Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বছরের প্রথম দিনে বরিশালে নতুন বই পেয়ে আনন্দিত শিক্ষার্থীরা

    বছরের প্রথম দিনে বরিশালে নতুন বই পেয়ে আনন্দিত শিক্ষার্থীরা

    ইংরেজী ২০২১ইং নতুন বছরের প্রথম দিন বরিশালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে বই উৎসব। সীমিত পরিসরে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নতুন বই। বছরের প্রথম দিন কয়েকটি শ্রেণির শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়া হয়। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান।

     

    আজ শুক্রবার (১) জানুয়ারি সকাল ১০টায় নগরীর মল্লিকবাড়ি রোডের সিস্টারস্ ডে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বই তুলে দেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। এ সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

     

    এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সীমিত আয়োজনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন অধ্যক্ষ প্রফেসর খোন্দকার অলিউল ইসলাম। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৯মাস পর করোনার কারণে বন্ধ স্কুলের আঙিনায় পা রাখতে পেরে আনন্দিত শিশুরা। সেই সাথে বছরের প্রথম দিন নতুন বই হাতে পেয়ে বেজায় খুশি। বছরের প্রথম দিন থেকেই নতুন বই পড়া শুরু করার কথা জানায় শিশুরা।

     

    পরবর্তী সময়ে নগরীর বিভিন্ন স্কুলে জেলা প্রশাসক বই উৎসবে াংশ গ্রহন করার মাধ্যমে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে শিশুদের আনন্দের সাথে নিজেও আনন্দিত হয়।

     

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ মজুমদার বলেন, জেলায় ১ হাজার ৫শ’ ৯৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের জন্য ১৩ লাখ নতুন বই এসেছে। আগামী ২ দিনের মধ্যে শতভাগ শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

     

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে সীমিত পরিসরে কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সকল ক্লাশের শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেয়ার কথা বলে তিনি।

     

    এদিকে জেলায় ৭শ’ ৯৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫শ’ ৩৪জন শিক্ষার্থীর জন্য নতুন বইয়ের চাহিদা ২৮ লাখ ১৯ হাজার ১শ’ ৫০টি। এর মধ্যে ৯ লাখ ২১ হাজার ৮শ’ ৪৩টি নতুন বই এসেছে।

  • এইচএসসি’র অটো পাসের ফল জানুয়ারিতে

    এইচএসসি’র অটো পাসের ফল জানুয়ারিতে

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। শিক্ষা বোর্ডের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    তারা জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নীতিমালা এখনো অনুমোদন না দেয়ায় ফল প্রকাশ পিছিয়েছে।

    জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা বাতিল করা হয়। অপেক্ষমাণ সকল পরীক্ষার্থীকে অটো পাস দেয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অটো পাসের ফল তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের সমন্বয়ে আট সদস্যের গ্রেড মূল্যায়ন টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়। চলতি মাসের শুরুতে তারা ফলাফল তৈরিতে জিপিএ গ্রেড নির্ণয়ের বেশ কয়েকটি প্রস্তাবের সমন্বয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সেই গাইডলাইনের ভিত্তিতে নীতিমালা করে ফল প্রকাশ করার কথা থাকলেও শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদন না হওয়ায় তা পিছিয়ে গেছে।

    জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ফলাফল তৈরির নীতিমালা অনুমোদন হলে পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে এইচএসসি’র ফলাফল তৈরির কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থকে অনুমোদন এলে পরবর্তী কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।

    জানা গেছে, টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী জেএসসি পরীক্ষার ফলে ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলে ৭৫ শতাংশ নম্বর মূল্যায়ন করা হবে। তবে যারা জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি তাদের ক্ষেত্রে এসএসসি’র ফলকে কেন্দ্র করে নম্বর নির্ধারণ করা হবে। বিষয়ভিত্তিক উন্নতির ক্ষেত্রে আগের ক্লাসের সেই বিষয়ের ফল মূল্যায়ন করা হবে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব তপন কুমার বলেন, ফল প্রকাশে বিশেষজ্ঞদের দেয়া প্রস্তাব আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি, সেটি এখনো অনুমোদন দেয়া হয়নি। সেটি এলে আমরা কাজ শুরু করবো।

    তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও পরবর্তী মাসে তা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হবে তার মধ্যে সকল কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। যেহেতু খাতা মূল্যায়নের কাজ নেই তাই এক সপ্তাহের মধ্যে সকল কাজ শেষ করে ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

  • বরিশালে নতুন বই পাবে প্রাথমিকের প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী

    বরিশালে নতুন বই পাবে প্রাথমিকের প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী

    বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় নতুন বছরে ৫০ লাখ ২২ হাজার ৬২১ কপি বই প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এসব নতুন বইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে বিভাগের প্রায় ১২ লাখ কোমলমতি শিক্ষার্থী।

    বরিশাল প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের মোট নতুন ৫০ লাখ ২২ হাজার ৬২১ কপি বইয়ের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিকের শিশুরা পাবে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪১৪ কপি আমার বই নামক বইটি । প্রাথমিকের ( ১ম-৫ম শ্রেণি ) পর্যন্ত বাংলা ভার্সনে ৪৮ লাখ ১৫ হাজার ৪৩০ কপি বই, ইংরেজি ভার্সনে ৬ হাজার ৮৭৬ কপি এবং প্রাথমিক স্তরের বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্ম-নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ৯০১ কপি নতুন বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

    এছাড়াও শুধু প্রাক-প্রাথমিকের আমার বইয়ের পাশাপাশি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪১৪ কপি অনুশীলন খাতা খুদে শিশুদের মাঝে প্রদান করা হবে।

    প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ  বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বরিশালে স্বল্প পরিসরে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও স্বাস্থ্য-সুরক্ষা বিধি মেনে বছরের প্রথম দিন কোমলমতি শিশুদের হাতে ২০২১ সালের শিক্ষাবর্ষের নতুন বই তুলে দেওয়া হবে। তবে শিশুদের বিদ্যালয়ে সমাগম না করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুবিধা অনুযায়ী এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভিভাবকদের কাছে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া হবে।

    ইতিমধ্যে বরিশাল বিভাগের জন্য বরাদ্দকৃত বই জেলা-উপজেলা এবং ক্লাস্টার অনুয়ায়ী স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের প্রধানদের নিকট পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই সহকারী পরিচালক।

  • যেভাবে হবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা

    যেভাবে হবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা

    ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নপত্রে দেশের ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আলাদা ইউনিট না থাকলেও বিজ্ঞান ইউনিটের জন্য বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটির বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।

    শনিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার মান বণ্টন ও পরীক্ষা পদ্ধতিসহ এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    সভা শেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হবে। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা বহাল থাকছে।

    ১৯ বিশ্ববিদ্যালয় হলো- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

  • বাড়ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি

    বাড়ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি

    আবারো বাড়ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি। বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে ছুটি সংক্রান্ত ঘোষণা আসবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
    বাংলাদেশে করোনাভাইসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। সর্বশেষ মহামারির মধ্যে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ায় সরকার।

    এদিকে কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে এবার পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা নেবে না সরকার।

    আর অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

  • মাধ্যমিকে পদোন্নতি পাচ্ছেন ৬ হাজার শিক্ষক

    মাধ্যমিকে পদোন্নতি পাচ্ছেন ৬ হাজার শিক্ষক

    মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, মুজিববর্ষে বিশাল সংখ্যক পদোন্নতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে, যা হবে মুজিববর্ষের বিরাট অর্জন। ইতোমধ্যে কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন বলেন, মুজিববর্ষে পদোন্নতি বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা কোনোভাবেই কালক্ষেপণ করতে চাই না। এরই মধ্যে আমাদের বিশেষজ্ঞ কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে।

    সারাদেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নন-ক্যাডার শিক্ষক পদে কর্মরত ১০ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে ৬ হাজারের বেশি শিক্ষক এই পদোন্নতিতে যুক্ত হবেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ পদোন্নতির ফলে শিক্ষকদের কোনো আর্থিক সুবিধা না বাড়লেও সামাজিকভাবে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া পদোন্নতির এ জট খুললে মাধ্যমিকের উপরের বিভিন্ন পদায়নও সম্ভব হবে।

    বিভিন্ন বিধি-নিষেধের কারণে এখনো অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি আটকে যেতে পারে। এছাড়া ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) না থাকার শর্ত লঙ্ঘন, সমন্বিত মেধাতালিকা না থাকার কারণে কীভাবে পদোন্নতি দেয়া হবে তা নিয়ে অনেক শিক্ষক প্রশ্ন তুলেছেন।

    এ বিষয়ে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন মাহমুদ সালমী বলেন, বিধিবিধান মেনে অর্থাৎ ২০১৮ সালে যে পদ্ধতি অনুসরণ করে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে সে পদ্ধতি অনুসরণ করে পদোন্নতি দিলে কারো কোনো অভিযোগ থাকবে না।

    জানতে চাইলে মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন বলেন, ত্রুটি দেখতেই খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়। শিক্ষকরা চাইলে অনলাইনে তাদের মতামত বা লিখিত অভিযোগ করে আমাদের জানাতে পারবেন। বিধিবিধান অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খসড়া তালিকা সংশোধন করা হবে এবং তা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত আকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।”

