Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ঝালকাঠিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    ঝালকাঠিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    ঝালকাঠিতে অস্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে ঝালকাঠি থানায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সৈয়দ কামাল হোসেন পলাতক রয়েছেন।

    পুলিশ ও নির্যাতিতর পরিবার জানায়, সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের তেরোয়ানা শাহ মাহমুদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সৈয়দ কামাল হোসেনের বাসায় চার বছর ধরে পড়ালেখার পাশাপাশি গৃহকর্মীর কাজ করতো অস্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। গত ১৫ আগস্ট অধ্যক্ষের বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন তিনি। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয় অধ্যক্ষ। ওই ছাত্রী ঘটনা তার বাবা মাকে জানালে রবিবার দুপুরে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

    নির্যাতিত কিশোরীর বাবা অভিযোগ করেন, তাদের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার করপাড়া গ্রামে। দারিদ্র্যতার কারনে ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী তেরোয়ানা শাহ মাহমুদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বাসায় চার বছর ধরে থেকে তার মেয়ে ওই মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছে। শিক্ষকের কাছে ছাত্রীরা নিরাপদের পরিবর্তে উল্টো ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

    ঝালকাঠি থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ওই ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষায় বরিশালে ৮ পরীক্ষার্থী পাস

    এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষায় বরিশালে ৮ পরীক্ষার্থী পাস

    অনলাইন ডেস্ক :

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ৮ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। আর ফল পুনঃনিরীক্ষণে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ পরীক্ষার্থী।

    শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

    শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ৫ হাজার ৩৯০ জন পরীক্ষার্থী ১৬ হাজার ৭৮৫টি পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন।

    যার মধ্যে ৪৮ জনের ফলাফলে পরিবর্তন হয়েছে। এতে ৮ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন এবং নতুন জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৪ পরীক্ষার্থী।

    গত ১৭ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০১ জন।

    এরপর গত ১৮ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করে বোর্ডগুলো।

  • ধর্ষণের অভিযোগে খুবি শিক্ষার্থী পাপ্পু মণ্ডলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

    ধর্ষণের অভিযোগে খুবি শিক্ষার্থী পাপ্পু মণ্ডলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের (অনুষদ) আওতাধীন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী (স্টুডেন্ট আইডি-১৬২৩১৭) পাপ্পু কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২০২তম জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে সিন্ডিকেটের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের এ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিন্ডিকেটের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মণ্ডল গত ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত শেষে কমিটি গত ৪ আগস্ট তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে।

    সিন্ডিকেটের জরুরী সভায় উক্ত রিপোর্ট পেশ করা হলে কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের ঐ শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মণ্ডলের (স্টুডেন্ট আইডি-১৬২৩১৭) বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

  • অসুস্থ ছাত্রকে বাঁচাতে মোটরসাইকেল দেননি শিক্ষক, ক্লাসেই মৃত্যু

    অসুস্থ ছাত্রকে বাঁচাতে মোটরসাইকেল দেননি শিক্ষক, ক্লাসেই মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক :

    দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবহেলায় মো. আব্দুল আজিম মন্ডল (১৬) নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ব্যবহৃত ছয়টি মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, আজিম মন্ডল ক্লাসে অসুস্থ হলে শিক্ষকদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার জন্য সহযোগিতা চাইলে কোনো শিক্ষক সহযোগিতা করেননি।

    বুধবার দুপুরে উপজেলার কাটলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিরামপুর থানা পুলিশ ও হিলি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    মৃত আব্দুল আজিম মন্ডল বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের বেনুপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল মো. আসাদুল ইসলামের ছেলে। ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্র ছিল মন্ডল।

    বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ওমর ফারুক, রায়হান কবিরসহ বেশ কয়েকজন জানায়, আজিম মন্ডল ক্লাস শুরুর দিকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানালে তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।

    পরে মন্ডলকে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিলে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পরামর্শ দেন। সহপাঠীরা ভ্যানযোগে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে বিরামপুর হাসপাতালে যাওয়ার আগেই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

    অসুস্থ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিতে শিক্ষকদের মোটরসাইকেল চাইলেও দেয়া হয়নি এমন অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই।

    বিদ্যালয়ের সভাপতি আলম হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিরামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষকদের মোটরসাইকেলে আগুন দেয় সহপাঠীরা। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

    বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ঝিনাইদহে শিক্ষককে বরখাস্তের নোটিশে ২২ বানান ভুল করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

    ঝিনাইদহে শিক্ষককে বরখাস্তের নোটিশে ২২ বানান ভুল করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি//জান্নাতুল ফেরদৌস:

    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ইংরেজি পড়তে পারে না। বিষয়টি নজরে এসেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের। তাই স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে বরখাস্ত করেছেন তিনি। কিন্তু শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে জারি করা চিঠির ২২ জায়গায় বানান ভুল করেছেন খোদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামান। গত ৩১ জুলাই ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবি মল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদান করেন না বলেও জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এদিকে এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের বক্তব্য, ছাত্রদের ভুলে শিক্ষক বরখাস্ত হলে জেলা শিক্ষা অফিসারের ভুলে কে বরখাস্ত হবেন? সরকারি চিঠিতে ২২টি বানান ভুল থাকায় সর্বত্রই সমালোচনা হচ্ছে। বিষয়টি এখন ফেসবুকে ভাইরাল। এমনকি সরকারি চিঠিতে এমন ভুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও। জেলা শিক্ষা অফিসারদের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীও যদি রিডিং পড়তে পারত আমি ক্ষমা করতে পারতাম। একটি বাচ্চাও রিডিং পড়তে পারেনি। যার রোল নম্বর ২ সেও পারল না। শিক্ষকও রিডিং পড়তে গিয়ে দুটি শব্দ ভুল করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরও ভুল করেছেন। তাহলে আমার কী করণীয়? জাতি আর কত সময় দেবে। আমি বরখাস্ত করেছি। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় মামলা রুজু করব। ভুল বানানের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার বয়স ৫০ এর বেশি। আমার চশমাটা কে বা কারা নিয়ে গেছে। মুখে বলে দিয়েছি, প্রধান সহকারী লিখেছেন। চশমা না থাকার কারণে ঠিকমতো দেখতে পারিনি। খেয়ালও করিনি। সরল বিশ্বাসে স্বাক্ষর করে দিয়েছি। পরে যখন জেনেছি তখন আবার একই স্মারকে সংশোধন করে দিয়েছি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মঞ্জুর কাদির বলেন, ছাত্ররা ইংরেজি পড়তে পারে না এ কারণে শিক্ষককে বরখাস্ত করা ঠিক হয়নি। শিক্ষকের দক্ষতার অভাব থাকতে পারে। কিন্তু সেজন্য তাকে সময় দিতে হবে। জেলা শিক্ষা অফিসার যে ভুল করেছেন সেটাও তার অপরাধ এবং অদক্ষতা। বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

  • পবিপ্রবির ৭ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

    পবিপ্রবির ৭ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

    নিউজ ডেস্ক :

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য এ বছর প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন সাত শিক্ষার্থী। ২০১৮ সালের ফলে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১৬৩ জন শিক্ষার্থী এ পুরষ্কার পাচ্ছেন।

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন- অ্যানিম্যাল সাইন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের শম্পা রানী, কৃষি অনুষদের হাবিবা জান্নাত মীম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের মো. আতিকুর রহমান, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের প্রান্ত সাহা, ব্যবসায় প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা অনুষদের মো. আল ইমরান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের শ্রাবণী সরকার এবং পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান অনুষদের শারমিন আক্তার।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও বৃত্তি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী ২০১৮ সালে অনুষদভিত্তিক অসাধারণ ফল ও প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তাদের নামের তালিকা ইউজিসি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। পরে এই সাতজনকে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত করে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ।’

    উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের হাতে কবে এ পদক তুলে দেওয়া হবে এমন কোন নির্দিষ্ট তারিখ ইউজিসির পক্ষ থেকে এখনও জানানো হয়নি।

  • বরিশাল পলিটেকনিক শিক্ষক-কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি

    বরিশাল পলিটেকনিক শিক্ষক-কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি

    পলিটেকনিক প্রতিনিধি//রাতুল হোসাইন রায়হান:

    বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে দ্বিতীয় শিফটে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মানী ভাতা মূল বেতনের ১০০ শতাংশ হারে পর্যায়ক্রমে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে লাগাতার কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

    বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুর ২টায় বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে কর্মবিরতি পালন কর্মসূচি শুরু হয়।

    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক পরিষদ (বাপশিপ) বরিশাল শাখার সভাপতি মো. ইউসুফ আলী, বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতি (বাপশিস) বরিশাল শাখার সভাপতি মো. রেজাউল বাহার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি (বাকাশিঅকস) বরিশাল শাখার সাধারণ সম্পাদক মিসবাহুল কামাল প্রমুখ।

    কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দ্বিতীয় শিফটের ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও অদ্যাবধি সম্মানজনক কোনো সমাধান হয়নি। ২০১৮ সালের জুন অবদি ভাতা পেলেও জুলাইয়ের ১৮ তারিখ থেকে আমরা দ্বিতীয় শিফটের ভাতা পাচ্ছি না। আমাদের সঙ্গে অবিচার করা হচ্ছে। দ্বিতীয় শিফটে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীদের ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে চলমান দ্বিতীয় শিফট ভাতা চালু এবং অনতিবিলম্বে দ্বিতীয় শিফটে সম্মানী ভাতা মূল বেতনের ১০০ শতাংশ হারে পর্যায়ক্রমে উন্নীতকরণ করতে হবে।

    ‘এ লক্ষ্যেই আজ আমরা সরকারি বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সব শিক্ষক ও কর্মচারীরা লাগাতার কর্মবিরতি পালন শুরু করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এ কর্মবিরতি চালিয়ে যাব।’

    বক্তারা আরও বলেন, চলমান এই সংকট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফটের সব ধরনের ক্লাস, রুটিন তৈরিসহ অন্যান্য অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে ব্যানারসহ ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে অবস্থান করবে।

  • ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মশালা

    ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মশালা

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বরিশাল ডিডাব্লিউএফ ম্যাটস এর আয়োজনে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল ডিডাব্লিউএফ ম্যাটস এর অডিটোরিয়ামে আজ দুপুর ২ঃ৩০ মিনিটে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জহির-মেহেরুন নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান মেহেরুননেসা, দৈনিক ভোরের আলোর সম্পাদক সাইফুর রহমান মিরন, ডিডাব্লিউএফ গ্রূপের পরিচালক প্রশাসন আব্দুল্লাহ আল মাওদুদ, পরিচালক ফিন্যান্স লিটু আহসান, যুগ্ম পরিচালক হাসিবুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন ডিডাব্লিউএফ ম্যাটস এর প্রভাষক এবং ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ।

    ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন ডিডাব্লিউএফ ম্যাটস এর সহঃ অধ্যাপক সুদীপ কুমার নাথ, প্রভাষক ডঃ মোঃ ফেরদৌস খান, ডঃ মোঃ কাসেদুল ইসলাম নয়ন, বরিশাল আইএইচটির প্রভাষক রাকিব হোসেন, ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালের কনসালটেন্ট মোঃ ইমাম হাসান।

    কর্মশালায় ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এর উপর কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ কে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    সনদ পত্র বিতরণের মাধ্যমে বিকাল ৫টায় ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এর এই কর্মশালার সমাপ্তি করা হয়।

  • বরিশালে ২দিন ব্যাপী শিশু আনন্দ মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপ্তি

    বরিশালে ২দিন ব্যাপী শিশু আনন্দ মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপ্তি

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বরিশালে দুই দিনব্যাপী শিশু আনন্দ মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান হল গতকাল। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) প্রশান্ত কুমার দাস সভাপতিত্ব করেন সমাপনী অনুষ্ঠানের।

    প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত বিশ্বাস দাস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষ এবং জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পংকজ রায় চৌধুরী।

