Category: শিক্ষাঙ্গন

  • সাড়ে ৩ বছরেও পরিচয়পত্র পায়নি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

    সাড়ে ৩ বছরেও পরিচয়পত্র পায়নি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

    অনলাইন ডেস্ক :

    সাড়ে ৩ বছর ধরে পরিচয়পত্র পাচ্ছে না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। স্মার্টকার্ড দেয়ার কথা বলে বছরের পর বছর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও তা পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেম্পোরারি কোনো পরিচয়পত্রও দেয়া হয়নি। প্রশাসন অযৌক্তিক বিলম্ব করছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে পরিচয়পত্র না থাকায় প্রায়ই পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও লোকাল বাসে হাফ ভাড়া নিয়েও চলে শ্রমিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই স্মার্টকার্ড পায়নি। লোকপ্রশাসন বিভাগ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, মাটি ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও মার্কেটিং বিভাগের কয়েকটি ব্যাচ স্মার্টকার্ড পেলেও অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র। ২০১৫-১৬ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী হাসনাইন জানান, স্মার্টকার্ডের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২-৩ বার ছবি ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা নিলেও এখনও কোনো ধরনের পরিচয়পত্র দিতে পারেনি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক শিক্ষার্থী জানান, ভর্তির সময় পরিচয়পত্র বাবদ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে আট হাজার শিক্ষার্থী একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সাড়ে ৩ বছর ধরে বাণিজ্য করেছে। যত দ্রুত সম্ভব পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    এ ব্যাপারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত ভিসি ড. একেএম মাহবুব হাসান জানান, অতিদ্রুত সাময়িক আইডি কার্ড দেয়ার জন্য সব বিভাগে চেয়ারম্যানদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সব শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র পাবে বলে মনে করেন ভারপ্রাপ্ত ভিসি।

  • এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ১৮-২৪ জুলাই

    এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ১৮-২৪ জুলাই

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তোষ শিক্ষার্থীরা ১৮ জুলাই থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন। এ কার্যক্রম চলবে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। পরবর্তী ১৫ দিন পর শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ করা বিষয়ের ফল প্রকাশ করা হবে।

    বুধবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটক সিম থেকেই ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে দিয়েই করা যাবে। প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে রোল লিখে আবার স্পেস দিয়ে Subject Code লিখে ১৬২২২ নম্বরে Send করতে হবে। (উদাহারণ: RSC DHA 1234 101 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।) একাধিক বিষয়ের উত্তর পত্র পুনঃনিরীক্ষণে কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে। যেমন, 101, 102, 103 ইত্যাদি ।
    মেসেজ সেন্ড হলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ একটি এসএমএস আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে। এরপর আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। এবার টেলিটক থেকে ট্র্যাকিং নম্বরসহ একটি মেসেজ আসবে। ট্র্যাকিং নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে। (উদাহারণ: RSC YES PIN-NUMBER MobileNumber লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।)

    এ ছাড়া প্রতি পত্রের পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা টেলিটক নম্বর থেকে কেটে নেয়া হবে। দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ে একটি বা দুইটি পত্রে আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ফল পুনঃনিরীক্ষণে কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলেও জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

    ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, যে সব শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষার ফলে অনেক বিষয়ে নম্বর বেশি পাওয়ার আশঙ্কা বা কোন ধরনের অভিযোগ থাকে, সে সব শিক্ষার্থীরা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে থাকে। আবেদন শেষে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে এ ফল প্রকাশ করা হবে।

    বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের ভিত্তিতে উত্তরপত্রের নম্বর পুনরায় গননা করা হয়ে থাকে। শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন করে যে নম্বর দেন, সেটি সঠিকভাবে যোগ হয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়ে থাকে। পুনরায় নতুনভাবে খাতা মূল্যায়ন হয় না।

  • ১২ দেশসেরা শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ১২ দেশসেরা শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশব্যাপী ‘সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৯’ এর নির্বাচিত জাতীয় পর্যায়ের ১২ জন সেরা মেধাবী শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার সকালে গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেকের হাতে সনদপত্র, মেডেল, ক্রেস্ট ও এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সেরা মেধাবীদের হাতে সেরা পুরস্কার তুলে দিতে পেরে আমি অত্যন্ত খুশি। এটা আসলেই একটা আনন্দের বিষয়। বাংলাদেশকে একটি সম্মানজনক স্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে আমরা একটি শিক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেছি। যে নীতিমালায় সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

    তিনি বলেন, শিক্ষা হচ্ছে এক ধরনের আলো। এ আলো থেকে যেন কেউ বঞ্চিত না হয় সে জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটাও কিন্তু হয়েছে গবেষণার ফসল হিসেবে। আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা গণিতে ভয় পায়, বিজ্ঞানে ভয় পায়, এ কারণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছি। তাছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগারকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। বাংলাদেশ নিয়ে এক সময় অনেক অপপ্রচার হয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিজয়ী জাতি। বিশ্ব দরবারে সব সময় মাথা উঁচু করে চলবো। এখন বাংলাদেশ মানে বিশ্বের বিস্ময়। আজ তোমরা যারা পুরস্কার পেলে তোমাদেরকেই এ দেশকে আরও উন্নত এবং সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে। এ দায়িত্ব তোমাদের ওপর।

    শিক্ষা সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) মোঃ সোহরাব হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি, শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন আর্শিয়া নওয়ার। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানসহ সরকারি ও বেসরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ।

    প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি বলেন, এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হল উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অসাধারণ মেধা সম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের খুঁজে বের করা। তাদেরকে ভবিষ্যতে জাতীয় মেধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।

    প্রতিযোগিতায় পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন: ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে প্রথম হয়েছেন মানিকগঞ্জের এস কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ইশরাত জাহান জয়নব (৮ম শ্রেণি), দ্বিতীয় হয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা স্কুলের অর্নব দাস (৯ম শ্রেণি) ও তৃতীয় হয়েছেন খুলনা পাবলিক স্কুলের খুলনা আসিফ আদনান অমি (একাদশ শ্রেণি)।

    দৈনন্দিন বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল স্কুলের দিদারুল ইসলাম সিফাত (৮ম শ্রেণি), দ্বিতীয় মতিঝিল সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের মো: সানজাদ হোসেন (১০ম শ্রেণি)ও তৃতীয় হয়েছেন সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রামের আগাস্ট দীপ নিলয় (একাদশ শ্রেণি)।

    গণিত ও কম্পিউটার বিষয়ে প্রথম হয়েছেন ডক্টর খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তাজরীয়ান তাহরীর (৮ম শ্রেণি), দ্বিতীয় খুলনা জেলা স্কুলের প্রান্তিক কুমাড় মন্ডল (১০ শ্রেণি) ও তৃতীয় হয়েছেন ঢাকার নটরডেম কলেজের অনিকা সাহা (একাদশ শ্রেণি)।

    বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে প্রথম হয়েছেন সিলেটের ব্লু বার্ড স্কুল এণ্ড কলেজের আরশিয়া নাওয়ার (৮ম শ্রেণি), দ্বিতীয় সিলেট সরকারি পাইলট স্কুলের প্রতীক তীর্থ (১০ম শ্রেণি) ও তৃতীয় হয়েছেন চট্টগ্রাম কলেজের জিনান (একাদশ শ্রেণি)।

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। সারা দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। প্রতিবছর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। তিনটি গ্রুপ ও চারটি বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা ১২ জন জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। প্রতিটি জেলা থেকে তিনটি গ্রুপ ও চারটি বিষয়ে নির্বাচিত সেরা ১২ জন বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি বিভাগ থেকে একই ভাবে ১২ জন করে ও ঢাকা মহানগর সহ মোট ১০৮ জন প্রতিযোগি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

  • ফল এলো নুসরাতের আলিম পরীক্ষার

    ফল এলো নুসরাতের আলিম পরীক্ষার

    আগুনে পুড়িয়ে হত্যার শিকার ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি উচ্চ মাধ্যমিক সমমানের (আলিম) একটি মাত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলেন। তিনি কোরআন মাজিদ ও হাদিস বিষয়ে ‘এ’ গ্রেড পেয়েছেন। বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে না পারায় তাকে অনুত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে।

    ২০১৯ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন (৬ এপ্রিল) নুসরাত রাফির শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয় ঘাতকরা। পরে ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুসরাত মারা যান। ফলে কোরআন ও হাদিস বিষয়ের ওই একটি পরীক্ষা বাদে বাকি পরীক্ষাগুলো দেয়া হয়নি তার।

