Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ‘পরিস্থিতি অনুকূল না হলে এইচএসসি পরীক্ষা নয়’

    ‘পরিস্থিতি অনুকূল না হলে এইচএসসি পরীক্ষা নয়’

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হলেও করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা নেয়া হবে না। অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে দুই সপ্তাহের সময় দিয়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।’

    ৩১ মে, রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১টার পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরার সময় এ কথা বলেন।

    এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু করার কথা ছিল। আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছি, কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কারণ এই পরীক্ষায় অংশ নেবে ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থী। পুরোপুরি গণপরিবহন চালু হতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কিন্তু তা সম্ভব নয়। এতে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বহুগুণ বাড়াতে হবে এবং এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক সব ব্যবস্থা করতে হবে। তারপরও পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে যাবে। কোনোভাবেই এই ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব নয় বলে আমরা মনে করি।’

    তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি আরো অনুকূল না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পারছি না। যখনই আমরা মনে করবো পরীক্ষা নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি, তখনই পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করবো

  • দাখিল মাদরাসা বোর্ডে শীর্ষে ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা

    দাখিল মাদরাসা বোর্ডে শীর্ষে ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা

    মাদরাসা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে এবছরও শীর্ষে ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী এন এস কামিল মাদরাসা (নেছারাবাদ মাদরাসা)। দাখিল পরীক্ষায় এ মাদরাসা থেকে বিজ্ঞান ও সাধারণ বিভাগে ২৫৩ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১৫২ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। অন্যরা সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ ৫ প্রাপ্তি ও শতভাগ পাস হিসেবে ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসা এবছরেও মাদরাসা বোর্ডে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে।

    বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত আযীযুর রহমান কায়েদ ছাহেব হুজুর ১৯৫৬ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। সময়ের ব্যবধানে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ছাত্রের পদচারণায় মুখরিত এ মাদরাসাটিতে অনার্স, মাস্টার্সসহ দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল (হাদীস, তাফসির, ফিকহ ও আদব) ফলাফলে শীর্ষ স্থান অর্জনকারী দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের এ সাফল্যের জন্য অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন।

    সাফল্যের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সুন্নাতে নববীর পরিপূর্ণ অনুসরণ ও আওলিয়ায়ে কেরামের অনুসৃত পথের পাবন্দ হওয়ার পাশাপাশি মুসলিম ঐক্যের প্রতীক আমীরুল মুছলিহীন হযরত মাওলানা মুহম্মদ খলীলুর রহমান নেছারাবাদী হুজুরের বলিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষকতা দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন, সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ক্লাসটেস্ট, দুর্বল ছাত্রদের জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে ফীডব্যাক ক্লাশ, অভিভাবক সম্মেলন ও শিক্ষক মন্ডলীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিবিড় পর্যাবেক্ষণসহ শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন, আবাসিক ছাত্রদের জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও টিউটর দ্বারা আবাসিক ক্লাশ ও সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসমূহে এ প্রতিষ্ঠান বরাবরই গৌরবোজ্জ্বল ফলাফল লাভ করছে।

    অধ্যক্ষ ভাল ফলাফল ও এ প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য শিক্ষক, অভিভাবকসহ সর্বমহলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • সীমিত পরিসরে খুলছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    সীমিত পরিসরে খুলছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    গত ২৮ মে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অতিপ্রয়োজনীয় ও আবশ্যকীয় অফিস ৩ জুন থেকে চালু হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতিপ্রয়োজনীয় ও আবশ্যকীয় অফিসমূহ ( ভাইস-চ্যান্সেলরের অফিস, রেজিস্ট্রার কার্যালয়, অর্থ ও হিসাব শাখা, প্রকৌশল শাখা, মেডিকেল সেন্টার, পরিবহন পুল) দপ্তর প্রধানের নির্দেশনা মোতাবেক ন্যূনতম জনবল নিয়ে রোস্টার প্রণয়ন পূর্বক চালু থাকবে। অফিস চলাকালীন সময় সকলকে মাস্ক পরা সহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাতে হবে। অন্তঃসত্তা মহিলাগণ এবং সর্দি, কাশি, জ্বরসহ অন্যান্য গুরতর অসুস্থ ব্যক্তিকে দপ্তর প্রধানকে অবহিতপূর্বক অফিসে আসা থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম। তবে বেশ কয়েকটি বিভাগে অনলাইনে ক্লাস কার্যক্রম শুরু করেছে।

  • বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ভালো ফলাফল করেছে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ভালো ফলাফল করেছে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে গড় হিসেবে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে। এবছর প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট পাশের হার ৭৯ দশমিক ৭০ হলেও বিজ্ঞান বিভাগে এবছর পাশের হার ৯১ দশমিক ৮০। আর ব্যবসায় শিক্ষায় পাশের হার ৮০ দশমিক ৫১ এবং মানবিক শাখায় ৭৪ দশমিক ৫৭। অপরদিকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন। যারমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগই পেয়েছে ৪ হাজার ৩১ টি। আর মানবিক বিভাগ পেয়েছে মাত্র ৩২০, যার অর্ধেকেরও কম পেয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

