতকে প্রাধান্য দিয়েছেন ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রবর্তনের উদ্যোগ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে ৫০ একর ক্যাম্পাসে ২৩শ’ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন ববি ভিসি।

     

     

    করোনায় জরুরি টেলি স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের হতদরিদ্র, অসচ্ছল শিক্ষার্থী ও চুক্তি ভিত্তিক (কানামনা) কর্মচারীদের জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ নেন। ক্যাস্পাস বন্ধ থাকায় দৈনিক মজুরি ভিত্তিত ৭১ কর্মচারীকে একমাসের বেতন সমপরিমাণ ৭ লাখ ২ হাজার ৯শ’ টাকার অনুদান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪টি বিভাগে দেড় শতাধিক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ৩ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দেন।

     

     

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আরিফ হোসেন বলেন, ক্রান্তিকালে দায়িত্ব নেন ভিসি ড. ছাদেকুল আরেফিন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক অচলাবস্থা সচল করে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা শেষ করেছেন।

     

     

    করোনাকালে শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল সেবা, আর্থিক সহায়তা, সেশনজট কমাতে অনলাইন ক্লাস মনিটরিংসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। আশা করি তার দক্ষ নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের সব প্রত্যাশা পূরণ হবে।

     

     

    বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান জানান, অন্যান্য ভিসির চেয়ে বর্তমান ভিসির কার্যক্রম ও পরিকল্পনা প্রশংসনীয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সব প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। ক্লাসরুম সংকট, আবাসিক সংকট, পরিবহন সংকট, লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত বই নেই, সেশন ফি এবং অন্যান্য ফি বেশি।

     

     

    এক বছরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ করতে পেরেছেন জানতে চাইলে ভিসি অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, করোনার কারণে সব কাজ সীমাবদ্ধ হয়ে আছে, দৃশ্যমান হচ্ছে না।

     

    একাডেমিক ক্যালেন্ডার রিভিউ করে সেশনজট কমানোর উদ্যোগ নিয়েছি। ছাত্রদের বিভিন্ন ফি’র জরিমানা কমোনার জন্য কমিটি গঠন করেছি। শিক্ষার্থীদের বাস ক্রয়ের জন্য টেন্ডার দেয়া হয়েছে।

     

    টিএসসির মাধ্যমে সহশিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধির লক্ষে নীতিমালা সম্পন্ন করেছি। আধুনিক লাইব্রেরি, একাডেমিক ভবন, অডিটোরিয়াম, আবাসিক হল বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • অনলাইনে হচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা

    অনলাইনে হচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা

    মহামারি করোনা ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলের মাঝে এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ, যে সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা আলোচনা হচ্ছিল, সেটি দিয়ে তা করা ঠিক হবে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    তারা বলছেন, সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার মতো সক্ষমতা দেশে এখনো তৈরি হয়নি। সফটওয়্যারে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের কোন দেশে একটিমাত্র সফটওয়্যার দিয়ে বড় পরিসরে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় না। সফটওয়্যার দিয়ে যদি ভর্তি পরীক্ষা নিতে হয় সেক্ষেত্রে ইউজিসিকে একটি নীতিমালা প্রণয়বিশেষজ্ঞ করে দিতে কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছেন তারা।

    মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এসব মত তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা। কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ইউজিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর তার উদ্ভাবিত ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফট্ওয়্যারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বর্তমান অবস্থায় অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য উপযোগী নয়।

    সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এছাড়া ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক সোহেল নাদিম রহমান শুভ, এটুআইয়ের টেকনোলজি এক্সপার্ট মো. ফজলে মুনীম, ওরেঞ্জ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শামীম হোসেন, ডিএসআইর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মুশরাফুল হক অনিক এবং হেড অব প্রোডাক্ট এন্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মইনুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন।

    সভায় বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বর্তমান অনলাইন কোর্সের পরীক্ষার মূল্যায়নে যে পদ্ধতিতে অনুসরণ করা হয় তার চেয়ে ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যার অনেক বেশি ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারে। এ সফটওয়্যার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোট্ট পরিসরে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নে ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞ কমিটি ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যারের অধিকতর উন্নয়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষায় যে সফটওয়্যারটি ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে ইউজিসি গত সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এছাড়া, ইউজিসি চলতি শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষারও উদ্যোগ গ্রহণ করে। সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে গত ১ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