  • প্রাথমিকের উপবৃত্তির টাকা যাবে ‘নগদে’

    প্রাথমিকের উপবৃত্তির টাকা যাবে ‘নগদে’

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা বিতরণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ‘নগদ’ এর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

    ডিপিই সূত্র জানায়, নগদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টাকা সরাসরি তাদের একাউন্টে চলে যাবে এবং তারা যখন ইচ্ছা তখন তুলে নিতে পারবে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে, প্রতিবছর প্রাথমিক পর্যায়ের এক কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তির টাকা পেয়ে থাকে। এতে সরকারের প্রায় চার হাজার কোটি টাকা খরচ হয়।

    এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়ে সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিল। তাদের প্রস্তাবে ওপেন টেন্ডার ম্যাথড বা ওটিএম পদ্ধতিতে ‘নগদ’ কে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। তখন সরকারি প্রতিষ্ঠান বিবেচনায় ‘নগদ’ কে কাজটি দিতে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, এর আগে গত তিন বছরে শিউরক্যাশের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করতে গিয়ে অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়েছে মন্ত্রণালয়ে। তারমধ্যে ক্যাশ আউটের জন্য পর্যাপ্ত এজেন্ট পয়েন্ট না থাকা বা এজেন্টরা শিক্ষার্থীদের থেকে বাড়তি টাকা রেখে দেয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

    বর্তমানে প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা জনপ্রতি ৭৫ এবং প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১৫০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি পাবে। এর আগে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য ৫০ টাকা এবং প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পেত ১০০ টাকা।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মোহাম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নগদের মাধ্যমে বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করা হবে।’

  • মার্চে মেডিকেল-ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা

    মার্চে মেডিকেল-ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা

    করোনাভাইরাসের কারণে নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা। তবে এ পরীক্ষা মার্চ মাসে নেয়ার পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। খবর: বিডিনিউজ২৪

    এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন বলেন, এইচএসসির মূল্যায়ন ফলাফল প্রকাশের আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে। আমরা ফলাফলের অপেক্ষা করছি। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে অফিসিয়ালি সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।

    সাধারণত অক্টোবরের মধ্যেই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করা হয়। ১০ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন শেষে পাঠদান শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবার মহামারীর কারণে সবকিছুই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

    স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নেব- এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। এটা মার্চের শুরুর দিকে হতে পারে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।

    ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে এনায়েত হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা চিন্তা করছি, পরীক্ষা আগের নিয়মে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করা দরকার, আমরা তা করব।

    স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আহসান হাবিব বলেন, মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

    তিনি আরো বলেন, এখনও আমরা ফেস টু ফেস যে পরীক্ষার কথা চিন্তা করছি, মানে ফিজিক্যালি, এটা মোটামুটি চূড়ান্ত। ডিসেম্বরে বা জানুয়ারিতে শীতের প্রকোপের সময় পরীক্ষা না নেয়ার একটা সিদ্ধান্ত আছে। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শুক্রবার প্রয়োজন হয়। আমরা হিসাব করে দেখেছি, যে মার্চ মাসের ৫ তারিখ শুক্রবার পরীক্ষাটা নেয়া যায়।

    তবে একাধিক কর্মকর্তারা জানান, সব ঠিক থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত করে তারা হয়ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

    গত বছর সারাদেশে ১৯টি কেন্দ্রের আওতায় ৩২টি ভেন্যুতে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের দূরত্ব রেখে বসাতে গেলে এ বছর ভেন্যু বাড়াতে হবে।

    স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ৭২ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। আর ডেন্টলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল ২৫ হাজার ১১৬ জন। এ বছর দেশের ৩৬টি সরকারি ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। আর সরকারি-বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ এবং মেডিকেল কলেজ সংযুক্ত ডেন্টাল ইউনিট মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৯৩৭ জন শিক্ষার্থী বিডিএস কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

  • নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ও টিউশন ফি বাড়ছে না

    নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ও টিউশন ফি বাড়ছে না

    ২০২১ শিক্ষাবর্ষে নতুন করে শিক্ষার্থী ভর্তি ও টিউশন ফি বাড়ানো হচ্ছে না। করোনাকালীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেশন ও ভর্তি ফিতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করলে তাদের এমপিও বাতিল করা হবে। ২০২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য তৈরি করা ভর্তি নীতিমালায় তা যুক্ত করা হচ্ছে। আগামী ৭ ডিসেম্বর এ নীতিমালা জারি করা হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

    জানা গেছে, করোনার কারণে এবার স্কুলগুলোতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ভর্তি নীতিমালায় বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। লটারির স্বচ্ছতায় বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ ভর্তিতে যে কোনো ধরনের অনিয়ম এড়াতে তিন স্তরের কমিটি কাজ করবে। এছাড়া স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবক প্রতিনিধি আলাদাভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া দেখভাল করবেন।