    এর আগে, গত ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী মাদ্রাসার ছাদে কৌশলে ডেকে নিয়ে যান হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা। সেখানে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হলে তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এর ৪দিন পর ১০ এপ্রিল আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    ফলাফল প্রকাশের দিনে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া মামলায় ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আজ বুধবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস সামশ জগলুল হোসেনের আদালতে বেলা ২টায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৬ জুন শাহবাগ থেকে মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে সোনাগাজী সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা শ্রেণিকক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। এমন অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে ওসি মোয়াজ্জেম নিয়ম ভেঙে নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

  • এইচ.এস.সি পরীক্ষায় উর্ত্তীনদের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর অভিনন্দন

    এইচ.এস.সি পরীক্ষায় উর্ত্তীনদের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর অভিনন্দন

    সদ্য ঘোষিত এইচ.এস.সি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে উর্ত্তীন সকল শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি উর্ত্তীন সকল শিক্ষার্থীর উত্তোরত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি যারা উর্ত্তীন হতে পারেনি তাদের হতাশ না হয়ে আগামী পরীক্ষার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আহবান জানান মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

  • বরিশাল বোর্ডে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুন বেড়েছে জিপিএ-৫

    বরিশাল বোর্ডে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুন বেড়েছে জিপিএ-৫

    নিউজ ডেস্ক :: বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টায় শিক্ষাবোর্ড কার্যালয়ের হলরুমে এ ফলাফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম।

    চলতি বছর বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭০.৬৫ শতাংশ। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭০.৫৫ শতাংশ।

    এছাড়া এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০১ জন। যেখানে গত বছর ৬৭০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এ বছর এ বোর্ডে মোট ৬৪ হাজার ৯৬৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

  • বরিশালে ৪ দফা দাবিতে ১২ দিন যাবত নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    বরিশালে ৪ দফা দাবিতে ১২ দিন যাবত নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    নার্সিং পেশায় স্বতন্ত্র পেশাগত ক্যাডার সার্ভিস (বিসিএস সেবা) চালু এবং নতুন কারিকুলাম সংশোধন না করা পর্যন্ত পুরাতন কারিকুলাম বহাল রাখাসহ ৪ দফা দাবিতে টানা ১২তম দিনে রাজপথে নেমেছে বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। গত ১১ দিন ধরে তারা এই দাবিতে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচী, বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ এবং মানববন্ধন করে আসলেও তাদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন কর্ণপাত না করায় এবার রাজপথে নেমেছে তারা। বুধবার ১২তম দিন সকাল ১১টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রখর রোদে নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হল চত্ত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা।

    বাংলাদেশ বেসিক গ্রাজুয়েট স্টুডেস্ট নার্সেস এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি তপু রায়হান খানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল নার্সিং কলেজের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রিজন রায়, রাজিব কুমার মন্ডল, ইকবাল হোসেন, আফিয়া মারিয়া ও ফারজানা আক্তার সহ অন্যান্যরা।

    সমাবেশ থেকে নার্সিং শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণা চান শিক্ষার্থীরা। এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাশ-পরীক্ষা ও পেশাগত দায়িত্ব বর্জন অব্যাহত রেখে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

    টানা আন্দোলনের ফলে পড়ালেখার ক্ষতি হলেও বৃহত্তর স্বার্থের জন্য সাময়িক ক্ষতি মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন শিক্ষার্থীরা।

    নার্সিং পেশায় স্বতন্ত্র পেশাগত ক্যাডার সার্ভিস ‘বিসিএস সেবা’ চালু, নার্সিং শিক্ষার্থীদের ৬ হাজার টাকার ইন্টার্ন ভাতা ২০ হাজার টাকায় উন্নীতকরণ ও ২ হাজার টাকার স্টাইপেন্ড ৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা, সকল নার্সিং কলেজের জন্য ক্লিনিক্যাল প্রাকটিস নার্স পদ সৃস্টি ও পূরণ করা এবং নতুন কারিকুলাম সংশোধন না করা পর্যন্ত পুরাতন কারিকুলাম বহাল রাখার দাবিতে গত ৬ জুলাই থেকে দেশের ৭টি নার্সিং কলেজে একযোগে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের ফলে বরিশাল নার্সিং কলেজ পুরোপুরি অচল হয়ে গেছে।

  • বরিশাল বোর্ডে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

    বরিশাল বোর্ডে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৭০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০১ জন। পাসের হারের দিক থেকে এই শিক্ষা বোর্ডে এবার এগিয়ে আছেন মেয়েরা।

    আজ বুধবার বেলা একটায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আনোয়ারুল আজিম আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

    আনোয়ারুল আজিম জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সামান্য বেড়েছে। এ বছর পাসের হার ৭০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

    এ বছর বরিশাল বোর্ড থেকে ৩৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১১৮টি কেন্দ্রে ৬৩ হাজার ৫৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৪৪ হাজার ৮৮৭ জন। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ২১ হাজার ২৫৮ জন এবং ছাত্রী ২৩ হাজার ৬২৯ জন। পাসের হারে এগিয়ে রয়েছেন মেয়েরা।

    এবারে ঘোষিত ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০১ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৪৩৫, মানবিক বিভাগে ২৮০ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

  • পাশের হারে বোর্ড সেরা বরিশাল জেলা, তলানীতে পটুয়াখালী

    পাশের হারে বোর্ড সেরা বরিশাল জেলা, তলানীতে পটুয়াখালী

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিগত বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বরিশাল জেলা ৭৪ দশমিক ১৭ ভাগ পাশের হার নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে।

    যদিও গত বছরের থেকে এ জেলায় পাশের হার কমেছে ২ দশমিক ১৩ ভাগ। গত বছর এ জেলা ৭৬ দশমিক ৩০ ভাগ পাশের হার নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে।

    এছারা বোর্ডের দেয়া ফলাফলের পরিস্যংখ্যান অনুযায়ী ৬৫ দশমিক ০৯ ভাগ পাশের হার নিয়ে সর্বোনিম্নে ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে পটুয়াখালী জেলা। তবে গতবছরের থেকে এ জেলায় পাশের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৮৭ ভাগ। গত বছরও এ জেলা ৬১ দশমিক ২২ ভাগ পাশের হার নিয়ে বিভাগের সর্বোশেষ অবস্থানে ছিলো।

    এর বাহিরে বোর্ডের আওতাধীন ৬ জেলার মধ্যে ৭৩ দশমিক ২৯ ভাগ পাশের হার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভোলা জেলা। এছাড়াও ৬৯ দশমিক ৫৩ নিয়ে তৃতীয়তে পিরোজপুর, ৬৯ দশমিক ৫২ নিয়ে চতুর্থ স্থানে বরগুনা, ৬৬ দশমিক ৮২ নিয়ে পঞ্চমে স্থানে রয়েছে ঝালকাঠি জেলা। এদিকে পাশের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ এর দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে বরিশাল জেলা। এ জেলায় মোট জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ৭০৮ টি। তবে সবচেয়ে কম ৬৯ টি জিপিএ-৫ পেয়েছে পাশের হারে পঞ্চম অবস্থানে থাকা ঝালকাঠি জেলা।

    যারমধ্যে ছেলে ১৪ ও মেয়েরা ৫৫ টি জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাশের হারের দিক থেকে এগিয়ে থাকা বরিশাল জেলায় ২৩ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৯৮৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। যারমধ্যে ১৭ হাজার ৫১জন ফলাফলে উত্তীর্ন হয়।

    এ জেলায় মেয়েরা জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ শত ৮ টি এবং ছেলেরা ৩ শত টি। আবার হারের দিক থেকে সবার নীচে থাকা পটুয়াখালী জেলায় ১২ হাজার ৬৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ৩৫২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। যারমধ্যে ৮ হাজার ৪০ জন ফলাফলে উত্তীর্ন হয়। এ জেলায় মেয়েরা জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭১ টি এবং ছেলেরা ৪৩ টি।

  • জেএসসির ফরম পূরণের তারিখ ৩০ জুলাই

    জেএসসির ফরম পূরণের তারিখ ৩০ জুলাই

    আগামী ৩০ জুলাই থেকে জেএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে জেএসসির ফরম পূরণ করা যাবে। আর আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া ফরম পূরণের টাকা জমা দেয়া যাবে। ঢাকা বোর্ড প্রকাশিত জেএসসি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের তালিকা ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। তালিকা অনুসারে আগামী ৩০ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে জেএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করা যাবে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া জেএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের টাকা জমা দেয়া যাবে। এছাড়া ২৫ টাকা বিলম্ব ফি দিয়ে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত ফরম পূরণের ফি জমা দেয়া যাবে।