    এ বিভাগে মোট জিপিএ-৫ এসেছে মাত্র ১৩২ টি। তবে তিনটি বিভাগের মধ্যে পাশের হারে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। আর জিপিএ-৫ এর ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগ ব্যতিত বাকী ২ বিভাগেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে মেয়েদের থেকে ছেলেরা ৭ টি জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছে।

  • অবসরে যাচ্ছেন বিএম কলেজ অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান

    অবসরে যাচ্ছেন বিএম কলেজ অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে অধ্যক্ষ পদে টানা ২৯ মাস দায়িত্ব পালনের পর সরকারি চাকুরি থেকে অবসরে যাচ্ছেন প্রফেসর শফিকুর রহমান সিকদার।

    শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। জানা গেছে, তিনি শনিবার বিএম কলেজের ৬৫তম অধ্যক্ষ হিসেবে বিএম কলেজ থেকে অবসর গ্রহণ করবেন।

    কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলামিন সরোয়ার জানান, ১৯৬১ সালের পহেলা জুন ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সপ্তম বিসিএস এর মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান এবং ২০১৮ সালের পহেলা জানুয়ারী বিএম কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন।

    অধ্যক্ষ মোঃ শফিকুর রহমান সিকদার একজন ধার্মিক,দানশীল, পরোপকারী, মানবতাবাদী, নীতিবোধসম্পন্ন এবং শিক্ষা ও শিক্ষার্থী বান্ধব শিক্ষক। বি এম কলেজে কর্মকালীন সময়ে তিনি ছাত্র ছাত্রীদের কল্যান সাধনই তার ব্রত হিসেবে গ্রহণ করছিলেন। সাধারণত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ছাত্রনেতৃবৃন্দ, সুধীজন,পদস্থ কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে তার ছিলো আত্মীক সম্পর্ক। তার নেতৃত্বে বি এম কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সারাদেশে ২য় স্থান অধিকার করেছে।

    তিনি সরকারি বি এম কলেজে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ, সেনিটেশন ব্যবস্থা কার্যকরী করা, ছাত্রীদের জন্য নতুন বাথরুম নির্মান ও সংস্কার, ৩টিপাকা ব্যাড মিন্টন কোর্ট তৈরি, ছাত্রীনিবাসে একটি স্থায়ী পাকা মঞ্চ নির্মান, উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য একটি একতলা ক্লাসরুম নির্মাণ, বিভাগ ভিত্তিক সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন, মসজিদ এবং শিক্ষক সম্মেলন কক্ষে এসি প্রদান, ছাত্র ছাত্রীদেরকে আইসিটি প্রশিক্ষন এবং শিক্ষকদের প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস গ্রহনের ব্যাপারে সক্রিয় ছিলেন।

  • ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, ই এম রাহাত ইসলামঃ চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার (২৯ মে) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল অফিসসমূহ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে ক্লাস-পরীক্ষা কবে থেকে শুরু হবে- সে ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।

    সূত্রটি বলছে, করোনা পরস্থিতি বিবেচনা করে এ ব্যাপারে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    সূত্র জানায়, ন্যূনতম সংখ্যক জনবল নিয়ে অফিস কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। এজন্য কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী গণপরিবহন ব্যবহার করতে পারবে না। এছাড়া তাদের সমন্বয়ে ১৪ দিনের রোস্টার তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি অফিস প্রধানের নির্দেশে প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবহার করে অফিস করতে হবে।

    অফিস খোলার পূর্বে সংশ্লিষ্ট ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং অফিসকে জীবাণুমুক্ত করতে হবে উল্লেখ করে সূত্রটি আরো জানায়, প্রত্যেক অফিস ভবনের প্রবেশপথে তাপমাত্রা পরিমাপক রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন, বেনাভোলেন্ট ফান্ড ইত্যাদির জন্য অফিসে না এসে হিসাব পরিচালকের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমে বলেন, কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আমরা একটি নীতিমালা তৈরি করেছি। সেই নীতিমালার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবে।

  • এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা ৩১ মে

    এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা ৩১ মে

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২০ এর ফলাফল আগামী ৩১ মে রবিবার সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করবেন। একই তারিখে দুপুর ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, সকল প্রাসঙ্গিক ডকুমেন্ট মেইল করা হবে। মেসেঞ্জারে ও দেয়া হেবে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য বিটিভির মাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ প্রেরণ করা হবে। ফেসবুক আইডি M A khair.
    করোনার মহামারি কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ব্রিফিংয়ের স্থানে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে প্রাথমিকের পরীক্ষা ঘরেই

    করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে প্রাথমিকের পরীক্ষা ঘরেই

    করোনাভাইরাসের কারণে দুই মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    তবে এবার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেওয়া হবে। বাসায় বসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শিক্ষকরা প্রশ্ন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠাবেন। সেসব খাতা শিক্ষকরা মূল্যায়ন করে খাতা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেবে। এজন্য বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার রুটিনে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা ৯ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, গত ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে।

    তিনি বলেন, শ্রেণি ক্লাসের টেলিভিশনে যেসব বিষয়ে পাঠদান হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নে প্রণয়ন করবে। সেসব প্রশ্ন নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হবে। স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন করে মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেবে।

    দ্রুত এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হতে পারে বলেও জানান সচিব আকরাম আল হোসেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি শিক্ষার্থীদের

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি শিক্ষার্থীদের

    ই এম রাহাত ইসলামঃ করোনাভাইরাসে বাড়িভাড়া নিয়ে নাজুক অবস্থায় পড়েছে শিক্ষার্থীরা। অনেকেই টিউশন করে নিজের খরব চালাতো, কেউ কেউ অতিরিক্ত টাকা গ্রামেও কাছে পাঠায়। তবে সব রুটিরুজিতে এখন এসেছে পরিবর্তন। ঘরবন্দী জীবনে শিক্ষার্থীদের চাপাকষ্ট আর আর্তনাদ নিয়ে প্রধাণমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখেছেন তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থী ওয়ালীউল্লাহ তুহিন। চিঠিটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার কর্ণ অবধি পৌঁছাবে কি না জানি না। তারপরও বলছি। আমি টিউশন করে নিজে পড়ি ও আমার পরিবারের খরচ বহন করি। করোনা মহামারীর কারণে একমাত্র উপার্যনের পথ টিউশন বন্ধ। আমার বাবা ড্রাইভার। কয়েক মাস বাবা ঘরেই বসা, উপার্জনের কোনো পথই রইলো না। আমার মা গার্মেন্টস এ চাকরি করত। কিন্তু গত ২মাস বেতন পায়নি এখন শুনি তার চাকটিও নাই। উপার্জনই তো নাই। দুমুঠো খেতে কষ্ট। এর ভিতরে বছর শেষে স্কুলের বেতন/ইউনিভার্সিটির সেশন ফি কিভাবে পরিশোধ করবো? বেতন না দিতে পারলে, স্যার ক্লাসের সবার সামনে দ্বার করিয়ে টাকা চাইবে। গালমন্দ করবে, পরীক্ষা না দিতে দেওয়ার এমন হুমকিও দিবে। সেশন ফি না দিতে পারলে ফর্মফিলাপ করতে পারবো না। হয়তো এবার ইয়ার লস যাবে। এ কথা মনে করলে দুচোখে শুধু ঝাপসাই দেখি। তবে কি আমাদের পড়াশুনা এখানেই শেষ? যার টিউশন নাই, যার বাবার আয় নাই, যার মায়ের চাকরি নাই, এমন না জানা হাজারো সমস্যায় যুক্ত ওই সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পক্ষ হয়ে আপনার কাছে একটা আকুল আবেদন করছি- এই মহামারী বছরের ২০২০ স্কুলের যাবতীয় বেতন/ইউনিভার্সিটির সেশন ফি মওকুফ করে আমাদের পড়াশুনা করে আপনার সোনার বাংলা গড়ে তোলার সুযোগ করে দিবেন। জয় হোক মানবতার।’’

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন-ফি মওকুফের দাবীতে বরিশালে বাসদের বিক্ষোভ

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন-ফি মওকুফের দাবীতে বরিশালে বাসদের বিক্ষোভ

    সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠনে শিক্ষার্থীদের ১ বছরের বেতন-ফি মওকুফসহ তিন দফা দাবীতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রীক দল (বাসদ) জেলা ও মহানগর শাখা।

    আজ (১৩ই মে) বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে সদর রোডে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে সমাবেশ সমাবেশ কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করে।

    বরিশাল মহানগর সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আয়োজনে ও সভাপতি সাগর দাসের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বাসদ জেলা সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, মহামারি করোনার সময়ের সারা দেশের শিক্ষার্থীরা লকডাউনের কারণে আটকে পড়ায় বাড়ি ফিরতে পারেনি। এসব শিক্ষার্থীরা টিউসনি করতে পারছেনা অথচ ম্যাচ ভাড়া দিতে হচ্ছে। এই ম্যাচ ভাড়া মওকুফের জন্য সরকারের বরাদ্দ দিতে হবে।

    একইসাথে এ বছরের শিক্ষার্থীদের বেতন-ফি মওকুফ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উপর বোঝা চাপানো যাবে না এবং পর্যাপ্ত ইন্টারনেট ব্যবস্থা ছাড়া বাংলাদেশে যে অনলাইন ক্লাস শুরু হচ্ছে তা বাতিল করার আহ্বান জানান।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন লিমা আক্তার, সাজেদ ইসলাম, ফারাবি, রেজোয়ান রায়, এমদাদুল হক,ইমন, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।