Category: শিক্ষাঙ্গন

  • চার ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, বড় হুজুর বললেন ষড়যন্ত্র

    চার ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, বড় হুজুর বললেন ষড়যন্ত্র

    অনলাইন ডেস্ক :

    নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় একটি মাদরাসায় চার ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা বড় হুজুর খ্যাত মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি টিম। শনিবার দুপুর ২টার দিকে ফতুল্লার ভূইগড় আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুস সাকিব বলেন, দুপুরে ফতুল্লার ভূইগড়ে আবাসিকে দারুল হুদা মহিলা মাদরাসায় অভিযান চালিয়ে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। ছয় বছর আগে তিনি এ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মাদরাসায় বড় হুজুর হিসেবে পরিচিত।

    তিনি আরও বলেন, কয়েকজন অভিভাবকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজন ছাত্রীর বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। তাছাড়া বড় হুজুরের মোবাইলেও বেশ কিছু রেকর্ড পাওয়া গেছে। এছাড়া তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও চার ছাত্রীকে যৌন হয়রানির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

    জর তালুকদার নাজমুস সাকিব জানান, যৌন হয়রানির শিকার প্রত্যেকের বয়স ১০ থেকে ১৭ বছর। মোস্তাফিজুর রহমানকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বিস্তারিত সব কিছু জানা যাবে।

    র‌্যাব জানায়, মোস্তাফিজুর রহমান ওই মাদরাসাতেই পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলাতে। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

    তবে আটক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এলাকার আবু তাহের ও মাহাবুবুর রহমানসহ আরও কয়েকজন মিলে পরিকল্পনা করে ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এসব নাটক সাজিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সত্য না।

  • সমাপ্ত হল ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র  সায়েন্স অলিম্পিয়াড বরিশাল পর্ব

    সমাপ্ত হল ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড বরিশাল পর্ব

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড এর বরিশাল পর্বের সমাপ্ত হয়ে গেল। আল-আরাফাহ ব্যাংকের আয়োজনে ইগলু আইস্ক্রিম, প্রথম আলো, বরিশাল ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের সহযোগিতায় বরিশাল ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের ক্যাম্পাসে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হল ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড বরিশাল পর্ব।

    অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন পরামানু চিকিৎসা কেন্দ্র বরিশাল এর পরিচালক ডাঃ নাফিজা জাহান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ বাসন্তী সমর্ধার। আরো উপস্থিত ছিলেন একাডেমীক পরিচালক সুদীপ কুমার নাথ,আইটি অফিসার তৌসিফ ইসলাম শাওন, কনসালটেন্ট বায়োকেমিস্টিরি ইমাম হাসান, ডেন্টিস ডাঃ মেহেদী হাসান, প্রভাষক রাকিবুল হাসান,সুবোধ মন্ডল।

    সার্বিক সহযোগিতা করেন মোঃ নাঈম হাসান। বরিশালের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন এই সায়েন্স অলিম্পিয়াড এ। ১ঘন্টা ১৫ মিনিটের পরীক্ষার পর দুপুরেই বরিশাল পর্বের রেজাল্ট ঘোষণা করা হয়।