  • শিক্ষকদের জন্য মাউশির ১২ নির্দেশনা

    শিক্ষকদের জন্য মাউশির ১২ নির্দেশনা

    করোনা মহামারির কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যথাযথভাবে নির্ধারিত পাঠদান সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর সকল ধরনের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    এছাড়াও অনলাইন ক্লাশ, সংসদ টিভিতে ক্লাস পরিচালনা করেও অনেক শিক্ষার্থী শিখনফল অর্জন করতে পারেনি। সে কারণে শিখন ফল অর্জন করে শিক্ষার্থীরা যেনো পরবর্তী শ্রেণিতে উঠতে পারে এ বিষয়ে পাঠ্যসূচি পূণর্বিনাস ও এসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    এ নির্দেশনায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নে শিক্ষকদের ১২টি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (মাউশি)।

    ১. মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অ্যাসাইনমেন্ট অনুসরন করে শিক্ষার্থীকে প্রতি সপ্তাহে তিনটি করে অ্যাসাইনমেন্ট (কাজ) দিতে হবে।

    ২. নির্ধারিত বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এর কাজ জমা নেয়া, মূল্যায়ন করা, পরীক্ষকের মন্তব্যসহ শিক্ষার্থীকে দেখাতে হবে ও বিদ্যালয়ে সেটি সংরক্ষণ করতে হবে।

    ৩. এই কার্যক্রমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

    ৪. প্রতিটি মূল্যায়ন রেকর্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

    ৫. অ্যাসাইনমেন্ট এর আওতায় ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, সৃজনশীল প্রশ্ন প্রতিবেদন ও প্রণয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    ৬. শিক্ষার্থী সাদা কাগজে স্বহস্তে লিখে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে।

    ৭. অভিভাবক বা প্রতিনিধি সপ্তাহে একদিন স্বাস্থবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাসাইনমেন্ট সংগ্রহ ও জমা দেবেন।

    ৮. শিক্ষার্থীদের লেখায় মৌলিক চিন্তা, কল্পনা ও সৃজনশীলতা প্রতিফলিত হয়েছে কিনা শিক্ষকরা বিশেষভাবে লক্ষ্য করবেন।

    ৯. প্রদত্ত উত্তরে প্রয়োজনীয় তথ্য, তত্ত্ব, ব্যাখ্যা, ধারণা সূত্র পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে সসঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে।

    ১০. প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রতিটি বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করে তার সবল ও দুর্বল দিকগুলো খাতায় চিহ্নিত করতে হবে। এবং তার মন্তব্য খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হবে।

    ১১. অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করার পর শিক্ষক তার মতামতসহ অ্যাসাইনমেন্ট খাতাটি শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছে দেবেন ও নির্দিষ্ট সময় পর খাতাটি প্রতিষ্ঠানে এনে সংরক্ষণ করবেন।

    ১২. শিক্ষক একটি শ্রেণির একটি বিষয়ের সবগুলো অ্যাসাইনমেন্ট এর সামগ্রিক মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে মন্তব্য করবেন। যেমন অতি উত্তম, উত্তম, ভাল ও অগ্রগতি প্রয়োজন।

  • ফের বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

    ফের বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

    মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন যাবত ছুটি রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই করোনার বিস্তৃতি রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারো বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন।

    তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার দুই মন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হবে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে এখনই স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে না। চলমান ছুটি আরো বাড়ানো হবে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি রয়েছে। এর আগেই ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে জানিয়ে দেয়া হবে। যেহেতু ৩০ ও ৩১ অক্টোবর সরকারি ছুটি, তাই বৃহস্পতিবারই এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হবে। তবে ছুটি কতদিন বৃদ্ধি করা হবে, সে বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর এ ভাইরাসের বিস্তার রোধে ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। কয়েক দফায় সেই ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর ওই দিনই ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    এদিকে করোনার বাস্তবতায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা অত্যন্ত ঝুঁকিতে পড়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, দেশের মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ে প্রায় পৌনে দুই কোটি ছেলেমেয়ে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সোয়া কোটির কিছু বেশি। বাকিরা অন্যান্য স্তরে পড়ছেন।

  • বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কিন্ডারগার্টেন!

    বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কিন্ডারগার্টেন!

    মহামারি করোনার প্রভাবে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো স্থায়ীভাবেই বন্ধের পথে! এসব স্কুলের টিউশন আদায়ের হার প্রায় শূন্য। বেতন-ভাতা বন্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদেও।

    জানা গেছে, ইতিমধে বন্ধ হয়ে গেছে ৫ হাজার স্কুল। আগামী বছরের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আরো ২৫ হাজার স্কুল। এত চাকরি হারাবেন অন্তত ৫ লাখ শিক্ষক।

    কিন্ডারগার্টেনের মালিকরা বলছেন, করোনায় ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনার পর কিন্ডারগার্টেনগুলোও বন্ধ রাখা হয়। আর তখন থেকেই অভিভাবকরা নিয়মিত টিউশন ফি পরিশোধ করছেন না। ফলে ৯৯ শতাংশ ভাড়াবাড়িতে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে পারছে না। পারছে না বাসাভাড়া পরিশোধ করতে। আয় না থাকায় ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে। আবার বেতন না পেয়ে শিক্ষকরাও মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অনেক শিক্ষক চলে গেছেন অন্য পেশায়। অভিভাবকদেও কাছে টিউশন ফি চাইলে দিচ্ছেন না এবং আর্থিক সংগতি না থাকায় কেউ কেউ দিতে পারছেন না।

    উদ্যেক্তারা বলছেন, স্কুল খুললে অনেক শিক্ষার্থীও হয়তো কিন্ডারগার্টেনে ফিরবে না। অনেক উদ্যোক্তাও গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন বা যাচ্ছেন। শিক্ষকেরাও চলে যাচ্ছেন, পেশা বদলাচ্ছেন। হবিগঞ্জের একজন শিক্ষক চা-কফি বিক্রি করছেন। দিনাজপুরের একজন শিক্ষক রাজমিস্ত্রিও কাজ করছেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের একজন শিক্ষক নৌকা চালাচ্ছেন। আগামী মার্চের মধ্যে কিন্ডারগার্টেন না খুলে দিলে বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেনের কোন অস্তিত্বই থাকবে না।

    বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান এম ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘এভাবে আর চলছে না। আমরা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।’

    প্রাথমিক শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মাছুম বিল্লাহ বলেন, ‘সব নয়, তবে ভালো মানের কিন্ডারগার্টেনগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এ কারণে সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে।’

    এ প্রসঙ্গে প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন বলেন, ‘যেসব কিন্ডারগার্টেন এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে, তাদের শিক্ষার্থীরা বা যেসব অভিভাবক গ্রামে চলে গেছেন তারা তাদের সন্তানদের কাছাকাছি সরকারি স্কুলে টিসি ছাড়া ভর্তি করাতে পারবেন। এ ব্যাপারে আমরা এরই মধ্যে সার্কুলার জারি করেছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘কোন স্কুলের জন্য আলাদাভাবে ভাবার সুযোগ নেই। সব স্কুলই একসঙ্গে খুলবে।’

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, সরকারের কাছে কিন্ডারগার্টেনের চিত্র ভালো নয়। সরকার চাইছে শিক্ষার্থীদের সরকারি স্কুলে ফিরিয়ে আনতে। এ কারণে প্রথম শ্রেণির আগে দুই বছরের প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করবে। ফলে চার বছর বয়সে শিক্ষার্থীরা সরকার পরিচালিত স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাবে। ফলে ভালো মানের কিন্ডারগার্টেন স্কুল টিকে থাকবে। চিরতরে হারিয়ে যাবে নিম্নমানের কিন্ডারগার্টেন স্কুল। সূত্র: ইত্তেফাক