Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ঝালকাঠি সরকারী কলেজে ব্যবহারের অনুপযোগী ভবনে থাকছেন না অধ্যক্ষ তবুও প্রতিমাসে ভাড়া দিচ্ছেন ২৫ হাজার টাকা

    ঝালকাঠি সরকারী কলেজে ব্যবহারের অনুপযোগী ভবনে থাকছেন না অধ্যক্ষ তবুও প্রতিমাসে ভাড়া দিচ্ছেন ২৫ হাজার টাকা

     

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় অব্যবহৃত এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে ঝালকাঠি সরকারী কলেজ অধ্যক্ষের বাসভবন। এনিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তরে বারবার চিঠি দিলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তারা। অথচ বাসভবন বাবদ অধ্যক্ষের বেতন থেকে প্রতিমাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকা ভাড়া বাবদ কেটে নেয়া হচ্ছে। অপরদিকে বাসা ভাড়া করে থাকায় দুদিকেই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় অধ্যক্ষের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে বাসভবনটি।

    কলেজসূত্রে জানাগেছে, ঝালকাঠি সরকারী কলেজ অধ্যক্ষের জন্য ১৯৯৩ সালে নির্মিত ডরমিটরি ভবনের কক্ষগুলো অত্যন্ত সরু এবং পাশের চলাচলের রাস্তার চেয়ে নিচু হওয়ায় তা শুরু থেকেই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এক অধ্যক্ষ (প্রফেসর রুস্তম আলী) ২ বছর ছিলেন তবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে সংস্কার করা না হলে বাড়ি ভাড়া কাটতে পারবে না
    বলে তিনি চিঠি দিয়েছিলেন। একারণে ওই অধ্যক্ষের কাছ থেকে ডরমিটরিতে বসবাসের জন্য বাড়ি ভাড়া কর্তন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রত্যেক অধ্যক্ষের বেতন থেকে ডরমিটরি ভাড়া বাবদ মোটা অংকের টাকা কেটে নেয়া হয়। অধ্যক্ষের বাসভবন ব্যবহারের এতোটাই অনুপযোগী যে, নির্মাণের পর থেকে সঠিকভাবে কোন অধ্যক্ষই ওই ডরমিটরিতে বসবাস করতে পারেনি। বর্তমানে ওই ডরমিটরি ভবনের ফ্লোর নিচু হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলে বা পানি বৃদ্ধি পেলে ফ্লোর তলিয়ে যায়। ভবনের পাশেই পুকুর থাকায় অনেক সময় সাপের উপদ্রবও দেখা যায় ভবনটিতে। সেখানে অনুপযোগী পরিবেশের কারণে কোন কর্মচারীও থাকতে না চাওয়ায় অব্যবহৃত এবং পরিত্যক্ত অবস্থায়ই রয়েছে।

    কিন্তু কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আনছার উদ্দিনের মাসিক বেতন থেকে প্রায় ২৫ হাজার টাকা ডরমিটরি ভাড়া বাবাদ কেটে নেয়া হচ্ছে। এব্যাপারে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে একাধিক চিঠি দেয়া হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি অধিদপ্তর।

    সরকারী কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক আঃ ছালাম (সহযোগী অধ্যাপক), যুগ্ম
    সম্পাদক আসাদুজ্জামান রুবেল (সহকারী অধ্যাপক)সহ শিক্ষক মন্ডলী জানান, সরকারী কলেজ অধ্যক্ষের জন্য মানসম্মত ডুপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন। পুরাতন ভবনটি ব্যবহারে
    অত্যন্ত অনুপযোগী হওয়ায় এখানে কেউই বসবাস করছে না। একারণে বর্তমানে ভবনটির
    বাইরে বিভিন্ন লতাপাতা জড়িয়ে এবং ভিতরের আস্তর খসে পড়ে ভুতুরে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অধ্যক্ষের বেতন থেকে প্রতিমাসে ২৫হাজার টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে অপরদিকে তিনি বাসা ভাড়া করে থাকায় উভয় দিকেই আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এমন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

    কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আনছার উদ্দিন জানান, বাসের অনুপযুগি হওয়ায় অধ্যক্ষের বাসভবনে আমি থাকছিনা। তবুও আমার বেতন থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে সাত লক্ষ টাকা বাড়ি ভাড়া বাবদ কেটে নেয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তরকে একাধিকবার চিঠি দিয়ে অধ্যক্ষ ডরমিটরি ভবন সম্পর্কে অবহিত করা হলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