    প্রস্তাবিত ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেসরকারি হাইস্কুলে ভর্তি ফরমের মূল্য চলতি শিক্ষাবর্ষের মতোই ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি বাড়ানো হয়নি। আগের মতোই রয়েছে। ঘোষিত শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি ও নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত টিউশন ফির বেশি আদায় করা যাবে না। এবার বার্ষিক পরীক্ষা না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট শেষ হওয়ার পর শূন্য আসন ঘোষণা করে ভর্তি কমিটির কাছে তালিকা জমা দিতে হবে।

    কোভিড-১৯ মহামারির সংক্রমণরোধে সিটি করপোরেশন ও জেলা সদরের পৌর শহর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা সশরীরে দিতে হবে না। প্রতিষ্ঠানের অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফরম বিতরণের পর অন্তত সাত কার্যদিবস সময় দিতে হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ ও লটারির ফলাফল প্রকাশ করবে। ফলাফল এক বছর স্কুলে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে আবেদন ফরম জমা নেয়ার সময় ফরমের নিচের অংশ ক্রমিক নম্বর দিয়ে শিক্ষার্থীদের ফেরত দিতে হবে।

    নীতিমালায় আবেদন ফরমের মূল্য ঢাকা মেট্রোপলিটনসহ এমপিওভুক্ত, আংশিক এমপিওভুক্ত এবং এমপিওবহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ২০০ টাকা। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল এলাকায় ৫০০ টাকা, পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় ২ হাজার টাকা, ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে পারবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য শিক্ষার্থী ভর্তির সময় মাসিক বেতন, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নিতে পারবে।

    উন্নয়ন খাতে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক ক্লাস থেকে পরবর্তী ক্লাসে ভর্তির জন্য প্রতি বছর সেশন চার্জ নেয়া যাবে। তবে পুনঃভর্তির ফি নেয়া যাবে না। তবে দরিদ্র, মেধাবী বিশেষ চাহিদা সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের যতদূর সম্ভব মওকুফ করে দিতে হবে। নীতিমালা লঙ্ঘন করে ভর্তি ও অতিরিক্ত ফি আদায় করলে প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে নীতিমালায়।

    জানা গেছে, লটারির ভর্তিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগরীতে মাউশির মহাপরিচালক আহ্বায়ক করে ভর্তি কমিটি গঠন করতে হবে। এ কমিটির সদস্য থাকবেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাউশির পরিচালক (বিদ্যালয়), ঢাকা জেলার ডিসির প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, মাউশির ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক। জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসির নেতৃত্বে জেলা পর্যায়ে ভর্তি কমিটি গঠন করতে হবে।

    এছাড়া ভর্তি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও কয়েকজন অভিভাবক নিয়ে একটি ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

    নতুন ভর্তির নীতিমালায় আগামী শিক্ষাবর্ষে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে স্কুলের এন্ট্রি শ্রেণি ও আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি করা যাবে। আসনের চেয়ে আবেদন বেশি হলে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের বয়স জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী ছয় বছর হতে হবে।

    নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোন শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তি করা হবে। প্রত্যেক স্কুল নিজস্ব উদ্যোগে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এক্ষেত্রে স্কুল পরিচালনা কমিটি একাধিক উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে। একই ক্যাচমেন্ট এলাকায় একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলে শিক্ষার্থীরা যে কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে। সরকারি হাইস্কুলে ক্যাচমেন্টভুক্ত এলাকার পাঁচটি স্কুলে আবেদন করা যাবে।

    এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, প্রতি বছরই সেশন ফি বিভিন্ন খাতে বেশি নেয়ার অভিযোগ আমরা পেয়ে থাকি। এবারও করোনার কারণে মানুষ খুব ভালো অবস্থায় নেই। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান। তারপরও যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে তবে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিএম কলেজের নতুন অধ্যক্ষ মু জিয়াউল হক

    বিএম কলেজের নতুন অধ্যক্ষ মু জিয়াউল হক

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু জিয়াউল হক। বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক আদেশের মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ডক্টর শ্রীকান্ত কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক ১৯৬১ সালের ১ ডিসেম্বর বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৭৬ সালে বরিশাল রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৭৮ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৮৩ সালে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৮৬ সালে সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ২০০১ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০০৮ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৩ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ তিনি ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন।

    এর আগে তিনি বরিশাল জেলার সরকারি বিএম কলেজ, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। ২০১৪ সালের ১৮ জুন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান পদে যোগদান করে ২৪ মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

    এছাড়াও তিনি নায়েম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশিতে বিভিন্ন সময়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন ।