Category: শিক্ষাঙ্গন

  • এইচএসসির ফল পুন:নিরীক্ষণ: বরিশাল বোর্ডের আবেদন শুরু ১৮ জুলাই

    এইচএসসির ফল পুন:নিরীক্ষণ: বরিশাল বোর্ডের আবেদন শুরু ১৮ জুলাই

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরিশাল ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফল পুন:নিরীক্ষণের আবেদন ১৮ জুলাই থেকে শুরু হবে। আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত ফল পুন:নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। পত্র প্রতি আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১৫০ টাকা। বরিশাল বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুধুমাত্র টেলিটক সিম থেকেই ফল পুন:নিরীক্ষণের আবেদন করতে দিয়েই করা যাবে। প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে rsc লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে রোল লিখে Subject Code লিখে ১৬২২২ নম্বরে Send করতে হবে। (উদাহারণ: Rsc Bar RollNumber Subejectcode লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।) একাধিক বিষয়ের উত্তর পত্র পুন:নিরীক্ষণে কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে। যেমন, 101, 102, 103 ইত্যাদি ।

    মেসেজ সেন্ড হলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ একটি এসএমএস আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে। এরপর আবারও মেসেজ অপশনে rsc লিখে স্পেস দিয়ে yes লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিনকোড’ লিখে নিজস্ব মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। এবার টেলিটক থেকে ট্র্যাকিং নম্বরসহ একটি মেসেজ আসবে। ট্রাকিং নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে। (উদাহারণ: Rsc yes Pincode MobileNumber লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।)

    এছাড়া প্রতি পত্রের পুন:নিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা টেলিটক নম্বর থেকে কেটে নেয়া হবে। এছাড়া ফল পুন:নিরীক্ষণ সংক্রান্ত যে কোনো জটিলতায় টেলিটকের হেল্পলাইনের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। হেল্পলাইন নম্বর: 1234।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল

    এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল বুধবার (১৭ জুলাই)।

    মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    রেওয়াজ অনুযায়ী কাল সকাল ১০টায় ফলের সার সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল তুলে ধরবেন তিনি।

    উল্লেখ্য, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ১ এপ্রিল শুরু হয়ে শেষ হয় মে মাসে। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন।

  • বরিশালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা

    বরিশালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা

    বাল্য বিয়ের কুফল ও প্রতিরোধ, শিক্ষার্থীদের যৌণ নিপিড়নের বিরুদ্ধে সোচ্ছার, জঙ্গী তৎপরতা রুখে দেয়া, মাদক প্রতিরোধ ও মাদক ব্যবসায়িদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে সহযোগিতা করার জন্য স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজ হলরুমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম (বিপিএম)। একইদিন দুপুরে আগৈলঝাড়ার গৈলা সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলরুমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি এ্যাডভোকেট এসএম ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক বীর প্রতীক মহিউদ্দিন মানিক, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রব হাওলাদার, গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, আগৈলঝাড়া থানার ওসি আফজাল হোসেন প্রমুখ। সভায় পুলিশ সুপার শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করে নৈতিক শিক্ষা গ্রহনের মাধ্যমে যে কোন সমস্যায় পুলিশী সেবা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা প্রদানের জন্য শিক্ষকদের প্রতিও আহবান জানান।

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিসিদের মনিটরিং বাড়াতে বললেন সচিব

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিসিদের মনিটরিং বাড়াতে বললেন সচিব

    দেশের সার্বিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) অংশীদারিত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

    সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপনায় তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে সভাপতির দায়িত্ব, বিদ্যালয় পরিদর্শন, বিদ্যালয় জাতীয়করণে গঠিত জেলা টাস্কফোর্সের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর গৃহীত গণশিক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করে জীবনব্যাপী শিক্ষায় নিবিষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, গোটা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের চলমান অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং বাড়াতে হবে। এ ছাড়া, পরিদর্শনকালে প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যাদি চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করলে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত কাজের মান উন্নয়নে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হবে।

    বর্তমান সরকারের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে সচিব জানান, ২০০৯ সালে ছাত্র শিক্ষক অনুপাতের নির্ধারিত লক্ষ্য ১ : ৪৬ এর স্থলে বর্তমানে ১ : ৩৬ এ উন্নীত হয়েছে এবং ঝরে পড়ার হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ, যা নিম্নগামী হয়েছে। বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিতির হার ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে।

    এ ছাড়া, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ২০০৯ সালের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালের পাসের হার হয়েছে ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ অর্জন প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

    প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমডিজি অর্জনের পর জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে সব ছেলেমেয়ের জন্য সম্পূর্ণ অবৈতনিক, একীভূত মানসম্মত ও জীবনব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনগ্রসর এলাকার গরিব পরিবারের শিশুদের শিক্ষার জন্য স্থানীয় অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের সহায়তাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মান নিশ্চিতকল্পে শিশুদের মায়ের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

    বর্তমান সরকার দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল পর্যায়ে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ‘দিন বদলের’ সুস্থ সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ কাজে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন অংশীজন ও দলমত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সাক্ষরতা কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে রূপান্তর করতে হবে। আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষায় গতি এলে ‘দিন বদলের সনদ’ ও রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

  • কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে : শিক্ষামন্ত্রী

    কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সকল পর্যায়ের শিক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে একটি ট্রেডে বাধ্যতামূলক জ্ঞানার্জন করতে হবে।

    সোমবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সকল বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল ও মাদরাসায় কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে একটি ট্রেডে পড়াশোনা করতে হবে। যদি কোনো শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করার পর আর পড়াশোনা না করে তাহলে সে যেন বেকার না থাকে, সে জন্য এ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

    মন্ত্রী বলেন, আমরা বর্তমানে এক ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি। আমরা জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। কিন্তু জিপিএ-৫ দিয়ে কী হবে? আমাদের দরকার শিক্ষা জীবন শেষে কর্মক্ষেত্রে কতটা দক্ষতা দেখাতে পারি তার বিচার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কমিউনিকেশন বিষয়ে দক্ষতার অভাব আছে। শিক্ষার্থীদের শোনার এবং বলার দক্ষতা তৈরি করতে হবে।

    বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে এর আগে সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে এক সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির নেতৃত্বে র্যালিটি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গিয়ে শেষ হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘জীবন ও কাজের জন্য শিখতে শেখা’।

    জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য হলো শিক্ষিত যুবসমাজকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্র সর্ম্পকে সঠিক ধারণা প্রদান, কর্মসংস্থান উপযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, শিল্পের সাথে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রশিক্ষণার্থীদের সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, স্ব-উদ্যোগে প্রশিক্ষিতদের মূল্যায়নের মাধ্যমে সনদায়নের ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, দেশে ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে শ্রমবাজারের পূর্বাভাস, বাজার উপযোগী দক্ষ জনবল তৈরি, প্রশিক্ষণ কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও যুগপোযোগীকরণ, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ কারিকুলাম অনুমোদন প্রশিক্ষণার্থী নিবন্ধন এবং সনদায়নের মত বিশাল কর্মকাণ্ড জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাভুক্ত।

    আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

  • গণহারে ফেল করানোর অভিযোগে রাজপথে সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

    গণহারে ফেল করানোর অভিযোগে রাজপথে সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

    গণহারে ফেল করানোর অভিযোগে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে আন্দোলন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ভালো পরীক্ষা দিয়েও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস বিষয়ে গণহারে ফেল করানোর অভিযোগ তুলেছেন তারা।

    সোমবার দুপুর ১২টায় নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেন ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থীরা। এ সময় কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ এসে বাধা দিলে রাস্তা থেকে সরে যান তারা। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সিজিপিএ ২.০০ এর কম পেলে পরবর্তী বর্ষে শিক্ষার্থীকে উন্নীত করা হয় না।

    শিক্ষার্থীরা জানান, কোনোরকম নোটিশ ছাড়া হঠাৎ এই নিয়ম কার্যকর করায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন তারা। এই নিয়ম কার্যকরের ফলে অনেক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারছেন না।

    এর আগে গতকাল ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজে ফলাফল বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে বাংলা বিভাগে তালা দেন শিক্ষার্থীরা।

    এর আগেও ইডেন কলেজের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের প্রকাশিত ফলাফলে ৩০০ জন শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষে শুধু বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস বিষয়ে অকৃতকার্য হন। পরে সব খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশিত ফলাফলে ৩-৪ জন ছাড়া বাকি সবাই কৃতকার্য হন।

  • মানসম্মত শিক্ষা দিতে নামি শিক্ষকদের ক্লাস টিভিতে আনার ভাবনা

    মানসম্মত শিক্ষা দিতে নামি শিক্ষকদের ক্লাস টিভিতে আনার ভাবনা

    নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলে না পাঠিয়ে ওই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্লাস টেলিভিশনে প্রচার করতে একটি টেলিভিশন চ্যানেল খুলে তাদের ক্লাস সম্প্রচারে সরকারের ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    আজ সোমবার জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সচিবালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যঅধিবেশনে ডিসিরা ভালো শিক্ষকদের অতিথি করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তাব তুললে তিনি এ কথা জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বা অন্য জায়গায় অত্যন্ত ভালো কিছু বিদ্যালয় আছে যেগুলোর অনেক সুনাম আছে। সেখানকার শিক্ষকদের অনেক সুনাম আছে। একটা প্রস্তাব আছে তাদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার।

    তিনি বলেন, আমরা যেটা বলেছি, তার চেয়ে বরং খুব কম খরচে, এখন তো টেলিভিশনের দাম তেমন না। সব বিদ্যালয়ে কিন্তু সেই টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের খুব ভালো ভালো শিক্ষকদের ভালো ক্লাসগুলোকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একই সঙ্গে সব স্কুলে দেখাতে পারি। সেজন্য একটা ‘শিক্ষা টিভি’ জাতীয় কোনো কিছু চিন্তা করা যায় এবং সেটি করা গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যারা শিক্ষক আছেন তারাও শেখানো পদ্ধতি থেকে উপকৃত হবেন।

    শিক্ষা টিভি করবেন কিনা জানতে চাইলে দীপু মনি বলেন, এ বিষয়ে এখানে কথা বললাম, এরকম একটা কিছু হতে পারে। সেটি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করব এবং আগামী দিনে কী পরিকল্পনা করা যায় সেটি দেখব।

    শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির বিষয় সজাগ দৃষ্টি রাখতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বোত্র জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, কারিগরি শিক্ষা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীত গাওয়া, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাসহ যত বিষয় শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, যেখানে ডিসিদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেসব বিষয়ে আমরা তাদের নির্দেশনা দিয়েছি।

    উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা কমিটির মতো জেলা পর্যায়েও সেরকম কমিটি করা এবং মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়গুলো যেন উত্থাপিত হয় এবং মনিটরিংয়ের কাজগুলো যেন ভালোমতো হয়, এই বিষয়গুলো ডিসিদের বলা হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    এ সময় শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপন্থিত ছিলেন।

  • নোংরা রাজনীতির শিকার বঙ্গবন্ধু কলেজ

    নোংরা রাজনীতির শিকার বঙ্গবন্ধু কলেজ

    অনলাইন ডেস্ক :

    ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু কলেজ এখন পরিত্যক্ত। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রোয়াইলের জমিদারদের করে যাওয়া স্কুলের সম্পত্তির একপাশের কয়েকটি ভবন নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে কলেজ স্থাপন করা হয়।

    ১৯৯৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন পানিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক কলেজটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্য দিয়ে কলেজের যাবতীয় কার্যক্রম শুরু হয় এবং ভালোভাবেই চলছিল। পরবর্তীতে ক্ষমতার পালাবাদল হওয়ায় ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসে। এর পরপরই কলেজটিতে লুটপাট চালিয়ে এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় তৎকালীন সরকার।

    এরপর পরপর তিনবার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসায় এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি হয়ে ওঠে, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হোক।

    সরেজমিনে ধামরাই উপজেলার রোয়াইল গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, রোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীতে স্কুলের জমিতেই নির্মিত বঙ্গবন্ধু কলেজের ভবনগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কলেজের সামনেই ধান শুকাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব ইশার আলী। কলেজটির ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায় ভবনের দেয়ালে বট-বৃক্ষসহ অন্যান্য গাছ গজিয়ে ভুতুরে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিটি দেয়ালের ভেতরে এবং বাইরে লতাপাতায় আচ্ছন্ন। কোনো রকমে পরিত্যক্ত ভাঙা-চুরা সিঁড়ি বেয়ে ছাদে গিয়ে দেখা গেল গরুর গোবর শুকানোর মহোৎসব।

    ইশার আলী জানান, শেখ হাসিনা সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এলে এমটি বেনজীর আহমদ এবং মুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধু কলেজটি স্থাপন করেন। তাদের ক্ষমতা যতদিন ছিল ততদিন কলেজটি খুব ভালোভাবেই চলেছে। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদল হলে রাজনৈতিক কারণে এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা এখানে লুটপাট চালিয়ে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রেখেছে।

    পাশেই ছোট নাতিকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা রাফেজা বেগম বলেন, কলেজটি হওয়ায় আমাদের ছেলে-মেয়েরা এখানে লেখাপড়া করেছে। কিন্তু এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন আমাদের নাতি-নাতনিদের প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে সাভার ও ধামরাইয়ের কালামপুর ও মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গিয়ে পড়াশুনা করতে হয়।

    কলেজটির ছবি তোলার সময় কথা হয় সাভার সরকারি কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়া রোয়াইল গ্রামের সঞ্জয় রাজবংশী, ওসমান, ও রাজিবসহ কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে।

    কথাবার্তার একপর্যায়ে সঞ্জয় রাজবংশী জানান, রাজনৈতিক কারণেই কলেজটি বন্ধ হয়ে গেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। পরে উপজেলা প্রশাসন পার্শ্ববর্তী রোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কলেজ ভবনটি দেখাশুনার দায়িত্ব দিলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন প্রশাসনকে না জানিয়ে কলেজ ভবনে ব্যবহৃত দামিদামি মোটা কাঠের ভিম ও দরজা-জানালাসহ অন্যান্য আসবাব বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে তার নির্দেশেই স্থানীয়রা ভবনটির ৮টি কক্ষ ভেঙে ইট লুটপাট শুরু করেন।

    ধামরাই সরকারি কলেজের ছাত্র ওসমান জানান, জাতির জনকের নামে স্থাপিত কলেজটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমাদেরকে অনেক কষ্ট করে অন্য জায়গায় গিয়ে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। ছেলেরা দূরে গিয়ে পড়ালেখা করলেও বন্ধ হয়ে গেছে মেয়েদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ। তাই ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা চিন্তা করে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে কলেজটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার দাবি জানান তিনি

    জানতে চাইলে রোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু কলেজটি আমাদের স্কুলের সম্পত্তিতেই করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে কলেজটি চালু করার জন্য আমরা নিজেদের ভবন, আসবাবপত্রসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছি। বর্তমানেও আমরা কলেজটি চালুর জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

    এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল কালাম বলেন, আমার জানামতে একসময় ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধু কলেজ পরিচালনা করা হলেও এর কোনো নিবন্ধন না থাকায় আমরা প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। তবে স্থানীয় গ্রামবাসী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ কলেজটি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিলে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

  • শিক্ষার্থীদেরকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে

    শিক্ষার্থীদেরকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে

    মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পংকজ নাথ তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। যারা শিক্ষকের আদর্শের জায়গাটাকে ধারন করতে না পারে তাদের বর্জন করুন। যে যার ধর্মের জায়গা থেকে ধর্মকে লালনের মাধ্যমে ভালো থাকবেন। শিক্ষকতাকে চাকুরীর সাথে তুলনা করবেন না, কারণ আপনারা দেশ গড়ার কারিগড়

    এসময় সংসদ সদস্য শিক্ষাখাতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরেণ। গতকাল বিকাল ৫টায় সরকারি পাতারহাট রসিক চন্দ্র মহাবিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় পাতারহাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে পরাজিত করে লেঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চ্যাম্পিয়ন হয় এবং আজিমুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টাইব্রেকারে বড়ইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৩-২ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেণ সংসদ সদস্য পংকজ নাথ

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ মুনসুর আহম্মেদ, পৌর মেয়র আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন খান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলু, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি সুভাষ সরকার, শহীদ শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, রফিকুল ইসলাম টেনু, নুরুল ইসলাম জামাল মোল্লা, উপজেলা কৃষি অফিসার হারুন অর-রশিদ, থানা অফিসার ইনচার্জ আবিদুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সোহেল মোল্লা, সুমন ফরাজী, হাবিবুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান উজ্জল, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মনির জমদ্দার, সাধারন সম্পাদক বাবুল হাওলাদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আলী আব্দুল্লাহ দোলন, সাধারন সম্পাদক রুবেল খন্দকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সাকিল সহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

    সকালে সংসদ সদস্য পংকজ নাথ রাজাপুর জর্জ ইনষ্টিটিউশনের ৪ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত ফলদ ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করে সন্ধ্যায় পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড বদরপুর গ্রামে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে যোগদান করেণ।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর নেতৃবৃন্দের জাতির পিতার মাজার জিয়ারাত

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর নেতৃবৃন্দের জাতির পিতার মাজার জিয়ারাত

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ‘কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’ এর নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজার জিয়ারত করেছেন। আজ ১৩ জুলাই ২০১৯ তারিখ সংগঠনের আহবায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার বাহাউদ্দিন গোলাপের নেতৃত্বে দুপুর ১ টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবর জিয়ারাত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, আবু মুহম্মদ বশির, জুয়েল মাহমুদ, হারুন-অর-রশীদ,শাহাজাদা খাঁন ও আরিফ সিকদার । আরও উপস্থিত ছিলেন

    সৈয়দা ফাতেমা মমতাজ মলি, আতিকুর রহমান, দিদার হোসেন খান, সোলায়মান খান, মধু সুদন হালদার, হাফিজুর রহমান, ডা: মো: তানজীন হোসেন, তরিকুল ইসলাম, সোহেল সিকদার, শহিদুল ইসলাম, কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন, হুমায়ুন কবীর, নুর ইসলাম, মনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম রাহাত, বনী আমিন, শহিদুল ইসলাম (রানা), আবুল কালাম, সালমা বেগম, ইসরাত তামান্না, সৈয়দ শামসুজ্জামান, মিজানুর রহমান, আঃ হাকিম হাওলাদার, রাব্বী, মনোয়ার হোসেন, হাসান, জাফর, আইয়ুব আলী শরিফ, হাচানুল বাসার সোহেল, আনিছুর রহমান মৃধা, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মাহিন সরদার কালু, অপূৃর্ব ভক্ত, সমির হাওলাদার, ইমরান হোসেন, ফজলুল হক, নিজাম গাজী, সুজিৎ বড়াল, আঃ ছালাম মিয়া, মেহেদী হাসান রিপন, শুধাংস হালদার, মহিউদ্দিন, সুজন সিকদার, মোফাজ্জল হোসেন, মাধুরী রানী ডাকুয়া, তারেক হোসেন, শাহিনুর বেগমসহ অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গ্রেড-১১-১৬ ও কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গ্রেড ১৭-২০ এর নেতৃবৃন্দ।