    ২২ জন ঢাকায় জাতীয় পর্বের জন্য উত্তির্ন হয়েছেন। উল্লেখ্য, কাতারে ১৬ তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড এ অংশ গ্রহন এর লক্ষ্যে বাংলাদেশে চলছে বিভাগীয় পর্যায় বাছাই পর্ব।সমাপ্ত হল ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড বরিশাল পর্ব স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য। ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড এর বরিশাল পর্বের সমাপ্ত হয়ে গেল। আল-আরাফাহ ব্যাংকের আয়োজনে ইগলু আইস্ক্রিম, প্রথম আলো, বরিশাল ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের সহযোগিতায় বরিশাল ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের ক্যাম্পাসে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হল ৫ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড বরিশাল পর্ব। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন পরামানু চিকিৎসা কেন্দ্র বরিশাল এর পরিচালক ডাঃ নাফিজা জাহান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ বাসন্তী সমর্ধার। আরো উপস্থিত ছিলেন একাডেমীক পরিচালক সুদীপ কুমার নাথ,আইটি অফিসার তৌসিফ ইসলাম শাওন, কনসালটেন্ট বায়োকেমিস্টিরি ইমাম হাসান, ডেন্টিস ডাঃ মেহেদী হাসান, প্রভাষক রাকিবুল হাসান,সুবোধ মন্ডল। সার্বিক সহযোগিতা করেন মোঃ নাঈম হাসান। বরিশালের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন এই সায়েন্স অলিম্পিয়াড এ। ১ঘন্টা ১৫ মিনিটের পরীক্ষার পর দুপুরেই বরিশাল পর্বের রেজাল্ট ঘোষণা করা হয়।২২ জন ঢাকায় জাতীয় পর্বের জন্য উত্তির্ন হয়েছেন। উল্লেখ্য, কাতারে ১৬ তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড এ অংশ গ্রহন এর লক্ষ্যে বাংলাদেশে চলছে বিভাগীয় পর্যায় বাছাই পর্ব।

  • বরিশালে শিক্ষকদের কোচিং ফাঁদে নিরুপায় শিক্ষার্থী-অভিভাবক, নিশ্চুপ প্রশাসন

    বরিশালে শিক্ষকদের কোচিং ফাঁদে নিরুপায় শিক্ষার্থী-অভিভাবক, নিশ্চুপ প্রশাসন

    বরিশালের স্কুলগুলোতে অতিরিক্ত ক্লাসের নামে বাধ্যতামূলক কোচিং, শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি, বাড়তি ফি আদায়ে হতাশ অভিভাবক মহল, দেখার কেউ নেই। কোচিং বাজ শিক্ষকদের রুখবে কে?

    দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালে নীতিমালা জারি করে সরকার। এ নীতিমালা শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না তা দেখভালের দায়িত্ব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)। অথচ শিক্ষকরা এ নীতিমালা না মেনে পুরোদমে প্রাইভেট টিউশনিতে ব্যস্ত। তাহলে বরিশাল মাউশি কী করছে?

    সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, কোচিং বানিজ্য বন্ধে নীতিমালার যে বিষয়গুলোতে নজর দেওয়া দরকার তা করছে না বরিশাল মাউশি।

    মাঠ পর্যায়ের চিত্র বিশ্লেষণে বলা যায়, বরিশালের স্কুল-কলেজে নেই মনিটরিং। স্কুল-কলেজে কী হচ্ছে তা জানেনা বরিশাল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। যেন গাছাড়া ভাব। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল কলেজে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে একাধিক বিধিমালা করা হয়েছে। এ বিধিমালা ঠিকমতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানা হচ্ছে কি না তা দেখার দায়িত্ব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের।

    কিন্তু বরিশাল মাউশি কি তার এসব দায়িত্ব পালন করছে এমন প্রশ্ন অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের।

    বরিশাল নগরীর কলেজিয়েট স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, স্কুলটির বিভিন্ন শ্রেণিতে পুরোদমে বাধ্যতামূলক কোচিং করানো হচ্ছে। এমন কী কোচিং করানো নামে অভিভাবক সম্মতির আবেদন ফরমে বাধ্য করে স্বাক্ষর নিচ্ছে ।

    আবার কিছু কিছু শিক্ষক স্পেশাল ক্লাসের নামে নিজের বাসায় কোচিং করাচ্ছে যা, অনুসন্ধানে বেড়িয়েে এসেছে। কোচিংয়ের নামে লাখ লাখ টাকা তুলে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধান ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। অথচ সরকারে নীতিমালা অনুযায়ী কোনো স্কুল-কলেজে বাধ্যতামূলক কোচিং করা যাবে না।

    শুধু কলেজিয়েট স্কুল নয়, জিলা স্কুল, বালিকা বিদ্যালয়, উদয়ন স্কুল, মডেল স্কুল, শহিদ আরজু মণি স্কুল, অক্সফোর্ড মিশন স্কুল, বিএম স্কুল, সরস্বতি স্কুল, কাউনিয়া বালিকা বিদ্যালয়সহ বরিশালের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা মানছে না শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নীতিমালা।

    বরিশাল মাউশি এ বাধ্যতামূলক কোচিং বন্ধে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। মাঝে মাঝে বরিশাল জেলা প্রশাসকের উদ্দ্যেগে ভ্রাম্যমান ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা ফ্রি লানসারদের কোচিংগুলোকে অর্থদন্ড করা হলেও ধরাছোয়ার বাইরে থাকছে স্কুল শিক্ষকদের কোচিংগুলো। যা জনমনে প্রশ্ন উঠছে কোচিং করানো নিষিদ্ধ সরকারি-বেসরকারি স্কুল শিক্ষকদের আর জরিমানা করা হচ্ছে প্রাইভেট কোচিংদের।

    তাই এ বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সচেতন অভিভাবকমহল।

    উচ্চ মাধ্যমকি শিক্ষা অধিদপ্তররে সহকারি পরিচালক শামসুল আরেফিন বলেন, বিষটি শুনেছি। অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বরিশালে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে রক্তাক্ত কলেজের উপাধ্যক্ষ

    বরিশালে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে রক্তাক্ত কলেজের উপাধ্যক্ষ

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রকাশ কুমার মালাকা, বাবু বাহিনীর হামলায় আহত হওয়ার ঘটনায় মামলা । বুধবার রাতে তিনি নিজেই বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় এ মামলাটি করেন।

    মামলায় বাহিনীর প্রধান আশরাফুজ্জামান ওরফে বাবু ও তার সহযোগী মেহেদী হাসান সিকদারকে আসামি করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মনির ডাকুয়ার ছেলে আশরাফুজ্জামান ওরফে বাবুর। বাবার প্রভাব খাটিয়ে সে দীর্ঘদিন যাবত কলেজ ক্যাম্পাসে নানা ধরনের অপকর্ম করে আসছিল।

    নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা দাবি করা এই বখাটের ১০ থেকে ১৫ জনের একটি গ্যাং আছে। বাবু ও তার সহযোগীরা কলেজে ঢুকে প্রায়ই ছাত্রীদের উত্যক্ত করত। এছাড়া মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন, কলেজ চলাকালীন সময় বহিরাগত সন্ত্রাসী আশরাফুজ্জামান ওরফে বাবু ও তার সহযোগি মেহেদী হাসান সিকদারসহ অন্য সহযোগিরা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রীদের উত্যক্ত করে আসছিল।

    তিনি বলেন, বুধবার বেলা ১১টার দিকে কলেজ চলাকালীন সন্ত্রাসী বাবু ও মেহেদী ক্যাম্পাসে ঢুকে আড্ডা দিতে থাকলে দফতরি মুনসুর তাদের বের হয়ে যেতে বলেন। এ সময় তারা মুনসুরকে গালিগালাজ করলে সে অফিসে এসে বিষয়টি উপাধ্যক্ষ প্রকাশ কুমার মালাকারকে জানায়। উপাধ্যক্ষ তখন ক্লাস চলাকালীন সময়ে বাবু ও তার সহযোগিদের কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে আড্ডা দিতে নিষেধ করেন।

    তিনি আরও বলেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী মেহেদী উপাধ্যক্ষের নাকে আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় বাবুও উপাধ্যক্ষকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। তখন শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে বাবু ও তার সহযোগি মেহেদী পালিয়ে যায়।

    পরে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার সাঈদ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরির্দশন করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দেন। পরে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান সিকদারকে গ্রেফতার করলে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ তুলে নেয়।

    হামলার শিকার উপাধ্যক্ষ প্রকাশ কুমার মালাকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাবু বাহিনী ক্লাশ চলাকালীন মোটরসাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়া, মেয়েদের উত্যক্তসহ নানা অপকর্ম করত। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বাবু ও মেহেদীকে ক্যাম্প্যাস থেকে চেলে যেতে বললে তারা আমার ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

    কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান দোলন এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হামলাকারীদের সঙ্গে কলেজ ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রধান অভিযুক্ত বাবু ডাকুয়কে আজ (২৫ জুলাই) সকালের মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে তারা মানববন্ধন, বিক্ষোভ-সমাবেশ ও সড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর কর্মসূচি পালন করবেন।

    জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার সাঈদ জানান, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মেহেদীকে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক বাবুকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেয়া হবে না।

  • বরিশালে বেসরকারী শিক্ষকদের প্রতীক অনশন কর্মসূচী পালন

    বরিশালে বেসরকারী শিক্ষকদের প্রতীক অনশন কর্মসূচী পালন

    বেসরকারী শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বাড়ি ভাড়া প্রদান, অবসর সুবিদা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য অতিরিক্ত ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয় করণের দাবীতে প্রতীক অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বরিশাল জেলা শিক্ষক সমিতি।

    আজ বুধবার দেশব্যপি কর্মসূচীর অংশ হিসাবে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে এই কর্মসূচী পালন করেন শিক্ষক সমাজ।

    বরিশাল জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আঃ মালেকের সভাপতিত্বে প্রতীক অনশন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল আঞ্চলিক শাখা সভাপতি ফরিদুল আলম জাহাঙ্গীর,সাধারন সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, বরিশাল জেলা শিক্ষক সমিতি সাধারন সম্পাদক আসাদুল হক আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম
    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি দাশ গুপ্ত আশিষ কুমার, মহানগর সভাপতি এইচ.এম জসিম উদ্দিন সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

    পরে দুপুর ১ টায় মহিলা নেত্রী রাবেয়া বেগম শিক্ষকদের প্রতীক অনশন পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।

  • বরিশালে কলেজ অধ্যক্ষ’র বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    বরিশালে কলেজ অধ্যক্ষ’র বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার সৈয়দ আফছার আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে কলেজ তহবিলের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

    তিনি ভূয়া ভাউচারের মাধ্যমে ঘাটতি শোধের নামে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং এছাড়াও উপবৃত্তির সরকারি অংশ সভাপতির মৃত্যুর পর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন ও অপরিকল্পিত ব্যয় নামে দেড় লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি কলেজের্ আয়-ব্যয়ের হিসাব গর্ভনিং বডির সভায় উত্থাপন না করায় কলেজ সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মুজিবুর রহমান তাকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদাণ করেন বলে জানা গেছে।

    অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি ক্ষমা করার জন্য একটি রেজুলেশন লিপিবদ্ধ করে কোন সভা ছাড়াই অনুমোদন চান অধ্যক্ষ যার সভা নম্বর দেখিয়েছেন ২৪০। কিন্তু সভাপতি,শিক্ষক প্রতিনিধি এবং জনৈক অভিভাবক সদস্যদের বাঁধার কারণে সেটি আলোর মুখ দেখেনি।

    ইতোমধ্যে শিক্ষক প্রতিনিধিদের মেয়াদ শেষ অত্যাসন্ন এবং সভাপতি বর্তমানে ঢাকা ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এই সুযোগে গর্ভনিং বডির কোন সিদ্ধান্ত কিংবা সভাপতিকে অবহিতকরণ ব্যতিরেকে অধ্যক্ষ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

    জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বর্তমান প্রতিনিধিগণ বরিশাল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন যার নম্বর ১৩৬/২০১৯। মামলার শুনানী শেষে সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য বিচারক অপেক্ষান রাখেন। কিন্তু নির্বাচনের তারিখ কাছে আশায় মামলার কৌশলী মোঃ আজাদ রহমান ২১ জুলাই ই-মেইলে অধ্যক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়ে নির্বাচন স্থগিত রাখার অনুরোধ করেন। কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধি প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক সরদার মো: মনিরুজ্জামান এবং প্রভাষক মানসী বিশ্বাস আইনজীবি আজাদ রহমানের মাধ্যমে এই লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন।