    তিনি আরো জানান, অনার্স কোর্স চালু আছে এমন কলেজ অধ্যক্ষের জন্য ২২শ স্কয়ার ফুট মাপে ডুপ্লেক্স দ্বিতল ভবন করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ঝালকাঠি সরকারী কলেজ অধ্যক্ষের জন্য নির্মিত ডরমিটরি ভবনটি ১১শ স্কয়ার ফুটেরও কম। পারিপার্শিক অবস্থার কারণে ডরমিটরি ভবনটি ব্যবহারের সম্পুর্ণ অনুপযোগী বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন
    তিনি।

    ##
    আরিফুর রহমান আরিফ
    ০১৭৩৯৫৪৮২২৫

  • বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ক্যাটাগরিতে ভর্তি পরীক্ষা

    বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ক্যাটাগরিতে ভর্তি পরীক্ষা

    চলতি বছর তিন ক্যাটাগরিতে মেধা যাচাই পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অভিন্ন প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রক্রিয়ায় ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে।

    আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলো আগের নিয়মেই শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির প্রাপ্ত জিপিএর ভিত্তিতেই ভর্তি করা হবে।

    এদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং পরিচালনায় স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেবে।

    সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়া হবে অনলাইনে। একটি অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে বা অফলাইনে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এজন্য একটি সফটওয়্যারও তৈরি করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর সমন্বিত পদ্ধতিতে কৃষি, প্রকৌশলী এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভাবে পাঁচটি ধাপে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। এর মধ্যে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং মানবিক বিভাগের জন্য তিনটি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

    এদিকে গত শনিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা অংশ নেন।

    সভায় করোনা মহামারির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অনার্স পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    এতে ভিসিদের সংগঠন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম জানান, আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের একটি ন্যূনতম মেধা বা যোগ্যতা যাচাই করার ব্যবস্থা থাকা দরকার। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে।

    সভায় বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোনাজ আহমেদ নূরের উদ্ভাবিত সফটওয়্যার ‘প্রক্টর রিমোট এক্সাম সিস্টেম (প্রোকয়াস)’ ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এটি ব্যবহার করে ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াও অভ্যন্তরীণ একাডেমিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে।

    এদিকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বছর যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, তাই অন্তত ভর্তি পরীক্ষা এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের কিছুটা সুযোগ থাকে। অন্যথায় শিক্ষার উচ্চতর পর্যায়ে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের ভিড়ে মেধাবীরা হারিয়ে যেতে পারে।

  • বাতিল হতে পারে এসএসসি পরীক্ষাও

    বাতিল হতে পারে এসএসসি পরীক্ষাও

    মহামারী করোনার সংক্রমণ এড়াতে প্রথমে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এরপরে জেএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলমান এ অবস্থায় এবার এসএসসি বা সমমান পরীক্ষাও বাতিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

    শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, অক্টোবরের ৩ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পরীক্ষা হয়ে থাকে। এর ফলাফল ঘোষণা হয় নভেম্বরে। কিন্ত করোনার কারণে অনুষ্ঠিত হয়নি সেই মূল্যায়ন পরীক্ষা। যার ফলে অন্যান্য পরীক্ষার মতো এসএসসিও বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শিক্ষাবোর্ডের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা হওয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার ফলে নেয়া হয়নি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পরীক্ষা। ফলে বাতিল হতে পারে পরীক্ষাটি।

    অন্যদিকে, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরাও চাচ্ছেন না পরীক্ষাটা (এসএসসি) হোক। এ ব্যাপারে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘করোনার কারণে গত মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। একইসঙ্গে বন্ধ আছে কোচিং এবং প্রাইভেটও। যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে লেখাপড়ার বাইরে রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এ অবস্থায় পরীক্ষা না নিয়ে অটোপাস করিয়ে দেয়া-ই একমাত্র উপায়।’

    আবার পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষাবোর্ড তরিঘরি করতে গেলে শিক্ষার্থীদের উপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। তারা বলছেন, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি থাকার পরেও সরকার পরীক্ষা বাতিল করেছে। ফেব্রুয়ারিতে হয়তো করোনা চলে যাবে। কিন্তু প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে বাচ্চারা পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারবে না।

    এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘পরীক্ষা বাতিল হওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করিনি। তবে এমন পরিস্থিতিতে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়, এটাও মানতে হবে।

