Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ববির ৫ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত

    ববির ৫ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত

    ছাত্রজীবনে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৮ এর জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্টার তামান্না হক দৈ‌নিক শিক্ষা‌ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৮ এর জন্য কলা ও মানবিক অনুষদ থেকে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাচ্ছুম ইসলাম নবণী ( সিজিপিএ ৩ দশমিক ৬৫), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ থেকে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আসলাম হোসাইন (সিজিপিএ ৩ দশমিক ৯৪), জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা মুজিব ( সিজিপিএ ৩ দশমিক ৯৯), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া মৌসুম (সিজিপিএ ৩ দশমিক ৯৪) এবং ব্যবসায় অনুষদ থেকে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিন সুলতানা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩ দশমিক ৯০) মনোনীত হয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কতৃক প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৮ এর জন্য আহ্বানকৃত দরখাস্তের প্রেক্ষিতে পাঁচটি অনুষদের সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্ত ৫ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করে তালিকাটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তারা এখনো চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেনি।

    উল্লেখ্য, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও অধিক মনোনিবেশ করে ভালো ফল অর্জনে উৎসাহ প্রদানের জন্য ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রবর্তন করা হয়।

  • চলতি বছরেই প্রাথমিকে আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

    চলতি বছরেই প্রাথমিকে আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

    ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬১ হাজার ১৬৬ জন শিক্ষকের পদ সৃজন করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) প্রথম যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় এ কথা জানানো হয়।সূত্র: জাগো নিউজ

    পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপতিত্বে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা পাঁচটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), জাপান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (জাইকা), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার ছিল সমাপনী সভা।

    যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভার এ কর্মসূচিতে গত এক বছরে হাতে নেয়া বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হয়। এতে খাতওয়ারি পর্যালোচনা, ষাণ্মাসিক পর্যালোচনা, হিসাব নিরীক্ষণ পর্যালোচনা, পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও পর্যালোচনা করা হয়।

    যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বলা হয়; পিইডিপি-৪ প্রকল্প যথাযথ গতিতে এগিয়ে চলছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) কর্মসূচিতে পূর্ত, অবকাঠামো ও প্রকৌশলগত সহযোগিতা করছে।

    পর্যালোচনা সভায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসনিক বিভাগের আলোচনায় জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছর ৬১ হাজার ১৬৬ জন শিক্ষকের পদ সৃজন করা হবে। চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এছাড়া পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের আলোচনায় জানা যায়, গত অর্থবছর (২০১৮-১৯) সারাদেশে দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২৩টি বিদ্যালয়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছর তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ বিদ্যালয় পর্যায়ে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষসমূহে ২৬ হাজার আইসিটি প্যাকেজ বিতরণ করবে।

    পর্যালোচনা সভায় চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির পাঁচটি বিষয় নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন হয়। এগুলো হচ্ছে- প্রাথমিক শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, ন্যায়সঙ্গত অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন, অর্থ ও ক্রয় ব্যবস্থাপনা এবং সুষ্ঠু সমন্বয় ও অংশীদারিত্ব।

    সমাপনী বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি সবার সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই হলো প্রি-প্রাইমারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ। আড়াই সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় অংশ নেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সব প্রতিনিধিকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

    উল্লেখ্য, পাঁচ বছর মেয়াদি চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি সরকারের নেয়া প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সর্ববৃহৎ উদ্যোগ। ২০১৮ সালের জুলাই মাস থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ কর্মসূচি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দ্বারা বাস্তবায়ন করছে।

  • ববি ভর্তির আবেদন শুরু ১লা সেপ্টেম্বর

    ববি ভর্তির আবেদন শুরু ১লা সেপ্টেম্বর

    আগামী ১৮ এবং ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। পাশাপাশি পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এই ভর্তির আবেদন শুরু হবে বলে জানা গেছে।

    বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে এই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও বিস্তারিত কোনো তথ্য সেখানে দেয়া হয়নি।

  • বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশ্নবিদ্ধ শাস্তি!

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশ্নবিদ্ধ শাস্তি!

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক চলতি বছরের এইচ.এস.সি’র ফলাফল অপ্রকাশিত ১৮ জন পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তি জনমনে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন। দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ইতিমধ্যে অভিযুক্ত এক শিক্ষার্থীর মা অসুস্থ হয়ে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অপরদিকে বোর্ড কর্তৃপক্ষের প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তে অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্ত ১৮ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন।
    এদিকে সন্তানদের শিক্ষাজীবন ফিরে পেতে ভুক্তভোগী অভিভাবকরা দক্ষিণ বাংলার অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সাথে দেখা করেছেন।
    সুত্রে জানা গেছে, চলতি আগস্ট মাসের ১৪ তারিখ বরিশাল বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির ৩৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বোর্ডের ওয়েব সাইটে জানানো হয় নিয়ম বর্হিভুতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও উত্তরপত্র জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৮০সালের ৪২ নং আইনের ৮ ধারা মোতাবেক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের “ঘ” শ্রেণীভুক্ত দোষী সাব্যস্ত করে ঐ বছরের অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তী ৩ বছরের জন্য পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি পাবেনা। এদিকে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০১৯ অনুযায়ী অপরাধ ও শাস্তি শিরোনামের ১৮ নং ক্রমিকের “ঘ” ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, পরীক্ষার্থী কর্তৃক পরীক্ষা ভবনের বাইরে অন্যের দ্বারা লিখিত উত্তরপত্র বা লিখিত অতিরিক্ত উত্তরপত্র দাখিল করা এবং উক্ত শিরোনামের ২০ নং ক্রমিকে আরো রয়েছে নিয়ম বর্হিভুতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অপরাধ বিবেচিত হবে।
    এনিয়ে একাধিক ভুক্তভুগী অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের খাতায় অন্যের দ্বারা লিখিত বলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ “ঘ” ধারায় যে শাস্তি দিয়েছে প্রকৃতপক্ষে তা আমাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। কারণ, আমাদের ফলপ্রার্থী সন্তানদেরকে যখন শৃঙ্খলা কমিটি জিজ্ঞেসাবাদ করে তখন হাতের লেখা পরীক্ষা করে কোন অমিল পায়নি এবং তাদের খাতায় নিজ নিজ হাতের লেখা রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
    এসময় অভিভাবকরা আরো বলেন, একই ঘটনায় আনিত অভিযোগের ভিত্তিতে বোর্ডের জনবল গৌতমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ অভিযোগ প্রমাণ করার ক্ষেত্রে তদন্তের নিয়ম রয়েছে। আর তদন্ত সঠিকভাবে পরিচালনার জন্যই অভিযুক্তকে তার দ্বায়িত্ব থেকে দুরে রাখার জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সেক্ষেত্রে তাকে সরাসরি স্থায়ীভাবে বহিস্কারও করা হয়নি কারণ তদন্তের ফলাফলকে কেন্দ্র করেই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু আমাদের এই ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রধান পরীক্ষকের আনিত অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত ছাড়াই স্থায়ীভাবে শাস্তির সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো কিভাবে?
    তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়নি। এককথায় শিক্ষার্থীদের অপরাধ প্রমাণের কোন পদ্ধতিই তারা গ্রহণ করেননি। কেবলমাত্র প্রধান পরীক্ষক সহিদুল ইসলামের সন্দেহ ও অনুমানকে আমলে নিয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
    অপরদিকে এ ব্যাপারে বরিশাল বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইনের নিকট জানতে চাওয়া হয় যে, শিক্ষার্থীদের খাতায় অন্যের দ্বারা লেখানো হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে “ঘ” ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে কিন্তু এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা বলেন আমাদেরকে জিজ্ঞেসাবাদের সময় খাতা দেখানো হয়েছে এবং আমাদের হাতের লেখা পরীক্ষা করে দেখে নিশ্চিত হয়েছে যে খাতায় আমাদের হাতের লেখাই ছিলো। তাহলে কিভাবে এধারায় শিক্ষার্থীদের শাস্তির আওতায় আনলেন।
    এসময় তিনি আরো বলেন, হাতের লেখা তাদের হলেও তারা নিয়ম বর্হিভুতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে এবং “ঘ” ধারার ২০ নং ক্রমিকে তা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু একজন পরীক্ষার্থী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল পরীক্ষা কিভাবে শেষ করলো, যদি তারা নিয়মের মধ্যে না থাকে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিদর্শক কিংবা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে কি কোন অভিযোগ এনেছেন নাকি শুধুমাত্র প্রধান পরীক্ষকের অনুমান ও সন্দেহকে আমলে নেয়া হয়েছে।
    এর কোনো সদুত্তর না দিয়ে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, আপনি এ ব্যাপারে বোর্ড চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন।
    এনিয়ে বরিশাল বোর্ড চেয়ারম্যানকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
    এদিকে শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য বরিশাল আলেকান্দা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: নাসির উদ্দিন বলেন, আমি শৃঙ্খলা কমিটিতে ছিলাম তবে ঐ কমিটির প্রধান বোর্ড চেয়ারম্যান নিজেই। যদি আপনাদের কিছু জানতে হয় তাহলে তার সাথে যোগাযোগ করেন। এব্যাপারে আমি কোন কথা বলবোনা।
    কিন্তু শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ কিভাবে কিংবা কোন পদ্ধতিতে প্রমাণ করলেন জানতে চাইলে, এর কোনো উত্তর নাদিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
    এদিকে ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ব্যাপারে প্রধান পরিক্ষক মোঃ শহিদুল বলেন, আমি গণিত ১ম পত্রের যে নমুনা উত্তর পত্র বোর্ডে জমা দিয়েছি তার সাথে ওই ১৮ শিক্ষার্থীর খাতার হুবহু মিল দেখতে পাই। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীর খাতার উত্তরের সাথে ভাষাগতও মিল রয়েছে, যে কারণে আমার সন্দেহ হয়েছে। কারণ উত্তর প্রদাণের ক্ষেত্রে উত্তর একই হতে পারে কিন্তু ভাষাগত মিল সকল খাতার ক্ষেত্রে একই হয় কিভাবে? এসময় প্রতিবেদক বলে, যেহেতু গণিত বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে সেক্ষেত্রে নিজের মতো করে উত্তর প্রদাণের কোন সুযোগ থাকেনা। কারণ নির্দিষ্ট সুত্র মেনেই সকলকে অংকের উত্তর প্রদাণ করতে হয়।
    আর বরিশাল বোর্ডে অংকে ৫০ এ ৫০ পেয়েছে এমন নজিড় কি আদৌ নেই বা এবছরও এমনটি হয়নি। শুধু তাই নয়, কোন শিক্ষার্থী কেন তার অতিরিক্ত বিষয়ে (ফোর সাবজেক্ট) জালিয়াতি করবেন?
    ঔ বিষয়ে অকৃতকার্য হলেও তার মূল ফলাফলে কোন প্রভাব ফেলবেনা। আর আপনি নিজেও তো অনেক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান, সেক্ষেত্রে আপনার তৈরী করা নমুনা উত্তরপত্র শিক্ষার্থীদের খাতার সাথে এক হওয়া তো অস্বাভাবিক নয়।
    এ ব্যাপারে কোন সদুত্তর মেলেনি। এনিয়ে বরিশাল বোর্ডের নিরীক্ষক আবু সুফিয়ান বলেন, আমি যখন শিক্ষার্থীদের খাতা নিরীক্ষা করি তখন কোন অসঙ্গতি দেখিনি, এমনকি খাতায় কোন বিশেষ দাগ নেই।
  • ম্যানেজিং কমিটির নতুন নীতিমালায় যোগ্য বা অযোগ্য ব্যক্তিও হতে পারবেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি

    ম্যানেজিং কমিটির নতুন নীতিমালায় যোগ্য বা অযোগ্য ব্যক্তিও হতে পারবেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি

    সংসদ সদস্যের পছন্দের ব্যক্তিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি করার প্রবিধানমালা তৈরি করা হয়েছে। এতে যোগ্য বা অযোগ্য যেকোনো ব্যক্তিই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

    প্রস্তুত ২৭৪৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা, ঘোষণা চলতি মাসের শেষে
    তবে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর পাসের হার কম হলে জবাবদিহিতা করতে হবে কমিটির সদস্যদের। এ ছাড়া যখন তখন শিক্ষকদের বহিষ্কারের ক্ষমতাও থাকছে না কমিটির।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা প্রবিধানমালা ২০০৯ সংশোধন খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। এখন তা অনুমোদনের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছ যাবে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাভেদ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিদ্যমান প্রবিধানে সংরক্ষিত আসনের এমপি, জনপ্রতিনিধি, সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সাবেক কর্মকর্তা, শিক্ষানুরাগী এবং স্থানীয় সমাজসেবকদের মধ্য থেকে সভাপতি করার কথা আছে। এতে সংসদ সদস্যের ‘অভিপ্রায়’ অনুযায়ী সভাপতি করার কথা নেই। যে কারও সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রে একটা বিধিনিষেধ ছিল।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে পরিচালনা কমিটির একশ্রেণির সদস্যের নানা ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারী ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের অর্থ লুট, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ-বাণিজ্য করার অভিযোগ আছে। ফলে যোগ্য সভাপতি নির্বাচন প্রতিষ্ঠানের শান্তি-শৃঙ্খলা ও লেখাপড়ার জন্য জরুরি।

    তবে প্রস্তাবিত প্রবিধানে বেশকিছু ইতিবাচক প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তার মধ্যে আছে- ‘ইচ্ছা হলেই’ কোনোরকম অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষকসহ কোনো শিক্ষককে বরখাস্ত করা যাবে না। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পূর্বানুমতি নিতে হবে। কাউকে ৬০ দিনের বেশি সাময়িক বরখাস্ত করে রাখলে পুরো বেতন-ভাতা দিতে হবে। অস্থায়ী কমিটিতে কোনো ব্যক্তি একবারের বেশি থাকতে পারবেন না। অস্থায়ী কমিটি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবে না।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম অথবা কাঙ্ক্ষিত ফল না করলে পরিচালনা কমিটিকে শিক্ষা বোর্ডের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর পর তিন বছর এমন হলে এমপিও বাতিল বা প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে পরিচালনা কমিটি বাতিল করতে পারবে শিক্ষা বোর্ড।

    পরিচালনা কমিটির সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রেও কিছুটা স্বচ্ছতা আনার প্রস্তাব আছে। এরমধ্যে আছে, নির্বাচনের বিষয়ে নোটিশ ছাড়াও জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে। মনোনয়নপত্রের দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার এবং সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা। প্রস্তাবে দাতা সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে টাকা জমা দেয়ার সময় কমিয়ে অর্ধেক বা ৯০ দিন করা হয়েছে। আর দেড়লাখের পরিবর্তে অর্থের পরিমাণ যথাক্রমে ৫০ হাজার ও ৩ লাখ টাকা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানকে জমি লিখে দিলে আজীবন দাতা সদস্য হবেন ব্যক্তি। তার অনুপস্থিতিতে তার সন্তান হতে পারবেন।

    কমিটির সভাপতি বা কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান থেকে পারিশ্রমিক নিতে পারবেন না। কেবল সভা চলাকালীন ‘হালকা খাবারের’ জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা খরচ করা যাবে। কমিটির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের আবেদনে সভাপতি পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে। তদন্ত কমিটির মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত হলেই কেবল শিক্ষককে শাস্তি দেয়া যাবে। কোনো শিক্ষক অদক্ষতা, দুর্নীতি, কর্তব্যে অবহেলা, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কাজ বা পেশাগত অসদাচরণের জন্য দোষী হলে শাস্তি দেয়া যাবে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী ৫ ধরনের শাস্তি দেয়া যাবে।

    এগুলো হলো- তিরস্কার, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিত রাখা, প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হলে দোষী শিক্ষকের বেতন থেকে আদায় এবং চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা। বরখাস্ত বা অপসারণের প্রস্তাব শিক্ষা বোর্ডের আপিল ও সালিশি কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষিত এবং বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

  • বরিশালে ক্লুলেজ দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার-৮, মালামাল উদ্ধার

    বরিশালে ক্লুলেজ দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার-৮, মালামাল উদ্ধার

    বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ক্লুলেজ একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ ডাকাতসদস্যসহ ৮ জনকে গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত বেশ কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

    বৃহষ্পতিবার (২২ আগষ্ট) দুপুর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম(বার)।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১০ জুলাই দিবাগত রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানাধীন টুঙ্গিবাড়িয়ার ধোপাকাঠি এলাকার একটি বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদলের সদস্যরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। যে ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি চৌকস দল তদন্তে নামে। ক্লুলেজ ওই ডাকাতির ঘটনায় বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে এ পর্যন্ত একে একে ৬ জন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র আইন, বিষ্ফোরকদ্রব্য আইন, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

    এছাড়াও ডাকাত সদস্যদের দেয়া তথ্যানুযায়ী আরো ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। যারা ডাকাত সদস্যদের লুন্ঠিত চোরাই স্বর্ণ দীর্ঘদিন ধরে ক্রয় করে আসছিলো। আটককৃতরা হলো বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়ালের মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে ছালাম হাওলাদার (৩৫), একই উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের কাটাদিয়া এলাকার জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মোঃ মনির হাওলাদার (৩০), বানারীপাড়া উপজেলার মসজিদ বাড়ি এলাকার মোঃ মান্নান শেখের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল শেখ (৪০), উজিরপুর উপজেলার উত্তর লস্করপুর এলাকার মৃত কাশেম বেপারীর ছেলে মোঃ মাছুম বেপারী (৩৫), ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সূর্যপাশা এলাকার মৃত আলমগীর হাওলাদারের ছেলে মোঃ খলিল হাওলাদার (৩৫)সহ ৬ জন।

    এছাড়া ডাকাত সদস্যদের দেয়া তথ্যানুযায়ী, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ফরাজি মার্কেটের ব্যবসায়ী ও চোরাইস্বর্নের ক্রেতা আশিষ কর্মকার (৩০) এবং একই উপজেলা সদরের কর্মকার পট্টির হৃদয় জুয়েলার্সের অশোক কর্মকার (৩৮)কে গ্রেফতার করা হয়।

    তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতরা সকলেই আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পাশাপাশি তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী ৩২ ইঞ্চি একটি এলইডি টেলিভিশন, ১ ভরি ৫ রত্তি স্বর্ণ, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দা, সেলাই রেঞ্জ, স্ক্রু ড্রাইভার, শাপল, বেশ কয়েকটি মোবাইল সেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

    উল্লেখ্য, ক্লুলেজ এ ডাকাতির ঘটনার রহস্য উম্মোচন ও ডাকাত সদস্যদের গ্রেফতার অভিযানের নেতৃত্বে থাক সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরী কোতোয়ালি মডেল থানার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে পারাবত লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৮শত পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

    পরবর্তীতে ওই ঘটনার সূত্র ধরে আরো ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরের খাবার: কতটা উপকৃত হবে দেশ

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরের খাবার: কতটা উপকৃত হবে দেশ

    সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ‘মিড-ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) চালু করতে যাচ্ছে। ২০২৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের একবেলা খাবার খাওয়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থীকে একবেলা খাবার দেয়া হবে।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম।

    তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া হ্রাস করতে সারা বছর পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার দিতে এ নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে পাঁচদিন গরম খাবার ও একদিন পুষ্টিকর বিস্কুট দেয়া হবে।’

    একটা বিষয় প্রণিধানযোগ্য, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার’ দিতেই এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। অথচ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হওয়া উচিত মানসম্পন্ন শিক্ষার বাতিঘর।

    দেশে খাদ্যের অভাব আছে, এমন তথ্য সাম্প্রতিককালে কারো জানা নেই। স্কুলগামী শিশুরা না খেয়ে পড়তে যায়, বিষয়টি এমনও নয়। তাছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো দুই শিফটে চলে। এর প্রথমটি চলে দশটা থেকে বারোটা পর্যন্ত, দ্বিতীয়টি বারোটা থেকে চারটা পর্যন্ত। দুটি শিফটের মধ্যবর্তী সময় দুপুর বারোটা।  নিশ্চিতভাবেই এই সময়টা ‘মিড-ডে মিল’ গ্রহণের সময়।

    কিন্তু, প্রথম শিফট যখন শেষ হয়, বাচ্চারা যার যার বাড়ি ফিরে গিয়েই দুপুরের খাবার খেতে পারে।  অপরদিকে দ্বিতীয় শিফটের অপেক্ষাকৃত বড় বাচ্চারা বারোটার দিকে বাড়ি থেকে খেয়েই বিদ্যালয়ে আসে।  স্কুল কর্তৃক সরবরাহকৃত একটি বিস্কুটের প্যাকেট দিয়েই বাকি সময়টুকু স্কুলে নির্ধারিত সময় পার করতে পারবে বলে মনে হয়।

    এখন মিড-ডে মিল চালু হলে দুই শিফটের মধ্যবর্তী সময়ে খাওয়া-দাওয়ার বিশাল আয়োজন হবে।  ছয়-সাতশো ছেলেমেয়ের খাওয়ার আয়োজনটি একটি হুলস্থূল কাণ্ডে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  প্রতিদিন কয়েকশো ছেলেমেয়ের খাওয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে উভয় শিফটের ক্লাসগুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা শিক্ষকদের জন্য সহজ নাও হতে পারে।

    এমনিতেই বর্তমানে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা যথেষ্ট।  ঝরেপড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও অনেকটাই কমে এসেছে। নির্ধারিত ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থী দিয়েই প্রতিটি ক্লাসরুম পরিপূর্ণ থাকে। এদেরকে ধরে রাখার জন্য প্রতিটি স্কুলের ভৌত অবকাঠামোর আধুনিকায়নসহ আনন্দদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাটাই সময়ের সবচেয়ে শ্রেষ্ট চাহিদা। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দঘন পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মনে রাখা প্রয়োজন, প্রলোভন দেখিয়ে আর যাই হোক, পাঠদান হয় না।দুপুরের খাবার-মিড ডে মিল

    ইতিমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সাথে দেশের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম যুক্ত হচ্ছে। এটা অবশ্যই আশার কথা। তবে হতাশার কথা হল, অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঠিকমত পাঠদান হয় না, হচ্ছে না।  যেনতেনভাবে আয়োজিত পিইসি নামের পরীক্ষার রেজাল্টের যে চিত্র আমরা প্রতিবছর দেখি, তার সাথে বাস্তবতার ফারাক অনেক বেশিই থাকে।

    সরকার কোয়ালিটি এডুকেশন চায়। এ জন্য শিক্ষাখাতে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হলেও প্রতিবছর বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। দেখার বিষয় হল, সাধারণ মানুষের করের টাকায় বাজেটে বরাদ্দকৃত টাকা সঠিক উদ্দেশ্যে ঠিকমত ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা।

    বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশ। ভাতের অভাবে দিন কাটায় এমন পরিবার আছে বলে মনে হয় না। তাই, ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পটি শিক্ষার মানোন্নয়নে কী ভূমিকা রাখবে তা কিন্তু অনেকের কাছে স্পষ্ট নয়। তার চেয়ে বরং সব শিক্ষার্থীর ইউনিফরম ও খাতা কলম খরচের পুরোটা সরকার বহন করলে এর কার্যকারিতা বেশি ফলপ্রসূ হতে পারে। মিড ডে মিল প্রকল্পের চেয়ে এক্ষেত্রে খরচের হারও কম হতে পারে।

    দরকার, সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং এর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন।  তৃতীয় পক্ষের কারো পকেট যাতে ভারি না হয়, সেই দিকটায় নজরদারিটাই যে কোন প্রকল্প সফল হওয়ার মূল কারণ। আমাদের ঘাটতি এখানেই প্রবল।

  • দুপুরের খাবার পাবে প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী

    দুপুরের খাবার পাবে প্রাথমিকের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী

    ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করার লক্ষে জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (১৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতির খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।

    বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    জানা গেছে, বর্তমানে ১০৪ উপজেলায় প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুল ফিডিং (বিস্কুট বিতরণ) চালু আছে। এবার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই স্কুল ফিডিং চালু করতে চায় সরকার।

    নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘একটি শিশুর প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিদিনের খাবারে বৈচিত্র্য আনতে পুষ্টিচাল, ডাল, পুষ্টিতেল, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন মৌসুমি তাজা সবজি, ফল এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ডিম দিয়ে খাবার রান্না করা হবে। অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পরামর্শ করে খাবারের মেনু ঠিক করা হবে।’

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন ভিপি নুর

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন ভিপি নুর

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নিজের উপর বারবার হামলার বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর। সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    এছাড়া পটুয়াখালীতে নিজের উপর হামলার ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ডাকসু ভিপি।

    নুর অভিযোগ করে বলেছেন, অন্যায়-অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তিনি ও তাঁর সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা-কর্মীরা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রোষানলের শিকার হচ্ছেন। সরকারের বিরোধিতা করলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন ‘খালেদা জিয়ার মতো পরিণতি’ হতে পারে আওয়ামী লীগ ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের এমন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

    সম্প্রতি নিজ এলাকায় হামলার শিকার হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নেতা নুরুল হক নুর।

    এ প্রসঙ্গে নুর বলেন, গত ১৪ আগস্ট চরবিশ্বাস থেকে আমার বোনের বাড়ি দশমিনা যাওয়ার পথে উলানিয়া বাজারে পটুয়াখালী-৩ এর সাংসদ এসএম শাহজাদা সাজুর নির্দেশে চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী, গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহের নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা হয়।

    ‘শাহিন শাহের ভাই নুরে আলম, লিটু পেদা, আব্বাস পেদা, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম রণো, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক, উলানিয়া যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল, যুবলীগ নেতা ইদ্রিস, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ফরিদ আহসান কচিন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ আসিফ, ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ, তূর্যসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে রড, স্টিলের পাইপ ও চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।’

    সংবাদ সম্মেলনে ডাকুস ভিপি বলেন, হামলায় প্রায় ২০-২৫ জনকে আহত, ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর, দুটি ডিসএলআর ক্যামেরা ও ৮৯ হাজার টাকা ছিনতাই হয়। হামলায় রবিউল, ইব্রাহিম, জাহিদ, রিয়াজ ও আমিসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হই।

    তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু হামলা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, আমাকে চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত করেছে। ডাক্তার সিটিস্ক্যান ও ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করার জন্য বরিশাল মেডিকেলে রেফার করলেও সন্ত্রাসীরা এবং পুলিশ আমাকে জোর করে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

    বারবার হামলা প্রসঙ্গে নুর বলেন, এ পর্যন্ত আটবার ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হাতে হামলার শিকাল হয়েছি। ভিপি হওয়ার আগে তিনবার (৩০ জুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে, ২৪ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি ও ১১ মার্চ রোকেয়া হলে) হামলার শিকার হয়েছি।

    ‘আর ভিপি হওয়ার পর পাঁচবার (১২ মার্চ টিএসসি, ২ এপ্রিল এসএম হল, ২৫ মে ব্রাক্ষণবাড়িয়া, ২৬ মে বগুড়া ও ১৪ আগস্ট উলানিয়া) হামলার শিকার হই।’

    তিনি বলেন, প্রতিবার প্রকাশ্যে ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটলে ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েও পাওয়া যায়নি। পুলিশের নীরব ভূমিকা ছিল সন্ত্রাসীদের সহায়ক।

    নুর বলেন, সর্বশেষ ১৪ আগস্টের ঘটনার দিন হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় গলাচিপা পুলিশের সহযোগিতা চাইলেও ওসি কোনো ধরনের সহযোগিতা করেনি। এমনকি পুলিশের উপস্থিতিতেও সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ আমার আত্মীয় ও সমর্থকদের গ্রেফতারের হুমকিও দেয়। সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে নগ্ন হামলা চালালেও ওসি হামলার কথা অস্বীকার করেন।

    ছাত্রসমাজ ও দেশবাসীর উদ্দেশে ডাকসু ভিপি বলেন, আমি আমার প্রাণনাশের শঙ্কাবোধ করছি। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আপনারা আমার তথা অন্যায়ের-অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার হোন।