    পাশাপাশি ২২ জুলাই দুইজন শিক্ষক প্রতিনিধি নোটিশের কপি নিয়ে গেলে তিনি তা রাখতে অস্বীকৃতি জানান এবং ২২ জুলাই নির্বাচন সম্পন্ন করেন।

    এই সকল অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দ আফছার আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, এরকম কোনো বিষয় তার জানা নেই। আর অর্থ আত্মসাতের বিষয়টা হাস্যকর। তবে আদালতে যদি মামলা হয়ে থাকে সেই কাগজপত্র আমি হাতে পাইনি। হাতে পেলে বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে।

  • বরিশালে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন, বারান্দায় শিশুদের পাঠদান

    বরিশালে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন, বারান্দায় শিশুদের পাঠদান

    বরিশাল নগরের রুপাতলী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন সংকটের কারণে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বর্তমানে যে শিক্ষার্থীরা রয়েছে, তাদেরও বিদ্যালয়ের পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বারান্দায় নয়তো বিদ্যালয়ের পাশের মসজিদের বারান্দায় বসে পাঠগ্রহণ করতে হয়।

    এ চিত্র বরিশাল নগরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৪ নম্বর পশ্চিম রুপাতলী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। মাত্র পাঁচজন শিক্ষক নিয়েই চলছে এ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। এ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগ সময়ই কাটাতে হচ্ছে ভবন ধসের ঝুঁকি নিয়ে আর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছোটাছুটি করে।

    বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আ. রব হাওলাদার জানান, বিগত ১০ বছর ধরে এ বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ পুরোনো ভবনের স্থলে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পেতে লেখালেখি আর ছোটাছুটি করে যাচ্ছেন তিনিসহ বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকরা। কিন্তু এখনও নতুন ভবন তৈরির জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ কয়েক বছর আগে পাওয়া এককালীন সরকারি বরাদ্দের টাকা দিয়ে একটি টিনের ঘর নির্মাণ করা হলেও দুই সপ্তাহ আগে ঝড়ের সময় গাছ পড়ে সেটিও ধ্বংস হয়ে যায়।

    বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫৪। তাদের জন্য তাদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র দুইটি শ্রেণিকক্ষের। আর বাকি দু’টির মধ্যে একটিতে শিক্ষকরা, অন্যটিতে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল রাখা হয়।

    অন্যদিকে এই বিদ্যালয়ে ভবন সংকটের পাশাপাশি রয়েছে শিক্ষক সংকট। বিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে মাত্র পাঁচজন শিক্ষক। এছাড়া গত মাসে এ বিদ্যালয়ের জন্য সরকার থেকে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর পাওয়া গেলেও, এটি ব্যবহারের জন্য কোনো শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। ফলে অকেজোই পড়ে রয়েছে এটি।

    এছাড়া বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নেই কোনো নির্ধারিত শিক্ষক কিংবা শ্রেণিকক্ষ। কোনোমতে বিদ্যালয়ের পাশে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে চালানো হচ্ছে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

    বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহামুদা বেগম বলেন, ২০১৮ সালে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২৮। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫৪। ভবন সংকটের কারণে দিন দিন শিক্ষার্থী কমছে। যা বিদ্যালয়ের জন্য হুমকিস্বরূপ।

    প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বিদ্যালয়ের ভবন সংকটের কারণে দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে। ভবন নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এছাড়া অনতিবিলম্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটও দূর করা প্রয়োজন।

    ‘তাই এই বিদ্যালয়ে একটি ভবন নির্মাণ করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া হোক- সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এমন দাবিই জানাই।’

  • মোবাইলে ছাত্রীদের পর্নো ভিডিও দেখাতেন প্রধান শিক্ষক

    মোবাইলে ছাত্রীদের পর্নো ভিডিও দেখাতেন প্রধান শিক্ষক

    অনলাইন ডেস্ক :

    নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে ইউছুফ হোসেন নামে (৫৫) এক প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।

    অভিযুক্ত ইউছুফের বাড়ি সোনাইমুড়ী উপজেলার কাশিপুর এলাকায়। তিনি নাটেশ্বর ইউনিয়নের পূর্বমির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

    সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ জানান , পূর্বমির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউছুফ বেশ কয়েকদিন ধরে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির একাধিক ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে মোবাইলে পর্নো ভিডিও ও ছবি দেখাতেন। একই সঙ্গে তিনি ক্লাস ও অফিস কক্ষে ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে তাদের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিতেন। ছাত্রীদের বাথরুমের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে উঁকি দিতেন। এছাড়াও কয়েকজন ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টাও করেন ওই শিক্ষক। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তাদের পরিবারের লোকজনকে জানায়। এর ভিত্তিতে শনিবার সকালে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ও স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক ইউছুফকে আটক করেন।

    তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক ইউছুফের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

  • বরিশালে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি গঠনের অভিযোগ

    বরিশালে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি গঠনের অভিযোগ

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পকেট কমিটি গঠন করায় সমালোচনায় অভিভাবকদের তোপের মূখে পরেছে।বাকেরগঞ্জের উপজেলার ৮ নং নলুয়া ইউনিয়নের আবুল কাশেম মোল্লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি স্কুল কমিটি রাতের আধারে গঠন করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাতাব উদ্দিন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সকলের অগচরে ৯ সদস্যদের একটি কমিটি গঠন করে তা বোর্ডে জমা দিয়েছে৷ আর এতেকরে স্কুলটির অন্যান্য শিক্ষক, অভিভাবক সহ এর আগের কমিটিতে থাকা সদস্যদের মধ্যে সমালোচনায় তোপের মূখে পরেছে প্রধান শিক্ষক। স্কুল কমিটি গঠন করার নিয়মে অভিভাবকদের ভোটে তাদের সমন্বয়ে গঠিত হবে কমিটি৷ কিন্তু প্রধান শিক্ষকের এহেন কান্ডে অভিবাবকদের তোপের মূখে পরে পকেট কমিটির সদস্যরা।

    একাধিক অভিবাবক সহ শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে পূর্বে থাকা কমিটির সভাপতির কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহন করে পকেট কমিটি গঠন করে প্রধান শিক্ষক মাহাতাব উদ্দিন।

    এ ব্যাপারে এ পকেট কমিটির বিপরীতে বরিশাল জেলা জজ কোর্টে মামলা দায়ের করনের প্রস্তুতি নিয়েছে সাবেক কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ অভিবাবকরা।

  • দিনে-দুপুরে ছাত্র-ছাত্রীর অশ্লীল কাজ, দেখে লজ্জা পেলেন প্রক্টর

    দিনে-দুপুরে ছাত্র-ছাত্রীর অশ্লীল কাজ, দেখে লজ্জা পেলেন প্রক্টর

    অনলাইন ডেস্ক :

    দিনে-দুপুরে আপত্তিকর অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীকে ধরলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে সিনেট ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়।

    ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী ও তৃতীয় বর্ষের একই বিভাগের ছাত্র অর্ধ-উলঙ্গ অবস্থায় অশ্লীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। পরে তাদের হাতেনাতে ধরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, সিনেটের পরিবেশ রক্ষার্থে অশালীন কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের জন্য ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আমরা প্রক্টরিয়াল বডি সেখানে উপস্থিত হই। যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পাই একেবারে অর্ধ-উলঙ্গ ও জঘন্য অবস্থায় দুই শিক্ষার্থী সিনেটের পাশে বসে আছে।

    পরিস্থিতি এমন যে, লজ্জা পেয়ে আমাদের উল্টো সংযত হয়ে পেছনে ফিরে যেতে হলো। পরে তারা পোশাক-আশাক ঠিক করলে তাদের প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে যাই। এরপর তাদের জেরা করে মুচলেকা নেই। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ভবিষ্যতে লিপ্ত না হওয়ার শর্তে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে আমার।

    প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান আরও বলেন, ক্যাম্পাসে অশালীন পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এরকম অবস্থায় দেখলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে, সে যেই হোক।