    ‘তবে এই মুহূর্তে আমরা শুধুমাত্র এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পর্কেই ভাবছি’ বলেও জানান তিনি।

    তবে পরীক্ষা বাতিল বা মূল্যায়ন করে সব ধরনের সমাধান হয় না বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ যতিন সরকার। তিনি বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের নীতিনির্ধারকদের আরো ভাবতে হবে।’

    একইসঙ্গে শিক্ষায় যে ক্ষতিটা হলো আগামী ২০ বছরেও এ ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব হবে কি না এ বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন এ শিক্ষাবিদ।

  • গড় নম্বরে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাবে যারা

    গড় নম্বরে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাবে যারা

    বাতিল করে দেয়া হয়েছে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা। এক্ষেত্রে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার গড় নম্বরের ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন রেজাল্ট দেয়া হবে। এবার জানা গেল, যারা জেএসসি ও এসএসসি দুটোতেই জিপিএ-৫ পেয়েছে তাদেরকে এইচএসসিতেও একই রেজাল্ট দেয়া হবে। বুধবার বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    পরীক্ষার্থীদের কোন পদ্ধতিতে গড় নম্বর দেয়া হবে সেটি নির্ণয় করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে পরীক্ষা ছাড়া ফলাফল প্রকাশ করা হবে। যারা এক অথবা দুই বিষয়ে ফেল করে পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাদের অটোপাস দেয়া হবে।

    আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, যে সকল শিক্ষার্থীর জেএসসি ও এসএসসিতে জিপিএ-৫ থাকবে এইচএসসিতেও তাদের জিপিএ-৫ দেয়া হতে পারে। এক ও দুই বিষয়ে ফেল করে পুনরায় নিবন্ধন করা শিক্ষার্থীদের সেসব বিষয়ে পাস করিয়ে মোট জিপিএ দিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    তিনি বলেন, নিচের স্তরের উভয় পরীক্ষায় কম জিপিএ নম্বর অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো করবে সেই সম্ভাবনা অনেক থাকে। এ কারণে তাদের পাস করিয়ে দেয়া হলেও জিপিএ নম্বর কম থাকবে। তবে সকল সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হবে।

    এবার এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৯ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা ছিল। তাদের মধ্যে নিয়মিত ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮১ জন এবং অনিয়মিত দুই লাখ ৬৬ হাজার ২০৮ জন।

  • গতবার ফেল করা সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থীর কপাল খুলেছে

    গতবার ফেল করা সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থীর কপাল খুলেছে

    মহামারি করোনার সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে এবার এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে না। এর বদলে শিক্ষার্থীদের জেএসসি, জেডিসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই গত বছর যারা এইচএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন তাদের কপাল খুলে গেছে।
    বুধবার দুপুরে অনলাইনে এক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, গতবার যারা ফেল করেছে, তাদেরও জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।

    গতবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করে নয় লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। সেই হিসেবে গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেছিলেন তিন লাখ ৪৮ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী, যারা এবার আর কোনো পরীক্ষায় অংশ না দিলেও উচ্চ মাধ্যমিকের সনদ পাবেন।

    এইচএসসিতে দুই বিষয়ে (সর্বোচ্চ চার পত্র) ফেল করলে পরের বছর শুধু ওইসব বিষয়ে পরীক্ষা দেয়া যায়। উচ্চ মাধ্যমিকে একজন শিক্ষার্থীকে সাতটি বিষয়ে ১৩টি পত্রে পরীক্ষায় বসতে হয়। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের গড় করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে তারা এইচএসসির চূড়ান্ত মূল্যায়ন ঘোষণা করতে চান, যাতে জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

    ডা. দীপু মনি বলেন, করোনাভাইরাস কবে যাবে সেটি আমরা কেউ জানি না। এ পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষার আয়োজন করা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ নিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না।

    তিনি আরো বলেন, সাড়ে ১৩ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা দেবে। আড়াই হাজারের বেশি পরীক্ষা কেন্দ্র প্রস্তুত ছিল, এখন তা দ্বিগুণ করা হবে। প্রশ্নপত্র করা হয়েছিল, তা খুলে আবার নতুন করে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করতে হবে। তার ওপরে দ্বিগুণ প্রশাসনের জনবল নিয়োগ করার প্রয়োজন পড়বে। এত বিশাল আয়োজন এখন করা সম্ভব নয়।