    মঙ্গলবার নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলে সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের অংশগ্রহণে শিশু বিষয়ক আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। পরে বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক। দুই দিনব্যাপী শিশু আনন্দ মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবে শিশু সমাবেশ ও প্রদর্শনী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, শিশু নাট্য প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, শিশুদের মেধার বিকাশ হওয়া খুব জরুরী তাই শিশুদের মেধা বিকাশে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

  • এবার ডেঙ্গুতে জাবি ছাত্রীর মৃত্যু

    এবার ডেঙ্গুতে জাবি ছাত্রীর মৃত্যু

    ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। তার নাম ইউ খাইন নু।

    এই ছাত্রীর আত্মীয় মং ল টিন জানান, ইউ খাইন নু ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শনিবার বিকালে নিজ জেলা কক্সবাজারে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ফার্মেসি বিভাগের প্রথম বর্ষের ( ৪৮ব্যাচ) ও প্রিতিলতা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

    জানা যায়, ইউ খাইন নু ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেলে ভর্তি হন। পরে অবস্থার অবনতি হলে নিজ বাড়িতে কক্সবাজার যান। শনিবার বিকালে বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

    ইউ খাইন নুর বাবা মংবা অং মংবা বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয় ইউ খাইন। জ্বর বাড়লে তাকে বাড়িতে আনা হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

    তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে অবস্থা খারাপের দিকে গেলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে চট্টগ্রামে নেয়ার জন্য বলেন। চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে লোহাগাড়ার আমিরাবাদ নামক স্থানে গেলে তার মৃত্যু হয়।

    ইউ খাইন নুর বন্ধু ফার্মেসি ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রিফাত খান বলেন, গত ১৭ জুলাই অসুস্থ অবস্থায় ইউ খাইন নুকে হাসপাতালে নিয়ে যাই আমরা। সেখানে টেস্ট করালে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।

    কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শ্মশানে লাশ সৎকার করানো হবে বলে জানান এই শিক্ষার্থীর বাবা মংবা অং মংবা

    এদিকে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮ থেকে শনিবার সকাল ৮ পর্যন্ত) আরও ৬৮৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    এই সংখ্যা গত এক মাসের (২৬ জুন-২৭ জুলাই) মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২৪ জুলাই সবচেয়ে বেশি ৬৬৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছিল।

    এসব রোগীকে সামাল দিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।

    সরকারি হিসাব অনুয়ায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ৯ হাজার ৬৫৭ জন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন আটজন। তবে বেসরকারি বিভিন্ন সূত্র বলছে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি।

    আইসিডিডিআরবির গবেষণায় যে ওষুধ অকার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে, সেগুলো দিয়েই চলছে ঢাকার দুই সিটির মশক নিধন কার্যক্রম। আর এ কারণেই এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা কমছে না- এমন মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, সিটি কর্পোরেশনের এসব কার্যক্রম স্রেফ লোক দেখানো।

    যদিও সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্টদের দাবি- এ ওষুধেই মশা মরছে। আর নতুন ওষুধ আনার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এ ওষুধ আমদানি করতে সময় লাগবে। অথচ ডেঙ্গুর এ প্রকোপ চলবে আগামী অক্টোবর পর্যন্ত।

    বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চলমান মশক নিধন কার্যক্রম এডিসের প্রজনন রোধে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

    জরুরি ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এখনই এডিস মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে রোগের ভয়াবহতার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা তাদের।

    শুধু বিশেষজ্ঞই নয়, সিটি কর্পোরেশন মশা নিধনে কেন কার্যকর ওষুধ ছিটাতে পারছে না- এই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট বলেছেন, ওষুধ কার্যকর কিনা সে পরীক্ষা আগে কেন করা হয়নি?

    সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এখনও সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের (স্বাস্থ্য অধিদফতর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর) পক্ষ থেকে মশা মারার জন্য প্রস্তাবিত কোনো ওষুধের নাম আসেনি।

    চলতি সপ্তাহেও যদি কোনো ওষুধের নাম বা স্যাম্পল আসে, তাহলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ কিনতে কমপক্ষে চার মাস সময় লাগতে পারে। আর ততদিনে ফুরিয়ে যাবে ডেঙ্গুর মৌসুম। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে ভুগতে হবে অসংখ্য মানুষকে।