    ‘আমি কোনো অন্যায়-অপরাধ করিনি। শুধু অন্যায়-অনিয়মের প্রতিবাদ করার কারণেই আমি ও ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা বারবার ক্ষমতাসীন দলের রোষানলের শিকার হয়েছি। ক্ষমতাসীন দলের নেতা ছাড়াও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকদের কাছ থেকেও প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুখীন হচ্ছি।’

    অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানি করে তার মুখ বন্ধ রাখা যায় না উল্লেখ করে নুর বলেন, জাতির পিতাই বলে গেছেন ‘বাঙালি জাতিকে তোমরা দাবায়া রাখতে পারবা না।’

  • বরিশাল জিলা স্কুল গেটে বখাটেদের উৎপাত

    বরিশাল জিলা স্কুল গেটে বখাটেদের উৎপাত

    বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান দুটি গেটে কিশোর বখাটদের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই সেখানে নানা বিষয়ে কিশোরদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে ওই এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ।

    সর্বশেষ শুক্রবার রাতে এক কিশোরকে বেদম মারধর করেছে প্রতিপক্ষ একদল কিশোর।

    প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, স্কুলের মসজিদ গেটে শুক্রবার রাতে এক কিশোরকে মারধর করে ১০/১২ জনের একদল কিশোর। পথচারীরা বাঁধা দিলেও মারমুখী কিশোরদের নিবৃত্ত করতে পারেননি। ঘটনাস্থলের এক পথচারী জানান, তারা কিশোরদের থামাতে ব্যর্থ হলে পাশেই দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশকে ডাকেন। কিন্তু পুলিশ প্রথমে কর্ণপাত করেননি। পরে পথচারী ও ট্রাফিক পুলিশ বখাটে কিশোরদের ধাওয়া দিয়ে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে।

    ওই পথচারী জানান, স্কুলের দুটি গেটে একদল বখাটে প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত আড্ডা দেয়। তারা প্রায়ই নিজেদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। শুধু তাই নয়, তারা সেখানে বসে মাদক সেবনও করে থাকে। আর কোন উৎসবের বিষয় থাকলে সেখানে সাউন্ড বক্স বসিয়ে নাচানাচি ও মাদক সেবন করে স্থানে। এমনকি জিলা স্কুলের সামনে থেকে প্লানেট ওয়ার্ড শিশু পার্ক, বঙ্গবন্ধু উদ্যান, গ্রীন সিটি পার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যাতায়াতরত মেয়েদের উত্তক্ত করে থাকে। এসব ঘটনায় প্রায়ই অপ্রতিকর ঘটনা ঘটে থাকে।

    জানা গেছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়াই উটতি বয়সি ছেলেরা এ সব কাজ করছে। বিকেল থেকে এই উপদ্রব শুরু হয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের আড্ডা ও মাদক সেবনের পালা। যদিও এই স্কুলের ১ম গেটের সামনে অবস্থান করছে বরিশাল সাকিট হাউজ ও ২য় গেটের সামনে অবস্থান করছে বরিশাল ক্লাব। কিন্তু তার পরও নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে যাচ্ছে তারা।

    এই দুই গেটের নেতৃত্বে যারা রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম রুবায়েত, জাবেদ, সিফাত (ছোট), তাজিন, রিফাত, তাহসিন, রিক্তী, তুষার, জাহিদ প্রমুখ। গত বৃহস্পতিবার ডিবি পুলিশ এই গ্রুপের দুই সদস্য শাওন ও আল-আমিনকে আটক করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

    কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ওই স্থানে আমাদের নিয়মিত অভিযান রয়েছে। কয়েকদিন আগেও ওই গেট একটি ঘটনায় মামলা হয়েছে। এর আগেও ওই স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা ওই স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

    এব্যাপারে জিলা স্কুলের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রন কমিটির সভাপতি ও বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ আসলে আমরা খতিয়ে দেখবো। পাশাপাশি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতো বলা হবে। কোনভাবে স্কুল গেটে আড্ডাবাজি করতে দেয়া হবে না। শুধু জিলা স্কুলই নয়, সদর গালস স্কুলের সামনেও আড্ডা দিতে না পাবে এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো।’