    মন্ত্রী বলেন, সব বিবেচনায় আমরা সরাসরি পরীক্ষা না নিয়ে বিকল্প উপায়ে মূল্যায়নের চিন্তা করছি। আমাদের হাতে দুটি পাবলিক পরীক্ষার ফল আছে তা দিয়েই মূল্যায়নের চিন্তা করছি। আর এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট অভিভাবক, শিক্ষা বিশেষজ্ঞসহ সকলের মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    এইচএসসি এই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে গিয়ে কোন জটিলতার শিকার হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সেটা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এই ফল তাদের পূর্বতন পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের নিয়মে পরীক্ষা আয়োজন করবে। সেখানে কোনো বাধা আসবে না। এমনকি বাইরের দেশগুলোতে পড়তে গেলেও শিক্ষার্থীদের কোনো জটিলতায় পড়তে হবে না বলেও জানান দীপু মনি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হকসহ সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

    উল্লেখ্য, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়।

  • এ বছর সরাসরি এইচএসসি পরীক্ষা হচ্ছে না : শিক্ষামন্ত্রী

    এ বছর সরাসরি এইচএসসি পরীক্ষা হচ্ছে না : শিক্ষামন্ত্রী

    এ বছর সরাসরি এইচএসসি পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তবে জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ভিডিও বার্তায় এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    এ সময় তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তায় সার্বিক বিবেচনায় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হবে। যেভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে, তা বিবেচনা করছি। এ পরীক্ষার জন্য ৩০ থেকে ৩২ দিন সময় দরকার হয়। এক বেঞ্চে একজন ছাত্রী সম্ভব নয় এখন কেন্দ্র দ্বিগুণ করার জনবল নেই।

  • ইবির ছাত্রী তিন্নির মৃত্যু, সন্দেহে বোনের স্বামী

    ইবির ছাত্রী তিন্নির মৃত্যু, সন্দেহে বোনের স্বামী

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নির (২৪) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ তার বড় বোনের সাবেক স্বামীর পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে তিন্নি লজ্জায় আত্মহত্যা করেছেন।

    শুক্রবার মধ্যরাতে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শেখপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মৃত ইউসুফ আলীর কন্যা তিন্নি ইসলামী ইউনিভার্সিটির হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী।

    নিহতের খালাতো ভাই মখলেছুর রহমান জানান, তিন্নির বড় বোন মিন্নির একই গ্রামের পুনুরুদ্দীনের ছেলে শেখপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী জামিরুলের সঙ্গে বিয়ে হয়। বনিবনা না হওয়ায় মিন্নির সঙ্গে জামিরুলের বিচ্ছেদ ঘটে। তবে মিন্নিকে তিনি আবার ঘরে নিতে চান। কিন্তু মিন্নি রাজি না হলে দীর্ঘদিন ধরেই জামিরুল পরিবারটির ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।

    বাড়িটিতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় পরিবারটি এক রকম জামিরুলের নির্যাতনে অসহায় হয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জামিরুল শেখপাড়ায় তিন্নিদের বাড়িতে লোকজন নিয়ে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। দুই ঘণ্টা পর আবারও জামিরুল ওই বাড়িতে যায় এবং তিন্নির ওপর নির্যাতন চালায়।

    বড় বোন মিন্নি অভিযোগ করেন, বাড়ির দোতালায় তিন্নির সঙ্গে জামিরুল এমন কি করেছে যে, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে তরতাজা বোনের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখলাম। তিনি অভিযোগ করেন এটা পরিকল্পিত হত্যা। আমার বোনের সঙ্গে খারাপ কিছু করায় সে আত্মহত্যা করেছে।

    তিন্নির মা হালিমা বেগম জানান, আমার মেয়ে খুবই মেধাবী। বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্ততি নিচ্ছিল। ঘটনার দিন সে সন্ধ্যার দিকে কুষ্টিয়ায় এক বান্ধবীর বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে জামিরুলের হুমকির শিকার হয়। আমাদের সন্দেহ তিন্নিকে পাশবিক নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    বিষয়টি নিয়ে শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম জানান, তিন্নির মৃত্যুটি রহস্যজনক। তার সঙ্গে এমন কিছু করা হয়েছে যে তিনি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। ডাক্তারি পরীক্ষার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। আমরা বিষয়টির ওপর কঠোর নজর রাখছি। আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, লাশ শুক্রবার বিকেলে কুষ্টিয়া হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শেখপাড়ার বাড়িতে দাফনের জন্য আনা হয়েছে।

  • তিন্নির মৃত্যুতে উত্তাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

    তিন্নির মৃত্যুতে উত্তাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তার সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

    শনিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এসব দাবি নিয়ে মানববন্ধন করেন তারা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন মানববন্ধনে অংশ নেন।

    তাদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে তিন্নি হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিতকরণে ও সারাদেশে নারীর ওপর সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদ।

    দুপুরে সংসদের দফতর সম্পাদক পিয়াস পান্ডে স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে সভাপতি নুরুন্নবী ইসলাম সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক জি কে সাদিক এসব দাবি জানান।

    jagonews24

    গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া এলাকায় নিজেদের দোতলা বাড়ির নিজ কক্ষ থেকে তিন্নিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক ঝামেলার জেরে দুলাভাই জামিরুল ইসলাম বাড়িতে এসে দুই দফায় হামলা চালিয়ে তাকে নির্যাতন করেন। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

    তিন্নি ওই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মৃত ইউসুফ আলীর মেয়ে। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে বিসিএসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এ মেধাবী ছাত্রী।

    তিন্নির স্বজনরাও এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। নিহতের চাচা হেলাল উদ্দিন জানান, তিন্নির বড় বোন মিন্নির একই গ্রামের নুরুদ্দীনের ছেলে শেখপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয়। সংসারে অশান্তি থাকায় প্রায় এক বছর হলো তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

    এ নিয়ে তিন্নির পরিবারের সঙ্গে জামিরুলের ঝামেলা চলছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জামিরুল ১০-১২ জনকে নিয়ে তিন্নিদের বাড়ি প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে তারা ফিরে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আবারও এসে সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় থাকা তিন্নির ঘরে প্রবেশ করে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করেন। পরে হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে যায় তারা।

    jagonews24

    হেলালের দাবি, তার পা খাটের সঙ্গে লাগানো ছিল। এভাবে ঝুললে কেউ মারা যাবে না। তাকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

    তিন্নির রহস্যজনক এ মৃত্যুর ঘটনায় আটজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে নিহতের মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা করেন বলে জানিয়েছেন শৈলকুপা থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মহসিন হোসেন।

    তিনি বলেন, তিন্নির মৃত্যু একটা রহস্যজনক ঘটনা। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে সঠিক ঘটনা জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শেখপাড়া গ্রামের কনুর উদ্দীনের ছেলে আমিরুল, খলিলের ছেলে নাঈম ও লাব্বিসহ এ পর্যন্ত চারজনকে আটক করেছে। মামলার প্রধান আসামি জামিরুল এখনও পলাতক। তাকেসহ বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

  • ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল

    ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    এ সময় দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদরাসার ক্ষেত্রে ছুটি কার্যকর হবে না।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়েরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনার কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। উল্লিখিত সময় পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

    এদিকে গতকাল বুধবার শিক্ষাবিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল এক সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর কথা জানান। এর একদিন পরে নতুন করে আরও এক মাস ছুটি বাড়ানো হলো।

    দীপু মনি বলেছিলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে বর্তমান ছুটি আরও বাড়ানো হবে। এ বিষয়ে আগামী দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে কতদিন ছুটি বাড়ানো হবে তা জানিয়ে দেয়া হবে।’

    তিনি আরও বলেছিলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়া হবে না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

    উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে কয়েক ধাপে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে নতুন করে এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে।’

  • আরও এক মাস বন্ধ থাকছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    আরও এক মাস বন্ধ থাকছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    বিশ্বব্যাপী চলমান করোনার দুর্যোগের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনা পরিস্থিতির আশানুরূপ পরিবর্তন না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

    এর আগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো বিষয়ে ডা. দীপু মনি বলেছিলেন- ‘বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই আগামী ৩ অক্টোবরের পরও ছুটি বাড়ছে। কত দিন ছুটি বাড়ছে, সেটা আমরা জানিয়ে দেব। তবে ধাপে ধাপে ছুটি বাড়ানো ছাড়া অন্য কোনো যৌক্তিক পদ্ধতি আমাদের কাছে নেই।’

    কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে, সে ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন- ‘বিশ্ববিদ্যালয় আগে খোলার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। আমরা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারটি বিবেচনা করব। আবার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের কথাও বিবেচনা করব, তবে কোনো অবস্থাতেই আমরা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না।’